আমার প্রিয় পোস্ট

আমন্ত্রন রইল http://www.somewhereinblog.net/group/MyRajshahi

ঢাকা শহর ধ্বংস হোক

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫৭

শেয়ারঃ
0 0 0

বাংলাদেশের প্রাণকেন্দ্র ঢাকা। এই শহরকে ঘিরেই সব কিছু। দেশের সব কিছুই কেন্দ্রীভূত এখানে। কোটির উপর মানুষের বসবাস। পুরো দেশ খালি করে দিয়ে মানুষ এখানে ছুটে আসছে কাজের সন্ধানে। ঢাকার বাতাসে নাকি টাকা উড়ে। তবে কি সব সোনা কি ঢাকাতেই ফলে? আসলে ব্যাপারটি তা নয়, মূল ব্যাপারটি হলো সব রকম সুযোগ সুবিধা দখল করে আছে ঢাকা শহর। দেশের অন্যকোন শহরে কর্মসংস্থান নেই।

প্রতিদিন কয়েকশত মানুষ নতুন করে আসছে ঢাকায় মোটামোটি স্থায়ী ভাবে বসবাসের উদ্দেশ্যে। তাহলে এভাবে চলতে থাকলে একদিন কি হবে, সে পরিস্থিতি কি একবার ভেবে দেখেছে? তবে সেদিন আর দুরে নয়, যেদিন একটা দুর্যোগ ঘটবে ঢাকায়। পুরো দেশ সেদিন হবে অচল।

প্রতিদিন রাস্তায় বের হলে বোঝা যায় এ শহরের বর্তমান অবস্থা। শহরের একটি বাসার সাথে আরেকটি বাসার গায়ে গায়ে লাগালাগি। রাস্তায় চলতে গেলে একে অপরের সাথে সংঘর্ষ। কারো মনে কোন করুনা নেই। সবাই সবার উপরে উঠতে চায়। পাশের বাড়ীতে কি হচ্ছে কেউ খবর রাখে না। ও বাড়ীতে একটা লোক মরলো কি জন্মালো কেউ খবর রাখে না। মুখ দেখাদেখিও পর্যন্তও নেই। এমন একটা ভাব সবাই সবার শত্রু।

অথচ আমাদের গ্রামগুলোর দিকে একটু খেয়াল করে দেখুন। সবাই সবাইকে জানে, মানে। এখানে কোন ভেদাভেদ নেই। এ শহরে কেউ কাউকে সম্মান করে না। বড় ছোটতে কোন ভেদাভেদ নেই।

এমন কোন জায়গা নেই যেখানে কোন সমস্যা নাই এই শহরে। নয়টার অফিস ধরতে ভোর পাঁচটা থেকে তোড়জোড় আর অফিস থেকে বাড়ী কখন ফিরা হবে তারও নেই কোন নিশ্চয়তা। তার উপর শহর জুড়ে আছে খারাপ মানুষের উৎপাত। চলতে গেলে বোঝা যায় তাদের তৎপরতা। সুতরাং দুটি চোখের সাথে যোগ করতে হয় আরো হাজারও চোখ। একটা চোখ রাস্তায়, একটা নিজের পিছনের পকেটে মানিব্যাগে। একটা বুকপকেটে, একটা মোবাইলের উপরে। নিজেকে রক্ষা করার জন্য হতে হয় অনেক সচেতন। আর এ থেকেই একটু অনিয়ম হলেই হয় যত দুর্ঘটনা।

মানুষ আর মানুষ। চলছে তো চলছেই। জ্যামে পুরো রাস্তা গুমোট অবস্থা। কবে হবে এসবের অবসান? কে নিবে দায়িত্ব? সরকারও নিরব। নাই কোন নিয়মনীতির প্রয়োগ আর নিয়মনীতি মানার তো কোন বালাই নেই কারো ভিতরে।

এভাবে কিচ্ছু হবে না। কেউ পারবেনা এই জটিল অবস্থা থেকে উদ্ধার করতে। অনেক গোলটেবিল বৈঠক হয়েছে, অনেক মঞ্চ গরম হয়েছে এসব বক্তৃতা দিয়ে। বিড়ালের গলায় ঘন্টা আমরা কেউই পড়াতে পারিনি। তাই বসে আছি সেদিনের দৃশ্য দেখার জন্য। যেদিন সব অচল হবে।

থাকবে পুরো রাস্তা জুড়ে অনড় যানবাহনগুলো। কোন বিদ্যুত থাকবে না, পাম্পে তেল থাকবেনা, গ্যাস থাকবে না, ফাইবার লাইন কাটা থাকবে, টেলিফোন, স্যাটেলাইট, পানি সহ সব থাকবে অচল। পুরো নগরজীবন হবে বিপর্যস্থ।

আর যখন সমাজের সব স্তরের মানুষগুলোর (টপ টু বটম) এসবের জন্য হাহাকার উঠবে তখন হয়ত কেউ বলবে, "ওরে আর পারছিনা, একটা কিছু করা দরকার"।

মূলতঃ একশ্রেণীর মানুষ কখনই ফেইস করেনা আমাদের এই নাগরিক জীবনের কষ্টগুলো। আর তারাই তো ডিসিশন মেকার। এরা সব ক্ষেত্রেই পায় নির্ঞ্ঝাট জীবন যাপনের তরিকা। রাস্তায় এরা কখনও জ্যামে পড়ে না, বাড়ীতে কখনও লোডশেডিং হয় না ইত্যাদি। আর একটা কথা সত্যি যে, যারা কোনদিন সমস্যায় পড়ে না তারা অন্যের কোন সমস্যাই বুঝবে না।

তাকিয়ে আছি সেই দিনের দিকে। এছাড়া আমাদের আর কোন গতি নেই।

 

সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:১১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৩
নিবিড় বলেছেন: হুম ধ্বংস বানানটা ঠিক করেন
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৭

লেখক বলেছেন: নিবিড় ধন্যবাদ, ঠিক করে দিলাম।

২. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৪
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: হ আমিও সেইদিনের অপেক্ষায়!
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: অপেক্ষা ছাড়া আর গতি নাই।

৪. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৭
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: আর একটা কথা সত্যি যে, যারা কোনদিন সমস্যায় পড়ে না তারা অন্যের কোন সমস্যাই বুঝবে না।

এটা অনেকাংশে ঠিক না। তারা তো আর একদিনেই ঐ পজিশানে যায়নি। তারাও এই সব সমস্যা একদিন ফেইস করেছিল। কিন্তু কেনো যেনো তারা তা ভুলে যায়। কেনো ভুলে যায় সেটা হইলো রহস্য।

যাইহোক পোষ্টটা সুন্দর। বাস্তবতা। আমাদের ঢাকা। আমার চাচা বলেন, ঢাকায় কেউ কখনো আসতে চায় না। ঢাকাই সবাইকে জোর করে কাছে টানে তার সম্ভাবনার লোভ দেখিয়ে। আর আমি সেই লোভে আইসা ফান্দে পইরা গেছি। তাই ঢাকায় থাকতেও মন চায় না। আবার ঢাকায় না থাকলে আমার চলেও না।
শুভেচ্ছা রইলো।
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: শেরিফ,

প্রথমত:এই ডিসিশান মেকারদের একটা বড় অংশই ধনীর ঘর থেকে আসে। এরাই ব্যাবসা নিয়ন্ত্রন করে। এরা কখনও রাস্তায় হেঁটেছে কিনা সন্দেহ।

দ্বিতীয়ত: ডিসিশান মেকারদের আরেকটা দল হলো গজিয়ে উঠা সো-কল্ড আমলারা। উনারা সুখ পেয়ে অতীতের কষ্ট গুলো ভুলে যান। ধরা কে সরা জ্ঞান করেন। উনাদের গ্রীবা অনেক লম্বা। যাকে বলে খেতে খেতে হাঁসের গলা হওয়া যাকে বলে।

৬. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২২
ওপেল বলেছেন: কি আর করবেন ,"কপালের লিখন ,না যায় খন্ডন"।

আমি ইউনিভার্সিটিতে থার্ড ইয়ারে থাকাকালীন আমার ডিপার্টমেণ্টের এক স্যারের সাথে ঢাকা শহরের স্লাম পপুলেশন নিয়ে কাজ করেছি।২০০৫ সালের শেষের দিকে ঢাকায় স্লাম পপুলেশন ছিল প্রায় ৩০ লাখ।আমি ঐ সময় দেখেছি ,ঢাকা শহরের মত জায়গায় মাত্র এক হাজার টাকাতে একজন মানুষের এক মাস চলা সম্ভব। আর এখানে এই ১০০০ টাকা উপার্জন করা খুব একটা কঠিন কাজ না।

তাই সামনে এই শহরে সমস্যা বাড়বে বই কমবে না!!
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫২

লেখক বলেছেন: তবে মনে হয় খুব তাড়াতাড়িই একটা কিছু হবে। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে।

৭. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২৫
দিশাহারা ওমর সোলাইমান বলেছেন:
এ শহরে কেউ কাউকে সম্মান করে না। বড় ছোটতে কোন ভেদাভেদ নেই।
----------------
সালাম ভাই।
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যে আপনি সব সময় বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেন। এটা ভালো লাগে। সবাই যদি এমন ভাবে ভাবতো। তবে কি এমন অবস্থা হতো?

৮. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২৯
নরাধম বলেছেন: দিশাহারা ওমর সোলাইমান বলেছেন:
এ শহরে কেউ কাউকে সম্মান করে না। বড় ছোটতে কোন ভেদাভেদ নেই।
----------------
সালাম ভাই।
৯. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৪৯
চাচামিঞা বলেছেন: ঢাকা শহর ছাড়তে হবে......বিকল্প চিন্তা করছি.......।ব্যবস্হা হলেই চলে যাবো।

"হ্যালো ঢাকা
আমার কথা
শুনতে পাও তুমি ?
"হ্যালো ঢাকা!!
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: এ শহর ছেড়ে কোথায় যাবেন? জানিয়েন।

এটা বোধ হয় মাইলসের গান। তাইনা?

১০. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৫৩
হাসিব মাহমুদ বলেছেন: গ্রাম সম্পর্কে আপনার ধারনা পুরাপুরি ঠিকনা । আগের গ্রাম আর নাই । অথবা আদতেই ছিলো কিনা কখনো সেইটাও জানি না ।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ এটা ঠিক আস্তে আস্তে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগে ওখানেও ওমন হচ্ছে। তবে এই শহরের চেয়ে অনেক এখনও ভালো আছে মনে হয়।

১১. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৭
আনিক বলেছেন: মিলটন ভাই, যে কোনো দেশের রাজধানীর এই অবস্হাই হয়.......উদাহরণ.......মুম্বাই , নিউইর্য়ক । তবে, এটা ঠিক যে এ শহরটার নিশ্চয়ই কোনো মোহ আছে.........তা না হলে, আমার কিছু বন্ধু বান্ধব আছে, যাদের চৌদ্দ পুরুষের ভিটা ঢাকায় নাই.......অথচ তারাও ঢাকায় জমি কিনতে চায়.........।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: ভাই আপনি একটা কথা চিন্তা করেন, আপনি দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষা অর্জন করে একটা মফস্বল শহরে বসে থেকে কিছুই করতে পারবেন না। আপনাকে আপনার কর্মের সন্ধানে ঐ ঢাকাতেই চলে আসতে হচ্ছে। একটা অফিসিয়াল কাজে ঢাকাতেই আসতে হচ্ছে। শিল্প কলকারখানা গুলো যদি আগে থেকেই প্লান করে ঢাকার বাহিরে বিভিন্ন শহরে করা হতো তবে সেই লোক গুলো কিন্তু আর ঢাকায় আসতো না। আর ঢাকার অবস্থাও এমন হতো না। সামগ্রিক ভাবে তখন পুরো দেশের উন্নয়ন হতো।

১২. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২০
রেজওয়ান বলেছেন: ভাল লিখেছেন। ঢাকা কেন্দ্রিক আমাদের সরকারের সব উন্নয়ন ভাবনা মাঝে মধ্যে ভাবায় ঢাকার বাইরের লোকজনের ব্যাপারে কতটুকু লোকো চিন্তি করে।

কেন ব্যবসা, বানিজ্য, ফ্যাক্টরী, হেড অফিস, বিনোদন আয়োজন, সব কিছু ঢাকায়ই হতে হবে?
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনার উল্লেখিত জিনিস গুলো তো ঢাকাতেই হচ্ছে। কারণ বিনিয়োগকারীরা ঢাকার বাহিরে উৎসাহ দিচ্ছে না। এ ব্যাপারে সরকার বলিষ্ঠ পদক্ষেপ রাখতে পারে। যদিও এটা দীর্ঘ মেয়াদী একটা ব্যাপার। তারপরও আমাদের সবার কল্যানের কথা চিন্তা করে তা মেনে নেয়া উচিত।

১৩. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০২
মুনিয়া বলেছেন: হুমম।
গুড পোস্ট। তবে কিছু কিছু বিষয়ে একমত হতে পারলাম না।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০৪

লেখক বলেছেন: যেমন:-

১৪. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:০৬
সুখী মানুষ বলেছেন: ভাই আমার মনের কথাগুলো লেখছেন :(
উত্তরা থেকে কাওরানবাজার এসে অফিস করি, দুই থেকে তিন ঘন্টা লাগে আসতে!!! এত জ্যাম, এত...........
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: বেহাল অবস্থা জীবনের ভাই?

১৫. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৬
যুগান্তকারী বলেছেন: ঢাকা বসবাসের অযোগ্য।না আছে ভালো যোগাযোগ ব্যবস্হা না আছে ভালোভালো বাচার অবস্হা।আমার দেখা ঢাকা সবচেয়ে শহর সবদিকথিকা ওয়াক থু।
১৬. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৪০
যুগান্তকারী বলেছেন: সবচে বাজে লিখতে ভুইলা গেছিলাম (পইরা লন শহরের আগে)
১৭. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৯
শফিকুল বলেছেন:
আমি কখনোই ধংস্বের জন্য অপেক্ষা করি না।
১৮. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৪
বাইত যামু বলেছেন: ঢাকা শহরের কিছু কিছু উন্নয়ন বন্ধ রাখা দরকার। দেখেন এখন যত মানুষ আছে তা গোরই খাওন, পড়ন, যাতায়াতের সুবিধাসহ অন্যান্য ঠিক মত হইতাছেনা। আর বলদগুলা ঢাকার ২০০৪ সালের ৩কোটি ৬০ লাখ মানুষের হিসাব কইরা ৫.২ বিলিয়ন ডলারের যাতায়াতের এক মহা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতাছে। আবুলগুলার মাথায় খারাপ হইছে ভাবছিলাম। ১ কোটি মানুষেরই আগা মুতার সমস্যা ঠিক হয় না আর তোর করছ ৩ কোটি ৬০ লাখ মানুষ ঢাকা আনার কাম।
পরে দেখি ভাই এই তো মহা কেচাল। সব বদ, ব্যবসা শুধু ব্যবসা আর ব্যবসা। দাতারা আর কিছু বদ ইঞ্জিনিয়ার এই দুইয়ে মিলনে এডার উৎপত্তি হইছে।
তয় শেষ পর্যন্ত সফল হইব না। শুধু দেশের কোটি কোটি টাকা নষ্ট হইব।
তয় ভয় নাই আমার আমি বাইত যামু গা
১৯. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১২
প্রলয় হাসান বলেছেন: শিরোনাম দেইখা তো ডরায় গেছিলাম!:|


২০০০০ কিমি দূরে থেকে ঢাকাকে যে কত মিস করি, সেটা যদি জানতেন মিল্টন্ভাই।:(
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৫

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ প্রলয়, আমি বুঝি আপনার মনের কষ্টটা। কিন্তু আমিও অনেক কষ্ট থেকে কথাগুলো লেখেছি।

২০. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪৮
মুহিব বলেছেন: ঢাকা আমার হাটার স্টাইল চেন্জ করেছে। প্রতি স্টেপে আমি পা দিয়ে মোবাইল আছে কিনা চেক করি।
২১. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২০
হুমায়ুন বলেছেন: ঢাকা আমার কখনও ভাল লাগেনি। জেলা শহরের বড় হয়েছি। পরিচ্ছন্ন, সবুজে ঘেরা একটি শহরে বেশ আনন্দময় ভাবে কাটছে দিনগুলো। বন্ধু বান্ধবদের নিয়ে খেলাধুলা, গল্প-গুজব, সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ইত্যাদি নিয়ে বেশ ভালই ছিলাম। কিন্ত পেটের টানে এই ঢাকায় অবস্থান এখনও চেষ্টা করছি প্রিয় শহরে ফিরে যাবার কোন কর্মসংস্থানসহ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩১৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আনুমানিক ৩৫ বছর ধরে বহন করে চলছি এই রক্ত মাংসের ক্ষয়িষ্ণু দেহটাকে। পিছনে তাকিয়ে দেখি কোন পাথেয় সংগ্রহ হয়নি। তাই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ