somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বউ বিহীন আমার জীবন আর একটি কৌতুক /:)

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটা কৌতুক দিয়েই শুরু করি। যদিও অনেকেরই জানা। তবুও বলি।

এক লোকের একবার বাবা বিদেশ গেলো, তখন মহল্লার সব লোকজন এসে বলল, "আরে এত দুঃখ করিস কেন, আমরা তো তোর বাবার মতই।"
তার কিছুদিন পরে তার মা রাগ করে তার বাপের বাড়ী চলে গেলো, তখন মহল্লার সব মহিলারা এসে বলল, "আরে এত দুঃখ করিস কেন, আমরা তো তোর মায়ের মতই।" তার কিছুদিন পরে তার বউ রাগ করে বাপের বাড়ী চলে গেলো, কিন্তু মহল্লার কোন মহিলাও এসে বলল না, "দুঃখ করো কেন, আমরা তো তোমার বউ এর মত গো।" :P

দুর.... কিচ্ছু ভালো লাগে না। প্রায় এক সপ্তাহ যাবত আমার স্ত্রী গেছেন বাবার বাড়ী। মানে আমার শ্বশুড়বাড়ী। এটা তার কোন রাগ করে বাপের বাড়ী যাওয়া নয়। বরং এনোয়ালী সাংসারিক ভ্যাকেশান চলছে উনার। বেশ কিছু স্টেট ঘুরে তিনি এখন তার খালা শ্বাশুড়ীর বাড়ী অবস্থান করছেন। বেশ আমুদেই দিন কাটাচ্ছেন বোঝা যাচ্ছে।

আর আমি....? আমার নির্ধারিত রুটিন মেনে চলছি। ঠিক মত অফিস করছি। আর ঠিকমত বাড়ী ফিরে আসছি। কিন্তু অফিস থেকে ফিরে আসা আর আবার অফিসে যাওয়ার মাঝখানের সময়টা কাটছে বোরিং। শুধু কাজ আর কাজ। এই ভাত রান্না করো, পিয়াঁজ কাটো, ভর্তা করো, ডিম ভাজো, মাংশ রান্ন করো ইত্যাদি ইত্যাদি।

প্রি-কুকড ফ্রিজাপ করা সব তরকারীই শেষ। এখন আমার রান্না করার পালা। কোন ফাঁকে আমি যেন আমার স্ত্রীকে বলে ফেলেছি, "আমি সবই রান্না করতে পারি।" (আসলেও এটা সত্য) তাই উনি দুর থেকে মজা দেখছে আমি রান্না করতে পারি কিনা।

কিন্তু পুরো ঘর খুব এলোমেলো। সব উল্টোপাল্টা। সারা ঘর জুড়ে ময়লা। তেলেপোকার হাঁটাহাটি। হাটতে গেলে পায়ের নীচে দুই একটা তাদের জান দিচ্ছে। অফিস থেকে এসে জুতা সহই ঘরের মধ্যে ঘুকতে পারছি। গতকাল পা ঝাড়া দিয়ে জুতা খুলে রেখে আজ সকালে একপাটি জুতা পেয়েছি কিন্তু আরেক পাটি খুজতে খুজতে অফিসের লেইট হয়েছে। অবশেষে পাওয়া গেলো খাটের চিপা থেকে।

অথচ বউ বাসায় থাকলে বাসাটা কত টিপটপ থাকে। কোন চিন্তাই থাকে না। আর এখন........ ? এত কষ্ট দেখেও কৌতুকের মত কোন মহিলা এগিয়ে এসে কিছু বলছে না। /:)

আঁর আর কিসু বালা লাগে ন, আঁরে তোরা মারি হালা।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৩
১৭টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ শরৎ বন্দনা

লিখেছেন ইসিয়াক, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৯


শরৎ এলেই আকাশ জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা
দিনমণি আর মেঘমালার লুকোচুরি খেলা।

রুম ঝুমঝুম নূপুর পায়ে ছুটছে নদীর ঢেউ
ভাটিয়ালি গাইছে গান অচিন সুরে কেউ।

বিলে ঝিলে শাপলা পদ্ম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×