somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুসলিম বিজ্ঞানী, চিকিৎসাবিদ, কবি ইত্যাদি ইত্যাদি...

১০ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১২:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিভিন্ন পুস্তকে লেখা থাকে কিংবা অনেকের মুখে শোনা যায় যে হাসান ইবনে হাইসাম একজন মুসলিম বিজ্ঞানী, ইবনে সিনা একজন মুসলিম চিকিৎসাবিদ, ওমর খৈয়াম মুসলিম কবি ইত্ত্যাদি। এইসব মনীষীদের নামের আগে মুসলিম শব্দটি যুক্ত করার প্রবনতা লক্ষ্য করা যায়।
কিন্তু কোথাও দেখা যায় না কিংবা কেউ বলে না যে ইহুদি বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনিস্টাইন, খৃস্টান বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটন, হিন্দু বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু ইত্ত্যাদি।

অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা তাদের ধর্মে জন্মগ্রহনকারী মনীষীদের নামের আগে তাদের ধর্ম উল্লেখ না করলেও মুসলিমরা এক্ষেত্রে কেন ঢোল পিটায়?

বিজ্ঞানকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে আসতে কোন একক ধর্ম বা জাতিসত্বার বিজ্ঞানীদের অবদান নেই। সব জাতিসত্বার মানুষেরই অবদান আছে এবং এখানে মুসলিমদের অবদান অতি সামান্য। তাই গলা উঁচু করে তাদের বলতে শোনা যায়, লিখে রাখ একফোঁটা দিলেম শিশির।

ইহুদিদের সংখ্যা পৃথিবীতে অতি নগন্য পরিমানে হলেও জ্ঞান-বিজ্ঞানে তাদের অবদানই সবচেয়ে বেশি। অথচ তারা বিজ্ঞানীদের নামের আগে কখনো ইহুদি শব্দটি যুক্ত করে না।

আদতে বেশিরভাগ বিজ্ঞানী ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন না। তথাকথিত মুসলিম বিজ্ঞানীদের অধিকাংশ ধর্মত্যাগী ছিলেন। তাদেরকে মুরতাদ আখ্যায়িত করে নির্যাতনও কম করেনি মোল্লারা।
এই কারণে এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানে অতিসামান্য অবদানের ফলশ্রুতিতে মুসলিমেরা একটা হীনমণ্যতায় ভোগে। এই লজ্জা আড়াল করার জন্য একসময়ের মুরতাদদের মুসলমানী করে মুসলিম বিজ্ঞানী বলে প্রচার করে।

বর্তমান সময়ে জ্ঞান-বিজ্ঞানে মুসলিমদের অবস্থান ও তাদের অতীত ইতিহাস টানাটানি দেখলে মনে হয় এদের কোন এক পুর্বপুরুষ ইলিশ মাছ খেয়েছিল, এরা তাই নিজের হাত শুঁকে সেই গন্ধ খোজে।
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভ্রমণব্লগ: আলোছায়ার ঝলকে এক অপার্থিব যাত্রা”

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৬

মালয়েশিয়া আমার বেশ পছন্দের একটি দেশ। আমার জীবনের একটি অংশের হাজারো স্মৃতি এই দেশে। একটা সময় ছিল যখন এই দেশ ছিল আমার সেকেন্ড হোম।‌ এখন ও আমার আত্নীয়-স্বজন, ঘনিষ্ঠ বন্ধু-বান্ধবের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোরআন-হাদিস মানতে বলার ওয়াজ একটি ভুল ওয়াজ

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫২



সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Will you remember me in ten years!

লিখেছেন করুণাধারা, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৫৫



উপরের ছবিটি ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে একজন ব্লগার তার এক পোস্টে দিয়েছিলেন। জানতে চেয়েছিলেন দশ বছর পর কেউ তাকে মনে রাখবে কিনা!! গতমাসে এই পোস্ট যখন আমার নজরে এলো, হিসাব... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ

লিখেছেন বিপ্লব০০৭, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫৭



মানুষ আসলে কী?

Sophies Verden কেতাবে নরওয়েজিয়ান ইয়স্তেন গার্ডার (Jostein Gaarder) এক বিশাল বয়ান পেশ করেছেন ছোট্ট মেয়ে সোফির জীবনের গল্প বলতে বলতে। নীতি-নৈতিকতা, জীবন-জগৎ, সৃষ্টি নিয়ে সোফির ধারণা ছিলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

শোনো হে রাষ্ট্র শোনো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০২


নিশ্চল শহরে আজ ক্ষুধারা হাঁটে পায়ে পায়ে
ফুটপাথে শুয়ে রয় ক্ষুদার্ত মুখ।
চালের বস্তার সেলাই হয়নি ছেড়া,
রুটির দোকানে আগুন ওঠেনি জ্বলে।
ক্ষুদার্ত আধার জাপটে ধরে আষ্টেপৃষ্টে।

আমার চোখ লাল, ভেবো না নেশায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×