আমার প্রিয় পোস্ট

নিউক্লিয়ার সন্ত্রাস মুক্ত বিশ্ব চাই

নাস্তিকতা: স্বল্প জ্ঞানের ভয়ঙ্কর পরিনতি।

১১ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪০

শেয়ারঃ
0 6 0

একটা ঘরের কথা চিন্তা করা যাক -যা আধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি দিয়ে সাজান আছে। দিনের আলো কমে আসলে ঘরের লাইটগুলি জ্বলে ওঠে, ঘর গরম হলে এসি চালু হয়ে যায়। টিভি, ফ্রিজ তো আছেই। এ'রকম একটা ঘরে যদি এমন কিছু মানুষকে থাকতে দেয়া হয় যাদের এ'সব বিষয়ে কোন জ্ঞান নেই এবং এই ঘরের বাইরে থেকে কোন জ্ঞান লাভের সুযোগও নেই - তাহলে এসব যন্ত্রপাতির প্রতি তাদের আচরন কেমন হবে চিন্তা করুন।

প্রথম একদল লোক পাওয়া যাবে যারা এই সবযন্ত্রপাতি এবং এদের কার্যপ্রনালী দেখে চিন্তা করবে যে এ'সব নিজে নিজে তৈরী হয়নি এবং এ'গুলো কোন শক্তি ছাড়া এমনি এমনি চলছেও না। এ'গুলোকে কেউ তৈরী করে কিছু নির্দিস্ট নিয়মের অধিন করে দিয়েছে বলেই এ'গুলো এভাবে কাজ করছে। যদিও ঐ ঘরের মধ্যে থেকে টিভি স্টেশন বা বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র সম্পর্কে সঠিক ধারনা পাওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হবে না তবুও তারা বুঝবে যে কোন একটা শক্তি/ইন্ডাস্ট্রি নিশ্চয়ই আছে যেখানে এ'গুলো তৈরী হয়েছে।

দ্বিতীয় যে দলটি পাওয়া যাবে তারা এ'গুলোকেই মহা শক্তিশালী ভেবে বসবে। তারা মনে করবে লাইট একটা বিশাল ব্যাপার যে রাত হলেই নিজে নিজে জ্বলে ওঠে। এ.সি, ফ্রিজ, টিভি সবকিছুই তাদের কাছে মহা বিস্ময়কর এবং বিশাল ক্ষমতাধর মনে হবে। তাদের কেউ কেউ এগুলোর পুজা করাও শুরু করতে পারে।

তৃতীয় দলটা হবে নাস্তিকদের। এরা এসব জিনিস দেখে প্রথমে বিস্মিত হলেও এ'গুলোর কার্যপ্রনালী জানার চেস্টা করবে। এই চেস্টার এক পর্যায়ে তারা সেই সেন্সরটি খুজে পাবে যা অন্ধকার হলে লাইট জ্বালাতে সাহায্য করে, টিভির রিমোট, ফ্রিজ এবং এ.সির সুইচগুলোও তারা খুজে পাবে এবং নিজেদেরই এ'সবের চালক/নিয়ন্ত্রক বলে ঘোষনা করবে। তারা বলবে- আমি সুইচ টিপি বলেই তো লাইট জ্বলে, আমি রিমোট টিপি বলেই তো টিভিতে বিভিন্ন অনুস্ঠান দেখা যায়- এখানে পাওয়ার প্ল্যান্ট আর টিভি স্টেশনের কাজ কি? ঠিক আমার দেড় বছরের মেয়েটারমত। সে যেদিন প্রথম বেড সুইচ টিপে লাইট জ্বালান শিখেছিল সেদিন তার কি আনন্দ। বাসার সবাই তো বটেই পাশের বাসার লোকদেরও ডেকে দেখাচ্ছিল কি বিরাট কাজ সে করতে পারছে। ঐ অবস্থায় তাকে এটা বুঝান কি সম্ভব ছিল যে তোমার এই কাজকে বাস্তবায়িত করার পিছনে এক বিশাল পাওয়ার প্ল্যান্ট এবং পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম কার্যকর আছে? নাস্তিকরা যখন বলে-"আমি বীজ বপন করি বলে ফসল জন্মায় এখানে ঈশ্বরের কি কাজ?"-তখন আমার মেয়ের সেই দিগ্বিজয়ী হাসির কথা মনে হয়। আর করুনা হয় সেই নাস্তিকদের প্রতি যারা জ্ঞান সমুদ্রের সামান্য কয়েকটা ফোটা আহরন করেই নিজেদের মহা জ্ঞানী ভাবছেন।

সুতরাং নাস্তিকতা আসলে সল্পবিদ্যার ফসল যেখানে মানুষ নিজেকে মহা শক্তিমান মনে করে। সে যা জানে তার বাইরেও কিছু থাকতে পারে এটা মানতে পারে না। উদাহরনের তৃতীয় শ্রেনীর লোকরা যেমন লইট, ফ্যান, টিভি, ফ্রিজের সুইচ আবাষ্কার করেই নিজেদের মহা শক্তিশালী ভাবে, পাওয়ার প্ল্যান্ট বা টিভি স্টেশনকে অস্বীকার করে-নাস্তিকরা ঠিক তেমনি বিজ্ঞানের স্বাধারন কিছু আবিষ্কার দেখেই নিজেদের সর্বশক্তিমান ঘোষনা করে আর এই বিশ্বব্রক্ষ্মান্ডের কোন স্রস্টা-নিয়ন্ত্রক নেই বলে ঘোষনা করে।

বিজ্ঞান আসলে কি আবিষ্কার করে? সকল মহান বিজ্ঞানীদের প্রতি পুর্ন শ্রদ্ধারেখেই বলছি- বিজ্ঞান শুধুমাত্র প্রকৃতির নিয়ম-বৈশিস্টই আবিষ্কার করে - তার বেশি কিছু নয়। বিজ্ঞান যখন আবিষ্কার করেছে পৃথীবি সুর্যের চারদিকে ঘোরে, তার বহু আগে থেকেই পৃথীবী সুর্যের চারদিকেই ঘুরছিল। বর্তমান যুগের বিস্ময় ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রপাতি যে সিলিকন এবং জার্মেনিয়ামের সেমি কন্ডাক্টিভ প্রপার্টিজের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে সেই প্রপার্টিজ বহু বিলিয়ন বছর আগে থেকেই তাদের মধ্যে ছিল-মানুষ জানত না- বিজ্ঞান মানুষকে জানিয়েছে। এ'ভাবে চিন্তা করলে দেখা যাবে বিজ্ঞানের সকল আবিষ্কারই প্রকৃতির বিভিন্ন নিয়ম-বৈশিস্টের উপর নির্ভরশীল। এই আবিষ্কার গুলোকে তুলনা করা যেতে পারে উদাহরনের লোকদের বিভিন্ন সুইচ আবিষ্কারের সাথে যা আগে থেকেই সেট করা ছিল। ঘরের মধ্যে বসে সুইচ-রিমোট আবিষ্কার করে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বা টিভি স্টেশনকে অস্বীকার করা যেমন মুর্খতা ঠিক তেমনি স্রস্টার সৃস্টির মধ্যে থেকে বিভিন্ন নিয়ম বৈশিস্ট আবিস্কার করে স্রস্টাকে অস্বীকার করাও নিতান্তই স্বল্পবিদ্যার ভয়ঙ্কর পরিনতি ছাড়া কিছুই নয়।

বিজ্ঞান কিন্তু কখনই বলে না যে স্রস্টা নেই। কারণ বিজ্ঞান প্রমান ছাড়া কিছু বলতে পারে না। 'আছে' যেমন বলে না 'নেই'ও তেমনি বলতে পারে না। কিন্তু নাস্তিকরা তাদের নাস্তিক বিশ্বাসকে প্রতিস্ঠিত করার জন্য সবসময় বিজ্ঞানকে ব্যাবহার করতে চায়। এ'জন্য বিজ্ঞানের ব্যাপাটা পরিস্কার হওয়া জরুরী।

বৈজ্ঞানিক সত্য বলতে সেটাই বুঝায় যেটা প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরিক্ষার মাধ্যমে প্রমানিত হয়েছে এবং তার উপর আর কোন গবেষনার প্রয়োজন নেই। যেমন 'পৃথিবী সুর্যের চারদিকে ঘোরে'-এটা বৈজ্ঞানিক সত্য। কারণ এটা প্রমানিত হয়ে গেছে এবং এখন আর এ'বিষয়ে কার গবেষনা করার প্রয়োজন নেই।

কিন্তু আজকে যদি বিজ্ঞানের কাছে প্রশ্ন করা হয়-পৃথিবী ছাড়া অন্য কোন গ্রহে প্রানের অস্তিত্ব আছে কি? তার উত্তরে বিজ্ঞান কি বলবে? এখনও এ'ধরনের কোন গ্রহ আবিষ্কার হয়নি-কিন্তু তার অর্থ কি এধরনের কোন গ্রহ নেই এটাই বৈজ্ঞানিক সত্য? মোটেই না-কারণ তাহলে এ'বিষয়ে আর কোন গবেষনার প্রয়োজন থাকত না। যদি প্রশ্নটা এমন হয়-সৌরজগতে মানুষের বসবাসের উপযোগী কোন গ্রহ আছে কি? তাহলে বিজ্ঞান বলবে নেই-কারন আজকের বিজ্ঞান সৌরজগতের সবগুলি গ্রহের ব্যাপারেই যথেস্ট তথ্য জানে এবং জানে বলেই নিশ্চিত ভাবে বলতে পারছে এগুলোতে প্রানের অস্তিত্ব নেই। সুতরাং কিছু নেই বলা, আছে বলার চেয়েও কঠিন-কারণ নেই বলতে হলে থাকার সবগুলো সম্ভাবনা পরীক্ষা করতে হবে এবং শুধুমাত্র তার পরই বলা যাবে নেই।

যদি বিষয়টা এমন হত যে বিজ্ঞান আজ পর্যন্ত যা জানে তাই সব-এর বাইরের সবকিছু নেই এবং এটাই বৈজ্ঞানিক সত্য- তাহলে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা বহু আগেই থেমে যেত। কারণ বিজ্ঞান সেই বিষয় নিয়েই গবেষনা করে যা আজও বৈজ্ঞানিক সত্য হিসেবে প্রতিস্ঠিত হয়নি। কাজেই বিজ্ঞান আবিষ্কার করতে পারেনি বলেই - বেহেস্ত, দোযোখ, জ্বিন, ফেরেস্তা কিছুই নেই এমনকি আল্লাহও নেই এ'কথা বলা নিতান্তই অবৈজ্ঞানিক। বৈজ্ঞানিক সত্য হিসেবে নেই বলতে হলে এই সৃস্টিজগতের সকল রহস্য-সকল জ্ঞান মানুষের আয়ত্বে আসতে হবে এবং সেই জ্ঞানের ভিত্তিতেই কেবলমাত্র সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে শ্রস্ঠা আছে কি নেই।

কিন্তু সমস্যা হল-আমাদের জ্ঞান যে হারে বাড়ে অজ্ঞতার পরিধী তারচেয়ে বহুগুন বেশি হারে বাড়ে। মানুষের জ্ঞান যখন পৃথীবির মধ্যে সীমিত ছিল তখন বলাযেত পৃথিবীটা ঘুরে দেখলে এবং এর কোথাও কোন আলামত না পেলেই বলা যাবে ওসব কিছু নেই। কিন্তু আজকে আমাদের জ্ঞান যখন সৌরজগত পর্যন্ত পৌছেছে তখন দেখা যাচ্ছে এই বিশ্বব্রক্ষ্মান্ড বিলিয়ন বিলিয়ন আলোকবর্ষ ব্যাপি বিস্তৃত। সুতরাং এখন যদি বলতে হয় কিছু নেই তাহলে আমাদের এই বিলিয়ন বিলিয়ন আলোকবর্ষ ব্যাপি ছড়ান মহাকাশের পুরোটা জানতে হবে। তাহলে আমরা আমাদের জ্ঞান কয়েক আলক মিনিট বাড়াতে গিয়ে অজ্ঞতার পরিধি বিলিয়ন বিলিয়ন আলোক বর্ষ বাড়িয়ে ফেলেছি।

যখন বিজ্ঞান বলত-এই সৃস্টিজগতই সব-এর কোন শুরু বা শেষ নেই-অনন্তকাল ধরে এ'ই জগত স্থীতিশীল অবস্থায় আছে এবং অনন্ত কাল তাই থাকবে- তখন এই জগতের বিষয়ে জানাই যথেস্ট ছিল। কিন্তু এখন বিগ ব্যাং থিওরী প্রমানিত হবার পর যখন বিজ্ঞান বলছে এই জগতের শুরু ছিল তখনই আমাদের অজানার গন্ডি আরো বেড়ে যাচ্ছে-প্রশ্ন আসছে তাহলে শুরুর আগে কি ছিল? যার শুরু থাকে স্বাভাবিক ভাবে তার শেষও থাকবে, তাহলে সেই শেষের পর কি থাকবে? যার শুরু থাকে তার সুচনাকরী থাকে, কে সেই সুচনা কারী? বলা হচ্ছে এই জগৎ সম্প্রসারিত হচ্ছে-তাহলে এর বাইরেও কিছু আছে-নাহলে সম্প্রসারিত হচ্ছে কোথায়- সেই বাইরের জগৎটাও তাহলে আমাদের জানতে হবে।

আবার মাত্রাগত দিক বিবেচনা করুন। একসময় আমরা তৃমাত্রিক স্থান নিয়েই সন্তুস্ট ছিলাম। বিজ্ঞান যখন বল্ল, না এটা তৃমাত্রিক নয় বরং চতুর্মাত্রিক এবং চতুর্থ মাত্রা হচ্ছে সময়-তখনই প্রশ্ন তৈরী হল-চতুর্থ মাত্রা যদি থাকে তাহলে মঞ্চম-ষস্ঠ মাত্রা কি নেই? অথবা আমাদের চতুর্মাত্রিক জগতের সমান্তরালে অন্য মাত্রার কোন জগত কি থাকতে পারে না? তাহলে এখন আমাদের এটাও নিশ্চিত ভাবে জানতে হবে যে অন্য মাত্রা আছে কি না, থাকলে সেই মাত্রার জগতের অবস্থা কি?
তাহলে দেখা যাচ্ছে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার ফলে আমাদের জ্ঞান বা জানার পরিধী যে গতিতে বাড়ছে অজানার পরিধী বাড়ছে তার চেয়ে অনেকগুন বেশী গতিতে। এ'ভাবে চলতে থাকলে বিজ্ঞান কোন দিনই বিশ্ব জগতের সবকিছু জানতে পারবে না এবং কোন দিনও বৈজ্ঞানিক সত্য হিসেবে বলতে পারবে না যে "আমরা যা আবিষ্কার করিনি তাই নেই"।

সুতরাং নাস্তিকরা যে বিজ্ঞানকে অবলম্বন করে তাদের নাস্তিকতাকে জাস্টিফাই করার চেস্টা করে সেই বিজ্ঞান আজকে তো নয়ই অদুর ভবিষ্যতেও কোন দিন তাদের দাবিমত বৈজ্ঞানিক সত্য হিসেবে ঈশ্বরের অনস্তিত্ব ঘোষনা করতে পারবে না।

কাজেই ঈশ্বরের অনস্তিত্বও একটা বিশ্বাস মাত্র। আমরা যেমন আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস করি, নাস্তিকরাও তেমনি তাঁর অনস্তিত্বে বিশ্বাস করে- কিন্তু ভাব দেখায় এমন যেন তারা খুব বড় পন্ডিত আর আমরা সব অন্ধ। বাস্তবাতা হচ্ছে নাস্তিকতাই বড় অন্ধকার যেখানে মানুষ যা জানে তার বাইরের সবকিছু অস্বীকার করে। আশা করি নাস্তিকরা তাদের ভুল বুঝতে পারবে এবং মহান স্রস্টা, সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে আলোর পথে ফিরে আসবেন আর তাঁর সৃস্টির বিশালতা অনুধাবন করে শ্রদ্ধা এবং কৃত্জ্ঞতায় মাথা অবনত করবে।

 

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মার্চ, ২০১১ দুপুর ১২:০৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৭
র‌্যাভেন বলেছেন:
আপনের থিওরী মত কুনো কিচুই একা একা সৃষ্টি হইতে পারেনা তো একখান প্রশ্ন হইল যে ইশ্বর এত কিচু পারে সেই এত কিচু পারা ইশ্বররে কে বানাইলো?

who created the creator?
১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৫

লেখক বলেছেন: এটা অনেক পুরোন প্রশ্ন
অনেকবার অনেকে এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন
আপনার জ্ঞাতার্থে আবার বলছি-
বিজ্ঞানের সুত্র মতে এটা প্রমানিত সত্য যে কার্যকারণ ছাড়া কিছুই হয় না। এই সুত্রটি আমাদের এই জগতে পরীক্ষীত এবং প্রমানিত। এজন্য এই সৃস্ট জগতের কোন কিছু বা এই সৃস্টজগত নিজে নিজে সৃস্ট হতে পারে না। কিন্তু আল্লাহ এই সৃস্ট জগতের অংশ নন, সুতরাং তাঁর ব্যাপারে এ'কথা বলা যাবে না যে তিনি শ্রস্ঠা ছাড়া সৃস্ট হতে পারবেন না। এ'জন্য ইসলাম আল্লাহর যে বৈশিস্টের কথা বলেছে সেখানে সৃস্ট জগতের কোনকিছুর সাথে তাকে মিলান যাবে না বলে ঘোষনা করা হয়েছে। তাঁর কোন আকার-আকৃতি কল্পনা করা, তার মুর্তি বানন বা মানুষের মধ্যথেকে কাউকে আল্লাহ ঘোষনা করা এজন্যই নিষিদ্ধ। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

২. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৬
ভক্কডা বলেছেন: আপনে কি খুব জ্ঞানী মানুষ? তাইলে র‌্যাভেনের প্রশ্নের উত্তরটা দেন। আমারো খুব জানার ইচ্ছা। দয়া কইরা উত্তর দেন
১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৯

লেখক বলেছেন: এই অতি পুরোন প্রশ্নটার উত্তরও আপনাদের জানা নেই দেখে সত্যিই হতাশ হলাম।

৩. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১২
নতুন বলেছেন: ;) এই বার এই লেখক কে আর পাওয়া যাবে না...

আমাদের সব কিছুই creation and creator

so who creat the creator???

very simple question.... just give us a simple answer...

like what ever we see and feel is created by "Allah"

so who created "Allah" ??... its just a logical question
১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৮

লেখক বলেছেন: আল্লাহর বৈশিস্টই হচ্ছে তিনি সয়ম্ভু। আমারা এভাবে বলি - তিনিই আল্লাহ জিনি সৃস্টি করেছেন। তাকে কেউ সৃস্টি করেনি - বা তিনিই আল্লাহ যাকে কেউ সৃস্টি করেনি। সুতরাং তার শ্রস্ঠা খোজা অর্থহীন।

৪. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২২
যীশূ বলেছেন: ঈশ্বর কনসেপ্ট টাই একটা বিশ্বাস। বিশ্বাস নিয়া যুক্তি তর্কে যাওয়ার কোন মানে নাই।

ভুয়া পোস্ট।
১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৫

লেখক বলেছেন: হ্যা একই ভাবে ইশ্বর নেই সেটাও একটা বিশ্বাস প্রমানিত সত্য নয়।
কিন্তু নাস্তিকরা সবসময় দাবি করে তারা জ্ঞানী আর আস্তিকরা অন্ধ।
তাদের সেই দাবির অসারতা প্রমানের জন্যই এই পোস্টটি দেয়া হয়েছে।

৫. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৪
উন্মনা রহমান বলেছেন:

আল্লাহ স্বয়ম্ভু হতে পারেন আর প্রকৃতি স্বয়ম্ভু হতে পারে না?

বিরাট রচনা লেখছেন দেখি!
আপনার জ্ঞানের বহর দেইখা অজ্ঞান হইয়া গেলাম!
১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৮

লেখক বলেছেন: অবশ্বই
কারণ বিজ্ঞান অনেক পরীক্ষা নিরিক্ষা দ্বারা প্রমান করেছে যে এই জগতে কার্যকারণ ছাড়া কিছুই ঘটে না। তাই প্রকৃতি বা এই জগতের পক্ষে সয়ম্ভু হওয়া সম্ভব নয়। আল্লাহর পক্ষে সম্ভব কারণ তিনি এই জগতের অংশ নন এর বাইরে আলাদা এক সত্বা।

৬. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৯
নতুন বলেছেন: আল্লাহ শুধু মাত্র একটি বোধ মাত্র.... আমরা বিশ্বাস করি... তার অস্থিত্য খোজার চেস্টা করি....

তাহলে কিভাবে এটা প্রমানিতে হলো যে কেই তাকে সৃস্টি করেন নাই??

""এজন্য এই সৃস্ট জগতের কোন কিছু বা এই সৃস্টজগত নিজে নিজে সৃস্ট হতে পারে না। কিন্তু আল্লাহ এই সৃস্ট জগতের অংশ নন, সুতরাং তাঁর ব্যাপারে এ'কথা বলা যাবে না যে তিনি শ্রস্ঠা ছাড়া সৃস্ট হতে পারবেন না। এ'জন্য ইসলাম আল্লাহর যে বৈশিস্টের কথা বলেছে সেখানে সৃস্ট জগতের কোনকিছুর সাথে তাকে মিলান যাবে না বলে ঘোষনা করা হয়েছে। তাঁর কোন আকার-আকৃতি কল্পনা করা, তার মুর্তি বানন বা মানুষের মধ্যথেকে কাউকে আল্লাহ ঘোষনা করা এজন্যই নিষিদ্ধ।""

তাহলে তিনি যেই জগতের অংশ.. সেই জগতে কিন্তু এই আরো আল্লাহ থাকতে পারে... ( আপনার সুত্র মোতাবেক..)

আর কেন আল্রাহের কোন আকার নাই? তাহলে এটা তো বিজ্ঞানের কোন সুত্রর সাথেই মিলে না... আল্লাহের অস্তত্বই তো বিজ্ঞানের সব সুত্র ও নিয়মের বাইরে...
১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৬

লেখক বলেছেন: হ্যা, আল্লাহর অস্তিত্ব অবশ্যই বিজ্ঞানের সুত্রের বাইরে। এ'জন্যই আমি বলি- জ্ঞান বিজ্ঞানের দৌড় যেখানে শেষ, বিশ্বাসের যাত্রা সেখান থেকেই শুরু। আমাদের জ্ঞান যেহেতু কখনই আল্লাহকে আবিষ্কার করতে পারবে না(এবং এটাও প্রমান করতে পারবে না যে আল্লাহ নেই) সেহেতু বিশ্বাস ছাড়া আমাদের গতি নেই। আল্লাহকে যদি বিশ্বাস করেন তাহলে তাঁর কথাও মানতে হবে-তিনি বলেছেন আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। সুতরাং মানতে হবে আল্লাহর জগতে আর কোন আল্লাহ নেই। কিন্তু আপনি যদি আল্লাহকে বিশ্বাস না করেন-তাহলেও বলতে হবে যে আপনি আল্লাহর অনস্তিত্বে বিশ্বাস করছেন-সেটা কখনই বিজ্ঞান নয়, এটাই আমার মুল বক্তব্য।

৭. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৬
র‌্যাভেন বলেছেন:
"আল্লাহর পক্ষে সম্ভব কারণ তিনি এই জগতের অংশ নন "


এই থিওরী কি তুমার নানা শ্বশুরের না তালতো ভায়ের ?

১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৮

লেখক বলেছেন: ইসলামে আল্লাহর যে বৈশিস্টের কথা বলা হয়েছে তাথেকে সহজেই এ'কথা বলা যায়। এ'জন্য আলাদা থিওরীর প্রয়োজন হয় না।

৮. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৯
ভক্কডা বলেছেন: ভাইজান তাইলে কইতে চান যে আল্লাহ বা ঈশ্বর বা ক্রিয়েটর আমাদের চাইতে অনেক দূরের একটা স্বত্বা। কিন্তু এই ইসলামেই আছে যে মানুষের কলব্ আল্লাহর নূরে তৈরী। তার মানে আমরা সবাই আল্লাহর একেকটা অংশ। খালি আমরা মানুষরা না প্রত্যেকটা জীব নির্জীব বস্তুই তা। এই সব জীব নির্জীব সকল বস্তু মিলায়া কি হ্য়? ঠিক কইছেন - প্রকৃতি। তাইলে প্রকৃতিই আল্লাহ বা ক্রিয়েটর। আল্লাহ কোনো সম্রাট বা বাদশাহ না যে দূরে বইসা আছে। যদি তিনি সম্রাট বা বাদশা হন তাইলে নারো সৃষ্টিকর্তা আছে। সেই স্রস্টার সৃূপ জানা থাকলে দয়া কইরা আমাগো মতন নাদান পথহারা দিশাহারাগো জানান।

আমার মনে হয় আপনে আধ্যাত্মবাদ বর্জিত ওয়াহাবী জানোয়ার ইসলামে বিশ্বাসী। কিছুই করার নাই। ওয়াহাবীরা টেকার মালিক, কাজেই ইসলামি বই পুস্তক লেখনের ফাইন্যান্সিংও তারাই করে ইদানিং। এই কারনেই আজকের ইসলাম মানবতা ও বিবেক, প্রেম ও আনন্দ বর্জিত এক কালিমাময় ইসলাম
১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: ভুল বল্লন।
আমি কখনই বলিনি যে আল্লাহ আমাদের থেকে অনেক দুরে।
আমি বলেছি তিনি আমাদের থেকে ভিন্নতর, যার সম্পর্কে সঠিক ধারনা করা আমাদের সীমিত জ্ঞানে সম্ভব নয়।
আর আমি মোটেই আধ্যত্মবাদ বর্জিত নই -আমি বিশ্বাস করি আধ্যাত্মিকতার মাধ্যমে আল্লাহকে রিদয় দিয়ে অনুভব করা যায়- তবে আপনি যদি আধ্যাত্মিকতার মাধ্যমে পৃথিবীতে বসে আল্লাহর দেখা পাওয়ার কথা বলেন তাহলে আমি তার বিরোধিতা করব। মনে রাখবেন আল্লার পয়গম্বর হয়েও মুসা(আ:) পৃথিবীর চোখ দিয়ে আল্লাহকে দেখতে পারেন নি।

৯. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪০
নতুন বলেছেন: হ্যা, আল্লাহর অস্তিত্ব অবশ্যই বিজ্ঞানের সুত্রের বাইরে। এ'জন্যই আমি বলি- জ্ঞান বিজ্ঞানের দৌড় যেখানে শেষ, বিশ্বাসের যাত্রা সেখান থেকেই শুরু। আমাদের জ্ঞান যেহেতু কখনই আল্লাহকে আবিষ্কার করতে পারবে না(এবং এটাও প্রমান করতে পারবে না যে আল্লাহ নেই) সেহেতু বিশ্বাস ছাড়া আমাদের গতি নেই।


---- এর অথ` হলো... তাল গাছ সব সময়ই আল্লার ই.... এটা মেনে নেয়া..

তবে তো কোন যুক্তি তকে`ই যাওয়া ঠিক না.. :)
১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: জি, জনাব
তালগাছ নিজেদের দখলে নেয়ারমত জ্ঞান মানুষ আজ তো নয়ই কোন দিনই অর্জন করতে পারবে না। তাই আল্লাহর অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব যার পক্ষেই থাকুন না কেন- দুটোই মুলত বিশ্বাস। নাস্তিকরা নিজেদের যেভাবে জ্ঞানী বলে জাহির করে সেখানেই আমার আপত্তি।

১০. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪২
মাইনুল বলেছেন: অসাধারন লেখা। খুব ই ভাল লাগলো। তবে একটু বড়। এই লেখাটিকেই যদি ছোট ছোট ভাগ করে কয়েক পর্বে দেন তাহলে সুবিধা হয়। ব্লগে পাঠকরা ছোট লেখাই পছন্দ করে।

আপনি যা বলেছেন তার সাথে একমত। আসলে মানুষ যা দেখে শুধু ততটুকুই চিন্তা করতে পারে, এর বাইরে নয়। আর সাইন্সের কথা বলছেন। সাইন্সের চোখে কি কোন কিছু ধ্রুব সত্য আছে। আজ যা আবিস্কার করে কাল তা মিথ্যা হয়ে যায়। সাইন্স কি এই জগতের সামান্য একটু অংশ ও এখনো উদ্ধার করতে পেরেছে। এই পৃথীবি হচ্ছে মহাজগতের লক্ষ লক্ষ গ্রহ মহাগ্রহের মধ্যে ছোট একটি গ্রহ। ফরগেট এবাউট আদার প্লানেট, এই আর্থ এর ই তো অনেক কিছুই সাইন্স এখনো জানেই না।
১১. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৮
ভক্কডা বলেছেন: আইসা গেছে মহাজ্ঞানী আইজ্যাক মাইনুল। এইবার তিনি কোরানের আলোয় মহাবিশ্ব সম্পর্কে কিছু বলবেন। মাইনুল সাব বলেনতো, আল্লাহ আমাদেরকে ছায়া পাওয়ার জন্য কোন জিনিষটা আমাগো মাথার উপর সামিয়ানার মত টাংগিয়ে দিয়েছেন? বলেনতো পৃথিবীকে কিসের সাথে পাহার -পর্বতের পেড়েক দ্বারা আটকে দেওয়া হয়েছে?


সবাই বসেন , উত্তর আসতেছে
১২. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫২
নতুন বলেছেন: আজ যা আবিস্কার করে কাল তা মিথ্যা হয়ে যায়। সাইন্স কি এই জগতের সামান্য একটু অংশ ও এখনো উদ্ধার করতে পেরেছে। এই পৃথীবি হচ্ছে মহাজগতের লক্ষ লক্ষ গ্রহ মহাগ্রহের মধ্যে ছোট একটি গ্রহ। ফরগেট এবাউট আদার প্লানেট, এই আর্থ এর ই তো অনেক কিছুই সাইন্স এখনো জানেই না।


---- চমৎকার যুক্তি...

জানার কোন শেষ নাই... জানার চেস্টা বৃথা তাই... ( - হিরক রাজার দেশে..)
১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৫

লেখক বলেছেন: জানার চেস্টা কখনই বৃথা নয় - তবে যা জানি তার বাইরে কিছু নেই এ'ধরনের চিন্তাই বিপজ্জনক। জানতে হবে আর সেই সাথে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে সেই মহান শ্রস্ঠার প্রতি যিনি এই বিশাল জগৎ সৃস্টি করেছেন। অকৃতজ্ঞ হয়ে নিজেকেই মহা শক্তিশালী ভাবা আর "আমি রিমোট টিপি বলেই টিভি চলে এখানে টিভি স্টেশনের প্রয়োজন কি?"এ'রকম ঘোষনা দেয়াটাই স্বল্প জ্ঞানের ভয়ঙ্কর ফল।

১৩. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৩
ভক্কডা বলেছেন: বুঝলাম না মূসা (আ: ) আল্লাহ কে দেখতেনইবা কি ভাবে? আল্লাহর তো কোনো আকারই নাই। ভুলে গেছেন যে আল্লাহ নিরাকার?
১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৮

লেখক বলেছেন: না ভুলি নাই
কিন্তু কেয়ামতের দিন মানুষ আল্লাহকে দেখবে।
কারণ মানুষ সেদিন যে জগতে থাকবে সেখানথেকে আল্লাহকে দেখা যাবে।
এ'জন্যই বলেছি - পৃথিবীর চোখ দিয়ে আল্লাহকে দেখা যায় না।

১৪. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৩
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: কাঙাল মুরশিদকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

অসাধারন পোষ্ট।++ দিলেও কম হয়।



@ভক্কডা,ইসলামের কোথায় বলা আছে যে মানুষের কলব্ আল্লাহর নূরে তৈরী। ???
১৫. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৮
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৬
লেখক বলেছেন: জি, জনাব
তালগাছ নিজেদের দখলে নেয়ারমত জ্ঞান মানুষ আজ তো নয়ই কোন দিনই অর্জন করতে পারবে না। তাই আল্লাহর অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব যার পক্ষেই থাকুন না কেন- দুটোই মুলত বিশ্বাস




" নাস্তিকরা নিজেদের যেভাবে জ্ঞানী বলে জাহির করে সেখানেই আমার আপত্তি।"

আপনার কমেন্ট বিপ্লব।


কিপ অন।
১৬. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১১
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: এটা প্রথম পাতায় প্রকাশিত আমার প্রথম লেখা
যারা লেখাটি পড়েছেন এবং মন্তব্য দিয়েছেন সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ

আমার ব্লগে এ'রকম আরো দুটি লেখা আছে যা প্রথম পাতায় প্রকাশিত হয়নি। আপনাদের সবাইকে সেগুলো পড়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
আজকের মত চলে যেতে হচ্ছে, কালকে আবার কথা হবে। খোদা হাফেজ
১৭. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১২
ভক্কডা বলেছেন: @ ভ্রু..জ্ঞান, আমি কি কথাটা ভূল কইলাম? দেখেন আমি কোরআন আপনের মত দারি কমা সহ মুখস্ত করি নাই। এর কোনো প্রয়োজন দেখি নাই। কারন মানুষের প্রকৃতি প্রদত্ব একটা জিনিষ আছে। যার নাম বিবেক। এই বিবেক যদি সূস্হ থাকে তবে যে কেউ কোরান হাদীস, বাইবেল গীতায় অগাধ জ্ঞান না থাকলেও মনুষ্যত্ব লাভ করতে পারে। আর ধর্ম জিনিষটা মানুষের জন্য। মনুষত্ব ছাড়া মানবাকৃতির জীব বায়োলজিক্যাল সংগায় মানুষ, নৈতিক সংগায় না। এখন আবার জিগায়া বইসেন না এই সংগা আমি কই পাইলাম।

কোনো হাদিছেই নাই যে আত্মা নূরে তৈরী?
১৮. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৪
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: এই ভিডিও টি দেখতে পারেন , হাউ ইসলাম ডিল উইথ এথিস্ট।

http://www.youtube.com/watch?v=vyboXCIVJY0
১৯. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩০
আরিফুর রহমান বলেছেন: এই চেস্টার এক পর্যায়ে তারা সেই সেন্সরটি খুজে পাবে যা অন্ধকার হলে লাইট জ্বালাতে সাহায্য করে, টিভির রিমোট, ফ্রিজ এবং এ.সির সুইচগুলোও তারা খুজে পাবে এবং নিজেদেরই এ'সবের চালক/নিয়ন্ত্রক বলে ঘোষনা করবে।....

এতোক্ষন ঠিকই ঠিকই ছিলো... এই কথা দিয়ে ভুল পথে হাঁটা শুরু করলো গরু লেখকটা।

তোমারে কে বললো যে সে নিজেকে নিয়ন্ত্রক বলে ঘোষনা করবে?
১২ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩২

লেখক বলেছেন: সেই নাস্তিকরা বলেছে যারা বলে-"আমি বিজ বপন করি বলেই ফসল হয়- এখানে ইশ্বরের কাজ কি?"

২০. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩২
তিনিই সত্য বলেছেন: অসাধারণ বিশ্লেষন। চালিয়ে যান.... +
১২ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
আমার ব্লগে নিয়মিত আসার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

২১. ১১ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮
নতুন বলেছেন: আল্লাহ কে ..কি..কিভাবে এলো.. এই তথ্য কেন খুজে পাওয়া যাবে না ??

এটা বের করা কস্ট কিন্তু তাই ভেবে কেন আমরা সেই প্রশ্নের উত্তর খোজা ছেড়ে দেবো???

যদি কেউ পারে তবে তা শুধু মাত্র বিঙ্ঙানই তা পারে.... :)
১২ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: আল্লাহ নিজেই বলেছেন মানুষকে পৃথিবী ঘুরে দেখার জন্য যাতে করে আল্লাহর সৃস্টির বিশালতা এবং সৌন্দর্য মানুষ অনুধাবন করতে পারে। কাজেই আমরা আল্লাহকে এবং তার বিশাল সৃস্টিজগতকে জানার চেস্টা অবশ্বই করব এবং সেইসাথে সেই মহান শ্রস্ঠার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাব। অকৃতজ্ঞেরমত নিজের জানা বিষয়ের বাইরে কিছু নেই - বা নিজেকেই সর্বশক্তিমান ঘোষনা করব না।

২২. ১১ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:০৩
তিনিই সত্য বলেছেন: বিজ্ঞান হচ্ছে ততটুকুই যতটুকু মানুষ চিন্তা করতে পারে। কিন্তু মানুষের জ্ঞানের একটা সীমা আছে। যেমন বিজ্ঞান প্রান, আত্মা এগুলোর সজ্ঞ্আ দিতে পারেনি এখনো। উদাহরণ স্বরুপ: একটা পুকুরের মাছের জ্ঞান বড়জোর পুরো পুকুর সমন্ধে থাকতে পারে কিন্তু ওর পক্ষে কখনোই বাইরের সাগরের জ্ঞান থাকা সম্ভব না। কারণ তার জ্ঞান সীমিত, সর্বোচ্চ জ্ঞান পুরো পুকুর, এটাই ম্যাক্সিমাম।

ঠিক তেমনি মানুষের জ্ঞান স্রষ্টিকর্তার অস্তিত্ব চিন্তা করার মতো অসীম নয়। দ্যাট ইজ আউট অব লিমিট অব হিউম্যান ব্রেইন।
২৩. ১১ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:২১
নতুন বলেছেন: এটা বিশাবাসের কথা... বিঙ্আনের কথা নয়...
২৪. ১১ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৪০
তিনিই সত্য বলেছেন: আমি প্রথমেই বলেছি, "বিজ্ঞান হচ্ছে ততটুকুই যতটুকু মানুষ চিন্তা করতে পারে"। যেটা তার চিন্তা শক্তির অতীত সেটা বিশ্বাস করা ছাড়া আর কোন পথ নেই। প্রাণকে কি করে অবিশ্বাস করবেন? যদিও বিজ্ঞান এখনো প্রাণকে সজ্গায়িত করতে পারেনি।
২৫. ১১ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:১২
নতুন বলেছেন: বিজ্ঞান আপনাদের জন্য না...

আপনারা ঐশীবাদে বিশ্বাস করার জন্য উপর দিকে তাকিয়ে থাকেন...

আপনি মহা বিশ্বের সবকিছু বিশ্বাস করছেন... কুরআনে যা আছে সবই বিশ্বাস করছেন...

কিন্তু আসলে কুরআন কি?? এটা রাসুল (সাঃ) বলেছেন যে আল্লাহ কতে বলেছেন... এবং পরে তা বই আকারে আমরা পেয়েছি...

কুরআনের সত্যতা পুরটাই বিশ্বাস...

(আমি বিচার করছিনা কুরআন এর সত্যতা বা রাসুলের সত্যতা.. )

বিজ্ঞান যা বলছে তাতে ১০০% যুক্তি দিয়ে তা প্রমান করছে... না পারলে তা কিছুদিন পরে বাতিল হয়ে যাচ্ছে... তার অথ` হচ্চে যা সত্য নয়.. তা বাতিল হচ্ছে এবং বিজ্ঞানের সুত্র/ তত্ব গুলি প্রতি দিন খাটি হচ্ছে...

আপনারা যদি রাসুল বলেছেন বলে তা কোন প্রমান ছাড়া মেনে নিতে পারেন... তবে ১০০% প্রমান সহ কোন বিজ্ঞানের তত্ব কে মেনে নিতে আপনাদের সমস্যাকি???

আর বিজ্ঞান আজ কিছু বের করতে পারে নাই বলে... আগামীকাল পারবে না তা আপনাকে কে বলেছে???

আপনার মতন এই যুক্তি ""যে বিজ্ঞান এটা পারে নাই সেটা পারেনাই.. এই কথা হাজার হাজার বছর ধরেই বলে আসছে *াবালেরা...

আপনি এই যে কম্পউটারে ..নেট লাগাইয়া ব্লগাইতেছেন... তা আপনার মত বিশ্বাসীরা ১০০০ বছর আগে স্পনেও দেখে নাই... তাই আগামী ১০০০ বছর পরে যে বিজ্ঞান প্রান তৌরি করতে পারবেনা তা আপনাকে কে বলেছে???



১২ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: আমি কখনই বলিনি যে বিজ্ঞান যা প্রমান করছে তা মানি না, বা আজকে বিজ্ঞান যা পারে নাই কালকে তা পারবে না। আমার কথা খুবই পরিষ্কার-বিজ্ঞান এখনও যুক্তি প্রমান দিয়ে বলতে পারেনি যে আল্লাহ আছে কি নেই, বেহেস্ত দোজখ জ্বিন ফেরেস্তা কিছু আছে কি নেই। সুতরাং আপনি আছে বলুন আর নাই বলুন দুটোই বিশ্বাস মাত্র। কিন্তু নাস্তিকরা দাবি করেন যে তারা জ্ঞানী তাদের নাই বিশ্বাসটা নাকি বিজ্ঞান সম্মত-এখানেই আমার আপত্তি। আপনি যদি বলেন- আল্লাহ নাই এটা আপনার বিশ্বাস-তাহলে আমার কোন আপত্তি নাই - এবং সেখেত্রে আপনি আরএকটা ধর্মেরই(!) অনুসারী হবেন মাত্র-আস্তিকদের চেয়ে জ্ঞানী-মুক্ত মনা বা আলোকিত কিছু হয়ে যাবেন না। এখানে এই সত্যটাই আমি প্রতিস্ঠিত করতে চাচ্ছি।

২৬. ১২ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:০৯
বৃত্তবন্দী বলেছেন: ভায়া আমি খুব কম জানি।

আমার জানামতে, আল্লাহ মানুষকে আল্লাহর সম্পর্কে কোন জ্ঞান অর্জনের চেষ্টাকে নিরুৎসাহিত/মানা করেছেন।

কেন?

নিজেকে এক্সপোজ করতে তার এত ভয় কেন?
১২ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: কারণটা বুঝতে হলে শ্রস্ঠা এবং শৃস্টির মধ্যকার সম্পর্ক বুঝতে হবে। এই যে আমরা কম্পিউটার ব্যাবহার করি সে কি বোঝে? ০ এবং ১ ছাড়া কিছু বোঝার ক্ষমতা তার নেই। কোটি কোটি ০ আর ১ প্রসেস করাই তার কাজ। আমরা সেই ০ আর ১ এর মধ্যে কত সুন্দর সুন্দর গান-ছবি-মুভি, কত কথা কত তথ্য রেখেদেই। এখন কম্পিউটার যদি একটা গানের মানবিক আবেদন, বা একটা ছবির সৌন্দর্য অনুধাবন করার চেস্টা করে তাহলে কেমন হবে? মানুষ যদি তাকে সেই ক্ষমতা না দেয়, সে কি নিজ চেস্টায় কোনদিন এসব মানবিক অনুভুতিগুলো বুঝতে পারবে? আর এইসব বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে গিয়ে সে যদি তার আসল কাজ ০ এবং ১ প্রসেস করা বাদ দিয়ে দেয়, তাহলে কি আমরা তাকে ডাস্টবিনে নিক্ষেপ করব না? ব্যাপারটা ঠিক তাই, মানুষকে আল্লাহ যা জ্ঞান দিয়েছেন তা দিয়ে আল্লাহর সম্পর্কে ধারনা করা অসম্ভব আর সেই কাজ করতে গিয়ে যদি আপনি আপনার আসল কাজ যে জন্য আপনাকে সৃস্টি করা হয়েছে তা ভুলে যান তাহলে সেই অকেজো কম্পিউটারের মত আপনাকেও জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হতে হবে। এ'জন্যই আল্লাহ তাঁর সম্পর্কে বেশি চিন্তা(বিষেশ করে বাজে চিন্তা)করতে নিষেধ করেছেন। তাবে তাঁকে দেখার বা জানার বাসনা অবশ্ব্যই পুরোন হবে-কিছু দিন অপেক্ষা করুন-মৃত্যুর পরে কেয়ামতের মাঠে তাঁকে দেখা যাবে।

২৭. ১২ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:৪৩
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: লেখক বলেছেন: হ্যা একই ভাবে ইশ্বর নেই সেটাও একটা বিশ্বাস প্রমানিত সত্য নয়।
কিন্তু নাস্তিকরা সবসময় দাবি করে তারা জ্ঞানী আর আস্তিকরা অন্ধ।
তাদের সেই দাবির অসারতা প্রমানের জন্যই এই পোস্টটি দেয়া হয়েছে।


আমি নিতান্তই ছাপোষা মানুষ। তবুও বলছি। ঈশ্বর নেই, সেটা প্রমানেরও কোন প্রয়োজন নেই ভাইয়া। যা নেই, তা নেই। এখন প্রমান করা হবে কিভাবে তা নেই? আপনি এখানে সম্পূর্ন ভুল স্ট্যান্ড থেকে তর্ক করছেন। ঈশ্বর আছেন তা প্রমানের প্রয়োজন, কারন আস্তিকেরা বিভিন্ন আন্গিক থেকে প্রমান করতে চাচ্ছেন যে ঈশ্বর আছেন। নাস্তিকেরা বলছেন যে ঈশ্বর নেই। তারা এর অস্তিত্বে স্বীকার করছেন না। কারন যা নেই তাতে বিশ্বাসের কিছু নেই, প্রমানেরও কিছু নেই।

আপনাকে বলা হলো যে আপনার সামনে একটি মানুষ রয়েছে। কিন্তু আপনি দেখতে পারছেন না। আপনি বলবেন ওখানে কোন মানুষ নেই। জোর দিয়ে বলবেন। তখন যদি বলা হয় আপনি প্রমান করুন ওখানে কোন মানুষ নেই। তো আপনি কিভাবে প্রমান করবেন বলুন তো?

আর বিশ্বাসের আবার যুক্তি তর্ক কি? বিশ্বাস বিশ্বাসই। চোখ বুজে বিশ্বাস করে যান। ঐটা নিয়া কোন যুক্তি তর্ক ফলিয়ে নিজের বিশ্বাসটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন কেন? আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রেখে এগিয়ে চলুন। অবশ্যই সফলকাম হবেন।
১২ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:৫২

লেখক বলেছেন: হ্যা আপনার শেষ কথাটার সাথে আমি একমত - বিশ্বাস চোখ বুজেই করতে হয়। কিন্তু আমার আপত্তি সেখানেই যেখানে নাস্তিকরা তাদের বিশ্বাসকে বিজ্ঞান বলে চালাতে চায়। আর নাই বলার জন্যও যে প্রমান দরকার সে কথা আমার লেখাতেই আছে। আচ্ছা বলুনতো পৃথীবীর বাইরে প্রানের অস্তিত্ব আছে কি না? এই প্রশ্নের বৈজ্ঞানিক উত্তর কি? বৈজ্ঞানিক সত্য হচ্ছে -বিজ্ঞান জানে না পৃথিবীর বাইরে প্রানের অস্তিত্ব আছে কি নেই। এখন কেউ যদি বলে নেই, তাহলে সেটা বৈজ্ঞানিক সত্য নয়, বরং তার বিশ্বাস, একই ভাবে যখন কেউ বলে আছে তখন সেটাও বিশ্বাস মাত্র-বিজ্ঞান নয়। আশা করি আমার অবস্থানটা পরিষ্কার হয়েছে।

২৮. ১২ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:৫৯
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: আস্তিকেরা যে বলছেন আছে, তার প্রমানই বা কি? আমি আবারো বলছে, নাই যে সেটার প্রমানেরও প্রয়োজন নাই, বিশ্বাসেরও প্রয়োজন নাই। যেইটা নাই, সেইটা নাই

পৃথিবীর বাইরে প্রানের অস্তিত্ব আছে কিনা, বিজ্ঞান সেটা নিয়ে কিছু বলছেনা। বিজ্ঞান প্রমান পাবার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যদি কোনকালে প্রমানিত হয়, তখন তারা সিদ্ধান্ত দেবে। বিজ্ঞানে বিশ্বাস বলে কোন শব্দ নেই, এতোটুকু নিশ্চই আপনি জানেন?

মানুষ নিয়ে যে প্রশ্নটি করলাম তার উত্তরতো পেলাম না ভাইয়া? আপনার সামনে একজন অদৃষ্য মানুষ, আপনি জানেন ওখানে কোন মানুষ নেই। সবাই আপনাকে ধোকা দেবার চেষ্টা করছে। আপনি কিভাবে প্রমান করবেন যে, ওখানে কোন মানুষ নেই?
১২ ই মে, ২০০৮ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: হ্যা পৃথিবীর বাইরে প্রানের অস্তিত্ব আছে কি না সেটা নিয়ে বিজ্ঞান কিছু বলছে না, কিন্তু তার অর্থ কি এই যে-পৃথিবীর বাইরে প্রানের অস্তিত্ব নেই এটাই বৈজ্ঞানিক সত্য? তাহলে বিজ্ঞানীরা গবেষনা করছেন কেন? বৈজ্ঞানিক সত্য নিয়ে কি আবার গবেষনার প্রয়োজন হয়? মানুষ কি এখনও গবেষনা করে যে পৃথিবী সুর্যের চারদিকে ঘোরে কি না?

আর বিজ্ঞানে বিশ্বাস বলে যদি কিছু না থাকে তাহলে হাইপোথিসিসগুলো কি? সকল হাইপোথিসিস কি বৈজ্ঞানিক সত্য? মানুষ একসময় জানত না পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে মহাশুন্যে পাড়ি দেয়া সম্ভব কি না। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করতেন সম্ভব-এবং সে জন্যই আজকে তা সম্ভব হয়েছে। তারা যদি তখন বলতেন - পৃথিবী ছেড়ে আকাশে পাড়ি জমান সম্ভব নয়-এটাই বৈজ্ঞানীক সত্য-তাহলে কি বিজ্ঞানের অগ্রগতি হত?

আর মানুষ নিয়ে যে প্রশ্নটা করলেন তাতেও কিন্তু আপনি দেখা-নাদেখার উপর ভিত্তি করেই সিদ্ধান্ত নিতে চাচ্ছেন। অর্থাৎ আপনি যা দেখছেন তাই আছে যে দেখছেন না তাই নেই। এসব পর্থিব জিনিসের সাথে ঐশ্বরিক অনস্তিত্বকে মিলান হাস্যকর। অদৃশ্ব মানুষের থাকা না থাকার সাথে বিশ্বজগতের শ্রস্ঠা থাকা না থাকা তুলনীয় হতে পারে না। একটুকরা কাগজ যেমন একটি পেপারমিলের বাস্তবাতা প্রমান করে, তেমনি এ'বিশাল শৃস্টিজগত একজন মহান শ্রষ্টার অস্তিত্ব ঘোষনা করে। সেই ঘোষনাকে প্রমান ছাড়া বৈজ্ঞানিক ভাবে মিথ্যা বলার কোন সুযোগ নেই। আপনি যদি বলেন আপনার বিশ্নাস এই জগত এমনি এমনি সৃস্টি হয়েছে-তাহলে আমার আপত্তি নেই-কারণ তখন আপনিও আমারইমত একজন বিশ্বাসী(অবিশ্বাস অর্থে)।

২৯. ১২ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:০৯
বৃত্তবন্দী বলেছেন: আচ্ছা?
আমিও জানি যে কমপিউটারের বেসিক হচ্ছে ০ আর ১।
কমপিউটার যদি গানের কিংবা ছবির মানবিক আবেগ বুঝতে চেষ্টা করে তাও হবে ঐ ০ আর ১ প্রসেস করার ভিতর দিয়েই। নয়কি? তাহলে কমপিউটার কিভাবে তার আসল কাজ বাদ দিচ্ছে?
আর আপনি কি আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর কথা শোনেন নি? সেখানে তো কমপিউটার লজিকের উপর ভিত্তি করে শেখে? নাকি সেটাও প্রোগরাম করা থাকে? যাক আমার প্রশ্ন ছিলো মানুষ নিয়ে। আপনি মানুষের সাথে কমপিউটারের তুলনা দিলেন বলেই আমিও দিলাম। আপনি নিশ্চয় বুদ্ধিমান, তাহলে বুঝতে অসুবিধা না হওয়ারই কথা।
১২ ই মে, ২০০৮ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন: আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি নিজে নিজে তৈরী হয়েছে, না মানুষ তৈরী করেছে? আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি তার শ্রস্ঠা মানুষের সব মানবিক গুনাবলী অর্জন করে ফেলেছে?

আমার এই লেখার বিষয় কিন্তু এটা না-আপনারা অপ্রাসঙ্গিক ভাবে অন্য বিষয় টেনে আনছেন। আমার মুল কথা-নাস্তিকতা একটি অন্ধ বিশ্বাস যেখানে মানুষ যা জানে তার বাইরের সবকিছু অশ্বীকার করা হয় - এটা কখনই বিজ্ঞান বা বৈজ্ঞানিক সত্য নয়-যেমনটা নাস্তিকরা বলে থাকে। এ'বিষয়ে আপনার সুচিন্তিত মতামত আশা করছি।

৩০. ১২ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:১১
হ্যারি সেলডন বলেছেন: আল্লাহ আছে যেমন সেটা প্রমাণ করা সম্ভব না তেমনি আল্লাহ নেই সেটাও প্রমাণ করা সম্ভব না। তাই নাস্তিকতা আর আস্তিকতা দুটোই বিশ্বাস। তবে নাস্তিকরা তাদের "আল্লাহ্‌র অস্তিত্ব নেই" সেটা বিশ্বাস বলতে রাজি থাকেনা।
মনে করে যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করা যায় আল্লাহ নেই। আসলে আল্লাহ নেই অথবা আছে দুটোই বিশ্বাস। যুক্তিতে গেলে একটা ইনফাইনিট লুপ ছাড়া কিছুই পাওয়া যায়না।

১২ ই মে, ২০০৮ দুপুর ২:২৭

লেখক বলেছেন: জি
দয়া করে নাস্তিকদেরকে বলবেন তারা যেন তাদের বিশ্বাসকে বিজ্ঞান বলে জাহির না করে আর আস্তিকদের অন্ধ বলে গালি না দেয়। তারাও যে মুলত একটা অন্ধ বিশ্বাসের পিছনে ছুটছে এটা বুঝানর জন্যইতো এত লেখালেখি।
আর যে ইনফাইনিট লুপের কথা বল্লেন সে ব্যাপারে অন্য একটা শিরনামে পরে আলোচনা হবে।

৩১. ১২ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪৯
লিপিকার বলেছেন: "যখন আমি আছি তখন ঈশ্বর নেই, যখন ঈশ্বর আছেন তখন আমি নেই".........এটা বিখ্যাত দার্শনিক উক্তি। এটা নিয়ে বহু গবেষনা হয়েছে, হচ্ছে, হবে।

ঈশ্বর আছে কি নেই সেটা নিয়ে এত প্রমান যুক্তির তো কোন মানে হয়না। এটা পুরোপুরি বিশ্বাস। যে বিশ্বাস করেনা ঈশ্বর নেই তাকে কেন শুধু শুধু প্রমান দেবার প্রয়োজন? ঈশ্বরই তাকে প্রমান করে দিবেন যে তিনি আছেন। ঈশ্বের যদি থেকে থাকেন তাহলে নিশ্চিত তিনি আপনাদের পোলাপানীতে হাসছেন।

শূন্য থেকেই সব এসেছে। তাহলে শূন্য কী? এই জটিল প্রশ্ন যখন মানুষের মাথা ধরিয়ে দিত তখনই মানুষ ঈশ্বরকে ভাবনায় নিয়ে আসে। এটা হলো কোন জটিল কিছু থেকে নিজেকে হাঁপছেড়ে বাঁচানো। এরপর আসে বিশ্বাসী আর অবিশ্বাসীর দল। ঠিক যেমন চুম্বকের উত্তর আর দক্ষিন মেরু।

(আমি মোটেও নাস্তিক নই। কিন্তু তাই বলে নাস্তিকদের বিজ্ঞান দিয়ে প্রমাণ করে দেখানোর দরকার নেই যে আমি যা বিশ্বাস করি তোমাকে তাই বিশ্বাস করতে হবে)
৩২. ১২ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪৯
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
মেন্টাল বলেছেন: পোস্ট পড়ে হাসতে হাসতে পেদে দিলাম।
১২ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:০৪

লেখক বলেছেন: যার কাজ তাকেই মানায়

৩৩. ১২ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২০
নতুন বলেছেন: আপনি আপনার বিশ্বাস নিয়া বেহেস্তে যান... কোন অসুবিধা নাই... নাস্তিকরা আপনার হুরের ভাগ চাইবেনা...


আপনারা যারা বিশ্বাসী... তারা চিন্তা করে দেখুন... আপনি বিশ্বাস করতে কতটুকু চিন্তা ভাবনা করেছেন??? কিছুইনা...

কিন্তু একজন নাস্তিক অনেক চিন্তা ভাবনা করেই সে নাস্তিক.... আপনার মতন শুধু মাত্র কোন কথা শুনে বিশ্বাস সে করেনি যে সৃস্টিকত`া নেই..... সে তার অনেক প্রশ্নের উত্তর না পেয়ে বা অনেক কিছু দেখেই সে নাস্তিক...

সবাই ভালো থাকবেন.... কদিন পরেই তো ৭০টা হুরনিয়া জান্নাতে BMW ..mercedes benz দাবড়াবেন... নিজের বিশ্বাস নিয়া তাকেন... কেন খোচা খুচি করেন.. :)
১২ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:০৩

লেখক বলেছেন: আপনার কথার জবাব আমার মুল লেখাতেই আছে। আমি নাস্তিকদের বলেছি তৃতীয় শ্রেনীর মানুষ যারা একেবারে অজ্ঞের মত যা দেখে তাকেই দেবতা মনে করে না আবার এতটা বিজ্ঞ নয় যে শ্রস্ঠার অস্তিত্ব অনুধাবন করতে পারে।একজন লোক রিমোটের সুইচ টিপতে শিখেই যদি ঘোষনা করে - "আমিই তো সব, আমি সুইচ টিপি বলেই টিভি চলে, এখানে টিভি স্টেশনের প্রয়োজন কি?" তাহলে কেমন শুনায়? একই অবস্থা নাস্তিকদেরও। তারা কিছুটা জেনেছে, কিছু চিন্তাভাবনা করেছে, আর তারপরই তাদের জ্ঞানের বাইরে কিছু নেই বলে ঘোষনা দিয়ে বসেছে। এজন্যই তারা হচ্ছে স্বল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করেরে স্বার্থক উদাহরণ।

৩৪. ১২ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২৭
হিমু রুদ্র বলেছেন: নতুন বলেছেন: আপনি আপনার বিশ্বাস নিয়া বেহেস্তে যান... কোন অসুবিধা নাই... নাস্তিকরা আপনার হুরের ভাগ চাইবেনা...


আপনারা যারা বিশ্বাসী... তারা চিন্তা করে দেখুন... আপনি বিশ্বাস করতে কতটুকু চিন্তা ভাবনা করেছেন??? কিছুইনা...

কিন্তু একজন নাস্তিক অনেক চিন্তা ভাবনা করেই সে নাস্তিক.... আপনার মতন শুধু মাত্র কোন কথা শুনে বিশ্বাস সে করেনি যে সৃস্টিকত`া নেই..... সে তার অনেক প্রশ্নের উত্তর না পেয়ে বা অনেক কিছু দেখেই সে নাস্তিক...

সবাই ভালো থাকবেন.... কদিন পরেই তো ৭০টা হুরনিয়া জান্নাতে BMW ..mercedes benz দাবড়াবেন... নিজের বিশ্বাস নিয়া তাকেন... কেন খোচা খুচি করেন..

------------------বেহেস্তে যাওয়া অত সোজা না বুঝলা মিয়া ???

নাস্তিকগো টাইট দিতে না পারলে বেহেস্তে যাওয়া যাবো না...!!!

কে কইছে নাস্তিক শুধু চিন্তা-ভাবনা করেই নাস্তিক ???

ইডিয়ট সব ! মরার কথা চিন্তা না কইরা কইরা এই অবস্থা ! না মানে ধর্ম না মা-বাপ !
৩৫. ১২ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৩
নতুন বলেছেন: @ হিমু রুদ্র

বেহেস্তে যাওয়া অত সোজা না বুঝলা মিয়া ???

নাস্তিকগো টাইট দিতে না পারলে বেহেস্তে যাওয়া যাবো না...!!!

---- টাইট দেওয়ার সাথে বেহেস্তে র সম্পক`কি??
৩৬. ১২ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৯
ত্রিভুজ বলেছেন: নতুন বলেছেন: আপনি আপনার বিশ্বাস নিয়া বেহেস্তে যান... কোন অসুবিধা নাই...

@ নতুন
আস্তিকের চাইতে নাস্তিকেরই কিন্তু আস্তিকদের নিয়ে বেশী চুলকানী। এটা মনে হয় আপনি ভুলে গেছেন। একটু মনে করেন... (আপনার নিজেরও চুলকানী কম না... ব্লগেতো অনেকদিনই দেখলাম)।
৩৭. ১২ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:০৭
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
মেন্টাল বলেছেন: পোস্ট পড়ে হাসতে হাসতে পেদে দিলাম।

১২ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:০৪
লেখক বলেছেন: যার কাজ তাকেই মানায়


--------

ভাই, যার কাজ মানে কিডায়??
আপ্নে কি পাদেন না???????????
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫০

লেখক বলেছেন: আমি অন্যের যুক্তিপুর্ণ লেখা পড়ে হাসতে হাসতে পাদি না। ওটা স্বাভাবিক জৈবিক নিয়মেই হয়।

৩৮. ১২ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:১০
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
ত্রিভুজ কি অহন চুলকানীর অষুধ দিয়া বেড়াও নাকি??

ব্লগারদের চুলকানি তো ভালোই দেখতাছো!!!
৩৯. ১২ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৩৯
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: নাস্তিকের নিজের বিশ্বাসকে বিজ্ঞান বলে চালিয়ে দেয় আর অন্যদের ভাবে ছাগল।

ঐখানেইতো সব আপত্তি
৪০. ১২ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৫
আরিফুর রহমান বলেছেন: ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: নাস্তিকের নিজের বিশ্বাসকে বিজ্ঞান বলে চালিয়ে দেয় আর অন্যদের ভাবে ছাগল....


আজকের মগবাজারী স্লোগান।

তবে আশ্বস্ত হৈলাম, উন্নতির বদলে ছাগুপাল ক্রমেই নিচের দিকে যাতৈছে। দুইন্না থাইকা এদের বিলোপ বেশিদিনের নয়।
১৩ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: জি জনাব
আপনার মত বহু নাস্তিক বহু বছর আগে থেকেই এই স্বপ্ন দেখে আসছে। এটাও আপনাদের একটা বিশ্বাস।

৪১. ১২ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৫২
হট্টগোল বলেছেন:

তোমার নাতির ঘরে নাতি একদিন ঠিকই দেখে যাবে যদি আল্লাহ থেকে থাকে সকালে তিনি কি দিয়ে নাশতা সারেন।
৪২. ১২ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৫৩
নীল-লোহিত বলেছেন: ত্রিভুজ বলেছেন: নতুন বলেছেন: আপনি আপনার বিশ্বাস নিয়া বেহেস্তে যান... কোন অসুবিধা নাই...

@ নতুন
আস্তিকের চাইতে নাস্তিকেরই কিন্তু আস্তিকদের নিয়ে বেশী চুলকানী। এটা মনে হয় আপনি ভুলে গেছেন। একটু মনে করেন... (আপনার নিজেরও চুলকানী কম না... ব্লগেতো অনেকদিনই দেখলাম)।
৪৩. ১৩ ই মে, ২০০৮ রাত ২:৩১
নেমেসিস বলেছেন:
আিরফুর রহমান বলেছেন: ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: নাস্তিকের নিজের বিশ্বাসকে বিজ্ঞান বলে চালিয়ে দেয় আর অন্যদের ভাবে ছাগল....

>>>> হাহাহা .............. :)
৪৪. ১৪ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯
অমলকান্তি বলেছেন: আপনে কি বুইজ্যাই অ্যাগনস্টিক দের গুনগান গাইলেন নাকি না বুইজ্যাই?
৪৫. ১৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:১১
মোহাইমেন বলেছেন:
পোষ্টে ++

লজিক্যাল ইস্যুগুলোতে কেমন যেন এলোমেলো মনে হলো নাস্তিকদের ।

যুক্তির উত্তর যুক্তি। বিশ্বাসের উত্তর বিশ্বাস। যুক্তিভিত্তিক বিশ্বাস আরো শক্তিশালী। প্রমানভিত্তিক বিশ্বাস অত্যন্ত সুদৃঢ়।

সুনিদির্ষ্ট বক্তব্য থেকে সরে গিয়ে নাস্তিকেরা অশ্লীল কথাবার্তা বলতে শুরু করে । এটা তাদের ঢাল ।

জীবনের সংগা কি ভাইয়েরা? পদার্থবিজ্ঞান কি বলে? এটা কি জীবনকে সংগায়িত করতে পারে? পারলে জীববিজ্ঞান কেন? রসায়ন তাহলে কি করে? দশর্ন এর ই বা দরকার কি??

কমপিউটার বিজ্ঞানের উচ্চতর শাখা হচ্ছে আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স । আর আপনাদের জ্ঞাতাথে জানাচ্ছি (যারা জানেন না) এর বেসিক দাড়িয়ে আছে দশর্নের উপর । এদেরকে বলা হয় কগনিটিভ সায়েন্টিষ্ট ।


আপনারা খন্ডিত অংশ নিয়া বিজ্ঞান বিজ্ঞান বলে আওয়াজ দেবেন, এটা নিতান্তই আহাম্মকি!!! মানছি আপনার অনেকে পড়াশুনা করেছেন। কিন্তু কখনোকি আপনাদের প্রশ্ন ও উত্তরগুলো এক করে দেখেছেন?? আমি বলবো করে দেখুন, আমি চ্যালেন্জ করছি আপনারা দিশাহারা হয়ে যাবেন । আর আল্লাহকে পাওয়া অনেকদুর । আগে নিজেকেই চিনুন জানুন । আল্লাহ কে নিয়া পরে চিন্তা করেন ।

কিভাবে মানুষের শরীর-মন কাজ করে তা বিজ্ঞানের আলোকে জানুন । মস্তিক নিয়ে, প্রকৃতি নিয়ে, জীবজগত নিয়া পড়াশুনা করুন । আপনাদের যুক্তি আরো বলিস্ঠ হবে । নাহলে আধা-জ্ঞান কিন্তু অজ্ঞানে পযর্বসিত হবে, বিজ্ঞান আর হবে না ।









৪৬. ২০ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২২
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: নাস্তিকতা বিষয়ক একটি নতুন ধারাবাহিক লেখা শুরু করেছি আমার ব্লগে। আগ্রহীগন এখানথেকে পড়া শুরু করতে পারেন।http://www.somewhereinblog.net/blog/mirana/28799311
৪৭. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:০৫
মোহাম্মদ আসিফ উল হক বলেছেন: অসাধারণ। আমার মনের কথাগুলো সুন্দর করে লিখেছেন।
৪৮. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪৮
জেমসবন্ড বলেছেন: নাস্তিকতার মূলোৎপাটন করেই ছাড়ব ইনশাল্লাহ ।
৪৯. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৪
বেয়াকুফ বলেছেন: কেমনে করবেন জেমসবন্ড? তাইলে যে নাসারাগো দ্যাশের সাথে ফাইট দিতে হইবে? এই দ্যাশগুলার সাথে ফাইট দেওনে আগে এটলিস্ট আপনেরে বিন লান্দিনএর মত এককুটি লুক তৈয়ার কত্তে হইবে;)। তার আগে নিজের কোমরের হাড্ডি জাগায় থাকে কিনা ঠিক কইরা লিয়েন;)
৫০. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৫
বেয়াকুফ বলেছেন: উপরের গুলা জনসংখ্যার নাস্তিক পারসেন্টেজ।
৫১. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৬
না বলা কথা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ,পোস্টটির জন্য, জানার আছে অনেক কিছু,
সব বুইজা ফালাইছে,যারা মনে করে ,তাগো হেডম নাই।
৫২. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৯
ইয়র্কার বলেছেন: হা হা হা। ফান পোস্ট, ফান কমেন্ট।
৫৩. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৫
দুরের পাখি বলেছেন: লেখক বলেছেন: আল্লাহর বৈশিস্টই হচ্ছে তিনি সয়ম্ভু।



এই বৈশিষ্ট্য আপনি কিভাবে জানলেন ?

আল্লাহ বলেছেন ।

প্রশ্নইতো আল্লাহকে নিয়া । যেটা নিয়া এখনো আপনার জবাব শেষ হয় নাই সেইটারে সাবজেক্ট/অবজেক্ট বানাইয়া একটা বাক্য কেমনে গঠন করেন ? ভাষার লজিক নিয়া একটু চিন্তা কৈরা দেখেন । সেই শেষ পর্যন্ত গায়ের জোরে মুরগি আগেই কইতাছেন । কানাকড়ি পরিমান যুক্তিও নাই ।
৫৪. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: "আল্লাহর বৈশিস্টই হচ্ছে তিনি সয়ম্ভু। এই বৈশিষ্ট্য আপনি কিভাবে জানলেন ? আল্লাহ বলেছেন "

আল্লাহ ধারনাগত ভাবেই সয়ম্ভু। উল্টোকরে বল্লে বলা যায় - সয়ম্ভু বলেই তিনি আল্লাহ বা একক স্রস্টা। বিস্তারিত আলোচনা এখানে আছে। সময়করে ঠান্ডা মাথায় পড়লে আশা করি বুঝতে পারবেন।

Click This Link
৫৫. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৭
দুরের পাখি বলেছেন: পইড়া আসলাম । সরি, পুরাটা পড়ার ধৈর্য ধৈরা রাখতে পারি নাই ।

বাউন্ডারি কন্ডিশন নিয়া বুঝার ঘাটতি রৈয়া গেছে আপনার । বাউন্ডারির দুইপাশ সম্পর্কে জ্ঞান ছাড়া বাউন্ডারি কন্ডিশন সেট করা যায় না । বাউন্ডারিতে ফাংশনের মান এইরকম হৈতে হৈব যে, বাউন্ডারির ডানইপাশের সমীকরন অনুসারে মান = বামপাশের সমীকরন অনুসারে মান ।

একপাশের বিশ্বজগৎ সম্পর্কে আপনার কার্যকারণ ফাংশন দিয়া মান ঠিক কৈরা হৈল ঠিকাছে । কিন্তু অপরপাশে কি ফাংশন সেইটা না জাইনা বাউন্ডারি কন্ডিশন সেট কৈরা দিলেইতো হৈব না ।
৫৬. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৮
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ

কথা হচ্ছে অপর পাশের ফাংশান যদি জানা যেত তাহলে তো আর এত যুক্তি তর্কের প্রয়োজন হত না। তাই না? মুল বিষয়টা হচ্ছে সৃস্টিতত্বের অসীম চক্র সমাধানের একটাই উপায় আর তা হচ্ছে এই চক্রের ষেশে এমন কাউকে মেনে নেয়া যার আর কোন স্রস্টা নাই। এবং সেটা মানতে হলে এটাও মানতে হবে যে সেই স্রস্টা কিছুতেই এই বিশ্ব জগতের অংশ নন - কেবল মাত্র তখনই তিনি স্রস্টা ছাড়াই সৃস্ট হতে পারবেন। কারণ আমরা আমাদের জগত সম্পর্কে জানি যে এখানে কার্যকারণ ছাড়া কিছু হয় না বা স্রস্টা ছাড়া কিছু হওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু এর বাইরের জগত সম্পর্কে আমরা এই কথা বলতে পারি না।

যদি আপনি এমন কাউকে না মানেন তাহলে সৃস্টি তত্বের অসীম চক্রের বিভ্রান্তি নিয়েই জীবন পার করতে হবে - কোন দিনই তার সমাধান করতে পারবেন না।

এখন সমাধান চান কি না সেটা আপনার ব্যাক্তিগত ব্যাপার। তবে সৃস্টিতত্বের সমাধান ছাড়া, জীবন কি? মানুষ কেন পৃথিবীতে এসেছে? পৃথিবীতে আসার আগে আমরা কোথায় ছিলাম? এর পরে কোথায় যাব? জীবনের উদ্যেশ্ব কি? বিবেক কি? পৃথিবীর অন্য কোন প্রানীর বিবেক না থাকলেও আমাদের এই বিবেক কোথা থেকে আসল? ইত্যাদি হাজারো প্রশ্নের কোন উত্তর পাওয়া যাবে না। এ'জন্যই সৃস্টি তত্বের সমাধান প্রয়োজন।

আমি যে সমাধানটা বলেছি সেটাই যে একমাত্র এমন নয়। একই সমস্যার বহু সমাধান সম্ভব। বাউন্ডারী কন্ডিশন ছাড়া অন্য কোন উপায়েও যদি এই সমস্যার সমাধান সম্ভব হতেই পারে। চেস্টা করে দেখুন তেমন কোন সমাধান পাওয়া যায় কি না।
৫৭. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১৬
ম্যাভেরিক বলেছেন: স্রষ্টা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পিতামাতার মাধ্যমে এবং তার ভেতর দিয়ে দিয়েছেন সময় ও পরিবর্তনের অনুভূতি।

সময়ের প্রভাব পড়ে তার জৈব দেহে, দেহের পরিবর্তন ঘটে, তাই সেও খুঁজতে চায়, সময়ের প্রভাব স্রষ্টার উপর কীভাবে পড়ে! তখন সে ভুলে যায় সময় আসলে একটি অনুভূতির নাম মাত্র এবং নিজের মত স্রষ্টাকে সময়ের প্রেক্ষাপটে বিচার করা বোকামি মাত্র। যদি মানুষের জৈবদেহ পরিবির্তন না হত, তার সময়ের অনুভূতি স্থির থাকত, দিবারাত্রির পরিক্রমা না হত, তার কাছে মনে হত সবকিছুই স্থির।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
স্রস্টা অবশ্বই সময়ের উর্ধে। কারণ এই সময়ও তারই সৃস্টি।

৫৮. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৫৮
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট ।

অল্প জ্ঞানের লাফালাফি দরকার নাই। নিজেদের জানার পরিধি জানা দরকার আগে।

তবে হ্যা একটা ব্যাপার - মানুষের যেহেতু চিন্তা করার ক্ষমতা আছে। পৃথিবী ধ্বংস হয়ে না গেলে মানুষ এর উত্তর খুজে বের করে ফেলবে।

+++
১৯ শে মে, ২০১১ সকাল ১১:১৭

লেখক বলেছেন: ইনশাআল্লাহ - যদি আল্লাহ চান। তবে মানুষের জ্ঞান বৃদ্ধির সাথে সাথে অজ্ঞতা যে হারে বাড়ছে তাতে পুরো বিশ্বজগতের সকল জ্ঞান মানুষের আয়ত্মে আসার সম্ভাবনা খুবই কম।

৫৯. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:০৯
নাজিম উদদীন বলেছেন: তাহলে আস্তিকরা সব মহাজ্ঞানী। :)
৬০. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:২৩
শয়তান বলেছেন: কেঁচোও কিন্তু কাইন্ড ওফ স্বয়ম্ভু । ;)
৬১. ৩০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:০৩
এস. এম. রায়হান বলেছেন: কোরানের কোথাও আল্লাহকে 'নিরাকার' বলা হয়নি, 'অদৃশ্য' বলা হয়েছে। 'নিরাকার' ও 'অদৃশ্য' শব্দ দুটির মধ্যে পার্থক্য আছে। 'অদৃশ্য' মানে যাহা দেখা যায় না বা দৃষ্টিসীমার বাহিরে। আর 'নিরাকার' মানে হচ্ছে যার কোন আকার-আকৃতি নাই।
০৬ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: আমাদের চিন্তা চেতনা হচ্ছে আমাদের পরিচিত চতুর্মাত্রিক জগত কেন্দ্রীক। এবং এই জগতে আকার আকৃতির অর্থই হচ্ছে সীমাবদ্ধতা। যার বস্তুগত আকৃতি আছে সেই স্থানের একটা অংশে সীমাবদ্ধ। সেই অর্থে আল্লাহর যদি আকৃতি থাকে তাহলে তার পক্ষে এই জগতে অসীম হওয়া সম্ভব নয়। হ্যা, এটা সম্ভব যে তিনি অন্যকোন জগতে/মাত্রায় আছেন যেখানে আকৃতি থেকেও অসীম হবার সুযোগ আছে। সুতরাং আমাদের পরিচিত জগতের বিবেচনায় আল্লাহ অবশ্বই নিরাকার এবং সেজন্যই তিনি স্থান এবং সময় দুই ডায়মেনশনেই অসীম।

৬২. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:১১
সংগ্রামী অলস বলেছেন: আপনাকে হাজার সালাম।

এর চেয়ে ভাল পোষ্ট আর কি হতে পারে। নাস্তিকরা খামোকা বাচ্চা ছেলের মত আচরণ করছে।
আল্লাহ তাদের হেদায়ত করুন।

অল্পবিদ্যা নাকি ভয়ংকর। আগে জানলেও feel করতাম না।

তবে নাস্তিকদের মহা জ্ঞান দেখে তা কতটুকু ভয়ংকর ভাবতেও অবাক লাগে।

৬৩. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩১
দ্বিজু বলেছেন: আমার পোস্টে আপনার মূল্যবান মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
আমি নাস্তিক নই।
ঈশ্বরের সন্ধানেই আছি বলতে পারেন।
তবে বিশ্বাসযোগ্য কোনো ঈশ্বরের সন্ধান এখনো পাইনি।

এই পোস্টে একেবারে প্রথম মন্তব্যে আপনার উত্তরটিও সন্তুষ্ট হওয়ার মতো নয়।
৬৪. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৪
ফাহরুখ খান বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর পোস্টের জন্য।
এখন আমি নাস্তিকদের আরও ভালোভাবে জবাব দিতে পারব।
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
নাস্তিকদের জবাব দেয়ার জন্য মাথা ঠান্ডা রেখে গভীরভাবে চিন্তা করাই যথেস্ট। কারণ ওদের কথাগুলোর মধ্যে প্রচুর ভুল/দুর্বলতা থাকে। সেই ভুলগুলো ধরতে পারলেই দেখবেন নাস্তিক চিন্তার ভিত্তি কত দুর্বল।

৬৫. ২৪ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:০৭
কাকপাখি ২ বলেছেন:
নাস্তিক্যবাদ যে ভুয়া তা বুঝার জন্য নিচের পোস্ট দেখতে পারেন:

Click This Link target='_blank' > বিজ্ঞান, বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা এবং উহার মধ্যে নাস্তিক্যবাদিগনের নর্তন কুর্দন।
৬৬. ২৪ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:০৮
কাকপাখি ২ বলেছেন: উপরের লিংক কাজ না করলে এই লিংক দেখুন:

Click This Link
৬৭. ২৪ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:১৭
নিস্সঙ্গ যোদ্ধা বলেছেন: আপনি যা বলেছেন তার সাথে একমত। আসলে মানুষ যা দেখে শুধু ততটুকুই চিন্তা করতে পারে, এর বাইরে নয়।

চমৎকার পোষ্ট। +++++
৬৮. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৫৪
মাজহারুল হুসাইন বলেছেন: সয়ম্ভ

আমার জানা মতে আল্লাহ শ্বাসত চিরঞ্জীব , সয়ম্ভ নন । কোন কিছু শুরু হলে তার শেষ আছে । কিন্তু আল্লাহ তা মুক্ত । এই মহাবিশ্বর শুরু আছে । এ জন্য entropy শব্দ টা আছে ।

কেয়ামতের দিন মানুষ আল্লাহকে দেখবে।

আমার জানা মতে জান্নাতে ।

৬৯. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৪১
অবনীল্‌ বলেছেন: যেখানে ঈশ্বর যুক্তি তর্কের শেষে ধরে নেওয়ার একটি ব্যাপার, সেখানে কুরআনে ঈশ্বর তার নিজের সর্ম্পকে কি বলেছেন সে রেফারেন্স কতটা যুক্তিযুক্ত?
৭০. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৩৩
কাকতারু্য়া বলেছেন: অনেক আগে পড়া আরবী একটা কথা মনে হলো: " অল্প জ্ঞান মানুষকে অন্ধ ধার্মিক বানায়, বেশী জ্ঞান বানায় নাস্তিক, আর সঠিক জ্ঞান মানুষকে বানায় সত্যিকার আস্তিক এবং ধার্মিক " অতএব কে কোন গোত্রের বুইঝা নেন।
৭১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৩৮
কাকতারু্য়া বলেছেন: আরিফুর রহমান বলেছেন: ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: নাস্তিকের নিজের বিশ্বাসকে বিজ্ঞান বলে চালিয়ে দেয় আর অন্যদের ভাবে ছাগল....


আজকের মগবাজারী স্লোগান।

তবে আশ্বস্ত হৈলাম, উন্নতির বদলে ছাগুপাল ক্রমেই নিচের দিকে যাতৈছে। দুইন্না থাইকা এদের বিলোপ বেশিদিনের নয়।

----------------

ওহে মহাজ্ঞানী, তোমার মতো অনেক পাবলিক ইতিহাসের শুরু থাইকা নাস্তিকতা প্রচার করেছে, বিপদে পরলে তারাই বলছে " আল্লাহ , এইবার বাচাও " অবশেষে তাদের অবস্থান কোথায়, এইটা কার ও না বল্লে ও চলে, ইতিহাস দেখলেই মনে হয় ক্লিয়ার ।
৭২. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৫৬
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: একটা প্রশ্ন...

"আমি বিজ বপন করি বলেই ফসল হয়- এখানে ইশ্বরের কাজ কি?" এই ধরণের কথা কোনো নাস্তিকের মুখে শুনেছেন,নাকি নিজেই বানিয়েছেন?যদি কারো মুখে শুনে থাকেন,তবে জানুন সে ফ্যাশনেবল নাস্তিক।


আর একটা কথা।এই লাইনটায় দুটা বানান ভুল আছে।বীজ ও ঈশ্বর।
০১ লা মার্চ, ২০১১ সকাল ১১:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্য।

আপনি যদি নাস্তিকদের মধ্যে ফ্যাশনেবল এবং অরিজিনাল এ'রকম বিভাজন করতে চান তাহলে স্পস্ট করে বলুন তাদের বৈশিস্টাবলী কি কি এবং নাস্তিকতা সম্পর্কে তাদের ধারনাই বা কি। আমি যে কথাটা বলেছি সেটা নাস্তিকতার একটি স্বাধারন কথা - যদি নাই হয় তাহলে আপনার দৃস্টিতে উত্তর দিন "নাস্তিকতার ভিত্তিতে বীজ বপন আর ফসল উৎপাদনের মাঝে আর কোন শক্তির অবদান আছে কি না? থাকলে সেই শক্তির পরিচয় কি?"

বানান ভুল ধরার জন্যও কৃতজ্ঞ - আমি আমার এই দুর্বলতা সবসময়ই অনুভব করি - তবে আমি যেহেতু সাহিত্য রচনা করছি না সেহেতু ভাষার সৌন্দর্যের চেয়ে বক্তব্যই অধীক গুরুত্বপুর্ণ মনে করি। যাইহোক, আপনার পরামর্শমত ভুল দুটি শুদ্ধ করার ব্যাবস্থা করছি।

৭৩. ০২ রা মার্চ, ২০১১ ভোর ৪:২৯
নির্ণয় বলেছেন: ২৮ এর জবাবে আপনি বলেছেন - "এসব পর্থিব জিনিসের সাথে ঐশ্বরিক অনস্তিত্বকে মিলান হাস্যকর। অদৃশ্ব মানুষের থাকা না থাকার সাথে বিশ্বজগতের শ্রস্ঠা থাকা না থাকা তুলনীয় হতে পারে না। "

আর নিজে পোস্টে সেই হাস্যকর কাজটাই করেছেন পার্থিব লাইট রিমোট দিয়ে - "যেমন লইট, ফ্যান, টিভি, ফ্রিজের সুইচ আবাষ্কার করেই নিজেদের মহা শক্তিশালী ভাবে, পাওয়ার প্ল্যান্ট বা টিভি স্টেশনকে অস্বীকার করে-নাস্তিকরা ঠিক তেমনি বিজ্ঞানের স্বাধারন কিছু আবিষ্কার দেখেই নিজেদের সর্বশক্তিমান ঘোষনা করে"।

লিখতে থাকুন। যত লিখবেন ততই নিজের কথার অন্তঃসারশূণ্যতা ধরতে পারবেন। এই পোস্টে না হোক, এই ব্লগে না হোক ... অন্যকোথাও স্বীকার করবেন।

পোস্টের ব্যাপারে কিছু কথা ছিলো আমার বটে। কিন্তু অন্যদের মন্তব্য আর আপনার জবাব দেখে মনে হচ্ছে যটুকু হয়েছে তা-ই আপাতত যথেষ্ট।
০২ রা মার্চ, ২০১১ সকাল ১১:২৮

লেখক বলেছেন: আমি ঠিক বুঝতে পারছি না আপনার কাছে এই দুটো বিষয়ের কোনটিকে অন্ত:সারশুন্য মনে হচ্ছে।

২৮ নম্বরের জবাবে আমি যা বলেছি তার মুল কথা হচ্ছে - অদৃশ্ব মানব থাকা বা না থাকার উপর কোন কিছু নির্ভর করে না কারণ তার কোন কাজ বা সৃস্টি আমরা অনুভব করি না। কিন্ত ঈশ্বরের সৃস্টি আমরা দেখি অনুভব করি। যদি ঈশ্বর না থাকেন তাহলে এই সৃস্ট জিনিস গুলোর অস্তিত্ব অসম্ভব - কারণ যা নিজে সৃস্ট তা নিজেই নিজের স্রস্টা হতে পারে না।

আর পার্থিব লাইট রিমোটের যে উদাহরণ দিয়েছি সেখানে মুলত একটা বড় কার্যকারণ প্রনালীর শেষ অংশ প্রত্যক্ষ করে আগের গুলোকে অস্বীকার করার কথা বলা হয়েছে। নাস্তিকরা যেমন পৃথিবীর বা বস্তুজগতের কিছু নিয়ম কানুন আবিষ্কার করে বলতে চায় যে এর পিছনে আর কোন কার্যকারণ নাই বা এই নিয়ম/সিস্টেমগুলি কেউ তৈরী করেনি - এই প্রকৃতিই স্বার্বভৌম এর কোন স্রস্টা থাকার প্রয়োজন নাই।

এই দুটি সম্পুর্ণ ভিন্ন বিষয়কে এক করে আপনি কিভাবে আমার বক্তব্যকে অন্ত:সার শুন্য বলছেন ব্যাখ্যা করলে ভাল হত।

১৯ শে মে, ২০১১ সকাল ১১:৩১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্য এবং প্রিয়তে রাখার উপযোগী মনে করার জন্য।

৭৫. ১৮ ই মে, ২০১১ রাত ১২:৪৫
শেলী বলেছেন: @সামী মিয়াদাদ, বিজ্ঞানে বিশ্বাস বলে কোনো কিছু নাই? বিবর্তনবাদত বিশ্বাসের উপরই প্রতিষ্ঠিত। প্রতিটা গবেষণা শুরু হয় হাইপোথিসিস দিয়ে। এটাও ত বিশ্বাস।

বিজ্ঞানে বিশ্বাসী দের একটা সমস্যা হল তা প্রতিনিয়ত বদলায় আর বিজ্ঞানই বের করেছে যে এর ফলে মানুষের অস্হিরতা বেড়ে যাচ্ছে।
১৯ শে মে, ২০১১ সকাল ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: শক্তি ও বস্তু কেন্দ্রীক প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিজ্ঞান ঠিক আছে - কিন্তু তাকে যদি মানুষের সমাজ চিন্তা চেতনা বিশ্বাস চরিত্র এ'সব মানবিক বিষয়েও টেনে আনা হয় তখনই ঘটে বিপত্তি। কারণ মন, বিবেক, আত্মা, স্নেহ, মমতা ইত্যাদি মানবিক বিষয় বিজ্ঞানের আওতায় কখনই আসেনি।

৭৬. ১৮ ই মে, ২০১১ রাত ১২:৫০
রিপেনডিল বলেছেন: ধর্ম যেমন একটি বিশ্বাস, নাস্তিকতাও আরেকটি বিশ্বাস, সে অর্থে নাস্তিকতাও একটি ধর্ম। আর এইসব ধার্মিকেরা নিজেরাই নিজেদের স্রষ্টা ভাবেন। আমার খুব জানতে ইচ্ছা করে এই নাস্তিক ধর্মের অনুসারীরা প্রকৃতির জন্ম কে কিভাবে ব্যাখ্যা দেয়। তারা হয়ত বলবে প্রকৃতি এমনি এমনি সৃষ্টী হয়েছে বা আগে থেকেই ছিল। তার মানে তাদের জন্ম এমনি এম্নিই হয়ে গেছে? যদি না হয় তবে ফিরে যাই নাস্তিক্যবাদীদের আরেকটি পছন্দের হাইপোথিসিস বিবর্তনবাদে। সব কিছুর সৃষ্টী একটি এক-কোষী প্রানী থেকে। এবার আমার প্রশ্ন এই এককোষী প্রানীটী কি নিজের অস্তিতে অনুভব করতে পারত? কোন আলাদা বৈশিষ্ট্যের কারনে সেই প্রানীটি জড় পদার্থ থেকে আলাদা হল?প্রানের ব্যাপারটাই বা কি? নাস্তিকেরা বিগ ব্যাং মানেন? মানলে বলুন বলা নেই কওয়া নেই কি কারনে সেই অতিঘনীভূত বিন্দু মহাবিশ্ব কেনই বা বিস্ফোরিত হল, কোথায় বিস্ফোরিত হল?

উপরে এক নাস্তিক বলেছেন স্রষ্টার আকার নেই এই ব্যাপারটী নাকি অবৈজ্ঞানিক। আপনার বিজ্ঞান সম্পর্কিত জ্ঞান দেখে পুলকিত হইলাম, স্রষ্টা যদি কোন পদার্থ হন তবে যে রাখুন একমাত্র কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি আছে, আর স্রষ্টা যদি কোন শক্তি হন তবে যেনে রাখুন শক্তির কোন আকার নেই আর স্রষ্টা যদি পদার্থ বা শক্তি কোনটাই না হন তবে যেনে রাখুন বিজ্ঞান এমন কিছুর ব্যাপারে কোন বর্নানা দিতে পারে না এবং তাকে অস্বিকার করতেও পারে না।
১৯ শে মে, ২০১১ দুপুর ১২:২৭

লেখক বলেছেন: হ্যা, নাস্তিকতাও একটি বিশ্বাস এবং কোন প্রকার সাক্ষি প্রমান ছাড়াই নাস্তিকরা বিশ্বাস করে বিশ্বজগত এমনি এমনি সৃস্টি হয়েছে। এটা আসলে তাদের আন্দাজ অনুমান ধারনা ছাড়া আর কিছুই নয় - আর সত্যের ব্যাপারে আন্দাজ অনুমানের কোন কাজেই আসে না।

৭৭. ২০ শে মে, ২০১১ দুপুর ১:৩২
আমড়া গাছের ঢেঁকি বলেছেন: বলছি এক আবাল নাস্তিকের হিপোক্রেসি নিয়ে
বিশ্বাস করা আর না করা নিয়েই যত বিপত্তি, তাই না? আস্তিক-নাস্তিকের বাইরে গিয়ে ব্যক্তিগত কিছু দিক নিয়ে কথা বলি।
আপনি ধর্ম মানলেন কি মানলেন না, কারো ধর্মানুভুতিতে আঘাত করলেন কি করলেন না, তাতে আমার কিচ্ছু যায় আসে না। কিন্তু আস্তিক-নাস্তিকদের হিপোক্রেসি নিয়ে আমার যত আপত্তি। আস্তিকদের হিপোক্রেসি নিয়ে নতুন করে বলার কিছুই নেই। আজ বলছি নাস্তিকদের হিপোক্রেসি নিয়ে।
জানি, নাস্তিকরা পরকালের বিচারের ধার ধারেন না। তার মানে এই নয়, তার নিজের কোনো নিজস্ব নিয়ম-কানুন নেই [অন্তত নিজের জন্য]। একটা চেতনা থাকা দরকার সব মানুষেরই। অনেক ধরনের নাস্তিক আছেন। সবদিকে যাব না। আলোচনা হবে হিপোক্রেট নাস্তিকদের নিয়ে।
‌কিছু নাস্তিককে কেউ যদি বলে, 'আপনি ধর্ম মানেন না বেশ কিছু সুবিধা ভোগ করার জন্য। চুরি-ডাকাতি সব করতে পারবেন। যার তার সাথে সেক্স করতে পারবেন। পাপের শাস্তি পাওয়ার তো আর ভয় নেই। আপনি নাস্তিক ভেবে সমাজের কেউ নীতিগতভাবে আপনাকে কিছু বলবেন না।' সঙ্গে সঙ্গে খেপে যাবেন এদের কেউ কেউ। (ব্যতিক্রমও আছেন। এবং ব্যতিক্রমটাই বেশি। এই ব্লগেও এমন মহামানব নাস্তিক সত্যিই আছেন।)
যারা খেপে যান, দেখবেন এদের মধ্যে কেউ কেউ অতিরিক্ত রিঅ্যাক্ট করেন। তাদেরই একজন আবাল চীফ। মোহাম্মদের যৌনজীবন নিয়ে তার আগ্রহের সীমা নেই। কবে কোন দাসীকে নিয়ে ছহবত করেছেন, তার প্রতিভা ও গবেষনার প্রায় পুরোটাই ঢেলে দেন এই খাতে। ধর্মকে কেবল যৌনতার চোখে দেখলে আমার কিছু যায় আসে না। যায় আসে, হিপোক্রেসি দেখলে। যৌনতা নিয়ে তার নীতিকথা তার ব্লগের পরতে পরতে পাওয়া যায়। অথচ এ যায়গাতে তিনি চরম হিপোক্রেট। যে নীতিকথা তিনি নিজে বিশ্বাস করেন না, সেটা নিয়ে অন্যকে দোষারোপ করাটাই হিপোক্রেসি।
ব্লগের আস্তিকদের হিপোক্রেসি আমরা জানি, নাস্তিকদের হিপোক্রেসির কিছুটা দিক অন্তত জানা থাকা উচিত।
আবাল কুল শিরোমণি (আবাল চিফ মহা-অশ্লীল) কীভাবে মেয়েদের ব্যবহার করেন তার একটা ঘটনার বর্ণনা করা যাক। ব্লগে তার লেখা পড়ে একটা মেয়ের ভালো লাগে। ফেসবুকে তাকে এড করে। এর পর আবাল চিফ মুগ্ধ তরুণীটিকে ইচ্ছে মতো ব্যবহার করা শুরু করলেন। তরুনীটির বয়ফ্রেন্ড থাকা সত্বেও তার মস্তিস্ক ধোলাই করলেন এই বলে, ‌'বয়ফ্রেন্ড থাকলে কি অন্য ছেলেদের সাথে প্রেমালাপ করা যায় না? তোমরা আসলে বাংলা সিনেমার নায়িকাদের মতো আচরণ করো। আধুনিক হও।' তার পর ফোন নাম্বার দিলেন মেয়েটিকে। যখন তখন ফোন। মেয়েটির বয়ফ্রেন্ড ফোন করলে বলেন, 'তুমি একটা আধুনিক মেয়ে, এসব প্রেম ভালোবাসা কিছু না। দৈহিক চাহিদাটাই আসল।' মেয়েটি তার বয়ফ্রেন্ডকে ঘটনা খুলে বলতে চায়, বলতে চায় আবাল চিফের কথা। মহামহিম আবাল চিফ বললেন, না, শুধু শুধু আরেকজনকে এসবের মধ্যে টেনে না আনার জন্য। 'তাছাড়া তুমি তো অন্যায় কিছু করছো না। আমি তো তোমাকে রেপ করছি না। ঝামেলা বাড়ানোর কি দরকার।' ফোনে ন্যাকামি স্বরে কথা বলে ফোনসেক্স করে দিনের পর দিন। ফোনালাপের অডিও প্রকাশ করার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে মেয়েটির সঙ্গে দেখাও করে। ধানমণ্ডিতে শীশা খেতে নিয়ে গিয়ে অন্ধকার খুপড়ি ঘরে তাকে জড়িয়ে ধরে। উত্তরায় অফিসের পাশে বাসা নিতে জোর করে মেয়েটিকে। মেয়েটি রাজি হয় না। হোটেলে নিয়ে যাওয়ার অফারও করে। সবাই বলবেন, কই এখানে তো দুজনের সম্মতিতেই সবকিছু হচ্ছে। পরের ঘটনা শুনলে সেটা আর মনে হবে না। ধানমন্ডি লাউঞ্জে মেয়েটির ভেজাইনাতে জোর-জবরদস্তি হাত দেয় আবাল চিফ। মেয়েটি ধাক্কা দিলে তা অগ্রাহ্য করে আবাল। মেয়েটাকে চুমু খাওয়া থেকে শুরু করে সবই করে ব্ল্যাকমেইল করে। মেয়েটিকে বোঝায়, ‌'সেক্স করলে কী এমন ক্ষতি! এটা হচ্ছে টয়লেট ব্যবহার করার মতো। তোমার টয়লেট চাপলে তুমি যে কোনো টয়লেট ব্যবহার করো না? সেক্স করাটাও সেরকম। চাহিদা তোমার, চাহিদা মেটানো হচ্ছে বড় কথা। কে? বা কার সাথে? সেটা বড় কথা নয়।'
মেয়েটি আগেই গলে ছিল, এর পর পুরোটাই গলে যায়। ভুলে যায় তার ৪ বছরের বয়ফ্রেন্ডকে। এর পরই মেয়েটি যখন তাকে তাদের সম্পর্কের কথা বলে, আবাল তখন মোড় ঘুরিয়ে নেয়। অস্বীকার করে বলে, ‌'তোমার সাথে আমার আবার কিসের সর্ম্প্ক? প্রেম ভালোবাসা কিচ্ছু না। শোনো এরপর থেকে দেখা করতে আসলেই সেক্স করতে হবে। নইলে তোমার সাথে আর কোনো যোগাযোগ নাই।' মেয়েটি তখন আবালের আসল রূপ দেখে। নিজের চুল ছেড়া ছাড়া তখন আর কিছুই করার থাকে না মেয়েটির।
.........................
অনেকেই বলবেন, এ ঘটনা বানানো একটা গল্প। কোনো প্রমাণ তো পেশ করা হয়নি। হ্যাঁ, ছবি প্রকাশ করছি না মেয়েটার জন্যই। তবে মোবাইল ফোনে রেকর্ড করা বেশ কিছু ফোনসেক্স ও কথাবার্তার অডিও এবং ফেসবুকের মেসেজ কিন্তু আছে।

...................
এটাকে কি হিপোক্রেসি বলে না?
৭৮. ২০ শে মে, ২০১১ দুপুর ১:৩৬
আমড়া গাছের ঢেঁকি বলেছেন: পোস্টটি প্রথমবার দিয়েছিলাম ১৮ মে। কিন্তু আমার পোস্টটি সেদিন ডিলিট করা হয়েছে। আমাকে করা হয়েছে জেনারেল। মডারেটরের গোপন আবালপ্রীতি আমাকে বিস্মিত করেছে।
ব্লগে সামনাসামনি ব্লগপতি (!) জানাকে তিরস্কার করলেও গোপনে আবালের সঙ্গে তাদের ভালোই খাতির। এবার আমি তা হাতেনাতে টের পেলাম।
২৯ শে মে, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৩১

লেখক বলেছেন: ভাই,
ব্লগীয় নীতিতে কাউকে ব্যাক্তিগতভাবে আঘাত করা নিষেধ আছে। এটা জেনেও সেই কাজ যখন করেছেন - কিছুটা সাস্তিতো পেতেই হবে - তাই না?
আশা করি শিঘ্রই আবার সেফ হয়ে যাবেন এবং এর পর থেকে লেখার ব্যাপারে সতর্ক হবেন।

২৯ শে মে, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৮১. ২৪ শে জুন, ২০১১ রাত ১০:৪২
মুহাম্মদ ফয়সল বলেছেন: আলহাম্দুলিল্লাহ্, অাল্লাহ্ অামাকে তাঁর বিশ্বাসীদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
২৬ শে জুন, ২০১১ দুপুর ১২:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্য।

৮২. ২৯ শে জুন, ২০১১ রাত ২:৪৭
মিলু বলেছেন: বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রত্যক্ষ্ বা পরোক্ষ সুনিশ্চিত প্রমান হাজির করতে না পারলে সেটা অবশ্যই বিশ্বাসের জগত। বিশ্বাস করলে করুন না করলে নাই।

স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করেছে-- এই টাইপ অতি পুরাতন আবালীয় প্রশ্ন করলেই প্রমান হয়ে যায় না স্রষ্টা বলে কেউ নেই। এইসব কথার খেলা বাদ দেন। আপনার কাছে সুনিশ্চিত প্রমান থাকলে দেন। যদি না থাকে তাইলে "স্রষ্টা নেই" এটাও একটা বিশ্বাসই হয়ে গেল।

আপনার কাছে "স্রষ্টা আছে" এর কি কোন সুনিশ্চিত প্রমান আছে? না নাই। সুতরাং এখানে ব্যাপারটা বিশ্বাস। যার পেছনে খুব ডেফিনিট কারন নেই।

কেউ যদি বলে "আমি সন্দিহান স্রষ্টা আছে কি নেই" তাইলে এত ক্যাচাল হয় না। সন্দেহের কারন দেখান যেতে পারে। কিন্তু কোন সমাধান নেই এর। সমাধান যে কেন নেই আশা করি সেইটা নিয়ে প্রশ্ন ঊঠবে না।

যারা বিশ্বাস নিয়ে তর্কের কথার খেলা খেলতে ভালবাসে, তাদের আমি সোজা কথায় বলব, মিথ্যাচার করছেন।

১১ ই জুলাই, ২০১১ বিকাল ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনার বক্তব্যের যতকুটু বুঝলাম আপনি 'আছে' এবং 'নাই' উভয় দাবিকেই সমান মনে করছেন। কিন্তু এই দাবিদুটির মধ্যে একটা পার্থক্য হচ্ছে - আল্লাহ আছেন এর পক্ষে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা সম্মৃদ্ধ স্বাক্ষি আছেন - যেমন মুহাম্মদ(স.)। তিনি যে আল্লাহর সাথে কথা বলেছেন, ফেরেশতা, বেহেশত, দোজখ দেখেছেন- এবং তার সেই অভিজ্ঞতা তখনকার লক্ষাধীক মানুষ বিশ্বাস করেছে। একই ভাবে সাক্ষি আছেন যিশু খ্রিস্ট, মুসা(আ.), ইব্রাহীম(আ.) - যারা প্রত্যেকে তাদের সময়কার মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য ছিলেন।

এর বিপরীতে কোন স্রস্টা নাই, মৃত্যুর পর কোন জীবন নাই - এইসব দাবির পক্ষে কোন সাক্ষি নাই। কেউ দেখে আসেনি মৃত্যুর পর কিছু হবে না - কেউ প্রত্যক্ষ করেনি বিশ্ব জগত এমনি এমনিই সৃস্টি হয়েছিল - সুতরাং নাস্তিকদের বিশ্বাসের চেয়ে আমাদের বিশ্বাসের ভিত্তি অনেক দৃঢ় - কি বলেন??

৮৩. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৩৭
সুিফ আহমেদ বলেছেন: আমি এখানে নতুন
এখানে অনেকেই আছেন যারা আললাহ কে বিশাসষ করেন না
এই কথাটা একটু ভাবুন যে মরনের পর বিচার না হলে তো দুজনেই বেচে গেলাম,
আর বিচার হলে আমি হয়তো বেচে যাবো কারন আমি আললাহ কে বিশাসষ করি
আপনাদের কি হবে ?
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:০২

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন ভাই, এই কথাটাইতো নাস্তিকদের মাথায় ঢুকান যাচ্ছে না।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৮২১৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কাঙ্গালের কথা বাসি হইলে ফলে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই