আমার প্রিয় পোস্ট
- ২০ টা মিডিয়াফায়ার মুভি ডাউনলোড সাইটের লিঙ্ক নিয়া যান...আর খালি কন মুভি খুইজা পাই না! - যাবের
- হুমায়ুন আহমেদসমগ্র (নামের তালিকানুসারে লিংক) - ইদিপাস
- নিজের জন্য একটি ব্যাক্তিগত ব্লগ সাইট বানাতে চান? - নিশাচর নাইম
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমগ্র রচনাবলী অনলাইনে - বংশী নদীর পাড়ে
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- ব্যতিক্রমী বিষয় নিয়ে অসামান্য ছয়টি ডকুমেন্টারি (ডাউনলোড লিংকসহ) - ফিউশন ফাইভ
- শিল্পী রবীন্দ্রনাথ...... - সুফিয়ান ডট কম
- ভাল হিন্দি গান ডাউনলোড করার সাইড জানান...... Plz - চটপটি
- প্রজাপতি......প্রজাপতি............কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গিন পাখা.......
(প্রজাপতির ছবির বিশাল কালেকশন।।।) - তাজুল ইসলাম মুন্না
- ব্লগারের রক্তের গ্রুপভুক্ত তথ্য এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যঃ মোট মাত্র ২০৭ জন (আপডেট পোস্ট) - এস রহমান
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- ফটো ব্লগ-দিনাজপুরের কান্তজির মন্দির - মুনীর উদ্দীন শামীম
- ফটো ব্লগ-সীতাকুন্ড চন্দ্রনাথ জাতীয় মহার্তীর্থে কিছুক্ষণ........ - মুনীর উদ্দীন শামীম
- জগৎজ্যোতি! যিনি ছিলেন বাংলার প্রথম বীরশ্রেষ্ঠ/............ভাস্কর চৌধুরী - ভাস্কর চৌধুরী
- ঢাকার শ'খানেক বছর পুরোনো কিছু ছবি - ০১ - সাহারা মরু'র পাড়ে
- আল্লাহ, মুহম্মদ সা এবং আল-কোরআন বিষয়ক কিছু আলোচনার জবাবে.... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ~~*~*~দৈনিক সংগ্রাম ১৯৭১ ও ২০০৮:জামাতের রঙ বদলের জ্বলন্ত প্রমান~~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠ সন্তানেরা - সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার জীবনী - রাগিব
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার আইনটির {দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট, ১৯৭৩} বাংলা অনুবাদ - প্রথম পর্ব - একরামুল হক শামীম
- অতুলপ্রসাদ সেন। - ইমন জুবায়ের
- “ফুল ফুটুক না ফুটুক” - মনসুর খালিদ
- স্মৃতির পথে যাত্রা... - ভাঙ্গা পেন্সিল
- নষ্ট দর্শন-১ .. হিন্দুশাস্ত্রে নারীর অবস্থান। - চন্দন
- কর্ণেল তাহেরর জবানবন্দি - চিলে কোঠার সেপাই
- সৈয়দ শামসুল হক বললেন ভারত বিভাগ একটা ঐতিহাসিক শোকের ঘটনা - কৌশিক
- নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ! - হমপগ্র
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস,গল্প ও কবিতা সংকলনের তালিকা - ফারহান দাউদ
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- মুছে ফেলুন - কেন লিখে রেখেছেন? - নাফিস ইফতেখার
- যুদ্ধ শিশু বলছি--কে আছ শুনবার?? - নিবিড়
- 'পৃথিবীর সব রঙ নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
বর অতঃপর বড়
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪২
বাঁশঝাড়ে পাখির কিচিরমিচির শব্দ, লালুর ঘেউ ঘেউ চিৎকার আর প্রতিবেশীদের মোরগের সুউচ্চ কক্ কক্ কক্ ধ্বনি সকাল হবার ইঙ্গিত দিচ্ছে। রাতে কখন ঘুমিয়েছে মনে নেই মনীশের। ঘুম ভাঙলে নিজেকে আবিষ্কার করলো এক নারীর বুকের ওপর হাত দিয়ে শুয়ে আছে। নারীও তার গলা জড়িয়ে ধরে নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে। যদিও ঘর এখনও অন্ধকার তবুও এই দৃশ্যটির নায়ক সে ভাবতেই নিজের কাছে লজ্জা লাগছে মনীশের। বলতে গেলে সদ্য পরিচিত এক নারী। মাত্রই কয়েকদিন আগে পরিচয়, আংটি বদল অতঃপর বিয়ে। আর এখন সে সেই নারীর পাশে শুয়ে আছে। তবু আবার ঘনিষ্ঠ হয়ে। চোখ খুলতে ইচ্ছা করছে না। রাতে কখন ঘুমিয়েছে কে জানে! বাতি নিভে গেল, তারপর অনেকণ দুজনে মিলে গল্প, কত রকমের গল্প, তারপর রাত যখন গভীর হলো, চারপাশে প্রাণের স্পন্দন থেমে গেল, পাথরের মত ভারী হয়ে এলো নীরবতা, তখন...ছিঃ ছিঃ। এখন নিজের কাছেই লজ্জা লাগছে। এমনটা এতদিন শুধু স্বপ্নে ভেবেছে যৌবনের তাড়নায়। কত স্বপ্ন দেখেছে, কত রঙে রঙিয়েছে স্বপ্নগুলো। আর এখন বাস্তব সত্যের সঙ্গে বসবাস। কিন্তু স্বপ্ন দেখতে লজ্জা লাগতো না। সত্যে এতো লজ্জা কেন? রাতের অমন ঘটনার পর সকালের আলো ফুঁটলে পাশের এই নারীকে মুখ দেখাবে কি করে? না, নারী নয় বধু। এই নারী এখন তার স্ত্রী। সমাজ সম্মত স্ত্রী। আইন সম্মত নয়। কেননা হিন্দুদের বিয়েতে আইনগত ব্যাপার নেই। আইনের ব্যাপারে হিন্দু সমাজ প্রণেতাদের বড় ভয়। শেষে যদি হিন্দু নারীরা তাদের ন্যায্য অধিকার চেয়ে বসে। নারীরা রান্নার খুন্তি ছেড়ে ব্যানার হাতে রাজপথে নেমে তাদের অধিকারের দাবি করে বসে! এই ভয়েই হিন্দুরা বিয়ের মধ্যে আইনগত ব্যাপার আনেনি। সমাজ বিধানেই চলছে। স্বামীর অত্যাচারে স্ত্রী ঘরের কোনে বসে চোখের জরে বুক ভাসালে তাতে সমাজপতিদের কি আসে যায়!
এই নারী হলোই বা মনীশের স্ত্রী। কি সুন্দর নাম দেবলীনা। লেখাপড়ায় তো তার সমান। আবার একটি কলেজে চাকরিও করছে। এমন একজন সুশিক্ষিতার সঙ্গে রাতে সে ব্যাহায়াপনা করেছে। সকালে উঠে সে দেবলীনাকে কি বলবে? গুড মর্নিং? অসম্ভব। দেবলীনার চোখের দিকেই সে তাকাতে পারবে না। তার চেয়ে ভাল আগে দেবলীনা উঠুক তারপর সে উঠবে। কিন্তু একসময় তো দেবলীনার মুখোমুখি হতেই হবে। মুখোমুখি হতে হবে ম-বাবা, ভাই-বোন, আত্নীয়-স্বজন, প্রতিবেশীর। সে যখন দরজা খুলে বের হবে সবাই তার দিকে তাকিয়ে থাকবে। ঠাট্টার সম্পর্কীয় বৌদি বা অন্যরা সবার সামনে ঠাট্টা করবে। উঃ কি লজ্জা! এমন পরিস্থিতিও কপালে ছিল। আটাশ বছর বয়স হলেও মা-বাবার কাছে কত ছোট ছিল সে। কত দুষ্টুমি, কত আবদার, কত ছেলেমিপনা করেছে এতদিন। আর আজ হঠাৎ করে সে বড় হয়ে গেল। এমনই বড় যে একটি পূর্ণবয়স্ক নারীকে নিয়ে এক ঘরে, এক বিছানায় রাত কাটালো। মা-বাবার সামনে দাঁড়াবে কি করে সে! যে বাবা ছোটবেলায় চুন থেকে পান খসলেই কত মেরেছে, শাসন করেছে।
কাস সেভেনে থাকতে পাশের বাড়ির এক মেয়েকে চোখ মেরেছিল সে। সেই মেয়ে তার মাকে বলে দিয়েছিল। তার মা আবার যথাসময়ে পৌঁছে দিয়েছিল বাবার কানে। তারপর যা হবার তাই হলো। মার। বাপরে বাপ কি মারটাই না মেরেছিল বাবা। শুধু মেরেই ক্ষান্ত দেননি। সেই মাঘ মাসের কড়া শীতের রাতে ঘর থেকে বের করে দিয়েছিলেন। তারপর অনেকণ পর বাবা ঘুমালে মা এসে ঘরে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেদিন মনীশ লজ্জায় অপমানে মাটির সঙ্গে মিশে গিয়েছিল। প্রতিজ্ঞা করেছিল জীবনে আর কোন মেয়েকে চোখ মারবে না, কোন মেয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব করবে না। প্রথম প্রতিজ্ঞাটা টিকলেও দ্বিতীয়টি প্রতিজ্ঞাটা কলেজে ওঠার পর আর টেকেনি। আর আজ সেই একই মনীশ চোখ মারা আর কি এমন কাজ একজন পূর্ণ বয়স্ক নারীকে নিয়ে এক বিছানায় সারারাত ঘুমালো তবু বাবা কিছুই বললেন না। অমন রাগী বাবা, কোথায় গেল তাঁর রাগ! আজ হঠাৎ-ই ছেলেকে বড় ভাবতে শুরু করেছেন তিনি। আবার কাল কেমন আদর মাখা কন্ঠে দেবলীনাকে বলছিলেন, বৌমা, খেয়েছ? অথচ তাকে একবারও জিজ্ঞাসা করেনি, মনীশ খেয়েছিস কিনা। বাবা বোধ হয় ভাবতে শুরু করেছে, ছেলে বড় হয়েছে। এখন সে নিজেই গুছিয়ে খেতে পারবে। নাকি বাবা তার কাছ থেকে দূরে সরে গেলেন! ছেলের ভার অন্যের ওপর ছেড়ে দিয়ে কিছুটা নির্ভার হলেন তিনি? আর মা! মাও কি তাকে দূরে ঠেলে দিয়েছেন? ছেলের বিয়ের পর মা-বাবা কি ছেলের কাছ থেকে দূরে সরে যান! কথা-বার্তায় আগের সেই নৈকট্য আর থাকে না! মনীশের কান্না পেয়ে গেল। মাত্র দু-দিন আগেও সে ছোট ছিল। আর এত তাড়াতাড়ি সে বড় হয়ে গেল। ছোট থাকাই ভাল ছিল। বড় হবার বিপদ অনেক। মা-বাবা কাছে সে বড় হতে চায় না। ছোটই থাকতে চায়। মাঝখানে একটি মেয়ে এসে সব গড়বড় করে দিল।
বাইরে কাজের ব্যস্ততা শুরু হয়ে গেছে। মনীশ কান পাতলো। হ্যাঁ, মায়ের গলা। বাবা, দিদি, দাদা, অন্যান্য আত্নীয়-স্বজনদের গলাও পাওয়া যাচ্ছে। দেবলীনা বিছানায় উঠে বসলো। ঘর এখনও অন্ধকার। মনীশ চোখ বুজেই অনুভব করলো, দেবলীনা তার চুলে হাত বুলিয়ে কপালে চুম্বন করলো। মেয়েরা কি এভাবে চুরি করে স্বামীকে ভালবাসে, আদর করে! দেবলীনা হয়তো ভেবেছে সে ঘুমিয়ে আছে। দেবলীনাকে কি সে জানতে দেকে যে সে জেগে আছে। সেও কি দেবলীনাকে জড়িয়ে ধরে একটু আদর করে দেবে। না, দরকার নেই। দেবলীনা হয়তোবা লজ্জা পাবে। সে যেমন লজ্জা পাচ্ছে। তেমনি দেবলীনাও তো লজ্জা পেতে পারে।
জানালা খুলে দিল দেবলীনা। সূর্য এখনও না উঠলেও আলোর আভা এসে পড়লো ঘরে। মনীশের মুখেও। মনীশ ঘুমের ভান করেই পড়ে রইলো। দেবলীনা মুচকি হেসে দরজা খুলে বেড়িয়ে গেল ঘর থেকে।
আরও কিছুণ কম্বল মুড়ি দিয়ে শুয়ে রইলো মনীশ। সম্পর্কে বৌদি, এক মহিলা এসে গায়ের কম্বল ফেলে দিয়ে বললো, কি ঘুম ভাঙে না! একদিনেই এই অবস্থা। জলদি ওঠ। কাপড় ছেড়ে বাইরে এসো।
মনীশ বলরো, কেন আবার কি?
বৌদি বললো, আছে কাজ আছে। বোঝ বিয়ে কত ঠেলা!
মহা যন্ত্রনা! সে আছে তার নিজের জ্বালায়। তার ওপর এদের আনুষ্ঠানিকতাই শেষ হচ্ছে না। গত তিন-চার দিনের আচার-অনুষ্ঠানে সে হাঁপিয়ে উঠেছে। আর কাহাতক সহ্য হয়!
বাইরে বেড়িয়ে এলো মনীশ। কারো দিকে তাকাতে পারছে না লজ্জায়। সবাই কেমন করে তাকিয়ে আছে। কেউ কেউ হাসছে। বাবার সঙ্গে একবার চোখাচোখি হতেই চোখ নামিয়ে নিল মনীশ। মা দূরে দূরে আছে। ঠাট্টার সম্পর্কীয় আত্নীয়রা তাকে নিয়ে ঠাট্টা করছে। নিজেকে পুতুল মনে হচ্ছে মনীশের। সে তাড়াতারি সবার সামনে থেকে সরে পড়লো। উঠোনের একপাশে দাঁড়িয়ে থাকা দেবলীনার সাথে একবার চোখাচোখি হলো। দুজনেই তাড়াতারি চোখ নামিয়ে নিল। ইস, দেবলীনার চিবুকের কাছে একটু সিঁদুর লেগে আছে। লোকে দেখলে কি ভাববে! এতনে দেখেছে তো নিশ্চয়। ও বোধ হয় খেয়াল করেনি। পুকুর ঘাটে গিয়ে বসলো মনীশ।
পুকুর ঘাটে বসে জলের দিকে তাকিয়ে আছে মনীশ। কে যেন বলেছেন নদীর কাছ থেকে, জলের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। মনীশের মনে হচ্ছে জল যদি নিজেকে অদৃশ্য হওয়া শেখাতো! তাহলে সবার চোখের আড়ালে থাকতে পারতো সে। আবার ভাবনায় ডুব দিল মনীশ। মিথ্যেই সে লজ্জা পাচ্ছে। যুগ যুগ ধরে এমনই তো হয়ে আসছে। তার ঠাকুরদাও নিশ্চয় তাঁর বাবা-মায়ের সামনে এভাবেই বড় হয়েছে। আবার রাগী বাবাও ঠাকুরদা-ঠাকুমার সামনে এভাবেই বড় হয়েছে। সেও একই ভাবে বড় হলো। আবার কোন একদিন তার নিজের ছেলেও হয়তো তার এবং দেবলীনার সামনে এভাবেই বড় হবে। মনীশ দেবলীনা বুড়ো হবে। বয়সের ভারে জীর্ণ-শীর্ণ মনীশ-দেবলীনা একদিন এই পৃথিবীর শরীরের ভাঁজে হারিয়ে যাবে। সেদিন হয়তো তারই মতো নতুন মনীশ পুকুর ঘাটে বসে ভাববে। নতুন এক দেবলীনা চিবুকে সিঁদূর নিয়ে ঘুরবে। আর লাজুক চোখে ক্ষণে ক্ষণে স্বামীর দিকে তাকাবে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ছোটগল্প ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ছোটগল্প বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
ভাই এখনো সুযোগ হয়নি বা দুর্ভোগ হয় নি। কোনটা বলবো।
লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় থাকেন হবে। আমারও হয়নি। আপনার সমব্যাথি বলতে পারেন। গল্পটি শুধুই পর্যবেক্ষণ আর নিজের ভাবনার ফসল। ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। নববর্ষের শুভেচ্ছা। কেমন আছেন আপনি?
নিবিড় বলেছেন:
দারুন লাগলো মিশু বিষয়াটা আসলেই ভাবনার উদয় করে।তোমার অনুভূতির পর্যবেক্ষন দেখে অবাক হচ্ছি।
আসলেই তাই দুনিয়ার নিয়মগুলি অনেক বিচিত্র ,সব মনে হয় সময়ের খেলা ।সময়ই অস্পৃশ্যকে স্পৃশ্য করে তোলে ।তখন আর প্রিজুডিস থাকে না ......
প্রোফাইল ছবিটা বদলে চিনতে পারিনি ।ভাল আছতো?
লেখক বলেছেন: তোমার ভালো লেগেছে জেনে আমারও ভালো লাগলো। নেটে সমস্যা দেখা দেয়ায় মাঝখানে কদিন নেটের বাইরে ছিলাম। আমি ভালই আছি। তবে কঠিন সময় পার করছি। দলে নতুন নাটকের কাজ হচ্ছে। এজন্য খুব টেনশান আর ব্যস্ততার মধ্যে সময় যাচ্ছে। ভাল থেকো।
সরাহাল বলেছেন:
এখন অবশ্য বিয়ে রেজিস্ট্রিশন বলে একটা জিনিষ চালু হয়েছে
লেখক বলেছেন: সেটার প্রচলন হিন্দুদের বিয়ের ক্ষেত্রে এখনও হয়নি। গল্পে সেটা উল্লেখ করে হিন্দু নেতাদের প্রতি সুক্ষ্ণ কটাক্ষ করে গেছি। পাশের দেশ ভারতে ১৯৫৫ সালের হিন্দু ম্যারেজ অ্যাক্ট অনুযায়ী বিয়েতে রেজিস্ট্রি করা হয়। আর আমরা এই বিষয়টা নিয়ে ভাবছিই না। আমাদের দেশের পন্ডিতেরা বলে থাকেন, হিন্দু বিয়ে হলো ব্রত, চুক্তি নয়।এটা মোটেই সময়োপযোগী কথা নয়। বরং নির্বুদ্ধিতার বর্হিপ্রকাশ। এই একবিংশ শতাব্দীতে বিয়ে রেজিস্ট্রি না করা আমাদের পশ্চাৎপদতার চিত্রই উন্মোচন করে। ধন্যবাদ।
সামান্তা বলেছেন:
khub sundor gol[po ta . apnar likhatao onek valo
লেখক বলেছেন: অজস্র ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















