আলপিন নিয়ে কিছু কথা
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০৬
অনেক দিন ব্লগে আসতে পারিনি আলপিন নিয়ে অনেক কথা শুনলাম। তাই একটু বলতে ইচ্ছে হল। আসুন আলপনটিা কোথায় কিভাবে ঢুকল তা একটু খুজে দেখি।
বাংলাদেশের তথাকথিত ধর্মিয় নেতাদের মতে মুসলমানের নামের আগে মোহাম্মদ ব্যবহার করতে হয়। মুসলিম নাম বলতে আরবী শব্দ থেকে অর্থবোধক শব্দ বাছাই করা নামকেই আমরা মুসলিম নাম বলে থাকি। আরবীর অর্থবোধক শব্দের কিছু নামের নমুনা পেশ করা গেল:
মোহাম্মদ বকর: বকর মানে উটের বাচ্ছা
তাহলে নামের বাংলায় মানে হল মোহাম্মদ উটের বাচ্চা
মোহাম্মদ ফহাদ: ফহাদ মানে বনবিড়াল বা পেন্থার
মানে হল মোহাম্মদ বনবিড়াল
মোহাম্মদ হায়দার: হায়দার মানে সিংহ
অর্থ হল মোহাম্মদ সিংহ
মোহাম্মদ জামাল: জামাল মানে উট
মোহাম্মদ ওসমান: ওসমান মানে সিংহ
এমন ভুরি ভরি নাম আছে যার মানে অনেক পশু পাখির নাম। পাঠক লক্ষ্য করুন, উপরের নামগুলোর আগে মোহাম্মদ লিখলে অর্থ কি দাড়ায়? তার মানে উট, উটের বাচ্চা,সিংহ,বনবিড়াল সবই লেখা যায়েজ। মোহাম্মদ কদুও লিখা যাবে। তাতে কিছু যায় আসেনা। শুধু বিড়াল লিখা যাবেনা। তাহলেই আমাদের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অনু-ভুত-ই-তে আঘাত করবে। আলপিন ঢুকে যাবে। তাদের অনুভুতিতে আঘাত মানে লংকাকান্ড বেধে যাওয়া!
আমাদের নির্দলীয় তত্বাবদায়ক সরকার নিরব। যেখানে কোন সভাসমিতি করা নিষেধ,রাস্তায় কোন প্রসেশন করা নিষেধ সেখানে এই ধর্মপ্রান হাজার হাজার মুসল্লিরা পুলিশের সাথে যুদ্ব করে ধর্ম রক্ষার্থে প্রথম আলো অফিসকে পুড়িয়ে দিতে জিহাতে লিপ্ত। কোন পুলিশের রগ কাটা গেছে বলে শোনা যায়নি তবে যথেষ্ট পরিমানে জখম হয়েছে। তাদের কাছে এটা ধর্ম রক্ষার যুদ্ব। যুদ্বের ফলাফল দেখে মনে হয় এই এজেন্টরা যথেষ্ট শক্তিশালি। তারা প্রমান করতে চায় তারা কত শক্তিশালি।
এই যুদ্বটা শুরু হয়েছে যখন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দীকি দাবী করলেন জামাতে ইসলামী ধর্মের নামে ভন্ডামী করছে। এই রাজনৈতিক দলকে স্বীকৃতি না দেবার দাবী জানালেন। তারা তখন ইসলাম রক্ষার যুদ্বে মাঠ গরম করতে শুরু করল। বঙ্গবীরের দাবী চাপা পড়ে গেল।
কাদিয়ানী মুসলমান না অমুসলমান তা নির্ধারনের দায়িত্বও এই ধর্মপ্রান মুসল্লিদের। তাই তারা ঠান্ডা মাথায় কাদিয়ানীকে ঘরছাড়া করেছে, খুন করেছে, সম্পদ লুট করেছে। সে সব অবিচারের বিচার হয়েছে বলে শোনা যায়নি।
অতীতেও দেখা গেছে সুযোগ বুঝে তারা ফায়দা লুটেছে। দেশের সমস্ত সম্পদ যখন রাজনৈতিক তস্কররা ভাগ করে লুট করছিল তখন বিশ্বের দুর্নীতিবাজ রাষ্ট্রের তালিকায় পর পর কয়েকবার চ্যাম্পিয়ান হয়েছে আমাদের স্বাধীন করা বাংলাদেশ। তখন তারা বলেছিল একটি মহলের কারসাজিতে এসব রিপোর্ট হয়েছে। দেশের ভাবমূত্র্ িনষ্ট করার জন্য সেই মহলটি দায়ী। তারা তখন দেশের ভাব আর মূর্তি রক্ষার জন্য নতুন আইনও তৈরি করেছে আর সেই আইনে এখন কে কেমন আছে দেশের মানুষ জানে।
সংবিধান রক্ষার জন্য দেশকে যখন একটা মহা বিপদের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল তখন সেই ক্রান্তিলগ্নে ফখরুদ্দিন সরকার তার ভাব আর মূর্তি নিয়ে আর্বিভুত হন। বর্তমানে এই ভাব আর মূর্তির প্রতি জনগনের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বর্তমান সরকার এই মুসল্লিদের ভয় পাচ্ছে নাকি মদদ দিচ্ছে। সরকারের উচিত আলপিনটা কিভাবে কোথায় ঢুকল তা খুজে বের করা। যাদের পাছায় আলপিন আদৈা ঢুকেনি তাদের সমুচিত শাস্তি দেয়া।
রাজ-চিকিতসক বলেছেন:
৫
রাশেদ বলেছেন:
৫
সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন:
গ্রেইট । ৫
ফখরুদ্দীন বলেছেন:
"বাংলাদেশের তথাকথিত ধর্মিয় নেতাদের মতে মুসলমানের নামের আগে মোহাম্মদ ব্যবহার করতে হয়" - এই তথ্যটি কে দিল?
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
এইটা কইছেন বালা কতা । বঙ্গ দেশের আলামরা এইসব নামের প্রতিবাদ করেন না ক্যান বা মানুষরে হেদায়েত করেন না ক্যান । পাঁচাইলাম ।
অমিত বলেছেন:
৫
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
৫
ধুমকেতু বলেছেন:
আলপিনের কাটুন ছবিটি কী দেখতে মোহাম্মদ বকর , ওসমান গংদের মত ?
নু রা পা গ লা বলেছেন:
৫
অনামিকা বলেছেন:
আরবীতে বললে ঠিক আছে। মনে রাখবেন আলপিনে কিন্তু বাংলায় বলেছে। তাও আবার নবী যে বিড়াল পছন্দ করতেন, সেই বিড়ালের নাম বাংলায় বলেছে! ভালো থাকুন।
ভাসমান বলেছেন:
wonderful খুব কার্যকর একটা লেখা পাঠিয়েছেন। আমার মনে হচ্ছে এ সরকার জামাত কে well establish করার জন্যই কাজ করছে। তা না হল। এতো এতো নেতা ধরা পরছে কিন্তু মাগার নিজামী বা অন্যকোন ইসলামী নেতা ধরা পরছে না কেন। নিজামী ছিলেন শিল্পমন্ত্রী। আপনাদের কি ধারনা উনি একেবারে ধোয়া তুলসী পাতা !!! তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নাই ??
ধ্রূপদী বলেছেন:
উনারা গায়েবী সাহায্যপ্রাপ্ত
আলেকজান্ডার ডেনড্রাইট বলেছেন:
এই নাম গুলো তো কাউ কে ব্যবহার করতে দেখিনি...কখনও কারো এমন উদ্ভট নাম হয় শুনিনি....বানোয়াট আর নতুন ধারার রসিকতা , ধ্রুপদী তুমি বিজাতের সাহায্যপ্রাপ্ত হয়ে স্বজাতির বিরুদ্ধে কথা বলবাই....নিমকহারামের অভাব আছে নাকি বাঙালি জাতের মাঝে??মোহাম্মদ বকর:
মোহাম্মদ ফহাদ:
মোহাম্মদ হায়দার
মোহাম্মদ জামাল:
মোহাম্মদ ওসমান:
ঠোটকাটা ব্লগার বলেছেন:
৫
অন্ধকার বলেছেন:
চমত্কার পোস্ট! অসাধারণ।
অন্তরাল বলেছেন:
সহমত
মুহাম্মদ আলমগীর বলেছেন:
জামাতে ইসলামিরা - ইসলাম নামে কলঙ্ক। তাদের মাঝে ইসলামের কোন শিক্ষা নাই।ওরা হলো রগ কাটার ইসলাম।ওরা শান্তি চাই না,অথচ ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম। আমার মতে কাটুনিস্ট আরিফ যদি বিড়ালের ছবির জায়গায় মানূষের ছবি দিত তাহলে এই অবস্তা হত না। মানূষ আর জানোয়ার এক নয়।
সেইটা আমাদের মনে রাখা উচিত।আর ভুল করে কেউ কিছু করে থাকলে এবং ভূল স্বিকার করে কেউ যদি ক্ষমা চাই তাহলে তাকে ক্ষমা করা আমাদের উচিত। ক্ষমাকারিকে মহান আল্লহ্ খুবই পছন্দ করেন।ক্ষমা একটি মহ্ৎ গুণ।
রাশেদ বলেছেন:
ইংলিশ হইলে ইংলিশের ঘরে লিকে ইন্সার্ট ইংলিশে চাপ মারেন।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
৫
দ্বিধা বলেছেন:
হিজবুত তাহরীর সম্পর্কে কি কেউ জানেন ? প্রথম আলোতে এদের সম্পর্কে একটা লেখা বের হইছিল না ?
মুহাম্মদ আলমগীর বলেছেন:
হিজবুত তাহরী হলো ঃ জামাতের অঙ্গ সংগঠন।যখন দেশে বুমা ফোটানোর দরকার হয় তখন এই দলের ক্যাডারদের দিয়ে কাজ করা হয়। আর বুমা ফোটাতে গিয়ে যদি ধরা পরে তখন তারা জামাতের কেউ হয় না, (তুলশিপাতার মত) তারা তখন নিরহ পাবলিক হয়ে যান।গত শনিবারে বি বি সি তে বাংলাদেশ সংলাপ নামে চ্যানেল আইতে প্রচারিত অনুষ্টানে দেখলাম এক প্রশ্নের জবাবে জনাব আব্দুল মতিন খসরু এই মন্তব্য করেছিলেন উনি বললেন জামাত এমন একটা দল যে দলের কোন নেতা দুনিতি করে পার পেয়ে গেলে সে জামাতের একজন মহ্ৎ নেতা, আর যখন কেউ ধরা পরে তখন সে জামাতের কেউ না,জামাতের সাতে তার কোন সম্পক নাই।
হিজবুত তাহরী বলেন আর মুজাহিদ বলেন তারা সবাই এক ......।জামাত পংতি
চে বলেছেন:
আরবীতে বললে ঠিক আছে। গু এর আরবী জানেন কেউ?

















