ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ বলেছেন,চালের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি,ঢাকায় গ্যাস সংকট ও শ্যামলী আইডিয়ার স্কুল এ্যান্ড কলেজের ছাত্রী কিশোরী নাসফিয়া আখন্দ পিংকির আত্মহত্যার ঘটনায় সরকারের ব্যার্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে। সভায় বলা হয়, সরকার চালের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে আনা,রাজধানীর গ্যাস সংকটের সমাধান ও শ্যামলী আইডিয়ার স্কুল এ্যান্ড কলেজের ছাত্রী কিশোরী নাসফিয়া আখন্দ পিংকির আত্মহত্যার ঘটনায় দায়ীদেরকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্তা করা না হলে জনগন রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরীর কার্যালয়ে আয়োজিত রাজধানীর নাগরিক দুর্ভোগ পর্যালোচনা সভায় নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারী মোহাম্মদ আবু সাঈদ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আহমাদ আবদুল কাইয়ুম,প্রচার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম কবির, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা এবিএম জাকারিয়া,আলহাজ্ব শফিকুল আমিন খাঁন,হাফেজ মাওলানা নাজির আহমাদ শিবলী প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারী মোহাম্মদ আবু সাঈদ সিদ্দিকী বলেন,মহাজোট সরকার ১০ টাকা কেজিতে চাল খাওয়ানোর ওয়াদা করে মতায় এসে চালের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় মতার ভিতরে রাখতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। জনগনের দুর্ভোগ লাগবে নির্বাাচনের পূর্বে বিভিন্ন ওয়াদা করলেও তা পূরনে ব্যর্থতার পাশাপাশি নতুন করে গ্যাস সংকট সৃষ্টি করেছে। ঢাকার অধিকাংশ নারী শিশু ও কর্মজীবী মানুষ গ্যাসের অভাবে মানবেতর জীবন জাপন করছে। অথচ এ সমস্যার সমাধানে সরকারের কোন নেই।
নেতৃবৃন্দ বখাটেদের যন্ত্রনায় শ্যামলী আইডিয়ার স্কুল এ্যান্ড কলেজের ছাত্রী কিশোরী নাসফিয়া আখন্দ পিংকির আত্মহত্যার ঘটনায় গভীর উদ্যেগ প্রকাশ করে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন,সরকারের ব্যর্থতায় কিশোরী নাসফিয়া আখন্দ পিংকিকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে হয়েছে। এর পরও সরকারের স্বররাষ্ট্রমন্ত্রী কর্তৃক সংসদে বসে ইসলামী রাজনৈতিক দল সমূহের বিরুদ্ধে বিদ্ধেষমূলক বক্তব্যে দেশবাসী হতবাক হয়েছে ।
সভায় বক্তারা আরও বলেন,দেশে প্রধানমন্ত্রী,স্বররাষ্ট্রমন্ত্রী নারী হওয়ার পরেও নাসফিয়া আখন্দ পিংকিকে আত্ম হত্যার পথ বেছে নিতে হয়েছে। এজন্য স্বররাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতা স্বীকার করে পদত্যাগ করা উচিত । তা না করে তিনি নিজের ব্যর্থতা ঢাকার অপচেষ্ঠায় লিপ্ত হয়েছেন। সভায় বলা হয়,সা¤প্রতিক সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে ছাত্রদের প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহরা ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড প্রতিরোধ না করে পুলিশের নিরব ভুমিকা পালন শিা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসকে বৈধতা দেয়া ছাড়া আর কিছুই নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


