ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর ইবাদাত বন্দেগী করার স্থান। এই মসজিদকে যারা ষড়যন্ত্রের স্থান হিসেবে আখ্যাদেয় তাদের মুসলমানিত্ব আছে কি না সন্দেহ রয়েছে। যারা সারান ইসলাম,মুসলমানদের বিরোদ্ধে ষড়যন্ত্রকরে তারাই অপরের ভাল কাজকে ষড়যন্ত্রের চোখে দেখে।
নেতৃবৃন্দ বলেন,দাঁড়ি রাখা ইসলামের বিধান বিধায় মুসলমানরা দাঁড়ি রাখেন। এই দাঁড়িওয়ালা দ্বীনদার মুসলমানদের সংখ্যাবৃদ্ধিতে উদ্ধেগ প্রকাশ করে ১৪ দলের নেতারা বাংলাদেশকে অমুসলিম রাষ্ট্রে পরিনত করার চক্রান্ত বাস্তবায়নে দলীয় নেতাকর্মীদেরকে তাগিদ দিয়েছেন।বক্তারা বলেন, গৌরগবিন্দের ইসলাম বিরোধী কর্মকান্ডের বিরোদ্ধে হযরত শাহজালাল রহ.এদেশে এসে সকল চক্রান্ত নস্যাৎ করেছিলেন।সেই শাহজালাল রহ.এর নামে বিমানবন্দরের নামকরন করে শাহজালাল রহ.সহ অসংখ্য পীর আউলিয়ার এ দেশ থেকে ইসলাম,মুসলামানদেরকে নিশ্চিহ্ন করতে মসজিদকে ষ্ড়যন্ত্রের স্থান,দাড়িওয়ালা মুসলামানদেরকে ষড়যন্ত্রকারী অখ্যাদেয়া,কুরআন-হাদীসকে জেহাদী বই বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এসব করে বর্তমান সরকার ও ১৪ দল মুসলমানদেরকে মসজিদে গিয়ে নামাজ না পড়তে,দাড়িঁ না রাখতে এবং কুরআন-হাদীসসহ ইসলামী পুস্তক না কিনতে ও না পড়তে নির্দেশ দিচ্ছে। অবস্তাদৃষ্টে মনে হয় ভবিষ্যতে মসজিদে যাতায়াতকারী,দাঁিড়-টুপিওয়ালা মুসলামানও ইসলামী বই পুস্তক পড়লে তাদের উপর নির্যাতন চালানো হতেপারে।
পুরানা পল্টনস্থ কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরীর থানা দায়িত্বশীলদের নিয়মিত মাসিক সভায় নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরীর অন্যতম নেতা আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন,মহানগর সেক্রেটারী মোহাম্মদ আবু সাঈদ সিদ্দিকী,সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আহমাদ আবদুল কাইয়ুম,ইসলামী শাসনতন্ত্র শ্রমিক আন্দোলনের ঢাকা মহানগর আহবায়ক আলহাজ্ব শফিকুল আমিন খান,আলহাজ্ব,মোহাম্মদ আবুল কাশেম প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন,সরকারের মন্ত্রীরা মাদরাসাকে জঙ্গীবাদের প্রজনন কেন্দ্র আখ্যাদেয়,ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধের হুমকি দেয়,ধর্মকে নেশার সাথে তুলনা দেয়,শিানীতি থেকে ইসলামী শিা বাদদেয়ার চক্রান্ত করে,হাইকোর্টের দোহাই দিয়ে সংবিধান থেকে আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাস উঠিয়ে দেয়ার পাঁয়তারা করছে। নারী অধিকারের নামে কুরআনের আইনকে বাদ দিয়ে মনগড়া আইন করার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে অপরদিকে সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠন কলেজ পড়–য়া ছাত্রীদেরকে দেহব্যাবসা করতে বাধ্য করছে অথচ এসব ব্যাপারে সরকার নিরব ভূমিকা পালন করছে। ইসলামের বিধান ফতোয়াকে নিষিদ্ধ করতে চায়,পর্দা রার অন্যতম কবজ বোরকাকে উঠিয়ে দিতে চায়, মহাজোট সরকারের এসব কর্মকান্ড ইসলাম বিরোধী আল্লাহর সাথে পাল্লা দেয়া ছাড়া আর কিছুই না। বর্তমান সরকার আল্লাহর সাথে পাল্লা দিয়ে আল্লাহর সকল বিধানকে বদল করে নাস্তিক-মুরতাদদের বিধান বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পুরনের মাধ্যমে দিন বদল করতে চায়। সহজে বলাযায় আল্লাহর বিধান বদলই বর্তমান সরকারের দিন বদল।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


