somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তাক লাগানো বুদ্ধির জোর (ফানপোস্ট)

২১ শে মার্চ, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



-) নেইল পলিশ কিনতে কিনতে বা কিনে দিতে দিতে পকেটের টাকা শেষ হবার মতো অবস্থা? বিকল্প কিন্তু নান্দনিক দিক টা একবার চিন্তা করেন তো। হ্যা, দোকান থেকে স্ট্যাম্প কিনে নখের আকৃতি অনুযায়ী তা কেটে নিন। তারপর পছন্দমতো আঠা লাগিয়ে নখে লাগিয়ে নিন। এবার লক্ষ্য করে দেখুন যে, প্রিয় মানুষ তো বটে ই, অন্যেদের ও চোখের দৃষ্টি আপনার নখ থেকে সরছে না ।




-) বাসায় মেহমান আসছে। খাবার খেতে দেবার মুহূর্তে হরেক রকম চামচ, হাত মোছার রুমাল টেবিলে দিতে হবে। এগুলো যে সুন্দর একটা বক্স বা খুপরী করে দিবেন,তাও প্রয়োজনীয় সময়ে হাতের কাছে পাচ্ছেন না। চিন্তা নেই। ভাইয়ামনিদের প্যান্ট কেটে সেই পকেটে ই হরেক রকম চামাচ আর রুমাল রেখে খাবার টেবিলে রাখুন। এবার মেহমানদের অভিব্যাক্তি দেখুন । কি চমৎকার, তাই না?



-) বই পড়তে গেলে দু'দিকের পৃষ্ঠা খুব জ্বালাতন করে? যেই হাতে বই রেখে পড়বেন সেই হাতের বৃদ্ধা আঙ্গুলির মাপ মতো একটা পেজ হোল্ডার বানানোর জন্য কাঠের দোকানে আজই অর্ডার দিয়ে আসুন।



-) পুরনো রঙ্গিন রঙ্গিন কলমগুলো সংগ্রহ করে রাখতে চাচ্ছেন কিন্তু উপযুক্ত জায়গার অভাবে রাখতে পারছেন না? প্রয়োজন মতো একটা কার্টন বক্স সংগ্রহ করুন। টয়লেট পেপারের কিছু কাগজের মোটা হোল্ডার উক্ত কার্টন বক্সে রেখে তার মধ্যে এবার কলমগুলো রাখতে পারেন। তবে ওখান থেকে প্রয়োজনীয় কলম সহজেই যেন সংগ্রহ করতে পারেন সে জন্য টয়লেট পেপারের কাগজগুলো ভিন্ন ভিন্ন উচ্চতায় কেটে রাখতে পারেন।



-) আটা/ময়দা, চাল/ডাল কিংবা তেল/চিনি প্যাকেটে কিংবা বোতলে রাখার জন্য যে কক ব্যবহার করেন ঠিক সেটাতে পেরেক ঠুকে দেয়ালে আটকিয়ে দিন। এবার ওর উপর ই আপনার পেশাকটি ঝুলিয়ে দিতে পারেন সহজে।




-) চপস্টিক দিয়ে খাবার খাওয়ার ব্যাপারে আপনার হয়তো কৌতুহলের অভাব নাই কিন্তু এটা দিয়ে খাবার খাওয়ার বিদ্যাটা আপনার আয়ত্বে নাই বিধায় কিছু করতে পারছেন না। মন খারাপ করে বসে থাকার দরকার নেই আর। কাপড় আটকানোর ক্লিপের লোহার আংটা টা চপস্টিকে ভালোমতো জড়িয়ে নিন। দেখুন তো এখন জাপানিদের মতো খাবার খাওয়া কত্তো সহজ !




-) পড়ালেখা করার সময় যদি ম্যাগাজিন পড়তে থাকেন তবে তো অভিবাবকরা আপনার পিঠে দু'একটা বেত্রাঘাত করতেই পারে। খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু আপনার ও তো ঠিক ওই সময়টাতে প্রযোজনীয়/ শৌখিন কোন ম্যাগাজিন পড়া চাই। প্রতিকারের পথ বলে দিচ্ছি। বড় সাইজের একটা বইয়ের মলাট সংগ্রহ করে তাতে ভেতর থেকে ভালো মতো ম্যাগাজিন আটকে নিন। বসে বসে নিশ্চিন্তে পড়তে থাকুন আর আপনার অভিবাবক ও ভাববে " ইস, আমারা ছেলেটা/মেয়েটা কতো লক্ষী, সারাদিন লেখাপড়া করে"।




-) খালিপায়ে সকালে যখন হাটাহাটি কিংবা দৌড়ঝাপ করেন, হয়তো ঐ অবস্থাতেই সাইকেলে চড়ার প্রেকটিস টা ও সারতে চাইছেন। এক কাজ করেন। সাইকেলের পা রাখার ছোট্ট স্পেসটাতে আয়তন মতো ফোম কেটে নিন এবং তা ওইটার সাথে সেটে দিন। আপনার পা দুইটা এবার বুঝবে আরাম কাকে বলে।




-) বাসায় ড্রিল মেশিনের কাজ চলছে। সেই আওয়াজে বেঁচে থাকা দায়। এক কাজ করুন। বাসায় ছোট্ট যে টেনেস বল আছে তা সমান দুই ভাগে কেটে হালকা রকমের কোন লোহার পাতের দুই প্রান্তে শক্ত করে আটকে হেডফোনের মতো কানে লাগিয়ে বসে থাকেন। আওয়াজের তীব্রতা কমে আসতে বাধ্য। পরিবারে ঝগড়া চলাকালেও এই বুদ্ধি বেশ কাজ দিবে।




-) আইসক্রিম খাবেন ভালো কথা কিন্তু এর ক্রমাগত পানি ভেসে পড়ায় আপনি বিরক্ত। এক কাজ করুন। মোট একটা কাগজ গোল করে কেটে তা হালকা সমতল রেখে তারপর উপরমুখ করে বাকা করে দিন। এবার শান্তি মতো আইসক্রিম খেতে থাকুন।



-) প্লাস্টিকের কাটাচামচটি প্রয়োজন মতো কেটে তার মাঝের দু্ইটি কাটা ফেলে দিন আর এখন তা মুখের উপরের মাড়িতে আটকে দিয়ে ভয় দেখিয়ে দিতে পারেন যে কাউকে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে আপনি এখন আসলেই রক্তচোষা ড্রাকুলা ।




বিশেষ ভাবে বলে রাখা প্রয়োজন যে, এই রকম বুদ্ধির পরিচয় দিতে গিয়ে যদি কোন নেতিবাচক পরিস্থিতির সম্মুখীন হন, তবে তার জন্য আমি দায়ী নই।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৪ রাত ৯:১০
৬৫টি মন্তব্য ৬৫টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×