আমার প্রিয় পোস্ট
- আমার দেখা কিছু বড়দের মুভি ১৮+ - পুশকিন
- ঈশ্বর-ভাবনা, গোল্ডফিশের বাস্তবতা ও হকিংয়ের ‘গ্র্যান্ড ডিজাইন’ - নীলপদ্দ
- ইসলামে নারী (এই পোষ্ট নাস্তিকদের জন্য নয়) - তন্দ্রাহারা
- কিভাবে আমরা আমাদের সন্তানদের লালন- পালন করব ? - সাইদুর রহমান মুন্না
- বলিভিয়ার প্রেসিডেন্টকে সাথে নিয়ে ফুটসল খেলছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদ - চঞ্চল বালী
- সিকিম ও কাস্মিরের ভুখন্ড বড়দের বাট্টা হতে পারে কিন্তু রক্তের দামে কেনা বাংলাদেশ নয়- পর্ব ১ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- জীবনের কথা-৪৫(১৮+) - নীল মুদ্রা
- জীবনের কথা-৩৩ - নীল মুদ্রা
- জীবনের কথা-৩০ - নীল মুদ্রা
- যেই কারনে নাস্তিকরা বেওকুব (Reason Why Atheists are Stupid) - কাকপাখি ২
- জীবনের কথা-১৬ - নীল মুদ্রা
- জীবনের কথা-২৩ (১৮+) - নীল মুদ্রা
- শেয়ার বাজার-১৫: স্বাগতম টেকনিকাল এনালাইসিসের জগতে - ওরাকল
- জেনেনিন বিজ্ঞানের বিষ্ময়কর কিছু তথ্য!!!
- মঈনউদ্দিন
- ভাত মানবজাতির সবচেয়ে বড় শত্রু - অনিগিরি
- বিজ্ঞাপনোষ্টালজিয়া ... - অলৌকিক হাসান
- ইন্টারনেটের ফোরাম থেকে ট্রাফিক পাবার ৯টি পদ্ধতি - হাসান
- রাজনীতিক ও ভাষাসংগ্রামী শামসুল হক //আওয়ামী লীগের পিতৃদায় অস্বীকারের ইতিহাস - নুরুজ্জামান মানিক
- আপনি কিভাবে ঘুমান
- ডেলফ
- জেল থেকে বিদিশাকে লেখা এরশাদের একটি চিঠি: আওয়ামী লীগ হচ্ছে দেশের সবচেয়ে ঘৃণিত রাজনৈতিক দল - কল্যাণকামী
- Kingfisher in Action ! - রানা
- কলিগ খালি এডাল্ট সাইট ভিজিট করে - ডট কম ০০৯
- একটা গোপন অথচ দরকারী পরামর্শ - লেখাজোকা শামীম
- কোরবানি নিয়ে যে আলোচনাটি হতে পারত। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- পাখিদের উড্ডয়ন: রহস্য ও প্রজ্ঞার V - ম্যাভেরিক
- শব্দ-রাজ্যে অভিযান (১৭): Sardonic! - ম্যাভেরিক
সিকিম সিনড্রোম?
২৫ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৪
৬ এপ্রিল, ১৯৭৫, সকালবেলা। রাজা পালডেন থনডুপ নামগয়াল সবে নাশতা শেষ করেছেন। তখনি শুনলেন রাজপ্রাসাদ অঙ্গনে গোলাগুলির আওয়াজ। দৌড়ে গেলেন জানালার ধারে। যা দেখলেন, তা তিনি বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। ভারতীয় সৈন্যরা তার প্রাসাদরীদের আক্রমণ করেছে। তার চোখের সামনে মাত্র ৩০ মিনিটের নাটকীয় অপারেশনে তার এক ১৯ বছরের রীর জীবনের বিনিময়ে রাজা পালডেন সিংহাসন হারালেন। সেই সাথে অবসান হলো ৪০০ বছরের রাজতন্ত্র এবং হারিয়ে গেল পৃথিবীর বুক থেকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। আর তা পরিণত হলো প্রতিবেশী ভারতের একটি প্রদেশে। জাতিসংঘে একটু গুঞ্জন হলো। বিশ্বের কেউ একটু টু শব্দও করল না। কারণ হিসেবে বলা হলো, দেশটি গণতন্ত্র পেয়েছে, যদিও তা আর একটি দেশের অঙ্গ হিসেবে। তা ছাড়া আরো যুক্তি দেখানো হলো, দেশটির জনগণই স্বাধীনতা চায়নি, চেয়েছে ভারতের সাথে মিশে যেতে।
কোনো রাষ্ট্র প্রশ্ন না তুললেও বিশ্লেষক, গবেষক ও বিদগ্ধজনরা তখন এবং এখনো অনেক প্রশ্ন তুলেছেন যার সঠিক জবাব কখনো মেলেনি। এমন বিশ্লেষকদের মধ্যে রয়েছেন এক ভারতীয় সাংবাদিক সুধীর শর্মা। ''একটি জাতির হারিয়ে যাওয়ার বেদনা'' শিরোনামে এক চমৎকার প্রতিবেদনে সিকিমে ষড়যন্ত্র, বিশ্বাসঘাতকতা ও হঠকারিতার ইতিহাস বর্ণনা করে সিকিমের বিদায়ের কাহিনী লিখেছেন। মন্তব্য করেছেন, এমনটি যে হবে, তার চেষ্টা শুরু হয়েছিল বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিদায়ের লগ্ন থেকেই। এমনকি ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওয়াহেরলাল নেহরু এক কথোপকথনে সাংবাদিক, কূটনীতিবিদ কুলদীপ নায়ারকে এর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মিলেছিল মীরজাফররূপী কাজী লেনডুপ দরজি। ভারতের নেতৃবৃন্দ কাইভের ভূমিকায় ছিলেন। তবে এখানে স্লোগান ছিল গণতন্ত্রায়ন, সংখ্যালঘুর মতায়ন এবং রাজতন্ত্রের অবসান। তবে ফলাফল সেই একই। প্রভুর পরিবর্তন। গণতন্ত্র, মতায়ন সবই হলো, শুধু জনগণ তার স্বাদ অনুভব করতে পারল না। আসলে সব কর্মকাণ্ডের মূলে ছিল নিয়ন্ত্রণ ও দখল। গদিচ্যুত হওয়ার তিন দিন পর রাজা পালডেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। আমি বাকরুদ্ধ হয়েছি তখনি যখন ভারতীয় বাহিনী সিকিম আক্রমণ করল। (প্রাসাদের) ৩০০-এর কম গার্ডের ওপর এ আক্রমণ চালানো হলো। অথচ এরা ভারতীয় দ্বারা শিক্ষাপ্রাপ্ত এবং তারা ভারতীয় অস্ত্রে সজ্জিত ও ভারতীয় অফিসারদের দ্বারা পরিচালিত। সিকিমিরা ভারতীয়দের কমরেড ভাবে। এ আক্রমণ গণতান্ত্রিক ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে ন্যক্কারজনক দিন’, তিনি বড় দুঃখে লিখলেন। রাজা পালডেন হয়তো এমন করুণ পরিণতি অন্য দিকে মোড় দেয়াতে পারতেন যদি তিনি আর একটু স্মার্ট হতেন, লিখেছেন বিএস দাশ। তার সিকিম সাগা বইতে মি. দাশ লিখেছেন, যদি রাজা আর একটু বুদ্ধির সাথে তার কার্ডটি খেলতেন তাহলে অবস্থা অন্য রকম হতো। দাশ সিকিমে ভারতীয় পলিটিক্যাল অফিসার ছিলেন যখন গ্যাংটকের পতন ঘটে। ভারতীয় পলিটিক্যাল অফিসার অর্থ তিনিই প্রকৃত মতাধারী ব্যক্তি ছিলেন ১৯৫০ সালের সিকিম-ভারত চুক্তি অনুযায়ী। দাশ লিখেছেন, সিকিমকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন ভারতের প্রতিরক্ষার খাতিরে। আমরা সে লক্ষেই কাজ করে যাচ্ছিলাম।
অথচ রাজা পালডেন বুঝতেই পারেননি ভারতীয় উদ্দেশ্য। তিনি ভাবতেন, জওয়াহেরালাল নেহরু, এমকে গান্ধীসহ সব বড় নেতা তার পরম শুভানুধ্যায়ী। পালডেনের সেক্রেটারি ক্যাপ্টেন সোনম ইয়ংডা লিখেছেন, ''রাজা তার ভয়ঙ্কর স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি যে, ভারত কখনো তার ছোট্ট রাজ্যটি দখল করে নেবে। অথচ এমনটি হবে এবং এর জন্য একটি মাস্টার প্লান প্রস্তুত, সে কথা চীন ও নেপাল সিকিমের রাজাকে জানিয়েছিল। ১৯৭৪ সালে নেপালের রাজার অভিষেকের সময় রাজা পালডেন কাঠমান্ডুতে যান। সেখানে নেপাল, চীন ও পাকিস্তানের নেতৃবৃন্দ রাজা পালডেনকে তিনটি হিমালয়ান রাজাকে নিয়ে ভারতের মাস্টার প্লানের কথা বলেছিলেন। সুধীর শর্মা লিখেছেন, চীনের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী রাজা পালডেনকে গ্যাংটকে না ফেরার পরামর্শ দেন এ জন্য যে, এ মাস্টার প্লানের প্রথম শিকার হবে সিকিম। অন্য দু’টির জন্য রয়েছে আরো জটিল পরিকল্পনা। পালডেন এ কথা বিশ্বাস করতে পারেননি।'' শর্মা লিখেছেন, রাজা পালডেন ভারতকে তার সবচেয়ে বড় সুহৃদ মনে করতেন। কেননা তার সৈন্যবাহিনী, প্রাসাদরী এবং তার শাসনযন্ত্র নির্মাণ ও পরিচালনা ভারতই করত। তিনি তাদের বললেন, আমার সৈন্যবাহিনী কেমন করে আমার বিরুদ্ধে লড়বে? তাছাড়া রাজা পালডেনকে ভারতীয় সৈন্যবাহিনীর অনারারি মেজর জেনারেলের পদমর্যাদা দেয়া হতো। নেহরুও বলেছিলেন, এমন ছোট্ট দেশ দখল করার প্রয়োজন নেই। (১৯৬০ সালে কুলদীপকে নেহরু বলেছিলেন- ঞধশরহম ধ ংসধষষ পড়ঁহঃৎু ষরশব ঝরশরস নু ভড়ৎপব ড়িঁষফ নব ষরশব ংযড়ড়ঃরহম ধ ভষু রিঃয ধ ৎরভষব.) অথচ তার কন্যা মাত্র ১৫ বছর পর জাতীয় স্বার্থের কথা বলে সত্যি সেই মাছিকে হত্যা করলেন। তবে দখলের বীজ নেহরুই বুনেছিলেন। সিকিমের রাজতন্ত্রের পতনের লক্ষে সিকিম ন্যাশনাল কংগ্রেস (এসএনসি) গঠনে তিনিই উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। এসএনসি’র নেতা লেনদুপ দরজির গণতন্ত্রের সংগ্রামকে ধীরে ধীরে এগিয়ে নিয়ে যায় প্রথমত, নামগয়াল পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য। আসলে কাজী ও নামগয়াল পরিবার ছিল একে অন্যের শত্র“। এই বিভেদকে ভারত কাজে লাগায় তার মাস্টার প্লানের অংশ হিসেবে। ক্যাপ্টেন ইয়াংজু লিখেছেন, ''ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সদস্যরা বেসামরিক পোশাকে রাজার বিরুদ্ধে গ্যাংটকের রাস্তায় মিছিল, আন্দোলন ও সন্ত্রাস করত।'' এমনকি লেনদুপ দরজি নিজেই শর্মাকে বলেছেন, ''ভারতের ইনটেলিজেন্স ব্যুরোর লোকরা বছরে দু-তিনবার আমার সাথে দেখা করত কিভাবে আন্দালন পরিচালনা করা যাবে। তাদের একজন এজেন্ট তেজপাল সেন ব্যক্তিগতভাবে আমাকে অর্থ দিয়ে যেত এ আন্দোলন পরিচালনা জন্য।'' এ অর্থ দিয়ে রাজনৈতিক সন্ত্রাস পরিচালিত হতো। শর্মা লিখেছেন, এই ‘সিকিম মিশনের’ প্রধান চালিকাশক্তি ছিল ভারতের ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং (সংক্ষেপে ' র')। এর ডাইরেক্টর অশোক রায়না। তার বই ইনসাইডর : দি স্টোরি অব ইন্ডিয়াস সিক্রেট সার্ভিস। এখানে বাংলাদেশ অধ্যায়সহ সিকিমের বিষয় বিস্তারিত আছে। বায়না লিখেছেন, ভারত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ১৯৭১ সালেই সিকিম দখল করে নেয়া হবে। সে লক্ষে সিকিমে প্রয়োজনীয় অবস্থা সৃষ্টির জন্য আন্দোলন, হত্যা, রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি ইত্যাদি করা হচ্ছিল। এখানে হিন্দু নেপালি ইস্যুকে বড় করে বিভক্তি সৃষ্টির চেষ্টায় সফলতা আসে। গ্যাংটক পোস্টের সম্পাদক সিডি রাই বলেছেন, সিকিমের নেপালি বংশোদ্ভূত নেপালি সম্প্রদায়ের মধ্যে এটা দৃঢ়ভাবে ছড়ানো গেল যে, সিকিমের বৌদ্ধ রাজা তাদের নির্যাতন, নিষ্পেষণ করছেন এবং সুশীল ও এলিটরা এক হয়ে ভাবতে শুরু করল, ''আমাদের ভারতীয় হয়ে যাওয়াই ভালো বৌদ্ধ রাজার নির্যাতনের চেয়ে।''
ক্যাপ্টেন সোনম ইয়ংডা দাবি করেছেন, সিকিমে রাজার বিরুদ্ধে লেনদুপের আন্দোলন ছোট ছিল এবং তা হয়েছে স্পূর্ণভাবে ভারতের অর্থানুকূল্যে। তার মতে, ভারত ডাবল গেম খেলছিল। এক দিকে রাজাকে আশ্বস্ত করছিল তার সিংহাসন নিরাপদ এবং তিনি সঠিক পথে আছেন। অপর দিকে লেনদুপকে অর্থ ও লোকবল নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যেতে বলে, যাতে দেশের অধিকাংশ লোককে রাজার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে এক সারিতে আনা যায় এর ফলে ১৯৭৪ সালের নির্বাচনে লেনদুপের এস.এন.সি পার্টি ৩২ সিটের ৩১টিই লাভ করেছিল। এর আগে দিল্লির চাপে রাজা ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় একটি সমঝোতায় আসতে বাধ্য হন। ৮ মে, ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত এ মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব চেওয়াল সিংহ এবং ভারত-সমর্থিত তিনটি পার্টি সিকিম ন্যাশনাল পার্টি, সিকিম ন্যাশনাল কংগ্রেস ও জাতীয় কংগ্রেস। রাজা এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন। এর আগের মাসে এক-নাগাড়ে দশ দিন আন্দোলন চললে গণতন্ত্রের সপক্ষে। মজার কথা, এই হাজার হাজার আন্দোলনকারীকে গ্যাংটকের পালজোর স্টেডিয়ামে আটকে রেখে ‘ইন্দিরা গান্ধী জিন্দাবাদ’ স্লোগান উঠাতে বাধ্য করা হয়। এ আন্দোলনের শেষ দিন ভারত বিএস দাশকে পলিটিক্যাল অফিসার হিসেবে নিযুক্তি দিলে সিকিমের তিন পার্টি আন্দোলন উঠিয়ে নেয়। এর কয়েক দিন আগে রাজার কাছে খবর এসেছিল, এ তিন পার্টির জয়েন্ট অ্যাকশন (জেএসি) কমিটি ১৫ হাজার মানুষের এক কর্মী বাহিনী নিয়ে সংখোলা থেকে গ্যাংটকের দিকে এগোচ্ছে। ভীত রাজা ভারতের সাহায্য চাইলেন। এ দিকে জেএসিও ইন্দিরা গান্ধীর কাছে টেলিগ্রাম পাঠাল তাদের কর্মকাণ্ডের ফিরিস্তি দিয়ে এবং এর সাথে সিকিমে হস্তক্ষেপের আবেদন জানাল। এর পর ভারতের জন্য সিকিমে হস্তপে করার বিরুদ্ধে কোনো বাধাই রইল না।
অর্থাৎ ভারতের তিন দশকের পরিকল্পনা, অর্থ ব্যয় এবং আনুষঙ্গিক কর্মকাণ্ড সার্থক হলো, লিখেছেন সিকিম ও ভারত বইয়ের লেখক।
নির্বাচনে জিতে ২৭ মার্চ, ১৯৭৫ প্রথম কেবিনেট মিটিংয়ে প্রধানমন্ত্রী লেনদুপ দরজি রাজতন্ত্র বিলোপের সিদ্ধান্ত এবং এক রেফারেন্ডামের সিদ্ধান্তও নিলেন। চার দিন পর সারাদেশের ৫৭টি স্থান থেকে ফলাফল এলো, জনগণ রাজতন্ত্র বিলোপের পক্ষে। কৃষিমন্ত্রী কেসি প্রধান অবশ্য বলেছেন, পুরো ব্যাপারটাই সাজানো। ভারতীয় সৈন্যবাহিনী বন্দুকের মুখে ভোটারদের ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে বাধ্য করেছিল। অনেক লেখক বলেছেন, রাজা পালডেন তার রাজত্বের প্রথম দিকে যখন নেহরুর নির্দেশে রাজতন্ত্র বিলোপের লক্ষ্যে তথাকথিত গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারা দিল্লির সহায়তায় উৎরে গেলেন, তখন দিল্লিকে পরম সুহৃদ ভাবতে থাকলেন। তাই চীন বলল, ‘যদি ভারতীয় বাহিনী তাকে আক্রমণ করে, তাদের সাহায্য চাইলে ভারত সীমান্তে চীন ও পাকিস্তানের সৈন্য সমাবেশ ঘটিয়ে ভারতীয় আগ্রাসন বন্ধ করা যাবে’। সুধির শর্মা লিখেছেন। রাজা পালডেন যখন বুঝতে পারলেন, তখন আর কিছুই করার ছিল না।
অবশ্য অনেকেই সিকিমের এই বিপর্যয়ের জন্য রানী এবং লেনদুপের স্ত্রীকে খানিকাংশ দায়ী করে থাকে। তবে বিশ্লেষকরা এ মতকে আমলে নেননি। হিমালয়ের পাদদেশের তিনটি রাজ্যের ‘প্রটেকটরেট’ অবস্থানকে সে দেশের মতাবানরা মেনে নিয়েছিল। তবে ভারতের ক্রমবর্ধমান চাপ তিনটি দেশকে ক্রমেই একে অন্যের কাছে নিয়ে আসতে থাকলে ইন্দিরা গান্ধী প্রমাদ গোনেন। তাই পরিকল্পনাকে একটু পরিবর্তন করেন। কাঠমান্ডু পোস্টে ৩ জুন, ১৯৯৭ ‘ভুটানিজ সিনড্রোম’ নামে এক নিবন্ধে প্রচলিত ধারণা যে, সিকিমে নেপালি ভাষাভাষীরা সব ঘটনার জন্য দায়ী, তা সত্য নয় বলতে গিয়ে দাবি করা হয়, তিনটি দেশের অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র' এবং তাদের অর্থ ও তাদের কিছু বশংবদ দায়ী। কাজী লেনদুপ দরজির নেতৃত্বে এ বশংবদরা পরবর্তীকালে ঘটনা বিপরীতমুখী করতে চাইলেও তা সম্ভব হয়নি। লেনদুপ দরজি ও তার বিদেশী স্ত্রীকে কালিমপং-এ অবশিষ্ট জীবনের তিন দশক দেশবাসীর নিন্দা ও ঘৃণা এবং ভারতের অবহেলার বোঝা বয়ে বেড়াতে হয়। কাজী লেনদুপ এক সাক্ষাৎকারে সুধীর শর্মাকে বলেন, আমি ভারতের জন্য এত করলাম, এমনকি দেশটিও দিয়ে দিলাম, তার প্রতিদানে তারা আমায় এত অবহেলা করল। অবশ্য সিকিম দিয়ে দেয়ার ২৭ বছর পর ভারত সরকার লেনদুপ দরজিকে ''পদ্মভূষণ'' পদবি দেয় এক অনাড়ম্বর পরিবেশে সান্ত্বনা হিসেবে।
অনেকেই বলেছেন, সিকিমের ব্যাপারে ভারত ১৯৭১ সালের লক্ষ্য পরিবর্তনের কারণ বিশ্বপরিস্থিতি এবং প্রতিবেশী দেশের চলমান ঘটনাবলি। তাই তাকে সিকিমে আন্দোলনের ধারাকে বেগবান রাখতে হয়েছে শুধু। সুধীর শর্মার মতে, বাংলাদেশের অভ্যুদয় এবং ১৯৭৪ সালে ভারতে পারমাণবিক অস্ত্রের সাফল্যের কারণে দিল্লিকে আর তার ইমেজের ব্যাপার নিয়ে ভাবতে হয়নি। সে সিকিম দখল করে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়। বিশেষ করে ভুটানের জাতিসংঘের সদস্য পদ প্রাপ্তি এ সিদ্ধান্তকে ত্বরান্বিত করতে সাহার্য করে। ভারত ভুটানের জাতিসংঘের সদস্য প্রাপ্তিকে সহজভাবে না নিয়ে উপায় ছিল না। স্বাধীন বিশ্বে, বিশেষ করে নিরপেক্ষ বলয়ের নেতৃত্বে, এমনকি তার গণতান্ত্রিকতার দাবিতে চিড় ধরত। বাংলাদেশকেও তাকে সাহায্য করতে হয় স্বাধীনতাকামী হিসেবে। তার একটিই ভয় ছিল, বাংলাদেশ ও ভুটানকে অনুসরণ করে যদি সিকিম জাতিসংঘের সদস্যপদ দাবি করে।
এ দিকে নেপালেও রাজতন্ত্রের অবসান ঘটেছে ঠিক একই পদ্ধতিতে, যদিও দেশটি টেকনিক্যালি এখনো স্বাধীন। তবে এখানে সাত পার্টির জোট ও মাওবাদীরা সর্বতোভাবে দিল্লির ওপর নির্ভরশীল। ইংরেজি আদ্যক্ষর হিসেবে অনেকে এর নাম দিয়ে ‘স্প্যাম’ (সেভেন পার্টি অ্যালায়েন্স অ্যান্ড মাওইস্ট)। গত নির্বাচনের আগে গিরিজা প্রসাদ কৈরালার নেপাল কংগ্রেস ও সিপিএম-ইউএমএল দিল্লিতে গিয়ে তাদের কর্মপদ্ধতি প্রণয়ন করলে বিশ্লেষকরা বলেন, এটা আর একটি সিকিম সিনড্রোম, যেখানে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের কর্মপদ্ধতির সিদ্ধান্ত নিতে স্বদেশভূমিকে ব্যবহার করে না। এঁরা বলেন, এই ‘স্প্যাম’ পলিটিক্যাল অলিগার্কি বা রাজনৈতিক অভিজাততন্ত্র পছন্দ করে, জনগণের গণতন্ত্র নয়। ঠিক একই লক্ষ্য দিল্লিরও। তারা জনগণ নয়, রাজনৈতিক দলের আনুগত্য কামনা করে। তারা প্রতিটি রাজনৈতিক দলে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় লাইন অব ইনহেরিটেন্স রাখে। একটির পতন হলে অপরটি সে স্থান পূরণ করে।
একজন ভুটানি বিশ্লেষক কাঠমন্ডু পোস্টে সম্প্রতি এক নিবন্ধে সতর্ক করেছেন এই বলে যে, বর্তমানের ভুটানি-নেপালের রাজনৈতিক গোলযোগ যদি ঠাণ্ডা মাথায় সমাধানের চেষ্টা না করে, তাহলে এটি ‘ভুটানিজ সিনড্রোম’ হবে এবং এর পরিণতি হবে সিকিমের মতো। লেখক আরো বলেছেন, গত ছয় দশকের নানা কর্মপন্থায় আঞ্চলিক, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ষড়যন্ত্র ও হঠকারিতার যে কর্মকাণ্ড চলছে, তা বিরতিহীন। এসব কর্মকাণ্ড সমগ্র অঞ্চলকেই এক কাতারে আনবে যদি এখনি এসব কর্মপন্থায় সংযুক্ত নট-নটীরা সতর্ক না হয়। পরিণামে সবাই হবে কাজী লেনদুপ দরজি, যার পার্টি ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে একটি সিটও পায়নি, যদিও মাত্র পাঁচ বছর আগে পার্লামেন্টে ৩২ সিটের ৩১টি সে দখল করেছিল। ইতিহাস তাকে আঁস্তাকুড়ে ফেলে দিলো। ভুটানিজ সিনড্রোমের লেখক সতর্ক করে দিলেন। (আলমগীর মহিউদ্দিন, নয়া দিগন্ত-২০ মে-২০০৯)
সম্মানিত পাঠক! মনে হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আমাদেরকে সদা প্রহরীর ভুমিকায় থাকতে হবে। আমাদের চিন্তায় কোন ভুল থাকলে শুধরাতে হবে। দল মত যাই হোক সবার আগে তো দেশ তাই নয় কি?
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১১:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
শেরজা তপন বলেছেন:
ধন্যবাদ অনেক কিছু জানলাম। আহা এত সুন্দর একটা দেশ...
লুথা বলেছেন:
হায়রে ভারত !! থু থু মারি তোদের মুখে
লেখক বলেছেন: শুধু থু থু মারলে হবে না। আমাদেরকে সজাগ হতে হবে, প্রস্তুতি নিতে হবে, এবং শত্রুদের দোসরদেরকে রুখে দিতে হবে।
মুহসিন বলেছেন:
ভারতের এই মুহূর্তে চট্টগ্রাম বন্দর খুবই দরকার।হয়তো এটা নেয়ার জন্য তারা যেকোন পট পরিবর্তনও চূড়ান্ত করে ফেলেছে।
েমাহাম্মদ িমজানুর রহমান বলেছেন:
চুড়ান্ত করেছে কি না জানি না । তবে পররাষ্ট্র প্রতি মন্ত্রী সহ কয়েকজন মন্ত্রী বাহাদুরের কথা শুনে মনে হয় তারা ঐ দেশটির এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন। তাদের মূখে শুনি গঙ্গাতে নাকি ভারত ঠিকভাবেই পানি দিচ্ছে অথচ বিশেষজ্ঞরাসহ সবাই বলছেন ভারত চুক্তি লঙ্ঘন করছে। রক্ষক ভক্ষক হলে রক্ষক পরিবর্তন করতে হয় অথবা আত্মসমর্পন ছাড়া গতি থাকে না।
লেখক বলেছেন: ঠিকই বলছেন ভাইজান, সজাগ থাকতে হবে। এখন দালালদের সুদিন চলছে। তাপস অলরেডি পালাইছে। আরও কয়েকটাকে বেশ কিছুদিন খুজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এদেরকে কি তসলিমা নাসরিনের মত একবারে বের করার ব্যবস্থা করা যায় না?
লেখক বলেছেন: আপনার নিক নেইমটা সুন্দর আমি দেশ প্রেমিক পাগলদের পছন্দ করি।
ইবনে সালাম বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম।
ফারুক৫৫ বলেছেন:
বাংলাদেশ ও কি ভারতের নেকনজরে আছে?
লেখক বলেছেন: ভারতের অভ্যাস বদলায় না।
ধীবর বলেছেন:
আমাদের দেশের প্রধান প্রধান মিডিয়া, বুদ্ধিজীবি এবং সাংস্কৃতিক জগতের দিকপালরা অনেক আগে থেকেই লেন্দুপ দর্জির ভুমিকায় অবতীর্ণ। যারা ইনডিয়া ডক্ট্রিন সমন্ধে অবগত, তারা ভালো করেই জানেন যে, অখন্ড ভারত প্রতিষ্ঠা করার জন্য, চানক্যের সবগুলি কুটকৌশলই ভারত প্রয়োগ করবে। তাই এই ব্যাপারে জনসচেতনা সৃস্টির বিকল্প নেই। আমাদের ৩০ লাখ শহিদ, ভারতের পদলেহন বা ভারতীয় হবার জন্য আত্মদান করেনি। তাই প্রতিবাদের সাথে সাথে বাংলাদেশি লেন্দুপ দর্জিদের প্রতিরোধও করতে হবে। প্লাস।
লেখক বলেছেন: আমি আপনার সাথে একমত। হতাশ হলে চলবে না। রুখে দাঁড়াতে হবে। যুগে যুগে প্রমাণ করেছি, আমরা বীরের জাতি। শাহজালাল, শাহ মাখদুম, শরীতুল্লাহ, ভাসানী......... সহ অনেক বীরের রক্ত আমাদের শিরা উপশিরায় আজও চলমান।
অ্যামাটার বলেছেন:
ষড়যন্ত্র যুগে যুগে...
জুল ভার্ন বলেছেন:
আমাদের দেশীয় --- গান্ধী, নুরে আল মালিকী কিম্বা হামিদ কারজাইয়ের প্রেত্মাত্বারা আমাদের দেশেকেও সেই দিকে ধাবিত করছেন অত্যন্ত পরিকল্পিত ভাবে...............
েমাহাম্মদ িমজানুর রহমান বলেছেন:
প্রেতাত্মা না বলে সহজ করে বলুন 'দালাল'।
মামুনুর রহমান খাঁন বলেছেন:
চমৎকার একটা পোস্ট। অনেক কিছু জানলাম।অনেক দিন ধরেই একটা ক্ষীন আতংক কাজ করছিল। বর্তমান নেতাগনের কথাবার্তা শুনে আর আপনার লেখা পড়ে আরও বেশি আতংকিত হয়ে যাচ্ছি।
তবে এটুকু বলে রাখছি, শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আমাদের এ স্বাধীনতা রক্ষা করবই।
+
লেখক বলেছেন: আপনার মত আমিও আতন্কিত হয়ে যাচ্ছিলাম। মনে হয় বুঝি আবার সেই পলাশীর ভাগ্য বরন করতে হবে আমাদের! আপনার মন্তব্য পড়ে একটু সাহস পেলাম। আপনার মত আমিও ঘোষণা করছি: ''শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আমাদের এ স্বাধীনতা রক্ষা করব'' ধন্যবাদ।
স্বপ্নশিকারী বলেছেন:
আমি সিকিম গিয়েছিলাম,এই দেশের লোকদের মতো দেশটাও অসম্ভব সুন্দর।তবে একটাই খারাপ লেগেছে,চাড়িদিকে খালি ভারতীয় সৈন্য দিয়ে দেশটি ঘেরা।
লেখক বলেছেন: সিকিম ভারতের অগ্রাসী নীতির একটি জ্বলন্ত প্রমাণ। এই সত্যটা আমাদের আওয়ামীরা বুঝতে পারে না!
তারিক হাসান তারিক হাসান বলেছেন:
আমার মনে হয়, বাংলাদেশও ভারতের মহাপরিকল্পনার অংশ হয়ে আছে।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
হমমমম.......।ভালো।আপনি যে লেখাগুলোর রেফারেন্স দিয়েছেন সেগুলোর কোন লিংক দিতে পারেন; উপকৃত ভাবতাম।
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
আমার মতে এই গ্রহের সবচেয়ে জটিলতাপূর্ণ চিন্তাশক্তির অধিকারী হল এই বাঙ্গালী জাতি। এ জাতিকে দমানো অসম্ভব।
লেখক বলেছেন: বাঙ্গালী জাতিকে দমানো যাবে না এই আত্মবিশ্বাস অবশ্যই ভাল। তবে আপনার ঘরেই যখন দালাল ও সেবাদাস মনোভাবসম্পন্ন লোকজন ঘরের ইদুরের ভুমিকা পালন করে তখন ''পলাশী'' আর মীরজাফরদের কথা মনে পড়ে যায়। ধন্যবাদ
বকুল০৮ বলেছেন:
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: আমার মতে এই গ্রহের সবচেয়ে জটিলতাপূর্ণ চিন্তাশক্তির অধিকারী হল এই বাঙ্গালী জাতি। এ জাতিকে দমানো অসম্ভব।সহমত!!!
লেখক বলেছেন: বাঙ্গালী জাতিকে দমানো যাবে না এই আত্মবিশ্বাস অবশ্যই ভাল। তবে আপনার ঘরেই যখন দালাল ও সেবাদাস মনোভাবসম্পন্ন লোকজন ঘরের ইদুরের ভুমিকা পালন করে তখন ''পলাশী'' আর মীরজাফরদের কথা মনে পড়ে যায়। ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ঠিক তাই। রাজনীতির জন্য মানুষ কত নীচে নামতে পারে আর কত নিষ্ঠুর হতে পারে পিলখানার ঘটনাই তার বড় প্রমান!
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
ধন্যবাদ অনেক কিছু জানলাম।
থু থু মারি তোদের মুখে
থু থু মারি তোদের মুখে
থু থু মারি তোদের মুখে
লেখক বলেছেন: থু থু না মেরে চলুন টিপাই মূখ বাধের বিষয়ে সোচ্চার হই। দেশের সবাইকে সচেতন করি। রুখে দাড়াই।
প্রবাসী মন বলেছেন:
শুধু থু থু নয়, ভারতের মুখে প্রস্রাব করি।
লেখক বলেছেন: ওরা খুশীই হবে কারন প্রস্রাবকে এরা এখন ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করেছে। গোড়া হিন্দুরা গরুর চেনাকে বাণিজ্যিকভাবে ড্রিংক হিসেবে বাজারে ছাড়তে যাচ্ছে! সূতরাং এসবে কাজ হবে না। মাথা খাটাতে হবে আর সম্ভাব্য সকল উপায়ে রুখে দাড়াতে হবে।
মাসুদ১৯২৪ বলেছেন:
ধন্যবাদ মিজান ভাইকে।শুধু থু থু মারলে হবে না। আমাদেরকে সজাগ হতে হবে, প্রস্তুতি নিতে হবে, এবং শত্রুদের দোসরদেরকে রুখে দিতে হবে।
একমত ধীবরের সাথে।
আর বাকিটুকু নাইবা বললাম...............
লেখক বলেছেন: ৩০ বছরের পরিচিত পথ এখন একদম অপরিচিত মনে হয়। অনেকদিন ধরেই একটা কথা বলার চেষ্টা করছি যে, মন্ত্রীদের কথা শুনে মনে হয় না যে এরা বাংলাদেশের মন্ত্রী! বাকী দলগুলোর সমস্যা কোথায় তা জানি না। আমরা এখন কান্ডারী বিহীন। বলতে ইচ্ছা করছে, ''ফিরে এসো ভাসানী!''
তানহা তাবাসসুম বলেছেন:
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ''তানহা'' ফারসী শব্দ অর্থ হলো, একাকিনী আর ''তাবাসসুম'' শব্দটি আরবি শব্দ এর অর্থ হলো, মুচকি হাসি। ''একাকিনী মুচকি হাসি''
সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন:
আপনি কষ্ট করে এই ব্লগটি লিখেছেন বলে ধন্যবাদ। অনেক কিছুই জানলাম। তবে সিকিমের সাথে আমাদের একটু পার্থক্য আছে। তাদের রাজা ভারতকে বন্ধু ভেবে ভুল করেছিলেন, আর আমাদের রাজ-পরিষদ স্বেচ্ছায় ভারতের পদতলে মাথা দিতে প্রস্তুত।
লেখক বলেছেন: এ কারনেই তো টেনশান টা বেশী। তবে আমাদের একদল দেশপ্রেমিক জনতা আছে। আর আপনাদের মত লিখক। সচেতন করে তুলুন। রুখে দাড়ান। আমরা জাতিগতভাবে সত্যিই সংকটে আছি।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
অসাধারণ
পারভেজ রবিন বলেছেন:
সিকিমের এই ইতিহাস আমার অজানা ছিল তাই জানার প্রবল আগ্রহ ছিল, তা মিটল। প্রবন্ধের ইঙরেজী বর্ণগুলো আসে নি। দয়া করে এডিট করে দিন।
রিয়াজুল ইস্লাম বলেছেন:
অসাধারণ।
ত্রিভুজ বলেছেন:
সিকিমের ইতিহাস এত বিস্তারিত জানতাম না। পোস্টটার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।"দল মত যাই হোক সবার আগে তো দেশ তাই নয় কি? "... সহমত।
লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন। দলমত যাই হোক সবার আগে দেশ। রাজনৈতিক নেতৃত্ব ভুল করলে আমাদের উচিত তাদের সংশোধন করা। সংশোধন হতে না চাইলে গদি থেকে নামানো। নামতে না চাইলে টুটি ---- ধরা।
মাসুদ১৯২৪ বলেছেন:
মিজান ভাই ভাসানীরা ফিরে আসবেই , দেখবেন ফিরে আসেবই হয়ত সময় লাগবে কিন্তু আসবেই আমরা সবাই অপেক্ষায় আছি যে..........
চরম ভয় পাইসি রে ভাই।
লেখক বলেছেন: ভয় পাবেন না। রুখে দাড়ান।
আমার সন্দেহ হয় বাংলাদেশের অন্তত্: ১৫%-২০% মানুষ স্বাধীন অস্তিত্বের চেয়ে নিজেদের ভারতের অংশ হওয়াটাকে শ্রেয় মনে করে, হয়তো এখন তারা প্রকাশ করে না সঙ্গত কারনে।
বিষয়টা খুবই ভীতিকর।
লেখক বলেছেন: চলুন আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে এই ইতিহাসটা সবাইকে জানানোর চেষ্টা করি । আমি চেষ্টা করছি আপনিও ব্যক্তিগত পরিকল্পনা গ্রহন করুন।
স্বপ্নরাজ বলেছেন:
প্রিয়তে।
মীরজাফর , রায়দুর্লভদের রক্তে ভরে গেছে দেশ...
এই পোস্টেও এসেছিল ৩ টা। কারা কারা মাইনাস দিলেন আওয়াজ দেন।
লেখক বলেছেন: এই মিরজাফরগুলোকে কি করা যায়?
স্বপ্নরাজ বলেছেন:
মইন ইউ আহমেদ মীরজাফরের কোন বংশধর.. আমি ঘোরতর সন্দেহ।
লেখক বলেছেন: আমি ওকে নাম দিয়েছি, ''মিরজাফর দ্য গ্রেইট''। সে যে পাপ করেছে, ১০০ বার ফাসি দিলেও তা মোচন হবে না হয়তো। একটা দেশের মাথার উপরে একদল স্বাধীনতা -সার্বভৌমত্ব বিরোধী দালাল শাসক বসিয়ে দেয়ার সব ব্যবস্থা সে করেছে। যে কথাটি এরশাদ সাহেব সরল মনে স্বীকার করেছেন। এই অপরাধে তার ঐতিহাসিক দৃষ্টান্তমূলক বিচার হওয়া উচিত।
তথাকথিত বলেছেন:
অদ্ভুত সুন্দর পোষ্ট...সিকিমের এই ইতিহাস জানা ছিল না আমার। কিন্তু এখন ভয় হচ্ছে আমাদের ভবিষ্যত নিয়ে...কি যে হবে এই অভাগা দেশটার....কেন আমাদের দেশপ্রেম, জাতীয়তাবোধ এত কম? কেন?
লেখক বলেছেন: আদর্শ ঠিক না থাকলে, স্রষ্টাকে পুরোপুরি বিশ্বাস না করলে, পৃথিবীর জীবনকেই আলটিমেট জীবন ভাবলে দেশপ্রেম কোথা থেকে আসবে বলুন। আর পৃথিবীতে সব স্থানেই কিছু দালাল থাকে । দেশ প্রেমিকদেরকে এজন্য সদা সজাগ থাকতে হয়।
লেখক বলেছেন: হ্যা, তাই।
লংকার রাজা বলেছেন:
ধন্যবাদ,এমন পোস্ট ভবিষ্যতে আরও আশা করি।
অলস ছেলে বলেছেন:
একবার কোন এক ব্লগারের সাথে মন্তব্য পাল্টা মন্তব্যের মধ্যে তিনি বলে বসেছিলেন, বাংলাদেশে যদি সিকিম হয় তাহলেইতো ভালো, অর্থনৈতিক ভাবে আরো উন্নতই হবে, এমন কথা। সেদিন খুব দু:খ পেয়েছিলাম, ভয় লেগেছিলো। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, এ বিষয়ে সুন্দরভাবে লেখার জন্য।
লেখক বলেছেন: অন্যের গোলামী করা যাদের অহঙ্কার তারা তো এমনটি বলতেই পারে। তাদের নিকট বাংলাদেশই একমাত্র দেশ নয়। আমার আপনার তো দেশ একটিই। সূতরাং আমাদেরকে বসে থাকলে চলবে না। ধন্যবাদ
প্রগতিশীল বলেছেন:
অসাধারণ। প্রিয়তে রাখলাম।
এদেশের জনগণকে সিকিমের ইতিহাস ভালভাবে জানানো দরকার। আগ্রাসী, সাম্রাজ্যবাদী ভারতের চেহারা পরিস্কার ও বাংলাদেশের বিপদ সম্পর্কে জাতিকে সচেতন করার স্বার্থেই এটা প্রয়োজন। ব্লগে ও ব্লগের বাইরে এ ব্যাপারে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
বর্তমান সরকারে নুরে আল মালিকী, হামিদ কারজাইয়ের প্রেত্মাত্বারা ভর করেছে। ভারতের প্রশ্নে অবশ্য আওয়ামী নেতারা আগে থেকেই এক একজন নুরে আল মালিকী, হামিদ কারজাই। এদের ব্যাপারে সজাগ হতে হবে, এখনই।
লেখক বলেছেন: একমত। চলুন বাংলাদেশের সকল শিক্ষিত মানুষের নিকট এই ইতিহাস পৌছে দেয়ার ব্যবস্থা করি।
লেখক বলেছেন: ভয় পেলে চলবে না। আমরা সচেতন থাকলে পারবেনা। আমাদের এই অঞ্চলকে কেউ হজম করতে পারে নি।
অন্তু বলেছেন:
সুন্দর পোষ্ট। দয়া করে টেক্সট এরোর গুলো ঠিক করে দেন। এই রকমের ওজনদার লেখার ভুল গুলো শুধরানো দরকার।রেফারেন্সগুলোর লিঙ্ক দিলে খুব ভালো হয়। দালালসদের জন্য একটি উচিত জবাব।
লেখক বলেছেন: টেক্সট এরর যথা সম্ভব ঠিক করে দেয়া হল। ধন্যবাদ।
সরকার সেলিম বলেছেন:
সরাসরি প্রিয়তে...ভালো লিখেছেন।
আমি স্বার্থপর বলেছেন:
পড়লাম তবে চোখে পড়লো এতো ভালো লাগার মাঝে ৩টা মাইনাস!!!
লেখক বলেছেন: এরাই সম্ভবত: লেন্দুপ দর্জির উত্তরসূরী। সূতরাং সাবধান!
নুরুজ্জামান০৮ বলেছেন:
ধন্যবাদ।সরাসরি প্রিয়তে.
স্বাধীনতা পাওয়ার চাইতে সেটা রক্ষা করা কঠিন সেটা আমরা ভুলে গেছি।
অসংখ্য অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ লেখক কে।
বেঁচে থাকুন দীর্ঘকাল।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন:
অসাধারণ।প্রিয়তে রাখলাম।ভারত যে কোন ভাবেই আমদের সেটা মাথায় রাখতে হবে। বড় দেশগুলা ছোট দেশদেরকে সুযোগ পেলেই খামচে ধরে।
তািরকএকিবিড বলেছেন:
মিজান ভাই প্রথমেই আপনাকে এই পোষ্টের জন্য অভিনন্দন জানাই। আমার তো মনে হয় সিকিম এর ভিতরের এই কাহিনী অনেকেই জানতো না ...... আমি নিজেও তাদের একজন। অনেক রক্ত দিয়ে এই দেশটাকে স্বাধীন করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরো রক্ত দেওয়া হবে। আমরা আমাদের দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করবো্ই।
সেদিন আর বেশী দুরে নেই, যেদিন আমাদের দেশীয় ভারতীয় কুত্তাদের নর্দমার মধ্যে ফেলে দেওয়া হবে।
লেখক বলেছেন: সাহস পাইলাম রে ভাই। এই ইতিহাসটা সবাইকে কিভাবে জানান যায় বলুন তো?
তাহ্লীল আহেমদ চৌধুরী বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম।
জুমানজি১১ বলেছেন:
আমাদের দেশে দুটি বড় রাজনৈতিক জোট। এর মাঝে একটি কে বলা হয় পাকিদের দোসর, আরেকটি র বিরুদ্ধে ভারত প্রীতির গুরুতর অভিযোগ আছে। হায়রে বাঙ্গালি, আমাদের মত ভাগ্যবান জাতি আর কয়টি আছে বলুন, এরাই আবার আমাদের শাসক। আসলে আমরা ইতোমধ্যে পরাধীনতার স্বাদ পেয়ে গিয়েছি, শুধু খাতা কলমে স্বাধীন।
লেখক বলেছেন: মুক্তিযোদ্ধারা এখন কোথায়? তাহলে কি দেশটা স্বাধীন হয়েছিল অন্য কোন দেশের করতলগত হওয়ার জন্য?
আমি বাংলার গান গাই বলেছেন:
প্রয়োজনীয় ও সময়োচিত পোষ্ট। +
েপচাইললা বলেছেন:
প্রিয়তে।
সৌরদীপ্ত বলেছেন:
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানলাম । তবে আমার মনে হয় আমরা নিজেরা সজাগ থাকলে ভারতের পক্ষে এমন কিছু করা অসম্ভব ।দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে, কোন রাজনৈতিক দলের উপর নির্ভর করা হবে বোকামি ।
লেখক বলেছেন: দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে, কোন রাজনৈতিক দলের উপর নির্ভর করা হবে বোকামি ।
আই আনাম বলেছেন:
ভারতের দূরভিসন্ধি কখনই সফল হবে না এ বিশ্বাস রাখি। আমাদের সকলেরই এ বিষয়ে অত্যন্ত সজাগ থাকতে হবে। দেশের রাজনৈতিক অবস্থা বা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্তিতি যাই হোক না কেন নিজেদের ওপর আস্থা রাখতে হবে। এর ব্যতিক্রম হলেই ভারত গলা চেপে ধরবে। তবে এটাও সত্য বাংলাদেশিদের বোকা বানিয়ে দেশ কেড়ে নেয়া এত সোজা না। ইতিহাস সেরকমই বলে। এ জাতি কখনই পরাধীনতা ও অন্যায়-নির্যাতনকে মেনে নেয় নি, নেবেও না। একই সাথে আমি বাংলাদেশের সকল গোত্রের মানুষকে একটি জাতি হিসেবে বিবেচনা করি। পশ্চিম বঙ্গের লোকরা বাঙালি হলেও তাদেরকে নিজেদের মনে করাটা হবে মস্ত বড় ভুল।
েমাহাম্মদ িমজানুর রহমান বলেছেন:
আপনি ঠিকই বলেছেন। ধন্যবাদ
অ্যামাটার বলেছেন:
এই পোষ্টটা ৭৫ জনের শোকেসে!
লেখক বলেছেন: আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আমরা সজাগ আছি এটা তারই প্রমাণ
আমি আমার বলেছেন:
শুধু গোলামি না কিছু কুারবাচ্চা তো বইসাই আছে দাদাদের সাথে শোয়ার জন্য।নেপাল/ভুটানের সাথে বানিজ্য করার জন্য রাস্তা চায়। হাস্যকর
লেখক বলেছেন: সত্যিই
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন:
পাকিস্তান আমাদের জন্যে আক্ষরিক অর্থেই জুজু। বাংলাদেশের কোনো ক্ষতি করার সামর্থ্য তার নেই। আর ভারত হচ্ছে আমাদের জন্যে মূর্তিমান আতংক। আর ভারতের স্বার্থ উদ্ধারে (ভারত টু ভারত করিডোর, গ্যাস ও চিটাগয় পোর্ট ব্যবহার ইত্যাদি) তাদের এজেন্টরা এখন শীর্ষ পর্যায়ে সক্রিয় এদেশে। বুড়ো শকুনের থাবার তলে আজ আমাদের সোনার বাংলাদেশ।দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন ইস্যুতে এখনকার মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের মহান বানী শুনলে মনে হয় তারা একেকজন বাংলার "লেনদুপ" বা "মীরজাফর" হয়েই জন্ম নিয়েছেন।
+
লেখক বলেছেন: সত্যিই বলেছেন "এখনকার মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের মহান বানী শুনলে মনে হয় তারা একেকজন বাংলার "লেনদুপ" বা "মীরজাফর" হয়েই জন্ম নিয়েছেন।"
কিন্তু মিরজাফরদেরকে এমনিতেই ছেড়ে দেয়া যাবে না। সজাগ থাকুন।
লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন:
কি যে ভাল লেগেছে লেখাটা তা বুঝাতে পারবো না, অনেক অজানা তথ্য জানলাম। আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। প্রিয়তে রাখলাম
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। লিখতে থাকুন দেশ জাতি ও মানবতার স্বার্থে।
লালসালু বলেছেন:
হায়রে ভারত !! থু থু মারি তোদের মুখে
লেখক বলেছেন: শিয়ালের কাছে মুরগী বর্গা দিলে শিয়াল তো খাবেই। তাই আগেই সাবধান থাকতে হয়।
৫টা আঙ্গুল আলাদা থাকলে জোর পাওয়া যায় না। একজায়গায় আনলে তবে মুঠো তৈরী হয়, তবে জোর পাওয়া যায়। তখন বাইরের শক্তিকে উপেক্ষা করে উন্নয়ন করা যায়। এই কারনেই ই্য়োরোপিয়ান ইউনিয়ন হয়েছে। আফ্রিকাও ইউনিয়নের কথা ভারছে। আর আপনি উল্টো কথা ভাবছেন।
তবে আবার বলছি, সিকিম আর বাংলাদেশ এক হতে পারে না কখনই। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল। সিকিম সিন্ড্রোমের মতন কোনও ঘটনা এখানে ঘটবে বলে আমার মনে হয় না।
লেখক বলেছেন: আপনি বলেছেন: "৫টা আঙ্গুল আলাদা থাকলে জোর পাওয়া যায় না। একজায়গায় আনলে তবে মুঠো তৈরী হয়, তবে জোর পাওয়া যায়" তাহলে কি বাংলাদেশও ভারতের অংশ হয়ে যাওয়া উচিত?
আপনার পতাকা, জাতীয়তা, স্বাধীনতা, স্বাধিকার, পরিচয়, আত্ন পরিচয়ের কোন মূল্য নেই। আপনি কি বলতে চান, "সম্রাজ্যবাদ জিন্দাবাদ"?
৫টা আঙ্গুল আলাদা থাকলে জোর পাওয়া যায় না। একজায়গায় আনলে তবে মুঠো তৈরী হয়, তবে জোর পাওয়া যায়। তখন বাইরের শক্তিকে উপেক্ষা করে উন্নয়ন করা যায়। এই কারনেই ই্য়োরোপিয়ান ইউনিয়ন হয়েছে। আফ্রিকাও ইউনিয়নের কথা ভারছে। আর আপনি উল্টো কথা ভাবছেন।
তবে আবার বলছি, সিকিম আর বাংলাদেশ এক হতে পারে না কখনই। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল। সিকিম সিন্ড্রোমের মতন কোনও ঘটনা এখানে ঘটবে বলে আমার মনে হয় না।
অগ্নি যোদ্ধা বলেছেন:
পোষ্ট প্রিয়তে রাখলাম।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















