যেমন করে জন্ম হয় সত্য
যে শিশুটিকে গলা টিপে হত্যা করেছি
তুমি আর আমি,
মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য পুড়িয়ে ছাই
করেছি তার দেহ।
আরও কিছু যাতে না ঘটে সেই ভয়ে
কিছুটা ছাই ভাসিয়ে দিয়েছি সমুদ্রে
কিছুটা উড়িয়ে দিয়েছি ঝড়ো বাতাসে
আর কিছুটা চাপা দিয়েছি অন্ধকারে।
শিশুটি এখন আমাদের ভেতরে আবাস
গেড়েছে, বাস করতে করতে জমাট বেধে
উঠেছে তার অস্তিত্ব, আমাদের ভেতরের
রক্তই একটু একটু করে গাড়-ঘন করে
তুলেছে সর্বাঙ্গ।
আমাদের শরীর চিরে কোনও এক
অমাবশ্যার রাতে এক আকাশ আলো নিয়ে
জন্ম হল তার।
এভাবেই জন্ম হল আরও একটি সত্যের
আমরা যার মৃত্যু নিশ্চিত করেছিলাম
সর্বান্তকরণে।
২০.৫.১১
অসমাপ্ত অপেক্ষা
আমি সেদিন অপেক্ষা করতে করতে
ফিরে এসেছিলাম - একটি গনগনে বিকেল,
ফুটন্ত দুপুর, আরও পরিষ্কার করে বললে
আস্ত একটি দিনই তোমার অপেক্ষাতেই
কাটিয়ে দিলাম।
দক্ষিণ শালিকের মাঠে, পূবের হাওয়া
এসে যেখানে কুণ্ডুলি পাকিয়ে নেচে নেচে
যায়। কুয়াশা হুড়মুড় খেয়ে পড়ে, কে যেন
পাশ থেকে বলে যায়, বৃষ্টি এলো রে...
আমি আর কুয়াশা মিটমিটিয়ে হাসি
হাসির কিছুটা রেশ ছড়িয়ে পড়ে ধানের
কচি ডগায় আর দূর্বার হেংলা দেহে।
আমি জানতাম তুমি আসবে না
তোমার আর আসবার আর জো নেই
সংসারের চাপে।
আগের বার এসেছিলাম শহরের টুকটুকে-টসটসে
এক ললনাকে নিয়ে, পথ চিনিয়ে চিনিয়ে।
আমি ভুলেই গিয়েছিলাম ওর সাথে পিৎজা
হার্টস-এর সম্পর্ক, সখ্যতা বসুন্ধরার ডেমিগুলোর সাথে।
ফাঁকা আকাশের নিচে নির্ভেজাল সবুজে বড্ড ফ্যাঁকাসে
দেখায় ওকে।
সেদিনও ফিরে এসেছিলাম অপেক্ষা
অসমাপ্ত রেখে।
২০.৫.১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

