আমার প্রিয় পোস্ট
- উইন্ডোজ থেকে লিনাক্স পার্টিশনের ফাইলসমূহ একসেস করা... - ত্রিভুজ
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ - এস. এম. মেহেদী আকরাম
- ইনষ্টল করা ড্রাইভার ব্যাকআপ ও রিষ্টোর করা - এস. এম. মেহেদী আকরাম
- রান্নার কিছু প্রয়োজনীয় টুকিটাকি তথ্য - কানিজ আনিছা পিয়া
- হার্ডডিস্কের ড্রাইভ লুকিয়ে রাখুন - মেহেদী হাসান নাসিম
- মোবাইলে বাংলা ফন্ট (নোকিয়া-সিম্বিয়ান) - ফেরদৌস ৬৯
- ডিভি - ২০০৯ এর বাংলা নির্দেশনা (সাময়িক পোস্ট) - আদনান শামীম
- সিদ্দিকা কবীরের বই চাই - বাতি
- বাংলা যুক্তবর্ণের তালিকা (পুন: পোস্ট) - ত্রিভুজ
- বাংলা ভাইয়ের সাক্ষাৎকারটা পাইলাম,আজীব কাজ কারবার।মাথা ঘুর ঘুর করতাছে - না বলা কথা
- ত্রিপলীর ইহুদীরা - ফয়সাল খালিদ
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- একজন প্রিয়রঞ্জন দাস মুনশি চাই - ওয়ামি
- ল্যান বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN)-২ - মানচুমাহারা
- ইসলামে নারীদের অমর্যাদার মিথ্যে অভিযোগটি অনেক ব্লগাররা করেন উদ্দ্যশ্যমুলকভাবে - মাহিরাহি
দেশকে কিভাবে দূর্নীতি মুক্ত করবেন ?
২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৪২
অবৈধভাবে আয়কে দূর্নীতি বলি । বৈধ আয় কিন্তু আয়কর দিলেন না, সেটাও দূর্নীতি । অবশ্য সেটার আর একটা নাম আছে, তা হলো কালো টাকা । নামি-দামি অনেককে দেখিছি কালো টাকাকে সাদা করতে ।
কমবেশী পৃথিবীর সবদেশে দূর্নীতি হয় । তা নির্ভর করে সুযোগের উপর । অনেক দেশ আছে, যাদের নিজের দেশে দূর্নীতি খুবই কম । কিন্তু অন্যদেশ থেকে দূর্নীতি করে আনেন, তা হলে অসুবিধা নাই ।
আমাদের দেশের কথাই বলি । দূর্নীতি কারা করে বা কারা দূর্নীতিবাজ ? অল্পকিছু সংখ্যক বাদে আমরা সবাই দূর্নীতিবাজ নই । চাকুরিজীবি (বিভিন্ন পেশার), ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ এই অল্পকিছু সংখ্যক মধ্যে পড়ে । এই অল্পকিছু সংখ্যক আমরা নিজেদেরকে দূর্নীতিবাজ ভাবি না । নিজের দলকে, নিজের ব্যবসাকে, নিজের পেশাকেও দূর্নীতিবাজমুক্ত মনে করি । অথচ একে অন্যের দূর্নীতি নিয়ে হাসি-তামশা করে , টিভি চ্যানেলে বা পত্রিকায় বা মিটিংয়ে কথার ঝড় তুলে । এই হলো আমাদের দূর্নীতিবাজদের চরিত্র ।
আমাদের দেশ দরিদ্র । দরিদ্র জনসংখ্যা দিন দিন বাড়ছে । আমরা শিক্ষা-দিক্ষায় অনেক অনেক পিছিয়ে আছি । এমতাবস্থায় দূর্নীতি মুক্ত হওয়া উচিত নয় কি ? আমাদের এমন পথ বের করা উচিত, যে পথে চললে আমরা দূর্নীতি মুক্ত হয়ে যাবো । এই পথ সেই পথ নয় যে পথে বর্তমান সরকার চলেছে । ধর-পাকড় করে নয়, বরং সামাজিক বিপ্লবের মাধ্যমে ও অন্যান্য পদ্ধতির মাধ্যমে এই পরিবর্তন আনা উচিত ।
যেমন :
-যিনি ধর্ম বিশ্বাস করেন, তাকে ধর্মীয় আলোচনার মাধ্যমে পরিবর্তন আনতে পারে ।
-করের রেট অনেক কমিয়ে দিয়ে আরো অনেককে করের আওতায় নিয়ে আসা ।
-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে কঠিন মনিটরিং করা ।
-কর অফিসের লোকজনকে দূর্নীতি মুক্ত ও trained করা ।
-ছেলে-মেয়েদের তার অভিভাবকের আয়ের উৎস জানা । ইত্যাদি ইত্যাদি ...
সম্মানিত ব্লগার ভাইরা আপনারা add করতে পারেন ।
হাসান বিপুল বলেছেন:
দুর্নীতি কেবল টাকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয় কিন্তু।
শফিকুল ইসলাম সাজিদ বলেছেন:
শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে। নীতি-নৈতিকতার ভিত্তিতে শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে। সেকুলারিজম কে শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বিতাড়িত করতে হবে। ভোগবাদী বস্তুবাদী চিন্তা পরিহার করা অপরিহার্য। আর এ জন্য ইসলামের কোন বিকল্প নেই। যতই ইসলাম বিরোধী বাম রামরা চিৎকার করুক না কেন.....
রাঙা মীয়া বলেছেন:
নৈতিক অবক্ষয় রোধ না হলেও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ছাড়া দুর্নীতি নিয়ন্ত্রন সম্ভব নয়।পৃথিবীর কোন দেশ অথবা জাতি পুরোপুরি দুর্নীতিমুক্ত নয়।
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
মাত্রাতিরিক্ত ভোগবাদিতাই সকল দুর্ণীতির উৎস। মানুষ যদি তার বৈধ আয়ে সন্তুস্ট হতে না পারে, অর্থউপার্জন এবং ভোগ করাই যদি মানুষের জীবনের লক্ষ হয় - তাহলে শত চেস্টা করেও দুর্নিতি দুর করা সম্ভব নয়। কারণ যে আইন তৈরী করে এবং প্রয়োগ করে সেও যেমন মানুষ তেমনি যে আইন ভাঙ্গার চেস্টা করে সেও মানুষ - কেউ কার চেয়ে কম নয়। আপনি যত কঠিন আইন তৈরী করুন না কেন অন্য কেউ আন্তরিক/প্রানান্তকর ভাবে চেস্টা করলে তার ফাক-ফোকর অবশ্বই বের করতে পারবে। তাই ভোগবাদিতার পরিবর্তে পরকালীন জবাবদিহিতার অণুভুতি জাগ্রত করতে হবে যাতে মানুষ আইন ভাঙ্গার চেস্টাই না করে। আর পরকালীন জবাবদিহিতার অনুভুতিই পারে মানুষকে সকল অন্যায় অপকর্ম দুর্নিতী থেকে মুক্ত রাখতে।


















