আমার প্রিয় পোস্ট

দেশকে কিভাবে দূর্নীতি মুক্ত করবেন ?

২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৪২

শেয়ার করুন:                   Facebook

অবৈধভাবে আয়কে দূর্নীতি বলি । বৈধ আয় কিন্তু আয়কর দিলেন না, সেটাও দূর্নীতি । অবশ্য সেটার আর একটা নাম আছে, তা হলো কালো টাকা । নামি-দামি অনেককে দেখিছি কালো টাকাকে সাদা করতে ।

কমবেশী পৃথিবীর সবদেশে দূর্নীতি হয় । তা নির্ভর করে সুযোগের উপর । অনেক দেশ আছে, যাদের নিজের দেশে দূর্নীতি খুবই কম । কিন্তু অন্যদেশ থেকে দূর্নীতি করে আনেন, তা হলে অসুবিধা নাই ।

আমাদের দেশের কথাই বলি । দূর্নীতি কারা করে বা কারা দূর্নীতিবাজ ? অল্পকিছু সংখ্যক বাদে আমরা সবাই দূর্নীতিবাজ নই । চাকুরিজীবি (বিভিন্ন পেশার), ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ এই অল্পকিছু সংখ্যক মধ্যে পড়ে । এই অল্পকিছু সংখ্যক আমরা নিজেদেরকে দূর্নীতিবাজ ভাবি না । নিজের দলকে, নিজের ব্যবসাকে, নিজের পেশাকেও দূর্নীতিবাজমুক্ত মনে করি । অথচ একে অন্যের দূর্নীতি নিয়ে হাসি-তামশা করে , টিভি চ্যানেলে বা পত্রিকায় বা মিটিংয়ে কথার ঝড় তুলে । এই হলো আমাদের দূর্নীতিবাজদের চরিত্র ।

আমাদের দেশ দরিদ্র । দরিদ্র জনসংখ্যা দিন দিন বাড়ছে । আমরা শিক্ষা-দিক্ষায় অনেক অনেক পিছিয়ে আছি । এমতাবস্থায় দূর্নীতি মুক্ত হওয়া উচিত নয় কি ? আমাদের এমন পথ বের করা উচিত, যে পথে চললে আমরা দূর্নীতি মুক্ত হয়ে যাবো । এই পথ সেই পথ নয় যে পথে বর্তমান সরকার চলেছে । ধর-পাকড় করে নয়, বরং সামাজিক বিপ্লবের মাধ্যমে ও অন্যান্য পদ্ধতির মাধ্যমে এই পরিবর্তন আনা উচিত ।
যেমন :
-যিনি ধর্ম বিশ্বাস করেন, তাকে ধর্মীয় আলোচনার মাধ্যমে পরিবর্তন আনতে পারে ।
-করের রেট অনেক কমিয়ে দিয়ে আরো অনেককে করের আওতায় নিয়ে আসা ।
-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে কঠিন মনিটরিং করা ।
-কর অফিসের লোকজনকে দূর্নীতি মুক্ত ও trained করা ।
-ছেলে-মেয়েদের তার অভিভাবকের আয়ের উৎস জানা । ইত্যাদি ইত্যাদি ...

সম্মানিত ব্লগার ভাইরা আপনারা add করতে পারেন ।

 

 

  • ৫ টি মন্তব্য
  • ৮৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:০০
comment by: হাসান বিপুল বলেছেন: দুর্নীতি কেবল টাকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয় কিন্তু।
২. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:১০
comment by: শফিকুল ইসলাম সাজিদ বলেছেন: শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে। নীতি-নৈতিকতার ভিত্তিতে শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে। সেকুলারিজম কে শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বিতাড়িত করতে হবে। ভোগবাদী বস্তুবাদী চিন্তা পরিহার করা অপরিহার্য। আর এ জন্য ইসলামের কোন বিকল্প নেই। যতই ইসলাম বিরোধী বাম রামরা চিৎকার করুক না কেন.....
৩. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০৪
comment by: মো: খায়রুল বাসার বলেছেন: ধন্যবাদ ।
৪. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৪
comment by: রাঙা মীয়া বলেছেন: নৈতিক অবক্ষয় রোধ না হলেও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ছাড়া দুর্নীতি নিয়ন্ত্রন সম্ভব নয়।পৃথিবীর কোন দেশ অথবা জাতি পুরোপুরি দুর্নীতিমুক্ত নয়।
৫. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৯
comment by: কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: মাত্রাতিরিক্ত ভোগবাদিতাই সকল দুর্ণীতির উৎস। মানুষ যদি তার বৈধ আয়ে সন্তুস্ট হতে না পারে, অর্থউপার্জন এবং ভোগ করাই যদি মানুষের জীবনের লক্ষ হয় - তাহলে শত চেস্টা করেও দুর্নিতি দুর করা সম্ভব নয়। কারণ যে আইন তৈরী করে এবং প্রয়োগ করে সেও যেমন মানুষ তেমনি যে আইন ভাঙ্গার চেস্টা করে সেও মানুষ - কেউ কার চেয়ে কম নয়। আপনি যত কঠিন আইন তৈরী করুন না কেন অন্য কেউ আন্তরিক/প্রানান্তকর ভাবে চেস্টা করলে তার ফাক-ফোকর অবশ্বই বের করতে পারবে। তাই ভোগবাদিতার পরিবর্তে পরকালীন জবাবদিহিতার অণুভুতি জাগ্রত করতে হবে যাতে মানুষ আইন ভাঙ্গার চেস্টাই না করে। আর পরকালীন জবাবদিহিতার অনুভুতিই পারে মানুষকে সকল অন্যায় অপকর্ম দুর্নিতী থেকে মুক্ত রাখতে।

 



 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৫১৬৭