রাজাকার রা এখনও বলে এটা ছিল ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ
এই যুদ্ধ টা তো সুধু দুটি দেশের মধ্যে যেভাবে যুদ্ধ হয় সেই প্রচলিত যুদ্ধের মত ছিলনা,
মিত্র (ভারতিয়) বাহিনীর সাথে পাক বাহিনী মুখোমুখি অবস্থানে ছিল ৮-৯ দিনের মত যুদ্ধেও তেমন কোন যুদ্ধাপরাধ হয় নাই, এমনকি মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে সম্মুখ সমরেও তেমন উল্লেখযোগ্য কোন যুদ্ধাপরাধ হয় নাই,
যুদ্ধটা ছিল একতরফা গনহত্যা। দখলদার পাকিস্তানের নিয়মিত বাহিনী দিয়ে একটা জাতি কে আংশিক ভাবে নিশ্চিন্ন করে ফেলা। যাতে তাদের তাবেদার দের দিয়ে সান্তিতে দেশ শাসন করা যায়। দালাল-রাজাকার রা গ্রাম গুলি চিনিয়ে দিচ্ছিল যে সব বাড়ী থেকে যুবক রা অনুপস্থিত মানে মুক্তিযুদ্ধে, বিহারি রা চিনিয়ে দিচ্ছিল হিন্দু অদ্ধসিত গ্রাম, গনহত্যা চলছিল সমানে।
তাদের মনস্তত্ত বোঝা যায় গনহত্যার criteria দেখে। যেমন
১ - বুদ্ধিজিবি, বাঙ্গালি সংস্কৃতিমনা শিক্ষিত অংশ, সবচে বড় সত্রু
২ - হিন্দু ধর্মাবলম্বি সবাই (বোদ্ধ রাও রেহাই পাই নাই হিন্দু ভেবে)
৩ - Urban দুস্থ বস্তিবাসি-ফুটপাতে ঘুমানো হতদরিদ্র লোকজন (সমাজের বোঝা?)
৪ - তরুন সমাজের প্রায় সবাই। গ্রামবাসি তরুন, Student (মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিতে পারে) এদের সবাই কে নিশ্চিন্ন করে ফেলার ভয়াবহ Tusk সুপরিকল্পিত ভাবেই চলছিল ।
কিন্তু 1st week of December যখন পরাজয় অবধারিত হয়ে যায় তখন পাক বাহিনীর একটি স্থানীয় armed radical political wing যারা গনহত্যার পরিকল্পনাকারি দের সাথে একসাথে কাজ করছিল সুরু থেকেই, আল বদর। তারা উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন এবং নিতি নির্ধারন পযায়ে ছিল। যুদ্ধের শেষ দিকে স্বরুপে ফিরে না আসা পযর্ন্ত আলবদর নাম টি অনেকের কাছে এমন কি মার্কিন গোয়েন্দা দের কাছেও অজানা ছিল। পরাজয় নিশ্চিত এটা তারা উপলব্ধি করে মোটা বুদ্ধির পাকি জেনারেল দের অনেক আগেই। এর পর মরিয়া হয়ে অসমাপ্ত কাজ দ্রুত সমাপ্ত করার চেষ্টা করে, নিজেরাই অস্ত্র হাতে নিয়ে তালিকা অনুযায়ি বেপরোয়া গনহত্যা চালায়। ১৬ই ডিসেম্বর সকাল পযর্ন্ত চলতে থাকে এই মরিয়া নরপশু দের তান্ডব।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



