ধর্মপ্রাণ হাজীদের হজের টাকায় মচ্ছব করা 'মাগীবাজ' সৌদি রাজদের ধিক্কার। সৌদি রাজতন্ত্র ধ্বংশ হোক!
হজ দুর্ঘটনার পরের দিনের খবর, লসএঞ্জেলসে একজন অনিচ্ছুক নারীকর্মিকে ধর্ষন করতে গিয়ে ধরা খেয়ে একজন সৌদি যুবরাজ জরিমান দিয়েছেন ৩ লক্ষ ডলার । এর আগে মডেল কিম কার্দাশিয়ানের সুধু পাছা দেখার বিনিময়ে একজন সৌদি যুবরাজ এক রাতে খরচ করেছেন ১০ লক্ষ ডলার।
প্রতি হজ মৌসুমে হজ ফি ও ওমরা ফি থেকে প্রতি বছর আয় হয় ৮ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার।
তেলব্যাবসা ৩ বছর জাবত মন্দা। তাই এইসব লুলামি করার অধিকাংশ ডলারই হাজিদের হজ ফি এর টাকা।
লুলামি ছাড়াও এদের অপচয়ের মাত্রা ভয়াবহ। ফ্রান্স সফরে সৌদি প্রিন্সের জন্য একটি বিচ সহ গোটা পর্যটন এরিয়াকেই খালি করতে হয় ।সৌদি বাদশার জন্য একটা গোটা হোটেলই ভাড়া করা লাগে । গিফট করে সোনায় মোড়ানো টয়লেট। বিশ্বের বড় বড় জুয়ার ক্যাসিনোতে এদের প্রায়ই দেখা যায়। লাসভেগাসের জুয়ার আড্ডায় এজাবত সবচেয়ে বড়, মিলিয়ন ডলারের বাজি হেরে বিশ্ব রেকর্ড এক সৌদি প্রিন্সের ই।
দান এরা করে বটে বেশিরভাগই জামাতি ফান্ডে, জঙ্গি ফান্ডে, আর মসজিদ তৈরিতে। (এই .. মসজিদ আমরাই বানাতে পারি দশটা)
নাগরিকদের বাসস্থানেও বৈধ লুলামি করার নিমিত্তে গৃহকর্মিদের জন্য প্রচলিত শ্রমআইন প্রযজ্য নয় বলে। বলে কর্মি নয়, পরিবারের সদস্য!
এরা বিদেশী ভিজিটর, পর্যটক, কর্মিদের সাথে এরা কখনই ভাল ব্যাবহার করেনা। ব্যাতিক্রম আমেরিকান।
নারীদের মানুষই মনে করে না। নারী শিক্ষা চায় না, সব আরব দেশে নারীদের গাড়ী চালানোর অধিকার থাকলেও কোন সৌদি নারী নিজ দেশে ড্রাইভিং করতে পারে না, লাইসেন্স নিষেধ, একক চলাচল নিষিদ্ধ।
সুধু জীবিত মানুষ না, মৃতরাও এদের কাছে পর্যাপ্ত সম্মান পায় না। এবার হজ দুর্ঘটনায় মৃত হাজীদের যেভাবে নিক্ষেপ করে স্তুপ করে ফেলে রাখে, লাশের সাথে মোবাইল, আইডি কার্ড, টাকা-পয়শা, লাশের সাথে মিলিয়ে লিপিবদ্ধ করে নি। বরং বর্জ্য অপসারনের এক্সাভেটর দিয়ে লাশের স্তুপ ট্রাকে লোড করে বর্বরতার নজির শৃষ্টি করেছে।
ধিক্কার। সৌদি রাজতন্ত্রকে।
ধিক্কার এদের সমর্থকদের। বর্বর সৌদি রাজতন্ত্র ধ্বংশ হোক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


