somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ওরা অপরাধ স্বীকার করে প্রাণভিক্ষা চেয়েছেন। নিশ্চিত।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ওরা অপরাধ স্বীকার করে প্রাণভিক্ষা চেয়েছেন। সত্য।
এখন সবই পরিষ্কার হয়ে আসছে।
তা না হলে পরিবারকে আবার দেখা করতে দেয়া হত না। পোলা কে জিজ্ঞেস করতে দিত না "আব্বা! এইটা কি করলা"?

যে ফরমে দরখাস্তটা তাঁরা করেছেন, সেটা হচ্ছে সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদে মহামান্য রাষ্ট্রপতির ক্ষমা করার যে ক্ষমতা, সেজন্যই আবেদন। সেই ফরমেটেই "দোষ স্বীকার করিয়াছি" এটা এডমিট করে স্বাক্ষর করেই বাকি লেখা লিখতে হয়, বাকি লেখাতে হয়ত ছিল বিচার বাতিল করে নতুন করে বিচার করার আবেদন .. ... ইত্যাদি বাল ছাল, এব্যাপারে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা প্রয়োগ করার জন্য তাঁরা আবেদন করেছেন। এটাই হয়েছে।
ম্যাজিষ্ট্রেটদ্বয় হয়তো একটু কৌশলের আশ্রয় নিয়ে মুচলেকাটি নিয়েছেন। সময়েই সব জানা যাবে।

সর্বশেষ খবর - এই প্রানভিক্ষা নাকচ করা হল, রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর সহ দরখাস্ত কারাগারে ফিরে এসেছে,। আইজি প্রিজন ও উপস্থিত ম্যাজিষ্ট্রেট এটা নিজ চোখে না দেখলে এদেরকে ঝোলানো যাচ্ছিলনা। সবার বোঝা উচিত এসব জালিয়াতি হয় না।

তার পরিবারের সদস্যরা প্রেসকনফারেন্স করে বড় বড় কথা বলছে। বলে বাবা প্রানভিক্ষা চাইতেই পারেন না।
অতচ সাকা-মোজাহেদের সাথে দেখা করে তার আগের দিন বলেছিল -
"তার পিতা প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি চাইবেন না সেটা আইনজীবির সাথে কথা বলেই সিদ্ধান্ত জানাবেন"
আইনজীবি নিয়ে বিকেল পর্যন্ত জেলগেটে ঘোরাঘুরি করেছে হুকা
তারা তো তখন একবারও বলেনি 'প্রাণভিক্ষা চাওয়ার প্রশ্নই আসে না'। "প্রাণভিক্ষা চাওয়া হবে না"।
বরং মোজাহিদের স্ত্রী বলেছিলেন, আমাদের পিটিশন দেয়ার আগেই রাষ্ট্রপতির স্বপ্রনদিত ভাবে দন্ডমৌকুফ করতে পারেন।
তার মানে পিটিশন দেয়া বা না দেয়ার একটা সিদ্ধান্থীনতা ছিল।
"প্রাণভিক্ষা চাওয়ার প্রশ্নই আসে না'। প্রাণভিক্ষা কখনোই চাওয়া হবে না" এটা তখনি বলা হলে এসব বিতর্ক এখন হয় না।
আজ ফাসির দিনে এসব নিয়ে কিছু একটা পাকিয়ে তুলতে চাইছে। আর্টিকেল 49 এ দরখস্ত অর্থই হচ্ছে দোষ স্বীকার করে প্রেসিডেনশিয়াল পার্ডনের আবেদন।
নথি এখনো সংরক্ষিত আছে। সাকা ইংরেজিতে লিখেছে (কারন সে আগেই ঘোষনা দিয়েছিল বাংলা তার মাতৃভাষা না)
৬ফুট ২ইঞ্চি লম্বা বেকুব শাকার সই সহ দরখাস্তটি দেখিয়ে কৌশলে মোজাহিদের কাছ থেকে একই ফরমেটে দরখাস্ত আদায় করা হয়।
মোজাহিদ বাংলায়ই লিখেছেন। এটা ১০০% রিজেক্ট হবেই নিশ্চিত জেনেই করেছেন। সুধু অনেকগুলো টেবিল ঘুরে দেরি হয়ে দুএক দিন সময় হাতে পাবে ভেবেছিল ওরা। নিরুপায় মৃত্যুপথযাত্রী ফাসি দুএকদিন ডিলে করতে খড়-কুটো যা পায় যেকোন পদ্ধতি অবলম্বন করবে (কারন মিলিয়ন ডলার মুল্যে লবিষ্টরা বলেছিল এবার ওবামাকে দিয়ে ফোন করাবে হাসিনাকে, থামাবে। আসলে াল ফেলেছে। মার্কিন ষ্টেট ডিপার্টমেন্ট ফাসির নিন্দা করে মামুলি বিবৃতি দিয়ে দায় সেরেছে)

এরা বলে, জামাত একমাত্র আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কাছে কখনো মাফ চায়না,
এসব বলে ব্লগ সয়লাব করে ফেলছে।
কিন্তু দুবছর আগে এক হরতালে এয়ারপোর্ট রোডে আম্রিকান এম্বেসির গাড়ীতে ঢিলমেরে ফেসে গেছিল জামাত।
এরপর ক্ষতিপুরন দিয়ে কাফের মুসরিকদের কাছে মাফ চাইতে চাইতে রাস্তায় গড়াগড়ি খাইতে সবাই কি দেখে নাই?
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:০৯
২৭টি মন্তব্য ২২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×