টিপাইমুখ এলাকার আকাশে যখন তারা পৌঁছুলেন চারদিকে বৃষ্টি আর কুয়াশা আর ভয়। আর অমাবশ্যার ভূতের মত অন্ধকার। ভয়ে আওয়ামীলীগের হাপিশ হয়ে যাওয়া নেতা আব্দুর রাজ্জাকের হাত-পা, তারপর জাপার মরা লাশ রুহুল আমিন হাওলাদারের হাত-পা, তারপর একে একে সকলের হাত-পা-।.. কি যে হয়েছিল, তা রুহুল আমিন হাওলাদার মনে করতে গেলেও শিউরে উঠেন। গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠে। সেই কথা মনে পড়লে তাহাদের ঘুমের ভিত্রেই প্রাকৃতিক কাজ সারা হয়ে যায়। অবশেষে সক্কলে জান নিয়ে ঐ জায়গা থিকা পলায়ন করিলেন। এবং এক রোমহর্ষক পিকনিক অভিজান থিকা জান বাঁচিয়ে ফিরলেন তাহারা। (এটিএনবাংলার বিশেষ ফুটেজ দেখেছেন?)
জাপা নেতা রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ভারতের বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার তাদেরকে পর পর দুই দিন ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সেই ভৌতিক এলাকায় নিয়ে যায়। তারা ব্যাপক বুদ্ধি করে খারাপ আবহাওয়ার কারণ দেখিয়ে জান হারানোর ভয়ে সেই দুর্গম ওই পাহাড়ি এলাকায় অবতরণ করেননি। তিনি বলেন, বিবিসি'র একজন সাংবাদিক তার তোলা সেই ভৌতিক প্রকল্পের কিছু আধিভৌতিক ছবি সফরকারী প্রতিনিধিদলকে দেখিয়েছেন। " ওই ছবিতে একটি অদৃশ্য ভয়ধরানো পাথরের ভিত্তি প্রস্তর ও টিনের নিরিহ ঘর ছাড়া আর কোনো স্থাপনার বাস্তব অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি", বলেন তিনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থ বিরোধী এমন কিছুই ভারত করবে না। "আমরা তাদের আশ্বাসে অ্যাবসলিউটলি আশ্বস্ত", বলেন প্রতিনিধি দলের প্রধান রাজ্জাক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



