somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তৌফিক এলাহী চৌধুরী ও ভানুর কৌতুক

২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভানুর সেই বিখ্যাত কৌতুকটি অনেকেই শুনেছেন। ভানু যখন "প্রত্যেক" উচ্চারণ করতে গিয়ে বলে "পেত্যেক" তখন তার ভুল শুধরিয়ে দেয়া হল। বলা হল প-এ র-ফলা দিয়ে উচ্চারণ করতে হবে। তারপর থেকে ভানু সব শব্দ র-ফলা যুক্ত করে উচ্চারণ করতে লাগল। তাকে বলা হল সব শব্দের সাথেই র-ফলা দেয়ার দরকার নেই, কেবল যেখানে দরকার সেখানে দিলেই চলেবে। কিন্তু ভানুর এক কথা-
"না। দ্রিমু য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রব ট্রাত্রেই দ্রিমু।"
আচ্ছা ভানু যদি আমাদের তৌফিক এলাহী চৌধুরী হইতেন তাহলে তিনি কী কইতেন বইলা আপনাদের মনে হয়?
আমার মনে হয় তিনি কইতেন- "টাইম আগাইয়া দ্রিছ্রি য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রব ট্রাত্রেই দ্রিমু। গ্রমক্রালেও দ্রিমু, শ্রীতক্রালেও দ্রিমু।"
একেবারে নচ্ছার গোঁয়ার আরকি। ভানুর কৌতুকটি কেবল কৌতুক নয় ওতে মানুষের অহংকার যখন ফুসে ওঠে, মানুষ যখন নিজের ভুল সহজ-স্বাভাবিকতায় স্বীকার করার মত মহত্ব দেখাতে পারে না। তখন কেমন গোয়ারের মত হাস্যকর আচরণ করে তা-ই দেখানো হয়েছে। র-ফলার সঠিক ব্যবহার ভানু জানত না, কেউ তাকে ভুলটি ধরিয়ে দেবার পর সে বুঝতে পারে যে তার ভুল হচ্ছে কিন্তু সে ভুল স্বীকার করার মত নৈতিক সাহস তার নেই। তাই সে অহংকারে মরিয়া হয়ে গোঁয়ার এক নচ্ছার হয়ে ওঠে। আমাদের বিদুৎ বিভাগের মাথামুরুব্বীরা ভানুর কৌতুক থেকে কী শিক্ষা নেন তা-ই দেখার অপেক্ষায় আছি।
আমার তো মনে হয় বর্তমান সময় না পিছানোর যুক্তিসংগত কোনো কারণ অপেক্ষা নিচের কারণগুলিই বেশী গুরুত্ব পাচ্ছে সরকারের কাছে-
১। টাইম আগাইয়া দেওনে প্রতক্ষ্যগোচর কোনো লাভের হিসাব সরকার জনগণকে দেখাইতে/বুঝাইতে পারে নাই। এ অবস্থায় টাইম পিছাইয়া দিলে তা হইবো একধরনের নীতিগত পরাজয়। তাই "লাভ হইতাছে, লাভ হইবো" বইলা টাইম না পিছানোর গোঁ ধরছে। অনেকটা সেই "দ্রিমু য্রখ্রণ ত্রখ্রন স্রব ট্রাত্রেই দ্রিমু"- আরকি।

২। আর কিছু সেভিং যদি হইয়াও থাকে সেই অতিরিক্ত বিদুৎ দিয়া এলিট লোকজন গরমকালে সু্টকোট গায়ে চাপাইয়া সারাদিনমান এসি চালাইতে পারব আর শীতকালে রুম গরম রাখতে পারব। সামান্য এই দানে এলিটরা তো সরকারের উপর দিলখুশ থাকবো।

৩। সরকারের ক্ষমতা এখনও ৪ বছর চলতে হইব। বছরে দু্ইবার টাইম আগানো আর পিছানো কইরা বি,এন,পি কে বছরে দুইবার একটা আন্দোলন করার মত ইসু হাতে তুলে দেওয়ার কোনো মানে হয় না। তার চেয়ে "এক ইসু একবার দিছি, আর দিমুনা"- এই নীতিই ভাল।
৬টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×