আমার প্রিয় পোস্ট

শ্রী শ্রী অনুকূল চন্দ্র ঠাকুরের যুগান্তকারী বাণী ..... ১

২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১২

শেয়ারঃ
0 0 0

সর্বপ্রথম আমাদের দুর্ব্বলতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে- সাহসী হতে হবে, বীর হতে হবে। পাপের জ্বলন্ত প্রতিমূুর্তি ঐ দুব্বলতা। তাড়াও যত শীঘ্র পার, ঐ রক্তশোষণকারী অবসাদ-উৎপাদক ভ্যাম্পায়ারকে। স্মরণ কর তুমি সাহসী, স্মরণ করর তুমি শক্তির তনয়, স্মরণ কর তুমি পরমপিতার সন্তান, -আগে সাহসী হও, অকপট হও, তবে জানা যাবে তোমার ধর্ম্মরাজ্যে ঢোকবার অধিকার জন্মেছে।
হ’টে যাওয়া বরং দুর্ব্বলতা নয়কো, তুমি কোনোকিছু করতে প্রাণপণ চেষ্টা করা সত্বেও যদি বিফলমনোরথ হও- ক্ষতি নাই, তুিম চেষ্টা ছেড়ো না, ঐ অম্লান চেষ্টাই তোমাকে মুক্তির দিকে নিয়ে যাবে। যে পরিমাণে দুঃখের কারণে মন সংলগ্ন হয়ে অভিভূত হবে, সেই পরমাণে হৃদয়ে ভয় আসবে ও দুর্ব্বলতাগ্রস্ত হয়ে পড়বে। যদি রক্ষা পেতে চাও, ভয় আর দুর্ব্বলতা বলে কিছু রেখো না, সৎচিন্তা ও সৎকর্ম্মে ডুবে থাক।
দুর্ব্বল মন চিরকালই সন্দিগ্ধ- তারা কখনই নির্ভর করতে পারে না, তাই প্রায়ই রুগ্ন কুটিল ইন্দ্রিয়পরবশ হয়। তাদের নিকট সারাটা জীবন জ্বালাময়। শেষে অশান্তিতে সুখদুঃখ ডুবে যায়। কি সুখ, কি দুঃখ বলতে পারে না, জিজ্ঞেস করলে হয়তো বলে, “বেশ” –তা-ও অশান্তি! অবসাদে জীবন ক্ষয় হয়ে যায়।
দুর্ব্বল হৃদয়ে প্রেমভক্তির কোনো স্থান নেই। পরের দুর্দ্দশা, ব্যাথা দেখে পরের মৃত্যু দেখে নিজের দুর্দ্দশা বা মৃত্যুর আশঙ্কা করে ভেঙ্গে পড়া এলিয়ে পড়া বা কেঁদে আকুল হওয়া- ওসব দুর্ব্বলাত।
যারা শক্তিমান তারা যা-ই করুক, তাদের নজর নিরাকরণের দেিক- যাতে ও-সব অবস্তায় আর না কেউ বিধ্বস্ত হয় প্রেমের সহিত তারই উপায় চিন্তা করা, - বুদ্ধদেবের যা হয়েছিল- ঐ হচ্ছে সবল হৃদয়ের দৃষ্টান্ত।
তুমি বলো না তুমি ভীরু, বলো না তুমি কারুরুষ, বলো না তুমি দুরাশয়! পিতার দিকে নজর কর, আবগভরে বল- “ওগো, আমি তোমার সন্তান, আমার আর জড়তা নেই, আর দুর্ব্বলতা নেি আমি আর কুপুরষ নই, আমি তোমাকে ভুলে নরকের দিকে ছুটে যাব না, আর তোমার জ্যোতির দিকে পিছন ফিরে আর “অন্ধকার অন্ধকার” চিৎকার করব না।
দুর্ব্বলতার সময় সুন্দর ও সবলতার চিন্তা করিও- আর অহঙ্কারে পিয় ও দীনতার চিন্তা করিও তবে মানসিক স্বাস্থ্য অক্ষুণœ থাকিবে।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৭
আলমগীর কুমকুম বলেছেন: ঠিকই বলেছেন, মৎস্যকন্যাদের দুর্ব্বল হৃদয়ে প্রেমভক্তির কোনো স্থান নেই।
১৭ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১২:১৯

লেখক বলেছেন: আপনি তো ভায়া আমার পাঠটুকুর ভাবগাম্ভীর্য তুলোধূনা করিলেন দেখি!
কথার মোচড় ঘুরায়া দিলেন অন্দর মহলের দিকে। তবে দাদা যাহা মনে করিয়াছেন তাহা নয়। মৎস কন্যার সহিত কবে কাহার কী হইয়ছিল তাহা আমি এই ব্লগে অভিষেকের প্রথম দিনগুলিতে অল্পবিস্তর শুনিয়াছিলাম বটে, বিশেষ করিয়া জানিবার কোনো ইচ্ছা হয় নাই।
আমার কী না কী দেখিয়া অনেকেই আমার এই নিকটিকে 'সারোয়ার চৌধুরীর নিক বলিয়া ভ্রম করে।
দাদা, মার্জনা করিবেন। আমি কিন্ত আমিই, নই সে।

১৭ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১২:২২

লেখক বলেছেন: আরেকটি কথা। আপনি তো দেখি মৎস শিকারী ও মৎস কন্যা উভয় সূত্রই ধারণ করিতেছেন তাহা হইলে সঙ্গত করিতে আর ভয় কেন?

ব্যাখ্যান :
আলমগীর = মৎসশিকারী
কুমকুম = মৎসকন্যা

তবে নামটি কিন্তু সুন্দর, দারুণ রোমান্টিক লাগে আমার কাছে।

২. ১২ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১:৪১
প্রদীপ নাথ বলেছেন: আপনার টুকানো শ্রী শ্রী অনুকূল চন্দ্র ঠাকুরের যুগান্তকারী বাণী/পাঠটি ভাল লাগলো। বাণীতে প্রাণ নেই কাজের মাধ্যমে বাণীর মাঝে প্রাণ সঞ্চার করতে পারাই মানবের কাজ। এতেই মানবের মানতবতার জয়। বাণী যদি হয় আলোকশিখা তবে মানবের কর্ম সেখানে প্রদীপের সলিতাখানির কাজ করে। যে বাণী বোধের গভীরে নাড়া দিয়ে মানবের তনুপল্লবের উর্দ্ধগামী বিকাশ সাধন করতে পারে তা-ই সার্থক বাণী। আর যেই মানবের বোধ বাণীর অতল স্পর্শ করতে পারে মানব জনম তারই স্বার্থক বটে।
মুসলিমরা বলে আমলে ফল ফলিবে আকারে নয়। একই কথার সুর বাজিল আবার ......
১৭ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১২:১৪

লেখক বলেছেন: এ কি! নাথ যে দেখি কথা ফিরাইয়া দিবার পারে!
এ মন্তব্য তো আমিই আপনার কোনো এক পোস্টে করিয়া আসিয়াছিলাম।
এতক্ষণে প্রমাণ পাইলাম ধরিত্রী গোলাকারই বটে। তাহা না হইলে ৪৮ ঘন্টা পার না হইতেই নিজেরই মন্তব্যের সাক্ষাৎ মুখোমুখি পাইলাম কীভাবে? আমি তো আশি দিনে না ৪৮ ঘন্টায়ই বিশ্বভ্রমণ করিলাম মনে করিয়া পুলক পাইতেছি !!

সাধু! সাধু!!

১৭ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: আপনার লিংক দেয়া পোস্টটি দেখলাম। আপনার অনেক লেখাই আমার ভাল লাগে। ভাবমূলক লেখাগুলির চিন্তার মার্গ অনেক বেশী উচ্চস্থানীয় আবার বাছাইয়ের বেলায় শেকড় সংলগ্ন। ঠিক আছে। আপনার গল্পগুলো জীবনঘনিষ্ঠ আর ইতিহাসের প্রেম বোধ হয় আপনার রক্তে বোনা।

উপভোগ করি।
ধন্যবাদ।।

১৭ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নষ্ট কবি।

কবি তো নয় রে "নষ্ট"।
কবিতার কসম দিয়ে বলি-
কোনও কালেও কবি "নষ্ট" ছিল না।

"নষ্ট সময়ে"র কষ্টে কবি নিজেকেই
করে নিল "নষ্ট"।
তবু যদি "সময়" পবিত্র হতো!
এই তো কবির আশা!!

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৩৬৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ফিরোজ আহমেদ। বগুড়া। বাংলাদেশ। পেশা- শিক্ষকতা। বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত (প্রভাষক, ইংরেজী)। বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশুনা, মতবিনিময়, আলোচনা শুনতে, করতে, পড়তে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই