আমার প্রিয় পোস্ট
- কিভাবে পেনড্রাইভ ভাইরাস প্রতিহত করবেন - আফরোজ_জাহান
- রূপে ঝলমল নিঝুম দ্বীপ - মাহমুদুল হক ফয়েজ
- যারা ল্যাপটপ কেনার কথা ভাবছেন...একটি সতর্কতামুলক পোষ্ট - তাসমান
- কিভাবে মোবাইলের ভাইরাস রিমোভ করবেন? - সিটিজি৪বিডি
- বিকল্প কিছু সার্চ ইঞ্জিন - নাসির খান

রাজামশাইয়ের জন্মদিন!!
শুরু হল জলসা!! 
- বিবর্তনবাদী
- টেকনিক্যাল কেতা পোস্ট- মোবাইলে বাংলা ফন্ট (নোকিয়া-সিম্বিয়ান)
- চোরকাঁটা
- কয়েক মিনিটে উইন্ডোজ ইনষ্টল করুন - এস. এম. মেহেদী আকরাম
- বাংলা ভাষায় ইসলামিক রিসোর্স তালিকা তৈরিতে সাহায্য করুন... - ত্রিভুজ
- ফ্রি এবং খুবি সহজ পদ্ধতি তে সাইট তৈরি করুন....... - গিফার
- NetTools 5.0.7 ... একের ভেতরে সব কিছু! - ত্রিভুজ
- আবারো মালয়শিয়া !!! (শেষ পর্ব) : হাত ধরেছি হাঁটছি পথে কড়া দুপুর, জোছনা রোদে, ভিজে বিকেল, চুল উড়ে যায়, মন ভিজে যায় দূর্বা ঘাসে... ....ভাসছি আহা...খুঁজছি আহা...ভাবছি আহা... - আইরিন সুলতানা
- আমার প্রিয় পোস্টগুলো - বিবর্তনবাদী
- লিনাক্স বিষয়ক সাধারন প্রশ্নগুলো এখানে করুন - আশাবাদী!!
- সিনেমা বিষয়ক ওয়েবসাইট তালিকা - ইশতিয়াক জিকো
- ব্লগে চলতি কিছু ধারাবাহিক - একরামুল হক শামীম
- এফটিপি মুভি ২০০৮ এর নির্বাচিত কিছু ইংরেজী ছবি সরাসরি ডাউনলোড করুন। - লুলুপাগলা
- সব ব্লগারের ইমেল এড্রেস সংকলন , আপডেটেড - তারকে
এই ব্লগের সব ছবি ও তথ্য ইন্টারনেট থেকে নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বাংলা ফুলের নাম ও ছবি গুলি একজায়গায় করার ইচ্ছায় এটা করেছি

উৎসর্গ সুমাইয়া মুনিরা - 
০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৩৩
গাছের পরিচিতি
বৈজ্ঞানিক নাম: Rauwolfia serpentina
নামঃ সর্পগন্ধা
রাজ্যঃ উদ্ভিদ
বিভাগঃ সপুষ্পক
শ্রেণীঃ ম্যাগনোলিয়োপ্সিডে()
বর্গঃ জেন্সিয়ানালেস()
পরিবারঃ অ্যাপোসায়ানেসি()
গণঃ রাউলফিয়া
প্রজাতিঃ সার্পেন্টিনা
এটি একটি গল্মজাতীয় গাছ । এই গল্মটির পাতা ছোট ছোট লম্বা ও পাতার ডগা সরু । ফুল প্রথম অবস্হায় সবুজ রঙের হলেও পাকালে বেগুনী কালো রঙের হয় । মূলের রং ধূসর ও গন্ধ কাঁচা তেঁতুলের মত সারা বছরই গাছে ফুল ফোটে ও ফল ধরে ।
মাটি ও আবহাওয়া
বেলে দোঁয়াস বা দোঁয়াস মাটিতে সর্পগন্ধা ভাল জন্মায়। গরম ও আদ্র জলবায়ু এই বনৌষধিটি পছন্দ করে।
চারা তৈরী
চারা বীজ থেকে বা সেকড়ের টুকরো থেকে তৈরী করা যায় । বর্ষার শুরুতে বীজতলায় বা পলিথিন প্যাকেটে চারা তৈরী করা যায় । মূল শেকড় বা শাখাশেকড়ের টুকরো দু ইঞ্চি গভীরে লম্বালম্বি নালীতে লাগান হয় । চারা লাগানোর প্রায় কুড়ি দিন পর নিড়েন দিতে হবে । প্রয়োজন গাছের পাতা বা ডাল ছেঁটে দিতে হবে । এতে শেকড়ের বৃদ্ধি ভাল হবে ।
পরিচর্যা
গাছ বড় হলে মাটির রস কমে গেলে মাঝে মাঝে সেচ দিতে হবে । নিড়ানির সাহায্যে আগাদা দমন ও মাটি ঝুর ঝুরে করে দিতে হবে ।
ফসল তোলা
ডিসেম্বর – জানুয়ারী মাসে মাটি খুঁড়ে শেকড় তোলা হয় । শেকড়গুলি জমে ভালভাবে ধুয়ে রৌদ্রে শুকিয়ে নিয়ে তারপর ব্যবহার করতে হবে ।
উপকারিতা
গাছের মূল নানা প্রকার রোগের চিকিত্সায় লাগে । মূলকে চুর্ণ করে অল্প পরিমান খেলে উওজনা ও ঘুম ভাল হয় । দৈহিক দূবর্লতা ও মানসিক অবসাদ জনিত রোগেও মূলের চুর্ণ ব্যবহৃত হয় ।
- নেট থাইক্য
Click This Link
লেখক বলেছেন: ![]()
কালাচাঁদ বলেছেন:
রাজা মশাই, রাজ্যে কি কবিরাজের অভাব লাগছে নাকি? রাজ কাজ ফেলে কবিরাজী শুরু করছেন!
লেখক বলেছেন: ![]()
কৌশিক বলেছেন:
জরিণারে কচুশাক দিয়া ইলিশ রাইন্ধা খাওয়াইতে কও
লেখক বলেছেন: ওখে
সুমাইয়া মুনিরা বলেছেন:
রাসায়নিক উপাদান: সর্পগন্ধা মূলে ইনডোল এলকালয়েড রেয়েছে যাতে রিসারপিন, ডিসারপিন, রেসিনামিন থাকে। অন্যান্যের মধ্যে আজমলীন, আজমালিসিন, সাপেন্টাইন , অলিোরেসিন ও আনস্যারচুরেটিড এলকোহল ইত্যাদি রয়েছে।সাধারণ ব্যবহার: সর্পগন্ধা উচ্চ রক্তছআপ, উন্মাদ ও অধিক উত্তেজনা ইত্যাদি রোগের ক্ষেত্রে একটি নিভরযোগ্য নাম , ইউনানী-আয়ুবেদিক ও হোমিওপ্যাথিক শিল্প ছাড়া ও এলকালয়েড উল্লখিত রোগ নিরসনে প্রচুর ব্যবহার হয়ে থাকে।
বাজার চাহিদা: ইউনানী-আয়ুবেদিক ও হোমিওপ্যাথিক ঔষধ শিল্পে বিভিন্ন রোগ নিরাময়ের জন্য সর্পগন্ধা ব্যবহৃত হয়ে থাকে । পরিসংখ্যানে জানা যায় এসব ঔষধ শিল্পে প্রায় ১০০০টনের অধিক সর্পগন্ধার প্রয়োজন হয় । পরিকল্পিত ভাবে চাষাবাদ করা হলে দেশের প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।
বাজারজাতকরণ: বর্তমানে হামদাদ , সাধানা , শক্তই , ইউনানী,এপি ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এটি সংগ্রহ করে থাকে।
লেখক বলেছেন: সবগুলা মিলাইয়া - একটা পোষ্ট বানাইয়া ফালা
মনে হয় স্বর্পগন্ধার লাইগ্যা আর কিছু লাগবো না।
লেখক বলেছেন:
![]()
লেখক বলেছেন: আমি স্বর্পগন্ধার ব্যাপারে কইছি
প্রচেত্য বলেছেন:
অতীব গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট
লেখক বলেছেন: হুমম
লেখক বলেছেন: ,,,
লেখক বলেছেন: দিয়া দে
লেখক বলেছেন:
হা হা হা
লেখক বলেছেন: আমারে না লেকা ডা রে


















এইবার আরেকটা দেখতেসি botanist vs. botanist