somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমিরাতকে ৯ রানে অল আউট - বাংলাদেশর ১০ উইকেটে জয়

১২ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ৯:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হুররে হু!
হুররে হু!
হুররে হু!
হুররে হু!


খবরটা শুইনা ভালই লাগলো!
৯ রানে অলআউট?
খেলা শেষ হইছি মাত্র ৬২ বলে।
কি কইবেন বাংলা বাঘিনী?
দুই বাঘিনীর ছবি এইটা।
পান্না ৬ রানে ৫টা, শামীমা ২ রানে ৩টা উইকেট নেন।

ঈত্তেফাকের পাতা থেকে:
৬২ বলে খেলা শেষ। মাত্র ৯ রানে অল আউট আরব আমিরাত, ৮বলে খেলা শেষ করে দিয়েছে বাংলাদেশ। ১০ উইকেটে জিতে নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের প্রথম ম্যাচটি। সবাইকে চমকে, প্রত্যাশা পূরণ করে ফেভারিট হিসেবেই আট জাতি এসিসি মহিলা টুর্নামেন্টে গতকাল যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ। ছেলেরা যখন শ্রীলংকায় একের পর এক উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসছে তখন মেয়েরা মালয়েশিয়ায় তুলে নিচ্ছে একের পর এক উইকেট। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে গতকাল টস জিতে বাংলাদেশ মহিলা দলের অধিনায়ক তাজাকিয়া আক্তার ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। বৃষ্টি ভেজা মাঠে খেলা শুরু হতে দেরি হয়। স্থানীয় সময় দুপুর ১ টায় ম্যাচ শুরু হয়। উদ্বোধনী দু’ পেসার পান্না ঘোষ ও শামীমা আক্তার দু’জন মিলেই পুরো কাজটি শেষ করে। প্রথম ওভার শুরু করতে নেমে পান্না তুলে নেন দুই উইকেট। পাঁচ ওভার শেষে তার সংগ্রহ ৬ রানে ৫ উইকেট। শামীমা ৪ ওভারে ২ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। বাকি দুই উইকেট রান আউট থেকে। ৯ ওভারে ৯ রানে অল আউট আরব আমিরাত। ১০ রান করতে মাত্র ৮ বল খেলেন বাংলাদেশী। দু’ওপেনার তাজকিয়া আক্তার ও চামেলী খাতুন। চামেলী ৬ ও তাজকিয়া ১ রানে অপরাজিত। ম্যাচ জয়ের পর উল্লাসিত বাংলাদেশী অধিনায়ক বলেন, এখন আমরা আত্মবিশ্বাস পাচ্ছি এই টুর্নামেন্টে ভাল করতে পারব। অপরদিকে আরব আমিরাতের ১২ বছরের অধিনায়ক নাতাশা মিশেলেস বলেন, আমরা ভবিষ্যতের জন্য দল গড়েছি। তা ছাড়া বাংলাদেশ অনেকদিন থেকে খেলছে, আমরা তো কেবল শুরু করলাম। আরব আমিরাত দলে যেমন আছে কিশোরী অধিনায়ক তেমনি আছে ৩৯ বছরের তার মা। দুর্দন্ত বোলিংয়ের পাশাপাশি দারুন ফিল্ডিং বাংলাদেশ দলকে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ এনে দেয়। ক্যাচ বা রান আউট মিস করেনি একটিও বাংলাদেশী বোলার- ফিল্ডাররা। আগামীকাল দ্বিতীয় ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে খেলবে বাংলাদেশ। স্কোরঃ আরব আমিরাত ৯ (পান্না ৫/৬, শামীমা ৩/২)। বাংলাদেশ ১০/০ (চামেলী ৬, তাজকিয়া ১)।
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×