- আরে কস কি? তুই এহনো এই ছবি দেখোস নাই?
= না, কি ছবি এইটা?
- তুই যতগুলি রোমান্টিক ছবির লিস্ট অনলাইনে দেখবি, সবগুলোর টপ থ্রীতে এই ছবি আছে।
= দেখি, খুইজা পাই নাকি।

ঈদের দুইদিন আগে এক ফ্রেন্ডের লগে আলোচনা হইতাছিল। গত কয়েকমাসে ড্রামা/রোমান্স/কমেডি জেনারের শত ছবি দেখছি সর্বনিম্ন। এই ছবি দেখিনাই দেইখা দোস্ত অবাক হইলো। বাসায় আইসা দিলাম খোজ গুগলে। দেখি কাহিনী সত্য। দিলাম ডাউনলোড।
প্রথমেই অবাক হইলাম ১৯৩৯সালের ছবি, কিন্তু রঙ্গিন। তারপর ছবিটা দৈর্ঘ্য ৩ ঘন্টা ৫২ মিনিট। মনে করছিলাম, টায়ার্ড হইয়া যামু। হইছিলাম ছবির প্রথম আধা ঘন্টা। তাই একটা বিরাট ব্রেক লইয়া রাত্র ১১টায় আবার দেখা শুরু করছি, শেষ হইলো মাত্র। টায়ার্ড হওয়ার নাম গন্ধও রইলো না ছবি দেখার সময়। Vivien Leigh এর অনবদ্য অভিনয়, সাথে আবার Clark Gable , ফাটাফাটির উপর ফাটাফাটি। এককথায়, ছবি দেখা শেষ আর আমি Vivien Leigh এর সার্থক ফ্যান হইয়া গেলাম। আফসোস হইতাছে, ছবিটা কেরে দেখলাম না আগে।
পুরানা ছবির মধ্যে আরেকটা দেখছিলাম, ক্যাসাব্লাঙ্কা, কিন্তু কাহিনী আর অভিনয়ের দিক দিয়া ক্যাসাব্লাঙ্কা এই ছবির ধারে কাছেও আসতে পারবো না।
তবে ছবি ফিনিশিংটা মনটারে ভাইঙ্গা দিছে আমার। চার ঘন্টার ছবি, তবুও শেষে মিলন দিলো না নায়ক নায়িকার। যে নায়িকা ছবির পুরোটাতেই নায়করে ভালোবাসে নাই, যখনই সে নায়ক ভালোবাসতে লাগছে, তখনই নায়ক নায়িকারে ছাইড়া চইলা গেছে আর ছবিও শেষ। হয়তো ফিনিশিংটাই ছবিটারে স্বার্থক করছে।
আই.এম.ডি.বি:
http://www.imdb.com/title/tt0031381/
উইকিপিডিয়া:
Click This Link)
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


