পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, চরপার্বতী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মিম ব্যাপারী বাড়ির সৌদি আরব প্রবাসী আবদুল করিমের ছেলে সাইফুল ইসলাম বাচ্চু (২০) বিয়ের প্রলোভন দিয়ে একই বাড়ির দিনমজুর নুরনবীর মেয়ে আকলিমা বেগমের (১৩) সাথে শাররিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এতে আকলিমা তিনমাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে। পরে সাইফুল ইসলাম বাচ্চু ও তার মামা শাহ আলম কদমতলা বাজারের গ্রাম্য ডাক্তার পৃর্থিরাজ ও পরিবার পরিকল্পনার চরহাজারীর ভিজিটর নির্মলা রাণীকে দিয়ে কিশোরীর গর্ভপাত ঘটানোর চেষ্টা করে।
এতে প্রচুর রক্তক্ষরণের পর আকলিমা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নোয়াখালী প্রাইভেট ক্লিনিক ও পরে ঢাকার একটি ক্লিনিকে নেয়া হলে শুক্রবার রাতে তার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে শনিবার সকালে গোপনে দাফনের সময় পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় পুলিশ ঘটনার মূল হোতা বাচ্চুর মামা শাহ আলমকে (৪০) ও গ্রাম্য ডাক্তার পৃর্থিরাজ মজুমদারকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে।
এ ঘটনায় গ্রাম্য সালিশদাররা বৈঠক করে অভিযুক্ত বাচ্চুর পরিবারের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা জরিমান ধার্য্য করে। সেই মতে মেয়ের বাবাকে দেয়ার জন্য ২৫হাজার টাকা নগদ গ্রহন করে। কিন্তু মেয়ের বাবা নুরনবী বলেন, জরিমানার টাকা তাকে না দিয়ে সালিশদাররা নিয়ে গেছে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ জাকের হোসাইনের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনা জানার পর তাৎক্ষণিকভবে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ধর্ষক বাচ্চুকে গ্রেপ্তার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মেয়ের বাবা নুরনবী বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে বলেও তিনি জানান।
প্রসঙ্গত; এরআগে গত ১০ জুন রাতে উপজেলার চরহাজারী গ্রামে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষিতার অবৈধ গর্ভপাত ঘটানো হয়। পরে ধর্ষককে ছেড়ে দিয়ে ধর্ষিতা ও তার মাকে দোররা মেরে রক্তাক্ত করেছিল স্থানীয় সমাজপতিরা। এ ঘটনা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ হলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে ধর্ষক ও সমাজপতিদের বিরুদ্ধে থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


