আমার প্রিয় পোস্ট

কাঠুরিয়া এবং নারী..

২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫০

শেয়ার করুন:                   Facebook

বনের ভেতর জলাশয়ের ধারে কাঠ কাটতে গিয়ে কাঠুরিয়ার কুঠার পানিতে পড়ে যাওয়া, সততার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে জলদেবতা কর্তৃক সোনা, রুপা আর তামার কুঠার উপহার পাওয়ার গল্প মোটামুটি সবাই কমবেশী জানি। সময় যেমন থেমে থাকেনি, থেমে থাকেনি কাঠুরিয়ার জীবন। জীবনের নিয়মে তার জীবনেও ঘটে নানা ঘঠনা, দূর্ঘটনা। আর তাই খুঁজে পাওয়া যায় তার জীবনের আরেকটি গল্পের।

জলদেবতার আশীর্বাদে কাঠুরিয়ার সংসার থেকে অভাব দূর হলেও দূর হয়নি তার বউয়ের ঝগড়াঝাটি স্বভাব। বেচারা কাঠুরিয়া তাই মনের কষ্টে বনে বনে ঘুরে বেড়ায়। একদিন কাঠুরিয়াকে খুঁজতে গিয়ে দূর্ঘটনাবশত তার বউ ডুবে যায় জলাশয়ের পানিতে। ঘটনা জানতে পেরে জলাশয়ের ধারে এসে কাঠুরিয়া ভীষণ কান্নাকাটি শুরু করে দেয় । কান্নাকাটি শুনে হাজির হন জলদেবতা। কাঠুরিয়া খুলে বলে পুরো ঘটনা।
চিন্তা করোনা, দেখি কি করা যায়- এ কথা বলে জলদেবতা অদৃশ্য হন জলাশয়ের পানিতে।
কিছুক্ষন পর হাজির হন মাধুরীকে নিয়ে, জিজ্ঞেস করেন- এটা কি তোমার বউ?
কাঠুরিয়া ইতস্তত করে জবাব দেয় হ্যা।
কিছুটা অবাক হয়ে জলদেবতা ভাবেন হয়ত লোকটা কোথাও ভুল করছে। তিনি আবার জলাশয়ে অদৃশ্য হন।
কিছুক্ষনপর আবার ভেসে উঠেন। এবার তার সাথে মাধুরীর পরিবর্তে রূপের রাণী ঐশ্বরিয়া।
কাঠুরিয়াকে আবারও জিজ্ঞসে করেন এটা তার বউ কি না?
কাঠুরিয়ার এক কথায় জবাব হ্যা।
জলদেবতা কিছুটা রেগে যান। কিন্তু শেষবারের মত তাকে আরেকটা সুযোগ দিতে আবারো তিনি অদৃশ্য হন জলাশয়ে।
এবার তিনি সঙ্গে নিয়ে আসেন কারিনা কাপুরকে।
বেশ রাগী স্বরে কাঠুরিয়াকে জিজ্ঞসে করেন, ভাল করে দেখে বলো এটাই কি তোমার সেই বউ।
কাঠুরিয়াও দৃঢ় গলায় জবাব দেয়, দেখার কি আছে। এটাই আমার বউ।
জলদেবতার ধৈর্য্যর বাধভেঙ্গে যায়। উচ্চ রাগী স্বরে বলেন, হ্যা মানবসন্তান! তোমাকে আমি সৎ আর নির্লোভ বলেই জানতাম। সেই তুমি আমাকে আজ খুব হতাশ করলে।
কাঠুরিয়া কাঁপা কাঁপা গলায় জবাব দেয়, হুজুর আমাকে আপনি ক্ষমা করবেন। আসলে আগেরবার আমার কুঠার পানিতে পড়ে গেলে একে একে আপনি যখন আমাকে তামা, রুপা এবং সোনার কুঠার দেখিয়েছিলেন তখন প্রতিবার আমি না বলেছিলাম। আমার সততায় মুগ্ধ হয়ে আপনি আমার নিজের কুঠারসহ বাকী তিনখানা কুঠার আমাকে উপহার দিয়েছিলেন। আমি চিন্তা করে দেখলাম এবারও যদি আমি সত্য কথা বলি তাহলে হয়ত আপনি খুশী হয়ে আমার আসল বউ সহ বাকী তিন নারীকে আমার বউ হিসেবে উপহার দিয়ে দিবেন। এক বউয়ের যন্ত্রনায় যেখানে আমি অস্হির, চার বউ হলে আমার আত্মহত্যা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। নিজের জীবন বাঁচাতে আমি তাই মিথ্যা বলতে বাধ্য হয়েছি।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): রম্যখই ভাজা ;

 

  • ১০ টি মন্তব্য
  • ১১৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৫
comment by: শফিউল আলম চৌধূরী বলেছেন: এইটা পুরান পোষ্ট
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: হতে পারে।
কি আর করা!

২. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৫
comment by: সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
( হাসতে হাসতে গড়াগড়ি )
যাহা পাই, তাহা কেন ভুল করিয়া পাই?
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:০০

লেখক বলেছেন: আমারও একই প্রশ্ন।
দেখা যাক উত্তর কারো জানা আছে কি না

৩. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:০৭
comment by: ইমির বলেছেন: +
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:০৯

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস

৪. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৩৩
comment by: রাজীব বলেছেন: ইয়ামি... সুস্বাদু পোষ্ট....
৫. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৪৫
comment by: মনচলি বলেছেন: নেই কাজতো খই ভাজ টাইপ পোস্ট।

মন্তব্যর জন্য থ্যাংক্স





৬. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:০০
comment by: সব্যসাচী বলেছেন:
ভালো হয়েছে।
৭. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:১০
comment by: দূরন্ত বলেছেন: খুব মজার

 



 


ক্ষ্যাপার মতন কেন এ জীবন
অর্থ কি তার কোথা এ ভ্রমণ
কে তুমি গোপনে চালাইছ মোরে
আমি যে তোমারে খুঁজি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ২৪৮৯