আমার প্রিয় পোস্ট
- অনলাইন ফ্রিল্যান্সি আউটসোর্সিং -ঘরে বসে বিপুল আয়ের উপায় - রাজ্
- জোনাক ধরার কাচের বয়াম - মুয়ীয মাহফুজ
- স্টেরিওটাইপের কথকতা - রাগিব
- একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতনঃ কিছু সাক্ষীর বয়ান - রাশেদ
- আগুনের পরশমনিতে ডঃ আইজুদ্দিনের পিঠ চুলকা-চুলকি সভা - কৌশিক
- ঘোরাঘুরি ব্লগ: উত্তর মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জ/ সমুদ্র যেখানে মা (৮ম পর্ব) - জ্বিনের বাদশা
- নাস্তিকতার বিরুদ্ধে কিছু মিথ - দিগন্ত
- টেকি পোস্ট ঃ কমেন্টে ফটো দিবেন কিভাবে ?? - শয়তান
- এই এই আগে পড় পরে রেটিং - মেহদী
- Esnips থেকে গান ডাউনলোডের উপায় - রাশেদ
- কম্পিউটার নিরাপত্তার পাঠ - Encryption বা তথ্যগুপ্তিকরণ (২) - রাগিব
- কম্পিউটার নিরাপত্তার পাঠ - Encryption বা তথ্যগুপ্তিকরণ (১) - রাগিব
- টুকুনের জন্য । - নরাধম
- মেটাল ভিডিও ডাউনলোড করতে চাই (সাহায্য) - আহমাদ মুজতবা
- আজকাল অনেক কিছুই মনে থাকে না - মুকুল
- উদাসীর পিচকিকালের উস্তাদ গুজরান খা-১! গাছের পাতা নড়চড়ে, গুরু তুমার দাড়ি মনে পড়ে! - উদাসী স্বপ্ন
- বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি এর ওয়েবসাইট হ্যাক করা হয়েছে!!! - ফাজিল
- সবার জন্য দরকারী কিছু ওয়েবসাইট এর ঠিকানা - রন্টি চৌধুরী
- সমস্যা যখন চুল পড়া - জান্নাতুল ফেরদাউস
- সাবধান !! এই ব্লগে ঢোকা থেকে বিরত থাকুন ! কারণ ঢোকার সমস্ত দায়ভার আপনাকেই বহন করতে হবে ! - প্রচেত্য
- দেশপ্রেমিকের প্রবেশ নিষেধ! পোষ্টে তাদের ফাঁসী চাওয়া হয়েছে! (চতুরভূজ) - চতুরভূজ
- অপরবাস্তবের সম্পাদকমন্ডলী, মিটিং ও সম্পাদনার দায়িত্ব - অপর বাস্তব
- উদাসীর ভালো লাগে না! মারলাম একখান ১০০, হুজুরের হাতে বাক্স! টুপির নীচে শয়তানি, আজাইড়া বইসা চুলকানি! - উদাসী স্বপ্ন
- জানাজানি ছানাছানি - অন্যমনস্ক শরৎ
- সাইকোলজী টেস্ট -- মনের কথা মন বোঝেনা ৪: পারুল আর অতুলের গল্প [সবাই অংশ নিন, প্লিজ] - জ্বিনের বাদশা
- প্যাথেটিক হোমিওপ্যাথি - দিগন্ত
- ভোখেনব্লাট - ১ - হাসিব
- উদাসীর উদাসনামা-৩! স্হান, কাল, পাত্র, আর জোসনার প্লাবন! - উদাসী স্বপ্ন
- শেরালী তের-মুক্তির মন্দির সোপান তলে-৩ - পুতুল
- ব্লগটারেতো পুজা মম্ডপের মতো লাগছে - আমি
- শামসু ব্যচেলর-৪ - রঙ
- শেরালী বার-মুক্তির মন্দির সোপান তলে-২ - পুতুল
- একটি বিভত্স খুনের পূর্বপরিকল্পনা! (ক্লোজআপহাসি) - অন্যরকম
- কি বর্নিব মনোকষ্ট চাকরীর হাল, ভাঙ্গিছে চিড়িয়াখানা বলদের পাল। - অনুমান
- শেরালী নয়-দুবলা (দুব্বা ঘাষ) বনের বাঘ - পুতুল
- বাংলাদেশ ব্যাংক, ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড(!), PayPal ও হতভাগা আমরা...
- আদনান™
- অতীব গুরুত্বপূর্ণ- ফলের ঔষধি গুণ - আশফাকুর রহমান
- উদাসীর উদাসনামা-১! পুরা ফাউল! - উদাসী স্বপ্ন
- ব্রাউজিং স্পীড বাড়ান, ব্রাউজ করুন স্বাচ্ছন্দে-০১ - পথের মানুষ
- আপনাদের হাসির জন্য!! - মুকুট
- প্রত্যাবর্তন - অন্যআনন
- কারাগার এবং আমি - ২ - তানভীর চাকমা
- সোডিয়াম বাতির আলো-আধারিতে বিক্ষিপ্ত মনের কিছু ক্রিয়া - জুয়েল বিন জহির
- মতির হইয়াছে মতিভ্রম...[ সুমন্ত আসলামের জন্য সহানুভূতি ] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- একটি গল্প - আহমেদ শারফুদ্দীন
- জাভা শিখে লাভ নাই তাই চেস্টার প্রয়োজন নাই – প্রথম ও শেষ পর্ব - মোহাম্মদ এরশাদ
- বাঙ্গাল চরিত - মন মণষা
- বাসন্তি ! বসন্তপুরে তোমার বসবাস [ কোন এক বাসন্তিকে ] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- খোকাবাবু পঞ্চম - পুতুল
- খোকাবাবু তৃতীয় - পুতুল
- ছোটগল্প: টুলু-ভুলু (একপর্বে সমাপ্ত) - জ্বিনের বাদশা
- উইন্ডোজ এর শম্বুক গতি -২(আম্মাআআ) - আবুফয়সাল আহমেদ
- তিনদিনে পিএইচপি শিখুন (২য় দিন) - মদন
- তিনদিনে পিএইচপি শিখুন (১ম দিন) - মদন
- কেন লিনাক্স ব্যবহার করব ?
- আবুফয়সাল আহমেদ
- ল্যান বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN)-২ - মানচুমাহারা
- ড্রইংরুমে বসিয়া উদাসীর তথ্যমূলক বিশ্লেষন: রাজপথ মোদের ঠিকানা, রাস্তায় কি জন্য জানিনা, আন্দোলন ছাড়া কিছু বুঝিনা, পশ্চাদ্দেশে বিপুল বেদনা!কেমতে কি? ঘটনা কি সত্যি? - উদাসী স্বপ্ন
- ডলার আয় করুন ঘরে বসেই - মদন
ইলিশে জমিল খানা, চিংড়ি হইল শেষ। মাছ ভাত পাতে আজি, মনেতে বাংলাদেশ।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:৪৬
"মৎস্য মারিব, খাইব সুখে" প্রবচনখানি আলস্যতার পরিচায়ক হইলেও ইহাকে কার্যে পরিনত করিতে পারিলে বাঙ্গালী কি পরিমান সুখী হইত তাহা বর্ননা করা কঠিন। বাঙ্গালীর মৎস্য প্রীতি তাহাকে ঋণের দায়েও ফেলিতে পারে। তাহা সত্তেও মৎস্য বিনা বাঙ্গালী রসনা পরিতৃপ্ত হয়না। এইপার বাংলায় বাংলাদেশ মানেই প্রথম যেই শব্দ জিভের জল ট্রাফিক সিগনালে আটকাইয়া মুখবিবর হইতে বাহিরে নির্গত হয় তাহা "ইলিশ"।
বাংলাদেশ যাইব শুনিতেই দাদার প্রথম কথা ছিল গিয়া গোটা মাছ ভাজিয়া খাইব। আমিও মনে মনে পুলকিত ছিলাম। মাছ খাইবার জন্য নহে নৌকায় করিয়া তাহার শিকার করিবার জন্য। মাছের প্রতুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হইবার জন্য পথিমধ্যেই মাকে বারে বারে নানান জিজ্ঞাসায় অতিষ্ঠ করিয়া তুলিলাম। মা বলিলেন আর কিছু বলিব না। পৌঁছিয়া নিজেরাই দেখিবি।
মামার বাড়ি প্রবেশের পূর্বেই বিশালাকায় দিঘী। এইখানে কাহারও নিকট গল্প করিলে তাহাদের আন্দাজ সেই দিঘীর অর্ধেকেও পৌঁছায় না। বলি দিঘী, তাহারা বলে পুকুর। প্রথম দর্শনেই যাহা আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করিল তাহা হইল সেই দিঘীর একপাড়ে বাঁধা নৌকাখানি।
পরদিনই দাদার অর্ডার গোটা মাছ রাধিঁতে হইবে। সৈন্য সামন্ত মৎস মারিতে নামিয়া গেল, সাথে আমি। রুইকাৎলা যাহা ধরা পড়িল তাহা দাদার উদরে ঠাসিয়াও ভরা যাইবে না। হয়তো দাদার খাইবার সখের কারনেই আরেক জীবের প্রতিনিধি জালে উঠিল (তাহারা সাধারনত সাধারন জালে ওঠেন না)। তাহা গলদা চিংড়ি। আমাদের এই জীবন কালে ঐ সাইজের চিংড়ির দর্শন আর মেলে নাই। এক হাত লম্বা তাহার দাঁড়া। দাদার রুচি পরিবর্তন হইয়া গেল নিমেষেই। ঐ চিংড়ি চাই। ততক্ষনে চিংড়ি ছাড়িয়া দেওয়া হইয়াছে। দাদা গেল ক্ষেপিয়া। কিছুতেই আর চিংড়ি জালে আসিলেন না। সেইদিন রুই কাৎলার দলই দাদার উদরে খাবি খাইলেন। তবে মা'র কারনে দাদাভাই আমার ৩কেজি সাইজের কাৎলা একা খাইবার জেদে অনড় থাকিতে পারিলেন না।
তালুকদারের নাতি আসিয়াছে শুনিয়া এলাকাময় নিমন্ত্রণ করিয়া খাওয়াইবার ধুম পড়িল। পরদিন প্রত্যুষে জানিতে পারিলাম আজিকে আরেক মামা আমাদের আপ্যায়ন করিবার সুযোগ পাইয়াছেন। তিনি দাদার জন্য গোটা মাছ এবং আমার নিমিত্ত নৌকাবিহার করিয়া মৎস্য শিকারের ব্যবস্থা করিয়াছেন। সকালেই চলিয়া গেলাম। আমি যৎপরোনাস্তি মৎস্য শিকার আর দাদা গোটা মাছ খাইয়া বাড়িতে ফিরিয়া জানিতে পারিলাম দূপুরে চিংড়ির ব্যপারী আসিয়া চিংড়ি ধরিয়া লইয়া গিয়াছে। মামা আমার কড়কড়া নোট দেখিয়া সবই বিক্রি করিয়া দিয়াছেন। নোটের নেশায় ভাগীনা মনে আসে নাই। ভাগীনার অবস্থা দেখি মামী মাঠে নামিলেন। জানা গেল ব্যপারী চিংড়ির ধর লইয়া গেলেও তাহার মস্তক লন নাই। চিংড়ির মস্তক নামক জটিল বস্তুখানি বিদেশীদের মুখে রুচে না। আর ঐ মাথার ঘিলু খাইয়াই বাঙ্গালী দুধের স্বাদ ঘোলে মিটায়। অগত্যা চিংড়ির মাথা হইতে ঘিলু চাঁচিয়া বাহির করা হইল। সেই ঘিলু দিয়া যাহা তৈয়ারী করা হইয়াছিল তাহার স্বাদ অদ্যাবধি আমার জিহ্বায় লাগিয়া রহিয়াছে। ভাগ্যে কেহ বিদেশীদের এই ব্যাঞ্জন পাক করিতে শিখায় নাই। তাহা হইলে ইহাও জুটিত না। দাদাভাই চক্ষু হইতে অগ্নি বর্ষণ করিয়া খাইতে খাইতে বলিলেন, ইহাই যদি এত স্বাদ যাহা পাই নাই তাহা না জানি কিরুপ হইবে!!!
বাংলাদেশ পৌঁছিয়া প্রথম বাসনা প্রকাশ করিয়াছিলাম ইলিশ খাইব বলিয়া। ইহাতে সকলেরই সায় ছিল মানে আমারও। কারন এইপারে শিশু মুখেভাতেই জানিতে পারিয়া যায় এইখানের ইলিশের কৌলিন্য নাই। ইলিশ মানেই বাংলাদেশ আর বাংলাদেশ মানেই ইলিশ। মায়ের গ্রামের বাড়িতে জানিতে পারিয়াছিলাম ঢাকায় গেলে তাহা জুটিবে। অতএব ছিলাম চুপচাপ। ভ্রাতাও আমার এই বিষয়ে অধিক জেদ না করিয়া চুপেচাপে জিভে শান দিয়া যাইতেছিলেন। ঢাকায় পৌঁছিয়াই ভ্রাতা জিহ্বার ধার পরীক্ষা করিতে ব্যাস্ত হইয়া পড়িল। "কপালে নাই ঘি, ঠকঠকাইলে হইবে কি?"। যেই সময়ে আমরা বাংলাদেশে গিয়াছিলাম সেইসময় ইলিশের দল সাগর বক্ষে প্রেম পত্র লিখিতে ব্যাস্ত।
কবে হইবে প্রেম আর মিলিবে কবে?
পাড়িতে আসিয়া ডিম,
কড়াইতে যাবে।
অতএব আবারও দুধের স্বাদ ঘোলে। টিনবন্দি ইলিশ শুঁটকি খাইয়া দেশে ফিরিতে হইল। ভ্রাতা কহিলেন, খালি ডায়লগ, কিছুই নাই। টাঁটকা চিতলের পেটি আর রুই-কাতলা, ফলির ঢেঁকুর তাহার স্মরনে আসিল না।
তাহার পর বহুদিন ইলিশ খাইয়াছি। যেহেতু কিনিতে হইয়াছে এইপারে তাই মৎস ব্যপারী হাজার কসম খাওয়া সত্তেও তাহা বাংলাদেশের ইলিশ সমতুল্য বলিয়া কখনও পরিগনিত হয় নাই। সকলকেই বলা ছিল সম্ভব হইলে বাংলাদেশ হইতে সোজাসুজি আনা ইলিশ হাতে উপস্থিত করিবি। দীর্ঘ ১৫ বৎসর পর এক বন্ধু সেই কর্ম সফল করিল। বাংলাদেশে কেনা ইলিশ "হিলি" বর্ডার দিয়া আমাদের নিকট পৌঁছাইল। মৎসখানি হাতে পাইয়াই বুঝিলাম ইহা রান্নার মাসীর নিকট হস্তান্তরীত করিলে ইলিশভাঁপা না রকেট মাছের ঝোল বুঝা যাইবে না। অতএব "অনুমান" শরনাপন্ন। তাহাদের রন্ধনরুচি সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র সংশয় ছিল না। মৎস কাটিলেন অনুমান, রাঁধিলেন কাকীমা আর খাইলাম আমরা। ইলিশ লইয়া মেসে যেই কাড়াকাড়ি পড়িল তাহা বর্নিতে আরেক মহাকাব্য হইয়া যাইবে। দুঃখ থাকিয়া গেল, আমি বাংলাদেশী ইলিশ খাইতে পারিলেও ভ্রাতার শানিত জিহ্বায় তাহা দিতে পারিলাম না।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
শামনগড় বলেছেন:
ওহ! ফ্রিজে একটা ইলিস মাছ আছে। মনে পৈরা গেলো। কাল রান্না করবো। কি মজা!!!
কলাপাতা দিয়ে মুড়াইয়া ইলিশের একটা রান্না আচে। আমি নিজে কয়েকবার রানছিলাম। ঈমানে কৈ, এরম মজার খাওন খুবই কম খাইছি।
মকু, তোমারে পূজার অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
শিলা বলেছেন:
জিভে জল আসছে!! মনে পড়ছে সেই ছড়া : 'ইলশে গুঁড়ি ইলশে গুঁড়ি!
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
দীর্ঘ ১ মাস রোজার রাখনের পর এরম একখান স্বাদু পোস্টরে ৫ দাগাইলাম। তা আপনের দাদার টেস্ট আমার সাথে ভালোই মেলে, চিংড়ি আর ইলিশ, কি বলিবো সেইটা না কইরা আগে খাইয়া নেই!
মনের কথা বলেছেন:
মাছের সাথে আন্দাজ মতন সর্ষে বাটুন সঙ্গে অল্প পোস্ত। (আপনে আর বাটবেন কেম্বে! গ্রাইন্ড করেন) একটা টিফিন বাটির মধ্যে সর্ষের তেল, কাঁচালঙ্কা, নুন, হলুদ আর সর্ষেবাটা দিয়ে মাছটা মেখে ওভেনের ভিতরে হান্দায় দ্যান। গ্যাসে রান্না করলে ১৫-২০ মিনিট লাগে। আপনের যন্ত্রে কতক্ষন লাগবো জানা নাই। (রেসিপির কপিরাইট কাকীমা মানে "অনুমান" এর ওয়াইফের)
মনের কথা বলেছেন:
এর চাইতে সহজ রেসিপি হল মাছটা নিয়ে চায়ের ক্যানে জল দিয়ে ওভেনে বসিয়ে দিন। ১০ মিনিট পর বের করে ভাত দিয়ে মেখে খান। (কপিরাইট আপনার)
বান্দর মিঞা বলেছেন:
ইচা মাচ বর্তা বান্দুর মিঞার প্রিয় খাইদ্য।
মনের কথা বলেছেন:
তাইতো সবচেয়ে সহজ রেসিপিটা দিলাম। সেদ্ধ মাছটাকে সর্ষের তেল, কাঁচালঙ্কা দিয়ে মাখুন। গরম ভাতের সাথে খান। খাওয়ার পরে কেমন লাগলো জানাবেন।
মনের কথা বলেছেন:
এই জন্যইতো বললাম কেমন লাগলো জানাবেন...আমি নিজেও জানতে চাই এভাবে খেতে কেমন লাগে।মাছভাজা একি রকম। জল না দিয়ে তেল দিন। মাছভাজা হয়ে যাবে।
আমি কে বলেছেন:
ইলিশ ইলিশ খামু কবে!
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
তনুকে খুব ভালোবাসেন বলে মনে হল।
রাশেদ বলেছেন:
আহারে মাছ!!
মনের কথা বলেছেন:
@কম্পিউটার গুরু, মাছ কেমন খাইলেন বললেন না এখনো।@মৈথুনানন্দ, আমি অরে দুই চক্ষে দেখতে পারি না।
@রাশু, তুমার ঐখানে মাছের সাপ্লাই নাই!!
মনের কথা বলেছেন:
@অচু তুমারেও অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
তুই তো পূজোয় বাড়ী গেলি, আমাদের বাড়ীতে যে কোনো পূজোয় জোড়া ইলিশ হবেই । এবারও দুদিন জোড়া জোড়া ইলিশ হয়েছে, তোকে মিস করলাম।
মনের কথা বলেছেন:
ইসসসসসস........আমাদের নিয়ম আছে বিজয়াদশমী তে কাউকে প্রনাম করতে গেলে ইলিশ না খেয়ে ফিরতে নেই।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















