প্রথম পর্ব : ডাক্তারদের নোকরামী।
ইবনে সিনা ইমেজিং সেন্টার, জিগাতলা বাস স্ট্যান্ড।
স্পাইন, মেরুদন্ড বিশেষজ্ঞ। নাম বলছি না ডাক্তারের।
ডাক্তার নিজে অসুস্হ, (বয়স ৫০+) প্যারালাইজড (মনে হয় স্ট্রোক করেছে।)
তিনি একজন এসিসট্যান্ট রেখেছেন, উনি জুনিয়র ডাক্তার। (বড় ডাক্তারের ছাত্রও হতে পারে)।
একজন আছে কম্পিউটার অপারেটর।
রোগী গেলে জুনিয়র ডাক্তারটা সব কিছু দেখছেন, রিপোর্ট বড় ডাক্তারের টেবিলের সামনে রাখলো, বড় ডাক্তার একটু চোখ বুলিয়ে নিলো (ভালো করে দেখেছে কিনা সন্দেহ), আর জুনিয়র ডাক্তারটা রোগীকে নাড়াচাড়া করে দেখলো একটু করে।
তারপর জুনিয়র ডাক্তার ঐ কম্পিউটার অপারেটরকে কয়েকটা ওষুধের নাম বলে দিলো, প্রেসক্রিপশন প্রিন্ট হলো।
এতো কিছুর মধ্যে বড় ডাক্তার একটা কথাও বলল না, কোনো নড়াচড়া ও নাই, চুপকরে বসে ছিলো।
তারপর বড় ডাক্তারের কাছে প্রেসক্রিপশনটা ধরে হলে উনি বাম হাতে অনেক কষ্টে একটা সিগনেচার করে দিলো। খুব সম্ভব উনার ডান হাত অবশ হয়ে গেছে। বাম হাতে অনেক কষ্ট করে সিগনেচার দিলো।
বড় ডাক্তার এই খানে একটা শোপিস, বাইরে ঐ বড় ডাক্তারেরই সাইনবোর্ড ঝুলছে, কিন্তু রোগ নির্ণয়ে বড় ডাক্তারের কোনো ভূমিকা ছিলো না।
যে রোগীর কথা বলেছি, উনি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসেছেন শুধু এই ডাক্তারকে দেখাতে। (বেশ কয়েকজনের কাছে সুনাম শুনেছেন আগে।)
কিন্তু রোগী এখন নিজেই কনফিউজড, বড় ডাক্তারের অসুস্হ থাকার পরও সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রেখেছেন। জুনিয়র একজন তার নাম দিয়ে চিকিৎসা করে যাচ্ছেন। ৫০০ টাকা ফি নিয়া নিলো।
হাজার হলেও ব্যবসা তো বন্ধ করা যাবে না, তাই না?
বড় ডাক্তারের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে জুনিয়র ডাক্তার রোগী দেখছেন।
তারপর কমিশন ভাগাভাগি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

