১)ম্যানেজার : আসলে আমরা দেখলাম, এই মুহূর্তে আমাদের আর কারও সাহায্যের প্রয়োজন নেই, তাই আপনাকে নিতে পারছি না।
চাকরিপ্রার্থী : তাহলে তো স্যার এই পোস্টে আমি আমার চেয়ে আর কাউকে যোগ্য দেখছি না। আমি আমার জীবনেও কাউকে সাহায্য করিনি।
২)ক্রেতা : তোমাদের ম্যানেজারকে ডাকো। এ রকম পচা মুরগি আমি খেতে পারব না।
ওয়েটার : ম্যানেজারকে ডেকে কোনো লাভ নেই। তিনিও পচা মুরগি খেতে পারেন না।
৩)বাবা : তোমার গৃহশিক্ষক বলছেন, তিনি নাকি তোমাকে কোনোভাবেই কিছু শেখাতে পারছেন না?
ছেলে : সাধে কি আর বলি, আমার এই মাস্টার মশাইটা কোনো কাজের নয়। ওনাকে বদলানো খুব দরকার
৪)১ম বান্ধবী : এ কী, তুই তো ভুল আঙুলে বিয়ের আংটি পরেছিস
২য় বান্ধবী : কারণ আছে। আমি ভুল মানুষকে বিয়ে করেছি তো
৫)১ম বন্ধু : বিয়েটা কেমন জানিস?
২য় বন্ধু : নাহ, কেমন?
১ম বন্ধু : এটা হচ্ছে ধর, রেস্টুরেন্টে গিয়ে তুই অর্ডার দিবি একটা খাবার, ওটা তোর টেবিলেও আসবে। কিন্তু ওটা মুখে দিয়েই তোর নজর চলে যাবে পাশের টেবিলের ভদ্রলোকের প্লেটের দিকে। তোর শুধু মনে হতে থাকবে, ওটাই তোর অর্ডার দেওয়া উচিত ছিল।
৬)শিক্ষক : কমলা আর আপেলের মধ্যে পার্থক্য কী?
ছাত্র : কমলার রং কমলা হলেও আপেলের রং আপেল নয়।
৭)শিক্ষক : যিশুখ্রিষ্ট, শ্রীকৃষ্ণ বুদ্ধ-এঁদের মধ্যে মিল কোথায়?
ছাত্র : ওনারা সবই সরকারি ছুটির দিনে জন্মগ্রহণ করেছেন।
৮)এক কোটিপতির মেয়েকে স্কুলে রচনা লিখতে দেওয়া হয়েছে। রচনার শিরোনাম ‘একটি গরিব পরিবার’।
মেয়েটি লিখল, ‘কোনো এক দেশে কোনো একদিন বাস করত একটি গরিব পরিবার। ওই পরিবারের কাজের লোকেরা ছিল আরও গরিব। তবে সবচেয়ে গরিব ছিল ওদের মার্সিডিজ গাড়ির চালকটি!’
৯)এক পর্যটক গেছে আফ্রিকায়। গাইডের সঙ্গে তার কথোপকথন।
পর্যটক : বন-জঙ্গলে মানুষখেকো নেই তো?
গাইড : না, নেই। এ নিয়ে একদম ভাববেন না।
পর্যটক : একটা মানুষখেকোও নেই?
গাইড : না, নেই, আমি নিশ্চিত হয়ে বলছি। শেষ মানুষখেকোটা আমরা গতকাল খেয়ে ফেলেছি।
১০)বাড়িওয়ালা : আপনাকে না চার দিন আগে বলেছে, বাসার কলবেলটা নষ্ট। আপনার তো দেখাই পাচ্ছি না।
মিস্ত্রি : কী যে বলেন। আমি গিয়েছিলাম ঠিকই। কিন্তু অনেকক্ষণ বাসার কলবেল চেপে কারও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে শেষে ফিরে এসেছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

