আমার প্রিয় পোস্ট
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- আসুন আরব বর্বরদের ঘৃণ্য থাবা হতে বাকীদের মাথা বাঁচাতে তিনটি দাবীতে সোচ্চার হই - ও.জামান
- বিডিং রাউন্ড ২০১১: গ্যাস লুটের নতুন ধান্দা - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে পিএসসি চুক্তি: প্রথম আলোয় ম.তামিমের সহজ পাঠের প্রতিক্রিয়া - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে চুক্তি নিয়ে ডেইলিস্টারের মিথ্যাচারের জবাবে - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর কাছ থেকে কত টাকা খেয়ে প্রথম আলো এইরকম মিথ্যা রিপোর্ট করেছে? - দিনমজুর
- দুর্ঘটনার রাজা কনোকোফিলিপস ও বঙ্গোপসাগরের আসন্ন বিপদ: যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিপি-ব্লোআউটের আলোকে - দিনমজুর
- কনোকো-ফিলিপস এর হাতে তুলে দেয়া হলো সাগরের গ্যাস ব্লক ১০ ও ১১ - দিনমজুর
- টেলিকম বহুজাতিকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রথম আলোর অস্থিরতা - দিনমজুর
- নাস্তিক নির্ধর্মী কাফেরগন - হুশিয়ার সাবধান! - দাঁড়িপাল্লা
- অবিশ্বাসী কেউ ইসলামের সমালোচনা করলে মুসলমান ভাই-ব্রেদেরণদের উত্তেজিত হওয়ার কোন যৌক্তিক কারণ নাই। - হোরাস্
- বিমান বন্দরের নামে আড়িয়াল বিলে রাষ্ট্রীয় ভূমি আগ্রাসন! - দিনমজুর
- ১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবি হত্যার ইতিবৃত্ত - পিডিএফ সংস্করণ - নাঈম
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- হামীম গার্মেন্টস এ আগুন: গার্মেন্টস না লাশের কারখানা? - দিনমজুর
- হে রক্তমাংসহীন মেহনত! আল্লার দোহাই, পুড়ে পুড়ে কয়লা হও!! আমাদের অনেক উন্নয়ন দরকার - একজন নাগরিক
- দোহারের গান এবং আমাদের ধনী পিতার ফকির সন্তানদের গল্প - অনার্য তাপস
- কোরান কি অলৌকিক গ্রন্থ? - ১ - সজীব আকিব
- সংশোধিত ড্যাপ আবশ্যক - সচল জাহিদ
- কর্ণেল তাহের আজো প্রাসঙ্গিক ১: কর্ণেল তাহেরের পিপলস আর্মি - দিনমজুর
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- মানালি থেকে লাদাখের পথে: (তৃতীয় পর্ব- দ্বিতীয় ভাগ) - আহাদিল
- নূন্যতম মজুরী নিয়ে সমঝোতার সাজানো নাটক - দিনমজুর
- জিয়া কর্তৃক তাহের হত্যাকান্ড নিয়া পি মুন্সী’র ‘অবজেবক্টিভ’ ত্যানা প্যাচাপ্যাচি প্রসঙ্গে একখান রি-অ্যাকশান পোষ্ট! - মাদারি
- পার্বত্য চট্টগ্রাম: কান্না যেমন করে রক্তের রূপ পরিগ্রহ করে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ভাষার জন্য একটি প্রান্তিক জাতিসত্তার সুদীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস: বাংলাদেশে কি সকল জাতির সকল ভাষা সমান স্বীকৃতি ও মর্যাদা পাবে ? - কুঙ্গ থাঙ
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব - পি মুন্সী
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- বাঘাইছড়ি হত্যাযজ্ঞ: পাহাড়ি-বাঙালি দ্বন্দ্ব নাকি শাসক শ্রেণীর ঔপনিবেশিক আধিপত্য? - দিনমজুর
- কয়েকটি মজার ছবি ও একটি কৌতুক (১৮+) - কুঙ্গ থাঙ
- একটু আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে আমার ধারনাটুকু বদলে দিলেন আমার বাবা - শ।মসীর
- ৩০ মিনিটের ভাষা আন্দোলন এবং গ্রামীণ ফোনের ”কাছে থাকা”! - দিনমজুর
- একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হলোঃ “আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস্”... - মুনশিয়ানা
- দেশে 'সন্ত্রাস' বিরোধী অভিযান ও চলমান 'ক্রসফায়ার' প্রসঙ্গ- (চতুর্থ অংশ) - মাহাদি হাসান
- থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ফ্যান্টাসি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস: দ্রুত সকল বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড বন্ধ করুন। - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- বাংলা ব্লগ দিবস নিয়ে ২ পয়সার ভাবনা - বিডি আইডল
- বাংলা ব্লগ দিবসের গরম গরম ছবি... (লাইভ স্ট্রীম থেকে নেওয়া) !!! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- পার্বত্য জনগনঃ উদ্বাস্তু হতে হতে ক্রমশঃ আলাদা হয়ে যাওয়া... জেগে ওঠা বিচ্ছিন্নতার বোধ... - মুনশিয়ানা
- বিশ্বব্যাঙ্ক ও আইএমএফ - গ্লোবাল অর্থনীতি (৮) - পি মুন্সী
- পাশ্চাত্য সংগীত যারা ভালবাসেন তাদের জন্য অসাধারণ কিছু গানের লিস্ট (না শুনলে মিস করবেন) - নগর সংগীত
- আইন ভেংঙ্গে শৃঙ্খলা রক্ষার বিপজ্জনক রাজনীতি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- নির্যাতন-৬ বেআইনী টিএফআই সেল, জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন - সায়েমুজজ্জামান
- এক্সপি জেনুইন করার একটি সহজ উপায়। - অমিত০৯৭
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- বেড়িবাঁধ দখল করে তৈরী হচ্ছে ৯টি শিপইয়ার্ড - আিক
- আগুনের রেস (উৎসর্গ: মনজুরুল হক) - প্রশ্নোত্তর
- রাষ্ট্রের হাতে যদি নাগরিক নিরাপত্তা না পায় তবে সেই রাষ্ট্র ব্যর্থ - প্রশ্নোত্তর
- সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি? - ভিন্ন চিন্তা
- কমপিউটারের কিছু শর্টকাট/ কীবোর্ড কমান্ড টিপস - জোবাইর
- বাংলাদেশে তেল/গ্যাস অনুসন্দ্ধানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং গ্যাস সংকটের প্রেক্ষিত। - মনোয়ার আহমদ
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- যানজটে জীবনজট-২: সম্ভাব্য সমাধান - ফারহান দাউদ
- পূনশ্চঃ ইসলামী ব্যাংক : তত্ত্ব ও প্রয়োগের অসঙ্গতি ও কিছু কথা - (শেষ পর্ব) - পড়ুয়া_পড়ুয়া
- ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট - পান্থ বিহোস
- সিরাজ শিকদার : ভুল বিপ্লবের বাঁশীওয়ালা! ১ - অমি রহমান পিয়াল
- টিপাইমূখ বাধ সংকলিত লিংক সমূহ - কিরিটি রায়
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই (দ্বিতীয় ও শেষ অংশ) - পি মুন্সী
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই - পি মুন্সী
- সর্বগ্রাসী অপ-‘বাদ’ বনাম একজন আরজ আলী মাতুব্বর এবং... [যুক্তিবোধ ও চিন্তা-চেতনায় সহনশীল পাঠকদের জন্য এই পোস্ট সংরক্ষিত] - রণদীপম বসু
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ২ - লাশ
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ১ - লাশ
- সামহোয়ারইনের মডারেশন নীতিমালা: একটি ভিন্ন পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- মধ্যযুগীয় মোল্লাবাদ বনাম সুফীবাদ - লাশ
- তিয়ান'আনমেন রক্তক্ষয়ের ২০ বছর : কি ঘটেছিল তখন ? - মেহরাব শাহরিয়ার
- আমার প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ আ ক খ - অপ্সরা
- প্রভাকরণের মৃত্যু ও তামিল ইলম - ফিরে দেখা ইতিহাস - দিগন্ত
- আসবেন আরজ আলী? - তনুজা
- আইনস্তাইন বললেই হল! সমাজতন্ত্রের মরা ভূত আর জাগবে না (উৎসর্গ ব্লগার ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান) - ভালো-মানুষ
- ডিম্বের সন্ধানে - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কল্পনা চাকমা এখন কোথায়? - বিপ্লব রহমান
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- পিলখানা গণহত্যা: গুজবের ময়না তদন্ত - ঘনাদা
- প্রধানমন্ত্রী যেসব কথার জবাব দিতে পারেন নি..... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- একটি বিদ্রোহ পরবর্তী বিশ্লেষন শ্রেণী সংঘাতই কি বিডিআর বিদ্রোহের মূল কারন? - জামাল ভাস্কর
- বিডিআর নৈরাজ্য: লাশের মাপকাঠিতে বিদ্রোহের পরিসীমা - দিনমজুর
- লাশ উৎসব - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- একটা পুরানো দালান : ইষ্ট পাকিস্তান : আমাদের আর্মির জবাবদিহিতা - শূন্য আরণ্যক
- বিডিআরের জওয়ানদের যৌক্তিক দাবী: ঘটনা,শংকা এবং ভবিষ্যৎ - ফারহান দাউদ
- আর্মির সত্যভাষণে বিডিআর ভিলেন??!! - নিকো৮১২৩
- সবুজ সততা দেখানো শুরু হয়ে গেছে , আসল সত্য কি ? - রাগ ইমন
- মুক্ত/ নাস্তিক/ সংশয়ী/ ধর্মদ্রোহী'দের যুদ্ধটা ... আসলে কাদের বিরুদ্ধে, কিসের বিরুদ্ধে ? - মনির হাসান
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- ইজরায়েল কিভাবে গাজায় মহাবিপর্যয় তৈরি করেছে(শেষ পর্ব) - আহসান হাবিব শিমুল
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- নারীর বিরুদ্ধে পারিবারিক নির্যাতন: বাংলাদেশের পুরুষতান্ত্রিক সমাজের পুনপৌনিক ঘটনার নিষিদ্ধ আলোচনা- দ্বিতীয় কিস্তি - মুনীর উদ্দীন শামীম
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি (শেষাংশ) - দিনমজুর
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি - দিনমজুর
- নবীনদের জন্য - নাদান
- যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং বর্তমান ব্লগ-বিতর্কঃ পুনর্মূল্যায়ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী এবং একজন স্বঘোষিত পর্নোষ্টার - জাতেমাতাল
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- একজন ব্লগারের নিষ্ঠা ও আমাদের নির্লিপ্ততার আক্কেল সেলামি - রাগ ইমন
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- আরব-ভূমিতে গ্রীক দর্শনের পঠন-পাঠন, আরবের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, ইসলামের উদ্ভব ও কোরআনঃ ইতিহাসের পাঠ থেকে একটি বিশ্লেষণ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ঈশ্বর ও বিজ্ঞান- "আছে" ও "নাই" প্রমাণের কথিত দ্বন্দ্ব (শেষ পর্ব) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আস্তিক-নাস্তিক সমাচার - চার্বাক দর্শন। (শেষ কিস্তি) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- নেপালে মাওবাদীদের নির্বাচনী বিজয়, বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের মিথ এবং কিছু জরুরী ভাবনা - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ -২ - দিনমজুর
- হায়রে কৃষি!!!!!!!!!! সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও একটি বিশ্লেষণ - দিনমজুর
- প্রাইভেটাইজেশন - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -১ - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -২ - দিনমজুর
- সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও আমাদের কৃষি - দিনমজুর
- মুক্তমনার অভিজিৎ ও বিপ্লব পাল- বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ, ল্যামার্ক, লাইসেঙ্কো, নভেম্বর বিপ্লব, সমাজতন্ত্র, কেরোনস্কি, প্রতি বিপ্লব, পুঁজিতন্ত্র, ঠিকাদারতন্ত্র.... ইত্যাদি - দিনমজুর
- জিএম শস্যের ভালো মন্দ - দিনমজুর
- কিভাবে অভ্র ব্যবহার করে বাংলা লিখতে হয় (বিস্তারিত) - মৃত হাসানের প্রেতাত্মা
- পলিটিক্যাল ইসলাম কয় কারে? - সাধক শঙ্কু
- "হযরত মোহাম্মদ (সঃ) কি মৃগীরোগী ছিলেন" এর মূল লেখার জবাব - জামালiiuc
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- "নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন" শীর্ষক পোস্টের তথ্যসূত্র ও টীকাঃ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কোরআনের চ্যালেঞ্জঃ যেখানে সব্বাই ফেল মারছে!!!- ১ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আজ সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিন.....আজ আমার কষ্টের দিন..... - মনজুরুল হক
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস - একরামুল হক শামীম
- অভিজিৎ এর "মার্ক্সবাদ কি বিজ্ঞান" শীর্ষক প্রবন্ধের প্রতিক্রিয়ায়- ২ - দিনমজুর
- কার্ল মার্কস ও তথাকথিত প্রকৃতি বিজ্ঞান (Natural Science) - পি মুন্সী
- ইহুদি ও খ্রিস্টান ধর্মের একমেবাদ্্বিতীয়ম ঈশ্বর চেতনা - শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- টেকি পোস্ট ঃ কমেন্টে ফটো দিবেন কিভাবে ?? - শয়তান
- এন্টি গল্প > শেষরাতের একফালি চাঁদ > - মনজুরুল হক
এন্টি গল্প > প্রাতঃকালে ঈশ্বরদর্শন >
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:২০
![]()
খুব ভোরে স্প্যানিয়েলের ঘুম ভেঙেছিল। সাধারণত ওর ঘুম ভাঙে দেরিতে। আজ কি হলো দুম করে ঘুমটা ভেঙে গেলো। অবশ্য ইদানিং ওর ঘুম কমে আসছিল। রাজ্যের সব বিদঘুঁটে চিন্তা মাথা ভার করে তুলছিল। যেমন একটা হাতঘড়ি খুলে ও অবাক হয়ে গিয়েছিল ভেতরকার কারুকার্য দেখে! কী সব ক্ষুদে ক্ষুদে জিনিসপত্তর! আচ্ছা এতো সব ছোট ছোট মেশিন-টেশিন কোন মেশিনে বানায়? মানুষ কী ভয়ঙ্কর এগিয়ে গেছে বিজ্ঞানে! ওই থেকে অবাক হওয়া শুরু। এসে থামতে হয় কম্পিউটারে! এ তো আরো ভয়ানক ব্যাপার! তারপর চিপস। সিলিকন চিপস! বালুর কণার মতো আকার বলে ওর নাম সিলিকন চিপস! ওরই মধ্যে নাকি শক্তি! কম্পিউটার, রকেট, ইন্টারনেট, সাবমেরিন ক্যাবল কতো কী? মাথাটা গুলিয়ে ওঠে। স্পেস বিষয়ে ভাবতে গেলেই ওর সবার আগে লাইলাকের কথা মনে পড়ে। বেচারা কুকুরটা নাকি এখনো সমানে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে চলেছে। সম্ভবত কুকুরের আকার আর নেই। হয়তো বা পাথরের আকার পেয়েছে............
এই গোছের ভাবনা আজকাল ওর ঘুম ফ্যাকাসে করে তুলেছে। অগত্যা আড়মোড় ভেঙে চোখ কঁচলে উঠে পড়লো। কিছুই করার নেই। খানিকক্ষণ হাই তুলে ওঁয়াও ওঁয়াও, চপাৎ চপাৎ শব্দ করে বেরিয়ে পড়লো। মাথায় তখন খেলা করছে.... চল বাপু আজ সকালের ঢাকা দেখে আসি। দুলকি চালে বেরিয়ে তেজগাঁও বড়ো রাস্তা ধরে হাঁটছে। গন্তব্য রমনা পার্ক।
ওখানে নাকি রাজ্যের সায়েব সুবোরা প্রাতঃপ্রমণ করে। পেল্লাই কারবার নাকি। বেশ, তাহলে আমিও চললাম বলে শুরু হলো স্প্যানিয়েলের হাঁটা। ওর এই স্প্যানিয়াল নামটা নিয়ে বেজায় খটকা। বেশ কয়েকবার মাকে জিজ্ঞাসা করেছে। মা এড়িয়ে গেছেন। খুব চাপাচাপি করলে বলতেন, ‘কেন মানুষের নাম রকেট, বুলেট হয় না? জাপান, জাপানি, চিনি হয় না?’ স্প্যানিয়েল মনে মনে বুঝেছে,- খুব হয়। ও যেহেতু কথা বলতে পারে না তাই মায়ের সঙ্গে তর্কে যায়নি। ও আজন্ম বোবা। গোঙ্গা নয়, বোবাই। কথা বলতে না- পারা বোবা। বলার ক্ষমতা হরণ করে সৃষ্টিকর্তা অবশ্য একেবারে ইমব্যালান্স করেননি। প্রখর করে দিয়েছেন ওর শ্রবণ, ঘ্রাণ আর দৃষ্টি শক্তি। ও ঘাসের ডগা দুমড়ানো দেখে বলে দিতে পারে কতো ওজনের মানুষের পা পড়েছিল।
যেমন আজ বেরিয়ে এক জায়গায় ঘাসের ওপরকার ছাপ দেখেই বুঝে নিলো একটু আগে যে লোকটি হেঁটে বা দৌঁড়ে গেছে তার ওজন কমপক্ষে আশি কেজি। আরো এগুতে দেখলো দুটো গুবরে পোকা গবর মনে করে মনুষ্য বর্জ্য ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে। গোটা পাঁচেক মাছি ভন ভন করে পিছু নিয়েছে। পোকা দুটো একটু অসতর্ক হলেই ওরা এসে বসবে। গুবরে দুটোও নাছোড়বান্ধা দলাটাকে এক সেকেন্ডের জন্য হাতছাড়া করছে না। ওর চোখ আটকে গেলো একটা মাদি কুকুরের ওপর দেখেই বুঝলো দিন কয়েক আগে হালিখানেক বাচ্চা বিইয়েছে। ডাস্টবিনের পাশে দাঁড়িয়ে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছে। পুরো ডাস্টবিনটা ময়লায় ভরে উপচে পড়ছে। কী নেই ওতে? চিরুনি থেকে ভাঙা সিডি। এমন কী কয়েকটা চুপসানো কনডমও আছে। নেই কেবল ভাত। ভাত কেন, কোনো রকম খাবারই নেই। আশ্চর্য ব্যাপার! ঢাকা শহরের শত শত কমিউনিটি সেন্টারে রোজ রাতে কমপক্ষে এক লাখ মানুষের খাবার উচ্ছিষ্ট হয়। মানুষগুলো বিয়ের দাওয়াত খাওয়ার সময় নিজেদের কয়েক লাখ বছর আগের প্রজাতি বনে যায়। কুকুরের মতো হাড় থেকে মাংস খসিয়ে খায়। হায়নার মতো বরাদ্দের বাইরে একথাল নিয়ে গিলতে না পেরে রেখে আসে। চিতার মতো ক্ষিপ্র গতিতে রোস্টগুলো প্লেটে তুলে নেয়। হাতির মতো শুঁড় দিয়ে একটানে চার গ্লাস বুরহানি সাবড়ে দেয়, সিংহের মতো মটমট করে মুরগির হাড় ভাঙে আর পাঁচশ বছর আগেকার কালো দাসদের মতো খাওযার পরিশ্রমে ঘামতে থাকে!
যাকগে ওসব কথা, কিন্তু ডাস্টবিনে সেই ফেলে দেওয়া খাবার থাকবে না কেন? কুকুরটা হঠাৎ বুঝতে পারে সে যা আশা করছে তা মানুষের পক্ষে করা সম্ভব নয়। কুকুর-শেয়ালরা হলে হতো। ওরা স্টোর করতে জানে না। সিংহের শিকার করা হরিণের অবশিষ্ট মাংসটুকু খেয়ে হাঁড়ের সঙ্গে লেপ্টে থাকা মাংসগুলো পাখির জন্য রাখে। পাখিরাও আবার পিঁপড়ে বা অন্যান্য ক্ষুদেদের জন্য রেখে দেয়। সব শেষে পোকাদের জন্যও কিছু না কিছু থাকে। কিন্তু মানুষ রাখে না। একেবারেই যখন পারে না তখন ফেলে দেয়। কিন্তু মানুষদের ভেতরকার আরো কিছু মানুষ ভোর হওয়ার আগেই সেসব চেটেপুটে সাবাড় করেছে। এই ধরনের মানুষের সংখ্যা যে হারে বাড়ছে তাতে ওই নেড়িটার আর বেঁচে থাকার সুযোগ নেই। ও মনে মনে ঠিক করলো এখন থেকে প্লাসটিকের ক্যান আর পলিব্যাগ খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। নেড়িটার মনের কথাটা যেন বুঝতে পারলো স্প্যানিয়েল। মুচকি হেসে মনে মনে সায় দিলো। হ্যাঁ বাছা এখন থেকে তোমাকে বিকল্প ব্যবস্থা করতেই হবে, দেখছো না এমনিতেই মনুষ্য পদভারে তোমাদের বংশবৃদ্ধির আশু কর্মকাণ্ড করার জন্য পর্যাপ্ত ফাঁকা জায়গা মিলছে না!
আবার হাঁটতে শুরু করলো স্প্যানিয়েল। মগবাজার মোড় পেরুতেই হাতের ডানে যেতে হবে জানে ও। সেভাবেই এগুচ্ছে। সামনে কয়েকটা শ্মশান পড়লো। তারপর চার চারটা গোরস্থান। গোটা তিনেক লাশ শেয়ালে তুলে এনেছে। তখনো কাফনের কাপড় জড়ানো! খুব অবাক হলো ও, দিন কয়েক আগে এক সেমিনারে শুনছিল, কারা যেন বলছে......" বন্যপ্রাণীদের বাঁচার অধিকার আদায়ের জন্য প্রয়োজনে আমাদের জীবন দিতে হবে"! ইদানিং এই শহরে ব্যালান্স করার জন্য কোনো কোনো প্রজাতির প্রাণী খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না...!’ ব্যাটাচ্ছেলেরা হয় কানা, না হয় ভদকা ভেবে পানি মেশানো দিশি খেয়ে বেহেড! শেয়ালে লাশ তুলে আনছে; আর বলে কী না বণ্যপ্রাণী কমে যাচ্ছে? মাথা হেট করে একটু ভয়ে ভয়েই ও সামনে এগুতে থাকলো।
এ মোড় ও মোড় ঘুরে অবশেষে এসে দাঁড়ালো রমনা পার্কের পাশে। মনটা ভরে উঠলো। কিচির মিচির করে পাখিরা স্বাগত জানালো। তবে হরেক কিসিমের পাখির মধ্যে ওর সবচেয়ে পছন্দ কাক। দাঁড়কাক নয়, পাতি কাকই ওর বেশি পছন্দ। কাকের রং ওকে মোহিত করে। ধূসর রঙটা এমনভাবে ম্যাচিং করা যা কাক ছাড়া অন্য কোনো পাখিতে নেই। ওরকমই একটা সুন্দর কাক হঠাৎ একটা কালো কুচকুচে গাড়ির ছাদে মলত্যাগ করে বসলো। সম্ভবত মানুষের মতো কাকদেরও সকালেই যাবতীয় ত্যাগ-ট্যাগের ব্যাপারটা হয়। দামড়া মতো দেখতে একটা বুনো শুয়োর গোছের মানুষ তেড়ে গেলো কাকটা মারতে। পারলো না। ব্যাপারটায় খুব মজা পেলো ও। মানুষ নাকি পাখিকে উড়তে দেখেই এরোপ্লেন বানাবার বুদ্ধি বার করেছিল। তো বাপ প্লেন তো বানিয়েছোই, রকেটও, কিন্তু নিজে তো এখনো উড়তে শিখলে না!? সে কারণেই এ যাত্রায় কাকটার রক্ষে !
দামড়াটা এবার পরম মমতায় নিজের রুমাল দিয়ে চুনের মতো বস্তুটা মুছে দিলো। গাড়িটা ছাড়িয়ে ও দেখলো ওরকম শতশত গাড়ি। গাড়ির যেন হাট বসেছে। আর সব গাড়ির পাশে বা ভেতর একজন করে ওই প্রথম দামড়াটার মতো একেকজন। ও এবার সাহস করে পার্কের ভেতরে ঢুকে একটা সিমেন্টের বেঞ্চে বসে পড়লো। ওর নিজের শরীরে কোনো বাড়তি মেদ নেই। তাই ঝরাবারও কোনো দায় নেই। এমনিতেও কখনো ও পার্কে আসে না। আসতে হয় না। বলতে না-পারা সাদাসিদে জীবনে কোনো কিচুই বাড়তি নেই ওর। বসে বসে একসময় একটু ঝিমুনির মতো এসেছিল। আধো ঘুম আধো জাগরণের মতো।
ওভাবেই ঘাপটি মেরে পড়ে রইলো। ফুরফুরে বাতাসে ভালোই লাগছে। হঠাৎ ওই ঘোরের মধ্যেই দেখলো ওর পাশ দিয়ে দুটো শুয়োর হেঁটে যাচ্ছে! ভুল দেখেনি তো? গায়ে চিমটি কেটে বুঝলো না ঠিকই দেখছে, স্বপ্ন টপ্ন নয়। ও দুটোকে দেখেই বুঝলো অন্তত বছর পনের ধরে প্যারেড- ট্যারেড, ব্যায়াম- ট্যায়াম করা জিনিস। তাগড়া। ওদের পেছনে তিনটে মোটাসোটা হোদল কুঁতকুঁত জলহস্তি। দেখলেই বোঝা যায় পাঁচটা জলাশয়, ন’টা সরোবর, তিনটে নদী আর গোটা দশেক পুকুরের মালিক। তাদের পেছনে ছড়ি হাতে এক সৌমকান্ত বক। সাদা ফকফকে পোশাকে সাধুসন্তের মতো চেহারা। মাথা নোয়ানো দেখে বোঝা যায় রাজার কৃপা লাভে ব্রতী হয়ে গতকালই একজন নিরাপরাধকে ফাঁসিয়েছেন। তিনি বেরিয়ে যাওয়ার পরপরই কলকল করতে করতে দেব শিশুমার্কা চেহারা নিয়ে চারপাঁচজন। শেয়াল। খুব ভালো করে দেখে বুঝলো। প্রথমে মানুষই মনে হচ্ছিল। বিদ্যা বেঁচে কোথায় কী কী রেখে- টেখে যাচ্ছে তার ফিরিস্তি শুনে বুঝলো শেয়াল। হঠাৎ একদল তরুণ-তরুণী একটা নরমণ্ডু নিয়ে দৌঁড়ে গেলো। প্রথমে ভেবেছিল.. ধ্যাত, মুণ্ডু কেন? ডাবটাব হবে, অথবা ফুটবল। কিন্তু না, ছেলেমেয়েগুলো ওর যে বাপের কাছে গাড়িতে চড়তে গেলো সেটা শ'পাঁচেক মানুষের খুলি বেঁচে কেনা হয়েছে। এক ফাঁকে দুজন পুলিশ এসে চার-পাঁচজন মানুষের কাছ থেকে তোলা নিয়ে গেলো। এক পুলিশের খায়েশ হলো মাঠা খাবে। খাবি তো খা ? না,এমনিতে খাবে না, নুন দিয়ে মাখন দিয়ে দিতে হবে। মানুষটা দিতে চাইলো না বলে মাঠার হাঁড়ি গড়িয়ে পড়লো। পুলিশ দুটো ওকে হয়তো মারতো, কিন্তু হঠাৎ দুজন গণ্ডার এসে যাওয়ায় তাদের স্যালুট দেওয়ার জন্য মাঠাওয়ালা বাঁচলো।
এক ফাঁকে একজন বেশ্যা এসে পাশে বসলো। ওর একটু লজ্জা লজ্জা লাগছিল। মেয়েটি ওর দিকে মিষ্টি করে একটা হাসি দিয়ে টানটান হয়ে শুয়ে পড়লো। ও বুঝলো, মেয়েটা ওভারটাইম করেছে। গলা আর ঘাড়ের কাছে লাল হয়ে আছে। গায়ের গন্ধে টের পেলো খুব বড়ো কোথাও যায়নি। মেয়েটি মুহূর্তেই যেন ঘুমের রাজ্যে ডুবে গেলো। এই সময় দুজন মোটা মতন মহিলা এলেন। প্রথমে ওদের কে দেখে ওর মনে হলো হয়তো মানুষ। পরে দেখলো না, বেগম সাহেবা। খুব সুন্দর শরীর হয় এদের। আরো সুন্দর হওয়ার জন্য বেশুমার গিলতে থাকে আর ঘষতে থাকে। একসময় এরা শীল মাছ হয়ে পড়ে। ওরা দুজন মেয়েটিকে দেখে থুথু ফেলার ভান করে থপ থপ করে হেঁটে চলে গেলো। হঠাৎ দুজন কালো মতন ষণ্ডা এসে মেয়েটিকে টেনে তুলে একটা ঝোপের আড়ালে নিয়ে গেলো। যদিও স্প্যানিয়েল দেখছে এখানে সবাই উলঙ্গ, ঝোপঝাড় দরকার নেই, কাজটা এখানেই করতে পারে। কিন্তু ওই কালো দুজনের সে কী লজ্জা! ওরা এখন মেয়েটিকে খাবে।
খাওয়ার কথা মনে পড়তেই ওর ইদানিংকার সেই রোগটা চাগাড় দিয়ে উঠলো... আবোল তাবোল ভাবনা।
সিমেন্টের বেঞ্চে এক টুকরো ইটের দাগে হিসাব কষতে শুরু করলো... এই মহানগরীতে কে কী খায়? কতো খায়, কীভাবে খায়, কেন খায়? স্প্যানিয়েলের চার্টটা এ রকম :........
এই নগরীর এক কোটি কুড়ি লাখ মানুষের মাত্র বিরাশি লাখ মানুষ খায় না। বাকি 'বিশাল সংখ্যক' মানুষ (আটত্রিশ লাখ) কেবলই খায়। পানিঘেরা ঘুমটি ঘরের তিনশ মানুষ চৌদ্দ কোটির চৌদ্দকোটি বাটি রক্ত খায়। কোটি দেড়েক মশা আর ছারপোকা মাত্র আঠার লিটার রক্ত খায়। দেড় লাখ কোটিপতি প্রতি দিন দেড় কোটি ক্যালরি খায়। ছাপ্পান্ন কোটি মুরগিতে মাত্র ছাপ্পান্ন মাইগ্রেন ক্যালরি হয়। শ’খানেক বিচারপতি আইন গিলে খায়। হাজার কয়েক আইনজীবী দেড় কোটি আশা-ভরসা খায়। কয়েক লাখ শিক্ষাজীবী কয়েক লাখ বিদ্যাবুদ্ধির জার্নাল খায়। কুকুরেরা মাংস পায় না, কেবলই হাড় চোষে। একটা বাঁশ বহনকারী ঠেলাগাড়ি পুরো রাস্তা খায়। একটা জেনারেল পাঁচটা দপ্তর খায়। পাঁচ পুকুর তেলাপিয়া পাঁচ টন শেওলা খায়। পাঁচ দপ্তরের আমলারা পাঁচ কোটি মানুষের মগজ শেওলা দিয়ে ঢেকে ঘিলু খায়। আস্ত একটা দামড়া গরুর মগজ মাত্র শাত'শ গ্রাম। পুরো অর্ধশত মন্ত্রীর মগজ সাত মাইগ্রেন। একটি লিফটে এগারো জন মানুষ খায়। এগারো জন মানুষ একটা গরু খায়। একটা গরুতে দেড় কেজি ঘাস খায়। তেপ্পান্ন বিঘা জমির ঘাস কেটে একজন অধ্যাপক হন এবং দেড় কেজি মগজ দেড় লাখে বিক্রি করেন। একটা মসুর ডালের অর্ধেক ঠিক ফোঁড়ার ওপর লাগিয়ে দিলে ফোঁড়া পাকে। চৌদ্দ কোটি মানুষের দঙ্গলকে চীন থেকে ঘুরিয়ে আনলেও বুদ্ধি পাকে না। এক শহর পাতিকাক আঠাশ টন নাড়িভুঁড়ি খায়, এক শহর কিশোর-কিশোরী সিডি খায়, নেট খায়, মোবাইল খায়, চ্যানেল খায়। কাকে কাকের মাংস খায় না। পুলিশে পুলিশের মাংস খায়। প্রতিদিন তিনশ বায়ান্ন বান ঢেউটিন পিটিয়ে সোজা করা হয়। প্রতিদিন পঞ্চাশ লাখ মানুষকে ঠেঙ্গিয়ে সোজা করা হয। কুকুরের লেজ তেল দিয়ে সোজা করলেও বেঁকে যায়। মোটা গর্দান, চিকন পা, ঘাড়ে ভাঁজ, টাকমাথা, পুরু ঠোঁটের সোজা ঘাড় কিছুতেই বাঁকানো যায় না। রমনা পার্কে শত শত মানুষ নির্মল হয়। হাজার হাজার স্প্যানিয়েল নির্মল জীবনকে হাতের মুঠোয় পুরে দাঁড়িয়ে থাকে। মাথাটা ভন ভন করে ঘুরে ওঠে ওর। ভাবতে ভাবতে আবার সেই পাতিকাক এসে আবারো মল ত্যাগ করুক ভাবতে চায়, কিন্তু কাকটা আসে না। কাকরা বেহায়া নয় মোটেই..........
হঠাৎই তন্দ্রা ভেঙে যায় স্প্যানিয়েলের। চোখ কঁচলে ঘোর ভাঙতে চায়। পারে না। যা কিছু একটু আগে ভাবছিল সবই বায়োস্কোপ হয়ে কিলবিল করতে থাকে। আশপাশে কোথাও সেই মেয়েটিকে দেখে না। দেখে অন্য একটি মেয়ে শিক্ষানবিশ।এতো ছোট যে দেখলে পুতুল মনে হয়। এও একটু পরে খাবার হয়ে যাবে। হয়তো একজন সাধুসন্ত বা পীর দরবেশ কর্তৃক ফিতা কেটে শুভ উদ্বোধন করা হবে............
আবারো মাথাটা গুলিয়ে ওঠে। টলমলে পায়ে উঠে দাঁড়ায়। বাড়ি ফিরতে হবে। হাঁটা শুরু করে। তখনো সূর্য ওঠেনি কেবল পুব আকাশ রাঙা হয়েছে। হাঁটতে হাঁটতে আবার সেই গোরস্থান, সেই শ্মশান। এবার দেখে কয়েকটা বিলবোর্ডে কয়েকটা সুন্দরী মেয়ে মানুষের কাটা মুণ্ড, কাটা হাত-পা নিয়ে পোজ দিচ্ছে। একটা শিশুদেহ দু'খণ্ড করে তার নিচে ক্যাপশন... 'ফিফটি ফিফটি চাঞ্চ'। মনটা খুব খারাপ হয়ে যায় ওর। দৌড়ে পালাতে চায়। চোখ বন্ধ করে ছুটতে থাকে। পায়ের তলে নড়েচড়ে উঠছে শত শত লাশ। চিৎ পটাং হয়ে মরা, আধমরা হয়ে শুয়ে আছে অনেকটা মানুষের মতো দেখতে প্রাণীগুলো। কী নেই ওই দলে? সাহেব, মেম সাহেব, পুলিশ, মিলিটারি, আধা বা সিকি মিলিটারি, চোর, ডাকাত, শিক্ষক, সাংবাদিক, মন্ত্রী, সাংসদ, ব্যবসায়ী, ব্যারিস্টার, উকিল, নাপিত, ধর্মযাজক, বিবেক যাজক, আত্মা, শরীর, স্বাধীনতা, সৌম, ছাত্র, রিকশাচালক, কুলি, সম্পাদক, সিনেমার সঙ, নাটকের নট-নটী সব। এতো সব লাশ মাড়িয়ে বাড়ি ফিরতে ফিরতে সুর্য উঠি উঠি করছে। ও ভাবলো আবারো শুয়ে পড়ি। কিন্তু শুতে গিয়ে এক বিপত্তি, কিছুতেই চিৎ হয়ে শুতে পারছে না। মন বলছে, শরীর বলছে চিৎ হয়ে টান টান সটান শুয়ে পড়তে, কিন্তু শোয়া হচ্ছে না। যতোবারই চেষ্টা করছে ততোবারই শরীর কুঁকড়ে বাঁকা হয়ে যাচ্ছে, কারণ কুকুরেরা কখনো চিৎ হয়ে শুতে পারে না।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): স্প্যানিয়েল ;
প্রকাশ করা হয়েছে: এন্টি গল্প বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:৩৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রাতমজুর বলেছেন:
ভাবনা জাগানো পোষ্ট, আরো কয়েকবার পড়তে হবে।
লেখক বলেছেন: বেশি বার পড়লে বেশি করে মন্তব্য করতে হবে কিন্তু,খিয়াল কৈরা !!
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
শুরু করলাম পড়া ... না থেমেই কয়েক লাইন পড়ে ফেল্লাম ... কিছুপরেই থমকে দাড়ালাম ।আবার প্রথম থেকে শুরু করলাম .. এবার লাইন বাই লাই .... থেমে থেমে ... রূপকগুলো বোঝার চেষ্টায় ... মাঝে কয়েকবার ভুরু কুচকে গেলো ...
শেষ পর্যন্ত পরে কিছুক্ষন চিন্তা করলাম এবার কি লিখবো !!
অ সা ধা র ন !!!
আমার পড়া এই ব্লগের সেরা লেখাগুলোর একটা এটা ।
আমি আপনার লেখার ভক্ত হয়ে গেলাম ।
লেখক বলেছেন: পোস্ট করার আগে আমার মনে হয়েছিল : এটা যথাযথ সময় নয়।এত বড় লেখা,বিশেষ করে 'অ্যাবসার্ট'ধরণের লেখা একটু সময় দাবি করে। সেক্ষেত্রে আরো পরে দেওয়া উচিৎ ছিল।
যাগগে,এই ফর্মটা আমার প্রিয়। এভাবেই লিখতে অভ্যস্থ আমি। দ্রুত পোস্ট-দ্রুত কমেন্ট,দ্রুত রি-অ্যাকশন বিবেচনায় রেখে 'ইন্সট্যান্ট কবিতা' চালিয়ে দেই।
কারো কারো অনুরোধে আমি প্রিয় লেখাগুলো দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলাম।সে কারণেই এটা দেওয়া। এটা কারো ভাল লেগেছে জেনে কিঞ্চিৎ বিস্মিতই হচ্ছি !
ধন্যবাদ রইল।
শয়তান বলেছেন:
গর্বিত সাত এর একজন হতে পেরে আমি ও গর্ব বোধ করছি । আরও ভাল লাগতো স্প্যানিয়েলের চোখ দিয়ে নিত্যদিনের ঢাকা দেখতে পাওয়ার সৌভাগ্য হলে । তবে জানেন কি ঐ সৎ সাহস আমার মত আরও অনেকেরইহবে না। হজম ই করতে পারবো না । অপ্রতুল পাঠক সংখ্যাকি সেটার দিক নির্দেশ করছে না ???
লেখক বলেছেন: করছে। আলবৎ করছে। আমি জানি । এটাই স্বাভাবিক। সে কারণেই
'সহজপাচ্য' করে কবিতা লিখি !!
আমরা তো ব্লগে কেউ কেউ 'ব্যান' খাই। আমি শালা ছিরুদাশ এই গোত্রের লেখা দিয়ে সংবাদপত্র জগতে বহুবার 'ব্যান' খাইছি !! আজকের কাগজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর গেলাম....টাকা দেন ? কইল কি জানেন ? 'আপনাগো মত লেখকদের লাইগ্যাইতো কাগজটা বন কইরা দিতে হইল !!!
যাই হোক অপ্রতুল বিষয়টা কোন দিন হয়ত'প্রতুল'ও হয়ে উঠতে পারে।
তবে স্বীকার করছি টাইমিংটা ভুল হয়েছে।
শরীর ভাল ?
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
প্রিয়তে গেল। অসাধারণ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ টাই তো দিতে পারি,আর কিছু তো নাই....
নুশেরা বলেছেন:
এমন কথনভঙ্গি এর বর্ণনায় পাঠকের চোখেই ভর করে ক্ষুরধার পর্যবেক্ষণ। অসাধারণ। মনে হচ্ছে এখন পর্যন্ত "পড়া" (পাঠক হিসেবে বলছি) সেরা এন্টিগল্প!
লেখক বলেছেন: "এখন পর্যন্ত "পড়া" (পাঠক হিসেবে বলছি)"
---------------------------------------------------
এই লাইনটার মানে বুঝিনি নুশেরা। পড়া শব্দটায় কোট আন কোট হওয়ায় বিভ্রান্ত !
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
অফ-লাইনে পড়ছিলাম। গল্পটা শেষ হলে, লগ-ইন না করে পারলাম না। অসাধারণ!
লেখক বলেছেন: খুশি হলাম মনযোগ আকৃষ্ট হওয়ায়।ধন্যবাদ।
শয়তান বলেছেন:
একটা কথা বলি । মন্তব্য না আসার মানেটা কিন্তু অপঠিত বোঝাবে না । অনেকেই আছেন অফলাইনে পড়তে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন । হয়তবা অলসতায় প্রতিক্রিয়া প্রকাশে অনিচ্ছুক থাকেন ।আর গোটা বিশ ত্রিশেক এমনি কমেন্টের চেয়ে সরস একটা মন্তবয নিশ্চই বেশী অনুপ্রাণীত করবে লেখক কে । প্রতুলতা মানেই সব কিছু না । আমি ভালো আছি ।
লেখক বলেছেন: না না , এই ছোট খাট বিষয় গুলো মোটেই আমলে নিচ্ছি না। এই লেখাটা অন্য কারো হলে আমিই তো এতক্ষণ মনোনিবেশ করতে পারতাম না হয়ত।
হিট/কমেন্ট/প্রশংসা/ঢালাও প্লাস...ব্যাপার গুলো ওভারকাম করার মত 'পোড়' এত দিনে খাওয়া হয়েছে। এ নিয়ে মোটেই বিব্রত নই।
লেখক লেখে লেখার আনন্দে।আমার আনন্দটাই লিখতে অনুপ্রাণিত করে।
বিগব্যাং বলেছেন:
মাশাল্লা ভালো...
লেখক বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ....
মানবী বলেছেন:
কিছু সময় নিয়ে ব্লগে এসেছিলাম বিভিন্ন পোস্ট পড়বো বলে, এই একটি গল্প প্রায় সবটুকু সময় নিয়ে নিলো :-)সময় নষ্ট হয়নি মোটেও! স্প্যানিওলের (!)এলোমেলো চিন্তা পাঠকের ভাবনা এলোমেলো করে দেবার জন্য যথেষ্ট!
"বোবা। বলার ক্ষমতা হরণ করে সৃষ্টিকর্তা অবশ্য একেবারে ইমব্যালান্স করেননি। প্রখর করে দিয়েছেন ওর শ্রবণ, ঘ্রাণ আর দৃষ্টি শক্তি"
- শুধু কি শ্রবন, ঘ্রাণ আর দৃষ্টি শক্তি! মনে হয় সবচেয়ে বেশি প্রখর করেছে স্প্যানিওলের চিন্তা শক্তি।
" মন বলছে, শরীর বলছে চিৎ হয়ে টান টান সটান শুয়ে পড়তে, কিন্তু শোয়া হচ্ছে না। যতোবারই চেষ্টা করছে ততোবারই শরীর কুঁকড়ে বাঁকা হয়ে যাচ্ছে, কারণ কুকুরেরা কখনো চিৎ হয়ে শুতে পারে না।"
- ছোটগল্পের সেই সুত্র "শেষ হয়ে হলো না শেষ" থেকে ছিটকে পড়েছে গল্পটি শেষ লাইনটি দিয়ে। কারন এই দুটি লাইনেই প্রায় সব কিছু বলা হয়েছে মনে হলো(এটা পাঠক হিসেবে আমার সীমাবদ্ধতার কারনেও মনে হতে পারে)।
চমৎকার একটি গল্পের জন্য অনেক ধন্যবাদ মনজুরুল হক।
লেখক বলেছেন: না। আপনি ঠিকই বলেছেন।মোটেই আপনার সীমাবদ্ধতা নয়।আপনি যেটা উল্লেখ করেছেন...- ছোটগল্পের সেই সুত্র "শেষ হয়ে হলো না শেষ"..........
এই সূত্রটাই আমি অস্বীকার করি।সে কারণে আমার গল্প গুলোর এই বিশেষ নামকরণ...'এন্টি গল্প'।
আপনাকেও ধন্যবাদ, বিনিময় সূত্রে নয়, আন্তরিকভাবেই।ভাল থাকুন।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
অ--------------সা-------ধা----র-----------ণ।প্লাস সহ প্রিয়তে রাখলাম। আপনার সব এন্টি গল্পই আমি উপভোগ করি। বাংলাদেশে আরেকজন শক্তিমান লেখক আছেন, মন্জু সরকার। আপনি কি সেই?
লেখক বলেছেন: না।মন্জু সরকার আমার অনেক সিনিয়র গল্পকার,কবি। তার অনেক বই প্রকাশিত হয়েছে।আমার একটিও না।
আপনার কথা আপনাকেই ফিরিয়ে দিচ্ছি,
" আমার স্বপ্নের রঙ লাল........
বয়সের শব্দে শুধু শোষণ ছেঁড়ার দিনকাল।"
অনেক ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন:
আমি ভিষণ অবাক হয়েছিলাম। আপনি সন্ধ্যে থেকে চার বার লগড ইন হয়েছেন,অথচ পোস্ট দেখলেন ১১টা ৫৭য় ! ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ল
প্রশংসা করলেন না নিন্দা করলেন বোঝা গেল না। এতদিন বাদে কথাটা বলার নিশ্চই কোন কারণ আছে ।
লেখক বলেছেন: এবং যীশূ সমঝদার।ধন্যবাদ।
অভিলাষীজন বলেছেন:
'অসাধারণ' লিখতে গিয়ে দেখলাম নিজেকে পুনরাবৃত্তিপ্রবন মনে হচ্ছে । তাই "অদ্ভুত এবং চমত্কার" ।
critically দেখার যোগ্যতা নেই তবু মার্জনীয় ধৃষ্টতা....
পাঠকের মধ্যে অস্থিরতা,ঘোর এবং শূন্যতা ছড়িয়ে দেবার প্রয়াস এবং সফলতা ঈর্ষণীয়।
তবে প্রাথমিক স্বাভাবিক ভাবনার অংশে (আমার যা মনে হয়েছে) "বালুর কণার মতো আকার বলে ওর নাম সিলিকন চিপস!" লেখাটার তথ্য অদ্ভুত লাগছে।
লেখক বলেছেন:
লেখাটার তথ্য অদ্ভুত লাগছে ?!
খারাপ অর্থে নাকি ভাই !
অভিলাষীজন বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন:
আপনি যে পড়েছেন তাতেই কৃতজ্ঞতা পাওয়া গেছে,
প্লাসে-মাইনাসে কি যায় আসে...
মনজুরুল হক বলেছেন:
ঠিক তাই। "বালুর কণার মতো আকার বলে ওর নাম সিলিকন চিপস!"
তবে আপনি যে "ঘোর" এর কথা বললেন, সেটি কিন্তু আমি লেখক হিসেবেও তার ভেতর ছিলাম এবং আছিও। শুনেছি কোন সৃষ্টিই নাকি ঘোর ছাড়া হয়না! শোনা কথা।
এতকাল বাদে লেখাটা আপনার মনযোগ আকর্ষণ করেছে যেনে কিছুটা হলেও লেখকের উৎফুল্লতা আসে.......
আমার ব্লগে আপনাকে পুনর্বার স্বাগতম।
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
কটাক্ষগুলো মর্মান্তিক লাগল।। আপনার এন্টিগল্পগুলো বেশ উপভোগ্য, তবে মাঝের স্ট্যাটিসটিকসটা বেশ দীর্ঘ লেগেছে - মানে প্রতিদিন এই শহরে খাওয়া-খাওয়ির স্ট্যাটিসটিকসটা আরও ছোট হতে পারত মনে হয়।।। যাইহোক, এই লেখাটা আরও একবার পড়ার ইচ্ছা রইল।।।
লেখক বলেছেন:
হিমালয়৭৭৭। আপনার দেখার চোখ অসাধারণ! আমি নিজেও ওই চ্যাপ্টারটা এডিট করে কমাতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমার পাবলিশার করতে দেয়নি। এই লেখাটা আমার সংকলনে স্থান পেয়েছে, যা গত বই মেলায় প্রকাশিত।
আপনাকে অজস্র ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: বেশ।
শায়েরী বলেছেন:
অসাধারণ
লেখক বলেছেন: এই ভোর ৫টায় চলে যাওয়ার আগে দেখলাম লিখেছেন-''অসাধারণ' !
বাধ্য হয়ে লাগড ইন হতে হলো!
ধন্যবাদ শায়েরী।
অদ্ভুত এই নিক নামটি!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















