আমার প্রিয় পোস্ট
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- আসুন আরব বর্বরদের ঘৃণ্য থাবা হতে বাকীদের মাথা বাঁচাতে তিনটি দাবীতে সোচ্চার হই - ও.জামান
- বিডিং রাউন্ড ২০১১: গ্যাস লুটের নতুন ধান্দা - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে পিএসসি চুক্তি: প্রথম আলোয় ম.তামিমের সহজ পাঠের প্রতিক্রিয়া - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে চুক্তি নিয়ে ডেইলিস্টারের মিথ্যাচারের জবাবে - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর কাছ থেকে কত টাকা খেয়ে প্রথম আলো এইরকম মিথ্যা রিপোর্ট করেছে? - দিনমজুর
- দুর্ঘটনার রাজা কনোকোফিলিপস ও বঙ্গোপসাগরের আসন্ন বিপদ: যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিপি-ব্লোআউটের আলোকে - দিনমজুর
- কনোকো-ফিলিপস এর হাতে তুলে দেয়া হলো সাগরের গ্যাস ব্লক ১০ ও ১১ - দিনমজুর
- টেলিকম বহুজাতিকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রথম আলোর অস্থিরতা - দিনমজুর
- নাস্তিক নির্ধর্মী কাফেরগন - হুশিয়ার সাবধান! - দাঁড়িপাল্লা
- অবিশ্বাসী কেউ ইসলামের সমালোচনা করলে মুসলমান ভাই-ব্রেদেরণদের উত্তেজিত হওয়ার কোন যৌক্তিক কারণ নাই। - হোরাস্
- বিমান বন্দরের নামে আড়িয়াল বিলে রাষ্ট্রীয় ভূমি আগ্রাসন! - দিনমজুর
- ১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবি হত্যার ইতিবৃত্ত - পিডিএফ সংস্করণ - নাঈম
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- হামীম গার্মেন্টস এ আগুন: গার্মেন্টস না লাশের কারখানা? - দিনমজুর
- হে রক্তমাংসহীন মেহনত! আল্লার দোহাই, পুড়ে পুড়ে কয়লা হও!! আমাদের অনেক উন্নয়ন দরকার - একজন নাগরিক
- দোহারের গান এবং আমাদের ধনী পিতার ফকির সন্তানদের গল্প - অনার্য তাপস
- কোরান কি অলৌকিক গ্রন্থ? - ১ - সজীব আকিব
- সংশোধিত ড্যাপ আবশ্যক - সচল জাহিদ
- কর্ণেল তাহের আজো প্রাসঙ্গিক ১: কর্ণেল তাহেরের পিপলস আর্মি - দিনমজুর
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- মানালি থেকে লাদাখের পথে: (তৃতীয় পর্ব- দ্বিতীয় ভাগ) - আহাদিল
- নূন্যতম মজুরী নিয়ে সমঝোতার সাজানো নাটক - দিনমজুর
- জিয়া কর্তৃক তাহের হত্যাকান্ড নিয়া পি মুন্সী’র ‘অবজেবক্টিভ’ ত্যানা প্যাচাপ্যাচি প্রসঙ্গে একখান রি-অ্যাকশান পোষ্ট! - মাদারি
- পার্বত্য চট্টগ্রাম: কান্না যেমন করে রক্তের রূপ পরিগ্রহ করে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ভাষার জন্য একটি প্রান্তিক জাতিসত্তার সুদীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস: বাংলাদেশে কি সকল জাতির সকল ভাষা সমান স্বীকৃতি ও মর্যাদা পাবে ? - কুঙ্গ থাঙ
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব - পি মুন্সী
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- বাঘাইছড়ি হত্যাযজ্ঞ: পাহাড়ি-বাঙালি দ্বন্দ্ব নাকি শাসক শ্রেণীর ঔপনিবেশিক আধিপত্য? - দিনমজুর
- কয়েকটি মজার ছবি ও একটি কৌতুক (১৮+) - কুঙ্গ থাঙ
- একটু আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে আমার ধারনাটুকু বদলে দিলেন আমার বাবা - শ।মসীর
- ৩০ মিনিটের ভাষা আন্দোলন এবং গ্রামীণ ফোনের ”কাছে থাকা”! - দিনমজুর
- একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হলোঃ “আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস্”... - মুনশিয়ানা
- দেশে 'সন্ত্রাস' বিরোধী অভিযান ও চলমান 'ক্রসফায়ার' প্রসঙ্গ- (চতুর্থ অংশ) - মাহাদি হাসান
- থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ফ্যান্টাসি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস: দ্রুত সকল বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড বন্ধ করুন। - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- বাংলা ব্লগ দিবস নিয়ে ২ পয়সার ভাবনা - বিডি আইডল
- বাংলা ব্লগ দিবসের গরম গরম ছবি... (লাইভ স্ট্রীম থেকে নেওয়া) !!! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- পার্বত্য জনগনঃ উদ্বাস্তু হতে হতে ক্রমশঃ আলাদা হয়ে যাওয়া... জেগে ওঠা বিচ্ছিন্নতার বোধ... - মুনশিয়ানা
- বিশ্বব্যাঙ্ক ও আইএমএফ - গ্লোবাল অর্থনীতি (৮) - পি মুন্সী
- পাশ্চাত্য সংগীত যারা ভালবাসেন তাদের জন্য অসাধারণ কিছু গানের লিস্ট (না শুনলে মিস করবেন) - নগর সংগীত
- আইন ভেংঙ্গে শৃঙ্খলা রক্ষার বিপজ্জনক রাজনীতি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- নির্যাতন-৬ বেআইনী টিএফআই সেল, জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন - সায়েমুজজ্জামান
- এক্সপি জেনুইন করার একটি সহজ উপায়। - অমিত০৯৭
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- বেড়িবাঁধ দখল করে তৈরী হচ্ছে ৯টি শিপইয়ার্ড - আিক
- আগুনের রেস (উৎসর্গ: মনজুরুল হক) - প্রশ্নোত্তর
- রাষ্ট্রের হাতে যদি নাগরিক নিরাপত্তা না পায় তবে সেই রাষ্ট্র ব্যর্থ - প্রশ্নোত্তর
- সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি? - ভিন্ন চিন্তা
- কমপিউটারের কিছু শর্টকাট/ কীবোর্ড কমান্ড টিপস - জোবাইর
- বাংলাদেশে তেল/গ্যাস অনুসন্দ্ধানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং গ্যাস সংকটের প্রেক্ষিত। - মনোয়ার আহমদ
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- যানজটে জীবনজট-২: সম্ভাব্য সমাধান - ফারহান দাউদ
- পূনশ্চঃ ইসলামী ব্যাংক : তত্ত্ব ও প্রয়োগের অসঙ্গতি ও কিছু কথা - (শেষ পর্ব) - পড়ুয়া_পড়ুয়া
- ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট - পান্থ বিহোস
- সিরাজ শিকদার : ভুল বিপ্লবের বাঁশীওয়ালা! ১ - অমি রহমান পিয়াল
- টিপাইমূখ বাধ সংকলিত লিংক সমূহ - কিরিটি রায়
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই (দ্বিতীয় ও শেষ অংশ) - পি মুন্সী
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই - পি মুন্সী
- সর্বগ্রাসী অপ-‘বাদ’ বনাম একজন আরজ আলী মাতুব্বর এবং... [যুক্তিবোধ ও চিন্তা-চেতনায় সহনশীল পাঠকদের জন্য এই পোস্ট সংরক্ষিত] - রণদীপম বসু
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ২ - লাশ
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ১ - লাশ
- সামহোয়ারইনের মডারেশন নীতিমালা: একটি ভিন্ন পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- মধ্যযুগীয় মোল্লাবাদ বনাম সুফীবাদ - লাশ
- তিয়ান'আনমেন রক্তক্ষয়ের ২০ বছর : কি ঘটেছিল তখন ? - মেহরাব শাহরিয়ার
- আমার প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ আ ক খ - অপ্সরা
- প্রভাকরণের মৃত্যু ও তামিল ইলম - ফিরে দেখা ইতিহাস - দিগন্ত
- আসবেন আরজ আলী? - তনুজা
- আইনস্তাইন বললেই হল! সমাজতন্ত্রের মরা ভূত আর জাগবে না (উৎসর্গ ব্লগার ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান) - ভালো-মানুষ
- ডিম্বের সন্ধানে - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কল্পনা চাকমা এখন কোথায়? - বিপ্লব রহমান
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- পিলখানা গণহত্যা: গুজবের ময়না তদন্ত - ঘনাদা
- প্রধানমন্ত্রী যেসব কথার জবাব দিতে পারেন নি..... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- একটি বিদ্রোহ পরবর্তী বিশ্লেষন শ্রেণী সংঘাতই কি বিডিআর বিদ্রোহের মূল কারন? - জামাল ভাস্কর
- বিডিআর নৈরাজ্য: লাশের মাপকাঠিতে বিদ্রোহের পরিসীমা - দিনমজুর
- লাশ উৎসব - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- একটা পুরানো দালান : ইষ্ট পাকিস্তান : আমাদের আর্মির জবাবদিহিতা - শূন্য আরণ্যক
- বিডিআরের জওয়ানদের যৌক্তিক দাবী: ঘটনা,শংকা এবং ভবিষ্যৎ - ফারহান দাউদ
- আর্মির সত্যভাষণে বিডিআর ভিলেন??!! - নিকো৮১২৩
- সবুজ সততা দেখানো শুরু হয়ে গেছে , আসল সত্য কি ? - রাগ ইমন
- মুক্ত/ নাস্তিক/ সংশয়ী/ ধর্মদ্রোহী'দের যুদ্ধটা ... আসলে কাদের বিরুদ্ধে, কিসের বিরুদ্ধে ? - মনির হাসান
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- ইজরায়েল কিভাবে গাজায় মহাবিপর্যয় তৈরি করেছে(শেষ পর্ব) - আহসান হাবিব শিমুল
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- নারীর বিরুদ্ধে পারিবারিক নির্যাতন: বাংলাদেশের পুরুষতান্ত্রিক সমাজের পুনপৌনিক ঘটনার নিষিদ্ধ আলোচনা- দ্বিতীয় কিস্তি - মুনীর উদ্দীন শামীম
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি (শেষাংশ) - দিনমজুর
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি - দিনমজুর
- নবীনদের জন্য - নাদান
- যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং বর্তমান ব্লগ-বিতর্কঃ পুনর্মূল্যায়ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী এবং একজন স্বঘোষিত পর্নোষ্টার - জাতেমাতাল
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- একজন ব্লগারের নিষ্ঠা ও আমাদের নির্লিপ্ততার আক্কেল সেলামি - রাগ ইমন
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- আরব-ভূমিতে গ্রীক দর্শনের পঠন-পাঠন, আরবের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, ইসলামের উদ্ভব ও কোরআনঃ ইতিহাসের পাঠ থেকে একটি বিশ্লেষণ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ঈশ্বর ও বিজ্ঞান- "আছে" ও "নাই" প্রমাণের কথিত দ্বন্দ্ব (শেষ পর্ব) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আস্তিক-নাস্তিক সমাচার - চার্বাক দর্শন। (শেষ কিস্তি) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- নেপালে মাওবাদীদের নির্বাচনী বিজয়, বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের মিথ এবং কিছু জরুরী ভাবনা - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ -২ - দিনমজুর
- হায়রে কৃষি!!!!!!!!!! সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও একটি বিশ্লেষণ - দিনমজুর
- প্রাইভেটাইজেশন - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -১ - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -২ - দিনমজুর
- সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও আমাদের কৃষি - দিনমজুর
- মুক্তমনার অভিজিৎ ও বিপ্লব পাল- বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ, ল্যামার্ক, লাইসেঙ্কো, নভেম্বর বিপ্লব, সমাজতন্ত্র, কেরোনস্কি, প্রতি বিপ্লব, পুঁজিতন্ত্র, ঠিকাদারতন্ত্র.... ইত্যাদি - দিনমজুর
- জিএম শস্যের ভালো মন্দ - দিনমজুর
- কিভাবে অভ্র ব্যবহার করে বাংলা লিখতে হয় (বিস্তারিত) - মৃত হাসানের প্রেতাত্মা
- পলিটিক্যাল ইসলাম কয় কারে? - সাধক শঙ্কু
- "হযরত মোহাম্মদ (সঃ) কি মৃগীরোগী ছিলেন" এর মূল লেখার জবাব - জামালiiuc
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- "নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন" শীর্ষক পোস্টের তথ্যসূত্র ও টীকাঃ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কোরআনের চ্যালেঞ্জঃ যেখানে সব্বাই ফেল মারছে!!!- ১ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আজ সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিন.....আজ আমার কষ্টের দিন..... - মনজুরুল হক
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস - একরামুল হক শামীম
- অভিজিৎ এর "মার্ক্সবাদ কি বিজ্ঞান" শীর্ষক প্রবন্ধের প্রতিক্রিয়ায়- ২ - দিনমজুর
- কার্ল মার্কস ও তথাকথিত প্রকৃতি বিজ্ঞান (Natural Science) - পি মুন্সী
- ইহুদি ও খ্রিস্টান ধর্মের একমেবাদ্্বিতীয়ম ঈশ্বর চেতনা - শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- টেকি পোস্ট ঃ কমেন্টে ফটো দিবেন কিভাবে ?? - শয়তান
- এন্টি গল্প > শেষরাতের একফালি চাঁদ > - মনজুরুল হক
আমরা বিজয় দেখেছি খালি চোখে - আমরা বিজয় দেখছি দূরবীনে !
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৩
একজন বাংলাদেশী লেখক-সাংবাদিক আলবেনিয়া সফর করছিলেন। তিরানায় কয়েকজন তরুণের সঙ্গে তার কথা হচ্ছিল, যারা অবজ্ঞা-অবহেলায় এনভার হোক্সার নয়া আলবেনিয়াকে নিয়ে তামাশা করছিল। কেন তিরানা রোম, এথেন্স বা ভিয়েনার মতো জৌলুস-জাঁকে পরিপূর্ণ নয় তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল। স্পষ্টতই রোম, এথেন্স, প্যারিসের সঙ্গে ছুটতে চাইছিল ওরা।ওই লেখক বলেছিলেন, "অর্জন তো করেনি, জন্মসূত্রে যা পেয়েছো হেলায় ধ্বংস করো না। জন্ম-জন্মান্তরের ফিরে পাবে না," (হুবহু উদ্ধৃত নয়)।
তিনি যখন তিরানার তরুণদের সতর্ক করছিলেন তারও পনেরো বছর আগে আমাদের তরুণ প্রজন্ম তাদের যুদ্ধে পাওয়া স্বাধীনতাকে, ছিনিয়ে আনা স্বদেশকে, রক্তাক্তত মুক্তিযুদ্ধকে খুঁইয়ে বসেছে। আমার লেখালেখির সময়কালে অনেক বিষয়ে লিখেছি। কখনো মুক্তিযুদ্ধ-বিজয়-স্বাধীনতা নিয়ে লিখিনি। লিখতে পারিনি। চোখের সামনে প্রিয় মানুষটি পুড়ে অঙ্গার হলে যে অনুভূতি হয় তা-ই হয়েছিল এখনো হয়। অসহ্য যন্ত্রণা আর ভয়ঙ্করতম ব্যর্থতায় কখনোই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লিখিনি। একসঙ্গে হাজার হাজার লেখা কলমের ডগা দিয়ে বেরুতে গিয়ে জট পাকিয়ে গেছে। অসহ্য ক্ষোভে বধির হয়ে গেছি যেন। ৩৭টি বছর ধরে কানের ভেতর একধরনের ভোঁতা ভোঁ ভোঁ শব্দ বেজেছে। গুমরে ওঠা হতাশা, ব্যর্থতা, লজ্জা, অপারগতা দলা পাকিয়ে গলার কাছটিতে উঠে এসেছে। এ যেন চেয়ে চেয়ে মহাদেশ ডুবতে থাকার জান্তব দৃশ্যাবলির বায়োস্কোপ।আজ বিজয়ের মাসে লিখতে বসে ক্ষতের ওপরকার পাতলা পলেস্তারা খোঁচা দিয়ে তুলে দিলাম যেন। কাঁচা হয়ে যাওয়া ওই ক্ষত এখন দগদগে। কী লিখবো? বাঙালির পরাজয়ের ইতিহাস? সাধের ছোট্ট ৫৬ হাজার বর্গমাইলের অ্যাকুরিয়ামের ভেঙে যাওয়ার ইতিহাস? বিজিতের রক্তচুর সামনে বসে স্বাধীনতার নামতা পড়ার ইতিহাস? নাকি সেই হতভাগাদের কাসুন্দি, যারা বৈষম্য দেখেছে, সংগ্রাম দেখেছে, যুদ্ধ দেখেছে, সর্বগ্রাসী অত্যাচার দেখেছে, স্বাধীনতা দেখেছে। আবার চোখের পলকে বিজয়-স্বাধীনতা লুট হতে দেখেছে? স্পষ্টতই অনুভব করি, আমরা সেই ক্রান্তিকালের মানুষ, যারা ইতিহাসের চৌর্যবৃত্তিতে নিঃস্ব, অথচ আঁকড়ে ধরে রেখেছে পোড়া ভিটের পোড়া খুঁটির শেষাংশ।
এই জনপদের বাঙালিরা সম্ভবত বিশ্বের একমাত্র জাতি যারা ত্রিশ লাখ মানুষের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার মাত্র তিন/চার বছরেই শহীদদের সংখ্যা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। যুদ্ধের সহায়ককে নিয়ে তামাশা করেছে। যুদ্ধের নেতার নেতৃত্ব নিয়ে সন্দেহ করেছে। অবিশ্বাস করেছে। একসময় সন্দেহগুলো পাকাপোক্ত হয়ে সিদ্ধান্তে দাঁড়িয়ে গেছে। এই জাতি তার বীরাঙ্গনাদের নিয়ে অশ্লীল মস্করা করেছে। নয় মাসের যুদ্ধকে চাপিয়ে দেওয়া বলেছে। পবিত্র ভূমি (!) পাকিস্তান ভাঙার জন্য ভারতকে শত্র“ বলে কাঠগড়ায় তুলেছে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে ভারতের ষড়যন্ত্র বলেছে। শেখ মুজিবকে ‘২৫ মার্চের স্কেপিস্ট’ বলেছে। ‘পলায়নপর সুবিধাবাদী’ বলেছে। পরে ভৎর্সনা করেছে। জাতির পিতা বিষয়ে বেশুমার মস্করা করেছে। বঙ্গবন্ধুর চারপাশের বর্ণচোরাদের অনুগুণ্ঠন খুলে গেছে। একসময় মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় তাকে সপরিবারে হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাওয়া স্বদেশ কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুঁকছে। অতঃপর নতুন প্রজন্ম বলতে শুরু করেছে, ‘গন্ডোগোলের বছর’। নতুন প্রজন্ম একাত্তরের সেই আত্মবলিদানকে বলেছে, গেঁয়ো কিছু মানুষের আহম্মকি!
আমার খুব হাসি পায়, যখন দেখি আমাদের বিদ্বোৎজনরা বলেন, এদেশের নব্বই-পঁচানব্বই ভাগ মানুষই সে সময়ে স্বাধীনতার জন্য লড়েছিল, পক্ষে ছিল। সবাই কোনো না কোনোভাবে যুদ্ধের ভেতরেই ছিল। হাসি পায়। দুঃখবোধ করি। আমার সরল যুক্তি দিয়ে বুঝি, তা-ই যদি হতো তাহলে মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় মুক্তিযুদ্ধের স্থপতিকে হত্যা করতাম না। চার বছরের মাথায় মুক্তিযুদ্ধের বিভীষণরা ক্ষমতা দখলের রক্তয়ী হত্যালীলায় মত্ত হতো না। পাঁচ বছরের মাথায় পরাজিত রাজাকার-আলবদররা দাঁপিয়ে বেড়াতো না। এক দশকের মাথায় মোটা দাগে জাতিটা দ্বিখণ্ডিত হতো না। দেড় দশকের মাথায় ‘মুক্তিযোদ্ধা ছিলাম’ বলতে লজ্জা পেতো না। দুই দশকের মাথায় মুক্তিযুদ্ধের কাঠের পুতুলকে প্রাণ সঞ্চার করে ‘ডামি মহানায়ক’ বানাতো না। আড়াই দশকের মাথায় মুক্তিযুদ্ধকে ‘পুরোনো প্যাঁচাল’ বলে আঁস্তাবলে ছুড়ে ফেলা হতো না। তিন দশকের মাথায় সরাসরি রাজাকার-আলবদররা তখতে তাউসে বসে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীনতা, সেক্যুলারিজম, আর লাখ লাখ নরনারীর আত্মত্যাগের পশ্চাৎদ্দেশে লাথি মেরে ইতিহাস ভুলিয়ে দিতো না। আমি বিশ্বাস করি যারা সে সময়ে কোলাবরেটর হতে পেরেছে তারা দেশে থাকতে পেরেছে। আপোস করে থেকেছে, (শিক্ষিতজনদের কথা বলছি) যারা মরতে মরতে অবশিষ্টটুকু ভারতে পালিয়েছে, তারা যুদ্ধ করেছে। যারা প্রাণকে তুচ্ছ করতে শিখেছে, তারা যোদ্ধা হতে ভারতে গেছে। পালিয়ে পালিয়ে দেশের ভেতর যুদ্ধ করেছে। যারা বুদ্ধিমান তারা মরতে চায়নি। আবেগকে বশ করে বাস্তবজ্ঞান সম্পন্ন হয়েছে। তারা দেশে থেকে কোলাবরেটর হয়েছে। দালাল হয়েছে। দালালরা ক্ষমতা দখল করার পর দালাল থেকে ‘মানুষ’ হয়েছে। সেই মানুষেরা এখন ক্ষমতার আগাপাশতলা আলোকিত করে ইতিহাস নির্মাণ করছেন। বিকৃত, খণ্ডিত, ভগ্ন, পরিত্যাক্ত বেজন্মা ইতিহাস। এ জাতির সিংহভাগকেই আমি দালাল বলছি, কোলাবরেটর বলছি, বেজন্মা বলছি। কারণ তারা জন্ম ইতিহাসকে সন্দেহ করেছে, অবিশ্বাস করেছে, পরিত্যাগ করেছে। প্রতিবাদ করেনি। প্রতিরোধ করেনি। আর সে কারণেই তিরিশ লাখ শহীদের সঙ্গে এই জাতি বেঈমানি করেছে। আর তাই কমবেশি প্রতিটি শিক্ষিত বাঙালিই এক একটি আঁস্ত স্কাউন্ড্রেল। ইতিহাসের বর্জ্য।
মেহেরপুর-বেতাই সীমান্তে আমি দেখেছি, সেই ১১ বছর বয়সে দেখেছি, বাঙ্কারে বাঙ্কারে দেখেছি একএকটি টিমে ২০ জন সাধারণ মানুষের সঙ্গে একজন বিডিআর (তৎকালীন ইপিআর)। ২৫/৩০ জন সাধারণের সঙ্গে একজন সেনা সদস্য। ৯০/১০০ জন মুক্তিযোদ্ধার নেতৃত্বে একজন ক্যাপটেন বা লেফটেন্যান্ট। আমি দেখেছি ফ্রন্ট লাইনের একেবারে সামনে কাছা দেওয়া কৃষকের ছেলে। পরের ব্যাকআপে কলেজ পড়ুয়ারা। তারও পেছনে সেনা-বিডিআর বা আর্মড ফোর্স। এবং এদের সবাইকে ব্যাকআপ দিচ্ছে আর্টিলারি নিয়ে ভারতীয় সেনা। আনুপাতিক হিসাবে হাজার বিশেক বাঙালি সেনা/বিডিআর/পুলিশদের সঙ্গে সম্মুখ আর গেরিলা মিলিয়ে লাখ দুয়েক মুক্তিযোদ্ধা। গড় করলে ২.০০ = ০.০০২০! এখন দেশ-সমাজ-ক্ষমতা-ইতিহাস বেদখল হওয়ার পর শুনছি, দেশ স্বাধীন করেছে আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী। ব্রাভো!
চতুর্দশ শতক থেকে উনবিংশ শতক জুড়ে ল্যাটিন আমেরিকার দেশে দেশে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। ইনকা সভ্যতার ধারক ইন্ডিয়ানরা যুদ্ধ করেছে স্প্যানিশদের বিরুদ্ধে, ইংরেজদের বিরুদ্ধে, ফরাসি আর পর্তুগিজদের বিরুদ্ধে। পুরোটা উনবিংশ এবং বিংশ শতক জুড়ে কালো আফ্রিকানরা সাদা ইউরোপীয়দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। মাতৃভূমিকে মুক্ত করেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগুনে পুড়ে পূর্ব ইউরোপীয়রা পুঁজিবাদ আর সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছে। বিংশ শতকের মাঝামাঝি এশিয়া-পূর্ব এশিয়ার দেশে দেশে মুক্তিযুদ্ধ সগৌরবে জয়ী হয়েছে। ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, ইতালি, পর্তুগালের নিগড় থেকে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছে। এইসব একএকটি সংগ্রাম, একএকটি যুদ্ধ বছরের পর বছর ধরে স্বাধীনচেতা মানুষ তৈরি করেছে। আত্মমর্যাদাশীল জাতি তৈরি করেছে। এরা কেউ, হ্যাঁ এরা কেউই তাদের জন্মইতিহাস কলঙ্কিত করেনি। সন্দেহ করেনি। অস্বীকার করেনি। বেজন্মার মতো জন্ম নিয়ে তামাশা করেনি।
কিন্তু এই বাংলা করেছে। এই বাঙালি করেছে। আর সে কারণেই এই বাঙালিকে তার সূর্যসন্তানদের আত্মবলিদানকে শ্রদ্ধা করার জন্য নতুন প্রজন্মকে করজোড়ে অনুরোধ করতে হয়। কখনো বা আইনি তকমা দিতে হয়। মনে করিয়ে দিতে হয়, তাদের পূর্বপুরুষরা একদা অকাতরে প্রাণ দিয়েছিল। কষ্ট চেপে মনে করাতে হয় তাদের পূর্বপুরুষদের অকাতরে প্রাণদানের বেদিতেই আজ অবশিষ্টদের কতল করা হচ্ছে। তা না হলে নতুনরা বিস্মৃত হয়। দূরবীন দিয়ে চেনাতে হয়, ‘দেখো এ নয় ও যুদ্ধ করেছিল’! এ নয় ওর নেতৃত্বে যুদ্ধ হয়েছিল!
এখন আমরা স্টুপিড-স্কাউন্ড্রেল মেনে নেয়ার দলরা যে রেজিমে বাস করছি তারা কেউ মুক্তিযুদ্ধ করেনি। যৌবনের তরঙ্গে গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়েছিল মাত্র। কারণ কোনো মুক্তিযোদ্ধা তার জন্ম জঠোরকে অস্বীকার করতে পারে না। আমাদের ‘ভেদবুদ্ধিহীন বোকা আত্মবলিদানকারী মুক্তিযোদ্ধারা’ আমাদেরকে একটা স্বাধীন ভূখণ্ড দিয়েছিল। সেই ভূখণ্ডে এখন যারা শাসন করছেন, হোক না তার নাম জিয়া-এরশাদ-খালেদা-নিজামী এরা কেউ মুক্তিযুদ্ধ করেনি। হয়তো যুদ্ধ করেছে মাত্র সেনার চাকরির নিয়মে (সেনাকে বেতন-ভাতা দেওয়াই হয় যুদ্ধ করার জন্য)। এরা বাংলাদেশটাকে জন্মইতিহাসহীন ‘জারজ’ বানিয়েছে। সেই জারজত্বকে স্থায়ী করার জন্য একের পর এক প্রজন্ম বানিয়েছে। তারা আধুনিক। স্পার্ম আর ডিম্বাণুর জায়গট ফরমেশন বোঝে না। শুধু বোঝে কম্মটি টেস্ট টিউবেও হয়। এই আধুনিক প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধ মানে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা। লাখ লাখ কৃষক-শ্রমিকের সন্তানদের আত্মত্যাগ অ্যামেচার ডিজাস্টার। আমি জন্মজন্মান্তরবাদে বিশ্বাসী নই, হলে বলতাম, হে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের শহীদ সূর্যসন্তানরা পরজন্মের সময় এসেছে। উঠে এসে আমাদের অপবিত্র পাপবিদ্ধ সর্বশরীরে থু থু দিয়ে যাও, আমরা স্বাধীনতা ‘ভোগ’ করছি বেজন্মা ইতরের মতো, দাম না চুকিয়েই !!
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মুক্তিযুদ্ধ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ, স্মৃতিকথা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:০২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রাঙা মীয়া বলেছেন:
হে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের শহীদ সূর্যসন্তানরা পরজন্মের সময় এসেছে। উঠে এসে আমাদের অপবিত্র পাপবিদ্ধ সর্বশরীরে থু থু দিয়ে যাও, আমরা স্বাধীনতা ‘ভোগ’ করছি বেজন্মা ইতরের মতো, দাম না চুকিয়েই !!
লেখক বলেছেন: কষ্টটা দিন দিন বাড়ছে।ধন্যবাদ আপনাকে।
কেমিকেল আলী বলেছেন:
অনেক সুন্দর করে আমার মনের কথাগুলোই যেন লিখেছেন।এই বিজয়ের মাসে আরও বেশি এই রকম লেখা আশা করছি আপনার থেকে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। চেষ্টা করব।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
কি আর বলবো শুধু নিজেকে মনে করিয়ে দিচ্ছি-
অর্জন তো করেনি, জন্মসূত্রে যা পেয়েছো হেলায় ধ্বংস করো না। জন্ম-জন্মান্তরের ফিরে পাবে না
প্রিয় পোস্ট।
লেখক বলেছেন: এই ধরণের লেখাগুলো অনেক জমে আছে। টাইপের অলসতার জন্য দেওয়া হয় না। ভাবছি এখন থেকে দিতেই থাকব।কাল আর একটা দেব।
ধন্যবাদ শামীম।
লেখক বলেছেন: স্টক শেষ হয় নাই। হবে না। লিখতেই থাকব। আমৃত্যু লিখব।
শঙ্খচীল বলেছেন:
জিয়া মুক্তিযোদ্ধা করে নি ! হাসাইলেন। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটা বড় লেকচার দিয়ে নিজেই ইতিহাস বিকৃ্তি করলেন। আরো লিখেছেন, সেনা সদস্যরা বেতনের জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেছে। এই লাইন লিখে দেশের বীর শ্রেস্ট দের ও অপমান করে ছাড়লেন।
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: "যুদ্ধ করেছে মাত্র সেনার চাকরির নিয়মে (সেনাকে বেতন-ভাতা দেওয়াই হয় যুদ্ধ করার জন্য)"
চান্দু! এই লাইনটা পড়তে ভুলছেন? তাই তো কই দূর থিকাই গন্ধ পাইতেছিলাম! আইসা দেহি মরা শকুন আয়া পরছে!
বেতনের লাইগ্যা যুদ্ধ করছে কে কইল? বলা হইল তাদের বেতন দেওয়া হয় যুদ্ধ কইরা দেশ রক্ষার জন্য। তাদের সাথে বিনা পয়সায় বিনা স্বার্থে যুদ্ধে যাওয়া কৃষকের কথা কওয়া হইছে।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
একটা কথা আমার সবসময়ই মনে হয়, কেউ হয়তো বলবে আমি মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে, কিন্তু তারপরও আমি সন্দেহ পোষণ করবোই যে এমন কোন মাপকাঠির ভিত্তিতে মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্য থেকে কয়েকজনকে বিশেষ মর্যাদা দেয়া হয়েছে...বীরশ্রেষ্ঠ পদক দেয়া হয়েছে, যেখানে একজন সিভিলিয়ানও বীরশ্রেষ্ঠ হতে পারেনি!! সাধারণ মানুষ কি তবে যুদ্ধ করেনি? আর জীবনের ঝুকি নিয়েই সবাই লড়েছিল, কেউ বেঁচে ফিরেছেন, কেউ শহীদ হয়েছেন। তাহলে কেন এদের মধ্যে বৈষম্য করা হলো? বীরশ্রেষ্ঠ, বীরপ্রতীক এসব সম্মান দিয়ে কি স্পটলাইটের বাইরের মুক্তিযোদ্ধাদের তামাশা করা হলো না?এখন তাই মর্যাদাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা ঋণখেলাপির তালিকায়, আর ঠ্যাংকাটা মুক্তিযোদ্ধা রিকশা চালায় দেখে পুরো যুদ্ধ নিয়ে আমরা নতুন প্রজন্ম ব্যাপকই কৌতুক অনুভব করি
লেখক বলেছেন:
দুঃখটা এখানেই! যে চাষার ছেলেগুলো হাসতে হাসতে মরল তাদের চোখের সামনে থেকে যুদ্ধজয়ের কৃতিত্ব ছিনতাই হয়ে গেল। তারা আর খেতাবের জন্য মনোনিত হলো না।
রোবট রাজকন্যা বলেছেন:
আমাদের ব্যর্থতা। আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের তাঁদের প্রাপ্য সম্মান দিতে পারিনি। আমরা আমাদের স্বাধীনতার মূল্য বুঝিনিএকটা বইয়ে পড়েছিলাম, কোন এক ব্রিটিশ তরুণী বাংলাদেশে ওয়ার সিমেট্রিতে আসতে চায়... তাদের ওয়ার হিরোদের সম্মান জানাতে । অথচ তাঁদের যুদ্ধ ছিলো অনেকটা ঔপেনিবেশিক।
আর আমাদের পূর্বপুরুষরা যুদ্ধ করেছেন, দেশ মাতৃকাকে রক্ষার জন্য। হানাদার প্রতিরোধের জন্য। সেই নিশর্ত আত্মত্যাগীদের সম্মানে আমরা কি করেছি ভাবলে শুধু লজ্জাই পেতে হয়
লেখক বলেছেন: আমরা এখন এটা করতে পারি যে আমাদের পরবর্তি প্রজন্ম যেন আমাদের মত হিপোক্র্যাট না হয়।
ধন্যবাদ আপনাকে।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: অভিনন্দন নিন।
মনির হাসান বলেছেন:
মনজুরুল ভাই ...নিয়তিকে আর দোষ দিতে ভালোলাগেনা।
কোথায় যেন পড়েছিলাম ...
প্রত্যেকে তার অবস্থানের জন্য নিজেই দায়ী।
যে অসহায়ত্ব থেকে লিখেছেন তার দংশনেই নিজেই কাতর হই প্রায়'ই ...
প্রায় ৩০ বছরের একটা বিশাল বেজন্মা জাতিতে পরিনত হয়েছি আমরা (কিম্বা সুচতুরভাবে "করা" হয়েছে আমাদের) ...
এর কোন'ও তরিৎ সমাধান আছে কি ?
হয়তো নেই ?
হয়তো আর'ও ৬০ বছর লেগে যাবে এই বেজন্মত্ব কাটাতে কিম্বা আর'ও বেশি ...
কিন্তু যদি আপনি, আমি, আমরাঃ মাঠে না নামি তো ... গলা না উচাই ..
ফাকা মাঠে বেজন্মা তৈরীর কারবারীরা কিন্তু ঠিক'ই উৎপাদন করে যাবে ...
ভেবে দেখুন আর'ও কি একটা আস্ত অন্ধ প্রজন্ম আস্তে যাচ্ছে ..
যারা কখন'ও এই ঠ্যাংকাটা মুক্তিযোদ্ধা গুলোকে'ও দেখতে পারবেনা ...
আমরাই শেষ প্রজন্ম যারা ভুলাভাল দেখে'শুনে'ও কাছাকাছি সত্যটাকে উপলব্ধি করতে পারি ... তারা'তো তাও পারবেনা ।
তখন দেখবেন .. আদৌ সেই পয়েন্টে আর ফিরে আসা হবে না যেটার জন্য আপনার আমার, আমাদের এই আহাজারি ...
চলেন সবাই শেষবারের মত একটু মরিয়া হই ..
.
লেখক বলেছেন:
মনির। আপনার মন্তব্যের বিষয়ে কাল লিখব।
আজ আর ভাল লাগছে না।
ধন্যবাদ রইল।
"এই জনপদের বাঙালিরা সম্ভবত বিশ্বের একমাত্র জাতি যারা ত্রিশ লাখ মানুষের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার মাত্র তিন/চার বছরেই শহীদদের সংখ্যা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। যুদ্ধের সহায়ককে নিয়ে তামাশা করেছে। যুদ্ধের নেতার নেতৃত্ব নিয়ে সন্দেহ করেছে। অবিশ্বাস করেছে। একসময় সন্দেহগুলো পাকাপোক্ত হয়ে সিদ্ধান্তে দাঁড়িয়ে গেছে। এই জাতি তার বীরাঙ্গনাদের নিয়ে অশ্লীল মস্করা করেছে। নয় মাসের যুদ্ধকে চাপিয়ে দেওয়া বলেছে। পবিত্র ভূমি (!) পাকিস্তান ভাঙার জন্য ভারতকে শত্র“ বলে কাঠগড়ায় তুলেছে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে ভারতের ষড়যন্ত্র বলেছে। শেখ মুজিবকে ‘২৫ মার্চের স্কেপিস্ট’ বলেছে। ‘পলায়নপর সুবিধাবাদী’ বলেছে। পরে ভর্ৎসনা করেছে। জাতির পিতা বিষয়ে বেশুমার মস্করা করেছে। বঙ্গবন্ধুর চারপাশের বর্ণচোরাদের অনুগুণ্ঠন খুলে গেছে। একসময় মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় তাকে সপরিবারে হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাওয়া স্বদেশ কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুঁকছে। অতঃপর নতুন প্রজন্ম বলতে শুরু করেছে, ‘গন্ডোগোলের বছর’। নতুন প্রজন্ম একাত্তরের সেই আত্মবলিদানকে বলেছে, গেঁয়ো কিছু মানুষের আহম্মকি!"
আপনার যুক্তিশীল আর তীক্ষ্ণ খোঁচাগুলো যদি এই নোংরা মানুষগুলো গায়ে যন্ত্রণা হয়ে বিঁধতো তাহলেও যদি ওদের বিবেকে একটু ধাক্কা লাগতো!!! ঘৃণা, লজ্জ্বা আর গনগনে অনুভূতি নিয়ে পোস্ট পড়ে বিদায় নিচ্ছি। শুধু বলতে পারি... "আমি সত্যিই খুব দুঃখিত!"
লেখক বলেছেন:
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা ,
আপনার চমৎকার মন্তব্যটি নিয়েও কাল আলোচনা হবে।
আজ খুব ক্লান্তি লাগছে।
ভাল থাকবেন।
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন:
হে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের শহীদ সূর্যসন্তানরা পরজন্মের সময় এসেছে। উঠে এসে আমাদের অপবিত্র পাপবিদ্ধ সর্বশরীরে থু থু দিয়ে যাও, আমরা স্বাধীনতা ‘ভোগ’ করছি বেজন্মা ইতরের মতো, দাম না চুকিয়েই !!এর বেশী ভালো কোন মন্তব্যের ভাষা আমার জানা নেই। অসাধারণ লেখা। মুক্তিযুদ্ধ বাংলার ইতিহাস। সেই ইতিহাস নিয়ে ছিনিবিনি সহ্য হয় না। আজও এ জাতি ইতিহাস নিয়ে টানাটানি করে। একটি মাত্র স্ট্যান্ডে এ জাতি দাড়াতে পারে নি। কোনো একটি বিষয়ে এ জাতি যুদ্ধের পর একটি বারের জন্যও একই কাতারে দাড়াতে পারেনি। অনেকে হয়তো বলবে, সৈরশাসক এর বিরুদ্ধে আন্দোলনের জন্য মাঠে এক সাথে এ জাতি ছিল। কিন্তু আমি বলবো সে দাবি এখন আর করাও লজ্জাজনক। কারণ, যাকে সৈরশাসক বলে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের আদায় করা হলো। সেই সৈরশাসক এখন মহাজটের অংশীদার। সুতরাং বারবার এ জাতি কলংকিত হচ্ছে।
বাংলার ইতিহাস এখন ক্রন্দন শুরু করছে। তাই ইতিহাস এখন পুনরায় জন্ম চায় সে সব বীরদের যারা স্বার্থহীনভাবে অকপটে নিজের প্রাণকে বিসর্জন দিয়ে গেছেন! ইতিহাস এখন চায় সেই সব বীরদের.......
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
আমাদের এখন কি করতে হবে আমি জানি না। শুধু জানি এই চলমান অস্থির দশা থেকে মুক্তি চাই। এই দমবন্ধদশা থেকে বাঁচতে চাই। আর সেই বাঁচার আকুতি কারো কর্ণকূহরে পৌঁছাবে না,যদি আমরা জোরে চিৎকার না করি!
এখন চিৎকার করে বলার সময় এসেছে মানুষ...কাতারবদ্ধ হও!! আগুয়ান হও!!!
সত্যান্বেষী বলেছেন:
এদেশে কেবলি একাত্তর এসেছে। রেঁনেসা আসেনি। পঞ্চান্ন হাজার বর্গমাইলের ভিটা হয়েছে। ঘর বোনার কৌশল শিখিনি। আমরা তাই কেবলি বেচেবর্তে থাকি কিছু বছর, জীবন বুঝিনা। ভবিষ্যতের ভিতর ছিটকে পড়ে আছি প্রাগৈতিহাসিক মানুষ।
লেখক বলেছেন:
এগার-বার শ' বছর আগেও এমনি ছিল পরাজয় আর গ্লানির ইতিহাস। আমাদের বেকুব অথবা মতলববাজ ইতিহাসবেত্তারা তাদের মত করে গৌরবের পলেস্তারা মিশিয়ে যা নির্মাণ করেছে তাই নিয়েই আমাদের মেকি গর্ব! বাঙালি কোন কালেই স্বশাসিত ছিল না। এখনো না।
আগামী কালের ইতিহাস কারা নির্মাণ করবে তার ওপর নির্ভর করবে,সেই ইতিহাস গৌরবের হবে, না পরাজয়ের হবে !!
ভেতরে ভেতরে সাজসজ্জা চলছে ঠিকই, কিন্তু বিস্ফোরণ কোথায় ? তবে আমাদের বিশ্বস রাখতে হবে দ্বান্দ্বিকতার নিয়মে। একদিন ঝড় উঠে পৃথিবী আবার শান্ত হবে।
মনজুরুল হক বলেছেন:
@মনির হাসান।সামনে কি কি পথ খোলা আছে?যারা দেশের ক্ষমতাকেন্দ্রে বসে আছে তারা গতায়ূ,অন্তত ভাল কিছু করার ক্ষমতা আর তাদের নাই। যারা ক্ষমতাকেন্দ্রে যাবার লাইনে আছে তারাও দেশের শত্রুর কাছে নিজেদের বিক্রির জন্য বাজারে উঠে বসে আছে। তাহলে কি উপায়?
হয় নতুন সঙ্ঘ গড়ে তুলতে হবে,অথবা প্রচলিত সঙ্ঘগুলো যেন জাতির সাথে বেঈমানী করতে না পারে সেজন্য "ভ্যানগার্ড" হতে হবে। কারা করবে? আমরা এবং আমাদের বর্তমান প্রজন্মই করবে। তারা যেখানে রেখে যাবে সেখান থেকে তার পরের প্রজন্ম শুরু করবে। তার পর এগুতেই থাকবে।
আমি এভাবে বিশ্বাস করি। সঙ্গ দিন। সঙ্ঘবদ্ধ হোন। যুথবদ্ধ হোন। আগুয়ান হোন।
জয় অনিবার্য।
"এখন দেশ-সমাজ-ক্ষমতা-ইতিহাস বেদখল হওয়ার পর শুনছি, দেশ স্বাধীন করেছে আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী। ব্রাভো! "
বাহ ! এই তথ্য জানা ছিল না তো... জানানোর জন্য অনেক ধন্যবাদ।
কিন্তু ভিডিও ফুটেজ গুলি কি তাহলে মিথ্যা ? যেখানে দেখতে পাই সাধারণ কিছু মানুষদের...
শ্লোগান হোক একটাই, " মাঠে হবে দেখা"।
লেখক বলেছেন:
যে নারী তার কণ্টাকীর্ণ টালমাটাল বৈরি অবস্থানে থেকেও বলতে পারেন..."মাঠে হবে দেখা" তাকে স্বশ্রদ্ধচিত্তে স্যালুট! মনে পড়ে গেল নেপোলিয়ান বোনাপাটের কথাঃ
"তোমরা আমাকে কয়েকজন আদর্শ মা দাও, আমি তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি উপহার দেব"।
সেই কবেকার এক গুমোট ঝিমধরা ফাগুনে আমরা মাঠ থেকে ফিরেছিলাম! আর আমাদের মাঠে ফেরা হয়নি! আর আমাদের সত্যের মুখোমুখি হওয়া হয়নি! আমরা এখন জড়াজড়ি করে জীবভৌত ভালবাসা-ভাল থাকার মিছে কসরৎ করে যাচ্ছি! অথচ আমরা মাঠ না ছাড়লে মাঠই আমাদের সেই সুন্দর সকালে পৌঁছে দিত, যেখানে যাওয়ার জন্য আমরা সেই সাতসকালে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে বেরিয়ে পড়েছিলাম।
আপনার এই আহ্বান অনুপ্রাণিত করুক ঘরকুনো স্কেপিস্ট আর স্নবিশদের।তারা উঠে দাঁড়াক আবার ঋৃজু ভঙ্গিতে। ছুটুক সামনের আলোতে........
মনজুরুল হক বলেছেন:
@ঊশৃংখল ঝড়কন্যা ।
"ঘৃণা, লজ্জ্বা আর গনগনে অনুভূতি নিয়ে পোস্ট পড়ে বিদায় নিচ্ছি। শুধু বলতে পারি... "আমি সত্যিই খুব দুঃখিত!"
আপনার এই কথাটা যদি লাখো মানুষের কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হতো,যদি সেই মানুষেরা নিজ নিজ অবস্থানে নিজের অধিকারের বিষয়গুলো বুঝত,তাহলে সম্ভবত আমরা ইতিহাসের এমন নির্মম নিষ্ঠুর কানাগলিতে অন্ধের মত পথ হাতড়ে মরতাম না!
যাপিত জীবনে মাত্র কয়েক মাসের স্বপ্রণোদিত ভালবাসা,কয়েক দিনের ভাল লাগা মেশানো শ্রদ্ধাবোধ,কয়েক মিনিটের জৈবিক প্রেম,আর কিছুকালের বিত্ত-বৈভবের বাইরে যে অফুরন্ত সময়,সেই সময়টা কেবলই পরাজয়ের গ্লানিতে ভরা ! কেবলই পিছু হটে অসুন্দর কে জায়গা করে দেওয়া!
এই অবস্থানে আপনার ভেতরে 'গনগনে অনুভূতি'র সঞ্চার নিঃসন্দেহে শ্রদ্ধার্ঘ্য।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
মঞ্জু ভাই ... প্রতিটা লাইন নির্মম বাস্তবতা ।আরো বেশি হতাশ হই আমার আশে পাশের প্রিয় মেধাবী বন্ধুদের কথা শুনলে । নিজেদের ইতিহাস ভেবে দেখার নূন্যতম সময় নেই । সবাই যার যার ক্যারীয়ার নিয়ে ভিষন ব্যাস্ত । মাঝেমাঝে রাজনীতি নিয়ে চায়ের কাপ হাতে আলোচনায় তাদের একটাই জ্ঞান গম্ভির সিদ্ধান্ত "সব পলিটিশিয়ানগুলিরে বঙ্গোপসাগরে ভাসায় দেয়া দরকার".. সিদ্ধান্ত জানিয়েই নিজেদের কর্পোরেট ভাবনা শুরু আবার ।
যে প্রজন্ম নিজেদের জন্ম-ইতিহাস নিয়ে ভাবনার চাইতে কোন রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসলে নিজের ব্যবসা/চাকরীর অবস্থার উন্নতি হবে চিন্তা করতে বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করে ..তাদের কাছে আর যাই কিছু হোক 'গনগনে অনুভূতি' আশা করা যায় না
লেখক বলেছেন:
আপনার প্রিয় মেধাবীদের দোষ না। ওদেরকে কোর্পরেট ম্যাকানিজমই ওগুলো শিখিয়েছে। ওগুলো না শিখতে পারলে নাকি তারা ফাস্টলাইফ এ্যাক্যুয়ার করতে পারত না !! এমনটাই শুনি"নিও আরবানদের" মুখে!!
তবে আমি এখনো আশাবাদী। "গনগনে অনুভূতি" কারো না কারো মধ্যে থাকতেই হবে।
দ্বান্দ্বিকতার নিয়মই এটা। "ইউনিটস অব অপোজিশন"। বিশাল হতাশার মাঝে দ্বান্দ্বিক নিয়মেই আশার আলো জ্বলবে।
ক্যামু অথবা জ্যাঁ পল সার্ত্র ঠিক মনে নাই একজন...বলেছিলেন........."আধুনিক হোমো স্যাপিয়েন্স মাত্র তিনটি কাজই করতে পারে...ভোজন/রমণ/সংবাদ পত্র পঠণ !!
ভাল থাকবেন। শুভেচ্ছা।
কামাল উদ্দিন ফারুকী জুয়েল বলেছেন:
বংবন্ধুর করুণ প্রয়াণ তার নিজের কিছু ভুল্ভ্রান্তির ফলাফলও বটে-১। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে না পারা।
২। চাটুকার ও সুযোগসন্ধানীদের পাল্লায় পড়া।
৩। যে গণতন্ত্রের সংগ্রামে জীবনপাত করেছিলেন সেটাকেই উপড়ে ফেলা।
৪। ফ্যসিবাদী কায়দায় রাজনীতি ও প্রশাশন চালানো।
ইত্যাদি।
তিনি দোষেগুনে ভরা একজন মানুষই ছিলেন। শুধুই সাদা কিংবা কালো চোখে দেখলে কি তার মূল্যায়ন হয়?
নাসিমূল আহসান বলেছেন:
আমি কিন্তু অন্যরকম ভাবি।
ভাবি এবং স্বপ্ন দেখি : কিছু তরুনের মুখ...
যারা দেশকে ভালোবাসে। আবার যদি প্রয়োজন হয় এবং আমি জানি সে প্রয়োজনটা খুব তাড়াতাড়ি হবে...
আমরা কেউ কেউ আবার রাইফেল কাঁধে দাড়াতে পারবো। দাড়াবো। দাড়াবো। আমরা পারব।
লেখক বলেছেন:
আশাবাদ মানুষকে আগামীর পথ দেখায়। আমরা পথে এবং আলোতে দাঁড়াতে চাই।
অ.ট. অনেক দিন পর ? কোন ব্যক্তিগত সমস্যা ? সব ভাল তো ? শুভেচ্ছা।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















