আমার প্রিয় পোস্ট

যে শিক্ষক বুদ্ধিজীবী কবি ও কেরানী প্রকাশ্য পথে হত্যার প্রতিশোধ চায়না আমি তাদের ঘৃণা করি

ফার্নেসের পাশে নব্বই মিনিটে ঘন্টা > শিকাগো থেকে পোস্তগোলা >

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১:৫৯

শেয়ারঃ
0 0 0



ফায়ারব্রিক্সের চুলোটা সেই সাতসকালে জ্বলে ওঠে। গনগনে আগুনের লেলিহান শিখা কখনো ডানে-বায়ে বেঁকে যায়, আবার কখনো সোজা উপরে ধেয়ে ওঠে। গ্রাফাইড ইলেক্ট্রডস দিয়ে এমএস স্টিল গলানো হয়। লোহা গলে গলে তরল হয়ে পড়ে! এমএস রড হঠাৎ লম্বা হয়ে বেরিয়ে আসে। হাতে বস্তা দিয়ে বানানো দস্তানা পরে যে ছেলেগুলো লাল অভিব্যাক্তিহীন মুখে কাজ করে যাচ্ছে তাদের কারোরই বয়স ষোল-সতেরোর বেশী না।গায়ে কিছু রাখতে পারেনা, একটা ছেঁড়া ময়লা গেঞ্জি কোনওমতে পেঁচানো!সেই যে কবে হাত-পায়ের লোম পুড়ে গেছে, তা আর গজায়নি। গজায়না। ভ্রু নেই। চোখের পাঁপড়ি নেই।পাঁপড়ির কি দরকার! মাস্কারা দেবে না তো! দুপুরে ওরা যখন আধাঘন্টার ছুটি পায় তখন কেউ কল্পনাও করে না, অথচ মনে মনে সকলেই নদীর ঠান্ডা জলে ডুব দেয়, সাঁতার কাটে, আবার ডুব দেয়- কিন্তু এবার জলে না, সেই ভয়ংকর বিপজ্জনক কাজে। সময় গড়িয়ে একসময় ফেরার সময় আসে। ততক্ষণে কেটে গেছে ১২ ঘন্টা!

প্যান্টের হুক বানানোর কারখানায় কাজ করে আরো ছোট কিছু ছেলে। এদেরকে কেউ শ্রমিক বলেনা! শ্রমিক মানেই যেন বিশাল পেশিবহুল শরীরের কালোপনা এক দৈত্য, যে সারাক্ষণ কাজ করবে, আর মুখ বুজে অর্ডার শুনবে! সেই ছোট্ট ছেলেগুলো বলপ্রেসে ঘটাং ঘটাং শব্দে টিনের পাত কেটে কেটে হুক বানায়। বহুকাল আগে শ্রবনশক্তি হারিয়েছে! এখন কানের পাশে বোমা পড়লে ভাবে বেলুন ফাঁটল বোধহয়! এদেরও খেলাচ্ছলে কেটে যায় বারটি ঘন্টা! ঘুড়ি ওড়ানোর শখ গলাটিপে হত্যা করেছে কোন জনমে তা আজ আর মনেও নেই!

বার থেকে পনের-ষোল বছরের আরো শত শত ছেলে কাজ করে ম্যানুয়্যাল ডাইং ফ্যাক্টরিতে।ব্লাঙ্কাফল,কস্টিক,সোরা, রি-এ্যাক্টিভ ডাইস,ভ্যাট ডাইস আর বিষমাখানো কেমিক্যালস নাঙ্গা হাতে ঘেটে ঘেটে আঙ্গুলের ফাঁকে দগদগে ঘা হয়েছে প্রথম দিন দশেকের মধ্যেই! সেই ঘা খুব একটা কষ্ট দেয়না, শুধু ভাত খাওয়ার সময় জ্বলে ওঠে! কেন যে এরা কাটা-চামচে অভ্যস্ত হয়না!

ট্যানারীতে যারা আছে তারা কি সুখে যেন নেশা করেছে! পেটের নাড়িভুড়ি ঠেলে বেরিয়ে আসা গন্ধে দিব্যি মানিয়ে নিয়েছে। ভয়ংকর টক্সিন বিষের দহনে সারা শরীর পুড়ে যাচ্ছে, তবুও একগুয়ে রোবটের মত কাজ করে যেতে হবে, কারণ এদের কেন যেন স্কুলে থাকার মত মনোনিবেশ ছিল না! কারা যেন বলেছিল-বাপের শীর্ণ দেহ, মায়ের ক্ষয়কাশি কিছুতেই সারবেনা যদি তুই কারখানায় না থাকিস! স্কুল আর কারখানা খুব কাছেই, কিন্তু ওদের কাছে সেই তেপান্তরের মাঠ পেরুনো দূরত্বে!

নাক ফুঁড়িয়ে কখনোই নাকফুল দেওয়ার সময় পায়নি, হাতের কাঁচের চুড়ি আর বদলানোর সময় হয়নি, অথচ জীবন বদলে ফেলেছে গার্মেন্ট নামক এক গোডাউনের ভেতরে! টিফিন ক্যারিয়ার হাতে যেদিন প্রথম ক্লপ্সিবল গেট গলে মেয়েগুলো ভেতরে ঢুকে গেল, সেদিনই তারা এই আল্ট্রাসিটির কেনা বাঁদী হয়ে গেল! ষোল থেকে আঠার ঘন্টার টানা খাটনির পর কল্পনায় ঘরে ফেরে, চুলো ধরায়, রান্না বসায়, একসময় গরম ভাত গ্রাস ভরে ভরে গিলতে থাকে..... বাস্তবেও গেলে, তবে গরম ভাত নয়, থুথু। সুপারভাইজার, পিএম বা জিএম এর চুমু নামক থুথু! এরপর আরো ক্লান্ত শরীরটা টেনে টেনে দোকানদার আর পাড়ার ইতরদের খিস্তি শুনতে শুনতে ঝুঁপড়িতে ফেরে। কোন কোন দিন রান্না করার শক্তিটুকুও থাকেনা।

কামারের হাপর টানছে যে ছেলেটি, তারও ঘুম পায়। চোখ মুদে আসে..... পাতা বুজলে যদি হাতুড়ি লোহার বদলে হাতে পড়ে, সেই আতংকে সেও ঘুমায়না। জেগে থাকে অনির্বাণ।

এদের সকলেরই জীবনে দিন আসে, রাত আসে, ঘুম আসে, পিপাসা পায়, নদীতে ঝাপ দিতে ইচ্ছে করে, ঘুড়ি ওড়াতে ইচ্ছে করে। ইচ্ছে করে বনবন করে চরকি ঘোরায়, নাগরদোলায় উঠে আকাশ দেখে আসে! কিন্তু পেটের মরণ ক্ষুধা সেই সব চাওয়াগুলোকে গলাটিপে হত্যা করেছে। এদের শ্রমঘন্টা আট না বার, না ষোল তা এরা কেউ কোনদিন ভেবে দেখেনি। দেখার কথাও নয়, কেননা সেই মাপের চোখই এদের নেই! কারা যেন খুবলে তুলে নিয়েছে। আমাদের এই অন্ধ মানুষগুলো যখন দিনের পর দিন চাবি দেওয়া পুতুলের মত মাথাগুজে কাজের উছিলায় জীবন শেষ করে অন্য জীবনের পথে ধাবিত হচ্ছে, তখন আমরা পেল্লাই আয়োজনে মাথায় লালপট্টি বেঁধে বিশাল মিছিল করছি। ঢোল-ডগর বাজিয়ে গেয়ে চলেছি-নিগ্রো ভাই আমার পল রবসন! হে হে হে হাতুড়ির ..... পল হেনরি..

আজকাল। হ্যাঁ আজকাল শ্রমিকদের আটঘন্টা কাজের দাবি প্রতিষ্ঠা করার সেই মহান মে দিবস ছিনতাই হয়ে গেছে। চরম প্রতিক্রীয়াশীল বুর্জোয়ারা এখন তাদের ফ্যাশনেবল ফেস্টিভেল হিসেবে নতুন এক উপলক্ষ আবিষ্কার করেছে-মে ডে! সারা দেশে নির্বিচারে শ্রমিকের অধিকার পদদলিত করে, শ্রমিককে বাপদাদার সম্পত্তিজ্ঞান করে, দাসানুদাস ভেবে তাদের সস্তা শ্রম নিংড়ে নিয়ে তারা কেতাবি সেমিনার আর নির্লজ্জ সভা করে চলেছে। আর নির্বোধ শ্রমিকরা দুবেলা দুটো খেতে পাবার বিনিময়ে অকাতরে দান করে চলেছে রক্ত আর ঘাম। সভ্যতার কংক্রীট শরীরে একটু একটু করে পলেস্তারা লাগিয়ে দিচ্ছে সেই রক্ত আর ঘামের মিশ্রণ। আমাদের সভ্যতা তার রুপ-রস সহ একটু একটু করে বেড়ে উঠছে। আমরা আমাদের আরো একটি নিরুপদ্রপ দিন পার করে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হচ্ছি। আর ইতিহাসের পাতা থেকে কাট করে তুলে আনছি সেই মে দিবসের অমৃত বাণী—

“ আজ পহেলা মে, মহান মে দিবস। বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের আন্তর্জাতিক সংহতি প্রকাশের গৌরবময় একটি দিন। প্রায় সোয়া শ’ বছর আগে শ্রমিকের বুকের তাজা রক্তে লেখা হয়েছিল যে ইতিহাস, তারই নতুন পাঠ গ্রহণের দিন। ১৮৮৬ সালের এ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেট চত্তরে শ্রমিকরা জীবনের বিনিময়ে সরকারকে দাবি মানতে বাধ্য করেছিলেন। অথচ নির্মম বাস্তবতা হলো, সোয়া শ’ বছর পর আজকের দিনেও শ্রমিকদের জীবন-মানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে শ্রমিকদের অবস্থা আরো নাজুক। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের কারণে বাংলাদেশে শ্রমিকদের কিছু দাবি মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও পরে তা আর বাস্তবে রূপ পায়নি। বিভিন্ন দুর্ঘটনায় সাধারণ শ্রমিকরা নানা বঞ্চনার শিকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অনেকে প্রাণ হারালেও ক্ষতিপূরণ পায়নি নিহতের পরিবার। অনেকে কাজের জন্য দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছেন। দেশের শ্রমজীবী মানুষের এখন দুরাবস্থা। শ্রমশক্তি বাড়লেও সে তুলনায় কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হচ্ছে না। কর্মক্ষম হাত হয়ে উঠছে ভিখারির হাত। বেড়ে যাচ্ছে বেকারত্ব। শ্রমবাজার সস্তা হয়ে যাচ্ছে। শ্রম আইনের প্রয়োগ নেই। শ্রম আদালত নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। নানা দিক থেকেই বঞ্চিত হচ্ছেন শ্রমজীবী মানুষ। এমন অবস্থার মধ্য দিয়ে প্রতিবারের মতো আজ পালিত হচ্ছে মহান মে দিবস। এ উপলক্ষে সব শিল্প কারখানাসহ সর্বত্র সরকারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।”

আমরা কি নিবেদিতপ্রাণ ভালবাসার নিদর্শন হিসেবে আজ সরকারী ছুটি দিতে পেরেছি! তাই কি? আজ কি আসলেই শ্রমিকদের ছুটি ? দেখেছেন কেউ ?

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মে দিবস ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রবন্ধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ২:১০
নাজিম উদদীন বলেছেন: "আজ কি আসলেই শ্রমিকদের ছুটি ? " শ্রমিক নেতারাও এখন কোটিপতি, ওদের কথা ভাবার কেউ নাই।
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৩:১৫

লেখক বলেছেন:
আমাদের এতকিছু রাজনৈতিক দর্শনের জজবার পরও আমাদের শ্রমিকরা সংঙ্ঘবদ্ধ হতে পারলনা! নিপীড়িত শ্রেণীর নেতা হতে শিখলনা! অথবা আমরা তাদের নেতা হতে দিলামনা।

২. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ২:১৯
নুশেরা বলেছেন: শ্রমিকের ছুটি শুধু মৃত্যুতে।

লেখাটা কেমন হলো বলার মানে হয়না...
এমন লেখা অব্যহত থাকুক... আমাদের ভোঁতা অনুভূতির তন্ত্রীতে আঘাত করুক বারবার... ...
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৩:১৯

লেখক বলেছেন:
একটা কিছু হওয়া দরকার। এই গুমোট স্থিতাবস্থা আর সহ্য হচ্ছেনা! কেন আমাদেরকে এখনো আ্যালেক্স হ্যালী হয়ে লিখে যেতে হবে....

৩. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ২:২৩
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: মাথার ভেতরে ঢুকে যায় লেখাটা, এবং অসহায় বোধ করতে থাকি।
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৩:২৯

লেখক বলেছেন:
এমন অসহায়ত্ব সারাক্ষণ আমাদের তাড়িত করুক...

৪. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ২:৪০
এন এইচ আর বলেছেন: আমরাই শ্রমিক আমরাই আবার মালিক। তাই আমাদের জানতে হবে কি কেন ,কোন কারণে মে দিবস। কি তার চাওয়া।

লেখাটা যেন সবাই পড়তে পারে সেরকম করার জন্য ব্লগ পতিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৩:৫৪

লেখক বলেছেন:
যে দেশে প্রায় সাড়েচার কোটি মানুষ কখনো শ্রমিক কখনো ক্ষেতমজুর, সেই দেশে কেরানী হওয়ার জন্য গর্বিত শ্রমিক হাপিত্তেশ করে বসে থাকে! শ্রমিককে কে এবং কারা শ্রমের মর্যাদা শেখাল না?

৫. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ২:৪৭
মার্ক জুবাবের বলেছেন: শ্রমিক মুক্তি চায় তার শোষণ আর কম মজুরীর বঞ্চনা থেকে, তার বিপদজনক কাজের পরিবেশ থেকে...

শ্রমিক শ্রনীর জয় হোক...

মনজু ভাই, আপনাকে লাল শুভেচ্ছা।

এই পোষ্টকে স্টিকি করার আবেদন জানাচ্ছি।
০১ লা মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৭

লেখক বলেছেন:
শ্রমিক শ্রেণীর জয় হোক।
তারা বুঝতে শিখুক তারা কি বিশাল শক্তি!

৬. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৩:১৭
জাতেমাতাল বলেছেন: মনজুরুল ভাইকে মে দিবসের লাল সালাম...

সেই সাথে কর্তৃপক্ষের কাছে দাবী জানাচ্ছি--এই পোষ্ট স্টিকি করা হউক।
০১ লা মে, ২০০৯ ভোর ৫:৪৮

লেখক বলেছেন:
লাল সেলাম কমরেড!

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৫

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান মতামতের জন্য।

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৩:৩১

লেখক বলেছেন:
কি করে ভাল থাকি কাঁকন! যাদের কথা লিখেছি, তাদের সবাইকে এত কাছে থেকে দেখেছি যে নিজেকে ওদেরই একজন মনে হয়! আমার "ক্লাস" জোর করে আমায় পৃথক করে রাখে।

৯. ০১ লা মে, ২০০৯ ভোর ৪:১৩
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
মন ছুঁয়ে গেলো..........
কথাহীন হয়ে যাই কখনোকখনো।

"সবার ভালো হোক।"
শুভকামনা।

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১০:৫২

লেখক বলেছেন:
সবার ভাল হয়না সাজি। কারো কারো ভাল হয়। আমরা অনেক মানুষ সেই কারো কারোর দলে পড়িনা!

১০. ০১ লা মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩৬
তনুজা বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করা হোক
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ তনুজা।
মন ভাল নেই।
ভাল নেই মন।

১১. ০১ লা মে, ২০০৯ ভোর ৪:৫০
প্রবর রিপন বলেছেন: আমি কোন প্রজাতি
মানুষ না ক্রীতদাস???????????????



আপনার লেখাটির পরিপ্রেক্ষিতে আমার একটা কবিতা নিচে দিলাম পড়ে মুছে দিয়েন





মৃত্যু উৎপাদন কারখানা


আমরা মৃত্যু উৎপাদন করি
কথায়,ইচ্ছায়,সাধনায় আর কারখানায়।"

মহামারী শিশুদের প্রিয় খেলনা
যুবকদের প্রিয় মরে বেচে থাকা,
অকাল মৃত্যু প্রেমিকার জন্য প্রেমিকের প্রিয় উপহার
সেই বুলেট গুলো কোথায়
যার গায়ে আমাদের মৃত্যু দিবস লিখে রাখা ?
তার জন্য পাঁজরের ভেতর পেতে রেখেছি সিংহাসন
সেটাই ধুয়েমুছে ফু দিয়ে দিয়ে দিন কাটাই,
জীবনকে সময়ের ছুটকা ছাটকা পরিহাস জেনে
পেশায় আমরা বহুপুরুষ ধরে কসাই।
মৃত সৈনিকের ফসিল দিয়ে গড়েছি ঘরের দেয়াল
আর রক্তের সেচে চাষাবাদে ফসল ফলে দেদার
সুর্যকে মনে হয় ফেরেশতাদের তাক করে রাখা কামানের গোলা

"আমরা মৃত্যু উৎপাদন করি
কথায়,ইচ্ছায়,সাধনায় আর কারখানায়।"

এবার তুমি দাঁড়াবে আমার পাশে
বলবে " হ্যা এটাই তো সেই স্বপ্নভূত শ্রমজীবি সমাজ"
মৃত্যু উৎপাদন শ্রমে কোন ঘাটতি নেই
কোন অসংগতি নেই শ্রম বিভাজনে
কোন অসংহতি নেই মৃত্যু বন্টনে

"আমরা মৃত্যু উৎপাদন করি
কথায়,ইচ্ছায়,সাধনায় আর কারখানায়।"

মহান দার্শনিক সূর্য আমাদের শেখালো শুধু মৃত্যুর শিল্প
তার ফুলঝুরি রশ্নি থেকে শিখেছি পারমাণবিক রঞ্জন
শ্যামল প্রকৃ্তি আমাদের মৃত্যু ব্র্যান্ডের পণ্যের মোড়ক
আর সব পণ্যের সাথে বিনামূল্যে অকাতরে
বিলিয়েছি একটি করে সতেজ গোলাপ - তাও আবার লাল।
তুমি বলতে পারো এ শুধু আমাদের যুদ্ধের বিজ্ঞাপন
কিন্তু দ্যাখো ব্যারাকের পোষা সৈনিক উর্দি ছুড়ে ফেলে
নিজের মেরুদণ্ড হাতে দাড়িয়েছে নিজের মাংসপিন্ডের সামনে
ধংস যেহেতু মানব চেতনার সেরা ফসল
তাই নিজেদেরকে হত্যা করে
পৃথিবীর শূণ্যতার প্রশান্তির ভেতর খুজে নেবে
তার অশরীরি নতুন জন্ম।

"আমরা মৃত্যু উৎপাদন করি
কথায়,ইচ্ছায়,সাধনায় আর কারখানায়।"
ধংস যেহেতু মানব চেতনার সেরা ফসল
তাই নিজেদেরকে হত্যা করে
পৃথিবীর শূণ্যতার প্রশান্তির ভেতর খুজে নেব
আমাদের অশরীরি নতুন জন্ম।

০১ লা মে, ২০০৯ ভোর ৫:০৬

লেখক বলেছেন:
ভারি চমৎকার কবিতাটি, তাই আপনার অনুরোধ রাখতে পারলাম না। মোছা গেলনা!

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১০:৫২

লেখক বলেছেন:
তারপর কি হবে?

১৩. ০১ লা মে, ২০০৯ সকাল ৭:৪৬
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: স্কুল কলেজে একটা হাস্যকর রচনা মুখস্থ করেছিলাম, নাম, "শ্রমের মর্যাদা" ...

আমার মনে হয় শ্রমিকদের দলবদ্ধ হবার মেকানিজমে এখটা ঘোর গড়বড় আছে ... মালিকপক্ষ যেমন এদের মেশিনের মতো খাটায়, নেতাপক্ষ তেমনি এদের মেশিনের মতো দলবদ্ধ করে ... এখানে ব্যক্তির মননের উৎকর্ষ নিয়ে কেউ ভাবেনা ... দলবদ্ধ থাকা যেমন জরূরী, শ্রমিক হোক, অফিস চাকুরে হোক, ব্যক্তিপর্যায়ে সবার চিন্তার, নিজ মতামত প্রতিফলনের চর্ছাটাও তেমনি জরূরী ...

যেমন একটা বেসিক প্রশ্ন, আমরা কি কাজের বুয়া, রিক্সাওয়ালা, পানের দোকানওয়ালাদের সাথে রাজনীতি, সমাজ, দর্শন নিয়ে আলাপ করতে অস্বস্তিবোধ করিনা?
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন:

মর্যাদা অনেক দূরের প্রশ্ন। শুধু একটা তুলনামূলক চিত্র দেওয়া যাক-

জাপানের যে শ্রমিক অটোমোটেড ভেহিকেল কারখানায় কাজ করে তার লাইফ স্টাইল এদেশের মাঝারি আয়ের মানুষের চেয়েও ভাল। সেই প্রেক্ষাপটে সেখানকার শ্রমিকের খুব বেশী চাওয়ার নেই। এর বিপরীতে আমাদের একজন ইঁট ভাঙ্গা শ্রমিক কিংবা একজন বড় কারখানার শ্রমিকের লাইফ স্টাইল তাকে কোনও ভাবেই এই সমাজের কোন তলাতেই স্থান দেয়না। তার কাছে মর্যাদা বিষয়টা তাই সোনার পাথর বাটি। আমাদের শ্রমিক শ্রেণী(যদিও কখনোই তারা "শ্রেণী" হিসেবে গড়ে ওঠেনি) শিল্পীয় শ্রমিক হওয়ার পরও তাকে সামন্তু চিন্তার কারণে শ্রমিক না ভেবে দিনমজুর ভাবা হয়! তেমনি কৃষি শ্রমিককে ভাবা হয় কামলা বা মাহেন্দার। যতদিন শিল্প বিকাশের হাত ধরে শ্রমিকরা "শ্রমিক" হয়ে উঠতে না পারবে ততদিন আমাদের শ্রমিকদের সামন্ত অবশেষ চিন্তা দ্বারা কামলা বা দিনমজুরই ভাবা হবে।

মধ্যবিত্ত বরাবরই অগ্রসর চিন্তার হওয়ার কারণে শ্রমিকের নেতা/বন্ধু হয়, কিন্তু এখানে সেটি হতে পারেনা সেই সামন্তচিন্তার কারণেই। তাহলে লড়াইটা আগে কোথায় শুরু করতে হবে? এতদিন বাদেও ???

১৪. ০১ লা মে, ২০০৯ সকাল ৭:৫৪
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: আমি আর কি করতে পারি আছে এই সব মহান মানুষদের জন্যে!!
জীবন কেটে যাবে আমার এগুলা মহানমানুষের অভিষাপে।
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন:
আমাদের তো একটিই জীবন। কাটুক না সেই জীবন মানুষের কল্যাণে। মানুষই মানুষের জন্য ভাবে...কাজ করে....আমরা রেখে যাব আমাদের উত্তর পুরুষ তাদের উত্তর পুরুষের জন্য....

১৫. ০১ লা মে, ২০০৯ সকাল ৮:০২
বাঙ্গাল বলেছেন: একটা মাত্র প্লাস দিয়ে আপনার মজুরী মিটাইলাম...বেহুদা দাবি দাওয়া নিয়া আসিবেন না...
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১১:১৪

লেখক বলেছেন:
আমার মজুরি পেয়ে কৃতার্থ হলাম।

১৬. ০১ লা মে, ২০০৯ সকাল ৮:০৫
অপ্‌সরা বলেছেন: এই শেকল পরা ছল মোদের এই শেকল পরা ছল।

লেখাটা পড়ে এই কথাটাই মনে পড়লো ভাইয়া।
তুমি এত কিছু ভেবে ভেবে কি করে এত সুন্দর করে লেখো বুঝতে পারিনা।
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ৩:২০

লেখক বলেছেন:
তোমার মনটা খুব ভাল, তাই সবকিছু সুন্দর দেখতে পারো।

আমি কেবলই কদর্য দেখি। মানুষের হাহাকার দেখি।তুমি যেখানে তরতর করে পাল তোলা নৌকার ছলাৎ ছলাৎ শব্দ শোনো, আমি সেখানে দাঁড় হাতে লোকটির অমানুষিক কষ্ট দেখি!

জীবনটা এমনই ভাইয়া। প্রতিটি সুন্দরের পেছনে লুকিয়ে থাকে ঘামঝরা আর রক্তঝরা কষ্টেরা...

১৭. ০১ লা মে, ২০০৯ সকাল ৮:১৫
এস.আর.এফ খাঁন বলেছেন: আপনার মত আর একজন মানুষ কেনো দেশ শ্বাসনের চূরায় বসেনা....? কোথা থেকে তারা আসে আবার তারা নিপাত যায়, কেন তারপর তাদের কাছে আমাদের ধন্যা ধরতে হয়!!
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন:
আমি ও আমরা তুচ্ছ মানুষ রে ভাই!
আরো তুচ্ছ মানুষদের কথা বলতে চাই, ভাবতে চাই।
তাদের শুকনো ভাতে লবনের ব্যবস্থা করতে চাই।

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন:
আমি ও আমরা তুচ্ছ মানুষ রে ভাই!
আরো তুচ্ছ মানুষদের কথা বলতে চাই, ভাবতে চাই।
তাদের শুকনো ভাতে লবনের ব্যবস্থা করতে চাই।

১৮. ০১ লা মে, ২০০৯ সকাল ৮:২৫
রাসেল ( ........) বলেছেন: অস্বস্তি বোধ করার বিষয়টা সত্য, কিন্তু কথা হলো মিছিলে কি আমরা পাশাপাশি থাকে অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি? মিছিলে আমার পাশে যে মানুষটা হাঁটছে, তার পরিচয় শ্রমিক, বুয়া না কি আমলা এটা গুরুত্বপূর্ণ কি হয়ে উঠে?

রাজনৈতিক সচেতনতার পাঠ পড়াচ্ছে রাজনৈতিক কর্মীরা, আর অটোমেটেড গার্মেন্টস যন্ত্রাংশ আমদানি করছে বড় বড় গার্মেন্টস কোম্পানির মালিকেরা।

কম্পিউটার অপরেটর আর প্যাকিং কর্মীর বাইরে অন্য কোনো কিছুর প্রয়োজন নেই যেখানে, শ্রমিকের প্রয়োজন নগন্য করে আনছে যন্ত্রযুগ,

হয়তো আর ১৫ বছর পরে শুধুমাত্র কামলা দেওয়া কিংবা অন্য কোনো বড় পার্টির বাড়তি কিংবা উপেক্ষিত কাজ করে যেসব ছোটো গার্মেন্টস তাদের বাইরে অন্য কেউ গার্মেন্টস শ্রমিকদের কাজ দিবে না।

এপেক্স এপারেল কিংবা ফকির কিংবা অন্য যে কয়টা নামজাদা কোম্পানি আছে, তারা পরীক্ষামূলক ভাবে এটা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।

তখন কি হবে সেটাই ভাবছি। গ্রাম থেকে শহরের রাস্তায় পা রাখছে যে মেয়েটা, তার অন্য কোনো যোগ্যতা তৈরি হয় নি, তার যোগ্যতা এবং দক্ষতা সূঁইয়ের পাছায় সুতা ঢুকানোতেই সীমাবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। এই দক্ষতা দিয়ে ছাঁটাই পরবর্তী সময়ে তার কোন উপকার হবে?
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ৩:১৯

লেখক বলেছেন:
"অস্বস্তি বোধ করার বিষয়টা সত্য, কিন্তু কথা হলো মিছিলে কি আমরা পাশাপাশি থাকে অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি? মিছিলে আমার পাশে যে মানুষটা হাঁটছে, তার পরিচয় শ্রমিক, বুয়া না কি আমলা এটা গুরুত্বপূর্ণ কি হয়ে উঠে?"
--------------------------------------------------------

নাহ্ কখনোই ওঠে না। ভাল বলেছেন।


"রাজনৈতিক সচেতনতার পাঠ পড়াচ্ছে রাজনৈতিক কর্মীরা, আর অটোমেটেড গার্মেন্টস যন্ত্রাংশ আমদানি করছে বড় বড় গার্মেন্টস কোম্পানির মালিকেরা।

কম্পিউটার অপরেটর আর প্যাকিং কর্মীর বাইরে অন্য কোনো কিছুর প্রয়োজন নেই যেখানে, শ্রমিকের প্রয়োজন নগন্য করে আনছে যন্ত্রযুগ,"
----------------------------------------------------------------------------
না, আর একটি বিষয় থেকে যাবে-ম্যানেজারিয়াল পোস্ট। সব ক্ষেত্রেই ওই পোস্টটা দাপিয়ে বেড়াবে। চাটুকার তথা ম্যানেজাররাই একটা সময় কায়িক শ্রমের জায়গায় নেমে যাবে। আর অটোমোশন আরো বেশী হলে শুধু স্যুইচ টেপার জন্য কিছু চাটুকার থাকবে।

"হয়তো আর ১৫ বছর পরে শুধুমাত্র কামলা দেওয়া কিংবা অন্য কোনো বড় পার্টির বাড়তি কিংবা উপেক্ষিত কাজ করে যেসব ছোটো গার্মেন্টস তাদের বাইরে অন্য কেউ গার্মেন্টস শ্রমিকদের কাজ দিবে না।

এপেক্স এপারেল কিংবা ফকির কিংবা অন্য যে কয়টা নামজাদা কোম্পানি আছে, তারা পরীক্ষামূলক ভাবে এটা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।"
------------------------------------------------------------------------
হ্যাঁ এই ট্রেন্ডটা ইতিমধ্যেই চালু হয়ে গেছে! এটি ম্যানুয়াল লেবারের জন্য মারাত্মক হুমকি। জানিনা কি দিয়ে এই অটোমোশন ঠেকানো যাবে। তখন কি হবে সাড়ে চার কোটি মানুষের??

"তখন কি হবে সেটাই ভাবছি। গ্রাম থেকে শহরের রাস্তায় পা রাখছে যে মেয়েটা, তার অন্য কোনো যোগ্যতা তৈরি হয় নি, তার যোগ্যতা এবং দক্ষতা সূঁইয়ের পাছায় সুতা ঢুকানোতেই সীমাবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। এই দক্ষতা দিয়ে ছাঁটাই পরবর্তী সময়ে তার কোন উপকার হবে?"
-------------------------
না। এই দক্ষতা কোন কাজেই আসবেনা। দেহ বিক্রি করা ছাড়া কোন পথই আর খোলা থাকবে না! তাও কি প্রতিযোগীতামূলক হয়ে উঠবে না?!

১৯. ০১ লা মে, ২০০৯ সকাল ৯:০৪
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: শ্রমিকের দক্ষতা.....হাস্যকর বাহাসের মত শোনায় পুঁজিপতীর গদীর সামনে। মধ্যবিত্ত আরেকটু বেশি সুযোগ পায়, আর সেটা নিয়েই কামড়া কামড়ি করে। তাই হয়ত ব্লগ লেখার সুযোগও হয়।

এখন জয়পুরহাট এ...চারদিকে শুধু ধান আর ধান, নির্বোধ ক্যামেরার চোখে প্রায়শই রোমান্টিক বাংলাদেশের স্বপ্ন আঁকে, আর আমরা নন্দনতত্ব নিয়ে আহা উহু করি। এক জমি ধান ফলাতে কি পরিমাণ পরিশ্রম করতে হয় সেটা অনুমান করারও অনেকের জন্য কঠিন। এরপর সরকারের যাতাকল.....কৃষি শ্রমিক তার ন্যায্য মূল্য পাবে কিনা সেটা নিশ্চিত নয়। মধ্যস্বত্তভোগী আর নানা শর্তে পানির মধ্যে নাক উঁচু করে বেঁচে আছে কৃষক......মে দিবস দূরাগত ফেটিশের মত শোনায়, মে দিবস দূরাগত স্বপ্নের মত দেখায়।

সময়োপোযোগী লেখার জন্য ধন্যবাদ।
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ২:৫২

লেখক বলেছেন:
আপনার বলা বিষয়টা ভাবতে বসলে মাথা ঝিমঝিম করে! আমরা এমন এক নৈব্যক্তিক বেজন্মা বেহায়া সময়ের মধ্যে কালাতিপাত করছি যে, আমাদের মনন-টনন বলতে যা কিছু অবশিষ্ট ছিল তাও যেন আজকাল উবে গেছে! কেবল একধরণের স্কেলিটন বয়ে বেড়াচ্ছে আমাদের ধড় আর ধড়ের ওপরের মাথাটাকে!!

আমার নিজের ওপরেই ঘেন্না ধরে গেছে! এমন এক আবর্জনাময় সমাজে এই যে মানিয়ে নিচ্ছি, এটাই ঘেন্নার কারণ। আর কতকাল এই হিপোক্র্যাসি করে যাব?

২০. ০১ লা মে, ২০০৯ সকাল ৯:০৭
দূরন্ত বলেছেন: দারুণ লেখা সত্যিই শ্রমিকরা অতি অবহেলিত। শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ ও সুযোগ সুবিধা প্রতিষ্ঠায় শ্রম আইনের বিকল্প নেই। গৃহভৃত্য সহ আরো কিছু খাতের শ্রমিকরা দেশের শ্রম আইনের বাইরে রয়েছেন। তাদের ব্যাপারটা অতি অমানবিক।
মেহনতি মানুষের জয় হোক।
ধন্যবাদ।
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন:

শ্রম আইন দিয়ে কিছুই হবেনা। যদ্দিন শ্রমিকরা সঙ্গবদ্ধ হয়ে তাদের দাবি আদায়ে সচেষ্ট না হবে, ততদিন এভাবেই তারা নিঃশ্পেষিত হতে থাকবে, নিপীড়িত হতে থাকবে।

২১. ০১ লা মে, ২০০৯ সকাল ৯:০৮
দূরন্ত বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করার অনুরোধ রইলো।
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দূরন্ত।

২২. ০১ লা মে, ২০০৯ সকাল ৯:১২
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: ভাবছি ..... লেখাটা পড়ে ভাবছি ।
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১:৩৬

লেখক বলেছেন:
কি ভাবছ? আমরা কিভাবে বেঁচে আছি?

২৩. ০১ লা মে, ২০০৯ সকাল ৯:১৫
রানা বলেছেন: এত চমৎকার একটি লেখার কমেন্ট কিভাবে করবো জানি না......
কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়ই অন্ধ, তা না হলে এই পোস্টটি স্টিকি করতো....
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১২:৫৩

লেখক বলেছেন:

স্টিকি না হলে কি হয়? বেশি মানুষ পড়েন, এই তো! আপনারা তো ইতিমধ্যেই ৫০ জনের উপর মানুষ পড়েছেন। এবার আরো ৫০ জনকে বলুন। তাতেই কিছুটা কাজে আসবে।

আপনাকে ধন্যবাদ।

২৪. ০১ লা মে, ২০০৯ সকাল ৯:২০
বিবর্তনবাদী বলেছেন: জানি না কি হবে, তবে যা হচ্ছে তা ঠিক হচ্ছে না।
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন:

অসাধারণ কথা বলেছেন আপনি। টাইম মেশিন গল্পটার কথা মনে আসছে... আগামীতে হয়ত সেই অলীক দৃশ্যের বাস্তব চিত্রায়ন হবে শ্রমিক-মালিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে!!

২৫. ০১ লা মে, ২০০৯ সকাল ১০:১৬
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন:

কেমন আছেন কুঙ্গ থাঙ ?
কোন পার্থক্য খুঁজে পান কি প্রলেতারিয়েতের সাথে? এই দেশে ??

২৬. ০১ লা মে, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: পোস্টটি অবিলম্বে স্টিকি করা হোক।
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ ভাইয়া। আমি তা চাই না। কেন চাইনা তা বৃত্তবন্দী বলে দিয়েছে।

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন:

শত বছরের পুরোনো হলেও
লাল সেলাম, লাল সেলামই।

জ্বলি উধিম ন কিত্তই!

২৮. ০১ লা মে, ২০০৯ দুপুর ১২:০০
সচেতন বলেছেন: মনজুরুল ভাই বলেছেন: অথচ নির্মম বাস্তবতা হলো, সোয়া শ’ বছর পর আজকের দিনেও শ্রমিকদের জীবন-মানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে শ্রমিকদের অবস্থা আরো নাজুক।

আমি বলি: এইটুকু তো বোঝা গেলো যে ন্যায় বিষয়ে আন্দোলন করলে বিজয় হয়। নইলে আজ মে দিবস পেলাম কেন আর ছুটিই বা পেলাম কেন. এখন মান উন্নয়ন নিয়ে আন্দোলন করতে হবে।
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন:
আপনার সাথে একমত।
যে কোন দাবিই আন্দোলন ছাড়া আদায় হবেনা, হয়না।

২৯. ০১ লা মে, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮
কেল্টূ দা বলেছেন: গুরু, শইলে আগুন লাগায় দিছেন । কিচ্ছু কর্তাছিনা এই যিবনে ।
পুজির দুনিয়ায় হান্দায় গেছি । উপায় নাই । কেম্নে বাইরামু জানিনা । বাইরায়া কি করুম জানিনা ।
সিস্টেমে ঢুইকা সিস্টেম বদলাইতে হয় , ওয়াদা করলাম গুরু ।

কসম ! ! !
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ২:০১

লেখক বলেছেন:
"সিস্টেমে ঢুইকা সিস্টেম বদলাইতে হয়"।

সমস্যা হলো একবার সিস্টেমে ঢুকে গেলে আর সিস্টেম বদলানোর ইচ্ছা কাজ করেনা। সিস্টেম এমনই এক "সিস্টেম" যে সে সবাইকে গিলে খায়!!

৩০. ০১ লা মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: অনুভূতির তারে ছরছর করে বেদনার সুর বেজে উঠলো।
কিন্তু, কী লাভ!
কাল্কেই তো সব ভুলে যাবো।
আমিও তো শ্রমিক, পুঁজির দালালি করি।
ওদের শৈশব কেড়ে নেয়া হয়েছে, আর আমাদের যৌবন কেড়ে নেয়া হচ্ছে।
এই তো পার্থক্য!
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ২:০৩

লেখক বলেছেন:
"আমিও তো শ্রমিক, পুঁজির দালালি করি।
ওদের শৈশব কেড়ে নেয়া হয়েছে, আর আমাদের যৌবন কেড়ে নেয়া হচ্ছে।
এই তো পার্থক্য!"

ভাল বলেছেন। হ্যাঁ লাভ তো একটা আছেই...লাভ হচ্ছে ওদের যুদ্ধংদেহি আন্দোলনকে যে আমরা অবজ্ঞা করি, সেটা যেন বদলাতে পারি। আমরা যেন ওদের পাশে থাকি। মধ্যবিত্ত শ্রেণীউ ওদের ভরসাস্থল।

৩১. ০১ লা মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২৯
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: এন এইচ আর বলেছেন: মার্ক জুবাবের বলেছেন জাতেমাতাল বলেছেন: মামুনুর রহমান খাঁন বলেছেন: তনুজা বলেছেন: খারেজি বলেছেন: দূরন্ত বলেছেন: রানা বলেছেন: কুঙ্গ থাঙ বলেছেন: অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:




পোস্টটি স্টিকি করা হোক।
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১২:২৩

লেখক বলেছেন:
কি দরকার! আপনারা পড়েছেন, স্টিকির দাবি জানিয়েছেন, এটাই যথেষ্ট।

৩২. ০১ লা মে, ২০০৯ দুপুর ১:০৫
অরণ্যচারী বলেছেন: সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: এন এইচ আর বলেছেন: মার্ক জুবাবের বলেছেন জাতেমাতাল বলেছেন: মামুনুর রহমান খাঁন বলেছেন: তনুজা বলেছেন: খারেজি বলেছেন: দূরন্ত বলেছেন: রানা বলেছেন: কুঙ্গ থাঙ বলেছেন: অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:




পোস্টটি স্টিকি করা হোক।
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ২:১২

লেখক বলেছেন:

আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাদের উপস্থিতিই স্টিকি....

৩৩. ০১ লা মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮
বিডিআর বলেছেন: স্টিকি হবার মত খুব সুন্দর পোষ্ট
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ২:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৪. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১০:২৭
জনৈক আরাফাত বলেছেন: আজ মে দিবস। আজ আমাদের ঘুম এর দিন। আজ কেন সারাবছরই আমাদের ঘুম এর দিন।
হৃদয় ছোঁয়া লেখা।
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ২:২১

লেখক বলেছেন:

শরীরী ঘুম তো মাত্র ৭/৮ ঘন্টা! আমরা তো বিবেকের ঘুমে গভীর ভাবে আচ্ছন্ন।

ধন্যবাদ।

৩৫. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১১:১৭
বৃত্তবন্দী বলেছেন: মে দিবস

অফিস থেকে বেরোবার সময় ভাবি ধ্যাত্তেরিকা শুক্রবারে পড়লো। একটা ছুটিই মাটি হলো।

তারপর মে দিবস। আহ কি শান্তি। রিকশায় করে চলে গেলাম কিছুদুর। বাসে উঠলাম, চলেগেলাম আরো কিছু দুর। ফিরেও আসলাম।
বাসার পাশে যে নতুন বিল্ডিংটা উঠছে তাতে ঘটাং ঘটাং শব্দে কাজ চলছে, বিরক্তিকর।
বুয়া ঠিকমতো এসে তার কাজ টুকু করে দিয়ে গিয়েছে। যাক ফাঁকি মারে নাই।

আমরা শালার বুর্জোয়ারাই মে দিবসের ছুটি পালন করি। আর এখানে ওখানে টক শো হাবিজাবি করে বেড়াই।
যারা এই ছুটির আসল ভাগীদার তারা কাজ করেই যায়।

করবেইনা বা কেন? শ্রমিক যে। কাজ তো ওরা করবেই।

পোস্ট স্টিকি করতে বলি না। স্টিকি করলে পোস্টটা মর্যাদা হারাবে। বুর্জোয়া এলিট হয়ে পড়বে পোস্টটাও। কোনো দরকার নেই স্টিকি করার।
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন:
স্যালুট বন্ধু!
অঙ্গার হয়ে জ্বলো...
জ্বলে পুড়ে ইস্পাত হয়ে ওঠো....
তীক্ষ্ণ ফলা হয়ে ওঠো...বিদ্ধ করো....

৩৬. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৩
মনজুরুল হক বলেছেন:

আমার দাড়িগোঁপ গজানোর বয়সেই আমার সৌভাগ্য হয়েছিল এদেশের নামকরা সব লিডারদের খুব কাছে থেকে দেখার। তাদের একজন প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, একজন এখন শিল্পমন্ত্রী, একাধিকজন এমপি হয়েছেন। এখন যিনি শিল্পমন্ত্রী তিনি চেয়ারে বসেছেন প্রায় চারমাস। শিশুশ্রম বন্ধকরার মত কাজটা কি তিনি করতে পারতেন না?
হয়ত বলবেন- "তাহলে ওরা কি করে পেট চালাবে"? কেন, রাষ্ট্র তাহলে কাদের সেবা করে যাচ্ছে? আমার ধারণা দিলীপ বড়ুয়া ল্যু স্যুন পড়েছেন। দেখি তার কৃতজ্ঞতা.....
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ২:২২

লেখক বলেছেন:
তার উপরে ভরসা করার মত কিছু কি তিনি দেখিয়েছেন গত চার মাসে?

৩৭. ০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১২:১৬
শয়তান বলেছেন: আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোয় এসব দিবস নীতি ফিতি একধরনের প্রহসন মাত্র ।




অঃটঃ অসহ্য যন্ত্রনায় আছি । মেইল পড়লে বুঝবেন । :( কিছুতেই রিলাক্সড হতে পারছিনা ।
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন:

হম। ১৬০/১৩০ !! এতো ভয়াবহ অবস্থা !! কোন মেজার নেন নাই? বি কুল ম্যান।


**পিছিয়ে দিয়েছি...

৩৮. ০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
শয়তান বলেছেন: বড়ি খাইয়া ঝিম মাইরা পইরা আছি । সন্ধায় আরও বেশী ভয়াবহ সময় কাটাইছি ।


** থ্যাংকস .....
০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ৩:১২

লেখক বলেছেন:
টেক রেস্ট...

৩৯. ০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৭
শয়তান বলেছেন: বড়ুয়া সাহেবের উপরে আমার আস্থা বরাবরই কম ।
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন:

হুম। ম্যাডামের সাথে চীন ঘুরে এসে আমার উপর ভীষণ চেতেছিলেন! তার ওই চীন সফর নিয়ে স্যাটায়ার করেছিলাম!!

৪০. ০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১২:৪০
বিডি আইডল বলেছেন: আমরা যতই লেখালিখি করি এই বিষয়ে শ্রমের মর্যাদা বা মূল্য কোনটাই দিতে পারিনা...বিদেশে সব ছাত্র রেস্টৃরেন্টে কাজ করে..কারণ শ্রমের মূল্য আছে...কাজ যাই হোক...আর আমাদের দেশে!?
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন:

সে কারণেই আমরা "বিদেশ" থেকে শত বছর পেছনে পড়ে আছি....

৪১. ০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১২:৫১
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: মনজুরুল ভাই, দেখি । প্রতিদিনই মনোযোগ দিয়ে দেখি এইসবের কিছু কিছু। ভাল্লাগে না। অক্ষমতার আর নিজের অনিচ্ছায় একধরণের 'শ্রেণী'বিভাজনে পোড়ায়.।।

আপনার লেখা পড়া আরো দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা.। কেন বুঝতে পারছেন.। পোড়ানোটা আগুন থেকে অঙ্গারে যায়.।
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন:

অনেক দিন পরে দেখলাম আপনাকে! ভাল ছিলেন তো?

হ্যাঁ পোড়ানোটা অঙ্গারে যাক! পোড়া দেশে অঙ্গার হয়ে পুড়ব এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আমার দর্শন বলে- একা পোড়ার চেয়ে সমবেত পোড়া কাঙ্খিত হওয়া উচিৎ।

৪২. ০২ রা মে, ২০০৯ রাত ৩:০৯
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: এইসব দিবস-টিবস একেবারেই লোকদেখানো। আমি কখনোই একাত্মবোধ করি না এইসব দিবস-টিবসের সঙ্গে।
০২ রা মে, ২০০৯ ভোর ৪:১০

লেখক বলেছেন:

এইসব দিবস-টিবস নিয়ে এই পোস্টের লেখকেরও কোন এ্যালিবাই নেই।

৪৩. ০২ রা মে, ২০০৯ সকাল ১০:২৪
তনুজা বলেছেন: Click This Link

মনজু ভাই এই পোস্টের নিচের দিকে একটা লিংক আছে আপনার জন্য

(মন্তব্য দেখা হলে মুছে দিয়েন)
০২ রা মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০৯

লেখক বলেছেন:

কোথা থেকে কোথায় যে চলে গেলাম.......

৪৪. ০২ রা মে, ২০০৯ সকাল ১০:২৫
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: একদম ঠিক বলছেন ... একটা সামন্তবাদী চিন্তা আমাদের বেঁধে রেখেছে ... মনে আছে ছোটবেলায় বাসায় কাজের বুয়ার ছেলেটা আমাকে তুই বলাতে সে কী রাগ করেছিলাম!!! ...
০২ রা মে, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪

লেখক বলেছেন:

আমরা এটাকে অল্প কথায় এভাবে ব্যাখ্যা করতে পারি........

সমাজের অধিপতিরা আহার করেন।
ধনিরা খাবার গ্রহন করেন।
আমরা ধনি হওয়ার প্রতিযোগীতায় লেগে থাকা মধ্যবিত্তরা খাই।
খেটেখাওয়া মানুষেরা গেলে! স্রেফ গেলে!!

৪৫. ০২ রা মে, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: মনজু ভাই... আমাদের দৌড় আসলে কী-বোর্ড পর্যন্ত ... আমরা দুই পয়সার মানুষেরা এর বাইরে আর কি বা করতে পারি?
যখন আমি শ্রমিক তখন শ্রমিকের মর্মবেদনা বুঝি...
আর যখন আমি মন্ত্রী তখন আর একজন মন্ত্রীর কষ্ট বুঝি :)
শ্রমিকে নয় .. :)

এই আর কি.... আছেন কিরম?
০২ রা মে, ২০০৯ বিকাল ৫:২৩

লেখক বলেছেন:

ভাল নেই। আমরা একটা কাজ শুরু করেছিলাম। আমরা নই, তরুন ছেলেগুলো প্রানান্ত খাটছিল। আমরা যোগ্য সঙ্গটুকুও দিতে পারিনি! সর্বশেষ মিটিঙে কেউ যাননি! আমি আমাদের বড়দের হয়ে লজ্জা পেয়েছি। ওই বিষয়টা নিয়ে এখন আর লিখতেই উৎসাহ পাচ্ছিনা।

এর দায় কি শুধু আমার একার? কেন সংবাদ সম্মেলন হলো না, কেন এর পরে আর কাজটা এগুচ্ছে না এই উত্তর আমার জানা নেই।

দুঃখিত পোস্টের বাইরে অনভিপ্রেত মন্তব্য করতে হলো।

৪৬. ০২ রা মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: মঞ্জুরুল ভাই,
খুব ভাল লাগছে, এই পোষ্টটি স্টিকি না হওয়াতে!
মডারেটরদের এক চোখ বন্ধ করে রাখার উজ্জ্বল প্রমান হয়ে থাকলো, এটি।

গতরাতে আমিও এ নিয়ে একটি লেখা লিখেছি।

Click This Link

আপনার পদচারণায় সম্মানিত বোধ করব।
০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ১:৩৬

লেখক বলেছেন:
হ্যাঁ ভাই আপনার ব্লগে যাচ্ছি। সারাদিনে একেবারেই সময় পাইনি! আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম।

আর আমার পদচারণা? এভাবে ভাববেন না প্লিজ! আমরা সবাই একটা ঘেরাটোপের ভেতর আচ্ছন্ন হয়ে দিনাতিপাত করে চলেছি মাত্র....

৪৭. ০২ রা মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৫০
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: বস... পারলে ইয়াহুতে আইসেন... সেইখানে নাহয় কথা বলবো... অথবা ফোনে...
০৫ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:১০

লেখক বলেছেন:
এখন একটু কাজে বের হচ্ছি। ইয়াহুতে কথা হবে। অথবা ফোন করব পরে.....

নাহ্ আর সময়ই বের করতে পারছিনা। ফোন ছাড়া উপায় নেই দেখছি....

৪৮. ০২ রা মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৫২
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: আর অরণ্যদের বিষয়ে কিছু বলার নাই...
ওরা প্রচণ্ড পরিশ্রম করেছে...
যেটায় আমি বা আমরা কেউ এর ধারে কাছেও নেই ...
০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ২:২১

লেখক বলেছেন:

ওদের পরিশ্রমরে কথা বলার মত নয়। আমরা ওদের কাছে কৃতজ্ঞ।

আজো মেইলে বসতে পারলাম না। দুঃখিত, কাল ফোনে কথা হবে। ভাল থাকবেন।

৪৯. ০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ৩:৪৬
অলস ছেলে বলেছেন: লগ অফ থাকা অবস্থায় আগে সময় নিয়ে পড়েছিলাম। মনটাকে নাড়া দিয়েছে আপনার এই লেখা। ছবির চরিত্রগুলো প্রতিদিনই দেখতাম, কিন্তু এই ছবির ভেতর দিয়ে যে চোখে দেখলাম, ঐ চোখ প্রতিদিনকার অভ্যাসে মরে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে, নবায়ন করতে এমন লেখাই দরকার আমার।
০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন:

নবায়ন! দারুন বলেছেন! এই কাজটাও যদি ঠিকঠাক করা যেত.....ভাললাগল আপনার মন্তব্য।

৫০. ০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ৩:৪৯
পুতুল বলেছেন: লেখাটা খুব ভাল লেগেছে। আপনার পক্ষেই এ ভাবে লেখা সম্ভব!
মেইল পাঠিয়েছি বেশ ক'দিন আগে। এখনো বোধ হয় দেখতে পারেন নাই।
০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ৩:৫৫

লেখক বলেছেন:

না না, মেইল দেখেছি। আসলে বইটা প্যাক করে সময় নিয়ে ডাক ছাড়ার ফুরসৎ পাচ্ছিনা। গত ছয়-সাত দিন ধরে সেই উপমা মেয়েটিকে নিয়ে হাসপাতালে দ্যেড়াদৌড়ি করে ক্লান্ত। তার উপর আরো কিছু উটকো কাজও এসে পড়েছিল হাতে।

এ সপ্তাতেই পাঠাতে পারব বলে আশাবাদী। ভাল থাকুন।

৫১. ০৩ রা মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৮
পুতুল বলেছেন: উপমার কাজটা আমার বইয়ের চেয়ে বেশী জরুরী। তাড়াহুড়োর কিছু নেই। যখন সময় পান, পাঠাবেন। আপনাকে ভাল থাকতেই হবে। আরো কতো লেখা বাকী! সে গুলো কে লিখবে!
০৪ ঠা মে, ২০০৯ রাত ১:১৪

লেখক বলেছেন:

কাঠি বদলের দৌড়ে আছি....হাতে কাঠি নিয়ে দৌড়েই চলেছি.....

৫২. ১৫ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৩
আকাশ অম্বর বলেছেন:

...নাক ফুঁড়িয়ে কখনোই নাকফুল দেওয়ার সময় পায়নি, হাতের কাঁচের চুড়ি আর....
.....কামারের হাপর টানছে যে ছেলেটি, তারও ঘুম পায়। চোখ মুদে আসে.....
.....কিন্তু পেটের মরণ ক্ষুধা সেই সব চাওয়াগুলোকে গলাটিপে হত্যা করেছে।....

ধন্যবাদ আপনাকে।
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৫২

লেখক বলেছেন:
আপনার আন্তরিক ধন্যবাদ কে স্বাগত,
কিন্তু ভাই আপনি প্রফাইল পিক শোকের আবহ করে রেখেছেন কেন?

৫৩. ১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৩০
আকাশ অম্বর বলেছেন:

কাল মানে কি শোক? হয়তোবা পশ্চিমা সমাজব্যবস্থায়।
মাসাই মুরাদের কাছে এটাই তো জীবনের প্রতীক।
কুরো (কালো) তো সূর্যদোয়ের দেশে অভিজ্ঞতার স্বরুপ।

মজাক করছি ভ্রাতা ! আপনি কিন্তু বেশ লিখেন।
নিয়মিতই পড়বো আশা করি।
ভালো থাকবেন।
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৪৫

লেখক বলেছেন:

"কুরো", জাপানী এই শব্দটা একেবারেই নতুন শুনলাম।
না, চূড়ান্ত অর্থে বলিনি। এই ব্লগে কেউ ব্যান হলে সে কালো প্রফাইল দেয়। সেজন্য মনে হয়েছিল।

আপনিও ভাল থাকবেন।

৫৪. ০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:১৪
সোহানা মাহবুব বলেছেন: লেখাটা পড়ে মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল।যে মালিক শ্রমিককে নিপীড়ন এবং নিষ্পেষণ করে, তার লোভ কখনও নির্বাপিত হয়না,এটাই নগ্ন বাস্তবতা।এ থেকে বেরুনোর কি কোন পথ নেই?খুব অসহায় লাগে মাঝে মাঝে।
০৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৭:১১

লেখক বলেছেন:
"এ থেকে বেরুনোর কি কোন পথ নেই?খুব অসহায় লাগে মাঝে মাঝে।"

নিশ্চই বেরুবার পথ আছে, এবং তা খুব একটা অপরিচিতও নয়। তবে সেই পথের প্রতি আমাদের আগ্রহ নেই এটাই বাস্তবতা।

ধন্যবাদ আমার ব্লগে আসার জন্য।

৫৫. ০৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৭:৪৩
শয়তান বলেছেন: লেখক বলেছেন:
"সিস্টেমে ঢুইকা সিস্টেম বদলাইতে হয়"।

সমস্যা হলো একবার সিস্টেমে ঢুকে গেলে আর সিস্টেম বদলানোর ইচ্ছা কাজ করেনা। সিস্টেম এমনই এক "সিস্টেম" যে সে সবাইকে গিলে খায়!!

----কয়জনে পারবো এই কঠিন কাজটা করতে ।
০৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: উই ক্যান ডু....

৫৬. ০৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:৫৪
শয়তান বলেছেন: ইউ মীন টু এ্যাক্ট লাইক এ ভাইরাস ?

হা হা হা ।
০৭ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৪:২৮

লেখক বলেছেন: সো ইউ মীন। ইটস আ রিয়েল গেম।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৯৭৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমাদের মাতৃগর্ভগুলি এই নষ্ট দেশে
চারিদিকের নিষেধ আর কাঁটাতারের ভিতর
তবু প্রতিদিন রক্তের সমুদ্রে সাঁতার জানা
হাজার শিশুর জন্ম দেয়,যারা মানুষ ।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ