আমার প্রিয় পোস্ট

যে শিক্ষক বুদ্ধিজীবী কবি ও কেরানী প্রকাশ্য পথে হত্যার প্রতিশোধ চায়না আমি তাদের ঘৃণা করি

একে একে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী > সব দোষ চাপানো হচ্ছে শ্রমিক অসন্তোষ আর চাঁদাবাজদের উপর > আসল কাহিনী কী ?

২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৯

শেয়ারঃ
0 2 0

বিদেশে কর্মরতদের পাঠানো রেমিট্যান্স, গার্মেন্টস, রপ্তানিআয়, সফট ওয়্যর এক্সপোর্ট,
তথা দেশের আয়-উন্নতির শিখরে অবস্থান করা সেক্টর এবং সেই সেক্টরগুলোর কর্মী বা শ্রমিকদের সম্পর্কে আমাদের নাগরিকদের কিছু মোটাদাগের উক্তি এরকমঃ-

# হালার এই আদমগুলা বিদেশে গিয়া এমন সব কান্ড করে যে দেশের মান-ইজ্জত নিয়া টানাটানি > আম নাগরিক।
# এই হতচ্ছাড়া গার্মেন্টস এসে থেকে গ্রামের ছেমড়িগুলার এমন তেল হইছে যে হাজার টাকায়ও কাজের বুয়া পাওয়া যায়না > শরীরের মাঝ বরাবর অতিরিক্ত মাংসের ভারে ফুলে ওঠা হাউস ওয়াইফ।
# আইজকা গার্মেন্টস উইঠ্যা যাক কালই দেহা যাইব এই মাগীগুলা বেশ্যাখাতায় নাম লেহাইছে > অধূনা টাকাঅলা সুনাগরিক।
# আমরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে "মাত্র সত্তর-আশি হাজার" টাকা মাসিক বেতনে দেশের টোটাল বাজেটের ফিফটিথ্রী পার্সেন্ট আয় করে দিচ্ছি, বাট আমাদের কোন ভ্যালু দিচ্ছে না গভর্নমেন্ট! এই সব স্টুপিড ওয়ার্কিং ক্লাসদের সমস্যা হলো, এদের কিছুতেই পেট ভরেনা! সব হাভাতের দল! চাবকে পিঠের ছাল তুলে দেওয়া দরকার > নব্য সি ই ক্লাস, মেইড বাই গার্মেন্টস বাইপ্রডাক্ট।
# কিরিবাতি কিংবা ভানুতুয়াতে অদক্ষ শ্রমিক পাঠানোর সুযোগ আছে কিনা খতিয়ে দেখার জন্য একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিনিধি দল পাঠানোর ব্যাপারে সক্রিয় বিবেচনা আছে > মহামহিম সরকার!
_____________________________________________
আমাদের দেশের আর দশটি সেক্টরের মত নয় গার্মেন্ট সেক্টর। এদের ঠিক বাংলাদেশের পরাবাস্তবতায় নুন আনতে পান্তা ফুরোয় না। এই কারখানার মালিকরা হা-ভাতে বা অশিক্ষিতও নন। এটা কোনো কুটির শিল্পও নয়। এটা দেশের প্রধান রপ্তানি আয়ের উৎস. অন্তত সেরকমটিই বলে থাকেন এই কারখানা সংশ্লিষ্ট লোকজন।

এই কারখানাগুলোর পেছনে রাষ্ট্রের কি নেই? রাষ্ট্রের পুলিশ কোথাও মানব সেবায় বা মানব উপকারে যাওয়ার সময় না পেলেও গার্মেন্ট কারখানায় ডাকা মাত্র যাওয়ার নির্দেশে আছে। সন্ত্রাসীরা কোথাও ম্যাসাকার ঘটাচ্ছে জেনেও সেখানে কত দেরী করে যাওয়া যায় সেই ইতিহাস তো পুরোনো, কিন্তু গার্মেন্ট সেক্টরে শ্রমিক অসন্তোষ দমনের জন্য পুলিশ ত্বরিত বেগে হাজির হয়! আন্দোলনরত শ্রমিকদের ঠেঙ্গিয়ে পেঁদিয়ে তারা মালিকের স্বার্থ রক্ষা করে। যে স্বার্থের সাথে নাকি সরকার-দেশ এবং জাতিও জড়িত! তা বাদে আছে র‌্যাব। তাদেরও এখানে নিয়োজিত করা হয়। তারাও তাদের খুনে ভাবমূর্তি নিয়ে হা হা করে হাজির হয়।

সরকারের অন্যত্র গোয়েন্দা নজরদারীর কী হাল সে তো বিডিআর ম্যাসাকারেই প্রমান হয়েছে। অর্থাৎ গোয়েন্দা নজরদারী ব্যাপারটা বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো! কিন্তু এই গার্মেন্ট সেক্টরে গোয়েন্দারা রাতদিন গোয়েন্দাগিরি করে চলেছেন। রিপোর্টের পর রিপোর্ট পেশ করে চলেছেন। তারও পরে আছে সরকারের অন্যান্য বাহিনী। সবারই প্রধান লক্ষ্য এই সোনার ডিম পাড়া হাঁসটিকে (গার্মেন্ট সেক্টরকে) যে কোন মূল্যে বাঁচিয়ে রাখতে হবে! এবং তারও পরে আছে মালিকদের নিজস্ব পেটোয়া বাহিনী। এই বাহিনী পিটিয়ে, ঠেঙ্গিয়ে শ্রমিকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার নিকেশ করে ছাড়ে। এদের ত্বরিত এ্যাকশনে অগুনতি শ্রমিক পঙ্গু অথবা শয্যাশায়ী হতে বাধ্য হয়। এতকিছুর পরও যদি চান্দে চান্দে, প্রহরে প্রহরে শুনতে হয়---একে একে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে গার্মেন্ট কারখানাগুলো! আর এই বন্ধের পেছনে সব চেয়ে বড় ক্রিমিনাল করা হচ্ছে শ্রমিকদের আন্দোলনকে, এবং সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজীকে! এই বন্ধ হয়ে যাওয়ার পেছনে আর যে কারণগুলি আছে সে বিষয়ে হাল্কা ছুঁয়ে প্রায় সব দোষই চাপানো হচ্ছে চাঁদাবাজ আর শ্রমিক অসন্তোষের উপরে। কিন্তু এটা যে শেষ পর্যন্ত কোন শিল্প না, এটা যে কেবলই ‘দর্জির দোকান’ এই কথাটিও এর মালিকশ্রেণী মানতে রাজি নন।

বলা হচ্ছে- হুমকি ও অর্থনৈতিক চাপ সইতে না পেরে অনেক গার্মেন্টস মালিক অফিস করছেন না। একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে গার্মেন্টস কারখানা। রপ্তানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস মেনুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) সূত্রে জানা গেছে, প্রায় প্রতিদিনই বন্ধ হছে দু/একটি গার্মেন্টস কারখানা।গার্মেন্টস মালিকরা অভিযোগ করে বলেছেন, চাঁদা দাবিকারী সন্ত্রাসীদের অনেকের বিরদ্ধে হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। টেলিফোন ছাড়া সশরীরে হাজির হয়েও গার্মেন্টস মালিকদের কাছে চাঁদা চাইছে তারা। ঘটছে খুনের ঘটনা। তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ-এর প্রতি মাসের পরিচালনা পর্ষদের সভায় অসহায় গার্মেন্টস মালিকরা তুলে ধরেছেন ভয়াবহ চিত্র। অন্তত ৩০ জন গার্মেন্টস মালিক সরাসরি অভিযোগ করেছেন, টেলিফোনে তাদের কাছে চাঁদা চাওয়া হছে। বেশ কিছু মালিক ভয়ে কারখানায় আসতে পারছেন না। বিজিএমইএ সূত্রে জানা গেছে, গত এপ্রিলে ২৩টি অসন্তোষের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে মজুরি সংক্রান্ত অসন্তোষের সংখ্যা ১৩টি। গত বছর এপ্রিলে হয়েছিল ২১টি ঘটনা। এর মধ্যে মজুরি নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনা ৭টি।

দেখুন। এখানে বলা হচ্ছে প্রথমতঃ বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব। দ্বিতীয়ত বলা হচ্ছে সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজীর হুমকি, আর তৃতীয়ত বলা হচ্ছে শ্রমিকদের অসন্তোষ। এই তিনটি উপসর্গের কথা তারা (গার্মেন্ট মালিকরা) সেই সূচনা লগ্ন থেকেই বলে আসছে। মাঝে গত জোট সরকারের আমলে এবং দুবছরের ত্বত্তাবধায়ক সরকারের আমলেও তারা এই তিন ‘শত্রু "কে টার্গেট করে বিবৃতি দিয়ে আসছিলেন। সে সময় এমনকি তারা সকল গার্মেন্ট কারখানা প্রতিবাদস্বরূপ বন্ধ করে রাখারও হুমকি দিয়েছিলেন। সেই হুমকির পর পরই সরকার শ্রমিক অসন্তোষ আর চাঁদাবাজী দমনে সর্বশক্তি নিয়োগও করেছিল। এখন আবারো মালিকরা সরকারকে সরকারের সব দায়িত্ব ফেলে সকল শক্তি এই সেক্টরে নিয়োজিত করার দাবি তুলেছেন। তার মানে সরকার-দেশ গোল্লায় যাক, শুধু গার্মেন্ট সেক্টর যেন টিকে থাকে! এটা টিকে থাকলেই যেন দেশে দুধের নহর আর ক্ষীরের সরবর বয়ে যাবে! আজব ব্যাপার হচ্ছে সকল সরকারই আবার এই সেক্টরকে বাঁচানোর জন্য তাদের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ফেলে এই সেক্টরেই শক্তি প্রয়োগ করে প্রমান করে তারা গার্মেন্ট সেক্টরকে রক্ষা করতে কত তৎপর! হায়! ঠিক এতটুকু গুরুত্ব যদি পাট সেক্টর পেত, অথবা চামড়া, কিংবা কুটির শিল্প পেত! আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সারা দেশে যে আরো কত কত সেক্টর মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দিনরাত তেল-মবিল দিয়ে অর্থনীতির চাকাকে চালু রেখেছে, তা যদি সরকারের নীতিনির্ধারকরা একটু আমলে নিতেন, তাহলে দেশে আজ শিল্পের নামে দর্জির দোকানের উপর এভাবে আদাজল খেয়ে নির্ভর করতে হতো না।

উপরে যে প্রধান তিনটি কারণের কথা বলা হলো, বা প্রধান তিন ক্রিমিনালের পরিচয় দেওয়া হলো তা বাদে আর কী কী কারণ আছে এই সেক্টরটির বন্ধ হতে চাওয়া বা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলার পেছনে? আসুন সংক্ষেপে দেখে নেওয়া যাক।

১.নিজস্ব তুলা উৎপাদন না থাকায় সম্পূর্ণ আমদানি নির্ভর সূতো এবং আমদানি নির্ভর অন্যান্য উপকরণের কারণে এরা বির্হিবিশ্বের মুক্তবাজারের সাথে প্রতিযোগীতায় টিকতে পারছে না।

২. প্রতিযোগীতায় হারছে যাদের কাছে, তাদের প্রায় সব উপকরণই নিজস্ব।

৩. প্রতিযোগীতায় হেরে দিনের পর দিন সিএম(মজুরী) কমাতে কমাতে শ্রমিকদের মানবেতর পর্যায়ে নিয়ে যাবার কারণে শ্রমিক অসন্তোষ অবধারিত হয়ে উঠছে।

৪. সিএম কমে গেলে মালিকের লোকসান,এই সত্যটি উল্টে দিয়ে তারা লোকসানের দায় চাপান শ্রমিকদের উপর। এবং শ্রমিকদের মজুরী কমিয়ে দেন অথবা শ্রমিক ছাঁটাই করেন। কিন্তু কিছুতেই নিজেদের লোকসান মেনে নেন না।

৫.ব্যাংক-বীমা সহ সরকারের যে ডজন ডজন অধিদপ্তর উপদপ্তর আর অনুদপ্তর আছে যারা এই সেক্টরকে সরকারী সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে থাকে তাদের জোঁকের মত রক্ত শুষে খাওয়ার শেষ নেই। তারা এই সেক্টর থেকে যে পরিমানে অবৈধ আয় করেন যার কোন নজির গোটা বিশ্বে নেই। এদের প্রধান পান্ডা কাস্টমস। এই কাস্টমসের হার্মাদীয় লুটপাটের ফলে গার্মেন্ট সেক্টরকে দাঁতমুখ খিঁচে নিজেদের আয় করা টাকার ‘অফিশিয়াল চাঁদাবাজী’ মেনে নিতে হয়। এই অফিশিয়াল চাঁদাবাজীর মোট অংক কোন ভাবেই সারা বছরের সন্তাসীদের চাঁদাবাজী আর শ্রমিক অসন্তোষের চেয়ে কম নয়। চট্টগ্রাম, ঢাকা,বেনাপোল, এই প্রধান তিনটি বন্দরের একজন কাস্টম অফিসারের মাসিক আয় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা! বন্দরের অন্যান্য খুঁচরো কর্মচারিদের আয়ও মাসে প্রায় লাখ টাকা! এই টাকার একটা নিশ্চিত অংশ হাঁটতে হাঁটতে একেবারে ‘উপরে’ চলে আসে। সুতরাং উপর খুশি তো সব খুশি! মোদ্দাকথা এই সোনার ডিম পাড়া সেক্টর থেকে সরকারি-বেসরকারি সেবা সংস্থা এবং অন্যান্য ডজন ডজন দপ্তর মাসে মাসে ফুলে ফেঁপে ওঠে বলেই এই সেক্টরকে বাঁচানোর জন্য তাদের এই পরিমানের গরজ।

৬. আমদানি ছাড়াও অভ্যন্তরীন ক্ষেত্রে এক একজন কাস্টম কর্মকর্তা শুধুমাত্র ইনটুবন্ড এর খাত থেকে মাসে প্রায় দেড়লাখ টাকা শুষে নেয়। ফ্যাক্টরি ভিজিটের নামে, বন্ডেড ওয়্যার হাউস লাইসেন্স নবায়নের নামে, ইন্ডাস্ট্রিয়াল আইপি(ইম্পোর্ট পারমিশন সার্টিফিকেট), ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইপি, ফায়ার সার্টিফিকেট, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, শ্রম অধিদপ্তরের ছাড়পত্র সহ হাজারো অফিস এবং হাজারো খাতককে সন্তুষ্ট করতে হয় এই গার্মেন্ট সেক্টরকে। সবাইকে সব কিছু দিয়ে থুয়ে যেটুকু বাঁচে তাই দিয়েই শ্রমিক বেতন দিতে হয়। তার আগে নিজেদের রাজকীয় খায়-খচ্চা মেটাতে একটা মোটা অংকের টাকা ডানে রাখতে হয়। অন্য সেক্টরের কারখানায় ক্যাপিটাল ট্রান্সফার করতে হয়। বিদেশে মানি লন্ডারিং করতে হয়। হংকং-সিঙ্গাপুরে বিলাসবহুল ট্যুর দিতে হয়, আমেরিকা-ইয়োরোপে প্রমোদ সফর দিতে হয়, মেলায় অংশ নেয়ার নামে আদম পাচার, দামি হোটেলে থাকা, এমন আরো শত শত আইটেম আছে যা মেনটেইন করতে হয়।

এই সকল কিছুকে বাইপাস করে তারা দেখা যাচ্ছে কেবলই তিন শত্রুকে ঘায়েল করার জন্য সরকারের কাছে হত্যে দিয়ে পড়ছে। আবার সরকারকে ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দিচ্ছে! অদ্ভুত দাবির বহর এদের!

পত্রিকার খবরে দেখা যাচ্ছে এরা বলছেন এখন নাকি কোন কোন সন্ত্রাসী শ্রমিকদের ক্ষেপিয়ে তুলছে!

মহামন্দার কারণে গার্মেন্টস খাত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এরপর চাঁদাবাজিসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে কারখানায় বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হলে দেশের রপ্তানি আয়ের বড় খাতে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসবে। প্রায় প্রতিদিনই এক থেকে দুটি কারখানা বন্ধ হয়ে যাছে। গত মাসে ৩৫টি কারখানার বেতন-ভাতা দেয়ার মতো পরিস্থিতি ছিল না।
গত ৪ মাসে ফতুল্লা ও সাভারে ৬৯টি কারখানায় বিভিন্ন কারণে অসন্তোষ হয়েছে। ১৫ জন শ্রমিক আহত হয়েছে এবং ৩৫টি গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও অন্যান্য কারণে এখন সামান্য উস্কানিতেই শ্রমিকদের ক্ষেপিয়ে তোলা যায়। অসন্তোষ ঘটিয়ে ফায়দা লুটতে চাইছে অনেকেই।

অর্থাৎ আরো একটি ক্রিমিনাল পাওয়া গেল! তাহলে এখন কি হবে? সরকার কি কেবল এই তিন বা চার ক্রিমিনালদের সায়েস্তা করার জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করবে? মালিকরা কি সরকারের “ব্যবস্থা” নেওয়ায় সন্তুষ্ট না হয়ে নিজেদের পেটোয়া বাহিনী দিয়ে উনিশ শতকের সেই দাস ব্যবসার পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনবেন? নাকি সমস্যার গভীরে যেয়ে সমস্যার আসল কারণগুলো খুঁজে বের করে তার সমাধান করবেন? আমরা কিছুই আন্দাজ করতে পারিনা। শুধু এতটুকু জানি, মারার জন্য কল্পিত শত্রু খুঁজে খুঁজে এক সময় তাদের না পেয় সামনে আহম্মকের মত দাঁড়িয়ে থাকা শ্রমিককেই পাওয়া যাবে, এবং তাদের উপরেই সকল প্রকার ঝাল মেটানো হবে। এটাই হয়ে আসছে গত ২৭/২৮ বছর ধরে। আর কত? যে দরিদ্র ছেলেটি এক অক্ষর বিদ্যাবুদ্ধি না পেয়েও বিদেশ থেকে রক্ত পানি করে ডলার পাঠাচ্ছে, যে নারীরা ঘরে বসে হাজারো ছোট ছোট কুটির শিল্প গড়ে তুলে অর্থনীতির মূল হুইলে শক্তি যোগাচ্ছে, যে ক্ষেত মজুর ঠা ঠা রোদে পুড়ে আমাদের অন্ন উৎপাদন করে চলেছে, যে রিকসাচালক শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে প্যাডেল মেরে হাজার হাজার গ্যালন পেট্রল বাচিয়ে দিচ্ছে, যে হাতকলের হ্যান্ডেলে নারীদের নরম হাতগুলো কড়া ফেলে যাতা ঘুরিয়ে সমাজের চাকা সচল রেখেছে, যে কচি কচি শিশুরা তাদের জন্মসূত্রে পাওয়া শৈশবকে অবহেলায় দূরে ঠেলে ঘাম আর রক্তের হোলি খেলায় ক্রীড়ানক হয়েছে, তারা কি কোন প্রটেকশন পেতে পারে না? তারা কি দেশের অর্থনীতিতে কোনই ভূমিকা রাখছে না? ভ্রান্তিতে স্বর্গারোহন আর কতদিন?


 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): চাপান-উতোর ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রবন্ধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:৫২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৪
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: আপাতত প্রিয়তে চলে গেল। পরে পড়ে মন্তব্য করব।
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: প্রশাসন, নাগরিক, বুদ্ধিজীবী, ক্রিটিক সকলেই উপায়ন্ত না পেয়ে সব দোষ ওই নন্দঘোষ শ্রমিকদের ওপরেই চাপিয়ে আমোদ পায়! এই অপচেষ্টার রহিত হওয়া দরকার।

২. ২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৯
নেক্সাস বলেছেন: অসাধারন...

বস্তু নিষ্ঠ....

প্রিয়তে রাখলাম
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নেক্সাস। ভাল আছেন ?

৩. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:০১
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: আপনি অনেকটা ভেতরের চিত্র তুলে ধরেছেন। ধন্যবাদ।
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। মনযোগ দিয়ে পড়েছেন সে জন্য ।

৪. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:১৩
স্বপ্ন-বয়ান বলেছেন: অনেক বেশি বিস্তারিত হ'য়েছে। আর একটু সংক্ষেপ করা গেলে ভালো হতো। পাঠক ভীমরি খাবে। পুরোটা পড়ার আগ্রহ হারাবে। আমি ভীমরি না খেয়েই পুরোটা প'ড়লাম।
ভালো আলোচনা। সরকারের অদূরদর্শীতা আর দলাদলী'র জন্য শেষ হ'য়ে যাচ্ছে আমাদের অর্থনীতি।
+++++++
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: মজার ব্যাপার হচ্ছে যদি রাতারাতি আমাদের প্রায় সাড়ে তিন হাজার (ওভেন এবং নীট) গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে যায়, যদি রাতারাতি সকল মোবাইল কোম্পানী ব্যবসা গুটিয়ে নেয়, তবুও বাংলাদেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়বেনা। আমি এই ব্যাপারটি আরো খোলাসা করে জ্ঞাত হয়েছিলাম ড.আতিউর রহমানের(বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর) সাথে এক কথোপকথনে, বছর তিনেক আগে।

৫. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:১৫
শয়তান বলেছেন: হ

উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে ।
২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:১৪

লেখক বলেছেন: কেননা "বুধো"দের সংখ্যা ভারি।

৬. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:১৭
শয়তান বলেছেন: লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): চাপান-উতোর ;

--মানে কি ?? :|
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:২৩

লেখক বলেছেন:

আড়াই থেকে তিন হাজার শব্দের মধ্যে ওই একটি খুঁজে পেলেন ! :।

দোষ চাপানো এবং দোষ এড়ানো।

৭. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:২০
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: "একটি সোয়েটার ফ্যাক্টরী" (সংক্ষেপিত)
১।প্রথমে একটি চার তলা ফ্লোর ভাড়া নিন। অবশ্যই এলাকার প্রভাবশালী কারো ফ্লোর।
২।বায়ারকে ডাকুন এবং আপনার ফ্লোর দেখান।
৩।বায়ার আপনাকে মেশিন, বয়েলার, সূতা এবং শ্রমিকের বেতনের অর্ধেক টাকা পর্যন্ত দিয়ে যাবে।
৪।উৎপাদন শুরু করুন।
৫।শ্রমিকের সাথে লেন-দেন চুক্তিভিত্তিক অর্থাৎ সে যত কেজি সোয়াটার বুনবে তত টাকা পাবে।
৬।মেশিনগুলো সব হাত মেশিন, ডানে বামে অবিরাম হেন্ডেল মারতে হয়, তবুও চিন্তা নেই শ্রমিকের কাজে ফাকি দেওয়া নিয়ে।
৭।কখনই শ্রমিকের টাকা পুরো দেবেন না।
৮। দিন রাত ১২ থেকে ১৬ ঘন্টা কাজ করবে শ্রমিকরা, এরা কাজের সাথে ওভারটাইম করে নাকি ওভারটাইমের সাথে কাজ করে সেটা বোঝা সম্ভব নয়।
৯।অর্ডার ডেলিভারী করুন। সব নগদ পেমেন্ট পাবেন বায়ারের কাছ থেকে। তবুও বেতন ঠিক মত ভুলেও পরিশোধ করবেন না।
১০। অনেক টাকা ইনকাম হয়েছে। শ্রমিকে বেতন জমতে জমতে এমন হয়েছে যে আরেকটা ফ্যাক্টরী দেয়া যায় সেই টাকা দিয়ে।
১১।ওদিকে শ্রমিক অসন্তোস বাড়ছে।
১২।এবার সময় হয়েছে ভাগা দেবার।
১৩।মোটামুটি উচ্চ পদস্থ সবার বেতন পরিশোধ করে তাদের সাবধান করে দিন পরের দিন ফ্যাক্টরীতে আসতে।
১৪।এবার দারোয়ানের জিম্মায় পুরো ফ্যাক্টরী রেখে ভাগা দিন।
১৫।জীবনে এই মুখো হবেন না। অন্য এলাকায় আরেকটি ফ্যাক্টরী বসান এবং এই নির্দেশনাটি প্রথম থেকে আবার পালন করুন।
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: এটাকে নিয়ে একটি পোস্ট দিন! পোস্টের নাম হতে পারে "হাউ টু মেক মানি ফ্রম লেবারস সু্য়েটিং" !!

একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক শিল্প উদ্যোক্তার মনের কথাটি বলে দিয়েছেন।

অজস্র ধন্যবাদ।

৮. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:২২
আগামি বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম । মনে হচ্ছে স্টিকি হবে ।

পরে আয়েস করে পড়ে মন্তব্য করুমনে ।
২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:১৬

লেখক বলেছেন: আগামি দেখি ভবিষ্যৎ বলতে পারেন! যাহোক আয়েশ করে হোক বা কষ্ট করে হোক, পড়ে প্রতিক্রিয়া জানালে বাধিত হব।

৯. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:২৬
জুমানজি১১ বলেছেন: লেখক বলেছেন: যে দরিদ্র ছেলেটি এক অক্ষর বিদ্যাবুদ্ধি না পেয়েও বিদেশ থেকে রক্ত পানি করে ডলার পাঠাচ্ছে, যে নারীরা ঘরে বসে হাজারো ছোট ছোট কুটির শিল্প গড়ে তুলে অর্থনীতির মূল হুইলে শক্তি যোগাচ্ছে, যে ক্ষেত মজুর ঠা ঠা রোদে পুড়ে আমাদের অন্ন উৎপাদন করে চলেছে, যে রিকসাচালক শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে প্যাডেল মেরে হাজার হাজার গ্যালন পেট্রল বাচিয়ে দিচ্ছে...

আমি শুধু প্রথমটা নিএ বলব, বিদেশে যে বাঙ্গালী শ্রমিকরা কি পরিমান হাড় ভাঙ্গা খাতুনি করে তা নিজের ছখে না দেখলে বিশ্বাস হবে না...আমাদের অনেকের (আম জনতা) এক্তা ধারনা বিদেশ মানেই Honeymoon...কিন্তু বেপার অন্যরকম।

পেট্রল বাচানোর বেপারটা একটা ভাল point. আমি এদের প্রতিসহানুভুতিশীল হলেও অভাবে কখন চিন্তা করিনি।

কিন্তু একটা বেপার...আপ্নি এখানে গার্মেন্টস কর্মীদের বেতন এর বেপারে কিছু বলেননি...সরকারের কিন্তু এই বেপারে আরো ভালভাবে চিন্তাকরার অবকাশ আছে।

আপনার ব্যাখ্যামুলক লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:১৮

লেখক বলেছেন: ৩৮ নম্বরে মজুরীর ব্যাপারে বিস্তারিত বলেছি। একটু কষ্ট করে পড়ে নেবেন ভাই।
আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

১০. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:২৮
বৃত্তবন্দী বলেছেন: আমি যতদুর জানি, বড় বায়ার'রা কিছু ক্রাইটেরিয়া নির্ধারন করে দেয়। যার উপর ভিত্তি করে তাদের নির্দেশিত অডিট ফার্মের মাধ্যমে (বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই এই ফার্মগুলো হয় বিদেশী এবং অডিটররাও বিদেশী হয়) কম্প্লায়েন্স এ্যসুওরড হলেই তখন নতুন ফ্যাক্টরীকে ওয়ার্ক অর্ডার দেয়। এই কম্প্লায়েন্সের ভিতর ওয়ার্কারদের স্যালারী, ওভারটাইম ইত্যাদি ব্যাপার গুলোও থাকে। এই ঝামেলা(?!!) এড়ানোর জন্য ফ্যক্টরী গুলোতে দু'ধরণের ফাইল মেইনটেইন করা হয় বলে শুনেছি। কোনাবাড়িতে থাকা এক বড় গ্রুপের এক্স অডিটরের কাছ থেকে শোনা। শুধু তাই না, মালিক পক্ষ কিছু লোকদের শিখিয়ে পড়িয়ে রাখে অডিটরদের কাছে ভুল তথ্য দেবার জন্য। আর এসবের সাথে শুধু সরকারী না মধ্যসত্ত্বভোগীদেরও যোগসাজস থাকে।
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: প্রিয় বৃত্তবন্দী। আমি এখানে গার্মেন্ট মালিকদের চুরি-চামারি, তাদের ব্যবসা নিয়ে ফেরেপবাজী, বায়ার যোগাড়, সরকারের বিভিন্নমাপের ইনসেনটিভ ...এগুলি আলোচনা করিনি। তাতে পোস্ট অনেক বড় হয়ে যেত। আমার মূল বিষয়টা হলো.....

ফ্যাক্টরীগুলো বন্ধ হওয়ার পেছনে যে শ্রমিক আর সন্ত্রাসীদের ঢালাও ভাবে দোষারোপ করা হচ্ছে সেটার বিরোধিতা করে।

১১. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:২৯
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: বর্ণনা কিছু একপেশে লাগছে মনজু ভাই ।


পাঠ চলুক ।
২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২০

লেখক বলেছেন: দুইপেশে করার যে উপায় নেই ভাইয়া! আমার মনগড়া কিছু তো নয়। সবই ইনফো থেকে। যদিও কলেবরের কারণে অনেক ইনফো দেওয়া হয়নি। পোস্টের পরেও এক সহব্লগারের অনুরোধে পোস্ট এডিট করে ছোট করেছি।

নারী শ্রমিকদের সাথে সিই ক্লাস আর জিএম ক্লাস যে আচরণ করে তা দেখলে তোমার বমি এসে যাবে! আমার পেশাগত কারণে সেই ৮৮ সাল থেকে এই মহামান্য সেক্টরের একেবারে ভেতর পর্যন্ত দেখেছি আমি।

১২. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৩২
প্রিয়সখা বলেছেন: স্টিকি করা হোক। আপনার লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১৩. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৩২
প্রগতিশীল বলেছেন:
ভাল হয়েছে।
প্রিয়তে রাখলাম
২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২১

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।

১৪. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৪
শয়তান বলেছেন: দু'ধরণের ফাইল এর ঘটনা সত্যি ।
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: পিলে চমকে ওঠার মত ক্যারাব্যারা আছে! শুধু দু'ধরণের ফাইল হলে তো কথা ছিল না। এমন এমন পুকুর চুরি আছে যা প্রকাশ্যে চলে!

১৫. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৮
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: কি করবেন ভাইয়া, সরকার তো গার্মেন্টস মালিকদের!শ্রমিকদের তো না!সুতরাং এই ভাবেই দিন পার হবে!আমরা খালি তাকি্যে থাকবো নিরুপায় হয়ে...................
২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৩

লেখক বলেছেন: তেলে মাথায় সবাই তেল দেয়! বড় ঘাটে নাও বাঁধতে চায় সকলে। চাঁদের গায়ে চাঁদ লাগলে আমাদের আসলেই কিছু করণীয় থাকে না।

ভাল আছ ভাইয়া ?

১৬. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৫৪
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: অবশ্যই , সে ব্যাপারে কোনো দ্বিমত এর জায়গাই নেই ভাইয়া , আমার অভিজ্ঞতা না থাকলেও অনুভূতি যা আছে তা দিয়ে এটুকু ধরতে পারি ।

...................................................................................

কিন্তু ঘটনা হোলো এই শিল্প উদ্যোক্তাদের আমাদের দরকার , এখনই কোনো রেডিক্যাল পরিবর্তন যেহেতু সম্ভব নয় ,তাই স্টেপ গুলোতে ব্যালেন্স আনাটাই উচিত । গার্মেন্টস মানিকদের যে দায়ে আমরা চিনি ,একই দোষ পাট শিল্পে বা স্টিল শিল্পের মালিকদেরও আছে (কেই বা চুষে রক্ত খাওয়া বাদ দিবে !! )।আর আমাদের অদক্ষ শ্রমিক , ১২-১৭ বছরের মেয়েদের জন্যই যদি বলি , গার্মেন্টস টাই সোজা ।শিল্প গড়ে ওঠা যেহেতু নির্ভর করে আমাদের অ্যাডভানটেজ কোনদিকে , গার্মেন্টস শিল্পকেই সামনে রেখে কাঠামোতে পরিবর্তন আনাটা বেশি এফেক্টিভ হতে পারে ।দর্জি হলেই বা ক্ষতি কি !
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:১২

লেখক বলেছেন: না। গার্মেন্টসটাকেই আ্যাডভান্টেজ ধরার বিপদ আছে। যে পরিমান অর্থ এখানে লগ্নি করা আছে, সেই পরিমান অর্থ লগ্নি যদি একটি বা একাধিক ভারী শিল্পে করা হতো তার ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ হতো অনেক বেশী। আমাদের রিসোর্স কী? শুধুই সস্তা লেবর না? এই সেক্টরের বোতাম থেকে শুরু করে সেলোফেন সবই আমদানীনির্ভর। আর সেই আমদানীর যে শুল্ক আসে তার সবই মওকুফ! অর্থাৎ সরকারের হাতে কোন রাজস্ব আসছেনা। বলা হচ্ছে এখন অনেক ছোট ছোট সাহায্যকারী শিল্প বা ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ গড়ে উঠেছে। বেশ, কিন্তু তাদেরও কাঁচামাল সবই আমদানীকৃত। নয় কি ? এখন ট্যাগ, স্টিকার, বোতাম, জিপার, ফ্ল্যাপস, ইন্টারলাইলিং, ইলাস্টিক এবং এই ধরণের এক্সেসরিজ সবই দেশে তৈরি হচ্ছে। কিন্তু কি ভাবে ? সব বিদেশ থেকে এনে! তুলো,সূতো,রাবার,লোহা, নাইলন,পিভিসি, রেজিন, এলএলডিপিই, এলডিপি, এলএলডিপি, হ্যাংট্যাগ...ইত্যাদি কোন কিছুই কি আমাদের দেশে উৎপন্ন হয় ? আমরা শুধু এ্যাসেম্বল করি মাত্র।

তার পরেও এই সেক্টর লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। তার মানে কি এই যে, তারা দেশের মাথা কিনে নিয়েছে? তাদের রক্ষা করলেই দেশ বাঁচবে? তারা উঠে গেলেই হা-ভাতে শ্রমিকরা না খেয়ে মরবে? আর সেই দয়া করে বাঁচানোর জন্য তারা সবার উপর ছড়ি ঘোরাবে?

এটা চূড়ান্তবিচারে একটি ফড়ে বিজনেস। আজ বিশ্বমন্দার দোহাই দিয়ে বড় বড় বায়াররা টাকা উইথড্র করুক, কালই এই কারখানার ঘরগুলো ভাড়া নেওয়ার মানুষ পাওয়া যাবেনা। সমস্ত ব্যাকওয়ার্ড বন্ধ হয়ে যাবে, যে অবস্থা হয়েছিল আশির দশকে শ্রীলংকায়। এবং সেখানে ওটি হয়েছিল বলেই সেই ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশে এসেছিল।

১৭. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৫৮
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: আমি জানি না ভাইয়া আপনি কি এডিট করেছেন , কিন্তু মিনিমাম ওয়েজ নিয়ে কিছু আলোকপাত করলে মনে হয় বুঝতে সুবিধা হোতো আমাদের , ওটা অনেক বড় ইস্যু মনে হয় আমার ।
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৩০

লেখক বলেছেন: ঘন্টাদুয়েক পরে মিনিমাম ওয়েজ নিয়ে এ্যাড করে দেব। এখন টায়ার্ড! আসলেই ওটা অনেক বড় ইস্যু।

থ্যাংকস অপু।

১৮. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:০১
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: সমস্যা সবদিকেই, একদিকে না।

প্রথমেই গার্মেন্টস ওয়ার্কারদের সম্পর্কে যে কথাগুলো বিভিন্ন ক্লাসের প্রতিনিধির মুখে বলালেন, সবগুলোই তীব্রভাবে সত্যি। কিন্তু গার্মেন্টস ওয়ার্কারদের ঠেঙ্গাতে পুলিশের অতি আগ্রহকে ব্যংগ করাটা ঠিক ভালো ঠেকলো না। এটা নিশ্চিতভাবেই সত্যি যে শ্রমিক অসন্তোষ শুধু না, যেকোনো অসন্তোষে ভাংচুর না করলে বাঙ্গালির পেটের ভাত হজম হয় না। সেক্ষেত্রে দেশের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ খাত সরকার ভাংচুরের হাত থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বাঁচাতে চাইলে ঠেঙ্গানির উপ্রে কিসসু না।

ষড়যন্ত্র তত্ত্বও কিন্তু মিথ্যা না। সব দলই শ্রমিক সংগঠনের পলিটিক্সের মাধ্যমে বিপক্ষের সরকারকে বিপদে ফেলতে বিদ্রোহ উস্কে দেয়। উস্কে দেয়ার ব্যপারে একটা লজিক আছে, যেকোন প্রতিষ্ঠানেই বিভিন্ন কারণে ক্ষোভ থাকতে পারে...কিন্তু তা অতিরিক্ত হলেই আগ্নেয়গিরি হয়ে যায়। এই সুযোগ কাজে লাগাতে সুবিধাবাদীদের অভাব নাই।


এই কথা সত্য যে ব্যবসায়ীরা শ্রমিকের ঘামের দামে বিলাসিতা করছে। দোষ চাপানোর বেলায়ও শ্রমিকের পিঠটাকেই পাচ্ছে। কিন্তু পুজিবাদী বিশ্বে দেশটাকে টিকতে হলে আপনাকে ব্যবসায়ীর সুবিধাটা নিশ্চিত করতেই হবে। ব্যবসায়ীকে ডিস্কারেজ করলে সে বাইরের দেশে পয়সা ঢালবে, তার পয়সা আছে। তার সমস্যা নাই। সমস্যা কিন্তু তার গার্মেন্টসে যে কয়জন চাকরি করতে পারতো তাদের...

যেসব দেশের সাথে গার্মেন্টস সেক্টরে আমাদের প্রতিযোগিতা, তারা অনেক কাজই অটোমেটিক মেশিনে করছে। তাদের সাথে পাল্লা দিতে পুরোপুরি অটোমেশন চালু করলে কিন্তু বেকারের সংখ্যা আরো বাড়বে। তাই অটোমেশনে চলা বাইরের কলগুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে এ দেশে গরিব ঘামে ভেজা শরির গুলোকে কম বেতনে সন্তুষ্ট থাকতে হবে। নাইলে ব্যবসায়ী ব্যবসা গুটাবে, ফলাফল হবে জিরো। এখানে শ্রমিকদের সন্তোষজনক বেতন দেয়া যেতে পারে শুধুমাত্র সন্ত্রাস আর দুর্নীতি বন্ধ করলেই। এ ছাড় আসলে উপায়ও নাই। ব্যবসায়ীকে চাপ দিয়ে কোনো ফল পাবার আশা নাই।

আধুনিক বিশ্বে ব্যবসায়ীরাই সরকার নিয়ন্ত্রণ করে। এটাই বাস্তব। তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নিয়াই বহুত তাফালিং করসিলো অমুক ব্যবসায়ী তমুক ব্যবসায়ীকে জেলে পুরে। তারপরে যখন ব্যবসায়ীরা হার্ড লাইনে গেল, জিনিসপাতির দাম বেড়ে গেল...তখন সরকারের তাফালিং কমসে। শুধু আমাদের দেশের চিত্র এটা না। আমেরিকার যুদ্ধনীতিও কিন্তু আমেরিকার অস্ত্র ব্যবসার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই আমেরিকাকে টিকতে হলে যুদ্ধ বাধায় থাকতে হবে।

মোট কথা, ব্যবসায়ীরা কিছু দোষে দোষি, কিন্তু দেশকে টিক্তে হলে একটু প্রশ্রয় দিতেই হবে। গোঁয়ারের মতো এখানে আইন আর নীতিকথায় অটল থাকলে না খেয়ে মরতে হবে। শ্রমিকেরাও একেবারে নির্দোষ না। নিজেদের স্বার্থ সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করতে পারলে তারা নিজেদের পেশার জায়গাটাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতো না।
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:২৬

লেখক বলেছেন: আপনি খুব ভাল কিছু পয়েন্ট তুলেছেন। এবিষয়ে এক্ষুনি লিখতে পারছিনা। হাত ব্যথা করছে। একটু পরে আপনার এই বিষয়ে আলোচনার আশা রাখি।

ধন্যবাদ ভাঙ্গা পেন্সিল।

১৯. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:০৭
শয়তান বলেছেন: ড্রইংরুমে এসিতে বৈসা চিন্তা করলে কোন লাভ নাই ।
২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৯

লেখক বলেছেন:
"গন্ধ গোলাপে নাক ঢেকে তিনি কাঁদেন
প্লেনের জানালায় বসে তিনি বণ্যার্তদের দেখেন।"


৬৯ সালের সেই প্রলয়ংকারী ঘুর্ণীঝড় দেখতে আসা আইউব খানের উদ্দেশ্যে আ.গা.চৌ এর কবিতা........

২০. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:০৯
স্বপ্ন-বয়ান বলেছেন: " আমাদের প্রায় সাড়ে তিন হাজার (ওভেন এবং নীট) গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে যায়, যদি রাতারাতি সকল মোবাইল কোম্পানী ব্যবসা গুটিয়ে নেয়, তবুও বাংলাদেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়বেনা।"
কিন্তু এতে কি পরিমান মানুষ বেকার হবে, কতো টাকা লোকসান হবে....।
আপনার জবাব পরিস্কার নয়।
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: এটা একটি ডাটা দিয়ে বুঝিয়েছিলেন ড.আতিউর। আমিও তাতে একমত। ১৯৮০ সালের আগে বাংলাদেশে জিডিপি ছিল পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ। এখনো তাই! কেন? এত এত ইনভেস্টের পরেও কেন সর্বোচ্চ ছয় হলো? কেন আটে উঠলনা?

ঢাকার বাইরে যেখানে গার্মেন্ট, ওয়াশিং, সুয়েটার, হেভি মেটাল, রি-রোলিং, অটোমেটিক হাস্কিং, টেক্সটাইল, স্পিনিং মিল নেই সেখানে কোটি কোটি মানুষ কি করে?
ঢাকা/চিটাগাং/নারায়নগঞ্জ শহরগুলোতে কাজ করে খুব বেশি হলে দুই থেকে আড়াই লাখ শ্রমিক। এর বাইরে অগনিত মানুষ কি করে? তারা সবাই ধান-চাল-জমি-দোকান-ছোট কারখানা বিষয়ক কিছু একটা করে। সেটাই বাংলাদেশের মূল চালিকা শক্তি। ইন্সট্যান্ট এই শহুরে ফ্যাকাল্টিগুলো বন্ধ হয়ে গেলে শহুরে কয়েকটি শ্রেণী বিপদে পড়বে। ঢাকার মার্কেটগুলো খা-খা করবে। কিন্তু বাংলাদেশ ঠিকই এখনকার মতই চলতে থাকবে। হয়ত জৌলুস কমে যাবে। জাঁক কমে যাবে।

২১. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:২২
মরি-নাই বলেছেন: হক্‌ কথা !

লেখা ভাল লাগছে দাদা।
২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ দাদা।
কক্খোনো মরবেন না।

২২. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:২৭
সত্যান্বেষী বলেছেন: গার্মেন্টসে শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিলে টিভি চ্যানেল গুলো শ্রমিকদের ভাঙচুরের কথাই বলে, কি কারণে যে ভাঙচুর করল সেকথা খুব যত্নের সাথে চেপে যায়!
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: আপনার এই পয়েন্টটা ভাঙ্গা পেন্সিল অনুধাবন করেননি। এটা নিয়ে আলাদা পোস্ট হতে পারে। এখানে বিস্তারিত দিলে অনেক বড় হয়ে বিরক্তির কারণ হতে পারে। কেন ৯০ দশকের পর থেকে শ্রমিকদের কথিত ভাংচুর বেড়েছে তারও ডাটা আছে।

দেখি হয়ত কমেন্ট আকারে দিতে পারব........

২৩. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৩৩
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: আপনার এই পোষ্ট টা সরকার এর উচ্চ মহল ও গার্মেন্টস এর মালিকদের চোখে পড়া উচিত........তাহলে তারা বুঝবে......কাক মল ত্যাগ করলে এটা সবারই দৃষ্টিগোচর হয়(যদিও কাক মনে করে এটা সে নিজে চাড়া অন্য কেউ দেখে না)। এটা ওদের বুঝা উচিত যে সাধারন মানুষও তাঁদের ছলচাতুরী বুঝে।

আপনার পোষ্টটিতে অত্যন্ত গুরুর্ত্বপূর্ন এ সেক্টরের প্রাসঙ্গিক সমস্যা ও এর সমাধানের সম্ভাব্য পয়েন্ট তুলে ধরেছেন।

কমরেড.......আপনাকে স্যালুট।
২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩৩

লেখক বলেছেন:
ইদানিং তুমি দারুন দারুন সব কথা বলছ! তোমার অভিজ্ঞ হয়ে ওঠা দেখে আমি বিস্মিত! লেগে থাকো।

তোমাকেও স্যালুট ভাইয়া।
খুব শিগগির দেখা হচ্ছে....

২৪. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৩৫
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: পোষ্ট টা স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি!!
২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। তোমাদের অনুরোধের জন্য কৃতজ্ঞতা।

২৫. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৩৯
খারেজি বলেছেন:




সত্যান্সষীও এটা একটা দারুণ পয়েন্ট তুলেছেন, প্রথম আলোর মত মানবতাবাদী পত্রিকাতেও নিয়মিত শিরোনাম দেখি: তুচ্ছ কারণে গার্মেন্ট কর্মীদের অমুক তমুক কীর্তি।

এবং কারণটাকে বরাবরই আড়াল করা হয়। গত গার্মেন্ট বিদ্রোহের সময় পত্রিকাগুলো শতভাগ বিরোধিতা করল, দমন-পীড়নকে সাধুবাদ দিল, বিদেশী ষঢ়যন্ত্র আবিষ্কার করল, তারপর মাসখানেক পর প্রথমআলোতে দেখলাম ইনিয়ে বিনিয়ে গার্মেন্ট শ্রমিকদের পুস্টি, বাসস্থান, কর্মঘন্টা নিয়ে পুতু পুত কথাবার্তা।
পরের ছোটখাট ধর্মঘটেই আবার ঠিকই মালিকের সাফাই গাওয়া।


এই হইলো গার্মেন্টস মালিকদের মিডিয়া।
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: কারণ বাংলাদেশে বিজনেস টাইকুনরা এভাবে বেড়ে ওঠে.................................

শশুরের দেওয়া যৌতুক/বড়ভাইয়ের পাঠানো টাকা/বাপের শত বিঘা ধানিজমি কোলেটরেল রেখে ব্যাংক লোন > শিল্প কারখানা > ক্লাব মেম্বার > সমাজসেবক > স্পোটর্স অনুরাগী > দানবীর > গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ > সিইও > কবিতার বই প্রকাশ > পত্রিকার মালিক > টিভি চ্যানেলের মালিক > স্ত্রী পরিবর্তন > আলহাজ > বড় দলের টিকেট > সাংসদ > আবার টিভিতে জ্ঞানগর্ভ বক্তিমে > বানী প্রদানের মত হযরত > অতঃপর ফুট্টুস ।।

২৬. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৪৭
শিট সুজি বলেছেন: ভ্রান্তিতে স্বর্গারোহন আর কতদিন

আপনার সাথে সম্পুর্ন একমত।
২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩৫

লেখক বলেছেন: অনেকদিন পরে! কেমন ছিলেন সুজি?

২৭. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৫২
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: আরেকটা ব্যাপার নিয়ে একটু আলোকপাত করলে ভাল হতো। গত তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে একবার অভিযোগ করা হয়েছিল যে শ্রমিক অসন্তোষের টার্গেট হচ্ছে সেইসব গার্মেন্টস যারা ন্যায্য মজুরী এবং অন্যান্য বিষয়ে যথেষ্ঠই যত্নবান এবং সুনামের অধিকারী। কোন বা একাধিক পক্ষ মিলে পরিকল্পিতভাবে এই সেক্টরের সর্বনাশ করছে।

এর সত্যতা আসলে কতটুকু ?
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৫৫

লেখক বলেছেন: একবিন্দুও না রঞ্জুভাই। এই ব্যাপারটা নিয়ে একটু পরে বিশদ লিখে একটা কমেন্ট করছি। সেটা প্রায় পোস্টের অর্ধেক হয়ে যাবে, তাই একটু রেষ্ট নিচ্ছি.................

২৮. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ২:০১
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: আপনারা গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে বিসিকে আসেন। এখানে অনেক গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী। আপনাদের শুধু অনুরোধ করব একদিন রাত ৮টা থেকে সকাল ছয়টা পর্যন্ত এখানে কাজ করা শ্রমিকদের বসবাসের এলাকা বাইমাইল, জরুন এসব দিয়ে ঘুরতে। নিজের চোখে শ্রমিকদের অবস্থা দেখতে। বলতে পারেন, রাতে কেন? কারন দিনের আলোয় অনেক কিছু স্পষ্ট হয় না আর এই এলাকায় রাত কখনও ঘুমায় না। এখানে শুধু গার্মেন্টস শ্রমিক নয়, দিন মজুরদেরও পাবেন, পাবেন রাজমিস্ত্রী, মাটি কাটার শ্রমিক। আমার বিশ্বাস যদি আপনাদের হৃদয়ে মোটামুটি দয়া মায়াও থাকে আপনারা না কেঁদে ফিরে যেতে পারবেন না।
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ২:১৬

লেখক বলেছেন:
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী। ভাই আপনার দেখা অনুভূতির সাথে হয়ত একাত্ম হতে পারবনা দূর থেকে, কিন্তু আমার নিজেরই তিক্ত অভিজ্ঞতা কম নয়। আমি দিনের পর দিন ওই শ্রমিকদের সাথে থেকেছি। ওদের সাথে ইঁটের চুলোয় ভাত রান্না করেছি। ক্লিপ দিয়ে মাঢ় গলানোর উপায় ছিলনা বলে হাতে ধরেই মাঢ় শেষ না হওয়া পর্যন্ত বসে থেকেছি। সারারাত ওয়ার্কার মেয়েগুলো ব্রয়লার মুরগীর মত গাদাগাদি করে থাকত। খুব ভোরে ওরা যখন টিফিন ক্যারিয়ার হাতে বেরুতো তা দেখে বোঝার উপায় থাকত না যে ঠিক আগের রাতটা কি ভাবে কেটেছে তাদের! আর সেই রক্ত নিংড়ানো টাকায় যখন প্রাডো বা নোয়াহ গাড়িগুলো সাঁই সাঁই করে ছুটে যেত, তখন মনে হতো কোথায় শিকাগো শহরের সেই হে-মার্কেট!

আপনার এলাকায় চান্দনা মোড় থেকে দেড়-দুই মাইলের মধ্যেই আমি অনেক দিন থেকেছি।

লেখাটা আপনাকে ছুঁয়েছে জেনে কৃতজ্ঞ।

২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩৭

লেখক বলেছেন:
আপনি না পোস্ট দিয়ে বিদায় নিলেন !:(
মায়া কাটাতে পারলেন না তাই তো !

গুড জব।

৩০. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ২:২৫
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: শুধুই অন্ধকার......................ঘুট ঘুটে অন্ধকার.........................
২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: না না তা কেন হবে ?অন্ধকারের পেছনেই তো আলো আছে। আছেই।

৩১. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ২:২৯
অন্তু বলেছেন: পুরাটায় একটা চোখ বুলালাম। অনেক চিন্তার বিষয় আছে। আমি নিজেও এই ব্যবসার সাথে জড়িত। আমাদের কিছু ইউরোপিয়ান বায়ারের কাজ করে দিতে হয়। এটা সত্যি যে যে হারে রেট কমছে ভবিষ্যতে কাজ করা খুব কঠিন হয়ে যাবে। এই কিছুদিন আগেই আমাদের একটা ২.৪ মিলিয়ন ডলারের একটা কাজ হাতছাড়া হলো রেট না মিলাতে পারার কারনে।
১২ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৪:৩১

লেখক বলেছেন: আস্তে আস্তে সবই হাতছাড়া হতে থাকবে

৩২. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৩৭
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: ভাই আমি বিসিক এলাকার মানুষ।জন্মের পর থেকে বড় হয়েছি ঐ এলাকায়। আমি নিজেও বিসিকের এক কারখানাতে জীবন কাটিয়েছি।ওদের চরিত্র প্রকৃতি গতিবিধি জীবনের সুখ দুঃখের সাথে আমার আজন্ম পরিচয়। আমি ঘর বা বাসা বা ফ্লাট চিনি না কিন্তু কারখানা চিনি। বাসা বাড়ীতে জীবনে থাকি নাই। আমার বাবা শ্রমের মর্যাদার ব্যবহারিক শিক্ষা আমাকে দিয়েছেন। কামলাদের সাথে মাটি কেটেছি, রাজমিস্ত্রীর জোগালীর কাজ করেছি, ওয়েল্ডিং এর কাজ করেছি, ঢালাই মিলিয়ে মাথায় করে বয়ে বাশের সিড়ি দিয়ে উঠে ছাঁদ ঢালাই দিয়েছি, চুনকাম রঙ করেছি, মেশিন ঠিক করেছি, রাত জেগে অর্ডারের মাল তৈরী করেছি। ফ্যাক্টরীর যে কোন কাজে শ্রমিকদের সাথে বা দিনমজুরদের সাথে দিনরাত হাতে পায়ে খেটেছি। আমাদের পারিবারিক কোন কাজের লোক নেই। সব নিজে করতে হয়। আমি জানি সারাদিন কাজ করার পর একজন মজুরের কতটুকু ক্ষুধা লাগে।
০৪ ঠা জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন:
কেউ কেউ আকাশে-বাতাসে কেবলই হাইপোথিসিসের গণ্ধ পায়....................... কি করবেন ভাই!

২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:০২

লেখক বলেছেন: কমপ্লিট সল্যুশন তো নাই! আছে সাময়ীক রেমেডি। তার জন্য এ্যাডমিন লেভেল থেকে অব: দের সরাতে হবে। তাহলে ৫০% দাঙ্গা কমে যাবে।

৩৪. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৪৪
শয়তান বলেছেন: ২০ নং এ যে রিপ্লাই দিলেন তা দেখছি শুভংকরের ফাঁকি । হা হা হা
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: নাজিমের কাছে আর একটু বড় মন্তব্য আশা করেছিলাম।

৩৬. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:২২
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: বিশ্লেষণ ভাল লেগেছে, একটা চিত্র উঠে এল।
এই ঘরনার পোস্টসমূহ পড়লে দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া আর করার কিছু থাকে না!
বাংলাদেশে একটা সমস্যা সমাধান করতে গেলে দশটা প্রাসঙ্গিক অন্তরায় চলে আসে। একটা চক্রে দেশ আবদ্ধ হয়ে গেছে, দুষ্ট-চক্র। মরার উপর গঁড়ার ঘাঁয়ের মতো আছে সরকার-মশাই!
২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৫৬

লেখক বলেছেন:
আমরা বলিঃ দেশ শনৈ শনৈ উন্নতি করছে! গ্রাম্য বালিকার হাতে মোবাইল! ঠোঁটে লিপস্টিক, কানে দুল, পরণে প্রিন্টর শাড়ি.....সে আবার পয়লা বৈশাখে রমনায় ঘুরতে যায়! ছুটিছাটায় বাসে চেপে কানে মোবাইল রেখে বাড়ি যায়,ছোট ভাইটাকে স্কুলে ভর্তি করায়, বাবার ক্ষয়কাশি যে ওষুধে ভাল হয় সেই তথ্য দেয়, শাবনূর-রিয়াজকে চেনে...আমরা বলি নারী অবগুণ্ঠনমুক্ত হতে পেরেছে!

অথচ ওকে, মানে ওই মেয়েটিকে শুষে ছোবড়া করার জন্য কত কী যে তৈরি হয়ে আছে! কত যে বিচিত্র ওদের জীবন! আমার তো মনে হয় টানবাজারে যে কিশোরীরা বন্দি জীবন কাটাতো এরা তাদের চেয়েও বন্দি!

আমি জানিনা সমাধান কী? শুধু জানি প্রতিটি ক্রিয়ার পার্শ্ব পতিক্রিয়া আছে। থাকবেই। রিভোল্ট ইজ জাস্টিফায়েড। অলওয়েজ।

শুভকামনা আশরাফ।

৩৭. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:৩১
ফারুক৫৫ বলেছেন: "কমপ্লিট সল্যুশন তো নাই" এটাই বাস্তবতা।
৩৮. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:৪৪
মনজুরুল হক বলেছেন:

তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট এসেছে। তার একটি নিয়ে এই থ্রেডে কিছু কথাঃ

মিনিমাম ওয়েজ।
বিগত সরকার ঘোষিত মিনিমাম ওয়েজ ছিল ১৬৫০/- টাকা। যখন আটার কেজি ছিল ৪২ টাকা! এই মিনিমাম ওয়েজ বর্তায় নিয়মিত শ্রমিকের উপর, অর্থাৎ যারা কমপক্ষে ৬ মাস কাজ করছে। তাহলে নতুন অদক্ষদের কত? তাদের কোন রেট নেই! ৫শ থেকে ৮ শ টাকা পর্যন্ত পায় তারা। শ্রমঘন্টা মিনিমাম ১২ ঘন্টা। তাহলে ৮ শ কে যদি ইউনিট ধরা হয় তাহলে দেখা যাচ্ছে দিনে সে পায় ২৭ টাকা! এই ২৭ টাকায় কি তিন বেলার খাবার হয়? একজন রিকসাচালক তার জমার টাকা বাদে দিনে দেড়-দুই শ টাকা আয় করে। সেখানে গার্মেন্ট কর্মীর আয় ২৭ থেকে ৩০ টাকা।
যারা রেগুলার তাদের ১৬৫০/- টাকা। অর্থাৎ ৫০ টাকার মত দিনে আয়। এই মিনিমাম ও্রয়েজ দিয়ে ঢাকা নয়, দেশের কোথাও কি একজন মানুষ তিনবেলা খেতে পারে? না, পারেনা।তাহলে তাকে বাঁচার জন্য কি করতে হয়? ওভারটাইম। সেখানেও জোচ্চুরি আছে। ঠিক করা ১২ ঘন্টার সাথে আরো ৪/৫ ঘন্টা ওভারটাইম হলেও তার একটা অংশ পিএম বা জিএমকে না দিলে ওভারটাইম কমিয়ে দেওয়া হয়। তাহলে সাকুল্লে দাঁড়াচ্ছে...বেতন+ওভারটাইম মিলিয়ে একজন নিয়মিত শ্রওমিক পাচ্ছে- দিনে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। মাস হিসেবে দুই থেকে আড়াই হাজারের মত। এবার পার্ট বাই পার্ট হিসেব কষলে দেখা যাবে শুধুমাত্র খাদ্য বাবদই তার সম্পূর্ণ আয় শেষ হয়ে যাচ্ছে। সে ঘরভাড়া বা অণ্যান্য খরচ কি করে মেটাবে? এর কোন জবাব নেই। তার পরেও সে ইন্ডাষ্ট্রিয়াল লেবর ! কি গালভরা নাম! মাটিকাটা শ্রমিক নয়।

ওয়েজ নিয়ে বিচিএমইএ-সরকার-শ্রমিক সংগঠন একাধিকবার বৈঠক করেছে। সরকারের একাধিক টিম গঠিত হয়েছে। সেই টিমে সরকারের একাধিক সংস্থাকে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। তার পরও কোন সুরাহা হয়নি। সর্বশেষ শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবি ছিল মিনিমাম ওয়েজ হতে হবে ৪হাজার ৫শ টাকা। আর অদক্ষদের মিনিমাম ২হাজার টাকা। শত কোটি টাকা ব্যয়ে অবৈধ জায়গায় নির্মিত বিজিএমইএ ভবনের শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে মালিকপক্ষ সেই দাবি নাকোচ করে দিয়েছে। তাদের যুক্তি-বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার কারণে সিএম কমে গেছে, বায়াররা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে, ওর্ডার বাতিল হয়ে যাচ্ছে...ইত্যাদি ইত্যাদি।

এর জবাবে সরকার কিন্তু বলতে পারছে না যে, আমদানিকৃত কাঁচামাল যদি একশভাগ রপ্তানিমুখি হওয়ায় ডিউটি ফ্রী না হয়ে ডিউটি দিয়ে আনতে হতো, তাহলে সেই ডিউটির টাকা দিয়ে সরকার সকল শ্রমিককে মাসে মাসে পুষতে পারত। বাংলাদেশের এডিপি বা উন্নয়ন বাজেটের সিংহভাগ আসে রেভিন্যু থেকে, অর্থাৎ আমদানি শুল্ক থেকে। অথচ তিন হাজার শিল্প প্রতিষ্ঠান থেকে সরকার কোন আমদানিশুল্ক,ভ্যাট,আই ট্যাক্স, আইডিএসসি, সাপ্লিমেন্টারি ট্যাক্স পাচ্ছেনা।

শুধু তৈরি পোশাক রপ্তানি নয়, এই সেক্টরের আরো অনেক আয়ের খাত আছে। (যেমন আছে সরকারের একাধিক সরকারিচাঁদার খাত) সেই সব খাত থেকে যে টাকা আসে আর রুগ্ন বা খুঁড়িয়ে চলছি ট্যাগ লাগানোর পর যে ইনসেন্টিভ আসে তা দিয়ে কেন শ্রমিক অসন্তোষ থামানোর মত ওয়েজ দেওয়া হয়না? এই প্রশ্নের উত্তর কেউ দেয়না। আর সে কারণেই অসন্তোষ, ভাংচুর, অগ্নি সংযোগ।
৩৯. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:৪৫
আহছানউল্লাহ বলেছেন: আমি একজন প্রবাসী হিসাবে আপনার পোষ্টকে+++দিচ্ছি।কারন বুঝতে পেরেছেন প্রবাসীরা কষ্টার্জিত রেমিটেন্স পাঠায় বিপরীতে তারা কত সুন্দর গালি শুনে থাকে।
২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৯

লেখক বলেছেন: তার পরেও আমাদের বিবেক জাগরুক হয়না!

৪০. ২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩৯
তনুজা বলেছেন: মনজু ভাই বিগ হ্যান্ডস --স্টার্টিং এ যে সত্যটা তুলে ধরেছেন দরকার ছিল। শুধু অর্থনৈতিক বৈষম্যই নয় সামাজিক বৈষম্যটাও অতি কদর্য এবং নগ্ন- বিশেষ করে এই সেক্টরকে ঘিরে

কারণটা মনে হয় এখানে নারীশ্রমিকের সংখ্যানুপাত। খুব স্বাভাবিকভাবেই এই সেক্টরের কর্মীরা নাগরিকসমাজের অপ্রিয়--রক্ষণশীল সমাজেরও দারুণ চক্ষুশূল। আরও নির্মম হল মালিকপক্ষের বহুবিধ হ্যারাসমেন্ট। মানসিক শারীরিক অপমানের কাহিনিগুলো বাদ দিয়েও যে দুঃখজনক ঘটনা বিশেষ করে এই সেক্টরের জন্য প্রযোজ্য তা হল হেলথ এন্ড সেফটি। বাংলাদেশে ফি বছর এত বয়লার বিস্ফোরণ হয় দেখবেন সেগুলো প্রায়ই গার্মেন্টস থেকে, অগ্নিকান্ডের সময় শুধুমাত্র অপরিসর সিঁড়িঘরের কারণে রেসকিউ করা যায় না ।

একটু অফটপিক হল কিনা জানি না--কেন যেন মনে হয় বিল্ডিং ধস বলুন, বয়লার বিস্ফোরণ বলুন আর সামাজিক শ্লেষই বলুন --গার্মেন্টসশিল্পটাই সবচেয়ে বড় অভিমন্যু --এর উৎসে জেন্ডার ডিসক্রিমিনেশনের সনাতন গল্পটাও হয়তো কাজ করে ।
২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৩০

লেখক বলেছেন: "বিল্ডিং ধস বলুন, বয়লার বিস্ফোরণ বলুন আর সামাজিক শ্লেষই বলুন --গার্মেন্টসশিল্পটাই সবচেয়ে বড় অভিমন্যু --এর উৎসে জেন্ডার ডিসক্রিমিনেশনের সনাতন গল্পটাও হয়তো কাজ করে ।"

হয়ত না তনুজা সত্যিই কাজ করে। ঢাবির এক শিক্ষকের একটি গার্মেন্ট ফ্যাক্টরীতে অনেক আগে গেছিলাম। তিনি গর্বভরে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখাচ্ছিলেন তার ফ্যাক্টরীরর হেল্থ এন্ড সেফটির ব্যাপারগুলো......ক্লপ্সিবল গেটে চেইন দিয়ে তালা মারা কেন জানতে চাওয়ায় বললেন; চুরি ঠেকানোর জন্য! "আপনিও স্যার"? শুনে বললেন; জাননা ওরা কি পরিমান হারামি.......এর পর আর বাকটুকু শোনার প্রবৃত্তি হয়নি।

ওরা কি চুরি করে? এক প্যাকেট বোতাম, একটি-দুটি সূতোর রীল, হয়ত প্যান্টের হুক...ছোটখাট আর তো কিছু নেই চুরি করার! কারণ বড় কাপড়ের থান তো বুকের খাঁজে সেঁদিয়ে নেওয়া যাবেনা। ওই সামান্য চুরি ঠেকাতে আমাদের অর্থনীতির পাইলটরা কি করেন? শেকল/তালা দিয়ে কারখানাটা গুদাম করে রাখেন। আগুন লাগলে বা আগুনের হুজুগ উঠলে পড়িমরি করে নামতে গিয়ে ফিবছর ২০/৩০ জন শ্রমিক তো মরেই! এ নিয়ে যে কতবার লিখেছি....কোনো লাভ হয়নি।

বুর্জোয়া হতে গেলেও একটা কোয়ালিটি লাগে। সামন্তবাদমুক্ত উদার মানসিকতার হতে হয়। বিজ্ঞান মনষ্ক হতে হয়। ইন্ডাষ্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন সম্পর্কে জানতে হয়.....
ফুটবলে পা দিয়ে ঠ্যাঙ্গানো সালাম মুর্শেদীরা তা কি করে জানবে? এরা বুর্জোয়াও হতে পারল না!

আমি এক নামকরা চিত্র পরিচালকেকে বলতে শুনেছি.....ফিল্মের মাইয়াগো থিক্কো এরাই(গার্মেন্ট) ভাল। একটু শ্যাম্পুট্যাম্পু করাইয়া নিলে জোশ!

ভাল্লাগেনা এসব ভাবতে-বলতে.....গা রি রি করে। বমি আসে। এবার তাহলে চিন্তা করো আদার্স ওয়াকিং ক্লাসের ক্রিমিনালরা এদের কি ভাবে? বা এদের সাথে কি আচরণ করে!

জেন্ডার ডিসক্রিমিনেশনের ব্যাপারটাতো বাংলার ঘরে ঘরে! আমাদের কালচারই একে তোষণ করে।

টায়ার্ড লাগছে......ঘুমাতে হবে। গেলাম।

৪১. ২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:১৭
দূরন্ত বলেছেন: বেতন কম দিয়ে যতোই পুলিশ আর গুন্ডার দাবড়ানি দেয়া হোক অসন্তোষ বন্ধ করা সম্ভব না। তাই গন্ডগোল, ভাংচুর হতেই থাকবে। বিশ্বমন্দায় উৎপাদন খরচ কম রাখার জন্য বেতন বাড়ানো যাবে না এটা ভুল কথা। চীনের দিকে তাকালেই ব্যাপারটা দেখা যাবে। সরকার নির্ধারিত মিনিমাম স্যালারি ৮ হাজার টাকার বেশী (গুয়ানঝুতে)। তার পরেও তারা সবচেয়ে কম দামে সারা বিশ্বে পণ্য সরবরাহ করছে। চীনকে এখন বিশ্বের ফ্যাক্টরি বলা হয়।
২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩১

লেখক বলেছেন: সবকিছু নির্ভর করে মানসিকতার উপর। আমাদের শিল্পপতিরা কি সামন্ত ট্রেন্ড থেকে বেরুতে পেরেছেন? না, পারেননি।

৪২. ২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৪৫
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: আপনার পুরো লেখাটাই একপেশে ।
একজন উদ্যেক্তার সাথে কথা বলেছেন কি আপনি ?
তারাতো সব রক্ত চোষা , শ্রমিকের টাকা মেরে ধনী।

ধনী হওয়ার প্রতি যদি এ্যালার্জী থাকে -- তাহলে সেটা অন্য ভাবেও প্রকাশ করা যায় । গার্মেন্টেস সেক্টরকে নিয়ে টানাহেচরা করার মানে কি ?

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

পুলিশ ত্বড়িৎবেগে হাজির হওয়াটাও দোষ!! উৎশৃখল ভাংচুর আর সম্পত্তি নষ্ট করাকে শ্রমিক আন্দোলন নামে বেশ ভালো পিঠ চাপড়ে দিলেন -- বেশ বেশ ।
তবে সমস্যা হলো আপনি জানেন ঠিকি কিন্তু অর্ধসিদ্ধ সত্য প্রকাশ করবেন । কমেন্তে দেখলাম আপনি এই সেক্টরের সাথে জড়িত ১৯৮৮ থেকে । আর এটা আপনার নজর এড়িয়ে গেলো আর ভুলে গেলেন যে রাজনৈতিক নেতারা শ্রমিকদের কিভাবে ব্যবহার করে।
হ্যা - মজুরি কম দেয়া হয় । মজুরী সময় মতো অনেক গার্মেন্টস ই দিতে পারে না ।
সেটার ভুক্তভোগী পাশের একটা গার্মেন্টসকে ভুগতে হলে
সেটা শ্রমিকদের দাবী আদায়ের আন্দোলন ভাবতে কষ্ট হয় ।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~

এটা যে শেষ পর্যন্ত কোন শিল্প না, এটা যে কেবলই ‘দর্জির দোকান’ এই কথাটিও এর মালিকশ্রেণী মানতে রাজি নন।

হাহাহা খুব ভালো তাহলে লোহার কারখানা কামারের দোকান (!)। ভারী ভারী (!) শিল্প গুলোকে নতুন করে দোকান নাম দিয়ে ডিকশনারীতে ঢুকানো হৌক ।

আপনার এই সেক্টরের প্রতি বিদ্বেষটা খুব প্রকট হয়েছে এখানে ।

একটা টি শার্ট কিভাবে তৈরী হয় এই ব্যাপারে আপনার আইডিয়া মনে হয় সেলাই মেশিনে সেলাই হয় এই পর্যন্ত।

মার্চেন্ডাইজিং - সবচে কম্প্লেকশ প্রসেস । ডিজাইন কি হবে । কতটুকু সুতা লাগবে । টাইম সিডিউল। সব ম্যানেজ করে।
সূতা কেনা -- শত পদের সূতা থেকে, ভালোটা বাছাই করা।
নিটিং - সূতা বুনে বিভিন্ন সাইজের থান তৈরী করা।
ডাইং - হাজার পদের কেমিক্যাল আর রং এর মিশ্রন ঠিক কালার তৈরী করা।
কাটিং - থান থেকে মেশিন দিয়ে অনেক গুলো কাপড় কাটা।
সুইং - সেলাই (গার্মেন্টস বলতে মানুষ এইটাই বোঝে)
ফিনিশং - প্যাকিং -

জ্বি না -- দর্জির দোকানের মতো এত সিম্পল কাজ না
এটা। ব্যংগ করারও কারন দেখছি না ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

চাদাবাজীর ঘটনাগুলো খুব ভালো ভাবেই সত্য । আপনি যেহেতু টার্গেটই করেছেন উদ্যোক্তা দের ।

তাই যারে দেখতে নারি তার চলন বাকা অবস্থা।

যাদের সাথে গার্মেন্টসের কোন সম্পর্ক আছে । বা ঐ এলাকায় বসবাস করে তারা এসব সম্পর্কে আসল কথাটা বলতে পারবে।
আর জোট সরকারের আমলে -- হরতাল , গার্মেন্টেস কে কেন্দ্র করে দাংগা। এসবই সব মিথ্যা অজুহাত , ঠিক না ?
শিপমেন্ট করার সময় উৎপাত থাকবে - শিপমেন্ট মিস হলে গার্মেন্টসের মাথায় বাড়ি তারপর
এসবই মিথ্যা অভিযোগ!!!!!!

~~~~~~~~~~~~~~~~~~
পরের ৬ টা পয়েন্টে কিছু কিছু ব্যাপারে একমত

১. আমদানী নির্ভরতা।

টিকে তো আছেই । বাংলাদেশে শ্রম সস্তা এই কারনে বাংলাদেশ সব সময়ই প্রতিযোগিতায় থাকবে। আমদানি নির্ভরতা একটা মাইনাস পয়েন্ট অবশ্যই ।
সূতাতো এখন দেশেই উৎপন্ন হয় । কাচামাল যদিও বাইরে থেকে আনতে হয় ।

২. প্রতিযোগীতায় হারছে যাদের কাছে, তাদের প্রায় সব উপকরণই নিজস্ব।

প্রতিযোগী ধরি চীন বা ভিয়েতনাম । অস্থিতিশীলতা না থাকলে এদের বিট করা সম্ভব

৩. প্রতিযোগীতায় হেরে দিনের পর দিন সিএম(মজুরী) কমাতে কমাতে শ্রমিকদের মানবেতর পর্যায়ে নিয়ে যাবার কারণে শ্রমিক অসন্তোষ অবধারিত হয়ে উঠছে।

সেটার আরো অনেক কারন আছে।



৪. সিএম কমে গেলে মালিকের লোকসান,এই সত্যটি উল্টে দিয়ে তারা লোকসানের দায় চাপান শ্রমিকদের উপর। এবং শ্রমিকদের মজুরী কমিয়ে দেন অথবা শ্রমিক ছাঁটাই করেন। কিন্তু কিছুতেই নিজেদের লোকসান মেনে নেন না।

শ্রমিকের মজুরি কমাবে কিভাবে .. নূন্যতম মজুরী দিতেই তো জান খারাপ অবস্থা ।


৫. একমত

৬. বেশীর ভাগ গার্মেন্টস এর এখন বন্ডের দরকার হয় না।
ঘুষ খাওয়ার ব্যাপারটা সত্য ।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

একচোখে না দেখে একটু বিবেচনা করলে পোষ্টটা কম্প্লিট হতো



২৭ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০০

লেখক বলেছেন: "আপনার পুরো লেখাটাই একপেশে ।
একজন উদ্যেক্তার সাথে কথা বলেছেন কি আপনি ?
তারাতো সব রক্ত চোষা , শ্রমিকের টাকা মেরে ধনী।

ধনী হওয়ার প্রতি যদি এ্যালার্জী থাকে -- তাহলে সেটা অন্য ভাবেও প্রকাশ করা যায় । গার্মেন্টেস সেক্টরকে নিয়ে টানাহেচরা করার মানে কি ?"
____________________________________________
আপনার এই ধরনটা পোস্টের সমালোচনা নয়, লেখককে আক্রমন। আমি সেভাবেই দেখছি। আমার লেখাটা কোনপেশে তা বলেননি কেন? আমি বলি-এটা শ্রমিকপেশে। কোন সমস্যা?
আপনি যেকয়টা উদ্যোক্তাকে চেনেন, তারচেয়ে একটু বেশী চিনি। ব্যাংক আজকে টোটাল ইনভেস্টমেন্ট ক্লোজ করলে কাল প্রাডোর তেল কেনার পয়সা থাকবে না!

ধনি হওয়ার প্রতি এ্যালার্জি খুঁজে পেলেন? বলিহারি চোখ আর বিদ্যেবুদ্ধির দৌড় আপনার! গার্মেন্টস সেক্টরকে নিয়ে টানাহ্যাঁচড়া বলতে কি বোঝালেন? এনিয়ে লেখা যাবে না? সেটা অন্যায় হবে? কে কাকে নিয়ে টানাহেঁচড়া করবে কি করবে না সেটাও কি আজকাল ডিক্টেট করছেন নাকি ? বেশ বেশ! আপনার হুমকি-টুমকি গুলো বেশ লাগে! কী-বোর্ডও আমোদিত হয়!!

মার্চেন্ডাইজিং নিয়ে বৃত্তবন্দী আপনার ভ্রান্তি দূর করতে পেরেছে বলে মনে হয়না, কারণ আপনার ভ্রান্তিটা খুব গভীরে, এবং সেটা শ্রমিকদের শত্রু অবস্থানে থেকে.......

"নূন্যতম মজুরী দিতেই তো জান খারাপ অবস্থা । "
এই হচ্ছে আপনার পজিশন। সুতরাং আর কোন কিছু নিয়ে আপনার সাথে আলোচনা চলেনা। যা হতে পারে তা বিবাদ। আপনি গার্মেন্ট বিষয়ে কিছু টেকনিক্যাল কথা লিখে মনে করে বসে আছেন অনেক গভীরের তথ্য দিলেন! আসলে আপনি যা জেনেছেন তা সামান্য কিছু পরম্পরার বুলি। বাস্তব কোন অভিজ্ঞতাই নেই আপনার। আর বিবিধ বিষয়ে যত্রতত্র কিছুপরিমানে হলেও আপনাকে পন্ডিতি করতে হবেই। সেটা মিলুক, না মিলুক!

আমি "একচোখে" দেখেছি। আপনার চোখে যা অনভিপ্রেত। বেশতো, আপনি দুইচোখে দেখুন, দেখে আপনার শ্রেনী অর্থাৎ মালিকের পক্ষে ঢাউস আকারে লিখুন না, কে বাধা দিচ্ছে?

আপনার বক্তব্য বিষয়ে নিশ্চই কিছু আলোচনা করা যেত, কিন্তু আপনি শুরুই করেছেন আক্রমনের চেহারা নিয়ে। এবং প্রয়োজনে দরিদ্র শ্রমিকদের বিপক্ষে যেয়েও আপনাকে মালিকদের তালুকদারী করতে হবে এই মনবাসনা নিয়ে। করুন, কোন অসুবিধা নেই। আপনি মালিকপক্ষের তোষামুদি করে পোস্ট দিলেও আমি যেয়ে বলব না, "গার্মেন্টেস সেক্টরকে নিয়ে টানাহেচরা করার মানে কি ? কারণ সবারই কোন একটি পক্ষাবলম্বনের গণতান্ত্রিক অধিকার আছে।

৪৩. ২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:২০
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী এর ৭ নং কমেন্ট

আর খারেজীর দেয়া আপনার উত্তরে গার্মেন্টস মালিকের
জীবন চক্র ও মামদো বাজি ভালোই উঠে এসেছে

এই প্রসংগে একটা গল্প লিখেছিলাম

Click This Link

শশুরের দেওয়া যৌতুক/বড়ভাইয়ের পাঠানো টাকা/বাপের শত বিঘা ধানিজমি কোলেটরেল রেখে ব্যাংক লোন > শিল্প কারখানা > ক্লাব মেম্বার > সমাজসেবক > স্পোটর্স অনুরাগী > দানবীর > গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ > সিইও > কবিতার বই প্রকাশ > পত্রিকার মালিক > টিভি চ্যানেলের মালিক > স্ত্রী পরিবর্তন > আলহাজ > বড় দলের টিকেট > সাংসদ > আবার টিভিতে জ্ঞানগর্ভ বক্তিমে > বানী প্রদানের মত হযরত

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

তবে সবাই রক্তচোষা জোক না ।
আর যা উঠে আসেনি সেটাই এখন বলব --
. টাকা ধার করে পার্টনারশিপে গার্মেন্টস চালু করা --
. লোনের লিমিটের জন্য ব্যাংকের উচ্চপদস্থদের তৈল মর্দন ।
. লিমিট পাওয়া না গেলে নিজের টাকা ঝুকি নিয়া শিপমেন্ট রেডি করা ।
. বায়িং হাউসের চক্কর । কমিশন । আর মামদোবাজি ।
ফরিয়া বল্লে এদেরকে বলা উচিত ।
. ডাইং এ দেরী হওয়া ।
. বিভিন্ন ছুটি ছাটায় শিপমেন্টের দেরী ।
. শেষে হরতালের দিন এ্যাম্বুলেন্সে করে মাল শিপমেন্ট!!
. মাঝে ব্যাংকের টাকা দেয়ার জন্য ঘড়িমষি আর ঘুষ।
. বাইয়িং হাউসের কিউ সি দের আতলামি আর ঘুষ।
. বাইয়িং হাউসের হুমকি আর জরিমানা ।
. শেষে পেমেন্ট ঠিক মতো পাওয়ার জন্য আল্লাহ আল্লাহ করা।

এটা একটা সাধারন গার্মেন্টেস ব্যবসায়ী চিত্র।

তবে শুয়োর টাইপ কিছু আছে। এরা সরকারের টাকা মারার ধান্ধায় থাকে । এদের যুগ অবশ্য শেষ হয়ে গেছে এখন ।
এখন লোন দিতে অনেক কড়াকড়ি ।
এরা ডায়িং এর টাকা মারে নিটিং এর টাকা মারে।
মার্কেটে এদের পাওনাদার দের অভাব নাই । এদের চরিত্র সত্যি শুয়োরের মতো।


~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

যে ব্যাটা পকেটের টাকার রিস্ক নিয়ে লাভ করে তাকে এত হেয় করার কারন বুঝতে পারছি না ।

আপনার মতো আমিও মনে করি এই সেক্টর ভবিষৎ নাই তেমন , নতুন ধরনের উদ্যোগ ছাড়া।

তবে পেটোয়া বাহিনীর ব্যাপারটা সত্যিই ভুয়া । কোন সত্যিকারের ব্যবসায়ী চাইবে না পেশীর জোরে "দাস" ব্যবসা
চালাতে!
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

দেখুন। এখানে বলা হচ্ছে প্রথমতঃ বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব। দ্বিতীয়ত বলা হচ্ছে সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজীর হুমকি, আর তৃতীয়ত বলা হচ্ছে শ্রমিকদের অসন্তোষ। এই তিনটি উপসর্গের কথা তারা (গার্মেন্ট মালিকরা) সেই সূচনা লগ্ন থেকেই বলে আসছে। মাঝে গত জোট সরকারের আমলে এবং দুবছরের ত্বত্তাবধায়ক সরকারের আমলেও তারা এই তিন ‘শত্রু "কে টার্গেট করে বিবৃতি দিয়ে আসছিলেন। সে সময় এমনকি তারা সকল গার্মেন্ট কারখানা প্রতিবাদস্বরূপ বন্ধ করে রাখারও হুমকি দিয়েছিলেন। সেই হুমকির পর পরই সরকার শ্রমিক অসন্তোষ আর চাঁদাবাজী দমনে সর্বশক্তি নিয়োগও করেছিল। এখন আবারো মালিকরা সরকারকে সরকারের সব দায়িত্ব ফেলে সকল শক্তি এই সেক্টরে নিয়োজিত করার দাবি তুলেছেন। তার মানে সরকার-দেশ গোল্লায় যাক, শুধু গার্মেন্ট সেক্টর যেন টিকে থাকে! এটা টিকে থাকলেই যেন দেশে দুধের নহর আর ক্ষীরের সরবর বয়ে যাবে! আজব ব্যাপার হচ্ছে সকল সরকারই আবার এই সেক্টরকে বাঁচানোর জন্য তাদের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ফেলে এই সেক্টরেই শক্তি প্রয়োগ করে প্রমান করে তারা গার্মেন্ট সেক্টরকে রক্ষা করতে কত তৎপর! হায়! ঠিক এতটুকু গুরুত্ব যদি পাট সেক্টর পেত, অথবা চামড়া, কিংবা কুটির শিল্প পেত! আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সারা দেশে যে আরো কত কত সেক্টর মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দিনরাত তেল-মবিল দিয়ে অর্থনীতির চাকাকে চালু রেখেছে, তা যদি সরকারের নীতিনির্ধারকরা একটু আমলে নিতেন, তাহলে দেশে আজ শিল্পের নামে দর্জির দোকানের উপর এভাবে আদাজল খেয়ে নির্ভর করতে হতো না।

-------------------

আপনার এই প্যারার সাথে তীব্রভাবে দ্বিমত পোষন করি ।
সরকারের কোন কার্যকালাপে মনে হয় না তারা এর সেক্টরের প্রতি বন্ধুসুলভ আচরন করে। অনেকটা চলছে
চলতে দাও ।
আর আপনার এই মনোভাবটাই বা কেন । এই সেক্টর থেকে কি টাকা আসছে না , কর্মসংস্থান হচ্ছে না।
পুলিশ বাহিনী দেয়াতে যদি এত ক্ষোভ হয়ে থাকে পরিসংখ্যানে দেখুন কত জন পুলিশ কর্মী কত ঘন্টা কত গুলো গার্মেন্টস পাহাড়া দিয়েছে।
এটা যত্মের অভাবে মরচে পড়তে বসা সেক্টর । রাতারাতি পুলিশ পাঠানো বন্ধ করে দেখুন কি হয় ।
কতটুক নৈরাজ্য সৃষ্টি হয় ।

আর বাংলাদেশে অন্য কোন কাজের পরিবেশ তৈরী না করে
"দুধের আর ক্ষীরের নহর সৃষ্টিকারী" এই সেক্টরকে "নায্য"(?) প্রটেকশন না দিলে অবস্থাটা খুব ভালো হবে না এটা বুঝার জন্য ১ মিনিটও নষ্ট করতে হয় না ।

এই প্যারাটা শুধু চিন্তাভাবনা হীন বিতৃষ্ণা খুজে পেলাম
২৭ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

লেখক বলেছেন: আপনার এই কমেন্টেও শুধু চিন্তাভাবনাহীন বিতৃষ্ণা খুঁজে পেলাম।

৪৪. ২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৩০
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: কন্স্ট্রাকটিভ কিছু আলোচনা করা যেতো ।


নতুন কোন দিকে যেতেও তো সময় লাগবে , ঠিক না ?

যেমন :

হরতালের আওতামুক্ত গার্মেন্টসের শিপমেন্ট।
সরকারের অথবা সংগঠন গুলোর সহযোগীতায় - ভালো বায়ার ধরা এবং লিষ্ট করা ।
নিজেদের ডিজাইন বানানো ।
নিজেরা বায়ার হয়ে বাইরের দেশে পোষাক বিক্রি।
[মানুষ তো পোষাক না পরে থাকতে পারবে না সুতরাং এই ব্যবসা থাকবে ।]
আপনে যেই ভারী শিল্পের কথা বল্লেন -- গার্মেন্টেস যন্ত্রপাতি , নিটিং ডাইং মেশিন উৎপাদন কারখানা বসানো যায় ।
পরিবেশ বান্ধব কাপড়ের মার্কেটিং ।
পরিবেশের প্রতি লক্ষ্যে রেখে (ডাইং) উৎপাদন ।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

একপেশে পোষ্ট হওয়ায় মানুষের কাছে অর্ধসত্য যাচ্ছে ।
সবারই আসল ঘটনাটা জানা উচিত।
২৭ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৮

লেখক বলেছেন:
"একপেশে পোষ্ট হওয়ায় মানুষের কাছে অর্ধসত্য যাচ্ছে ।
সবারই আসল ঘটনাটা জানা উচিত। "

আপনার এই কথাটি আরো কয়েকবার পেস্ট করুন, তাতে আপনার তিনবার বলার দাবি পুরণ হতে পারে। গোয়েবলসের মত...বার বার বলুন। তাতেকরে একপেশে পোস্টটা যেন তাড়াতাড়ি প্রথম পাতা থেকে সরে যেতে পারে....প্রসিড অন মাই এক্সপার্ট ব্রাদার!

৪৫. ২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৩৮
রাজর্ষী বলেছেন: বক্তব্যের সাথে একমত। তবে বিপরীত দিকের চিত্রও তুলে ধরা দরকার।

"রাস্তার একটা টোকাইকেও যদি জিগ্যাস করেন একটা পাজেরো দেখিয়ে সেও বলবে ওটা আমার টাকায় বানানো।" এই কথাটা শিল্পী হায়দর হোসেনের কাছে শুনেছি। এই মানসিকতা চরম পর্যায়ে গেলে কি হয় তা বিডিআর এ দেখেছি আমরা।

যাই করি আমাদের রাডিক্যাল না হয়ে ব্যালেন্স করতে হবে বাস্তবতার সাথে কারন আগে টিকে থেকে পরে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। শুধু আবেগ দিয়ে তো কিছু হবে না।
০৯ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:০৬

লেখক বলেছেন: না, শুধু আবেগ দিয়ে কিছু হবে না।

৪৬. ২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৫৭
এস আই সাঈদ বলেছেন: একমত। খুব ভালো লিখেছেন। ধন্যবাদ।
৪৭. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:১১
কঁাকন বলেছেন: ভালো থাকুন

পোষ্ট এবং মন্তব্য থেকে অনেক কিছু জানলাম
৪৮. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:২২
মাসুম রাঢ়ী বলেছেন: ভাই সত্য কথা বললে যে আমাদের ভাল লাগেনা!!! অসাধারণ ভাবে কত সাধারন কথা!! সতিই ভাল লেগেছে।
৪৯. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:৪৪
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন: সহমত @ শূন্য আরণ্যক , গার্মেন্টস শিল্পকে কোন ভাবেই দর্জ্জি'র সাথে তুলনা করা চলে না। যারা গার্মেন্টসের ব্যাক প্রসেস গুলো সম্পর্কে জানে না শুধু তাদের কাছেই এরকম মনে হতে পারে। স্পিনিং, নিটিং, ডাইং এর পরেই শুরু হয় গার্মেন্টস। স্পিনিং, নিটিং, ডাইং কিন্তু সাধারনের পক্ষে সম্ভব না। এর জন্য টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে আসতে হয়। আর তাছাড়া আমি মনে করি দর্জিগীরিকে এত অবজ্ঞা করার কিছু নেই, এটাও একটা শিল্প একটা আর্ট। কেউ ইচ্ছে করলেই দর্জির কাজটা করতে পারবে না। আমারা শার্ট-প্যান্ট বানাতেও তো যে কোন দর্জির কাজে যায় না, সবারই পছন্দের কিছু থাকে।

তবে আমার কাছে গার্মেন্টস শিল্পকে আত্মঘাতী মনে হয়। এই শিল্পটিকে আত্মঘাতী করে তুলেছে মুনাফা লোভী মালিক পক্ষ আর সরকারের অন্ধ সমর্থন। ড: আতিয়ার রহমানরা যত সহজে বলে ফেলেন বাস্তবতা অত সহজ না।
"ঢাকার বাইরে যেখানে গার্মেন্ট, ওয়াশিং, সুয়েটার, হেভি মেটাল, রি-রোলিং, অটোমেটিক হাস্কিং, টেক্সটাইল, স্পিনিং মিল নেই সেখানে কোটি কোটি মানুষ কি করে?"
যা করে তা দিয়ে তারা কতটুকু ভাল আছে, মন্দা কেন হচ্ছে ? ঢাকা-নারায়নগঞ্জে যে কয়েক লাখ শ্রমিক কাজ করে তারা ঐ সব এলাকা থেকেই আসা। আরও সুযোগ থাকলে আরও আসবে।
গার্মেন্টস শিল্প আমাদের পর নির্ভশীল করে তুলেছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে বলে আশাবাদী হওয়ার কিছু নেই এটা খুবই সাময়ীক, কারন এখান থেকে কর্মকাল পুরুন করার পরেও ্ওকজন কর্মী বেকার থাকে। যে বেতনে কাজ করত তা থেকে কিছুই জমানো সম্ভব হয়নি। আর বায়াররা অর্ডার বন্ধ করে দিলে যে কি ভয়াবহ পরিস্থীতির সৃষ্টি হবে তা আমরা কল্পনাতীত।


২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: আপনার তিনটি প্যারায় তিন ধরণের মতামতের প্রতিফলন ঘটেছে। খুব একটা বুঝে উঠতে পারলাম না বলে বিশদে গেলাম না। ধন্যবাদ।

৫০. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩
মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেছেন:


আপনার ঘুমিয়ে পড়লে চলবে না। আপনার মত যাঁরা তাঁদের সবাইকে অতন্দ্র প্রহরী হয়ে এইসব জীর্ণতাকে তুলে ধরতে হবে। জানাতে হবে নতুনকে। ঘা দিতে হবে কাঁচাকে। নতুবা সভ্যতা আমাদের ক্ষমা করবে না। কখনো না।

অসংখ্য ধন্যবাদ মূল্যবান পোস্টের জন্য।
৫১. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:০২
নির্বাসন বলেছেন: আপনাকে আর শুন্য আরন্যক দু'জনকেই ++++++...
দু'টো দিক ই জানা গেলো
৫৩. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:১১
দীপঙ্কর বলেছেন:
আমি মনজুরুলদা একটা লেখা লেখমু বইল্যা ভাবতাছিলাম। এই ধর্মঘট কীভাবে ভেঙে দেয়া হয় আর কীভাবেই বা আজ ধর্মঘটি নেতারা দালাল হয়ে গিয়ে, ধর্মঘটকে খেলো করে দিয়ে, এখন নিজেরাই সেটা নিয়ে আর এগুতে চাইছে না, বলছে এখানে না হলে অনত্র মালিক সরে যাবে, তাই আগে কাজ, মানে প্রথমে দালালি করে আনন্দোলনের ধার খেয়ে নিয়েছে আর এখন পুঁজির কাছে আত্মসমর্পন। এমন বাক্যও শোনা যায়, পুঁজি না হলে কীভাবে হবে, পুঁজি ছাড়া কোনও প্রবৃদ্ধি কি সম্ভব? মানে সংশোধনের নামে পুঁজির সংঙ্গাই ভুলে গেছে।

যাইহোক, আপনে লেখলেন সেটাই যথেষ্ঠ। আরেকটা জিনিস আরেকটু লেখলে হয়, কীভাবে সস্তা শ্রমিকের জন্য বিদেশি লগ্নি কম টাকায় কাজ করিয়ে নিচ্ছে, বাংলাদেশের শ্রমিকদের দিয়ে।
৫৪. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:১২
বিবর্তনবাদী বলেছেন: এইটাই সিস্টেম!!! এভাবে চলতে চলতে একদিন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাবার পরেই আমরা প্রতিবাদ করব। যুযুর ভয় আর কত দিন দেখাবে? আসল যুযু এলেই বিপ্লব ঘটবে এদেশে।
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন:
আসলেই, এটাই সিস্টেম। সিস্টেমে পড়ে গেলে যে বিচার করে তার নাম হয় "সিস্টেম"! ব্যাখ্যা আসে-- কই, আমরা তো কিছু করিনি! যা করার করেছে ঐ সিস্টেম!
একদিন এরাই বলবেন--"এখন সিস্টেমে পড়েছে, তাই আনপড় শ্রমিকদের কথাও শুনতে হচ্ছে...!! কালে কালে যে কত কী দেখব...."

ধন্যবাদ বিবর্তনবাদী।

৫৫. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:২০
সত্যাশ্রয়ী বলেছেন: ভাল তবে অসম্পুর্ন। ওয়ার্ল্ড মার্কেতে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বিদের ভুমিকার কথা বলা হয়নি যেটা গুরুত্বপুর্ন।
বিগত ৪/৫ বছর ধরে গার্মেন্টসগুলোতে হটাৎ করে মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে যে ভাংচুর গুলো চালানো হয়েছে তার ব্যখ্যা কি?

তবে একথা অস্বীকার করার উপায় নাই যে আমাদের দেশে শ্রেনীবৈষম্য মারাত্মক। বিশেষ করে গরিব শ্রমিকদের দিকে তাকানোর কেউ নেই।
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: একটা নামকরা বায়ার "ওয়ালমার্ট" এর কথাই ধরুন; এদের সারা বছরের রিকয়্যারমেন্ট যা তার মাত্র ৩০/৪০ ভাগ তারা বাংলাদেশ থেকে নেয়, বাকিটা চীন এবং ভিয়েতনাম থেকে। কেন? কেন সবটা এখান থেকে নেয়না? কারণ চীন আর ভিয়েতনাম যে কোয়ালিটি মেনটেইন করে সেটা আমরা পারিনা। কেন পারিনা ? কারণ আমরা ফাইলের কোণায় সারাদিনে একটি আড়খোঁচা মারা আমলাদে দেই সাকুল্লে প্রায় লাখ দেড়েক টাকা। আর রাস্তা ঝাড়ু দেয় যে, তাকে দেই দেড় হাজার টাকা! তো রাস্তায় কি ময়লা থাকবে না? সূতা কাটা,ইস্ত্রী করা প্যাক করার অস্থায়ী লেবরদের দেওয়া হয় সাকুল্লে দেড় হাজার টাকা! তাদের লাস্ট ফিনিশিং খারাপ হবে নাকি ভাল হবে?

কিন্তু যখন ওয়ালমার্ট অর্ডার কমাচ্ছে গুণগত ল্যাকিংস দেখিয়ে, আমরা তার ভুল ব্যাখ্যায় বলছি----হরতাল, জ্বালাও-পোড়াওয়ের কারণে আমাদের অর্ডার চলে গেল! এই নির্ভেজাল মিথ্যেবাদীরাই কিন্তু দেশের আব্বা! এদের টাকায় রাজনীতিকরা জিতে আসেন। এদের টাকায় কোটি টাকার ঢাকা লীগ ফুটবল হয়, কোটি টাকার বিসিবি অফিস হয়। সুদূর গ্রামে শানদার মসজিদ গড়ে ওঠে........

শ্রেণী বৈষম্য ? একথা আর নাইবা বললাম। ফিরে চলুন সেই নেটিভ আর নিগারের জমানায়...... হায় মহারানী ভিক্টোরিয়া !!

৫৭. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৪৪
আমি জমিদার বলেছেন: ++++
প্রিয়তে , পড়ে কি যে ভাল লাগছে
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ
৫৮. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৫১
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: দুর্দান্ত । প্রিয়তে রাখলাম ।
২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৮

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ মানিক। অনেকদিন পরে দেখলাম। সব খবর ভাল তো ?

৫৯. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৫৭
েমাহাম্মদ িমজানুর রহমান বলেছেন: আপনার উল্লিখিত কারনগুলো পুরোপুরি বাস্তব ভিত্তিক মনে হয়নি। তাছাড়া বর্তমান সরকার আসার পর থেকে গার্মেন্ট ফ্যাক্টরীগুলোতে চঁাদাবাজ ও মাস্তানদের সন্ত্রাস বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি বাস্তব। বিশেষ করে ঝুট ব্যবসা নিয়ে। নারায়নগঞ্জের এক গার্মেন্ট মালিক আমার আত্মীয় হন। তিনি আমাদের অনেকের নিকট একজ আদর্শ ব্যক্তি। তিনি আমাকে ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছেন যে ঝুট মাস্তানরাও কয়েক গ্রুপে বিভক্ত। কবরী গ্রুপকে দিলে অন্য গ্রুপ বিরাগভাজন হয় আবার অন্য গ্রুপকে দিলে কবরী গ্রুপ বিরাগভাজন হয়। আর সন্ত্রাসী গ্রুপকে ছাড়া অন্যের নিকট ঝুট বিক্রি করলে ব্যবসা করা লাগবে না।
৬০. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:০৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: মনজরুল ভাই,
গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের তো চামড়া ছিলে দিলেন!
মারহাবা! মারহাবা!
এই তো চাই!
অনেক ধন্যবাদ।
৬১. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:০৮
বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: ধন্যবাদ লেখককে সুন্দর পোস্ট এর জন্য।
+
৬২. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:১৬
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
একটা অনুরোধ মনজু ভাই।
পোস্ট কত বড় হলো সেটা নিয়া চিন্তা না করে, আপনি একটু একটু করে এই পোস্টেই আপনার জানা বিষয় গুলো যোগ করেন তাতে আমরা বিভিন্ন দিক সর্ম্পকে সম্যক জানতে পারব। আর এই পোস্ট পরবর্তী রেফারেন্স হিসাবে কাজে লাগাতে পারব।
আশা করি আপনি কথাটা রাখবেন।

মনজু ভাই আপনাকে দুই হাত তুলে অভিনন্দন।

২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ২:০১

লেখক বলেছেন:

৩৮, ৮৩ আর ৯২ নম্বর কমেন্টে মোটামুটি বড় করেই বাকি বিষয়গুলি লিখেছি। পরে আরো কিছু বিষয় লেখার চেষ্টা করব।

ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৬৩. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:২৮
বৃত্তবন্দী বলেছেন: @শুণ্য-

আপনার এই কথাগুলোর প্রেক্ষিতে কিছু বলি

::::::মার্চেন্ডাইজিং - সবচে কম্প্লেকশ প্রসেস । ডিজাইন কি হবে । কতটুকু সুতা লাগবে । টাইম সিডিউল। সব ম্যানেজ করে।
সূতা কেনা -- শত পদের সূতা থেকে, ভালোটা বাছাই করা।
নিটিং - সূতা বুনে বিভিন্ন সাইজের থান তৈরী করা।
ডাইং - হাজার পদের কেমিক্যাল আর রং এর মিশ্রন ঠিক কালার তৈরী করা।
কাটিং - থান থেকে মেশিন দিয়ে অনেক গুলো কাপড় কাটা।
সুইং - সেলাই (গার্মেন্টস বলতে মানুষ এইটাই বোঝে)
ফিনিশং - প্যাকিং::::::


মার্চেন্ডাইজিং সবচে কমপ্লেক্স প্রসেস বলছেন, ঠিকাছে। কিন্তু আমি নিজে তো দেখি এদের কাজ ৭০% এর বেশি কমপ্লিট করে দেয় বায়িং হাউসের কিংবা বায়ারের নিজস্ব আর&ডি।

সুতা কেনা- বায়ারই সুতা সিলেক্ট এবং তার অরিজিন ঠিক করে দেয়।

নিটিং- এটা ঠিকাছে। কিন্তু এটাতো প্রডাকশন প্রক্রিয়ারই একটা অংশ তাইনা?

ডাইং- ঠিকাছে।

কাটিং- এটাও প্রডাকশন প্রক্রিয়ার অংশ।

সুইং- এটাও প্রডাকশন প্রক্রিয়ার অংশ।

ফিনিশিং-প্যাকিং। এখানেও বায়ার কার্টুন সাইজ, কার্টুন থিকনেস এসব সব সেট এবং সেটা এ্যপ্রুভ করে দেয়। এবং বায়ার একই হলে মোটামুটি বছরের পর বছর ধরে একই কনফিগারেশন ব্যবহৃত হয়।

__________________________________________

এখন বেশি জটিল অংশ গুলো যখন বায়ার বা বায়রের প্রতিনিধিই ঠিক ঠাক করে দেয় সেক্ষেত্রে এটাকে আলটিমেটলি দর্জির দোকান বলা কি খুব একটা ভুল হয়?
যদিও আমি নিজে এটা বলতে রাজি না।
__________________________________________

৬৪. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৩০
এম এস জুলহাস বলেছেন: অসাধারণ !

অনেকের চিন্তা আবার অনেকেরই দুশ্চিন্তার কারন হবে নিশ্চই।
৬৫. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৪৫
বৃত্তবন্দী বলেছেন: @শুণ্য-

আরেকটা কমেন্টে আপনি লিখেছেন


হরতালের আওতামুক্ত গার্মেন্টসের শিপমেন্ট।
____________________________

এটা কি কখনও আদৌ সম্ভব হবে বলে আপনি মনে করেন? যতদিন না রাজনীতিকরা নিজেদের বিরোধী পক্ষকে কামড়ানোর চিন্তা থেকে বের হয়ে আসবে?
____________________________

সরকারের অথবা সংগঠন গুলোর সহযোগীতায় - ভালো বায়ার ধরা এবং লিষ্ট করা ।
_____________________________

বছর চার আগের কথা, বিজিএমইএ তে কিন্তু এরকম একটা লিস্ট আমি দেখেছিলাম। কিন্তু ছোট ফ্যক্টরীগুলোর কাছে এই লিস্ট পৌছায় কিনা আমার সন্দেহ আছে।
______________________________

নিজেদের ডিজাইন বানানো ।
______________________________

আমি যার কাছে প্রডাক্ট সেল করবো তার দেখিয়ে দেয়া ডিজাইনতো বেশি প্রেফার পাবে নয় কি? আর আমাদের ডিজাইনাররা ওয়ার্ল্ড ট্রেন্ড অনুযায়ী ডিজাইন তৈরী করতে কি সক্ষম কিনা সেটাও দেখতে হবে।

তবে আমি ব্যক্তিগত ভাবে এই মতের পক্ষে।
______________________________

নিজেরা বায়ার হয়ে বাইরের দেশে পোষাক বিক্রি।
______________________________

সম্ভব না।
কারণ বিদেশী বায়ার কে আমরা বাকিতে প্রডাক্ট দিতে রাজি আছি, কিন্তু নিজেদের বায়ার কে? নৈব নৈ চঃ

জিনিসটা হলে কিন্তু খুবই ভালো হ'তো।
______________________________

আপনে যেই ভারী শিল্পের কথা বল্লেন -- গার্মেন্টেস যন্ত্রপাতি , নিটিং ডাইং মেশিন উৎপাদন কারখানা বসানো যায় ।
______________________________

আবার সেই সমস্যা গুলোই ফিরে আসবে। কাঁচামাল আমদানী, ভর্তুকি, দক্ষ শ্রমিকের অভাব, বায়ার ধরা ব্লা ব্লা ব্লা এ্যন্ড মোর এন মোর ব্লা...
______________________________

পরিবেশ বান্ধব কাপড়ের মার্কেটিং ।
______________________________

ম্যাক্সিমাম ক্ষেত্রে কিন্তু সিন্থেটিক কাপড় ব্যবহার হচ্ছে না।
______________________________

পরিবেশের প্রতি লক্ষ্যে রেখে (ডাইং) উৎপাদন ।
______________________________

যেসব দেশে প্রডাক্ট গুলো যায়, তারা সবাই পরিবেশ বান্ধব ডাইং না হ'লে প্রডাক্ট এ্যপ্রুভ করে না।
______________________________
৬৬. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৫১
ফারহানা আহমেদ বলেছেন: এই পোস্ট-ও একজনের ভালো লাগে নাই!
৬৭. ২৭ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪
ত্রিদীব বলেছেন: আমি আপনাকে শুধু ধন্যবাদ দেব। আমি যা ভাবি তাই লিখেছেন।
এক সময় আমি এরকম মানবেতর কর্মী ছিলাম। দিন নাই রাত নাই ফ্যাক্টরীতেই পড়ে থাকতে হতো।
কোন দিন সকাল ৭টায় ফ্যাক্টরীতে গেলাম আর ফিরে এলাম তিন দিন পরে। নিজের গায়ের গন্ধে নিজেরই বমি করতে মন চাইতো। কিন্তু শরীরের বমি করার মতো্ও জোর থাকতো না। মনে হতো রাস্তাতেই শুয়ে পড়ি।

এখন যদিও তেমন মানবেতর জীবন যাপন করছি না। তার পরেও আমাদের কে এখনও মানুষ ই মনে করা হয় না। যেন আমাদের চাকরীর সময় এর সাথে আমাদের পুরো জীবন টাই কিনে নিয়েছে।

আর মালিক পক্ষের তো কতোই বায়নাক্কা। ওভার টাইম কাটা, পনের মিনিট পরে অফিস বা ফ্যাক্টরীতে পোছালে পুরো দিনের পারিশ্রমীক কাটা এসব এখন ও চলেছে
৬৮. ২৭ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩
শয়তান হন্তারক বলেছেন: আমার ধারনা বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দাও গার্মেন্টস শিল্পের উপর প্রভাব ফেলেছে।

বাংলাদেশের তথাকথিত লাভজনক গার্মেন্টস শিল্প আসলে দরীদ্র জনতার রক্ত চুষে টিকে ছিল। এখানকার মধ্যশ্রেনীর বুর্জোয়ারা , সস্তা শ্রমে কাজগুলো না করিয়ে নিলে গার্মেন্টস শিল্প লাভজনক হওয়া তো দুরের কথা , দাড়াতেই পারতো না।
গার্মেন্টসে বানানো একটি শার্ট অথবা প‌্যান্ট আমেরিকার মার্কেটে ১৪০০-১৫০০০ টাকায় বিক্রি হত। অথচ বাংলাদেশে এমনও সময় গেছে যেখানে একজন গার্মেন্টস শ্রমিকের বেতন ছিল ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা। কি নির্মম! আমাদের এই তথাকথিত লাভজনক অভিশপ্ত গার্মেন্টস শিল্প , এই দেশের আমদরিদ্রজনতার রক্ত দিয়ে গড়া।

গার্মেন্টস শিল্পের শুয়োর বুর্জোয়াদের তাদের অপকর্মের জন্য পশ্চাৎ দেশে কষা বেত্রাঘাত পূর্বক ফাঁসিতে লটকানো হোক। আমিন।
৬৯. ২৭ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:১৫
mehedi বলেছেন: এতক্ষণ সময় দিলাম আলোচনাতে। এতে যদি কোন কাজ হত তাহলে খুব ভাল লাগতো।
সবাই অনেককিছু জানলাম। কাজ কেউই করতে পারব না।
সবাই ঐ কবিতার মত, হেলিকপ্টারে চইড়া কে যেন বন্যা দেখতেছিল।
আমি পরিবর্তন চাই, পরিবর্তন দেখে যেতে চাই।
চাওয়া আর পাওয়ার মধ্যে ব্যবধান অনেক।
তবে এই লেখাটা পইড়াই এতগুলা কথা কইতে পারলাম।
আসেন সবাই সুন্দর বাংলাদেশ গড়ি
৭০. ২৭ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪
আপেল বলেছেন: এদের হাড় হাড্ডি গুড়া কারা উচিত ।

জীবন যেমন চলে তেমন চলতে দেওয়া উচিত......
৭১. ২৭ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৪০
মনসুর আিজজ বলেছেন: ভালোইতো! রগরগে অংশটা অন্যভাবেও বলা যেতো
৭২. ২৭ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:২১
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: গার্মেন্টস মালিকরা ইউনুছ সাবের মত মহাজনী ব্যবসা শুরু করতে পারে। বদনামের হাত হইতে বাঁচতে পারে আবার নুবেলও মিল্যা যাইতে পারে;)
৭৩. ২৭ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:২৪
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: শূন্য আরণ্যক বলেছেন: রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী এর ৭ নং কমেন্ট

আর খারেজীর দেয়া আপনার উত্তরে গার্মেন্টস মালিকের
জীবন চক্র ও মামদো বাজি ভালোই উঠে এসেছে
.............................................................

শুনেন ভায়া আমি ঘরে বসে হাইপোথিসিস করে কিছু বলি না। আমি যা বলি তা বাস্তবে ঘটা কাহিনী। বিভিন্ন পত্র পত্রিকা পড়ে, আর্টিকেল পড়ে একজন বিশেষজ্ঞ লোকের মত "মতবাদ" আমি দেই না। আমি নিজের চোখে দেখা কাহিনী বলেছি। আপনি যদি চান আমি আপনাকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে বাস্তব প্রমান দেখাব। এরপরেও আপনি যদি আমার প্রমানকে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের মত "কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা" বলে উড়িয়ে দেন তাহলে আমার কিছু করার নেই। শুধু বড় বড় ফ্যাক্টরী মালিকই নয় এমনকি সাব কন্ট্রাকে যারা ব্যবসা করে তারাও শ্রমিকের টাকা মারে নানা ফন্দি কিকির করে। এই শিল্পের অবস্থা যুদ্ধক্ষেত্রের চেয়ে কোন অংশে কম নয়।
৭৪. ২৭ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৪
কেল্টূ দা বলেছেন: হক ভাই কিছুই কওনের বাকি রাখলেন না
৭৫. ২৭ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৫
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: শ্রমিকদের সম্পর্কে আমাদের নাগরিকদের কিছু মোটাদাগের উক্তি গুলো ১০০ তে ১০০ পার্সেন্ট সহমত। আর..........আসলেই উদোরপিন্ডি বুধোর ঘারে চাপানোটা নিয়ম হয়ে দাড়িয়েছে দেখা যাচ্ছে।
৭৭. ২৭ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২
বেকার বলেছেন: যুদ্ধ দরকার। সব শৃঙ্খলার বিরুদ্ধে যুদ্ধ। যুদ্ধ দরকার দেশকে যারা সামান্য ব্যক্তি স্বার্থে ব্যবহার করে তাদের বিরুদ্ধে। যুদ্ধ দরকার নিজের সাথে নিজের, কেন আমি এই শৃঙ্খলার বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে পারি না।

আমি সেই যুদ্ধের একজন যোদ্ধা...
৭৯. ২৭ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৩
বেকার বলেছেন: আমি কথায় না কাজে বিশ্বাসী... আমার গতিপথ বলে দিবে আমার গন্তব্য... দেশের জন্য দশের জন্য কিছু করার এখনই সময়...

সবার কাছে অনুরোধ, শুধু নিজের জন্যই নয়- দেশ ও দশের কল্যাণে স্ব-উদ্ধগী হবেন...

"সকল অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে হোক যুদ্ধ ঘোষণা"


৮০. ২৭ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৮
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন: ওরা যতই চিৎকার করুক না কেন গার্মেন্টস ব্যাবসা কখনই সম্পুর্ন বন্ধ হবে না।
কারণ

১. সস্তা শ্রম
(মালিক ১টা প্যান্ট বিক্রি করে লাভ করে ৭০০টাকা আর শ্রমিক পায় ৮ টাকা। আমেরিকায় একজন শ্রমিকের নূন্যতম মজুরী ৬ ডলার/ঘন্টা যা এখান কার এক মাসের সমান। আর যদি বন্ধও হয় তা হবে এখান কার চেয়ে সস্তা শ্রমের নতুন জায়গা পেলে। তখন আন্দোলন হোক বা না হোক।)

২. দক্ষ জনশক্তি
(ইতিমধ্যে আমাদের দেশের শ্রমিক দক্ষ হয়েছে। ফলে তাদেরকে দিয়ে বেশী ঊৎপাদন করানো সম্ভব।)

৩. নতজানু শাসক গোষ্ঠি
(এরা গার্মেন্টস মালিক ও বিদেশীদের লাভের জন্য প্রয়োজনে জনগণকে হত্য করতে প্রস্তুত।)

*গার্মেন্টস কখনও মৌলিক শিল্প নয় কারণ এটা স্থানীয় বাজার থেকে িকছু সংগ্রহ করেনা। সবকিছু বিদেশ থেকে সংগ্রহ করে আবার বিদেশেই যায়। মাঝ খান থেকে যা আয় হয় তার বেশির ভাগটাই যায় মালিকের পকেটে। আর শুধু মাত্র মূল্য সৃষ্টির ইহসাবে শিল্প বিবেচনা করলে বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের শ্রমকে বিবেচনা করতে হবে। কারন তারাই সবচেয়ে বেশী রমিটেন্স পাঠায়। তাছাড়া তাদের অর্থ সরাসরি গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছে।
২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৫১

লেখক বলেছেন:
"*গার্মেন্টস কখনও মৌলিক শিল্প নয় কারণ এটা স্থানীয় বাজার থেকে িকছু সংগ্রহ করেনা। সবকিছু বিদেশ থেকে সংগ্রহ করে আবার বিদেশেই যায়। মাঝ খান থেকে যা আয় হয় তার বেশির ভাগটাই যায় মালিকের পকেটে। আর শুধু মাত্র মূল্য সৃষ্টির ইহসাবে শিল্প বিবেচনা করলে বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের শ্রমকে বিবেচনা করতে হবে। কারন তারাই সবচেয়ে বেশী রমিটেন্স পাঠায়। তাছাড়া তাদের অর্থ সরাসরি গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছে।"
_____________________________________________
এই কথাটিই আমাদের আগে বুঝতে হবে।
ধন্যবাদ অসাধারণ মন্তব্য করার জন্য।

৮১. ২৭ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০
কিরিটি রায় বলেছেন: ------------যে দরিদ্র ছেলেটি এক অক্ষর বিদ্যাবুদ্ধি না পেয়েও বিদেশ থেকে রক্ত পানি করে ডলার পাঠাচ্ছে, যে নারীরা ঘরে বসে হাজারো ছোট ছোট কুটির শিল্প গড়ে তুলে অর্থনীতির মূল হুইলে শক্তি যোগাচ্ছে, যে ক্ষেত মজুর ঠা ঠা রোদে পুড়ে আমাদের অন্ন উৎপাদন করে চলেছে, যে রিকসাচালক শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে প্যাডেল মেরে হাজার হাজার গ্যালন পেট্রল বাচিয়ে দিচ্ছে, যে হাতকলের হ্যান্ডেলে নারীদের নরম হাতগুলো কড়া ফেলে যাতা ঘুরিয়ে সমাজের চাকা সচল রেখেছে, যে কচি কচি শিশুরা তাদের জন্মসূত্রে পাওয়া শৈশবকে অবহেলায় দূরে ঠেলে ঘাম আর রক্তের হোলি খেলায় ক্রীড়ানক হয়েছে, তারা কি কোন প্রটেকশন পেতে পারে না? তারা কি দেশের অর্থনীতিতে কোনই ভূমিকা রাখছে না? ভ্রান্তিতে স্বর্গারোহন আর কতদিন?-..

+ ভ্রান্তিতে স্বর্গারোহন আর কতদিন?-..
৮২. ২৭ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২২
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: + নং ৫০। প্রতারিত ও জুলুমের শিকার গার্মেন্টস শ্রমিকদের উচিত কারখানা না ভাঙচুর করে সরাসরি মালিকের বাসায় ও তার গাড়ি গুলো ভাঙচুর করা। সরকারগুলো কোনদিনও শ্রমিকদের স্বার্থ দেখে না বরং মালিকদের থেকে বিভিন্ন নেতারা চাঁদা খেয়ে উল্টো শ্রমিকদের কে ঠেঙ্গায়। মজার ব্যাপার হল সোহেল তাজ গার্মেন্টস সেক্টরেও জঙ্গীবাদের গন্ধ বা অস্তিত্ব পেয়েছেন। এরই নাম হল মরার উপর খড়ার ঘা! শ্রমিকদের প্রতি আন্তরিকত সহানুভূতি সম্পন্ন সরকার ক্ষমতায় না এলে শ্রমিকগণ অত্যাচারিত হতে থাকবে। দেখা যাক দিনবদলের কথা বলে বর্তমান মহাজোট সরকার গার্মেন্টেসে শ্রমিক বান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে পারে কিনা।

তবে ভাই যদি গার্মেন্টস সেক্টরে বন্ধ হয়ে গেলে আনুমানিক ৭-৮ বিলিয়ন ডলার উপার্জন বন্ধ হয়ে যাবে। তখন এটা কি বাংলাদেশের আমদানি ব্যায় মেটানোর ক্ষেত্রে ঘাটতি দেখা দিবে না? এর জন্য হয়তো আমাদের কে হার বজ্জাত বিশ্ব ব্যাংক-আই.এম.এফ এর কাছে ধর্ণা দেওয়া লাগবে। তাই আমার মতে সুষ্ঠ ও কার্যকর সমাধান এই গার্মেন্টস সেক্টরে করা যায় তার জন্য প্রবল জনমত গড়ে তোলা উচিত।

সুন্দর লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
৮৩. ২৭ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪
মনজুরুল হক বলেছেন:

সস্তা শ্রমকে আরো সস্তা করে একচেটিয়া শোষণ কায়েমের জন্য কিছু আরোপিত অপব্যাখ্যাঃ

১.আমাদের এই হরতাল, ভাংচুর, নৈরাজ্য, ফাঁকিবাজী, চাঁদাবাজী, জুট ব্যবসার খুনোখুনি দেখে যদি বায়াররা চলে যায় তাহলে আমাদের কী দশা হবে !!

২. আমাদের দেশের লাখ লাখ মানুষ বেকার হয়ে পড়বে! হাজার হাজার মানুষ ভিক্ষুক হয়ে পথে নেমে যাবে, মেয়েগুলো বাধ্য হবে দেহ বিক্রি করতে...আহা কী হবে এই দেশটার ! কী ভয়ংকর বিপদ আমাদের সামনে!!

৩.চাঁদাবাজদের নির্মূল করতে না পারলে আমরা ফ্যাক্টরী বন্ধ করতে বাধ্য হব, অর্থাৎ (ব্যাংক লোন, বিদ্যুৎবিল, গ্যাসবিল, পানির বিল শোধ করব না, বিভিন্ন কোলাবরেট সেক্টরের পাওনা দেবনা, বাকি বাড়িভাড়াও দেব না), তখন কী হবে এই দেশটার ভাগ্যে!!!

এই তিনটি এবং এরকম আরো কিছু হুমকি শুনেই সরকার ঝাঁপিয়ে পড়ে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করে, সাধারণ মানুষ অনেক শোষণ সহ্য করেও এই সোনার ডিমপাড়া হাঁসটিকে বাঁচিয়ে রাখতে চায়, শিক্ষিত সমাজ এনিয়ে জ্ঞনগর্ভ বক্তিমে দেয়...আমাদের শ্রমিকরা কলুর বলদের মত আবার মাথা গুঁজে কাজে নেমে পড়ে......আর এভাবেই এক একটা আঘাতে সস্তা শ্রম আরো সস্তা হয়ে ওঠে।উপর্যুপরি শ্রমের হাটে শ্রমের আধিক্য হলে অর্থনীতির নিয়মেই শ্রম সস্তা হতে বাধ্য।
৮৪. ২৭ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪০
পারভেজ বলেছেন: ৭ নং মন্তব্যে 'রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী' - যা বলেছেন তার সাথে ১০০% একমত।
আপনাকে ধন্যবাদ চমৎকার ভাবে বিষয়টা উপস্থাপনের জন্য।
৮৫. ২৭ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০০
দেবার্নব রায় বলেছেন: মর্মান্তিক রকমের ভালো...বিনাদ্বিধায় প্লাস...
৮৬. ২৭ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৬
শয়তান বলেছেন:
ফারহানা আহমেদ বলেছেন: এই পোস্ট-ও একজনের ভালো লাগে নাই!

---- এই সামইন এই একবার দেখছিলাম শ্রমিকশ্রেনীরে বেজন্মার জাত কইয়া গালি দিতে কারে যেন । হয়ত ঐ সব হাই ক্লাস জাতির কেউ একজন এই মাইনাসিয় কাজটা করে থাকবে ।

ব্যাপারর্স না এসব ।
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: ঠিকই। ব্যাপারর্স না এসব।

৮৭. ২৭ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২১
অরণ্যচারী বলেছেন: পোস্টের প্রতিটি বর্ণের সাথে সহমত।
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অরণ্যচারী।

৮৮. ২৭ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪
রিপন জি আর বলেছেন: আমি গ্রীসে থাকি, এখানকার একটি সুপার মার্কেট থেকে একটি বাংলাদেশে তৈরী টি শার্ট কিনতে ৫-২৫ ইউরো লাগে। বাংলাদেশে একজন গার্মেন্টস শ্রমিক মাসে কত টাকা বেতন পায়!
৯০. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:২২
ক-খ-গ বলেছেন: কমেন্ট পরে করবো :) প্রিন্ট নিলাম আরাম করে পড়ার জন্য ;)
৯১. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:২৪
ক-খ-গ বলেছেন: @শয়তান, শ্রমিকশ্রনীরে বেজ্ন্মা গাইল দিছিলো মহান জন্মা "শফিকুল" সাহেব
৯২. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:২৬
মনজুরুল হক বলেছেন:
ভাঙ্গা পেন্সিল আর ক্যামেরাম্যান উত্থাপিত বিষয়গুলি নিয়ে এই মন্তব্য কলামে আলোচনা করার চেষ্টা করছি..........................................................

উন্নত দেশের শ্রমিক শ্রেণীর সাথে বাংলাদেশের শ্রমিকদের কিছু মৌলিক পার্থক্য আছেঃ

শিল্পোন্নত দেশগুলোর শ্রমিকরা আক্ষরিক অর্থেই শিল্পীয় শ্রমিক। শহরেই জন্ম,শহরেই মৃত্যু। তারা কিছুকাল কাজ করে টাকা জমিয়ে সমবায় করে, তারপর নিজেরাই ছোট স্কেলে কারখানা দেয়।কলে কাজ করা ছাড়া তারা আর কিছু চিন্তা করে না।

বাংলাদেশের শ্রমিকরা আসে গ্রাম থেকে। এরা টাকা জমলে তা দিয়ে গ্রামে জমি কেনে। না পারলে বন্ধক নেয়। তাও না পারলে টাকা লগ্নি করে। অর্থাৎ মহাজনী ব্যবস্থার সূত্র ধরে এরাও ছোট মহাজন হয়ে উঠতে চায়। মালিকানার স্বপ্ন এরাও দেখে, তবে কারখানা মালিকের বদলে জমির মালিক।

যে কারণে কারখানাই এদের একমাত্র অবলম্বন নয়। কারখানা বন্ধ হলে জীবন থেমে যাবে তাও এরা ভাবেনা। সেকারণে "কারখানা বন্ধ কেন"? এরকম কোন দাবি এরা করেনা সাধারণত। তাই কারখানা বন্ধ বা লে-আউটের ফলে এরা যুদ্ধংদেহি হয়ে ওঠেনা। এভাবেই চলে আসছিল...নব্বই দশকে এরশাদ সরকারের শেষ দিকে বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরে ঝাঁকে ঝাঁকে অবসর প্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের আগমন ঘটতে থাকে। এসময়েই বা আরো কিছু পরে মেজর হলেই বাইরে পড়াশুনা করার সুযোগ দেওয়া শুরু হয়। রাতারাতি আতাতৃর্ক এ্যাভেন্যুতে ইউনি পাড়ায় এমবিএ পড়ার জন্য সেনা কর্তাদের ভিড় লেগে যায়, কেন সেটা অনত্র আলোচ্য হবে। সেই সময়ে প্রশাসন লেভেলে অবসরপ্রাপ্ত মেজর,ব্রিগেডিয়ার,কর্নেলরা যোগ দেয়। আর তার পর পরই গার্মেন্ট সেক্টরগুলোর চেহারা বদলাতে থাকে। শৃংখলা বজায় রাখা, নিয়মানুবর্তীতা ইত্যকার বিষয়গুলো প্রাধান্যে চলে আসে। এর আগে শ্রমিক অসন্তোষ হলে মালিকপক্ষ দেন-দরবার করে মেটাতো। কিন্তু এখন তার বদলে শুরু হয় কড়া আর্মি সিস্টেমে অসন্তোষ দমন।সামান্য সামান্য অপরাধে শ্রমিক ছাঁটাই, বেতন কর্তণ চলতে থাকে। এরই একটা উত্তুঙ্গু পর্যায়ে আসে কাউন্টার। শ্রমিকরা তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে রাজপথে নেমে আসে। কার্যত এর পরেই সিস্টেমে চলে আসে পুলিশ, আনসার, বিডিআর ইত্যাদির দমন-পীড়ন। এভাবে যত বেশী কর্তৃপক্ষীয় দমন-পীড়ন, তত বেশী শ্রমিক কাউন্টার চলতে থাকে।

ইতিমধ্যে শ্রমিকরা তাদের ট্রেড ইউনিয়ন গড়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের দলভূক্ত করেছে। তারা আরো সচেতন হয়েছে। দেশ-বিদেশের শ্রমিকদের হাল হকিকত জেনেছে। তারা দেখেছে, তাদের দাবি-দাওয়ার ব্যাপারে রাষ্ট্র, সরকার, সমাজের সুশীল, নাগরিক, আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী কেউ কিছু করছেনা। তারা এমনকি প্রচার মাধ্যমের সামান্য সাপোর্টও পাচ্ছেনা, কেননা প্রচার মাধ্যমের মালিকরা বাইডিফল্ট মালিক পক্ষের সেবাদাস, বেনিফিশিয়ারী। তারা তাদের উপরকার অন্যায়-অবিচারের প্রতিকারের জন্য যখন রাষ্ট্রের কোথাও কোন স্পেস পায়না, যখন এই সমাজের কোন সংবেদনশীল অংশ তাদের বাঁচা-মরা নিয়ে ভাবিত না, তখন তাদের কী করণীয় থাকে? তারা বাধ্য হয়েই দাবি-দাওয়ার আন্দোলনকে সহিংস রূপে প্রকাশের চেষ্টা করে। একেই আমরা বলি ... জ্বালাও-পোড়াও। এর বিরুদ্ধেই আমাদের তথা কথিত শান্তিপ্রিয় নাগরিকদের এত বিরাগ!

এই দেশে উচ্চ শিক্ষিত ডাক্তাররা তাদের দাবি আদায়ের জন্য মৃত্যুপথযাত্রী রুগীকে স্ট্রেচারে রেখে হাসপাতালে ধর্মঘট করতে পারে! প্রকৌশলীরা কনস্ট্রাক্শন মাঝপথে থামিয়ে ধর্মঘট করতে পারে! ধাঙ্গড়রা সারা শহর আবর্জনায় রেখে ধর্মঘট করতে পারে! বিসিএস ক্যাডাররা জয়েনিংয়ের জন্য মানব বন্ধনে দাঁড়িয়ে যেতে পারে! উকিলরা, বিচারপতিরা আদালত বর্জন করতে পারে! শিক্ষকরা শিক্ষাদান বন্ধ করে দিতে পারে! মসজিদের ইমামরা রাস্তায় নেমে কুশপুতুল পোড়াতে পারে! পুলিশের নবনিযুক্তরা নিয়োগ আর প্রমোশনের দাবিতে মিছিল করতে পারে! হাসপাতালের অফিশীয়ালরা রুগী ভর্তি না করে ধর্মঘট করতে পারে! সমাজের অন্যান্য প্রায় সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ হরতাল-ধর্মঘট-ভাংচুর করতে পারে, সামান্য ফুটবল খেলায় হারলে নির্বিচারে গাড়ি ভাঙ্গতে পারে......শুধু মাত্র.....হ্যাঁ,
শুধুমাত্র গার্মেন্ট শ্রমিকরা বাঁচার দাবিতে রাজপথে বাধ্য হয়ে নেমে এলে আমাদের সুশীল নাগরিক আর তাদের বেনিফিশিয়ারী মিডিয়া হা রে রে..গেল গেল করে ওঠে!
ভাবখানা যেন...তোমরা ম্লেচ্ছরা কাজ করতে পেরে পেটের ভাত যোগাড় করতে পারছ এটাই কি বেশী নয়! তোমাদের আবার এত দাবি-দাওয়া কেন?

গত দু বছর আগে সাভার ইপিজেড এ যে নারকীয় তান্ডব করেছে রেব,পুলিশ,বিডিআর, তার সাথে একমাত্র তুলনা হতে পারে পরদেশ আক্রমন করা এবং দখল করে স্লটার চালানোর।

গত কিছুদিন ধরে এই সেক্টরের অসন্তোষ দমনের নামে হত্যা, লাশগুম, হাত-পা ভেঙ্গে পঙ্গু করে দেওয়া সবই হয়েছে। ভবন ধ্বসে ইঁদুরের মত মরা তো কোন ব্যাপারই না! আগুন গুজবে চিপা সিঁড়ি দিয়ে নামতে না পেরে, জানালা দিয়ে লাফিয়ে নামতে গিয়ে বেশুমার মরে যাওয়া তো হরহামেশাই হচ্ছে। তার পরেও, সবাই ধর্মঘট করলেও তোমরা পারনা, কেননা তোমরা স্রেফ দু'পয়সার লেবর! স্রেফ অশিক্ষিত বার্বারিয়ান অটোক্রেট!

তার পরে মালিক পক্ষ শাসকশ্রেণীর আষ্কারায় আরো একটি তুরুপের তাস হাতে পেল! ভারত তাস বা ইন্ডিয়া কার্ড। শ্রমিক অসন্তোষ হলেই ঢালাও ভাবে বলে দেওয়া হলো...একটি পাশ্ববর্তী দেশ পরশ্রীকাতরতাবশত আমাদের এই সেক্টরকে ধ্বংস করার জন্য এসব করাচ্ছে। তারা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বি! তাই তারা আমাদের অর্ডার কেড়ে নিতে চায়! এ নিয়ে সরকার বাহাদুর অনেক শক্তিশালী কমিটি করেছে। সেই তদন্ত কমিটি দিনের পর দিন তদন্ত করেও কোন বিদেশী পক্ষের ইন্ধন আবিষ্কার করতে পারেনি। এই ইন্ডিয়া কার্ডের সুবিধে হলো এটা খেললেই সাথে সাথে আম নাগরিকের জোরাল সমর্থন পাওয়া যায়।

সর্বশেষঃ আবারো সরকারের তরফে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হচ্ছে, এই সেক্টরে চাঁদাবাজী বন্ধ এবং শৃংখলা ফেরানোর উদ্দেশ্যে। একজন সাংসদ এই কমিটির প্রধান হচ্ছেন, যিনি নিজেই পরিবহন শ্রমিকদের প্রধান নেতা! এবং যার এক কথায় সারা দেশের পরিবহন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আসুন আমরা দর্শকের আসনে বসে দেখি...........................................................
৯৩. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৪৮
মনজুরুল হক বলেছেন:

অন্ত, রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী , নাজিম উদদীন, শয়তান, ফারুক৫৫, রাজর্ষী, দূরন্ত, আহছানউল্লাহ, বৃত্তবন্দী, এস আই সাঈদ, কাঁকন, মাসুম রাঢ়ি, মোঃওমর ফারুক, গাইতে ভাল লাগে, বাবু>বাবুয়া>বাবুই , আমিই স্রোত, দীপঙ্কর, খন্দকার মেহদী হাসান, বিবর্তনবাদী, সত্যাশ্রয়ী, আমি জমিদার, নুরুজ্জামান মানিক,তায়েফ আহমাদ, বুলবুল আহমেদ পান্না, েমাহাম্মদ িমজানুর রহমান , ফারহানা আহমেদ, ত্রিদীব, এম এস জুলহাস, খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে ,আপেল, মুনসুর আজিজ, শয়তান হন্তারক,মেহদী, দ্বিতীয়নাম, হাসান বায়েজিদ, সাদা কাগজ, বেকার, শিমুল সালাউদ্দিন, কিরিটী রায়, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, পারভেজ, নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা , দেবার্ণব রায়, অরণ্যচারী, রিপন জি আর, তন্ময় হাসান, ক-খ-গ ।

স্থানাভাবে আলাদা করে আপনাদের মন্তব্যের উত্তর দিতে পারলাম না। এমনিতেই পোস্ট তার লিমিটের কাছাকাছি চলে গেছে। আপনারা অনুগ্রহ করে এই অপারগতাটুকু ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কষ্ট করে পোস্ট পড়া এবং মন্তব্য করার জন্য আপনাদের সকলকে অভিনন্দন।

এর মধ্যে সময় করে আপনাদের মূল্যবান পয়েন্টগুলো নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা থাকবে। ভাল থাকুন।
৯৪. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৫৮
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: @রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: শূন্য আরণ্যক বলেছেন: রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী এর ৭ নং কমেন্ট

আর খারেজীর দেয়া আপনার উত্তরে গার্মেন্টস মালিকের
জীবন চক্র ও মামদো বাজি ভালোই উঠে এসেছে
.............................................................
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

ভাইজান না পড়ে লাফালাফি না করলে ভালো লাগে ।

আমি বলেছি আপনার কথার সাথে একমত । আপনি ঠিক ব্যাপারটাই তুলে ধরেছেন । "উদ্যেক্তা" নামের এই চোর - ঠগের মামদোবাজি দেখা আছে ভালোই ।

হাইপোথিসিস কোথায় পেলেন ভাই ??!



৯৫. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:০৮
অরণ্যদেব বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ দাদা। এমন একটা বিষয় আনছেন, যেইখানে আমার কিছুই কওনের নাই! তয় এক্টা অনুরোধ রাখ্বেন ? শ্রমিকগো লইয়া যারা খেল্তাসে তাগোর কাহিনী কিছু কৈবেন? অপেক্ষায় থাক্লাম দাদা।

পোস্টে +++++
৯৬. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:১৩
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: "নূন্যতম মজুরী দিতেই তো জান খারাপ অবস্থা । "
এই হচ্ছে আপনার পজিশন। সুতরাং আর কোন কিছু নিয়ে আপনার সাথে আলোচনা চলেনা। যা হতে পারে তা বিবাদ। আপনি গার্মেন্ট বিষয়ে কিছু টেকনিক্যাল কথা লিখে মনে করে বসে আছেন অনেক গভীরের তথ্য দিলেন! আসলে আপনি যা জেনেছেন তা সামান্য কিছু পরম্পরার বুলি। বাস্তব কোন অভিজ্ঞতাই নেই আপনার। আর বিবিধ বিষয়ে যত্রতত্র কিছুপরিমানে হলেও আপনাকে পন্ডিতি করতে হবেই। সেটা মিলুক, না মিলুক!

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

নূন্যতম মজুরী কটা গার্মেন্টস দিতে পারে আমাকে দেখান ।

এখানেই উঠে এসেছে নূন্যতম মজুরী দিতে দুইটা ব্যালেন্স শিট মেইনটেইন করা হয় ।

শ্রমিক পক্ষের থেকে লিখেছেন বেশ করেছেন -- তাদের আন্দোলন করিয়ে হাজার হাজার শ্রমিকের চাকরী চলে গেলে -- আপনি খাওয়াবেন তাদের ??
না মহান সরকার খাওয়াবে ।


কে যে শ্রমিকের বন্ধু তা বোঝা বড় দায় !!!!!!

~~~~~~~~~~~~~~~~~

আপনার সাথে যেসব ব্যাপারে একমত হয়েছি সেসব তো বল্লেন না - তারমানে আপনার সাথে দ্বিমত করলেই
শ্রমিকের শত্রু !!!!!!



~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

আমি আপনাকে বলেছে একজন সাধারন উদ্যোক্তার চোখেও পরিবেশটা দেখেন না হয় পোষ্টটা একপেশে হবে ।

আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা আছে কি নাই এটা আগেই জেনে গেছেন -- আপনি অন্তর্যামী :)

৯৭. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:১৪
তনুজা বলেছেন: মনজু ভাই, পোস্ট ঋদ্ধই ছিল
তবে কমেন্টের ঘরে আপনি আরো সমৃদ্ধ করেছেন--কালেকশন করার মত জিনিস হয়েছে , আন্তরিক অভিনন্দন --(যদিও আপনাকে এই পোস্ট দিয়ে মূল্যায়নের নতুন কিছু নেই)

অনেক ধন্যবাদ
সেইড ওয়েল এন্ড বোল্ড
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন:
ইউ অলসো সেইড ওয়েল এন্ড বোল্ড!
থ্যাংকস আ লট তনুজা।

৯৮. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০৫
আগামি বলেছেন: এই সেক্টরের উপর দিয়া কত্ত লোক যে নব্য ধনকুবের হইল তার ইয়ত্তা নাই । অথচ আজ পর্যন্ত এই সেক্টরে কোন সুবিদিত সার্ভিস রুল তৈরি হয়নি । মালিকের বাধ্যবাধকতা বা শ্রমিকের দায়বদ্ধতা শুধুই নিজের স্বার্থকেন্দ্রিক ।

একটা সেক্টর থেকে এত ইনকাম করল দেশ-মালিক-সরকার-সুদখোর-ঘুসখোর-চাঁদাবাজ-পুলিশ । অথচ যাদের শ্রম-ঘামে এই সেক্টরের উন্নতি তাদের মৌলিক চাহিদাগুলোই পূরণ হচ্ছেনা ঠিকমত । এটা যেন আসলেই নয়া দাসব্যবসা ।

লক্ষ লক্ষ মানুষের রক্ত শুষে এই সেক্টর দাঁড়িয়েছে । লাভ কার হল ?

অতসব ধুনফুন বুঝিনা । শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার যদি না দেয়- তাহলে ধ্বংস হোক সব শোসক তৈরির কারখানা ।তিলে তিলে মরার চেয়ে একবারেই মরে যাওয়া অনেক আরামের ।
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: কেন, এই সেক্টর আমাদের একটা সিই ক্লাস উপহার দিয়েছে না! যারা কথায় কথায় উচ্চারণ করে "ড্যামন"! তাদের সর তুলে খাওয়া ফড়েগিরির মুনাফায় প্রাডো হয়েছে, নেক্সাস হয়েছে, হ্যামার হয়েছে, বাড়িতে ফ্রস্টেড গ্লাসে আঁকিবুকি হয়েছে, তাদের ছেলে-মেয়েরা স্টেটসে পড়ে না! তারা হাইফাই শপিংমলের ডার্ক গ্লাসে নিজেদের কদর্য মুখ দেখে না, দেখে শেয়াল-কুকুরের মত হাড়-হাভাতে গার্মেন্ট শ্রমিকের মুখ! এই ক্লাসটাইতো ভ্যালেন্টাইন ডে সেলিব্রেট করে। শহরের উপকণ্ঠে ইঁটের বস্তি বানায়। ইকো পার্ক করে! চলেশ রিসিলের লাশের ওপর এ্যামুজমেন্ট থিম পার্ক গড়ে তোলে! আমরা আবালরা টিকিট কেটে বিনোদিত হতে যাই.............শুধুমাত্র মূল্য সৃষ্টির হিসাবও যদি করা হয় তাহলে দেখা যাবে দেশের লাভ মাইনাস মালিকের পকেট মাইনাস সরকারের স্থগিত শুল্ক মাইনাস সার্ভিস চার্জ মাইনাস সরকারী চাঁদাবাজী ইক্যুয়াল টু শ্রমিকের মজুরী....নিট প্রফিট ফর কান্ট্রি = কী ?

৯৯. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:২৩
এম এ খান বলেছেন: ভাই জাতীয় কোন দৈনিকে উপসম্পাদকীয় কলাম আকারে প্রকাশিত হলে ভালো হত।ব্লগে সীমিত গন্ডি মধ্যে না রেখে আমজনতার কাছে বিষয় গুলো পরিস্কার হওয়ার দরকার।
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন:
১৮ মে, ২০০৯ "ভোরের কাগজ" এর উপসম্পাদকীয়তে প্রকাশ হয়েছে। দুঃখিত যে, ওদের আর্কাইভে ওই তারিখের নেট কপিটা নেই! ১৬ তারিখ পর্যন্ত আছে। আমিও নেট কপি সংরক্ষণ করিনি।

কলামের নাম "সমান্তরাল প্রতিচ্ছবি"।

আমি কাগজে প্রকাশিত সব লেখা ব্লগে পোস্ট করিনা। বিশেষ বিশেষ কিছু লেখাই শুধু এখানে পোস্ট করি।

আপনাকে ধন্যবাদ।

১০০. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৪২
একজন সুখীমানুষ বলেছেন: ভালো লিখেছেন। আসলে পুজিবাদী সমাজ ব্যবস্থায় এমনই হবে। ধনী আরো ধনী হবে এবং গরীব দিনে দিনে আরো গরীব হবে।
১০১. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৬
বোতল কুমার বলেছেন: সাবাস .. ভাল লিখেছেন

আমাদের জাহাজ নির্মান শিল্প, ইলেক্ট্রনিক্স শিল্প, আর উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থায় মন দিতে হবে।

১০২. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৮
বোতল কুমার বলেছেন: বাংলাদেশকে ভারতের সীমান্ত কাঁটাতারের বেড়ার খাঁচার মধ্য থেকে বেড় করে আনতে হবে।
১০৩. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:০৩
সত্যান্বেষী বলেছেন: শূন্য আরণ্যক বলেছেন: 'আর বিবিধ বিষয়ে যত্রতত্র কিছুপরিমানে হলেও আপনাকে পন্ডিতি করতে হবেই। সেটা মিলুক, না মিলুক!'

- ব্যক্তিগত আক্রমণ হয়ে গেল না? পুরো পোস্ট এবং কমেন্ট, কাউন্টার-কমেন্টের কোথাও তো লেখক এমন কিছু বলেন নি যা আপনাকে প্রভোক করে।


শূন্য আরণ্যক আরো বলেছেন: 'শ্রমিক পক্ষের থেকে লিখেছেন বেশ করেছেন -- তাদের আন্দোলন করিয়ে হাজার হাজার শ্রমিকের চাকরী চলে গেলে -- আপনি খাওয়াবেন তাদের ?? না মহান সরকার খাওয়াবে?'

একেবারে টিপিক্যাল মালিক/ মালিকের ঠ্যাঙারে বাহিনীর লোক /মালিকের ভাড়ায় খাটা 'শ্রমিক নেতা'র মতো হয়ে গেল না কথাটা? এই মেন্টালিটি নিয়ে শুধু শ্রমিকদের পক্ষে কেন, দুনিয়ার কোন অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পারবেন? আপনার নিরিহ ভাইটিকে চোখের সামনে কেউ লাত্থি মারলে আপনি যদি ভাবেন - এর প্রতিবাদ করলে কালকে একা পেয়ে যদি তাকে মেরেই ফেলে - তাহলে কি আপনি লাথির প্রতিবাদ করতে পারবেন?

যুগ যুগ ধরে মালিক পক্ষ ঠিক এই কথাটি বলেই শ্রমিকদেরকে পায়ের তলায় চেপে রাখতে চেয়েছে। কিন্তু অজস্র মৃত্যুকে পেড়িয়ে যখন একদল আগুনে শ্রমিক পুড়িয়ে দিবে মালিকের তখতে তাউস সেদিন বুঝবেন কতখানি দাহ্য হতে পারে এই খেটে খাওয়া আদমগুলা!
১০৪. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:১২
প্রিয়া বলেছেন: কি মন্তব্য করবো ,আমার জন্য তো কেউ কিছু রাখেনি, শুধু আইকন +
২১ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: কিছুই কি রাখেনি? দেখ দেখি কান্ড !!

১০৫. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:১৪
মায়া নেকড়ে বলেছেন: আগেই পড়েছি লেখাটা। কমেন্ট করার মতো কথা আমার কাছে নাই বলে কিছু বলি নাই।
এখন শুণ্য আরণ্যক নামক নিকটার উদ্ধত কমেন্ট গুলো দেখে কিছু বলতে ইচ্ছা হলো।


শুণ্য আরণ্যক আপনি কি মালিক শ্রেণীর প্রতিনিধিত্ব করছেন? মে বি বাবার গার্মেন্ট ফ্যাক্টরির শ্রমিকদের রক্তচোষা টাকায় হয়তো বিদেশে বসে মালিকের পক্ষে জ্বালাময়ী কথা গুলো বলছেন।

আপনি আপনার প্রথম কমেন্টেই নিজের অবস্থান ক্লিয়ার করে দিয়েছেন। সরাসরি লেখককে ডিক্টেট করছেন তার কি করা উচিত বা উচিত না। মালিক পক্ষ ছাড়া এরকম কেউই করে না।

আমার এক আত্মীয়ের একটা গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি আছে। সারা জীবন শুনে আসছি সেটা কখনও লাভের মুখ দেখেনাই, শ্রমিকদের ঠিক মতো বেতন দিতে পারেনা ইত্যাদি।
কিন্তু বছর বছর ছেলে মেয়ে নিয়ে ব্যাংকক, ইউএসএ, লন্ডন ট্যুর থেমে থাকেনি।
বছর বছর গাড়ির মডেল পরিবর্তন থেমে থাকেনি।
মোঃপুর থেকে ধানমন্ডি সেখান থেকে গুলশানে ফ্ল্যাট কেনা থেমে থাকেনি।
ছেলেকে পড়তে ইউএসএ পাঠানো থেমে থাকেনি।
শুধু থেমে থেকেছে শ্রমিকদের বেতন দেয়াটা, তাইনা?

আপনি লেখকের একটা উপমাকেও তাচ্ছিল্য করতে ছাড়েননি। সমস্যটা কি আপনার?
একজন লোক যখন বলছে সে ১৯৮৮ থেকে এই সেক্টরের সাথে জড়িত তখন তার জ্ঞান মনেহয় একটু বেশিই আছে আপনার থেকে। কিন্তু সেটাকেও আপনি খারিজ করে দিলেন এই বলে যে "টি শার্ট তৈরী করা বলতে আপনি বোঝেন শুধু সেলাই করা"

নিজেকে কোন "উচ্চ"শ্রেণীর কিছু একটা ভেবে আত্মমেহনের সুখ অনুভব করা ছেড়ে দিন। আত্মমেহনে শেষ পর্যন্ত আগা-মোটা গোড়া-চিকন আর ধাতু দৌর্বল্য ছাড়া অন্য কিছুই পাবেন না। হয়তো সেটাও ঘটে গিয়েছে। তাই এখনও আত্মমেহনের সুখে মগ্ন হয়ে আছেন।
১০৬. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:১৫
অরণ্যদেব বলেছেন: সত্যান্বেষী ভাই, আহেন আম্গো ছুন্নছাব্রে মালিকের পক্ষে উকালতি করণের্লাইগ্যা এক্টা মেঠেল দিতাম্চাই, কি কন?

আবে ভাউরা, শরমিকরা বেকার হৈলে লেখক্খাওয়াইব ক্যান / খাওয়াইবা আপ্নে, কেন্জে, আপ্নের ভাইরা ম্যালা দিন্ধইরা ম্যাল্লা কামাইসে।

আদুমজী বন হওনের্সুম তো ব্যাক্তে লেক্ছিল। হেইডা বন হওয়ার্পর কি তাগোরে লেখ্কর্রা খাওয়াইসে ? মুর্জালা, ছুন্নর কাবজামীডা গেলই না!
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: বি কুল দেওতা।

১০৭. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:২১
অরণ্যদেব বলেছেন: মায়া নেকড়েরে জাঝা!!

"শুণ্য আরণ্যক আপনি কি মালিক শ্রেণীর প্রতিনিধিত্ব করছেন? মে বি বাবার গার্মেন্ট ফ্যাক্টরির শ্রমিকদের রক্তচোষা টাকায় হয়তো বিদেশে বসে মালিকের পক্ষে জ্বালাময়ী কথা গুলো বলছেন।"
"নিজেকে কোন "উচ্চ"শ্রেণীর কিছু একটা ভেবে আত্মমেহনের সুখ অনুভব করা ছেড়ে দিন। আত্মমেহনে শেষ পর্যন্ত আগা-মোটা গোড়া-চিকন আর ধাতু দৌর্বল্য ছাড়া অন্য কিছুই পাবেন না। হয়তো সেটাও ঘটে গিয়েছে। তাই এখনও আত্মমেহনের সুখে মগ্ন হয়ে আছেন।"

আহা!! ফ্রেমে বান্ধাইয়া রাহোন্জায়গো...
১০৮. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:২২
প্রিয়া বলেছেন: কি মন্তব্য করবো ,আমার জন্য তো কেউ কিছু রাখেনি, শুধু আইকন +
১০৯. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:২৮
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: @ সত্যান্বেষী :

ভাইজান আকাশ থেকে টপকালে এই অনুভুতি হয় মাঝে মাঝে , অনেক কিছু বুঝে উঠা যায় না !!

আপনার কমেন্তের প্রথম অংশ মনজুরুল সাহেবের লেখা।

এখন কে ব্যক্তি আক্রমণ করছে এটা আপনিই বিচার করুন ।!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

ভাড়ায় খাটা শ্রমিক নেতা, রাজনৈতিক শ্রমিক নেতা --- মূল্যবান একটা কথা তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে ।

সমাজতন্ত্রের কথা আলোচনা করলে গার্মেন্টেস সেক্টর কে না মেরে আলোচনা করলেও চলে ।

শ্রমিকদের সুযোগ সুবিধা --

তাদের চাহিদা , স্বাস্থ্য ইত্যাদি বিষয়গুলি কি পোষ্ট উঠে এসেছে ?
পোষ্টে এসেছে এটা একটা অকর্মা সেক্টর এর পিছে সময় নষ্ট করার দরকার নেই । তুলে দাও গার্মেন্টস !

তো এর পরের নিদান কি ?

ধনীদের প্রতি আপনাদের বিদ্বেষ আছে -- সেটা শ্রমিকের রুজির উপর দিয়েও হলেও প্রতিশোধ নিতে হবে

বাহবা দিলাম এই প্রচেষ্টায় !!

গার্মেন্টস মালিকদের ঘাড় ধরে যদি বলতেন -- ব্যাটারা টাইম মতো বেতন দে --
সুযোগ সুবিধা দে ।

তাহলে বলতাম না কিছু কাজের কাজ করছেন ।

শ্রমিকের স্বার্থ আদায়রে জন্য শ্রমিক রুজি মেরে , কাজ বন্ধ করার কথা বললে শুধু সুবিধাবাদী একটা শ্রেনীর কথায় মনে আসে।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

আগুন জ্বেলে পুরিয়ে দিক সব গার্মেন্টস --- আমারও দেখার ইচ্ছা এর পর কি হয় ।

মুষ্টিমেয় কিছু ফুলেফেপে ওঠা ধনীদের তখতে নাগাল তারা পাবে কি এই ব্যাপারে যথেষ্ঠ সন্দেহ আছে ।
তাতে যদি এক - দু লাখ শ্রমিক কাজ হারায়
কি আর আসবে যাবে ।
১১০. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৩১
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: মনজুরুল সাহেব একি --

আমি তো আলোচনা করছিলাম ।

১০-২০জনকে রেডি করার তো দরকার ছিলো না !!!

:D

খাইছে আমারে !!!!!!!!!

২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:২২

লেখক বলেছেন: আপনার এই অমূলক সন্দেহের জবাব তনুজা ভাল ভাবেই দিয়েছে। আমার নতুন করে কিছু বলার নেই। শুধু এতটুকু বলব; আপনার "আলোচনার" ঢংটি ব্লগীয় আলোচনার মত শোনায়নি। আপনি ব্যঙ্গ করেছেন, কিন্তু তার প্রতিউত্তরে আবার জ্বলে উঠেছেন।
আপনার প্রত্যেকটি ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের জবাব দিতে পারতাম। তাতে এই পোস্ট অহেতুক বিতর্কজালে জড়িয়ে পড়ত।

হ্যাঁ, ১০-২০ জনকে রেডি করা....এটা খুবই আপত্তিজনক উক্তি। আপনি এমন কোন জ্ঞানগর্ভ থিসিস দেননি যে, তার উত্তর দিতে আমাকে অন্য কারো সাহায্য নিতে হবে। আমি জাস্ট আপনার কয়েকটি কমেন্ট ইগনোর করেছি। কিন্তু এখন যদি আপনি পা বাঁধিয়ে ঝগড়া করার বাসনা পুষে রাখেন, তাহলে ওয়েলকাম।

১১১. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
সত্যান্বেষী বলেছেন: @শূণ্য আরণ্যক: আপনাকে একটা কঠিন সত্য কথা চুপিচুপি বলে রাখছি -


মালিকরা শ্রমিকদের খাওয়ায় না। শ্রমিকরাই মালিকদের খাওয়ায়।

তাদের হাড়ভাঙ্গা শ্রমের টাকা দিয়েই মালিকরা শেরাটনে নানান জাতের ডিশ খায়। তাদের ওভারটাইমের টাকায় আপনার মহান মালিকগনের মদ এবং মেয়েমানুষের ব্যবস্থা হয়। "তাদের নূন্যতম মজুরী মাইনাস প্রদত্ত মজুরীর" টাকা আপনাদের মতো লোকদের দিয়ে তাদের আন্দোলনের বুকে কুড়াল মারা হয়।
১১২. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: @শুন্য- আপ্নের এই কমেন্টটাও যথারীতী শুণ্যগর্ভ দেক্তেসি।
আপ্নের নিচ্চই গার্মেন্ট্স ফ্যাক্টরী রৈছে। নৈলে মালিক পক্ষের কুনৈ দোষ চৌক্ষে পড়েনা ক্যা? পোস্টের কোন কুনায় কওয়া হৈছে গার্মেন্টস সেক্টর্রে তুইলা দেওনের কতা? শুধু কওয়া হৈছে এই সেক্টর্টারে সুনার্ডিম্পারা হাঁসের মতো কৈরা দেক্তেছে সরকারে। এই নজর্ডি অইন্য সেক্টরে সমান্ভাবে দিলে আরো ভালো হৈতো।

আর পাইছেন বালের ধনীদের প্রতি বিদ্বেষ বৈলা এক্টা ফ্যালাসি। এডি প্রতিষ্ঠা করনের্লিগা দেক্তেসি তো পৈলা কমেন্টের থিকাই ফালাইতেছেন।

মায়া নেকড়ে বেডায় যেডি কৈছে আম্মো কপি কৈরা দিলাম-

"শুণ্য আরণ্যক আপনি কি মালিক শ্রেণীর প্রতিনিধিত্ব করছেন? মে বি বাবার গার্মেন্ট ফ্যাক্টরির শ্রমিকদের রক্তচোষা টাকায় হয়তো বিদেশে বসে মালিকের পক্ষে জ্বালাময়ী কথা গুলো বলছেন।"
"নিজেকে কোন "উচ্চ"শ্রেণীর কিছু একটা ভেবে আত্মমেহনের সুখ অনুভব করা ছেড়ে দিন। আত্মমেহনে শেষ পর্যন্ত আগা-মোটা গোড়া-চিকন আর ধাতু দৌর্বল্য ছাড়া অন্য কিছুই পাবেন না। হয়তো সেটাও ঘটে গিয়েছে। তাই এখনও আত্মমেহনের সুখে মগ্ন হয়ে আছেন।"
১১৩. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৯
সত্যান্বেষী বলেছেন: @শূণ্য: গার্মেন্টস মালিকদের ঘাড় ধরে যদি বলতেন -- ব্যাটারা টাইম মতো বেতন দে -- সুযোগ সুবিধা দে । তাহলে বলতাম না কিছু কাজের কাজ করছেন।

সেটা আমরা বলেছি। এবং বলতে জানি।


১১৪. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪২
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: @শুন্য- নিজেও এরামৈ করেন্নিকি?

কি আর কর্বেন, উচ্চ শ্রেণীর প্রতিনিধি, শ্রমিকগো ঠেঙ্গায়া যা শিকছেন অইন্যরেও সেরাম মনে করেন।

পুরান এক্টা কতা আছে

"যার্মনে থাকে যা ফাল্দি উঠে তা"

গুড্গুড।
১১৫. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৩
সত্যান্বেষী বলেছেন: 'শৃঙ্খল ছাড়া প্রলেতারিয়েতের হারানোর কিছু নেই। আর জয় করার আছে সারা দুনিয়া।'

১১৬. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৪
তনুজা বলেছেন: শূন্য আরণ্যক বলেছেন: মনজুরুল সাহেব একি --আমি তো আলোচনা করছিলাম
১০-২০জনকে রেডি করার তো দরকার ছিলো না !!


শূন্য মনজু ভাইকে কি উত্তর দিতে অনভিজ্ঞ , অযোগ্য, অপারগ মনে হয়েছে? ব্লগে আলোচনায় সকলে অংশ নেয়, দুজনের বিতর্কে বাকিরা চলে আসে এটাই স্বাভাবিক। আমার নিজেরও দেখা যখন অযাচিত আক্রমণের শিকার হয়েছি চোখে পড়লে সবার আগে আপনি প্রতিবাদ করেছেন, এমন নয় যে সেজন্য আপনাকে ডেকে জানাতে হয়েছে । সেভাবেই মনজুভাইকে অনেকে পছন্দ করে স্বপ্রণোদনায় অংশ নিতে পারে , আপনাকেও আক্রমণ করতে পারে ---সেজন্য লেখকের প্ররোচনা দেয়া লাগে না । তাই বলে ব্যক্তি বিদ্বেষ সমর্থনযোগ্য -সেটাও নয়।

ব্লগে আপনি অনেক স্বতঃস্ফূর্ত - কাজেই এর কোনটাই আপনার না জানা নয় ।

১১৭. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৪
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: @ মায়া নেকড়ে , কাক ভুষুন্ডি/ বৃত্তবন্দী।

Click This Link

এটা পড়েন ।

তারপর কথা বইলেন ।

আর হ্যা ভাই আগে বল্লেই হতো এই পোষ্ট একমত ছাড়া আর কোন কথা বলা যাবে না , তাইলে এত গেন্জাম লাগতো না !!

জ্বী ভাই -- আমি স্বমেহন আর পশ্চাতদেশ চুম্বনের তফাত ভালো করে জানি ।

--------------------------
পোষ্টটা কে সমৃদ্ধ করার জন্য সবাই কে অভিনন্দন , আন্তরিক ধন্যবাদ ।
১১৮. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৫৪
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: এইযে শুণ্য আপ্নে আরেক্টা ভেজাল কর্লেন। পার্সোনালি আমি একজনের ত্রুটি গুলা আগে দেক্তে পছন্দ করি।
ওয়েল বিল্ট এক্টা পোস্টে আপ্নে আইসা পয়লা শুরু কর্লেন কি দিয়া? আপ্নে মালিক পক্ষরে ডিফেন্ড দিয়া, লেখক্রে এক্টা খোঁচা দিয়া কমেন্ট দিলেন।
কেঐ কিন্তু কয় নাই এই পুস্টে খালি একমতৈ কৈতে হৈবো,
আপ্নের কমেন্ট গুলা সারাক্ষণৈ লেখক্রে আক্রমণের দিকে যাইতেছিলো।

১১৯. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৫৪
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: @তনুজা --- আলোচনাটা ব্যক্তিগত আক্রমন পর্যায়ে না গেলে এটা বলতাম না ।

আমি আলোচনা করছিলাম । এটা উদ্ধত নিক (!) বলে অন্যসব কথা আমি টেনে আনি নি।

উনার সাথে বেশ কিছু ব্যাপারেই একমত ।
~~~~~~~~~~~~

আলোচনা চালানোর জন্য মনজুরুল ভাই - আমি যথেষ্ঠ ছিলাম --

এখানে অন্য কিছু বলে ঘোরানো চেষ্টার মানে হয় না ।

ফ্যালাসি তো ভালোই রপ্ত করা আছে -- এড হোমিনেমের সাথে এর মিল পেলেন কি ?????

~~~~~~~~~~~~

সেটাই বলছিলাম যে আলোচনা করতে গেলে গালাগালি চলে আসলে মুস্কিল ।

এনিওয়ে আপনার কিছু বলার দরকার ছিলো না মনজুরুল ভাই জবাব দিতে পারতেন ।

ব্লগের ব্যাপারটা জানি আর অনেক অবাক হই ।

বার বার মনে করি -- না ভুল জানি এখানে গোষ্ঠিতান্ত্রিক কোন ব্যাপার নাই --

মতবিরোধ হলেও টেবিলে ঐ পাশে হাত বাড়ানো লোক আছে -- আইডিয়া মিলে গেলে।

শিক্ষা হয় না !!

আপনাকেও এর বেশী কিছু ভাবতে পারছি না ।
১২০. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:০০
শয়তান বলেছেন: জিরোর হ্যামার চালনায় পোস্টের বক্তব্য আরও পোক্ত হৈলো । সবাই এক্সাম্পল সহ বুঝতে পারলো আসল ঘটনাটা কি :)
১২১. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:০০
খারেজি বলেছেন:

শূন্য,

আপনার একটা মাত্র কমেন্ট কোট করি, ব্রাকেটে আপনার অর্থহীন কথা বিষয়ে দৃষ্টিআকর্ষণ করবো


ধনীদের প্রতি আপনাদের বিদ্বেষ আছে -- সেটা শ্রমিকের রুজির উপর দিয়েও হলেও প্রতিশোধ নিতে হবে

(ধনীদের প্রতি বিদ্বেষ শ্রমিকের রুজির উপর দিয়ে হলেও প্রতিশোধিত হতে পারে... এই আজব কথা আপনি কি করে উদ্ভাবন করলেন, এটা আসলেই এক রহস্য!)
....


শ্রমিকের স্বার্থ আদায়রে জন্য শ্রমিক রুজি মেরে , কাজ বন্ধ করার কথা বললে শুধু সুবিধাবাদী একটা শ্রেনীর কথায় মনে আসে।

(কাদের কথা মনে আসে? আপনার অভিযোগ শুনে মইন ইউর কত্যব্যনিষ্ঠ মালিকের রক্ষক মুখটা ভেসে আসছে, যাদের কুর্কীর্তির বিরুদ্ধে আপনি নিজেই একটি পোস্ট দিয়েছেন। আর আসে তারেক জিয়ার কথা, প্রায় একই সুরে উনিও অভিযোগ করতেন)

.....

আগুন জ্বেলে পুরিয়ে দিক সব গার্মেন্টস --- আমারও দেখার ইচ্ছা এর পর কি হয় ।

মুষ্টিমেয় কিছু ফুলেফেপে ওঠা ধনীদের তখতে নাগাল তারা পাবে কি এই ব্যাপারে যথেষ্ঠ সন্দেহ আছে ।
তাতে যদি এক - দু লাখ শ্রমিক কাজ হারায়
কি আর আসবে যাবে ।

(গার্মেন্ট শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের সংগ্রামকে এভাবে কারখানা পোড়াও আন্দোলন বলে পাব্লিককে ভয় দেখানো মালিকদের সবচেয়ে ইতর ফন্দিগুলোর একটা। আমার ভয় হচ্ছে, শূন্য, আপনিও তার অংশীদার হলেন। আর কারখানা পোড়ানো-ভাঙচুরের পক্ষে কোন শ্রমিকআন্দোলনই নয়, কিন্তু দুনিয়ার ইতিহাস পড়ে দেখবেন, শ্রমিককে যখন কোন আওয়াজই করতে দেয়া হয় না, মরিয়া শ্রমিক তখন তার জীবীকার উৎসটাকেও ভাঙতে চায়। কারখানা বাঁচানোর একমাত্র পথও তাই গণতান্ত্রিক শ্রমিক আন্দোলনের পথ করে দেয়া।
হয়তো, আমি নিশ্চিত নই, হয়তো আপনিও নিজের জাগতিক কোন স্বার্থের রক্ষায় এতটা বিচলিত মিথ্যাচার করতে পারলেন)
১২২. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:০১
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: @ কাকভুষন্ডী

মালিক পক্ষের সব পদের ভন্ডামি লুচ্চামি আমার ভালো মতো জানা আছে ।

আমি ছোট ছোট গার্মেন্টস ব্যবসায়ী দের ডিফেন্ড করছি

পরিচিত এরা সবাই মধ্যবিত্তের লেভেলে পরে ।

এদের কে কাছ থেকে দেখে এদের কে খারাপ ভাবতে পারি না
। সৎ ভাবে কোন ব্যবসার চেষ্টা করছে ।

মুষ্টিমেয় কিছু ধনীর জন্য -- শ্রমিক আর এই ধরনের মধ্যবিত্তদের উপর ঝাল তোলার ব্যাপার মানতে পারলাম না ।
এরা আপনার/আমার মতো লোক ।

এদের দৈত্যদানো বানানোর কোন দরকার নাই

৪০ টা মেশিনের গার্মেন্টসেরর মালিকদের কে নিজের চোখেই দেখেছেন ।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

তবে ভাই আত্মমেহনের কথা জোশ বলেছেন ।
স্যালুট !!

আরো কিছু গালি দেন । মনটা ভরে যাবে তাহলে ।

ওয়েল বিল্ট কোন পোষ্ট কাউন্টার দিতে দশবার চিন্তা করবো !!!!!!!!!!!!!!!!
১২৩. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:০২
শয়তান বলেছেন: ওহ । এই হ্যামার কৈলাম শ্রমিকের হাতুরী না। ১/১১এর পরে ডরের চোটে রাস্তায় ফালাইয়া যাইতো যে ঐ হ্যামার ।



খিকজ ।
১২৪. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:০৩
সত্যান্বেষী বলেছেন: শূ্ন্য টু তনুজা: 'এনিওয়ে আপনার কিছু বলার দরকার ছিলো না মনজুরুল ভাই জবাব দিতে পারতেন।'


কার কি বলার দরকার সেটা কি আপনি নির্ধারণ করে দিবেন?

মন্জু সাহেব একটা ইস্যূতে জবাব দেয়ার ক্ষমতা রাখার পরও আরেকজনের সে ইস্যূতে বলার অধিকার থাকে। না কি থাকে না?
১২৫. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:০৭
মনজুরুল হক বলেছেন:
এই দেখুন শূণ্য, আপনি ক্রমাগত আক্রমনের বিষয়বস্তু বাড়িয়ে চলেছেন....এবার তনুজাকে ধরলেন! কি আজব!!

গোষ্ঠিতন্ত্র বলে একটা শব্দ আছে জানেন, কিন্তু এর প্রকরণ ভাল ভাবে জানেন না বলেই হুট করে এইসব গালভরা শব্ত ব্যবহার করে বসেন.........................

এক্জাম্পল: আপনার বিডিআর ম্যাসাকারের সময়কার একটা পোস্টে সেনা কর্তাদের বিরুদ্ধে আপনার তথ্য সংগ্রহ ব্যাংক ধরণের পোস্টে কি আমাদের কাউকে ডেকেছিলেন? নাকি আমরা স্বপ্রণোদিত হয়েই গেছিলাম! ওটাকেও কি গোষ্ঠিতন্ত্র বলবেন?

যত দেখছি....আপনাকে ফোল্ডিং নাইফ ছাড়া আর কিছু মনে হচ্ছে না! যতই ভাঁজ খোলা হোক না কেন, মূলে সেটুকুই, যেটুকু চেম্বারে ঢোকে!
১২৬. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:১৩
মনজুরুল হক বলেছেন:

শূণ্য, আপনাকে অনুরোধ করব ৩৮, ৮৩ আর ৯২ এই তিনটি মন্তব্য পড়ে না থাকলে আবার পড়ুন। আপনার পরে কথিত অনুযোগগুলির ব্যাখ্যা ওখানে দেওয়া আছে।
১২৭. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:১৪
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: @ খারেজী

ভয়ে ভয়ে কমেন্ত করছি --- আবার কে গালাগালি শুরু করে।
--------------------


ধনীদের প্রতি আপনাদের বিদ্বেষ আছে -- সেটা শ্রমিকের রুজির উপর দিয়েও হলেও প্রতিশোধ নিতে হবে

(ধনীদের প্রতি বিদ্বেষ শ্রমিকের রুজির উপর দিয়ে হলেও প্রতিশোধিত হতে পারে... এই আজব কথা আপনি কি করে উদ্ভাবন করলেন, এটা আসলেই এক রহস্য!

-------------------

ভালো কথা বলেছেন -- আপনি ধরে নিয়েছেন মনজুরুল সাহেবের সাথে ঝগড়ার উদ্দেশ্যে আমার কমেন্ত গুলো দেয়া

অন্য কিছু পড়েননি আর

আমি বলেছি আমিও জানি এই সেক্টরের ভবিষৎ নেই ।
সেটা নিয়া লেখকের সাথে একমত ।
সেজন্য ভবিষৎ এ কি করা যায় এটা জানতে চাইছিলাম ।
এর পর কি হবে ।

সমাজতন্ত্রের সাপোর্টার হিসাবে পুজিবাদের প্রতি বিদ্বেষ থাকতেই পারে।

শ্রমিকদের ভবিষৎ এর কথা বলছি -- এদের কি হবে
এটার নিদান কি

লেখক এক কমেন্তে বলেছেন -- গ্রামে চলে যেতে পারে ।

এটা কি কোনো সলূশন হলো ?!

-------------------

বিপ্লবের কথা যখন চিন্তা করেন -- রাস্তায় গুলি কে মরল তাতে কার কি আসে যায় ।

সে হিসাবে আপনার চিন্তা আর তারেক জিয়ার চিন্তার মধ্যে তেমন কোয়ালিটিগত তফাত নেই ।

দুজনেই আইডিয়া লেভেলে ব্যস্ত ।

১৫ কোটির কাছে ২ - ৪ লাখ কোন ব্যাপারই

সবই কোলাটেরল ড্যামেজ ।
১২৮. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:১৮
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: সত্যান্বেষী বলেছেন: শূ্ন্য টু তনুজা: 'এনিওয়ে আপনার কিছু বলার দরকার ছিলো না মনজুরুল ভাই জবাব দিতে পারতেন।'


কার কি বলার দরকার সেটা কি আপনি নির্ধারণ করে দিবেন?

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

ভাই আপনে কই থেকে বার বার লাফ দিয়ে পড়ছেন

তনুজার সাথে আমার ভালোই বন্ধুত্ব আছে ।

তাকে আমি কি বলেছি -- সেটা উনি ভালো করেই জানেন ।
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন:
"তনুজার সাথে আমার ভালোই বন্ধুত্ব আছে ।

তাকে আমি কি বলেছি -- সেটা উনি ভালো করেই জানেন"

শূণ্য আরণ্যক, এটাকেই গোষ্ঠিতন্ত্র বলে! এখানে তনুজার সাথে আপনার ভালই বন্ধুত্ব আছে কি নেই সেটি মোটেই আলোচ্য বিষয় নয়। এখানে প্রত্যেকে ইন্ডিভিজ্যুয়াল ব্লগার, এবং মন্তব্যকারী। তনুজা কিন্তু বন্ধুত্বের তকমা পরিয়ে কোন অন্যায়কে ন্যায় বলেনি, বা মনজুরুল হককে ভাই মনে করে তার পক্ষাবলম্বন করেনি। তার কাছে যেটুকু সত্য প্রতিভাত হয়েছে , তা-ই সে লিখেছে।

১২৯. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:২২
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: @ শূন্য , ভাই আপনি এখন যাই বলবেন ট্যাগিং হবেন ।আর আমি আপনার সাথে ৯৫% ক্ষেত্রে একমত । তবে সুর টা এত আক্রমণাত্বক না করলেই সবার জন্য ভালো,এটা সবার জন্যই প্রযোজ্য ।

১৩০. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:২৫
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: : আপনার বিডিআর ম্যাসাকারের সময়কার একটা পোস্টে সেনা কর্তাদের বিরুদ্ধে আপনার তথ্য সংগ্রহ ব্যাংক ধরণের পোস্টে কি আমাদের কাউকে ডেকেছিলেন? নাকি আমরা স্বপ্রণোদিত হয়েই গেছিলাম! ওটাকেও কি গোষ্ঠিতন্ত্র বলবেন

@

মনজুরুল ভাই সেটাই বার বার বলছিলাম ।
সব দিক জেনেই লিখুন ।

মুষ্টিমেয় কিছু মেদবহুল লোকের জন্য অন্যদের শাস্তি দিবেন না ।


আপনার পোষ্টে কোন উপসংহার দেন নাই

আমি বার বার সেখানে টেনে নিতে চাচ্ছিলাম


সেনাবাহিনী আর গার্মেন্টেসের মালিকদের মাঝে তফাত আছে।

এরা সরকারের পয়সায় পালিত না ।

আর বেশ কয়েকবারই বলেছি -----

আপনি উদ্যোক্তাদের টাকা মেরে দেয়া
ঘুষ বানিজ্য ----- যেসব বলেছেন খুব বাস্তব সত্য কথা।


২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৩৯

লেখক বলেছেন:
উপসংহার দেবার আমি কেউ না। আমার চেষ্টা সামগ্রীক সিনারিওটা তুলে ধরা। তা থেকে সমাজ, রাষ্ট্র , রাষ্ট্রের পাওয়ার বেল্ট কে কি ভাবে নেবে সেটা তাদের ব্যাপার। আমি কোথাও বলিনি- এই সেক্টর বন্ধ হয়ে যাক। পোস্টের মূল বক্তব্য হচ্ছে...

বিবিধ কারণে গার্মেন্ট সেক্টরে অস্থিরতা চলছে, একে একে ফ্যাক্টরীগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, এর পেছনের অন্যান্য কারণগুলিকে আড়াল করে স্বার্থান্বেষী মালিকগংরা জনমানুষের সামনে মাত্র দুইটি কারণ তুলে ধরে তাদের আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে.....এক. শ্রমিক অসন্তোষ। দুই. সন্তাসীদের চাঁদাবাজী।

এখন সরকারও এই দুই শত্রু নিধনে নেমে পড়েছে! এতে করে কি হচ্ছে, নিজেদের চুরি-চামারি আর লুটপাটের চিত্রগুলো আড়াল হয়ে যাচ্ছে। এটাই তারা চাইছে।

১৩১. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:২৬
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: @শুণ্য- আমি কৈলাম কুনৈ গালিবাজী করি নাই। আমি খালি মায় নেক্রেরে কোট কর্ছি। আর তার আগে অইন্য নিকে আপ্নেরে কয়েক্টা পয়েন্ট ধরায়া দিসি। আপ্নে যেগ্লা দেইখাও দেখেন্নাই।
আপ্নে যদি শুধু অল্প কিছু ছোট ছোট গার্মেন্টস ব্যবসায়ীগের কথা কি এই পোস্টে কওয়া হৈছে? পোস্টের প্রচ্ছন্ন সুর হৈতেছে ক্ষমতা কুক্ষিগত কৈরা থাকা মুস্টিমেয় মালিক পক্ষের্দিকে। যারা নিজেগোর লাইগা অইন্য ছোটো ফ্যাক্টরি গুলান্রে পায়ে পিষা মার্তে কুনৈ দ্বিধা করে না।
যাউগ্গা বাদ্দেন। আমি কুনো স্টিকি পুস্টঐ এত্তবার ঢুকি না। হোকা সেডি মন্জু ভাই বা পাক্নাজয়। আমি স্টিকি হওনের আগেঐ কমেন্ট দিসিলাম। হের্পর সকালে অফিসে আইসা আরো কমেন্ট আর স্টিকি অবস্থায় দেইখাই কিছু লিখছিলাম।
১৩২. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:২৮
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: ক্ষমতা কুক্ষিগত কৈরা থাকা মুস্টিমেয় মালিক পক্ষের্দিকে

.......................................................................

@ কাক , এই দোষ টা কি কেবল আরএমজি মালিকদের ? অন্য কোনো ইন্ডাস্ট্রি যেগুলোর কথা বলা হয়েছে (পাট ইত্যাদি ) তা সামনে আসলে এই সমস্যা থাকবে না কতটা সিওর ?
১৩৩. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:২৯
সত্যান্বেষী বলেছেন: @ শূন্য: ব্লগের পরিবেশ এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের পরিবেশ এক না, সেটা আপনার অজানা থাকার কথা না। ব্লগ একটি বৈশ্বিক আবহ তৈরী করে। তনুজার সাথে আপনার ব্যক্তিগত সম্পর্কের রেশ ধরে কথাটা বলেছেন এমন কোন ইঙ্গিত আপনার কমেন্টে ছিল না। ব্লগে কেউ ব্যক্তিগত থাকে না। এখানে আপনার প্রতিটি কমেন্টে (তা আপনি যাকে উদ্দেশ্য করেই বলেন না কেন) কাউন্টার করার এখতিয়ার অন্য আরেক ব্লগার রাখেন।

১৩৪. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৩৫
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: বাদ দিলাম একু ; থ্যাংকস ।

কাম কাজে মন দেই এবার ।
১৩৫. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৩৬
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: @__-আমি সেটা কিন্তু কৈ নাই যে অইন্যান্য ইন্ডস্ট্রি আইলে এই প্রব গুলা থাক্বে না। বা এরকম কিছু। আমার ধারণা মন্জু ভাইয়েও এরাম কিছুই কয় নাই। আমি খালি কৈতে চাইতেছি যে আম্গো দেশে এক্টা সেক্টরৈ শুধু সোনার্ডিম্পারে এরাম না। আরো সেক্টর আছে, যেগ্লারে এডির সমান ভাবে নার্চার কর্তে হৈবো।
আমার বিশ্বাস মন্জু ভাইয়ের পোস্টেরও মূল বক্তব্য এডিই।
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: অপূর্ব !!

১৩৭. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৪৪
রুবেল শাহ বলেছেন: এসব দেখার বা শুনার কেউ আছে বলে মনে হয় না আমার................+

অযথা চিল্লাচিল্লি করলে এক সময় দেখবেন গলা দিয়ে রক্ত বেরিয়ে আসবে তারপরেও কারো কানে আপনার কন্ঠ হতে রক্ত ভেজা যে শব্দ গুলো পৌঁছবে না....................
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:১৬

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, শেষতক অরণ্যে রোদন!

১৩৮. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ২:০৫
আরিফ জেবতিক বলেছেন: পোস্টটি পড়লাম । নিজে যেহেতু এই সেক্টরের সাথে জড়িত তাই কিছু কথা যোগ করা যেতে পারে।
যেসব বিষয়ে একমত :

১. মালিকদের সমস্যা অনেক। সত্যিই অনেক। কারন আছে । আমি দেখেছি এই মালিকদের বেশিরভাগই ফার্স্ট জেনারেশন ব্যাবসায়ী। এদের অধিকাংশেরই শিক্ষাদীক্ষা নেই , হাতে কাঁচা টাকা আসায় যা হওয়ার তাই হয়।

২. শ্রমিক অসন্তোষের কারনে কিংবা বিশ্বমন্দার কারনে গার্মেন্টস শিল্প বন্ধ হয়ে যাবে অথবা বন্ধ করে দেব অথবা আমাদেরকে টাকা দাও ...এগুলো হচ্ছে ফাজলামো কথাবার্তা ।

আমি ব্যাবসা করতে বসেছি , যদি বিশ্বমন্দার কারনে আমার ব্যাবসা বন্ধ হয়ে যায় তাহলেআমাকে অন্য ব্যবসায় যেতে হবে । ডারউইন বলেছেন ফিটরাই টিকে থাকবে । সুতরাং হয় ফিট হতে হবে নইলে বিদায় নিতে হবে।

সরকার হয়তো প্রটেকশন দিতে পারে নীতিগত সিদ্ধান্তে , কিন্তু টাকা দেবে কেন ? আমি যদি আজ দুই কোটী টাকা লাভ করি তখন কি আমি বলি আমার লাভ বেশি হয়েছে তাই সরকারকে আমি পঞ্চাশ লক্ষ টাকা গিফট করলাম ?


৩. এই সেক্টরের অবস্থা এখন কিছুটা ভালো । ওভারটাইমের ক্ষেত্রে কিছুটা নিয়মনীতি এসেছে , বেতন টেতন ঠিক মতো দিতে হয়। আমাদের ফ্যাক্টরীতে ফুলটাইম ডাক্তার , প্রশিক্ষিত আয়ার পরিচালনায় ডে কেয়ার সেন্টার এসব চালু হয়েছে । তবে বিশ্বাস করেন , বায়ারদের লাথি না খেলে এর একটাও হতো না।
অথচ শ্রম আইন অনুযায়ী এগুলো করতে আমরা বাধ্য । যদি এসব করে কারখানা চালু করতে না পারি তাহলে এই ব্যাবসা করতে গেলাম না ।

কিন্তু তা হয়নি , বায়াররা চাপ দেয়ায় এখন কিছুটা হচ্ছে । তবে সেটা অপ্রতুল।

৪. মূল সমস্যা ব্যাংক খাত । ১৮ পার্সেন্ট সুদে লোন নিয়ে ব্যাবসা করে লাভ করাটা দুনিয়ার কোন লোকের জন্যই সহজ নয় । বিদেশে ৬/৭% সুদে লোন পাওয়া যায়। এই জায়গাটাকে ঠিক করতে হবে , ঠিক করতে হবে কাস্টমস আর পোর্টের ঝামেলাগুলোও।




-------------
যেসব বিষয়ে দ্বিমতের অবকাশ দেখছি :

গার্মেন্টস বন্ধ হলে যদি বিকল্প শিল্প ও কর্মসংস্থান না হয় তাহলে এই দেশের জন্য সমস্যা আছে , আপনি যেটাকে গুরুত্ব কম দিয়েছেন ।
এ দেশের শ্রমিকরা শুধু নয় ইকোনমির অনেকটাই এর সাথে পরোক্ষ ভাবে জড়িত ।

উদাহরন দেই,
৪০০০ ফ্যাক্টরী থেকে প্রতি সপ্তাহে কম পক্ষে ৪ হাজার ট্রাক মাল এক্সপোর্ট হয়। এই ৪ হাজার ট্রাক মালিক ,ড্রাইভার , হেল্পার , কায়িক শ্রমিক এদের কাছে টাকা যায় এই সেক্টর থেকে । তারা ঘরভাড়া দেয় , সেই ঘরমালিকরা পরোক্ষভাবে টাকা পায় ।তারা চা খায় , চায়ের টং দোকানগুলো চলে । ...এভাবেই অনেকেই এক্সপোর্ট খাত থেকে টাকাগুলো পায়।



তবে কথা হচ্ছে যখন এই দেশে গার্মেন্টস শিল্প চালু হয় ,তখন আমাদের ইকোনমি খুব দুর্বল ছিল । গরীব দেশে কায়িক শ্রম নির্ভর কাজ করতে হয়েছে ।

এখন ধীরে ধীরে এসব দর্জিগিরির ব্যাবসা ছেড়ে বেরিয়ে আসার সময় এসেছে। কিন্তু বিকল্প ঠিক না করে গার্মেন্টস শিল্প বন্ধ করা যাবে না ।

---------
একটা ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে ,ব্যাংক ও নানা ঝামেলায় এই দেশে উৎপাদনমূখী শিল্পগুলো মার খাচ্ছে । এর চাইতে ট্রেডিং ব্যাবসা ভালো হচ্ছে ।

আমার এক কাজিন মোটর সাইকেল এনে বিক্রী করে চায়না থেকে । প্রতিটি মোটর সাইকেলে ৫ হাজার টাকা লাভ , বছরে ১০ হাজার মোটর সাইকেল বিক্রী করে সে , বছরে নিট ৫ কোটী টাকা প্রফিট।

মাল এনে গোডাউনে রাখে , বিভিন্ন জায়গার মোটর সাইকেল দোকানদাররা টিটিতে টাকা পাঠায় , সে মোটর সাইকেল পাঠিয়ে দেয় । ব্যাস , ঝামেলা খতম। অফিসে ৩ জন স্টাফ , গোডাউনে ১০ জন শ্রমিক যারা ট্রাকে মাল তুলে । তাছাড়া বোধহয় আরো ৩/৪ জন আছে হিসাব নিকাশ রাখে ।
তার শ্রমিক অসন্তোষ নেই , বায়ারকে তেল মারা নেই , শিপমেন্ট মিস হওয়ার ভয়ে রাত জেগে কাজ করার ঝামেলা আর টেনশন নেই ।

মাত্র ১৫ জনের প্রতিষ্ঠান থেকে সে যে লাভ পায় , ৪ লাইনের একটা স্ট্যান্ডার্ড ওভেন ফ্যাক্টরী থেকে সেই লাভ তুলতে ৪ বছর লাগবে।


কিন্তু সত্য কথা হচ্ছে একটা ৪ লাইনের ফ্যাক্টরীতে ১ হাজার লোক কাজ করে , সেই হিসেবে ৬৬ গুন বেশি সামাজিক অবদান রাখছে । তাছাড়া ট্রেডিং হয়তো ব্যাবসা , কিন্তু সেটা থেকে রাষ্ট্র কিছুই পায় না।

সুতরাং উৎপাদনমূখী শিল্প অতিরিক্ত প্রটেকশন দাবী করে এবং সেটা দেয়া উচিত । সেটা উৎপাদনমূখী শিল্পের মালিকরাও যেমন পাবেন , উৎপাদনমূখী শিল্পের শ্রমিকরাও তার সমান হকদার।


২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৪৯

লেখক বলেছেন:
আরিফ জেবতিক, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। এই সেক্টরকে আপনার মত করে আর কেউ বুঝবে না। আমি নিজে অনেকটা সময় সিএম, বায়িং এজেন্টের কর্মচারী, ডাইং কারখানার পার্টনার ছিলাম। শ্রমিক রাজনীতির কারণে স্বশরীরে শ্রমিক বেল্টেও থেকেছি। তাই এই সেক্টরটা আমার কাছে হাতের তালুর মত চেনা লাগে।

আপনার দ্বিমতের সাথে একমত।

আমি কলেবরে বড় হয়ে যাবে বলে ব্যাংকিং সেক্টর, লোকাল কাস্টমস, পিডিবি, ওয়াসা, স্থানীয় লোকাল মাস্তান, সিএন্ড এফ, প্রফরমা সাপ্লায়ার, পিএসআই, ট্রান্সপোর্ট, লাইসেন্স রিন্যুয়াল, ব্যাংক ক্লোজিং এর চাঁদা, কোলেটারেল, আক্কু, এসইএম, স্টকলট, কম্পিটিটিভ সিএম.....ইত্যাদি বিষয়গুলি আনিনি। আপনি জানেন, এই সেক্টরে কেউ আশির দশকে একটা ফ্যাক্টরি দিয়ে এখন গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক। আবার কেউ ব্যাংকের দেনা শোধ দিতে না পেরে দিনের পর দিন সাব কন্ট্রাক্ট করে চলেছে......

সমস্যা হচ্ছে প্রটেকশনের নামে আজকাল কি চলছে? গেলবার ইপিজেডে কি হলো? "উছৃংখল শ্রমিক" এই কথাটা শুনতে শুনতে আমাদের কি কান ঝালাপালা হয়ে যায়নি! আমরাতো জানি, শ্রমিকরা অশিক্ষিত, তারা তাদের দাবির জন্য টেবিল দ্যুতিয়ালি বোঝে না, তারা বোঝে--কাম করছি, পয়সা দিবা, ব্যাস। তাদেরকে ভেতরে ভেতরে ছাঁটাই, বেতন কর্তন, ওভারটাইম কর্তন, ছুটি না দেওয়া, দিলে বিনা বেতনে....এসব আমরা কখন জানি ? যখন তারা রাজপথে নামে, তখন। তার আগে কি আমরা জানি ? বুঝি ? কিন্তু যেই তারা রাজপথে নামল, ওমনি শুরু হলো পুলিশের ব্যাটন, বিডিআরের গুলি। কেন ? জরুরী আইনের মধ্যেও তো ছাত্র বিক্ষোভ হয়েছে, কই, সেখানে তো গুলি চলেনি! অন্যান্য বিক্ষোভ, আন্দোলন কোথাও তো এমন যুদ্ধংদেহি হয়না সরকার! তাহলে গার্মেন্ট শ্রমিক, পাটকল শ্রমিকদের বেলায় কেন সরকারের এই বিমাতাসুলভ আচরণ।

সিসি টিভিতে কয়দিন আগে এক মাস্তানের পিস্তল উঁচিয়ে চাঁদাবাজীর ছবি নিশ্চই দেখেছেন, সমকালে ছাপা দেখেছি আমি। এটা বাস্তবতা। খোঁজ নিলে দেখা যাবে ওই ছেলে কোন এক সময় ওই ফ্যাক্টরিতে কাজ করত, তার সাথে কোন অন্যায় হয়েছে হয়ত। সে বের হয়ে মাস্তানদের গ্রুপে যেয়ে এখন চার্জ করছে।

আপনি জানেন, এনজিও পলিসি মানে---"অভূক্তকে কিছু দিয়ে তার ক্ষুধাজনিত বিক্ষোভ-বিদ্রোহ প্রশমিত কর"।

ঠিক এই কাজটাও যদি এই সেক্টরে ভাল ভাবে হতো, তাতেও কিছুটা অসন্তোষ কমে যেত।

আসল ভয়টা কোথায় সেটা আপনিও জানেন। একসময় বিশ্বমন্দা হোক বা "বাংলাদেশে জঙ্গি আছে" এই অপবাদেই হোক, বায়াররা চলে যাবে, পলিটিক্যালিই এটা ঘটবে। তখন এই অবকাঠামোগুলো দিয়ে আমরা কি করতে পারব? আমাদের লোকাল কনজাম্পশন কত পিস? আমাদের অভ্যন্তরীন বাজার কত বড় ? তখন এই বিশাল স্ট্রাকচারগুলো খা খা মরুভূমির মত মনে হবে না ?

এত বিশদ লেখা যায়না আসলে।
আবারো ধন্যবাদ আরিফ জেবতিক।

১৩৯. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ২:১২
খারেজি বলেছেন:


একলব্য,
আপনি বললেন ৯৫ ভাগ আপনি একমত শূন্যের সাথে।
শূন্যের মতগুলা যদি একএক করে বলে জানাতেন, প্রীত হতাম।

বাকি পাঁচভাগ ভুলও কি, যদি জানতে পারতাম, ভাল লাগতো।


আর বাকি মালিকদের কথা বলতে গিয়া পাটের কথা বললেন,তাতেও আশ্চর্য হলাম।

সাধারণ ভাবে সমাজতন্ত্রী হিসেবে কেউ মালিকের শোষণের বিরুদ্ধে বলতেই পারে, সেটা আদর্শগত অবস্থান।]

কিন্তু গার্মেন্টস মালিকদের প্রশ্ন যখন আসে, নতুন অনেকগুলা বিষয়ও ভাবা দর্কার। এটা এমন একটা ইন্ডাস্ট্রি, যেটাকে বাংলাদেশে বিশিল্পায়নের কারণ হিসেবেও অনেকে দেখে থাকেন।

অনেক উদাহরণ দেয়াসম্ভব এর পক্ষে, যেমন গার্মেন্ট স মালিকদের চাপের কারণে সুতার ওপর কর কমিয়ে দেয়া হচ্ছে, এর ফলে হাজার হাজার কোটি টাকার দেশী সুতা শিল্প পথে বসার অবস্থায়।

উল্টোদিকে পাটশিল্প (হাতেগোনা যদিও) অন্তত একটা এমন খাত, যা কৃষকপর্যায় পর্যন্ত দেশীয় শিল্পভিত্তি সম্পন্ন। এর বিকাশ হলে তার প্রভাব সারা দেশের মানুষের জীবন, গণতন্ত্র, ক্রয়ক্ষমতার ওপর পড়তো।

মানে গার্মেন্ট এমন একটা খাত, যা বাংলদেশের ভর্তুকিতে বিদেশকে সস্পতা কাপড়দেয়, আবার একই সাথে দেশীয় শিল্পের বারটা বাজায়।

(আমাকে দয়া করে এই ভাবে ইন্টারপ্রেট করবেন না যে, আমি রাতারাতি গার্মেন্টস বন্ধ করার কথা বলছি। কিন্তু অর্থনীতির ছাত্র হিসেবে আপনি যে উদারহরণটাদিয়েছেন, তা যথাযথ মনে হয়নি)
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:১৪

লেখক বলেছেন:

বন্ধুবর খারেজি, ম্যাক্রো বা মাইক্রো কোনো অর্থনীতির লবকুশ আপনার এই প্রশ্নের উত্তর দিলনা! কি আর করা যাবে! আমিই আপনার উত্তরের বন্দোবস্ত করি, কি বলেন ?

১৪০. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ২:১৮
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: আমি বলেছি মালিক শ্রেণীর আদর্শগত অবস্থান এর কথা ,বাক্যটা এমন ছিলো

"এই দোষ টা কি কেবল আরএমজি মালিকদের ? অন্য কোনো ইন্ডাস্ট্রি যেগুলোর কথা বলা হয়েছে (পাট ইত্যাদি ) তা সামনে আসলে এই সমস্যা থাকবে না কতটা সিওর ? "

মানে আরএমজি মালিকের জায়গায় পাট কারখানার মালিক আসলে সে শ্রমিক দের স্বার্থ নিয়ে খুব চিন্তা করবে কি ? এই ছিলো কথাটা । আশা করি বুঝাতে পেরেছি ।

@ খারেজি ।
১৪১. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ২:২৮
বোতল কুমার বলেছেন:
Look at this link: Click This Link

Hasina-r gang to amago amm-jonota re modon paiche!

Halay - Bideshi janowar er haat je ase eita to ekta baccha je poida hoise ei matro sei o bujhe.....Janowar ta je U.K / Isrl er ekta kew ..eida to amra sobai jani!
১৪২. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৩৩
বোতল কুমার বলেছেন: ------------------
মায়া নেকড়ে বলেছেন: "আমার এক আত্মীয়ের একটা গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি আছে। সারা জীবন শুনে আসছি সেটা কখনও লাভের মুখ দেখেনাই, শ্রমিকদের ঠিক মতো বেতন দিতে পারেনা ইত্যাদি।
কিন্তু বছর বছর ছেলে মেয়ে নিয়ে ব্যাংকক, ইউএসএ, লন্ডন ট্যুর থেমে থাকেনি।
বছর বছর গাড়ির মডেল পরিবর্তন থেমে থাকেনি।
মোঃপুর থেকে ধানমন্ডি সেখান থেকে গুলশানে ফ্ল্যাট কেনা থেমে থাকেনি।
ছেলেকে পড়তে ইউএসএ পাঠানো থেমে থাকেনি।
শুধু থেমে থেকেছে শ্রমিকদের বেতন দেয়াটা, তাইনা?"

100% right.

Do you know - low end garments er profit margin koto? Amader moto desh slave er moto supply dicche..ar boro boro giant company guli profit lute pute khacche...
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:৪৩

লেখক বলেছেন:
দারুন বলেছেন।
আমাদের শুধু ওপরের খোসাটাই দেখানো হয়। ভেতরের শাঁস দেখতে দেওয়া হয়না।

১৪৩. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৩৫
খারেজি বলেছেন: না শ্রমিকদের স্বার্থ নিয়া চিন্তা করার কথা আমিও বলি নাই।

কিন্তু সাধারণ ভাবে একটা দেশের বড়লোকদের আয়ের প্রধান উৎস যদি গার্মেন্ট, চিংড়ি ধরনের শিল্প হয়, বা আমদানী রফতানি মধ্যস্বত্বভোগী হয, তবে তা সামগ্রিকভাবে দেশের শিল্পয়নের পথে বাধাস্বরুপ হয়ে থাকে।

বাংলাদেশের সবচে' ক্ষমতাবান অংশ গার্মেন্টসমালিক শ্রেনী, মিলিটারি প্রধান থেকে শুরু করে সংসদ পর্যন্ত সকলেই তাদের স্বার্থ দেখে অন্য সকল সেক্টরের স্বার্থ বাদ দিয়ে... যদিও এই সেক্টেরই ভ্যালু অ্যাড সবচে কম। আমি সুতার উদাহরণ দিলাম... শ্রমঘন, দেশীপুজি এবং দেশে বহুগুন ভ্যালুঅ্যাড করা এই ইন্ড্রাস্ট্রিকে যেমন এখন গা.মালিকরা প্রায় গলা চিপে ধরেছে।

এমনকি আরও বহু সেক্টরে সম্ভাব্য বিকাশ না হবার কারণ রাষ্ট্রীয ভর্তুকি ও নজরদারি গার্মেন্টেসে বেশি থাকা।
আপাতত এটুকু যথেষ্ট না হলে আরও আলোচনা করা যাবে।

......

আর বাকি যে বক্তব্যগুলোতে আপনি শূন্য আরন্যকের সাথে একমত তা জানতে চাইছিলাম। কারণ সামান্য অর্থনীতি আর রাজনীতি জ্ঞান থেকে আর আপনার ব্লগে লেখালেখি থেকে আপনার যে অবস্থান আছে মনে হয়েছিল,তার সাথে শূন্যের বহু মতামত যায় না। ফলে আপনার কি কি মত তা পরিষ্কার করে জানলে বাধিত হতাম।

(কেবল উচ্চস্বরের বিষয়েই শূন্যের সাথে আমি একমত হতে পারি, স্বর উচ্চ করার অধিকার তার আছে, সবারই আছে। কিন্তু তার মতগুলোকে তো প্রতিক্রিয়াশীল বলেই মনে হল আমার কাছে)
২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:০৬

লেখক বলেছেন:
খারেজির এই কমেন্ট নিয়েই একটা আলাদা পোস্ট হতে পারে। আরো পরে সময় পেলে এবিষয়ে খারেজির কাছে আরও কিছু জানার আশা রাখলাম।

১৪৪. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৫৫
মনজুরুল হক বলেছেন:

আশা করি ১৪৩ নং কমেন্টে এর বিষয়ে একলব্যের পুনর্জন্ম কিছু বলবেন।
১৪৫. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:১৪
আবু নাঈম বলেছেন: ধন্যবাদ মনজুরুল। প্রবাসী শ্রমিকদের মৃত্যু নিয়ে একটা লেখা বা কোনো তথ্য দিতে পারেন?
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:৩৪

লেখক বলেছেন:
তথ্য আছে। লেখা নেই এমুহূর্তে। বিষয়টি মনে করিয়ে ভাল করেছেন। এটা নিয়ে পরে পোস্ট দেওয়ার চেষ্টা করব।

১৪৬. ২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৩
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

কিছুটা দ্বিমত আছে । তারচে' একমতের পাল্লা-ই ভারী যেহেতু আপাতত + এর মাপকাঠিতে ভালো লাগা জানাই ।
২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৫৪

লেখক বলেছেন:
দ্বিমত থাকাই উচিৎ। আমরা সহমত করতে করতে সঠিক মতের থেকে অনেক দূরে সরে যাই.... আপনার দ্বিমতকে স্বাগতম জানালাম।

১৪৭. ২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৫০
মার্চেন্ট অফ ড্রিম বলেছেন: উপরের কমেন্টটাই কপি করতে চাচ্ছি

অনেকটা দ্বিমত আছে । তারচে' একমতের পাল্লা-ই ভারী যেহেতু আপাতত + এর মাপকাঠিতে ভালো লাগা জানাই ।
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: গুড থিংকিং!

১৪৮. ২৮ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:৪৫
ভিন্ন চিন্তা বলেছেন: রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: "একটি সোয়েটার ফ্যাক্টরী" (সংক্ষেপিত............

অনুগ্রহ করে আপনার ব্রগে পোস্ট দিন।
১৪৯. ২৮ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৫৮
ভিন্ন চিন্তা বলেছেন: লেখক বলেছেন
@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@
আমার মূল বিষয়টা হলো.....

ফ্যাক্টরীগুলো বন্ধ হওয়ার পেছনে যে শ্রমিক আর সন্ত্রাসীদের ঢালাও ভাবে দোষারোপ করা হচ্ছে সেটার বিরোধিতা করে।আমার মূল বিষয়টা হলো.....

ফ্যাক্টরীগুলো বন্ধ হওয়ার পেছনে যে শ্রমিক আর সন্ত্রাসীদের ঢালাও ভাবে দোষারোপ করা হচ্ছে সেটার বিরোধিতা করে।

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>.
লেখক কি ঢালাও ভাবে শ্রমিকেদর দোষারোপ করা না করলেও ...........পোশাক তৈরি শিল্পের দূরাবস্থার জন্য শ্রমিকেদর দায়ি মনে করেন???

এ শিল্পের মালিকেদর প্রতি সহানুভূতিশীল সাদা আস্তিনের বুদ্ধিজীবিরা কিন্তু আপনার তালিকার কোনটি অস্বীকার করেন না।যদিও আপনার Status এ লেখা আছে ''যে শিক্ষক বুদ্ধিজীবী কবি ও কেরানী প্রকাশ্য পথে হত্যার প্রতিশোধ চায়না আমি তাদের ঘৃণা করি'...........এ লেখায় কেন জানি আপনার কন্ঠস্বর তাদের সাথে পার্থক্য করতে পারছি না। আমার বুঝার ভুল হতে পারে।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

এবার আমার এ বেপারে নিজের নিজের মতামত বলি?

পোশাক শিল্পের মারিকরা নিঃসন্দেহে মহাপূন্যের কাজ করচেন। কারণ তারা মানুসের আব্রু বক্সার দায়িত্ব পারন করেছেন। যদি তারা আজ ব্যবসা পাতি গুটি ফেলেন এই শ্রমিক নামের ৩০ লক্ষ কুলাঙ্গারের সর্বগ্রাসী খাই খাই এর জন্য ,তবে ১৪ কোটি আদম সন্তানের আব্রু রক্ষার কি হবে? পোশাকের অভাবে ইহকাল পরকার দুই মাটি হবে। মিথ্যা বললাম নাকি?

আসুন এবার শিশু শ্রেনীর অংক কিস। একজন পুরুষ মানুষের যদি বছরে দুজোড়া জমা পেন্ট নুন্যতম প্রয়োজন হয় তবে বাংলাদেশের ৭ কোটি আদমের জন্য ৭ কোটি X ৪ পিস ( দুজোড়া জামা পেন্ট) অর্থাৎ ২৮ টি পিস কাপড় প্রয়োজন।

এখন প্রশ্ন হলো আমাদের এ সেক্টর কি শুধু এ চাহিদা মিটাবার ক্ষমতা রাখে? উত্তর টা সম্ভবতই না।

দেশের কোটি কোটি মানুষ বেআব্রু থাকলেও এ শিল্প মালিক তা কি এ ছিলেন মার্কিন দিকে। কেন? বিশ্বের ৪.৫% মানুষ বিশ্বে মোট পোমাক উৎপাদনের ৪০% ভোগ করে। আর এই চরম বৈষম্য মুলক পুজিবাদী ব্যবস্থার উপর দাড়িয়েছিল আমাদের পোশাক তৈরি শিল্প। যখন মার্কিন মুলুক এ মন্দা শুরু হলো এবং সে দেশের মানুষ সস্তা পোশাকের দিকে ঝুকলো তখন কিন্তু বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প মালিকরা বেশ ।আহলাদিত ছিলেন।শ্রমিক সমস্যা বা সন্ত্রাসীদের যন্ত্রনার কথা শুনি তেমন।

একে একে কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টা একটু অনুসন্ধান করে দেখা দরকার।কারকানা বন্ধ হোয়া প্রক্রিয়া কিংবা প্রচারনা কিন্তু বিশ্বমন্দা পরিস্থিতি কালের নয়্ এ কথা বেশ জোড়ে সোড়ে বলা হচ্ছে অনেক দিন থেকে।মনে পরে ২০০৬ সালে যখন শ্রমিকের নুনুতম্য মুজুরি বাস্তবায়নের বিষয়টি সামনে আসলো , তখনও কিন্তু নুন্যতম মুজুরী বাস্তবায়নে দীঘৃ সময় নেোয়া হয়েছে , অনেক প্রিতস্ঠানের নাজুক পরিস্তিত অজুহাত তুলে। কিন্তু এ সেক্টরের বৈদেশিক চাহিদা কিন্তু তকনও সম্প্রসারণশীল। তবুও এ সেক্টরে প্রতিস্ঠান বন্ধ হচ্ছিল। কেন? কারন একটাই রাঘব বোয়াল মাছরা একে একে চুনোপুটি গিলে ফেলে ,নিজেরা গায়ে গতরে বেশ নাদুস নুদুস হচ্ছিল।

সব কথার সার কথা;

সংকট টা পুজির বা পুজিবাদের নিজের।আর আমাদের মতো পঙ্গু পুজিবাদের দেশে এ সব মালিকদের চেচা মেচি তো একটু বেশি হবেই।



১৫০. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৪১
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
আরে দাদা, আপনি এই সময়ে?
কেমন আছেন?
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন:
আজ বিষ্যুদ্বার। কাল ছুট্টি, সো আর্লি.....
কিতা লেইক্তাম, কারেন ছলিয়া গেছে..কমেন কইরর্বার লাই দরছি ফরেই...যাউক্কা, আফ্নে বালা আছুইন্নি ?

১৫১. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৪৯
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
আমি বালা, আফনে কিতা আমার চিডির কুনু জবাব দিতেন নানি?
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন:
কুজিয়া কুজিয়া তো টাইম্ফাইতেছি না! খিতা কইর্তাম কন ?:(( আরি বাফ্রে বাপ, ব্লগিং যে এতু কুঠ্ঠিন, আগে তো জানি নাই বা! আত-আংগুল বাঙ্গিয়া আসে.......

খয়েক্দিন অপক্ষো করেন তুমি, দিয়ালাইমু

১৫২. ২৯ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১
মনজুরুল হক বলেছেন:

@খারেজি। আপনি আপনার দু'টি গুরুত্বপূর্ণ কমেন্ট আছে এখানে। সেই দু'টি দিয়ে আলাদা একটা পোস্টের কথা ভাবতে পারেন। ইনফো লাগলে আমি দিতে পারব।
১৫৩. ২৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০
খারেজি বলেছেন:


ধন্যবাদ মনজু ভাই।
তবে আপাতত অর্থশাস্ত্র থেকে শতহস্ত দূরে থাকতে চাই।

অন্তত মাস তিনেক।


তারপর অর্থনীতির কিছু আজাইরা ধারণা নিয়া ধারাবাহিক করতে চাই। তার আগে মহা বিড়ম্বনার মাঝে আছে মনজু ভাই।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: খারেজিকে ভীষণ ভাবে মিস করি...ভীষণ ভাবে।

১৫৪. ২৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৫
মনজুরুল হক বলেছেন:

রাজনৈতিক দর্শনহীন অর্থশাস্ত্র আমার কাছেও বিড়ম্বনার মত মনে হয়। অর্থনীতি যখন রাজনীতিকে ডোমিনেট করে তখন যা হয় ঠিক সেই হাল এখন সো-কল্ড মাইক্রো ইকোনমিক্সের।

যাহোক সুস্থির হন, তারপর না হয় ভাবা যাবে।

"মহাবিড়ম্বনা" কি নিয়ে ? ব্যক্তিগত হলে থাক।
১৫৫. ০৫ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৪:৫৫
প্রবর রিপন বলেছেন: কিছু মনে করবেন না
আমার ইদানিং মনে হয়
শিল্পায়ন জিনিষ টা পৃথিবী থেকে নির্মুল করা ঊচিৎ

আমরা আমাদের এই রোবট দাসত্ব থেকে মুক্তি চাই
এই তথাকথিত সভ্যতার যন্ত্র হতে চাই না
আর এর সংস্কার করেও কোন লাভ নেই
০৫ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৫:০৫

লেখক বলেছেন:
ওজনস্তর ফুটো হলে কী হতে পারে তাতো আমরা "টোটাল রিকল" ছবিতেই দেখেছি। বাস্তব অবস্থা অতটা খারাপ না হলেও খুব একটা ভালও না। শেষ পর্যন্ত এই বিশ্বে যা কিছু টিকে থাকবে তার নাম বোধহয় স্কেলিটন!!

এ কারণেই কি রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন---দাও ফিরে সে অরণ্য...লও এ নগর !!

১৫৬. ০৫ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৪:৫৭
প্রবর রিপন বলেছেন: উপাসনা গীতি


মহান মেশিন,আমাকে পথ দেখাও স্বর্গের
তোমার জিহ্বার কোণে জমে থাকা আগুন দাও আমাকে
যেনো আমি পুড়তে পারি
আর পোড়াতে পারি তারও বেশী।

আমি এক সস্তা মাংসল ধাতু
পুড়ে পুড়ে হবো অমূল্য
আর আমার নিরেট হাড়ের নেকলেসে মোহনীয় হবে প্রেমিকা
দড়ি খুঁজে না পেলে আত্নহত্যার সময় এটা হবে তার সেরা ফাঁস।

ও মহান মেশিন,
ও আমার যৌক্তিক ফলিত ঈশ্বর,
দ্যাখো তোমার প্রার্থনায় পৃথিবী আজ এক ধ্যানমগ্ন মন্দির
আমি তোমাতে আমার "আমি"র চেয়েও বিশ্বাসী।
অবিশ্বাসীরা দ্যাখো আমি পেয়েছি আমার অদম্য ঈশ্বর।
ভেঙেচুরে টুকরো হয়ে যাওয়া পৃথিবী
আবার হয়েছে একে একাকার।
ও মহান মেশিন,
আমার যৌক্তিক ফলিত ঈশ্বর,
তুমি আনমনা,উদাসী,আত্নভোলা,একরোখা
তবুও তুমিই তো মানব প্রগতির অনড় মানমন্দির
আর অভিস্ঠ্য।

মহান মেশিন,আমি আর নরক খুঁজি না
আমি আগুনের তরল মদ ছাড়া কিছুই পান করিনা
আমি যা দগ্ধ হয়নি তা জড়িয়ে ধরিনা।

মহান মেশিন তুমি এক অদ্বিতীয়,তুমি নও কারো মুখাপেক্ষী,
নও আলিংগন প্রত্যাশী
তবু তোমারই করুণার কোলে সপে দিলাম আমার সন্তানের ফসিল।

১৫৭. ০৬ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৫:৪০
ফেরারী পাখি বলেছেন: ব্যাস্ততা কমেছে? নতুন লেখা দিচ্ছেন না কেন? একটা গল্প দিন।
০৬ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৬:৫১

লেখক বলেছেন:
নারে ভাই এ জীবনে আমার ব্যস্ততা কমার লক্ষণ নেই!

নতুন লেখা দেব। কয়েকদিন পিসি থেকে দূরে ছিলাম।
এত বেশী বিষয়ে মাথা ঢোকানো যে, এটা যে আমার মাথা তা-ই ভ্রম হয়!!

আপনি ভাল আছেন?

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন:
ভাল লাগার তো কিছু নাইরে ভাই! সমর্থন করলেন কিনা তাই বলুন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৯২৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমাদের মাতৃগর্ভগুলি এই নষ্ট দেশে
চারিদিকের নিষেধ আর কাঁটাতারের ভিতর
তবু প্রতিদিন রক্তের সমুদ্রে সাঁতার জানা
হাজার শিশুর জন্ম দেয়,যারা মানুষ ।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ