আমার প্রিয় পোস্ট
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- আসুন আরব বর্বরদের ঘৃণ্য থাবা হতে বাকীদের মাথা বাঁচাতে তিনটি দাবীতে সোচ্চার হই - ও.জামান
- বিডিং রাউন্ড ২০১১: গ্যাস লুটের নতুন ধান্দা - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে পিএসসি চুক্তি: প্রথম আলোয় ম.তামিমের সহজ পাঠের প্রতিক্রিয়া - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে চুক্তি নিয়ে ডেইলিস্টারের মিথ্যাচারের জবাবে - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর কাছ থেকে কত টাকা খেয়ে প্রথম আলো এইরকম মিথ্যা রিপোর্ট করেছে? - দিনমজুর
- দুর্ঘটনার রাজা কনোকোফিলিপস ও বঙ্গোপসাগরের আসন্ন বিপদ: যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিপি-ব্লোআউটের আলোকে - দিনমজুর
- কনোকো-ফিলিপস এর হাতে তুলে দেয়া হলো সাগরের গ্যাস ব্লক ১০ ও ১১ - দিনমজুর
- টেলিকম বহুজাতিকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রথম আলোর অস্থিরতা - দিনমজুর
- নাস্তিক নির্ধর্মী কাফেরগন - হুশিয়ার সাবধান! - দাঁড়িপাল্লা
- অবিশ্বাসী কেউ ইসলামের সমালোচনা করলে মুসলমান ভাই-ব্রেদেরণদের উত্তেজিত হওয়ার কোন যৌক্তিক কারণ নাই। - হোরাস্
- বিমান বন্দরের নামে আড়িয়াল বিলে রাষ্ট্রীয় ভূমি আগ্রাসন! - দিনমজুর
- ১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবি হত্যার ইতিবৃত্ত - পিডিএফ সংস্করণ - নাঈম
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- হামীম গার্মেন্টস এ আগুন: গার্মেন্টস না লাশের কারখানা? - দিনমজুর
- হে রক্তমাংসহীন মেহনত! আল্লার দোহাই, পুড়ে পুড়ে কয়লা হও!! আমাদের অনেক উন্নয়ন দরকার - একজন নাগরিক
- দোহারের গান এবং আমাদের ধনী পিতার ফকির সন্তানদের গল্প - অনার্য তাপস
- কোরান কি অলৌকিক গ্রন্থ? - ১ - সজীব আকিব
- সংশোধিত ড্যাপ আবশ্যক - সচল জাহিদ
- কর্ণেল তাহের আজো প্রাসঙ্গিক ১: কর্ণেল তাহেরের পিপলস আর্মি - দিনমজুর
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- মানালি থেকে লাদাখের পথে: (তৃতীয় পর্ব- দ্বিতীয় ভাগ) - আহাদিল
- নূন্যতম মজুরী নিয়ে সমঝোতার সাজানো নাটক - দিনমজুর
- জিয়া কর্তৃক তাহের হত্যাকান্ড নিয়া পি মুন্সী’র ‘অবজেবক্টিভ’ ত্যানা প্যাচাপ্যাচি প্রসঙ্গে একখান রি-অ্যাকশান পোষ্ট! - মাদারি
- পার্বত্য চট্টগ্রাম: কান্না যেমন করে রক্তের রূপ পরিগ্রহ করে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ভাষার জন্য একটি প্রান্তিক জাতিসত্তার সুদীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস: বাংলাদেশে কি সকল জাতির সকল ভাষা সমান স্বীকৃতি ও মর্যাদা পাবে ? - কুঙ্গ থাঙ
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব - পি মুন্সী
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- বাঘাইছড়ি হত্যাযজ্ঞ: পাহাড়ি-বাঙালি দ্বন্দ্ব নাকি শাসক শ্রেণীর ঔপনিবেশিক আধিপত্য? - দিনমজুর
- কয়েকটি মজার ছবি ও একটি কৌতুক (১৮+) - কুঙ্গ থাঙ
- একটু আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে আমার ধারনাটুকু বদলে দিলেন আমার বাবা - শ।মসীর
- ৩০ মিনিটের ভাষা আন্দোলন এবং গ্রামীণ ফোনের ”কাছে থাকা”! - দিনমজুর
- একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হলোঃ “আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস্”... - মুনশিয়ানা
- দেশে 'সন্ত্রাস' বিরোধী অভিযান ও চলমান 'ক্রসফায়ার' প্রসঙ্গ- (চতুর্থ অংশ) - মাহাদি হাসান
- থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ফ্যান্টাসি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস: দ্রুত সকল বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড বন্ধ করুন। - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- বাংলা ব্লগ দিবস নিয়ে ২ পয়সার ভাবনা - বিডি আইডল
- বাংলা ব্লগ দিবসের গরম গরম ছবি... (লাইভ স্ট্রীম থেকে নেওয়া) !!! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- পার্বত্য জনগনঃ উদ্বাস্তু হতে হতে ক্রমশঃ আলাদা হয়ে যাওয়া... জেগে ওঠা বিচ্ছিন্নতার বোধ... - মুনশিয়ানা
- বিশ্বব্যাঙ্ক ও আইএমএফ - গ্লোবাল অর্থনীতি (৮) - পি মুন্সী
- পাশ্চাত্য সংগীত যারা ভালবাসেন তাদের জন্য অসাধারণ কিছু গানের লিস্ট (না শুনলে মিস করবেন) - নগর সংগীত
- আইন ভেংঙ্গে শৃঙ্খলা রক্ষার বিপজ্জনক রাজনীতি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- নির্যাতন-৬ বেআইনী টিএফআই সেল, জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন - সায়েমুজজ্জামান
- এক্সপি জেনুইন করার একটি সহজ উপায়। - অমিত০৯৭
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- বেড়িবাঁধ দখল করে তৈরী হচ্ছে ৯টি শিপইয়ার্ড - আিক
- আগুনের রেস (উৎসর্গ: মনজুরুল হক) - প্রশ্নোত্তর
- রাষ্ট্রের হাতে যদি নাগরিক নিরাপত্তা না পায় তবে সেই রাষ্ট্র ব্যর্থ - প্রশ্নোত্তর
- সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি? - ভিন্ন চিন্তা
- কমপিউটারের কিছু শর্টকাট/ কীবোর্ড কমান্ড টিপস - জোবাইর
- বাংলাদেশে তেল/গ্যাস অনুসন্দ্ধানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং গ্যাস সংকটের প্রেক্ষিত। - মনোয়ার আহমদ
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- যানজটে জীবনজট-২: সম্ভাব্য সমাধান - ফারহান দাউদ
- পূনশ্চঃ ইসলামী ব্যাংক : তত্ত্ব ও প্রয়োগের অসঙ্গতি ও কিছু কথা - (শেষ পর্ব) - পড়ুয়া_পড়ুয়া
- ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট - পান্থ বিহোস
- সিরাজ শিকদার : ভুল বিপ্লবের বাঁশীওয়ালা! ১ - অমি রহমান পিয়াল
- টিপাইমূখ বাধ সংকলিত লিংক সমূহ - কিরিটি রায়
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই (দ্বিতীয় ও শেষ অংশ) - পি মুন্সী
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই - পি মুন্সী
- সর্বগ্রাসী অপ-‘বাদ’ বনাম একজন আরজ আলী মাতুব্বর এবং... [যুক্তিবোধ ও চিন্তা-চেতনায় সহনশীল পাঠকদের জন্য এই পোস্ট সংরক্ষিত] - রণদীপম বসু
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ২ - লাশ
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ১ - লাশ
- সামহোয়ারইনের মডারেশন নীতিমালা: একটি ভিন্ন পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- মধ্যযুগীয় মোল্লাবাদ বনাম সুফীবাদ - লাশ
- তিয়ান'আনমেন রক্তক্ষয়ের ২০ বছর : কি ঘটেছিল তখন ? - মেহরাব শাহরিয়ার
- আমার প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ আ ক খ - অপ্সরা
- প্রভাকরণের মৃত্যু ও তামিল ইলম - ফিরে দেখা ইতিহাস - দিগন্ত
- আসবেন আরজ আলী? - তনুজা
- আইনস্তাইন বললেই হল! সমাজতন্ত্রের মরা ভূত আর জাগবে না (উৎসর্গ ব্লগার ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান) - ভালো-মানুষ
- ডিম্বের সন্ধানে - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কল্পনা চাকমা এখন কোথায়? - বিপ্লব রহমান
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- পিলখানা গণহত্যা: গুজবের ময়না তদন্ত - ঘনাদা
- প্রধানমন্ত্রী যেসব কথার জবাব দিতে পারেন নি..... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- একটি বিদ্রোহ পরবর্তী বিশ্লেষন শ্রেণী সংঘাতই কি বিডিআর বিদ্রোহের মূল কারন? - জামাল ভাস্কর
- বিডিআর নৈরাজ্য: লাশের মাপকাঠিতে বিদ্রোহের পরিসীমা - দিনমজুর
- লাশ উৎসব - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- একটা পুরানো দালান : ইষ্ট পাকিস্তান : আমাদের আর্মির জবাবদিহিতা - শূন্য আরণ্যক
- বিডিআরের জওয়ানদের যৌক্তিক দাবী: ঘটনা,শংকা এবং ভবিষ্যৎ - ফারহান দাউদ
- আর্মির সত্যভাষণে বিডিআর ভিলেন??!! - নিকো৮১২৩
- সবুজ সততা দেখানো শুরু হয়ে গেছে , আসল সত্য কি ? - রাগ ইমন
- মুক্ত/ নাস্তিক/ সংশয়ী/ ধর্মদ্রোহী'দের যুদ্ধটা ... আসলে কাদের বিরুদ্ধে, কিসের বিরুদ্ধে ? - মনির হাসান
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- ইজরায়েল কিভাবে গাজায় মহাবিপর্যয় তৈরি করেছে(শেষ পর্ব) - আহসান হাবিব শিমুল
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- নারীর বিরুদ্ধে পারিবারিক নির্যাতন: বাংলাদেশের পুরুষতান্ত্রিক সমাজের পুনপৌনিক ঘটনার নিষিদ্ধ আলোচনা- দ্বিতীয় কিস্তি - মুনীর উদ্দীন শামীম
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি (শেষাংশ) - দিনমজুর
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি - দিনমজুর
- নবীনদের জন্য - নাদান
- যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং বর্তমান ব্লগ-বিতর্কঃ পুনর্মূল্যায়ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী এবং একজন স্বঘোষিত পর্নোষ্টার - জাতেমাতাল
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- একজন ব্লগারের নিষ্ঠা ও আমাদের নির্লিপ্ততার আক্কেল সেলামি - রাগ ইমন
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- আরব-ভূমিতে গ্রীক দর্শনের পঠন-পাঠন, আরবের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, ইসলামের উদ্ভব ও কোরআনঃ ইতিহাসের পাঠ থেকে একটি বিশ্লেষণ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ঈশ্বর ও বিজ্ঞান- "আছে" ও "নাই" প্রমাণের কথিত দ্বন্দ্ব (শেষ পর্ব) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আস্তিক-নাস্তিক সমাচার - চার্বাক দর্শন। (শেষ কিস্তি) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- নেপালে মাওবাদীদের নির্বাচনী বিজয়, বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের মিথ এবং কিছু জরুরী ভাবনা - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ -২ - দিনমজুর
- হায়রে কৃষি!!!!!!!!!! সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও একটি বিশ্লেষণ - দিনমজুর
- প্রাইভেটাইজেশন - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -১ - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -২ - দিনমজুর
- সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও আমাদের কৃষি - দিনমজুর
- মুক্তমনার অভিজিৎ ও বিপ্লব পাল- বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ, ল্যামার্ক, লাইসেঙ্কো, নভেম্বর বিপ্লব, সমাজতন্ত্র, কেরোনস্কি, প্রতি বিপ্লব, পুঁজিতন্ত্র, ঠিকাদারতন্ত্র.... ইত্যাদি - দিনমজুর
- জিএম শস্যের ভালো মন্দ - দিনমজুর
- কিভাবে অভ্র ব্যবহার করে বাংলা লিখতে হয় (বিস্তারিত) - মৃত হাসানের প্রেতাত্মা
- পলিটিক্যাল ইসলাম কয় কারে? - সাধক শঙ্কু
- "হযরত মোহাম্মদ (সঃ) কি মৃগীরোগী ছিলেন" এর মূল লেখার জবাব - জামালiiuc
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- "নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন" শীর্ষক পোস্টের তথ্যসূত্র ও টীকাঃ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কোরআনের চ্যালেঞ্জঃ যেখানে সব্বাই ফেল মারছে!!!- ১ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আজ সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিন.....আজ আমার কষ্টের দিন..... - মনজুরুল হক
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস - একরামুল হক শামীম
- অভিজিৎ এর "মার্ক্সবাদ কি বিজ্ঞান" শীর্ষক প্রবন্ধের প্রতিক্রিয়ায়- ২ - দিনমজুর
- কার্ল মার্কস ও তথাকথিত প্রকৃতি বিজ্ঞান (Natural Science) - পি মুন্সী
- ইহুদি ও খ্রিস্টান ধর্মের একমেবাদ্্বিতীয়ম ঈশ্বর চেতনা - শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- টেকি পোস্ট ঃ কমেন্টে ফটো দিবেন কিভাবে ?? - শয়তান
- এন্টি গল্প > শেষরাতের একফালি চাঁদ > - মনজুরুল হক
কি হালে বেঁচে আছে আমাদের শিশুরা > শুধু পেটের দায়ে ৩৫ লাখ শিশুশ্রমিক অমানবিক শ্রমে নিয়োজিত >
২১ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:৩৩
এঁদো পচা ঘেয়ো র্দুগন্ধযুক্ত আলোবাতাসহীন বদ্ধ এক চিলতে ঘরে ছেঁড়া কাঁথা কিংবা স্রেফ চটের বস্তার উপর কোনও ভাবে বিয়োচ্ছে। পশুর মতই তার মা চেটেচুটে(মুছে) তাকে সাফসুতোর করছে। তারপর কোন এক হেকমতি বুজর্গটাইপ ধান্ধাবাজের তাবিজ-কোবজ, সূতো পড়া কিংবা মাদুলি পরিয়ে স্যাঁতসেঁতে মেঝেয় শুইয়ে রাখা হচ্ছে। মাত্র ক’দিনের মধ্যেই তার মা কাজে চলে যাচ্ছে, কেননা তা না হলে তার মায়ের পেটে ভাত জুটবে না। আর পেটে যদি ভাতই না যায় তাহলে বুকে দুধ কি ভাবে আসবে? যদিও তার পরেও বুকে দুধ আসে না। হালা, ফ্যান, এটা ওটা ছাইপাশ মুখে দিয়েই তার বেড়ে ওঠা। কুকুর, কাক, চিল , পোকামাকড় আর মশামাছির সাথে সহাবস্থানে সেই জীবনের বেড়ে ওঠা। এর বিপরীতে উন্নত বিশ্বের একটি শিশু কি ভাবে জন্মে, বেড়ে ওঠে দেখুন:
ধূলোবালিহীন অত্যাধুনিক হাসপাতালের কাঁচ ঘেরা কুঠরিতে জন্মানোর পর প্রচন্ড রকম হাইজেনিক ব্যবস্থা বজায় রাখা একদল নার্সের সেবায় দিনে দিনে একটু একটু করে বাড়তে থাকে এই শিশুরা।মায়ের কি দরকার, শিশুর কি দরকার সবই ঠিক করে দেয় ম্যাটার্নিটি বা হাসপাতাল। ওই শিশুটি এরপর বাড়ি ফেরে। সেখানেও সেই হাসপাতালের মতই সুব্যবস্থা।ন্যাকার-পুকার, ডায়াপার, প্যাম্পারস, সব দামী দামী গেজেট সহ সে বাড়তে থাকে। যদি কোন কারণে কোন শিশু কেঁদে ওঠে, আর সেটা যদি রাষ্ট্রর আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর কেউ শুনে ফেলে সাথে সাথে সেই বাবা-মা কে তলব করে জানিয়ে দেওয়া হয়- শিশুর যত্ন নিতে তারা অপারগ হলে তাকে যেন নিদৃষ্ট দপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। অর্থাৎ রাষ্ট্র পুরোপুরিই এক একটি শিশুকে আগামীর নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে। আরো বড় হয়ে সেই শিশুটির যখন স্কুলে যাবার সময় হয়, তখনো রাষ্ট্র তার লেখাপড়ার যাবতীয় দায়-দায়িত্ব তুলে নেয়। তার মেধার বিকাশের ফলোআপ দেখে তাকে সেই বিষয়েই লেখাপড়া করানো হয়। সাথে সাথে রাষ্ট্র তাকে খেলাধুলা থেকে শুরু করে যাবতীয় সামাজিক আচার-আচরণ, সংস্কৃতি সবই শেখায়। এভাবেই আজকের শিশু আগামী দিনের নাগরিক হয়ে ওঠে। এবার সেই নাগরিককে আর কোনভাবেই নাগরিক দায়-দায়িত্ব বোঝানোর দরকার করে না।
আর আমাদের এরা ? আরো পরে একটু হাঁটতে শিখলেই যেন নিজেই খাবার যোগাড় করে নিতে পারে সেই চেষ্টায় তাকে ঠেলে দেওয়া হয় বাইরে। গু-মুতের পাশে পাশে শুরু হয় তার জীবন সংগ্রাম। সেই কচি বয়সেই তার সাথী হয়ে ওঠে মশা-মাছি, পোকা-মাকড় আর ঘেয়ো নেড়ি কুকুর। যদি খুব দারিদ্র থাকে তাহলে মাত্র তিন-চার বছরেই তার হাতে উঠে আসে রংচটা থালা। আর পিঠের ওপর ঝুলে থাকবে তার চেয়েও আরো ছোট একজন। এদের আপনি দেখবেন মৌচাক মোড়ে, পল্টনে, নিউমার্কেটের সামনে, সায়দাবাদে, মহাখালিতে, এবং প্রায় পুরো ঢাকা শহরেই। যাদের পরিবারের অবস্থা এরচে একটু ভাল তারা আরো একটু বড় হতেই তাদের বাবা-মা তাদের ঠেলে দেবে কাজে। কি কাজ ? সে ভয়ংকর সব কাজ। যে কাজ পূর্ণ বয়ষ্ক মানুষে করে, এরাও ঠিক সেই ধরণের পরিশ্রমের কাজে নেমে পড়ে। এই জীবন থেকে কর্পূরের মত উবে যায় পুতুল খেলা, লাটিম ঘোরানো, ঘুড়ি ওড়ানো, যখন তখন নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পড়া, একছুঁটে তেপান্তরের মাঠ পেরুনো আর রাতে দাদী-নানীর কাছে ব্যঙ্গমা-ব্যঙ্গমীর গল্প শোনা! এরাই আমাদের আগামীর সন্তান। এরাই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। আসুন দেখি আমাদের এই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কিভাবে তাদের পেটের খাবার যোগাড় করছে, কি ভাবে শুধুমাত্র একবেলা খাবারের জন্য কি কি হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমের কাজ করে চলেছে...........
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, দেশের ৩৫ লাখ শিশুশ্রমিকদের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিয়োজিত রয়েছে ১৩ লাখ শিশু, যা মোট শিশুশ্রমিকের ৪১ শতাংশ। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও’র তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের শিশুশ্রমিকরা প্রায় ৩৪৭ ধরণের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। এর মধ্যে ৪৭ ধরণের কাজকে ঝুঁকিপূর্ণ ও ১৩ ধরণের কাজকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর এসব কাজে নিয়োজিতদের অধিকাংশই পথশিশু।শুধুমাত্র একবেলা খাবার যোগাড় করতে এ পথশিশুরা দৈনিক ১০ থেকে ১২ ঘন্টা পর্যন্ত হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে। পথশিশুদের ৬৯ শতাংশই কোন না কোন শিশুশ্রমে নিয়োজিত রয়েছে। এই ঢাকা শহরে প্রাতিষ্ঠানিক খাতের এমন কোন জায়গা নেই যেখানে শিশুশ্রমিক নেই! চরম দারিদ্রের কারণে তাদের বাবা-মা তাদেরকে এধরণের কাজে ঠেলে দিতে বাধ্য হয়। এই যে আমরা বলছি- ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। এটা কি পরিমান ঝুঁকি ? বিস্ময়কর যে এই শিশুরা ঝালাই কারখানা, ঢালাই কারখানা, রি-রোলিং মিলের লোহা গলানোর কাজে, এমনকি জ্বলন্ত বয়লারের পাশে ১০ থেকে ১২ ঘন্টা কাজ করে। এদেরকে এধরণের কাজ করার সময় যে ভাবে জীবনের ঝুঁকি নিতে হয় তার সাথে তুলনা চলে শুধুমাত্র যুদ্ধক্ষেত্রের সৈনিকের।
যে সিসা মানব দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ, সেই সিসা, তামা,চামড়া কারখানার কেমিক্যালস, বিষাক্ত রি-এজেন্ট, লোহার ঢালাইয়ের গনগনে আগুনে এদের কাল মুখ আরো লাল হয়ে ওঠে। ঘুমঘুম চোখে তারা নিরবেই কাজ করে যায়। কাজ শেষে যখন সে বাইরে আসে তখন তার চোখের সামনে অবারিত মানুষের কোলাহল আর মুক্ত প্রেম-ভালবাসা তাকে যেন বিদ্রুপ করে। ক্লান্ত শরীরটা কোনও মতে টেনে টেনে ঘরে ফেরে তারা। মায়ের আদর, বাবার øেহ, ভাই-বোনের সহচর্য কিছুই এদের স্পর্শ করে না। ক্লান্ত অবসন্ন শরীরটা কখন আরো ক্লান্তিতে এলিয়ে পড়ে এরা বুঝতেও পারেনা। আবার তো সকালে সেই অমানুষিক হাড়ভাঙ্গা কাজের জোয়াল।
বিভিন্ন জরিপ (এই জরিপমার্কা ব্যাপারটায় আমাদের সাংঘাতিক বুৎপত্তি। আমরা কোটি কোটি টাকা বেতনে শত শত পরিসংখ্যানবিদ পুষি। তারা নিরবিচ্ছিন্ন পরিসংখ্যান দিয়ে চলেন)। দেখা গেছে অপ্রাতিষ্ঠানিক ভাবে গড়ে ওঠা শত শত ব্যক্তিমালিকানাধীন বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ খাতে দশ লাখেরও বেশি শিশু শ্রমিক কাজ করছে। এই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আছে ধাতব কারখানা, ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ, প্লাস্টিক কারখানা, অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ, গাড়ির গ্যারেজ, ঝালাই কারখানা, রিক্সা মেরামতি, মোটর সাইকেল ওয়ার্কশপ, গাড়ির-টেম্পোর হেল্পারি, গার্মেন্টের ছোটখাট কাজ, লেদ কারখানা, হাড়িপাতিল বানানো এবং ছোট ছোট কুুটির শিল্প ধরণের কারখানা। এর বাইরে একটা বড় অংশ কাজ করে বাজারগুলোতে। সারারাত বা সারাদিনই সেখানে কাজে লেগে থাকতে হয়।
এ ছাড়া আর একটি বড় শ্রম ক্ষেত্র হচ্ছে গৃহকর্ম। আমরা বেশ চটকদার ভাষায় কথাটা বলি-গৃহকর্ম! কিন্তু কর্মটা যে কি ভয়ংকর সেটা যারা এখানে কাজ করে তারাই কেবল বোঝে। এদের কোন টাইম টেবিল নেই। খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে গভীর রাত অব্দি, অর্থাৎ ঘুমানোর আগপর্যন্ত এদের কাজ করতে হয়। এই কাজের ক্ষেত্রে কেউ বেতন পায়, কেউ বা শুধুই পেটেভাতে। গতরখাটা এই খাতে একটু এদিক-ওদিক হলে এদের উপর যে ভয়াবহ অত্যাচেরর খড়গ নেমে আসে তার যৎসামান্য চিত্র আমরা সংবাদ পত্রে মাঝে মাঝে দেখি। খুন্তির ছ্যাঁকা, হাড়গোড় ভেঙ্গে দেওয়া, পুড়িয়ে দেওয়া, চুল কেটে মুখে চুনকালি মেখে দেওয়া থেকে শুরু করে আমাদের সুশীল মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষেরা এদের যৌন কাজেও ব্যবহার করে। বিকৃত সেই সব কাজের আর সারা দিনের খাটনির নিট ওয়েজ কি ? সামান্য তিনবেলা অথবা দুবেলা খাবার! যে পথশিশুরা এভাবে অমানুষিক পরিশ্রম করে পেটের ভাত যোগাড় করছে অথবা সামান্য কিছু টাকা পাচ্ছে সেখানেও ভাগ বসায় রাষ্ট্রের পুলিশ, মাস্তান, বখাটে, পাড়ার ছিঁচকে মাস্তানরা। এদেরকে ভাগ না দিলে ওই শিশুদের কাজের অধিকারও হাতছাড়া হয়ে যায়। ইদানিং ঢাকায় ‘নাইটগার্ড’ নামক এক নয়া শোষক পয়দা হয়েছে। এরা বিভিন্ন বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারি। এদেরর একটা হিস্যা তৈরি হয়েছে এখন। এরা এখন রীতিমত এক নয়া লেঠেল বা ঠেঙ্গাড়ে প্রাতিষ্ঠানিক মাস্তান। সবাইকে ভাগ দিয়ে থুয়ে যেটুকু বাঁচে তাই দিয়েই এই পথশিশু আর শিশু শ্রমিকরা এক একটি নিরেট পাথুরে দিন পার করে চলেছে।
এদের জন্য কিছু করার কি কেউ নেই? হ্যাঁ আছে। ঠান্ডা ঘরে বসে এদের জন্য দরদ দেখাতে দেখাতে এনারা প্রায় গলদঘর্ম! "কারিতাস", "রাড্ডা করনেন"," সেভ দ্য চিলড্রেন", "নিজেরা করি"," শৈশব বাংলাদেশ", "বিলস", "শ্রমিক কর্মচারি ঐক্য পরিষদ"," সমাজ কল্যাণ মন্ত্রনালয়"...... এরকম আরো ডজন ডজন প্রতিষ্ঠান এই পথশিশু বা শিশু শ্রমিকদের নিয়ে গবেষণা-টবেষণা করে চলেছেন! ভাগ্যিস তারা আছেন! তাই আমরা পরিসংখ্যান-টরিসংখ্যান পাই! বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ বা ‘বিলস’গত ১২ জুন বিশ্ব শিশু শ্রম প্রতিরোধ দিবসও পালন করে ফেলেছে! বেশ, ভাল কথা। তাহলে দেখা যাচ্ছে এই অভাগাদের জন্য কেউ না কেউ আছেন। কিন্তু তারা যে বিশেষ ভাবে নির্মিত লাল ড্রেসআপ লাল ক্যাপ পরে র্যালীতে নামলেন, সেটা দেখে কি মনে হবে এরা দুস্থ অনাথদের জন্য কাজ করছেন! হাহ্ কোনভাবেই না। তাদের র্যালী দেখে মনে হবে এরা সেই বিশ্ব ভালবাসা দিবস বা বিশ্ব প্রেমময় দিবস-টিবস কিছু একটা পালনে সৌহার্দ আর আনন্দঘন র্যালীতে নেমেছেন। কী অপূর্ব কন্ট্রাস্ট!
আরও একটা পরসিংখ্যান দেখুনঃ বাংলাদেশে ৬ থেকে ১৬ বছরের মোট ৪ লাখ ২০ হাজার শিশু বাসাবাড়িতে কাজ করে। এদের শ্রমঘন্টা ১২ থেকে ১৪ ঘন্টা। বাড়ির এঁটো বা উচ্ছিষ্ট খাবারই এদের ভাগ্যে জোটে। রাতে হয় বারান্দা অথবা রান্নাঘরে ঠাঁই হয় এদের। নেই চিকিৎসা ভাতা, নেই ছুটিছাটা। বেতন বাড়ারও কোন সুযোগ নেই। তার উপর আছে শারীরিক অত্যাচার। গত ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ৬৪০ টি শিশু নির্যাতনের ঘটনা নথিভূক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৩০৫ জন মারা গেছে। নিয়মিত-অনিয়মিত ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৭৭টি শিশু। এমন জবরজং পরিসংখ্যানের বাইরে আরো আরো ঘটনা আছে, যা আমাদের মোলায়েম পেলব চোখে কখনোই ধরা পড়ে না। আমাদের বিবেকের আশপাশ দিয়েও এমন অত্যাচার আর নির্যাতনের খবরগুলো নিয়মিতই অদেখা চলে যায়। সংবাদপত্র আর বিভিন্ন জরিপটরিপের বাইরে আরো হাজার হাজার পথশিশু বা শিশু শ্রমিকের জীবন এভাবেই একটু একটু করে নরকের দিকে ধেয়ে চলেছে। আর আমরা, আমাদের সমাজ, আমাদের সরকার, আমাদের মনুষ্যত্ব, আমাদের বিবেক চোখে-কানে ঠুসি পরে এক ভয়ানক পাওয়ারফুল সেডেটিভ নিয়ে যেন গভীর তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে আছে।এবং অতি আবশ্যিকভাবে নিজেদের প্রবোধ দিচ্ছি...... জাস্ট ইগনোর এভরীথিং ফর পীস!! উই শ্যুড মেক আ বেটার চার্মিং সোসাইটি ফর আওয়ার নেক্সট জেনারেশন!!
সরকারী নিয়ম অনুযায়ী ১৪ বছরের নিচে শিশুদের ভারী শ্রমে নিয়োগ দেওয়া বেআইনী। এব্যাপারে সরকারের কোন মনিটরিংই নেই। শিশুদের নিয়ে যারা কাজ করছেন সেই সব সংগঠনেরও এমন কোন কর্মসূচী নেই যে তারা শিশুদের এইসব ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে পরিত্রাণ দিয়ে তাদের সহনীয় কোন কাজ দেবে। এই অসহ্য অমানবিক কাজ থেকে শিশুদের রক্ষা করার জন্য আমরা কি কিছু করতে পারি?তারা যদি কাজই ছেড়ে দেবে তাহলে খাবে কি? বাবা-মা-ই বা কি খাবে?
১. আমরা অন্তত আমাদের বাড়িতে বা আমাদের কারখানায় কাজ করা শিশুটিকে হালকা শ্রমের কাজে নিয়োগ দিতে পারি।
২. বিষাক্ত কারখানা থেকে শিশুদের সরিয়ে এনে আমরা অফিসের টুকটাক কাজে লাগাতে পারি।
৩. আমার শিশুটির হাত ধরে তাকে যখন স্কুলে পৌঁছে দিচ্ছি, তখন যেন একটিবারের জন্যও এই হতভাগা শিশুদের কথা ভাবি। কারণ মানুষই সমাজ নির্মাণ করে। আপনার-আমার শিশুটির সাথে যেন ওরাও বেড়ে উঠতে পারে। আর সেই আরাধ্য দায়িত্ব কি আমাদের উপরই বর্তায় না ?
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): শিশু শ্রম ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রবন্ধ বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:৫৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন:
করুন, শুরু করুন। কিছু একটা করুন।
হাসান বায়েজীদ বলেছেন:
ভাবাভাবি ছাড়া আর কিই বা করতে পারি কন???যারা এইসব শিশুদের খাটায়া নিতেছে, তাগোরে বুঝাইবো কে??
লেখক বলেছেন: "তারা" মানে তো আমরাই! আমরা অন্তত একজন শিশুকেও যেন এই দাসত্ব থেকে মুক্তি দিতে পারি, সেটাই হোক আমাদের মানবতার উপাখ্যান।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
মাঝ বরাবর এসে কিছু দ্বি-মতের জন্য প্রিপারেশন নিচ্ছিলাম। শেষে এসে দেখলাম সেই স্থান টা রাখেন নি...
লেখক বলেছেন:
বিস্তারিত বললে বুঝতে সুবিধে হতো।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
প্যারা রিশাফল করায় একটু ডিসকন্টিনিউটি দেখা যাচ্ছে। থার্ড প্যারার শুরুটা কেমন যেনো লাগছে...
লেখক বলেছেন:
পরে আর একটা লাইন জুড়ে দিয়েছি........
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
আগেরটা আর এই কমেন্টটা মুছে দিয়েন।
লেখক বলেছেন: খারাপ কি যে মুছতে হবে ?
মনজুরুল হক বলেছেন:
লেখাটা এমনিতেই অনেক বড় হয়ে গেছে, তাই শিশুদের দিয়ে এন্টি সোস্যালরা আরো যে ভয়ংকর সব কাজ করায় তার বিবরণ দেওয়া গেল না। রাজধানীর পুলিশ দপ্তরে শুধু সেসবেরই রেকর্ড সংরক্ষণ করা হয়।
নিরুপমা বলেছেন:
কিছুদিন আগে রাস্তায় ভিক্ষারত এমনি এক ছোট্ট শিশুকে দেখে খুব বেশী মায়া পরবশত আমারি এক আত্নীয়া বাসায় এনে , গোসল করিয়ে তেল সাবান মাখিয়ে, ভালো জামাকাপড় পরিয়ে নাইট স্কুলে পাঠালেন। তিন সপ্তাহের মাথায় সেই ৬/৭ বছরের শিশুটি তিনটা মোবাইল সেট, একটা ঘড়ি, টিভি রিমোর্ট ইত্যাদি ইত্যাদি নিয়ে বাসা থেকে পালিয়ে গেলো।
লেখক বলেছেন:
এইসব বিচ্ছিন্ন একটি-দুটি ঘটনা কোন নিয়ামক হতে পারেনা। অনেক রিক্সা চালক পড়ে পাওয়া ভ্যানিটি ব্যাগ ফেরত দেয়, তাই বলে সবাই কি দেয় ? সব শিশুই কি চুরি করে? সেই "চুরি" কি রাষ্ট্রীয় পুকুর চুরির কাতারে পড়ে ?
ভাল থাকুন।
নিরুপমা বলেছেন:
কিন্তু এই দু একটি বিছিন্ন ঘটনা আবার আমাদেরকে থমকে দেয়। আজো এখনও যাদের বুকে দয়া মায়া আছে এখনও যারা প্রত্যাশা নিয়ে এগিয়ে আসে তাদের গতীরোধ করে দেয়।তারপরও সত্যিই এসব ঘটনাকে সামনে রেখে থেমে থাকলে চলবেনা।
মানুষ তো মানুষেরই জন্য , জীবন তো জীবনেরই জন্য। একটু সহানুভুতি অবশ্যই আমাদের সবারই প্রাপ্য। বিশেষ করে আমাদের যাদের আছে তাদের কাছে ।
মনজুরুল ভাই, আমি মনে হয় আপনাকে হার্ট করে ফেলেছি। আমি অত্যন্ত দুঃখিত। আসলে হঠাৎ ঘটনাটা মনে পড়ায় লিখে ফেললাম। ক্ষমা করবেন।
লেখক বলেছেন:
না না হার্ট হব কেন ? এটাই বাস্তবতা। আমাদের চোখের সামনে এমন কত কিছুই ঘটে চলেছে।
"মানুষ তো মানুষেরই জন্য , জীবন তো জীবনেরই জন্য। একটু সহানুভুতি অবশ্যই আমাদের সবারই প্রাপ্য। বিশেষ করে আমাদের যাদের আছে তাদের কাছে ।"
আপনার এই কথাগুলিই হোক আপনার মনের কথা। আপনার অনুভূতি।
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
আমাকে একজন হতাশার সুরে বলেছিলেন, কোনও কাম নাই, কী করব, তাই শুয়ে পড়ে, ফলে বাচ্চা আসে।
যতবার আসে, তার মধ্যে অনেকবার পৃথিবীর ধাক্কা সহ্য করে উঠতে পারে না তারা।
মা টা স্রেফ আর পারে না, বলে চটের উপর শুয়ে সেইদিনটা কাটিয়ে দেয়, বাপের সেই ফুসরত কম, বাগানে কোদাল চালাতে হবেই, মা'র কাজের প্রক্সিও হয়ত।
না কান্নাকাটির কোনও এপিসোড নেই, ফলে গল্পে দু:খ নেই।
লেখক বলেছেন: ফ্যাবুলাস !!
শয়তান বলেছেন:
ইদানিং গার্মেন্টসের সদর দরজায় একটা ল্যামিনেটিং করা নোটিশবানী ঝুলতে দেখা যায় " এই প্রতিষ্ঠানে কোন শিশু শ্রমিক নিয়োজিত নেই । দেখলেই হাসি পায় ।
আমাদের সচেতনা বাড়ে বৈদেশিক প্যাদানি খেয়ে ।
লেখক বলেছেন:
তাও মিথ্যার বেসাতি করে......সব কারখানাতেই দেদারসে শিশু শ্রমিক কাজ করে। এত কম পয়সায় পাওয়া গেলে আর কি চাই !!
শয়তান বলেছেন:
অটঃ শিরোনাম এ >,
লেখক বলেছেন: ???
শয়তান বলেছেন:
অটঃ শিরোনাম এ > এবং < সাইনগুলির ব্যবহার বন্ধ করুন । ঝামেলা হয় এতে। আমার একটু আগের করা কমন্টটাই জলন্ত প্রমান ।
লেখক বলেছেন:
কি মুশ্কিল! আমি তো শুধু " > " এইটা ব্যবহার করি। প্রায় ব্রান্ড সিম্বল হয়ে গেছে....আর দেব না বলছেন ?
আপনার অসুবিধার জন্য দুঃখিত।
প্রিয়সখা বলেছেন:
যারা বদলে যাবার ভন্ডামী করে তাদেরকে বলি : "বাংলাদেশে ৬ থেকে ১৬ বছরের মোট ৪ লাখ ২০ হাজার শিশু বাসাবাড়িতে কাজ করে। এদের শ্রমঘন্টা ১২ থেকে ১৪ ঘন্টা। বাড়ির এঁটো বা উচ্ছিষ্ট খাবারই এদের ভাগ্যে জোটে।"
এদের কথা চিন্তা করুন। এদের জন্য কিছু করুন।
লেখক বলেছেন:
ঠিক কথা।
এদের কথা চিন্তা করুন। এদের জন্য কিছু করুন।
যেদিকে তাকাবা মানুষ......মানবসম্পদ.....এই সম্পদ আমাদের কাজে লাগাতে হবে.....এ এক জাতি লাগানো ছাড়া কিছু ঠিকভাবে শিখে নাই।
এদের জন্য এত কান্নার কিছু নাই।
খালি মানুষ, গরমে মরে, ঠান্ডায় মরে, বাতাসে মরে, ঝড়ে মের, না খাইয়া মরে, বেশি খাইয়া মরে কিন্ত কমে না। অসহ্য, স্রেফ অসহ্য।
লেখক বলেছেন:
মারাত্মক কমেন্ট মেঘ! সবই নির্মম সত্যি কথা।
"এ এক জাতি লাগানো ছাড়া কিছু ঠিকভাবে শিখে নাই। "....এটাও কি ঠিক ভাবে শিখেছে ? পার্টনারের কথা ভাবে এই মেল গুলা? মোটেই না। তার পরও গরিব মানুষের এই এক দোষ! বিনোদন বলতে তো আর কিছু নেই, তাই বিয়ে করা বউ মানেই.....
সমস্যা কিন্তু সেটা না মেঘ। সমস্যা হলো, মানুষ যখন মাত্র ৭ কোটি ছিল, তখনো এই শিশুশ্রম ছিল। এটা হলো আমাদের সামন্ত মানসিকতার বর্হিঃপ্রকাশ।
শয়তান বলেছেন:
অটঃ সমস্যা আমার নয় । কেমনে বুঝাই লেখক বলেছেন:
ওক্কে। আর করব না। তবে এন্টি গল্পে তো করতেই হবে। এন্টি গল্প আর ওই সিম্বল সমার্থক হয়ে উঠেছে......
জইন বলেছেন:
ভাই চোখ পানি এসে গেল.......কিন্তু কি করবো বলেন..... কেন যে মানব জন্ম এ ধরায়
লেখক বলেছেন:
এবার চোখের পানি মুছে আসুন, দেখি কিছু করা যায় কি না। নিশ্চই খুব ছোট্ট পরিসরেও কিছু না কিছু কাজ আমরা করতে পারি। অন্তত একজন শিশুকে উর্দ্ধার করতে পারি।
এদের কথা চিন্তা করুন। এদের জন্য কিছু করুন।
লেখক বলেছেন:
আসুন এদের জন্য চিন্তা করি। কোন একটা বিকল্প পদ্ধতি কি জানাতে পারেন?
Click This Link
লেখক বলেছেন:
গুপি, কিছু বলার নেই! কিছুই কি বলার নেই ? বিদেশীরা এসে যখন প্যাদানী দেয় তখনই আমাদের কর্তাব্যক্তিদের একটু টনক নড়ে। তার আগে তারা লাভের কড়ি গোণে।
আমরাও তো তাদেরকে চেপে ধরতে পারি। শ্রম বন্ধ করতে না বলে বলতে পারি-----
তাদের শ্রমঘন্টা কমাও
যথাযথ মজুরী দাও
বিপজ্জনক কাজ থেকে সরিয়ে কম কষ্টের কাজে লাগাও
তাদের প্রাপ্য ছুটিছাটা দাও
আসুন না, আমরা এই দাবীগুলো তুলে ধরি..
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
এই অসহায় শিশুদের কথা কেউ ভাবে না। এমনকি তাদের মা বাবাও না। যদি ভাবত এই যুগে এতগুলো শিশুর জন্মই দিত না। একটা গোপন অথচ দরকারী পরামর্শ
যেভাবে দারিদ্রের দুষ্টচক্র ভাঙ্গতে পারি
ঝুঁকিপূর্ণ কাজে শিশুশ্রম নিরোধ করা সম্ভব। কিন্তু একেবারে শিশুশ্রম বন্ধ করা আপাতত সম্ভব না।
৫ লাখ মসজিদ বনাম ৩ লাখ পথশিশু
গার্মেন্টসগুলি খুব বড় বড় কথা বলে। বড় বড় গার্মেন্টস বাদে প্রতিটি ছোট গার্মেন্টেসে হেলপার হিসেবে প্রচুর শিশু শ্রমিক আছে।
শ্রমিক দিবসের প্রহসন কি খুব দরকার ?
গৃহকর্মী হিসেবে যারা কাজ করে তারা যে মানুষ সেই বোধটাই আমাদের মতো ভদ্রলোকের নাই।
নববর্ষে যারা পান্তা ইলিশ খাবে না
ইলিশ মাছ বনাম গরম খুন্তির ছ্যাঁকা
ওদের জন্য গরম খুন্তির ছ্যাঁকা
লেখক বলেছেন:
খুব ভাল কাজ করলেন শামীম ভাই। আপনার এই লিংকগুলি এখানে পেয়ে অনেকেই পড়ে ফেলতে পারবেন। এই লেখা এবং আপনার আগের লেখাগুলো নিয়ে ব্যাপক ভাবে আলোচনা হওয়া দরকার। বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বের হয়ে আসা দরকার। কিন্তু তা বোধহয় হয়নি। হয়না।
আজই আরো পরে আপনার সমগ্র লেখাগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার ইচ্ছে রইল।
জুল ভার্ন বলেছেন:
অমানবিক শ্রম দিয়ে সামান্ন কিছু উপার্জন করে "তবুওতো ওরা বেঁচে আছে"! কিন্তু এমন অনেক দেশ আছে-যেখানে এখনো অমন অমানবিক শ্রম দিয়েও এক মুঠো খাবারের সংস্থান করতে পারেনা ছোট ছোট শিশুরা। শুধু নাখেয়ে ধুকে ধুকে আশরাফুল মখলুকাত ধ্বংশ হয়ে যাচ্ছে!
লেখক বলেছেন: আমরা সেভাবেই ভাবতে চাইছি। আমাদের শিশুরা অমানবিক শ্রম দিচ্ছে, সেটাও অন্যান্য দেশের তুলনায় "বড় পাওয়া" বলছেন। সেই পাওয়াটুকুও তো আমরা তাদেরকে আরো কম খাটনির কাজের মাধ্যমেও দিতে পারি। যেমন ধরুন:
আমাদের কারো কারখানায় খাটা শিশুটিকে তার সেই বেতনেই আমাদের অফিসে ফাই ফরমাশ খাটার কাজে লাগাতে পারি। এটাও তো অপাতত মন্দের ভাল।
Click This Link
মূল গানটা (তবে আমার কন্ঠে
Click This Link
লেখক বলেছেন: আপনি তো দেখি থ্রী ইন ওয়ান!! দারুন লাগল আপনার গায়কী।
মনজুরুল হক বলেছেন:
প্রিয় ব্লগারদের কাছে তাদের মূল্যবান মতামত, পরামর্শ আহ্বান করছি। আপনারা এই রাহুদশা থেকে পরিত্রাণের মতামত, পরামর্শ দিন। সেভাবে আমরা এই অনাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলি। আমরা চাইব এই শিশুদের কাজের অধিকার বজায় রেখেই তাদেরকে মানবিক পরিবেশে ফিরিয়ে আনতে। আপনাদের কারো না কারো মতামত থেকে নিশ্চই ভাল কোন সিদ্ধান্ত বেরিয়ে আসতে পারে।
কালপুরুষ বলেছেন:
পেটের ক্ষুধা মেটাতে এদের জন্য বিকল্প তেমন কিছু নেই- অতিরিক্ত জনসংখ্যার ভারে ন্যুয়ে পড়েছে যে দেশ ক্ষুধার অন্ন যোগাতে এছাড়া তাদের আর কী উপায় আছে বলুন!
লেখক বলেছেন: উপায় আছে দাদা। ওকে কাজ থেকে ছাড়িয়ে স্কুলে ভর্তি করে দিলে ওর বাবা-মা বাধ্য হয়ে ওই বাড়তি টাকাটা আয় করবে। তা করতে না পারলে খরচ কার্টেল করবে। অপ্রয়োজনীয় খরচ যেমন, মোবাইল, সিনেমা, তাড়ি, গাঁজা ফেন্সিডিল খাওয়া বন্ধ করবে। রিকসআয় চাপা বণ্ধ করবে।
আগে শিশুশ্রম বন্ধ করা দরকার। এরপর ভাবতে হবে ওই শিশু কি ভাবে পড়বে।
প্রণব চক্র বলেছেন:
সমাধান হচ্ছে --- ---'দ্রোহ-বিপ্লব-মুক্তি'
অন্য কোন সমাধান ক্ষতকে ঢেকে রাখতে প্রলেপ দেওয়ার মতই হবে।
লেখক বলেছেন:
বিপ্লবে মুক্তি হচ্ছে অনিবার্য। তার আগ পর্যন্ত সাময়ীক মুক্তিও দরকার প্রণব। "যেহেতু বিপ্লবের পরে মুক্তি আসবেই" এটা ধরে নিয়ে আপাতত কিছু করার দরকার করে না ?
আমি জানি, এটা সংশোধনবাদী চিন্তা। তার পরেও এই সংশোধনবাদী কাজগুলোও কিছু সময় পর্যন্ত করে যেতে হবে।
কিন্তু তারপরেও কে পূঁজিবাদীদের দমানো গেছে? জন হেনরী কে নিয়ে প্রতি মে দিবসে গান গেয়ে ফিরি, তারপরেও কি আটঘন্টা শ্রমের, আটঘন্টা বিনোদনের আর বাকী আট ঘন্টা পূর্ণ বিশ্রামের দাবী পূরণ হয়েছে? দরিদ্র দিন মজুরের কথা দূরে থাক, আমরা স্যুটেড-বুটেড কামলারা অবধি এখনও নিজেদের দাবী আদায় করতে পারিনি।
তাই এসব লেখালেখিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে। বাইরে এর প্রয়োগ আদতে কতটা হবে তা নিয়ে আমি সন্দিহান।
আর তাছাড়া লেখালেখি করে এসব নিয়ে বড় বড় বয়ান দেয় হাত তালি পাবার জন্য আর বাস্তব জীবনে গৃহপরিচারিকা/ পথ শিশুদের সাথে আচরণ করে জানোয়ারের থেকেও নির্মম; এরকম মানুষ (!!!) এত বেশী দেখেছি যে আজকাল আর কারো ওপরে ভরসা পাইনা।
মাফ করবেন এভাবে বলার জন্য।
লেখক বলেছেন:
"আর তাছাড়া লেখালেখি করে এসব নিয়ে বড় বড় বয়ান দেয় হাত তালি পাবার জন্য আর বাস্তব জীবনে গৃহপরিচারিকা/ পথ শিশুদের সাথে আচরণ করে জানোয়ারের থেকেও নির্মম; এরকম মানুষ (!!!) এত বেশী দেখেছি যে আজকাল আর কারো ওপরে ভরসা পাইনা।"
--------------
আপনার এই অভিজ্ঞতার সাথে একমত। এই হিপোক্র্যাটদের সংখ্যা এত বেশি যে তা থেকে সত্যিকার পরিবতর্ণকামী খুঁজে বের করা দুরূহ কাজ।
আমি তো আপাতত এই লেখা-লেখি বাদে আর কিছু পারিনা ভাই। এটাই আমার ক্ষেত্র। তাই এইকাজটাই করে যাচ্ছি।
আগের যুগে গৃহিনীরা পিঠাপিটি দু'তিনটা বাচ্চা পালার পাশাপাশি সংসারের সব কাজ করতো ... আর এযুগের গৃহিনীরা রান্নার জন্য বাবুর্চি, ঘরের জন্য বুয়া, বাচ্চার জন্য কাজের মেয়ে -- সামন্তবাদিতার সীমা নেই আর কি!
একথা বললেই অনেকে বলবেন কাজের মেয়েটার তো খাওয়া পরা নিশ্চিত হলো ... হ্যাঁ মানি ... কিন্তু কেউ কি বাচ্চার দেখাশোনার জন্য যে কাজের মেয়েটিকে আনে তার খাওয়া-পরার কথা ভেবে আনে নাকি নিজের আরাম আয়েশের কথা ভেবে আনে? ... আজ যদি এদেশে আইন থাকতো যে ঘরের বাচ্চা কাজের মেয়ের বেতন কমপক্ষে ৩ হাজার টাকা হতে হবে(দে ডিজার্ভ মোর), কয়জনের বাসায় বাচ্চা রাখার কাজের মেয়ে দেখা যেতো সেটা এমনিতেই বলে দেয়া যায়
খুব বড়সড় ধরনের সরকারী নীতিমালার প্রয়োগ অথবা বিপ্লব ছাড়া এই দেশ ঠিক হবে কিভাবে আমি বুঝিনা
মনজুরুল ভাই, ৪ নং প্যারার ৫ম লাইনে "অনৈতিক" কাজে নিয়োজিত লেখা আছে ... এটা কি "অর্থনৈতিক" হবেনা?
লেখক বলেছেন: আপনি সঠিক বিন্দুতেই হিট করেছেন। "চরম সামন্তবাদী মানসিকতা।"এটাই আমাদের সঠিক অর্থে বুর্জোয়াও হতে দেয়নি! শিল্প বিকাশের পরে সুষ্ট বুর্জোয়াদেরও কিছু শ্রেণীগত পজেটিভ এলিমেন্ট থাকে। তারাও চরম শোষণের ভেতরেও কিছু মানবিকতার চর্চা করে, কিন্তু সামন্তবাদীদের তাও নেই। এরা বিশ্বাসী সেই যাত্রা ডায়লগে-----"জমিদার রায় রায়ান কখনো কাঁচা মাটিতে পা ফেলে হাঁটে না"!!
আপনার মনে আছে কিনা জানিনা। আগে আমাদের গ্রামগুলোতে "মায়েন্দার" বা "মাহেন্দার" নামে এক ধরণের চুক্তি ভিত্তিক চাকর রাখত ভূস্বামী বা জোতদারেরা। সেই মায়েন্দারা সারা বছর ওই বাড়ির যাবতীয় কাজকর্মের সাথে জমির কাজও করত। বছর শেষে তার কন্ট্রাক্ট শেষ হলে তাকে কিছু ধান ধরিয়ে দেওয়া হতো। সেটা ছিল আসলে প্রাচীন দাস ব্যবস্থারই আর এক রূপ।
সেটাই এখন একটু মোডিফিকেশনের পরে হয়েছে "চাইল্ড লেবার"। এদেরকে যে কাজে লাগানো হয়েছে সেটাই যেন এক বিরাট বদান্যতা! এই ধরণের কথাই বেশি শুনবেন এখন। "আমি কাজে না নিলে খেতো কি?" ধরণের কথাতেই বোঝা যায়, এদের খাওয়ার যোগান করাটাই আমাদের পণ্যবান লক্ষ্য যেন !! অথচ তাকে কিন্তু নিয়োগই দেওয়া হয়েছে কম পয়সায় পূর্ণ শ্রম আদায় করার জন্য। দেখবেন ইদানিং আমাদের অনেকেই আক্ষেপ করে......."হাজার টাকা ছাড়া বুয়া মেলে না! কি যে অবস্থা হলো দেশের "!!
৪ নং প্যারায় টাইপো ছিল, ঠিক করে দিয়েছি। ধন্যবাদ আপনাকে।
সত্যান্বেষী বলেছেন:
থ্রী কি ফোরে পড়া একটা শিশু শিক্ষার্থী ঝকঝকে ড্রেস পড়ে স্কুলে যাচ্ছে। আর তার পাশাপাশি হাটছে আরেকটি শিশু তারই বয়সী। শিশুটির পড়নে ঝকঝকে পোশাক নেই। হাতে একটা ছাতা, তবে ছাতাটি স্কুল ড্রেস পড়া শিশুটির মাথায় ধরা। দ্বিতীয় শিশুটির পিঠে একটা ব্যাগও আছে তবে ব্যাগটি তার নয়, পাশাপাশি হাটা পরিপাটি শিশুটির। পরিপাটি শিশুটি কিছুক্ষণ পরই স্কুলের ভিতর নানান শিক্ষকের কাছে নানান প্রশ্ন করে করে নানান কিছু জানবে। আর ময়লা জামা শিশুটি একটা অনাত্মীয় বাসায় ফিরে এসে ছাতাটি যথাস্থানে রেখে, থালাবাসন, বিছানা, ফ্লোর পরিস্কার করবে, করতেই থাকবে।দৃশ্যটি নির্মম লাগে।
লেখক বলেছেন:
এরকম নির্মম দৃশ্য আরো যে কত কত আছে...সেসব দেখলে সাময়ীক হলেও আমরা ব্যাথাতুর হয়ে পড়ি। আমাদের বিবেক ক্ষণিকের জন্য হলেও জাগ্রত হয়। আরো এমন কিছু ছবি আর সত্য ঘটনার বর্ণনা আছে যা নিশ্চিভাবেই আমাদেরকে অশ্রুসজল করে তুলবে। তারপর আবার আমরা নিজেদের রি-শাফল করে মানিয়ে নেওয়ার সংস্কৃতিতে ফিরে যাব।
এই দুঃসহ দশার পরই সূত্রমতে বিদ্রোহ-বিপ্লব আসার কথা। এসেছেও, কিন্তু তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করার মানুষ নেই! আর কবে উঠে আসবে সেই মানুষ? কেন আমরাই বলে উঠতে পারছিনা---------------
"আইএ্যাম দ্যাট ম্যান। আইএ্যাম দ্য অল্টারনেটিভ।"
সত্যান্বেষী বলেছেন:
প্রণব চক্র বলেছেন: সমাধান হচ্ছে - 'দ্রোহ-বিপ্লব-মুক্তি'অন্য কোন সমাধান ক্ষতকে ঢেকে রাখতে প্রলেপ দেওয়ার মতই হবে।
লেখক বলেছেন:
সমাধান হচ্ছে - 'দ্রোহ-বিপ্লব-মুক্তি'
লেখক বলেছেন:
কি আর করতে পারি বলুন। এইসব দেখি, আর ভেতরে ভেতরে গুমরে মরি....প্রতিকার তো কিছুই করতে পারিনা! প্রতিরোধ পারি কিছুটা, তাও সম্মিলিতভাবে পারিনা। বিচ্ছিন্ন প্রতিরোধেও তাই কোন কাজ হয়না।
চূড়ান্ত পরিবর্তণের আগে আমাদের সাময়ীক কিছু পরিবর্তনও দরকার। সে চেষ্টাই করে যাচ্ছি। ধন্যবাদ তায়েফ আহমাদ।
শিট সুজি বলেছেন:
কি বলব??বাকরুদ্ধ করে দিলেন।
বাংলাদেশের আর্থসামাজিক পরিস্থিতেতে বর্তমান বাস্তবতার পরিবর্তন হওয়া খুব কঠিন।
আমরা শুধু নিজেদের বদলাতে পারি।
অসাধারন এই পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
প্রিয়তে নিলাম এবং ফেসবুকে শেয়ার করলাম।
লেখক বলেছেন:
"বাংলাদেশের আর্থসামাজিক পরিস্থিতেতে বর্তমান বাস্তবতার পরিবর্তন হওয়া খুব কঠিন।"
-----------
হ্যাঁ, কথাটা ঠিক। আর পরও আপনি বলেছেন---"আমরা শুধু নিজেদের বদলাতে পারি।" এতটুকুও যদি করতে পারি তাতেও কিছু শিশুকে রক্ষা করতে পারি। সেটাও মন্দের ভাল।
ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।
মেটালিফেরাস বলেছেন:
এই অমানবিকতা থেকে মুক্তির পথ রেডিক্যাল চেঞ্জ। তা আসতে পারে একমাত্র জনগণতান্ত্রিক বিপ্লবের মাধ্যমে। সেটা হওয়া ছাড়া এ থেকে মুক্তি নাই। সাময়ীক কিছু সমাধান আসতে পারে। তাও সেটা আনতে হলে কঠোর আইন করে শিশু শ্রম বন্ধ করতে সরকারকে বাধ্য করতে হবে । শুধু নীতি কথায় সরকার করবে না। বাধ্য করার জন্য চাই আন্দোলন। অসাধারণ একটি বিষয় উত্থাপনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
হ্যাঁ, "নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা "ও বলেছেন: পুঁজিবাদের পতন ছাড়া চূড়ান্ত মুক্তি সম্ভব নয়। তাহলে আমাদের সেই লক্ষ্যটাকেই সামনে রেখে এগুতে হবে। আসুন সেই কাজে একজোট হই।
আপনার গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন:
সরকার অজায়গায় টাকা খরচ না করে এদের জন্য খরচ করলেও পারে। হয়তো হালকা কোন কাজ, শুধু এদের জন্য, যার বিনিময়ে এদের থাকা, খাওয়া, পড়াশুনার ব্যবস্হা হবে। লেখক বলেছেন:
আমরা যেটাকে অজায়গা বলি, সেটিকেই সরকার সঠিক জায়গা বলে। তাই তারা খরচের খাত চিনতে আমাদের স্মরণাপন্ন হয়না।
আপনার প্রস্তাবটা ভাল। ভেবে দেখার মত ।
লেখক বলেছেন:
আমিও তো বলিনি যে, আপনি আমাকে ইঙ্গিত করেছেন!
যাহোক, আমাদের সবারই এই বিষয়ে আরো একটু সচেতনতা বাড়লে সমস্যাটা অনেকটা কমে আসতে পারে।
ধন্যবাধ। ভাল থাকুন।
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:
৩. আমার শিশুটির হাত ধরে তাকে যখন স্কুলে পৌঁছে দিচ্ছি, তখন যেন একটিবারের জন্যও এই হতভাগা শিশুদের কথা ভাবি। কারণ মানুষই সমাজ নির্মাণ করে। আপনার-আমার শিশুটির সাথে যেন ওরাও বেড়ে উঠতে পারে। আর সেই আরাধ্য দায়িত্ব কি আমাদের উপরই বর্তায় না ???????????ধন্যবাদ মঞ্জুভাই আপনার উপস্থাপনা হৃদয় চুয়ে গেলো.... আমাদের প্রত্যেকের উচিত অন্তত একটি পথ শিশুকে তার আলোকিত শৈশবের ব্ব্যস্থা করে দেওয়া, যেনো পরবর্তীতে অন্তত তার সন্তান পথশিশু হয়ে জন্ম নেওয়ার দূভাগ্য না হয়।
অবশেষে কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ পোষ্টটি স্টিকি করার জন্য।
লেখক বলেছেন: "আমাদের প্রত্যেকের উচিত অন্তত একটি পথ শিশুকে তার আলোকিত শৈশবের ব্ব্যস্থা করে দেওয়া, যেনো পরবর্তীতে অন্তত তার সন্তান পথশিশু হয়ে জন্ম নেওয়ার দূভাগ্য না হয়।"
---------------
ঠিক তাই। সংস্কারের সূচনাটা হওয়া উচিৎ নিজের ঘর থেকেই।
ধন্যবাদ রোমাস।
আব্দুল্লাহ্ আল মামুন সুজন বলেছেন:
ভাই, আমরা যতই লেখালেখি করিনা কেন সবার আগে নিজে ও আপনার আশেপাশের স্বজনদেরকে নিয়ে এগিয়ে আসুন এবং আমরা যার আবস্থান থেকে আমাদের এগিয়ে আসতে হবে।
লেখক বলেছেন:
"আমরা যার আবস্থান থেকে আমাদের এগিয়ে আসতে হবে।"
-------------------------------------------------------
আপাতত এইটুকু উপলব্ধি হলেও অনেক উপকার হবে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
বিষাক্ত কারখানায় যারা কাজ করে তাদের ব্যাপারে সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপ ছাড়া তো মনে হয় কিছু হবে না। যারা কারখানায় কাজ করে তাদেরও পার্ট টাইম চাকুরী করতে দেবার পাশাপাশি পড়াশোনার ব্যবস্থা করা, অন্তত দুপুরবেলা খাবারের ব্যবস্থা করা উচিত, এতে করে শিশুদের একটু খরচ বাঁচবে।
আরেকটা ব্যাপার মনে হয় সরকারী চাকুরেদের যেমন নির্দিষ্ট বেতন স্কেল আছে, তেমনি এই সব শ্রমিকদেরও একটা ন্যুনতম বেতন সরকারীভাবে নির্ধারণ করা উচিত। কিন্তু সমস্যা হলো জাতীয়ভাবেই আমাদের আইন না মানার স্বভাব।
লেখক বলেছেন: আপনার প্রস্তাবগুলি আমাদের সরকার ভেবে দেখতে পারে। আমরা সরকারকে এরকম বিকল্প প্রস্তাবসমূহ দিতে পারি।
ট্যানারীগুলোতে যে কি ভয়ংকর ঝুঁকির মধ্যে এরা কাজ করে তা না দেখলে বিশ্বাস করা যাবেনা।
"সমস্যা হলো জাতীয়ভাবেই আমাদের আইন না মানার স্বভাব।"...........এই যে আপনি বলে দিলেন, এবার বলুন কী উপায় করতে পারি এই আমরা ?
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
২২ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:১৬comment by: মেঘ বলেছেন: কাজ না করে কি করবে?? একটা দেশে এত মানুষ কেন??খাবে কি?? আগামী ৩০বছর এদেশে মানবশিশু না জন্মালে কি হয়??অসহ্য লাগে এত মানুষ......সবাই মরে সাফ হয়ে যেত খুব ভালো হতো (সবার মাঝে আমিও আছি)
যেদিকে তাকাবা মানুষ......মানবসম্পদ.....এই সম্পদ আমাদের কাজে লাগাতে হবে.....এ এক জাতি লাগানো ছাড়া কিছু ঠিকভাবে শিখে নাই।
এদের জন্য এত কান্নার কিছু নাই।
খালি মানুষ, গরমে মরে, ঠান্ডায় মরে, বাতাসে মরে, ঝড়ে মের, না খাইয়া মরে, বেশি খাইয়া মরে কিন্ত কমে না। অসহ্য, স্রেফ অসহ্য।
আমরা বই-পুস্তক থেকে সর্বত্র এই একটি ধারনাই পেয়েছি, জনসংখ্যাই প্রধান সমস্যা। আসলে কিন্তু তা নয়। জনসংখ্যাকে শিক্ষিত ও দক্ষ করতে পারলে তা সমমম্পদ আর না হলে তা বিপদ। জনসংখ্যা বৃদ্ধৃর কারণে খাদ্য বা কাজের সমস্যা এটা ঠিক নয়। দেশে যখন সরকার বলে উদ্বৃত্ত খাদ্য তখন কি না খেয় মানুষ মরে না? কর্ম সংস্থান সৃষ্টির জন্য কিসের অভাব, মূলধন, বাজার? না কোনটারই নয়। আভাব একটি সুষ্ঠ বন্টন ব্যবস্থা যা পুঁজিবাদের পতন ছাড়া অসম্ভব। যে শিশুরা শ্রম দিতে বাধ্য হচ্ছে তারা তো অনেকেই পরিবারের জন্যই কাজ করছে। তাই তাদের প্রতি সস্তা দরদ দেখিয়ে লাভনেই যদিনা তাদের অভিভাবকের সচ্ছলতা না থাকে। সমাজের কোন কিছুই বিচ্ছিন্ন নয়, একে অপরের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই সকল লড়াইয়ের প্লাটফরম হওয়া দরকার শোষন মুক্তির লড়াই। কারন এই পুঁজিবাদই সকল বৈষম্যের জন্ম দিচ্ছে এবং টিকিয়ে রাখছে।
"আমি জানি, এটা সংশোধনবাদী চিন্তা। তার পরেও এই সংশোধনবাদী কাজগুলোও কিছু সময় পর্যন্ত করে যেতে হবে।"
আপনার লড়াইয়ের উদ্দেশ্য, স্বার্থ যদি সঠিক থাকে তবে এটা সংশোধনবাদী চিন্তা নয়।
লেখক বলেছেন:
আপনার বড়সড় কমেন্টের উত্তর এখনই দিচ্ছিনা। আপনি ঠিক কথাই বলেছেন। আমাকেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রচলিত ধারার ভেতরে থেকে লিখতে হয়েছে। বিস্তারিত আলাপ হতে পারে, যদি আপনি আপনার মেইল আইডি দেন। আমারটা দিলাম। সময় করে মেইল দেবেন।
monjuraul এ্যাট yahoo.com
মাহী ইসলাম বলেছেন:
এ রকম একটা শিশু কি ভাবে জন্ম নেয় তা বন্ধ করুন আগে।
লেখক বলেছেন:
লেখাজোকা শামীম এর পোস্টটি দেখুন। উত্তর পেয়ে যাবেন।
নিরুপমা বলেছেন:
মনজুরুল ভাই । আপনার এ লেখাটাও স্টিকি হতে দেখে দারুন ভালো লাগছে। লেখকের কলম শক্তিও যে অনেক কিছুই বদলে দিতে পারে সে আপনাদের মত লেখকদের লেখাগুলো দেখলেই বুঝা যায় বেশ।
লেখক বলেছেন:
আমরা খুবই ক্ষমতাহীন মানুষ রে ভাই! এই লেখাটেখাই পারি শুধু। আমার ক্ষমতা থাকলে হয়ত আমিও শোষকদের একজন হয়ে উঠতাম হয়ত!
ভাল থাকবেন।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
উফ! কি মর্মান্তিক। আমি পুরোটুকু পড়তে পারলাম না। সত্যি দেশে যখন তাকতাম, এসব শিশুদের কষ্ট দেখে মন কাঁদতো। দেশের বাইরে এসে উন্নত বিশ্বের শিশুদের বেড়ে ওঠা দেখলে আরও বেশী মন খারাপ লাগে।
লেখক বলেছেন:
তোবড়ানো কদাকার মুখ। শীর্ণ খটখটে হাড় বের করা কাঠামো। শুকিয়ে কুঁচকে যাওয়া দুধহীন স্তন। তিনভাঁজ হয়ে প্রায় মাটিতে মিশে যাওয়া শরীর। পুতুল খেলার বয়সে ভিক্ষার থালা হাতে রুগ্ন শিশু। হাঁড়ভাঙ্গা খাটুনির পর পরম তৃপ্তিতে তলপেটে হাত বোলানো পরিশ্রান্ত গরিব মা..............এই নিয়েই আমাদের পরিবার। আমাদের বসবাস। এর বাইরে আমাদের আর কি আইডেন্টিটি আছে ? কিস্স্যু নেই। সিম্পলি জিরো। মন খারাপ লাগতে লাগতে সয়ে গেছে। রোবটিক এলিমেন্টস হয়ে গেছি।
শুভেচ্ছা রইল।
অলস ছেলে বলেছেন:
চুপ করে থাকলাম। নিজের মেয়ের চেহারাই দেখি।
লেখক বলেছেন: এটাও একধরণের এ্যাডভান্টেজ। অল্প কথায় অনেক কিছু বলে দিলেন। ধন্যবাদ।
লালন অনিক বলেছেন:
ভাবিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন:
আপনাকেও ধন্যবাদ। আপনার ভাবনার আরো বিস্তার ঘটুক। ভাল থাকবেন।
অপ্সরা বলেছেন:
এত কষ্টগুলো নিয়ে লেখো তুমি ভাইয়া।
লেখক বলেছেন:
সেই তো ভাইয়া। একারণেই মনে হয় ফুল, পাখি, লতা-পাতা, প্রেম-ভালবাসা নিয়ে কবিতা লেখা হয়না আমায় দিয়ে। এটাই যে পারি........................................
ভাল থেকো ভাইয়া। তোমার স্কুলে একদিন বেড়াতে যাব। অনুমতি দেবে তো আবার ?
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
আপনার এই লেখাটা আমাকে সারা দিন ভাবিয়েছে। অবশেষে একখান পোস্টাইলাম। Click This Link
লেখক বলেছেন:
আপনার পোস্ট পড়ে কমেন্ট করে এসেছি। চমৎকার লিখেছেন শামীম ভাই।
কৌশিক বলেছেন:
লগইন করতে পারছিলাম না। অনেক মনযোগ দিয়ে একটা লেখা পড়লাম। অনেক দিন পরে। শিশু শ্রমের সুবিধা নিচ্ছি নিজেই। কি আর বলবো।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ কৌশিক। আমারো লগইন সমস্যা হচ্ছিল। কাল এ বিষয়ে আপনার আরো বিস্তারিত মতামত চাই।
আহছানউল্লাহ বলেছেন:
ওহ মনজুরুল ভাই এক অসাধারন লেখা লিখলেন।যখন সিপিউ অন করলাম শুরুতে এই লেখাটি দেখলাম।আসলে ভাগ্যর নির্মম পরিহাস যখন এই শিশুটির হাতে এই বয়সে থাকার কথা খাতা-কলম ঠিক তখনই তুলে নিল হাতুড়ি ভাঙতেছে ইট।আসলে ওর কি দোষ ওরা কি জানে জন্মের পর তাদের এই অবস্থা হবে।কারা দায়ী এই নির্মমতার জন্য?খুজে বের করতে হবে তাদের।
লেখক বলেছেন:
"কারা দায়ী এই নির্মমতার জন্য?খুজে বের করতে হবে তাদের।"
এটা ভাল বলেছেন। এই দায়িত্ব মহামহিম সরকারের। আমরা তাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলাম। এবার তারা তাদের কাজটি করুক।
ধন্যবাদ।
মনজুরুল হক বলেছেন:
প্রিয় ব্লগসাথী, জরুরী কাজে বেরিয়েছিলাম, আবার একঘন্টা লোডশেডিং ছিল। তাই আপনাদের সাথে উপস্থিত থাকতে পারিনি। আশা করি কিছু মনে করেননি আপনারা
অপ বাক বলেছেন:
যদি কোন কারণে কোন শিশু কেঁদে ওঠে, আর সেটা যদি রাষ্ট্রর আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর কেউ শুনে ফেলে সাথে সাথে সেই বাবা-মা কে তলব করে জানিয়ে দেওয়া হয়- শিশুর যত্ন নিতে তারা অপারগ হলে তাকে যেন নিদৃষ্ট দপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।এটা পড়ে আশ্চর্য হলাম বলতে পারি, আসলে এমন বাস্তবতা সম্ভবত কোনো উন্নত বিশ্বের বাস্তবতা নয়। দারিদ্র এবং অভাব, গৃহহীন মানুষ এবং উপোস মানুষ সব দেশেরই বাস্তবতা। এতটা মানবিক হয়ে উঠতে পারে নি এখনও কোনো দেশ।
তথাকথিত উন্নত বিশ্বে কতজন না খেয়ে ঘুমাতে যায়? কতজন রাতে ঘুমানোর জন্য একটা বিছানা পায়, গরম একটা ঘর পায়?
যদিও বিশ্বের বাস্তবতা এমন নয় এরপরও আপনার আঁকা উন্নত বিশ্বের ছবি দেখে আপ্লুত হলাম।
তবে শিশু শ্রমিকদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত রাখা কিংবা গৃহকর্মে নিয়োজিত রাখা তেমন আপত্তিকর বিবেচিত হচ্ছে না আমাদের দেশে।
সাধারণত যে মানুষগুলো এইসব সেমিনারে গিয়ে বড় বড় বুলি কপচাচ্ছেন তারাই নিজেদের ঘরে একটা দুটো শিশু শ্রমিক পুষছেন।
প্রথম আলোর শপথের সাংঘাতিক দিক হলো, এইসব শিশু শ্রমিক নিয়োজিত রাখা সুশীলেরা শিশুশ্রমিকদের শিক্ষিত করবার অঙ্গীকার করেছেন, এবং আমরা লজ্জিত না হয়ে উল্লসিত হয়েছি।
লেখক বলেছেন:
উন্নত বিশ্বেও লাখ লাখ শিশু পথে পথে থাকে। আমেরিকাতেও হোমলেসরা ফুটপাথে থাকে। ইউরোপ-আমেরিকাতেও শিশুরা রাষ্ট্রের সকল সুবিধা পায়না। সেখানেও শিশুরা ধর্ষীতা হয়। প্রাচ্যের অনেক উন্নত দেশেও না খেয়ে মারা যাবার রেকর্ড আছে। উন্নত দেশেও ক্যাপ হাতে ভিক্ষে করার দৃশ্য দেখা যায়....তবে সেগুলো সেই সমাজের কমন চিত্র নয়। ডোমিনেটিং নয়।
আমাদের দেশে এটাই বাস্তবতা। এই "বাস্তবতা" শব্দ ব্যবহার করি আমরা, কারণ এটাই চিরচেনা দৃশ্য। সবাই জানি। নিজেদের চোখে দেখি। অর্থাৎ এটাই আমাদের সমাজের রিয়েলিটি।
লন্ডনের মত শহরে আমারে যৎসামান্য যে ক'জন আত্মিয় থাকে তাদের শিশুরা তাদের দুঃশ্চিন্তা নিয়ে বেড়ে উঠছে না। এ্যাজাইলামের টাকায় আমার এক আত্মিয় একাই চলতে পারেনা বলে তাদের শিশুটি রাষ্ট্রীয় হেফাজতে কনভেন্টে পড়ে। এরকম যদি এক-দু'শ ঘটনার কথাও বলি, সেটাই কি আমাদের এখানে বলতে পারব?
আমাদের এখানেও কোন কোন সংগঠন আল্লাদ করে কোন কোন শিশুকে বা শিশুর দলকে রিহ্যাবিলেট করে। চাইল্ড কেয়ার বা আশ্রমে শিফ্ট করে। তাই বলে সেটা তো এদেশের প্রধান টেনডেন্সি হয়ে ওঠেনি।
আপনি সেমিনারকেন্দ্রীক যে মানুষদের কথা বললেন, তারা হিপোক্র্যাট। এই হিপোক্র্যাটদের কারণেই শিশুশ্রমের ব্যাপারটায় আমেরিকা প্রতিবাদ করে,কারণ এরাই শিশুদের ভাঙ্গিয়ে টুপাইস আয় করে। তার পরেই আমাদের শিল্প মালিকরা তাদের কারখানায় টাঙ্গিয়ে রাখে-----"এই কারখানায় কোন শিশু শ্রমিক নাই"! এটা হলো নির্মানাধীন ভবনের নিচে ছোট্ট সাইনবোর্ড এর মত।" নির্মাণ চলিতেছে, সাবধানে চলুন"।
আমাদের দেশের এমন কিছু ছবি আছে যা দেখলে আমাদের এই মাখো মাখো কথা বন্ধ হয়ে যাবে। পোস্ট ভারী হয়ে যাবে বলে এ্যাড করিনি। পরিসংখ্যান অধিদপ্তর আর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান এর বাইরে, আরো অসংখ্য খবর সংবাদ মাধ্যমে আসে না, সেই সব সংখ্যা যোগ করলে মোটের উপর যে সংখ্যাটা দাঁড়াবে তা নিশ্চিতভাবেই আমাদের মত প্যারাসাইট মিডলক্লাসকে বিদ্রুপ করবে।
আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
দেশী পোলা বলেছেন:
অপ বাক বলেছেন: যদি কোন কারণে কোন শিশু কেঁদে ওঠে, আর সেটা যদি রাষ্ট্রর আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর কেউ শুনে ফেলে সাথে সাথে সেই বাবা-মা কে তলব করে জানিয়ে দেওয়া হয়- শিশুর যত্ন নিতে তারা অপারগ হলে তাকে যেন নিদৃষ্ট দপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
এটা পড়ে আশ্চর্য হলাম বলতে পারি, আসলে এমন বাস্তবতা সম্ভবত কোনো উন্নত বিশ্বের বাস্তবতা নয়। দারিদ্র এবং অভাব, গৃহহীন মানুষ এবং উপোস মানুষ সব দেশেরই বাস্তবতা। এতটা মানবিক হয়ে উঠতে পারে নি এখনও কোনো দেশ। কথা ঠিক, মনজুরুল হক সাহেব এমন এক উন্নত দেশের কথা বলছেন, সেটা ম্যাপে খুজে পাচ্ছি না। এ দেশটা কোথায়?
লেখক বলেছেন:
"দারিদ্র এবং অভাব, গৃহহীন মানুষ এবং উপোস মানুষ সব দেশেরই বাস্তবতা। এতটা মানবিক হয়ে উঠতে পারে নি এখনও কোনো দেশ।"
-----------------------------------------------
আর তাই আমাদের এখানে শিশুদের দিয়ে এই নির্মম অমানবিক শ্রম দিতে বাধ্য করা জায়েজ। এটাই কি বোঝাতে চাইছেন? আপনিতো বিদেশেই থাকেন। একটু চোখ-কান খোলা রাখুন, একটু আসেপাশে তাকানোর চেষ্টা করুন, নিজের চোখেই দেখতে পাবেন।
সেখানে সপ্তায় ১০/২০ পাউন্ড বা ৪০/৫০ ডলার দিয়ে বুয়া পাওয়া যায়না।আপনার শিশুকে ছাতা মাথায় স্কুলে পৌঁছে দেওয়ার "পিচ্চি" পাওয়া যায়না। রাষ্ট্রীয়ভাবেই এইসব শ্রম নিষিদ্ধ করা আছে।
সত্যান্বেষী বলেছেন:
(বি)দেশী পোলা উরফে ছাগলের ৩নম্বর বাচ্চাটা দেখি এই পোস্টেও মুখ দিছে।
লেখক বলেছেন: যার যা কাজ!
মনজুরুল হক বলেছেন:
@সত্যান্বেষী, @দেশী পোলা, প্লিজ স্টে অন টপিক।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
সমাধান নাই।যদ্দিন রুট লেভেলের বাঙ্গালি জনসংখ্যা প্রব্লেম কি জিনিস তা বুঝবে না তদ্দিন এরকম প্রব্লেম চলতেই থাকবে। মিনিটে মিনিটে বাচ্চা পয়দা হবে, তারা বড় হইয়া সস্তা শ্রম বাজারের অংশ হবে...তারপর আমার আপনার বাসায় কাজ করতে আসবে। মালিক ভাল হইলে খাইয়া পইড়া বড় হবে, নাইলে গরম খুন্তি আর রুটির বেলনের মাইর খাইয়া একদিন ছয়তলা থেইকা লাফ দিবে, কিংবা দেওয়াবে! সাময়িক কোনো সমাধানও নাই...কি করবেন? শিশুশ্রম বন্ধ কইরা দিবেন? তাইলে এই শিশুগুলাই সবার আগে মরবে।
অনেক আগে অপরাহর একটা শো দেখছিলাম অশুইৎজের উপ্রে। অশউইৎজের যাদুঘরে লক্ষ লক্ষ মৃত শিশুর জুতা এক কক্ষে প্রদর্শনীর জন্য রাখা ছিল। হিটলারের শিকার ছিল এরা সবাই। সেখানে উপস্থিত নোবেল বিজয়ী কাম হিটলারের ডেরা থেকে মুক্তি পাওয়া এক লেখক বললো, " বেঁচে ফেরা কয়েকশ মানুষ, তার মধ্যে আমি একজন নোবেল পাইছি। মরে যাওয়া এ লাখ লাখ শিশুর মধ্যে থেকে কতোজন নোবেল পেতে পারতো?"
আমাদের ঘরে-কারখানায় আর ওয়েল্ডিং এর দোকানে ধীরে ধীরে মরতে থাকা লক্ষ লক্ষ শিশু থেকে ঠিক কি পরিমাণ আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ-জাফর ইকবাল পাওয়া যেত?
লেখক বলেছেন:
খুব অল্প কথায় আপনার কমেন্টের উপর কথা বলা গেল না। অসাধারণ লিখেছেন।
পরে সময় হলে এ নিয়ে আমরা আলোচনা করতে পারি। লাইন অব থিংকিং প্রায় একই রকম আপনার-আমার। আশা করি আমরা আরো বিস্তারে আলোচনা করতে পারব।
ভাল থাকুন।
সত্যান্বেষী বলেছেন:
(বি)দেশী পোলার ভ্যসেকটমির পোস্টে আমার কমেন্ট নিতাছে না। বিষয়ডা কি বুঝলাম না। নাকি মাইনষেরে ভ্যসেকটমি করাইতে গিয়া শেষ পর্যন্ত হ্যায় নিজেই বিচিহারা হইয়া গেল?@লেখক: সরি ফর গোয়িং অফ-টপিক।
লেখক বলেছেন:
ভয় পেয়েছেন বোধহয়! কিন্তু যদ্দুর জানি তিনিতো ভয় পাওয়া লোক নন! প্রফাইল পিকটিইতো অন্যকে ভয় ধরানোর জন্য যথেষ্ট!!
কি মুশ্কিল! আপনি যাবার আগেই দরোজা বন্ধ ? এখন রবীন্দ্রসঙ্গীত দিয়ে চেষ্টা করতে পারেন......
দেশী পোলা বলেছেন:
@লেখকআপনার পোস্টে কমেন্ট করলে গালিবাজ শুয়োরগুলো রে রে করে তেড়ে আসে কেন? মানবতাবাদের ভড়ং সবখানে কাজে লাগে না, সেই সুশীলতার মুখোশ খুলে দিলে তাদের কষ্ট লাগে বলেই কি?
লেখক বলেছেন:
কারেন্ট চলে যাওয়ার পর এক বন্ধুকে বলছিলাম আপনার কথা। জানতাম ঠিক এমনই একটি কমেন্ট আপনি করবেন। এর আগেও একবার এরকমই করেছিলেন। আমার এই পোস্টে সুশীল নাই। সুশীলরা ঠান্ডাঘরে বসে সেমিনার করে। আমরা চড়া রোদে রাস্তায় হাঁটি। টং দোকানে চা খাই। অতএব মুখোশ খোলার কিছু নেই। মুখোশই নেই, তো খুলবেন কি
আপনাদেরকে অনটপিক থাকতে অনুরোধ করেছিলাম। আপনি ক্যাচাল করতে চাইলে সেটা কয়েকদিনের জন্য স্থগিত রাখুন। পরে অন্য পোস্ট দিলে ফুল রেঞ্জে আসবেন। প্লিজ
লেখক বলেছেন: "মানবতার ভড়ং", "সুশীলতার মুখোশ", এসব কি ? কোথায় পেলেন এই বাছাইকৃত শব্দ ? নিজের মাথায় যা আসে তা-ই বলে দিলে হবে ?
শয়তান বলেছেন:
49 নং মন্তব্যে আমি অবাক খাইলাম ।
লেখক বলেছেন: শুধুই অবাক খাইলেন ?
লেখক বলেছেন:
আপনার কমেন্টে এই পোস্টের সাথে কোন মিল পেলাম না ভাই।
দেশী পোলা বলেছেন:
@লেখক আমার উত্তরটা দিলেন না, আপনার পোস্টে কমেন্ট করলে গালিবাজ শুয়োরগুলো রে রে করে তেড়ে আসে কেন? আর তাদেরকে উপদেশের বাণী শুনাচ্ছেন না কেন? ক্যাচাল তো আমি করিনি, জবাব দিয়েছি মাত্র, আর শুধু কারণে গালিগালাজ করলেও আপনাকে লাল সালাম দিলে সাত খুন মাফ, ঠিক না?
আপনার টং দোকানে চা খাওয়ার কথা শুনে হাসি পেল, বাসায় কম্পিউটার আছে, ইন্টারনেট আছে, ব্লগিং করার অবসর আছে, একটু আধটু কবিতাও লেখেন। আপনার আর সুশীলের মাঝে ঠান্ডাঘর ছাড়া আর কি কি পার্থক্য আছে? উনারাও তো মাঝে মাঝে দোকানের চা খেয়ে গলা বাড়িয়ে বলেন।
লেখক বলেছেন:
বাহ্ ! আপনি তো চমৎকার সম্ভাষণ দিয়ে গালিবাজীর বিরুদ্ধাচারণ করলেন! কাউকেই বাণী-টানি শোনাই না। পোস্ট সংক্রান্ত কিছু থাকলে আসুন। তা না থাকলে নিরবতাই শ্রেয়। আর যদি একান্তই আপনার জিগীষা প্রবল থেকে প্রবলতর হতে থাকে তাহলে আগের মন্তব্যে যা বলেছি, তা আবার রিপিট করলাম:
"আপনি ক্যাচাল করতে চাইলে সেটা কয়েকদিনের জন্য স্থগিত রাখুন। পরে অন্য পোস্ট দিলে ফুল রেঞ্জে আসবেন। প্লিজ"
আপনাকে দাওয়াত দেওয়া হলো। দেশে এলে টং দোকানেই চা খাওয়াব। কোন কথা শুনলেই আগে আপনার মাথায় তাকে বিরোধীতার কথাটিই আসে! অদ্ভুত !!
আপনি ক্রমশ: আক্রমনাত্মক হয়ে উঠলেও আমি ঢোলে বাড়ি দিতে চাচ্ছিনা। কথাটা মনে রাখলে খুশি হব।
লেখক বলেছেন: দয়া করে এটা মনে রাখবেন যে, আপনি এখানে কি কি বললেন। পরে আবার পল্টি খাবেন না যেন। তাচ্ছিল্য আর অবজ্ঞা ব্যাপারটা সব কী-বোর্ড থেকেই সমান ভাবে বেরুতে পারে।
ফর ইয়োর ইনফরমশেন: আমি কাউকে কখনো "উপদেশের বাণী" শোনাই না, কারণ ওই জিনিসটি আমাই দরকার।
আর "লাল সালাম" শব্দটাকে এই যে ব্যঙ্গ করলেন এটাও নোটেড। আপনার সাথে এমন কোন ক্যাচাল করেছি বলে তো মনে পড়েনা, তাহলে বেছে বেছে এইসব খোঁচা কেন মারেন? বলেছি তো; কিছু শুনতে চাইলে ভীন্ন পোস্টে দেখা হবে, এবং শিগগিরই দেখা হবে।
অরণ্যদেব বলেছেন:
এই দেশীটার কান্ডজ্ঞান কবে হবে ?
সত্যান্বেষী বলেছেন:
(বি)দেশী বইলেছেন: বাসায় কম্পিউটার আছে, ইন্টারনেট আছে, ব্লগিং করার অবসর আছে, একটু আধটু কবিতাও লেখেন। আপনার আর সুশীলের মাঝে ঠান্ডাঘর ছাড়া আর কি কি পার্থক্য আছে?তাহলে সুশীল শব্দের সংজ্ঞা দাড়াচ্ছে:
এমন একজন ব্যক্তি যার বাসায় কম্পিউটার আছে, ইন্টারনেট আছে, ব্লগিং করার অবসর আছে, এবং যিনি একটু আধটু কবিতাও লেখেন।
হো হো হো!
লেখক বলেছেন:
কি আর করা! যার যে ভাবে বুঝ।
সত্যান্বেষী বলেছেন:
সত্যি বলতে কি এই কান্ডজ্ঞানহীন দেশীটা কিন্তু ভালই বিনোদন দিতে জানে। ওহ্ তার 'সুশীল-জ্ঞান' দেখে হাসতে হাসতে পড়ে গেলাম। রাম রাম, একজন মানুষ কিভাবে এতটা হাস্যকর হতে পারে?
অরণ্যদেব বলেছেন:
@সত্যান্বেষী। এই দেশীডা যদি দেশেই থাক্তো তাইলে এ্যাদদিন দেশী বলদ না থাইক্যা দেশী গাই হৈয়া যাইত
দেশী পোলা বলেছেন:
মানবতাবাদী নাস্তিকদের বিনোদন দেইখা মজাই লাগে, এতই যদি দরদ থাকে গরীবের জন্য, মাসে মাসে ইন্টারনেটের জন্য ৫০০ টাকা না দিয়া সেই টাকা উপরে ইট ভাংগা মেয়েটারে দাও, নাকি সেইটা করারও মুরোদ নাই? বাপের হোটেলে থাকা হইতেছে এখনও?
অরণ্যদেব বলেছেন:
@দেশী, লন আপ্নের পুস্টে লন। এইহানে বসে মানা কর্সে দেক্লাম। সইত্য, আপ্নেও লন।
মনজুরুল হক বলেছেন:
দেশী পোলা, সত্যান্বেষী, অরণ্যদেব, এনাফ। আমাকে বাধ্য করবেন না কমেন্ট মুছে দিতে। এরপর আমি কমেন্ট মুছে দিতে বাধ্য হব। এই অনুরোধ রাখবেন আশা করি।
সত্যান্বেষী বলেছেন:
লন যাই, কিন্তু হের ঘরে কিসের যেন বোটকা গন্ধ। নাক মুখ বন্ধ কইরা কমেন্ট দিতে অইব।
শয়তান বলেছেন:
অফটপিক ক্যাচালে পোস্ট শ্যাষ ।
এখন আমরা আগে নিজেদের কিভাবে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বি করব সেই বড় সমস্যাটা আগে ছোট ছোট টুকরো করে সমাধান করা দরকার, তারপর অনেক সমস্যা আপনাতেই মিটে যাবে । সুতরাং কোনটা আগে, ডিম না মুরগী ? তা ঠিক করা দরকার ।
সবাই ভাল থাকবেন ।
লেখক বলেছেন:
আমাদের অর্থনৈতিক মান কিন্তু আগের চেয়ে এখন অনেক ভাল। জিডিপি তেমন একটা না বাড়লেও মানুষের লাইফস্টাইল বদলেছে। মানুষের চিন্তার জগত আরো উন্মূক্ত হয়েছে। অথচ তার কি কোন ছিটেফোটা আমাদের আচরণে দেখা যায় ? গরিবদের শোষণের বেলায় কি সেই উন্নতির ব্যারোমিটার অনুকরণীয় হয়ে ওঠে ? না, ওঠে না। এখানেই পুঁজির শোষণ একচেটিয়া রুপ ধারণ করে মানুষকে স্রেফ সেলেবল কমোডিটিজ করে দিয়েছে।
আপনাকে ধন্যবাদ বিষয়ের গভীরে আলোচনার জন্য।
সত্যান্বেষী বলেছেন:
আমার মতে ডিম আর মুর্গি দুটোকে একসাথে এড্রেস করতে হবে। অর্থাৎ অর্থনীতির উন্নয়ন এবং পাশাপাশি এই শিশু শ্রমিকদের জন্যও সক্রিয় কিছু করার চেষ্টা চালাতে হবে। ধরি, অর্থনীতির ব্যপক উন্নতি করতে করতে এইসব ধ্বসে যেতে থাকা শিশুরা জীবনকে বিন্দুমাত্র বুঝে উঠার আগেই নিভে গেল, তাহলে সেই উন্নয়ন তাদের কি কোন কাজে লাগবে? আবার অর্থনৈতিক উন্নয়নটাও জরুরী।
লেখক বলেছেন: চমৎকার বলেছেন সত্যান্বেষী।
মানব সম্পদের উন্নয়ন ছাড়া কোন কিছু সম্ভব নয়। তার আগে মানব বৃদ্ধিকে বাঁকা চোখেই দেখা হবে। আর এই মানব সম্পদের উন্নয়ন এই জনপদে, এই পরিসরে পুঁজিবাদীদের পক্ষে কার সম্ভব নয়। তাদের লিমিটেশন এসে গেছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার তোড়কেই তারা তাদের সোকল্ড মুক্তবাজার দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। আর পারবেও না।
মূল বিষয়টাই হলো এ্যাড্রেস করা। সেখানে ভ্রান্তি হলে অন্য সব ক্ষেত্রেই ভ্রান্তি হতে বাধ্য।
অরণ্যদেব বলেছেন:
সত্যান্বেষীর লগে একমত। তয় আমি যেইডা বুঝি, শিল্প বিকাশ হোউক আর যাই হোউক শিশুগো এইরোম খাটানি চলব না। এইটা লাষ্ট্র থিক্কা আইন কৈরা বন্ধ কর্তে হৈব। বাবার আয়ের পথ সুগম হৈলে সেই বাবা তার ছেলেরে এমুন কামে পাঠাব ক্যান।
লেখক বলেছেন: ব্রাভো গাইজ।
মনজুরুল হক বলেছেন:
এখনকার মত বিদায় নিতে হচ্ছে।
৬ ঘন্টা পরে আবার দেখা হবে।
ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন সকলে।
লাশ বলেছেন:
নির্মম বাস্তবতা।
লেখক বলেছেন: নির্মম বাস্তবতা। ঠিক। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই বাস্তবতা কি লালন করে চলতে দেওয়া উচিৎ? নাকি এর থেকে পরিত্রাণ দরকার ?
মনির হাসান বলেছেন:
"না কান্নাকাটির কোনও এপিসোড নেই, ফলে গল্পে দু:খ নেই।"
অসাধারন পোস্ট এবং এর কমেন্টগুলো ....
আসুন সকলে ... শুধু দর্শকের গ্যালারি নির্বাক বসে না থেকে যার যার অবস্থান থেকে চেষ্টা করি যেন তারা ভালো থাকে ...
অদৃশ্য, অস্ফূট একটা শপথ নিলাম মনজু ভাই ...
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন:
দরিদ্র পরিবার গুলোতে যৌনাচার যখন একমাত্র বিনোদন নতুন সন্তান তখন অনিবার্য। এভাবে একটি অপরিকল্পিত পরিবারে বেড়ে ওঠা শিশুরাই শ্রম বিক্রি করে ক্ষুধা নিবারন করে। কাজ ঝুকিপূর্ণ অথবা নিরাপদ যায় হোক না কেন, শিশুরা কাজ করবে এই বিষয়টাই মানতে পারি না। কোন শিশুকে যখন চায়ের দোকানে কাজ করতে দেখি তখন শ্রদ্ধায় বুক ভরে যায় এই ভেবে যে কত যুবক তার পরিবারের কাছে বোঝা, কিন্তু এই শিশুটি দিব্বি তার পরিবারকে সাহায্য করে যাচ্ছে, আবার যখন নিজের শৈশবের কথা ভাবি তখন একটা কষ্ট চাপতে হয় গলার ভেতর। এই বয়সে কত ছুটোছুটি করেছি, কত রকম খেলা অথচ এই শিশুটি সারাদিন খাটছে, কখনও মালিকের বকাবকি কখনও কাষ্টমারের মুখ ঝ্যামটা।
আমার কাছে মনে হয় এরশাদের পথকলি ট্রাষ্ট একটা ভাল উদ্যোগ ছিল। তবে চোরের দল গুলো সব জায়গায় দূর্নীতি করে বলেই ভাল উদ্যোগ গুলোর ভাল দিকটা ম্লান হয়ে যায়। কিছু এতিম খানা কিছু শিশুকে রক্ষা করলেও যারা এতিম নয় এমন অনেক শিশুই শ্রম দিতে বাধ্য হয় তার পারিবারিক চাপে, এই শিশু গুলোর দায়ীত্ব সরকার পথকলি ট্রাষ্ট এর মত কিছু প্রকল্পের মাধ্যমে নিতে পারে।
লেখক বলেছেন:
বাবু>বাবুয়া>বাবুই।
আপনার কমেন্টে বড় একটি আলোচনা লিখেছিলাম। নেট ঝামেলায় মুছে গেল। একটু লগঅফ করছি। ফিরে এসে আপনার থ্রেডে আবার মন্তব্য লিখব। ভাল থাকুন।
সুইট ভাই বলেছেন:
একই দেশে শিশুর দুই ধরনের কান্না, কেউ ক্ষুধার জন্য কাঁদে আবার কেউ খাবেনা তাই কাঁদে।...... আমরা প্রত্যেকেই আমাদের পাশের একটি শিশুকে যে যেভাবে পারি সাহায্য করি।
সুন্দর একটি লেখার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
ঠিক বলেছেন। "একই দেশে শিশুর দুই ধরনের কান্না, কেউ ক্ষুধার জন্য কাঁদে
আবার কেউ খাবেনা তাই কাঁদে।......"
কেউ বার্গার চায়, কেউ ভাত চায় শুধু।
কেউ ভাত পায়না শুনে "বার্গার খেলেই পারে" বলে সমাধান দেয়
কেউ পান্তাভাতে আরো একটু পানি ঢেলে একজনের খাওয়া তিনজনে খায়!
নীল-দর্পণ বলেছেন:
সাবার ই যার যার অবস্থানে থেকে এদের জন্য কিছু একটা করা দরকার।খুব ভাল লাগল। অনেক ধন্যবাদ সুন্দর একটা লেখার জন্য।
লেখক বলেছেন:
সোজাসাপ্টা সাদাসিদে এই ধরণের চিন্তা আমরা কেন করতে পারিনা ? এই যে আপনি কি সহজ করে সমাধান দিলেন। এটাওতো এক ধরণের সমাধান। আপনার ইচ্ছাকে শ্রদ্ধা।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
অনেক কিচু তাত্বিক ভাবে বলা খুব সহজ , বাস্তবায়ন ....উফএই যে মানুষ মানুষে পশু তুল্য বৈষম্য .সে তো আদি অনন্ত ........অবধারিত সত্য এবং কষ্টদায়ক ইতিহাস ও ঐতিহ্র মানব সভ্যতার.........
কত কিচু বলা যায় , দেয়া যায় কত উদাহরণ..........
আমার বাসাতেও একটি ১২/১৩ বছরের ছেলে গৃহসহায়ক হিসেবে কাজ করে
আমার মাতা তাকে এক আরবী শিক্ষীকার কাচে কোরআন শরীপ পাঠ করা শেখায়
আমার খুব ইচ্ছে তাকে লেখাপড়া শেখানোর ..কিন্তু আমি ব্যর্থ ..নানান কারনে ...........একটা মুল কারন গৃহস্থ কর্মের পরে ঐ ছেলের আগ্রহ না থাকা
মা জানের উন্মাষ....
তবে একট ভাল লক্ষণ , তাকে কখনো পাকের ঘরে শুতে হয় না..খাটেই শুতে পারে............
কিছু করার নেই ............তাকে কাজের ছেলে নিয়তি বানিয়েছে...
আমার মত নিযতি তাকে মধ্যবিত্ত ঘরে জন্ম দেযনি....
তার মা বাবা তাকে বোজা ভাবার ধারনা পোষন করে কাজে বাধ্য করেছে ..সেটাও সমাজের বৈষ্যম্যতার ফল...
কিছুই করার নেই..
শুধু করার আছে তাকে একটু ভাল ব্যবহার প্রদান..
সেটাই করতে না পারলে আমি অমানুষ ..............
গতকার একটা রেদ মেশিনের দোকানে একটা পুচকেকে অমানুষিক পরিশ্রম করতে দেখে আমার মায়া উথলে ওঠে ...কিন্তু আমি কিছুই করতে পারিনি
আমার বুর্জোযা ধ্যান ধারনা তখন হঠাৎভাবিযেছে ইস এটা চবি তুলতে পারলে দারুন হত ...এইখানে পোষ্টানো যেত
কত বড় হিপোক্রেট আমরা বুর্জোযা শিক্ষিত সভ্য মধ্যবিক্ত বুদ্ধিবৃত্তির মানুষ ....
প্রকৃতি বৈষম্য চেযেছে , চাচ্ছে .............সেলুকাস সভ্যতা
লেখক বলেছেন: গুড থিংকিং।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
কিছু কিছু পোস্টে কি কমেন্ট করবো বুঝে পাই না। তার চাইতে বরং নিজে কি করতে পারি তাই বসে বসে চিন্তা করি।
একটা গুড নিউজঃ
আমাদের বুয়ার দুইটা মেয়েই হাইস্কুলে পড়ে। অল থ্যাংক্স গোজ টু আরাফাত ভাই (বাসার সিনিয়র সিটিজেন।); তিনিওই এই উদ্যোগটি নিয়েছিলেন। এরকম কিছু যা পারা যায় সামর্থ্যে 'আপাতত' করা যায়।
লেখক বলেছেন:
এই কথাটিই এই পোস্টে মূল সুর। আমরা রাতারাতি এতগুলো শিশুকে তাদের কাজের ক্ষেত্র থেকে তুলে অন্য কোথাও প্রভাইড করতে পারব না। ৩৫ থেকে ৪০ লাখ শিশুর ব্যাপার! এক্ষেত্রে আপনার উদ্যোগটি খুব ভাল আপাত সমাধান হতে পারে। আমার মনে হয় আপনার এই কথাটিই পোস্টের সবচেয়ে অবিতর্কীত সমাধান। আমরা এখন এটা নিয়েই আর একটা নতুন ক্যাম্পেইন শুরু করতে পারি কিনা ভেবে দেখা দরকার।
ধন্যবাদ রইল। আশা করি ভাল আছেন। অনেক দিন পর দেখা হলো। কামনা করি সবকিছু মিলিয়ে ভাল ছিলেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আজই আপনাকে মেইল দেব।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
ভাইরে ভাই, কিছু দিন আগে আহসেপাহসের ইটের ভাটায় গেছিলাম। ঐখানে এরকম যারা কাজ করে তাদেরকে আমার মানুষ মনে হয় না! মনে হইলো আমি পুরায় আফ্রিকার কোনো দুর্ভিক্ষ পীড়িত দেশে আইসা পড়ছি!
নূহান বলেছেন:
ব্লগে কিছু হবে না । আপনি দায়িত্ব নিতে পারবেন ১০টা শিশুর । যদি না পারেন তাহলে কিবোর্ড দিয়ে খালি হাতি ঘোড়া মারবেন । ব্লগে হিট বাড়বে । পোষ্ট স্টিকি হবে । জনপ্রিয় হবেন । এর বাহিরে কিছু হবে না । শিশুশ্রম থাকবে । হয়তো বা খোজ করলে দেখা যাবে আপনার ঘরে কিংবা আপনার কোন আত্মীয়ের ঘরে শিশু শ্রমিক আছে । আগে নিজে ঠিক হোন তারপর বুকে হাত দিয়ে বলেন আপনার কোন আত্মীয়ের ঘরে কোন শিশু শ্রমিক নেই । তারপর ব্লগে এ নিয়ে বলেন ।
লেখক বলেছেন:
অর্থাৎ আপনার কথার মর্মার্থ হচ্ছে ব্লগে এই পোস্ট দেওয়ার আগে
"আমার বাড়িতে কোন শিশুশ্রমিক নাই,আমার নিকটাত্মিয়দের বাড়িতেও নাই। এই মর্মে উচ্চক্ষমতসম্পন্ন তদন্ত কমিটি দিয়ে তদন্ত করিয়ে, সেটা এফিডেভিট করিয়ে সেই কপি আপনার কাছে জমা দিয়ে তারপর লেখাটি পোস্ট করা উচিৎ ছিল!"
ভুল হয়ে গেছে ভাই! আমার বোঝা উচিৎ ছিল "আমি তো বুকে হাত দিয়ে ঘোষণাপত্র পাঠ করলাম না! যথার্থই বলেছেন আপনি।
পোস্টের ওপর দিকে একটা লাল বোতাম আছে। আপনার খুব আপত্তি হলে ওটা ব্যবহার করতে পারেন। ধন্যবাদ দূর পরবাসের বন্ধু।
নূহান বলেছেন:
২য় মাইনাচ আমার । এসব আমার কাছে ভন্ডামি মনে হয় । ব্লগে এই করেঙ্গা সেই করেঙ্গা না বলে বাস্তবে কিছু করে দেখান যা দৃষ্টান্ত হিসেবে থাকবে । আপনাকে দিয়ে শুরু করেন ।
লেখক বলেছেন:
আপনার কাছ থেকে এমন একটি কমেন্টই আশা করেছিলাম। আমার প্রত্যাশার চেয়ে একটু দেরিতে আসল এই যা। কমেন্টের জন্য অভিনন্দন নিন।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
নূহান বলেছেন: ২য় মাইনাচ আমার । এসব আমার কাছে ভন্ডামি মনে হয় । ব্লগে এই করেঙ্গা সেই করেঙ্গা না বলে বাস্তবে কিছু করে দেখান যা দৃষ্টান্ত হিসেবে থাকবে । আপনাকে দিয়ে শুরু করেন ।কমেন্টখান কাটখোট্টা হইলেও আমার মনে ধরছে! কথাডা খারাপ কয় নাই নুহান ভাই!
সত্যান্বেষী বলেছেন:
@নূহান: ১. আমরা অন্তত আমাদের বাড়িতে বা আমাদের কারখানায় কাজ করা শিশুটিকে হালকা শ্রমের কাজে নিয়োগ দিতে পারি।
২. বিষাক্ত কারখানা থেকে শিশুদের সরিয়ে এনে আমরা অফিসের টুকটাক কাজে লাগাতে পারি।
৩. আমার শিশুটির হাত ধরে তাকে যখন স্কুলে পৌঁছে দিচ্ছি, তখন যেন একটিবারের জন্যও এই হতভাগা শিশুদের কথা ভাবি। কারণ মানুষই সমাজ নির্মাণ করে। আপনার-আমার শিশুটির সাথে যেন ওরাও বেড়ে উঠতে পারে। আর সেই আরাধ্য দায়িত্ব কি আমাদের উপরই বর্তায় না ?
উপরের আহবানগুলোর কোথায় হেন করেঙ্গা তে করেঙ্গা দেখলেন, কোথায় ভন্ডামী দেখলেন একটু বুঝিয়ে বলবেন কি?
সত্যান্বেষী বলেছেন:
@নুহান: 'আগে নিজে ঠিক হোন তারপর বুকে হাত দিয়ে বলেন আপনার কোন আত্মীয়ের ঘরে কোন শিশু শ্রমিক নেই।' এই কথা কি আপনি পোস্টটি পড়ে বললেন না কি না পড়েই? নিচের লাইনটি থেকে মনে হয় তিনি বাসায় শিশু শ্রমিকের বিরুদ্ধে? নাকি ওদেরকে হালকা কাজ দেয়ার কথা বলেছেন?
পোস্ট থেকে কোট: '১. আমরা অন্তত আমাদের বাড়িতে বা আমাদের কারখানায় কাজ করা শিশুটিকে হালকা শ্রমের কাজে নিয়োগ দিতে পারি।'
তাহলে কি ধরে নিব - বিশেষ কোন ব্যক্তি বিদ্বেষ থেকে লেখককে অপদস্থ (যা আসলে খুব একটা সফল হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না) করাই আপনার মূল উদ্দেশ্য?
সত্যান্বেষী বলেছেন:
@ নূহান, উদাসী স্বপ্ন: উপমার বিষয়টায় লেখকের অবদান ব্লগের প্রায় সবাই জানে। এবং দীর্ঘদিন স্টিকি থাকা সেই পোস্টটির নীচে কোথাও আমি লেখকের উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করে কোন মন্তব্য দেখিনি। তাহলে আজ সেই লেখকের পোস্টের মূল বক্তব্যে না গিয়ে একেবারে ব্যক্তি পর্যায়ে আক্রমন (আপনি নিজে শিশু শ্রমিকদের সাথে কি আচরণ করেন? ইত্যাদি) কি একটি হীন ষড়যন্ত্রের দিকেই অঙ্গুলী নির্দেশ করে না?
কৌশিক বলেছেন:
এই পোস্ট হাজার মানুষের চিন্তাকে আরো একটু শিশুশ্রমের বিপক্ষে পরিচালিত করবে - পোস্টের সার্থকতা এটাই। আপনি কি করলেন না করলেন সেটা দেখার বিষয় আমার নয়। আপনি অনুপ্রানিত করতে পারছেন এটাই সবচেয়ে বেশী দরকার। নিজের ক্রিয়া খোলা-বাজারে দেখানোর কোন প্রয়োজন নেই। টুপি খোলা অভিননন্দন।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস আ লট ম্যান।
ব্যতিক্রমী বলেছেন:
চালাক তুমি ছল করে তাই
দিচ্ছ ফাঁকি আমায়।
আমার মধ্যে আটকে আমি
যাচ্ছে চলে সময়।
হুড়মুড়িয়ে সব কিসের তাড়ায়
মরছি ছুটে সবাই;
ভীড়ছি দলে ভাবছি না তো
তোমার কাছে কি চাই?
(অর্ণব)
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
আমি সাধারণত স্টিকি পোস্টে ঢুকিনা। পোস্ট স্টিকি হওয়ার আগেই আমার মতামত যা দেওয়ার দেই।কিন্তু এইখানে দেখছি লেখককে বাটে ফেলনের্লিগা কয়েক্জন পুরা রেডি হৈয়া বৈয়া রৈছে। ভালু ভালু।
@দণ্ডিত পুরুষ- নিজ নিকে আইতে কি শরম্লাগে? নাকি ভয় লাগে? আপ্নের নিজের কিছু কতা কওনের্নাই অন টপিকে? হাচা কতা মিজাজ খারাপ হৈয়া গেসে আপ্নেগো কয়জনের ভন্ডামী দেক্তে দেক্তে। আপ্নে নুহান্রে সাপোট দিলেন। তার আগে কি লেখাডি পৈড়া দেকছেন? লেখক্কি কৈতে চাইছে লেখাডিতে?
@মন্জুভাই- সরি আমি একেবারে অফ টপিকে কথা বল্লাম।
আচ্ছা সামুতে কি এরাম কোনো অনুরোধ করনের উপায় আছে, যেইখানে পোস্ট ইস্টিকি করা না হৌক বৈলা অনুরুদ করা যাইবো? আপ্নের পোস্ট যারা পড়নের তার খুইজা নিয়া পর্বো। বাইন্ধা পড়ানির কুনৈদর্কার নাই।
লেখক বলেছেন: শুনছি কিসের ল্যাজ নাকি হাজার তেল দিলেও সোজা হয়না!!
বিবাগী পুরুষ বলেছেন:
@ কাক-লেখককে অপ্রস্তুত বা বিব্রত করার কোনো কারণ নেই। লেখক নিজের আচরণের দ্বারা নিজেই বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়েন। ওনি ভিন্নমতালম্বীদের একেবারেই পছন্দ করেন না। শুধু তাই নয় ভিন্নমতালম্বীদের নিজের গেস্টাপো বাহিনী দিয়ে ইচ্ছেমতো শাসন করেন। এতে ওনার স্বৈরাচারী মানসিকতার প্রকাশ পায়। লেখকই এখানে ক্যাচালে গালিবাজদের উৎসাহিত করেছেন। কে জানে ওনিও আপনার মতো মাল্টিনিকধারী কি না! এক ক্লেনের লোক বলে কথা। আপনার সমস্যা কি ভাই, আপনি আমাকে অন্য নিকের মনে করছেন কেন? নাকি নিজেকে দিয়ে সবাইকে বিচার করেন? আমি সবসময় চামচাদের এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। আর এই ব্লগে আপনার চামচামি সর্বজনবিদিত। ঠিক আছে, চামচামি চালিয়ে যান....! দেখুন আপনার পোস্টও স্টিকি করাতে পারেন কি না।
ধন্যবাদ।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
সত্যান্বেষী বলেছেন: @ নূহান, উদাসী স্বপ্ন: উপমার বিষয়টায় লেখকের অবদান ব্লগের প্রায় সবাই জানে। এবং দীর্ঘদিন স্টিকি থাকা সেই পোস্টটির নীচে কোথাও আমি লেখকের উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করে কোন মন্তব্য দেখিনি। তাহলে আজ সেই লেখকের পোস্টের মূল বক্তব্যে না গিয়ে একেবারে ব্যক্তি পর্যায়ে আক্রমন (আপনি নিজে শিশু শ্রমিকদের সাথে কি আচরণ করেন? ইত্যাদি) কি একটি হীন ষড়যন্ত্রের দিকেই অঙ্গুলী নির্দেশ করে না?
হোয়াট এভার ইউ আর- আমি আমার মন্তব্য জানাইছি। আমার মন্তব্যের জন্য আমার একখান যুক্তি যথেস্ট সেইটা হইলো এইসব শিশু শ্রমিক দের নিয়ে অনেকেই কাজ করছে। নাম বললে লিস্টে ১০ -১২ টা সংস্হার নাম উঠে আসবে। পথে চলতে ফিরলেই এই সব সংস্হার নাম দেখা যায়। আমি নিজেও এরকম বেশ কয়েকটা সংস্হার সাথে প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত ছিলাম। এই ব্লগে আমার কিছু জিনিস খারাপ লাগে যার মধ্যে একটা জিনিস হইলো হিজড়ামি!
কিছু মানুষ আছে যারা শুধু করে, বোলগে আইসা স্টিকি করনের লিগা হিট করা বাড়ায় না। আর আমি আমার নিজের কাজ নিয়াও তেমন কথা বলি না। যেহেতু আমারে নিয়া কথা বলছেন তাই আমি আমার ভাষায় জবাব দিলেন! করার আছে অনেক কিছুই, কিন্তু আমরা ব্লগে আইসা ন্যাকা কাদি!
একবার এই ব্লগের এক পোলা কইছিলো সে রাস্তায় দেখলো কুত্তার এক ঠ্যাং এর উপর দিয়া গাড়ীর চাকা উইঠা গেছে।, সেইটা দেইখা খুব বেদনা বিধুর পোস্ট দিছিলো, তখন আইজুদ্দীন আইসা কইলো খালি দেইখাই আইলা আর বুলগে পুস্টাইলা। কিছু না কইরা চূড়ি ফিন্দা আছিলা?
এইডা আমারও কথা!
ভালো থাকেন!
সত্যান্বেষী বলেছেন:
@উদাসী স্বপ্ন: আপ্নার কথা থেকে মনে হচ্ছে আপনি এ বিষয়ে সুনিশ্চিত যে পোস্টের লেখক কোন একজন শিশুশ্রমিকের পক্ষে কখনোই কিছু করেনি। আপনি কিভাবে এতটা নিশ্চিত হলেন বলবেন কি?
লেখক বলেছেন: ভাল বলেছেন।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
তা জানি না। তবে এইখানে এইসব তাংফাং না লেইখা কি করন যায় এবং আসলেই এই সব শিশুদের দ্রুতই পুনর্বাসন করা যায় সেই বিষয়ে সুনিশ্চিতভাবে কিছু লেখা থাকতো। এইখানে মানবিক মানুষের কাজ নিয়া তাংফাং থাকতো না। কারন সবারই কিছু না কিছু প্রবস আছে। সময়টা ভালো না, তাই এইসব কথা দেখলে ৫-৬ এর রচনায় লেখা কিছু ডিসাভ্যান্টেজ আর রিমিডি লেখনের কথা মনে হয়।এখন বড় হইছি, বাস্তব সম্বন্ধে জ্ঞান হইছে, এবং প্রতিকার গুলা আসবে সেই আলোকেই। এইসব বাউক্কা সল্যুশন সবাই দিয়া আইছে মাগার তাতে কোনো লাভ নাই। তার চেয়ে সত্যিকার ভাবে ইফেক্টিভ কিছু করলে এইসব বাউক্কা পোস্ট আইতো না!
আমি মনে হয় বুঝাইতে পারছি!
আরিফুর রহমান বলেছেন:
ভালো লেখেছেন। তবে ভালো কথা বাঙালী কোনদিন খায়নি, খাবেও না। তবে যারা লেখককে 'কিছু একটা করে দেখাবার' উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছেন... তাদেরকে একটু নিজেদের আমলনামা আগে দেখাতে আহ্বান জানাচ্ছি।
আমরা সবাই উপমার চিকিৎসায় নিরন্তর খাটুনি দিয়ে যাওয়া এই লোকটাকে দেখেছি।
তারপরেও আরো উদাহরন চাইছেন আপনারা। বাঙালী চরিত্রের কি চমৎকার নমুনা!
বিবাগী পুরুষ বলেছেন:
@আরিফুর রহমান বলেছেন: ভালো লেখেছেন। তবে ভালো কথা বাঙালী কোনদিন খায়নি, খাবেও না।আপনি কি? অবাঙালী?
আর, এক উপমার উপমা উপমা বেচে আর কতদিন খাবেন আপনার গুরু? শেয়াল পন্ডিতের পাঠশালা র কথা মনে পড়ে যায়।
মনজুরুল হক বলেছেন:
এই পোস্টে যারা পড়তে এসে লেখকের আহ্বানের সাথে সহমর্মী হয়েছেন তাদেরকে অভিনন্দন।
এই পোস্ট পড়তে এসে যারা বিরক্তবোধ করেছেন, তাদের বিরক্তি উপহার দেওয়ার জন্য আমি দুঃখিত। নিজগুণে মার্জনা করবেন।
এই পোস্ট পড়তে এসে যারা শিশুদরে মানবেতর দুর্দশা দেখে ব্যথিত হয়েছেন, নিজেদের বিবেকের দংশন অনুভব করেছেন, তাদের স্যালুট।
এই পোস্ট পড়তে এসে যারা কটাক্ষ করে হলেও কিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, তাদের পরামর্শ শিরধার্য।
এই পোস্ট পড়তে এসে যারা অনেক কষ্ট স্ক্রিনশটসহ পোস্টের অসারত্ব বোঝাতে চেয়েছেন, তাদের অবদান চিরস্মরণ থাকবে।
এই পোস্ট পড়তে এসে যারা লেখককে সমর্থন করেছেন, তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা।
এই পোস্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে স্টিকি করায় কর্তৃপক্ষকে অভিনন্দন এবং কৃতজ্ঞতা।
এই পোস্ট যথাযথ সময়ে আনস্টিকি কারায়ও কর্তৃপক্ষকে অভিনন্দন ।
---------------------------------------------------------------------------
আপনারা সকলে ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন। আমাদের ওই হতদরিদ্র শিশুরা যেভাবে বেঁচে আছে, সেভাবেই আরো অনেকদিন বেঁচে থাকবে। আমার মত তুচ্ছ একজন মানুষ তাদের জন্য কী করল কি না করল তার থোড়াই কেয়ার করে তারা! তারা হাতের মুঠোয় প্রাণ নিয়ে বাঁচে।বাঁচবে।জীবন কখনোই থেমে থাকেনা।থাকবেও না।
মনির হাসান বলেছেন:
হা হা হা হা হা হা ... দারুন মজা পাইলাম নুহান আর উদাসীর প্রতিক্রিয়ায় ...এরেই বোধহয় বলে ... বিরোধিতার স্বার্থে বিরোধিতাছোটবেলায় কাজলের একটা কৌতুক শুনতাম, "কলা অতো ছুইল্লে ক্যানো বুজায় দ্যাও" ... হা হা হা হা হা হা হা
নূহান বলেছেন:
বিরোধিতার স্বার্থে বিরোধিতা আমি করি না । আমার মনে হয়েছে যা তাই বললাম । গরীবের অসহায়ত্ব পুঁজি করে সবাই লাভবান হয় । এটা সর্বত্র ঘটে । ফটোগ্রাফার,রাজনীতিবিদ সবাই এমনকি ব্লগাররাও বটে । আমি আমার মত প্রকাশ করলাম । আমারটা সবার ভাল নাও লাগতে পারে । এটাই বাস্তবতা ।
দেশী পোলা বলেছেন:
@বিবাগী পুরুষ : ছাগাফুর আর বাঙালী নাই, সে বিটিস হইয়া রাণী এলিজাবেথের সাথে ইটিশ-পিটিশ করতাছে@লেখক: আপনি একবার উট আর ঢিলা দিয়ে আরবদের জন্মনিয়ন্ত্রনের গপ্প বলেছেন। আপনার বলা সেই পদ্ধতি গরীব সন্তানদের "অমানবিক জন্ম" ঠেকাতে ব্যবহার করার প্রস্তাব করুন। গরীবের পোলাপান না হলে সমাজে অসহায় লোক কমবে, আর অসহায়ত্বকের পুজি করে খাওয়া সুশীলরা তখন অন্য কিছু করে সমাজ বদলের চিন্তা করবে। যে দেশে সমাজতান্ত্রিক দলের নেতারা কোটি টাকার বাড়িতে থাকেন, সে দেশে গরীবকে নিয়ে পোস্ট কেবল স্টিকিই করা হবে, গরীবের জন্য কিছুই হবে না। এটা নিয়ে ব্লগার সোজা কথা একটা পোস্ট দিয়েছেন, পারলে পড়ে আসবেন
http://www.amarblog.com/bdmukto/61805
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
দারুণ। এত দিন পরে পড়লাম। স্টিকি থাকলে সাধারণত পড়ি না। আজকে পড়লাম। দারুণ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আকাশ_পাগলা।
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
দেশীপুলা আর দণ্ডিত পুরুষের প্রবটা কৈ? আপ্নেগোর কোনখানে চুল্কায়?ইসপেশালী দণ্ডিত সাব্রে কৈ নিজের পিছন্ডি সামলায়া লৈয়ো। ফাত্রামী করনের যায়গা পাওনা? তুমি বাল্টা উপমার লিগা কি কর্ছো? মন্জু ভাইয়ে উপমারে বেইচা কি খাইছে কৈ খাইছে কৈয়া যাও। াবাল কুন্হান্কার।
গ্রাম দেশে এক্টা কতা আছে ভাত দেওনের মুরোদ নাই কিল মারনের গোঁসাই আইছে। তুমারে দেইখা প্রবাদডি বাস্তবে দেক্তার্লাম।
তুমি ২৫ তারিখে গুল্শানে আইসো। সাহস কৈরা নিজের নিকডিও কৈয়ো। তুমি আর তুমার দুস্তো মিল্লা যে চাইর/পাঁচডি নিক চালাও সেগ্লা আমি চিনি। ঠিকাছে? অতএব খিয়াল কৈরা।
আগের এক্টা কমেন্টে কৈছো আমি চামচামী করি আর সেডি সবতে জানে। রেফারেন্স দাও োদনা। দেখাও আমি কৈ চামচামী কর্ছি। তুমি যে দণ্ডিতৈ হেডি সম্পর্কে শিউর হৈলাম ঐ কমেন দেইখা। পিছলাইতে পার্বা না। আর আমার মাল্টি নিকের কতা সবাই জানে। হেডি লৈয়া খুঁচায়া কিসু কর্তে পার্বা না।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
এই ধরনের পোস্ট পড়ি- আক্রোশিত হই, তারপর দীর্ঘশ্বাস!
লেখক বলেছেন: সেটারও বোধহয় এখন রাশ টেনে ধরতে হবে!
মনির হাসান বলেছেন:
প্রিয় নুহান, জয়নুল দূর্ভিক্ষের ছবি একেছেন বটে তাতে গরীবদের পেটে ভাত ওঠেনি ... বোঝাই যাচ্ছে আপনার ক্ষোভ'টা অন্য জায়গায় ... তার সমধান অন্য উপায়, এবং তা ব্যাপকভাবে আলাদা পোস্টে আলোচনার দাবী রাখে ... কিন্তু একটু খেয়াল করে দেখুন ... এখানে (সত্যম্বেষী আর দেশী পোলার ব্যাক্তি কোন্দল ছাড়া ) রাতারাতি আলোচনার মোড় ঘুরে গেছে আপনার কমেন্ট খানার পরেই ... সুযোগ পেয়েছে উদাসী স্বপ্ন আবোল তাবোল বলার আর ... আরো দেখুন বিবাগী পুরুষের উদ্যেশ্যবাজ মনতব্য গুলো .... কি বুঝলেন ?
চন্ডাল শুয়োড়গুলো অত পেতে থাকে আমাদের চারপাশে ... তাদের সুযোগ করে দেই আমরাই ... আমাদের ক্ষুদ্রতা দিয়ে ...
ভালো থাকুন ...
অনুপ্রবেশ বলেছেন:
দীর্ঘশ্বাস কেবল বাড়ে !
সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন বলেছেন:
মুক্তি হোক গৃহবন্দী শিশুদের। যারা চার দেওয়ালে মাঝে একান্ত অপারগ হয়েই কাটাচ্ছে শৈশব ভিডিও গেমস, টেলিভিশন অথবা কম্পিউটার নামক যন্ত্রটাকে সাথে করে।
উন্নয়ন-পরিকল্পনা যদি হয় শুধুমাত্র বাণিজ্যিক বিবেচনায়, তাহলে তা এই শহর ও শহরের প্রতিটি মানুষকে পণ্য বানাবে।
আমার শিশু, আমার ঘরের জীবন্ত এক আসবাব।
লেখক বলেছেন:
তোমার তিনটি লেখাই আমি আগে মিস করেছি। এখন পড়ে আসলেই আফসোস হচ্ছে। অসাধারণ এই লেখাগুলি বারে বারে পোস্ট হওয়া দরকার।
ভাল থেকো শোভন। আকতারের ব্যাপারে কাল ফোনে কথা বলে নেব।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ িজসান
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















তবে একটা বই লেখার চিন্তা করছি। হাতের বইটা শেষ করে শুরু কর।