আমার প্রিয় পোস্ট

যে শিক্ষক বুদ্ধিজীবী কবি ও কেরানী প্রকাশ্য পথে হত্যার প্রতিশোধ চায়না আমি তাদের ঘৃণা করি

শ্মশান পাহারায় আগুণবুকে জাগ্রত আছি

২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪৫

শেয়ারঃ
0 4 0

একটা কর্কষ কড়াৎ ঘৃণ্য শব্দ, তারপর দুপ! এবং শ্মশানের নিস্তব্ধতা।
আমরা তখনো নানাবিধ ঘোরসমূহে বিক্ষিপ্ত
সেলফিশ হারামীপনায় নিমজ্জিত।
শেষরাতে কনভয় চলেছে মেঠো পথে
সারি সারি দেবদারু, জারুল ভয়ার্ত দাঁড়িয়ে,
তুমি কি কিছু বলতে চেয়েছিলে কমরেড ?

মনে পড়েছে, তুমি বলেছিলে-
"আমি চাই আমার হত্যাকারী আমার চোখের দিকে তাকিয়ে গুলি ছুড়ুক!"
হায়! বৃথা আত্মম্ভরী কূহকী গর্বিত উচ্চারণ!
নপুংসক রাজন্যরা কালাতিপাত করেনি-
একটা কর্কষ কড়াৎ ঘৃণ্য শব্দ, তারপর দুপ! এবং শ্মশানের নিস্তব্ধতা।

একটা বছর লম্বা ট্রেনের মত দিনের পরে দিন বাঁধা
একটা বছর নির্বিষ কাপুরুষের বেজন্মা হাহাকার
একটা বছর জারজ সময়ের হাতে হাত রেখে চলা
একটা বছর ধরে নভেরা খাতুনের চোখ জলহীন-
একটা কর্কষ কড়াৎ ঘৃণ্য শব্দ, তারপর দুপ! এবং শ্মশানের নিস্তব্ধতা।

আমি ও আমরা আজো বেঁচে আছি
শ্মশান পাহারায় আগুণবুকে জাগ্রত আছি
লোমকূপে আর শিরায় শিরায় প্রতিশোধের
হোমাগ্নি জ্বালিয়ে বসে আছি কালান্তরের যাত্রী।

তোমার মুখের নালা বেয়ে রক্ত দেখেছিলাম
সেই ছবিটা লটকে দিয়েছি পূবাকাশে।
যতবার সূর্য ওঠে আর ডোবে
ততবার এক একটা তুমি সমবেত হও।
দেখে নিও কমরেড, বিচার হবে........
অনেকগুলো কর্কষ শব্দ, তারপর আঁতুড়ঘরের উচ্ছ্বলতা।


মৃত্যুঞ্জয়ী কমরেড ডা: মিজানুর রহমান টুটুল হত্যার বর্ষপুর্তিতে তাঁকে উৎসর্গ। গত বছর ২৭ জুলাই তাঁকে নিরাপত্তা হেফাজতে কাপুরুষের মত "ক্রসফায়ারে" হত্যা করা হয়েছিল।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কমরেড টুটুল ;
প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪৯
সবাক বলেছেন: প্রতিবাদ এরকম হোক।


স্যালুট কমরেড
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:১৯

লেখক বলেছেন: প্রতিবাদ।

২. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩৪
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: উনার মা ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে রীতিমতো আকুতি করছেন ছেলেরে যেন ক্রসফায়ারে দেয়া না হয়। কিন্তু কেউ শোনেনি ৮০ বছর বয়স্কা সেই বৃদ্ধার আকুতি।
কমরেড টুটুল রাজশাহী মেডিকেল থেকে ১৯৮৫ সালে পাশ করে বের হইছিলেন। পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল)এর লাল পতাকা অংশের নেতৃত্ব দিতেন তিনি। দাদা ভাই নামে বেশী পরিচিত কমরেড টুটুলের আরো ছদ্মনাম ছিলো রফিকুল ইসলাম, মাসুদ এবং মিলন। রাজশাহী, নাটোর ও নওগা অঞ্চলে অস্ত্রলুট, পুলিশ ও রাজনীতিবিদ হত্যাসহ দুশোর উপর মামলায় ফেরারী ছিলেন তিনি।

কিন্তু গ্রেপ্তারের পর তাকে প্রচলিত আইনে কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি। দেখা যায় সব সরকারের আমলেই সর্বহারাদের প্রতি একইরকম দমননীতি ব্যবহার করা হইছে।

অসাধারণ একটি কবিতার জন্য ধন্যবাদ এবং কমরেড টুটুলের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫২

লেখক বলেছেন:
গত মাসের ২৬ তারিখে আশুলিয়ায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের "ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ: এর কারণে কত জনের নামে মামলা দেওয়া হয়েছিল জানেন পিয়াল ? সাড়ে পাঁচ হাজার!!
অথচ গোটা আন্দোলনে অংশ নেয় সাকুল্যে ৬/৭ শ শ্রমিক। জোট সরকারের আমলে অবরোধ এর ডাক দেয়ার পর ঢাকার সবাইকেই "আওয়ামী লীগ সমর্থক" ধরে নিয়ে পুলিশ গণগ্রেফতার শুরু করে। এক পর্যায়ে জেলে স্থান সংকুলান না হওয়ায় একটা সেলে ব্রয়লার মুরগীর মত করে রাখা হয়। এরা প্রায় কেউ আওয়ামী ছিলনা! পর দিন এদের ২০/২৫ জনকে একটা দড়ি দিয়ে গাবতলির ছাগলের মত বেঁধে প্রকাশ্যে রাজপথ দিয়ে টেনে নেওয়া হয়েছিল! সেই ভয়াবহ দৃশ্য দেখে আমার যে লেখাটা ছিল, সেটাই একমাত্র। তখনও হাজার হাজার মানুষের নামে মামলা হয়েছিল।

পুলিশ সব চেয়ে ভাল যেটা পারে তা হলো-মামলা। মোফাক্কার চৌধুরীর নামেও শত শত মামলার বয়ান শোনা গেছিল, পরে দেখা গেছে পুলিশ তার নামে কোন থানায় মামলা দেখাতে পারেনি! টুটুলের মামলাগুলোও তাই।

টুটুলের সাথে রানৈতিক মত পার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু বাংলা ভাই বিচারের অধিকার পেলে টুটুল-মোফাক্কাররা পাবে না কেন? তাদেরকে রাষ্ট্রের এত ভয় ?

৩. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩৫
মনির হাসান বলেছেন:

একটা বছর লম্বা ট্রেনের মত দিনের পরে দিন বাঁধা
একটা বছর নির্বিষ কাপুরুষের বেজন্মা হাহাকার
একটা বছর জারজ সময়ের হাতে হাত রেখে চলা
একটা বছর ধরে নভেরা খাতুনের চোখ জলহীন-
একটা কর্কষ কড়াৎ ঘৃণ্য শব্দ, তারপর দুপ! এবং শ্মশানের নিস্তব্ধতা।

না মনজু ভাই, এ লাইন গুলো মানতে পারলাম না

অনেক অনেক অনেক ... ... ...

..................................................................................


ডা: মিজানুর রহমান টুটুল হত্যা নিভৃতেই চাপা পড়ে গ্যাছে ।
আরো অনেক হত্যা চাপা পড়ার অপেক্ষায় ।

সতর্ক হোক কমরেডের দল,
বিনা অর্জনে বিসর্জিত যেন না হয় আর এক ফোটা রক্ত ।


বর্ষপূর্তির শুভেচ্ছা মনজু ভাই
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:০৮

লেখক বলেছেন:

না মনির, বর্ষপুর্তি বিষময় ঠেকছে! ওটা কোন বিষয়ই নয়। সহজীয়া মেঠো পথের আদুরে আবহমান বাঙলার আকাশে-বাতাসে অনেক অনেক রক্তের হোলি খেলা চলছে!
সেই হোলিতে আন্দোলিত হয়ে আছি..................শশ্মান পাহারায় জেগে আছি .....

৪. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩৬
মনজুরুল হক বলেছেন: ODHIKAR REACTION
Human rights group Odhikar yesterday demanded independent judicial inquiry into the killing of Dr Mizanur Rahman Tutul, a top leader of Purbo Banglar Communist Party (ML-Lal Pataka).

Police claimed that Dr Tutul died after receiving bullet shots during a 'shootout' between outlaws and the police at Kaligram Eidgah field in Raninagar upazila of Naogaon at around 4:00am yesterday.

Expressing concern over Tutul's killing, Odhikar said, "… the victim was reportedly not involved in any violent means to propagate his political believes… If this trend continues, those with 'different' views could now risk being targeted."

Condemning the killings in 'shootouts', the rights watchdog said 197 persons were killed in the so-called crossfire, shootout, gunfight or encounters by Rab, police and other law enforcement agencies since January 11, 2007 till date under the state of emergency.

"Extra judicial killings are the worst form of rights violation … A persons' life cannot be taken away without due legal process, which is the foundation of a civilized society. Continued extra judicial killings are eroding the foundation of Bangladesh's polity," reads a press statement of Odhikar.
৫. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৪৮
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: একটা বছর যে কেমন করে চলে গেল! কোন ঘৃনাবাণীতেই যেন অন্তরের তাপ মিটতে চায় না। মৃত্যুপুরীর মত এই নষ্ট ভূখন্ডে শোষক আর ধর্মের যৌথ মহড়া চলবেই - যেন বিধির লিখন! বিধি? না মানতে পারি ন! একেবারেই না। এ মোটেই ললাট-লিখন নয়। এ কেবল হাতে গোনা কতকগুলো শকুনের বুভুক্ষু লোভের কাছে হার মানায় উপাখ্যান। এর শেষ হতেই হবে।

আমি ও আমরা আজো বেঁচে আছি শ্মশান পাহারায় আগুণবুকে জাগ্রত আছি লোমকূপে আর শিরায় শিরায় প্রতিশোধের হোমাগ্নি জ্বালিয়ে বসে আছি কালান্তরের যাত্রী।

প্রতিশোধ! কেবল প্রতিশোধ।
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:০৩

লেখক বলেছেন:
কিভাবে কিভাবে যেন এক একটা বছর চলেই যায়! আমদের ঘোরের ভেতরেই আর ঘোর লেগে থাকে.... এই ঘোরটাই আমাদেরকে চক্রাকারে ঘোরাতেই থাকে..........

৬. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫০
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: আপনার কবিতায় নতুন করে উদ্দিপ্ত হলাম। অকুন্ঠ ধন্যবাদ মনজু ভাই।
০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৪

লেখক বলেছেন: উদ্দীপ্ত হয়ে তারও পরে আরো কিছু আছে, সেখানেই আমাদের গন্তব্য হওয়া উচিৎ

৭. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:০৩
মনজুরুল হক বলেছেন:

এমনিতেই এই রাষ্ট্রের হাতে তাদের বানানো যে আইন আছে , সেই আইনকে কার্যকর করার জন্য যে হরেক পদের বাহিনী আছে, আইন বিষয়ক শকুনের দল উকিল আছে, ধর্মাবতার সেজে বসে থাকা বিচারকরা আছে, দক্ষমতাহীন দরিদ্র মানুষকে সেই আইনে বছরের পর বছর কয়েদ করে রাখার ফেকা শাস্ত্র আছে, সকল আইনেই তথাকথিত টাকাঅলাদের রক্ষাকবজ আছে, "এনিমি" আখ্যা দিয়ে বিরুদ্ধবাদীদের দমনের হাজারো কলা-কৌশল আছে সরকারের হাতে। তার পরও কেন তাদের এত ভয় ? কেন তারা মোফাক্কার-টুটুলদের বিচারের কাঠগড়ায় তুলতে ভয় পায় ? জারিজুরি ফাঁস হবার ভয়? দরিদ্র মানুষদের ক্ষেপে ওঠার ভয়? এতবড় সংগবদ্ধ রাষ্ট্রযন্ত্র ওই সামান্য একজন টুটুলকে বিচারের প্রহসন করে ফাঁসী দেওয়ারও সাহস রাখে না কেন ? জংলী আর বর্বরদের সাথে কি তথাৎ এই রাষ্ট্রের ? এই রাষ্ট্রযন্ত্রের ?
৮. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:০৫
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: টুটুলের সাথে রাজনৈতিক মত পার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু বাংলা ভাই বিচারের অধিকার পেলে টুটুল-মোফাক্কাররা পাবে না কেন? তাদেরকে রাষ্ট্রের এত ভয় ?

একমত। রাষ্ট্রযন্ত্র বরাবরই একই নীতিতে আগায়। দেখেন এই কবিতা পইড়া আপনারেও বুঝি আটকায়, বদলা নেওয়া হুমকি দিছেন এই অজুহাতে। ওগো পক্ষে সবই সম্ভব।

আমার প্রশ্ন, পূর্ব বাংলায় বিপ্লবের ক্ষেত্র প্রস্তুত থাকার পরও এর সদ্ব্যবহারে কেনো কমিউনিস্ট পার্টি ব্যর্থ হইছে বারবার? কেনো শেষ পর্যন্ত নেপো হইয়া দইটা মারছে ডানপন্থীগুলা? অল্প কিছু অঞ্চলে পুলিশ মাইরা, থানা লুইটা এবং রাজনীতিবিদ মাইরা শ্রেনীশত্রু খতমের রাজনীতিটা আসলেই কতখানি গ্রহণযোগ্যতা পাইছে সত্যিকার প্রোলেতারিয়েতগো মাঝে?
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:১৭

লেখক বলেছেন:
আপনার এটা অনেক বড় প্রশ্ন। নিশ্চই কোথাও না কোথাও ভুল থেকে গেছে। কোথাও না কোথাও পরিস্থিতি বুঝতে ভুল হয়েছে। বাকশাল কায়েমের সময় কি শেখ মুজিব জানতেন যে তার পর্ব্বত সমান জনপ্রিয়তার পরও তার এই পরিবর্তন মানুষ মেনে নেবেনা! মাত্র চার বছরেই তার জনপ্রিয়তায় ধ্বস নামবে! না। জানতেন না।

প্রলেতারিয়েত ধারণাটা এখানে যে ভাবে ভাবা হয় সেখানেও সমস্যা আছে। এ প্রসঙ্গে আর একদিন আলোচনা করা যাবে।

আমি এখন আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারের দিকে তাকিয়ে আছি..........

৯. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:১৩
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: অমি, সেটা অনেক বৃহৎ পরিসরে আলোচনার ব্যাপার। এম এন রায় ভারতের আর মেক্সিকোর কম্যুনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য - সেই ২০ এর দশকের কথা। কেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সিপিইকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দাঁড়াতে পারল না? কেন তাকে টেক্কা দিয়ে কংগ্রেস এগিয়ে গেল? কেন ভারতবর্ষে না এসে কম্যুনিজম এলো চীনে? কেন পশ্চিমবঙ্গে বামফ্রন্ট ভুলপথে হাঁটল? উপমহাদেশকে সাম্যবাদের মীমাংসায় আসতে হলে এসকল প্রশ্নের ফয়সালা হওয়া জরূরী।
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:০৭

লেখক বলেছেন:
এটাই যুগযুগান্তরের প্রচেষ্টা....চলছেই, মীমাংসা না হওয়া অব্দি চলবেও..

১০. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:১৯
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আজকে ২৮ জুলাই, কমরেড চারু মজুমদারের মৃত্যুদিবস। উনারে নিয়া লেখার ইচ্ছা বহুদিন, সুযোগই পাই না। দেখি কিছু দাড়া করানো যায় কিনা। সেইটাও আসলে গল্পই হইবো, সত্যিকার লেখা হইবো না :(
১১. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:২২
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: বস আপনার লগে আসলেই অনেক আলোচনা জইমা আছে, অনেক কিছু জানতে মন চায়, কিন্তু জানানোর মতো পাবলিক একটাও দেখি না, যেইগুলি আছে খালি বয়ান দিয়া চইলা যায়। একদিন টাইম দেন আমারে, দেখা করি, আড্ডা মারি। ভুলভ্রান্তি শুধরাইয়া আসি। প্লাস একটা ইন্টারভিউ করার ইচ্ছাও আছে।
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২০

লেখক বলেছেন:
আলোচনা হতেই পারে। গণস্বাক্ষরের সময়েই সেটা করার ইচ্ছা ছিল। হয়ে ওঠেনি। ভুল ভ্রান্তি কি বলেন ? আমি প্রতিনিয়ত শিখতে চাই। ইতিহাস, রাজনীতি আর সমাজবিদ্যা আমার আগ্রহের জায়গা।

আর ইন্টারভিউ ? ধুর ধুর! আমি কি সেলিব্রেটি নাকি! একটা রেডিওতে একবার একাত্তরের স্মৃতি চারণ করেছিলাম মাত্র। একাত্তরের সেই দিনগুলি নিয়ে ধারাবাহিক লেখার ইচ্ছা আছে। এখন ঈদ সংখ্যা নিয়ে মহা ব্যস্ত....

১২. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:২৬
মনজুরুল হক বলেছেন:

পিয়াল, আমি নিজেও অনেকবার লিখেছিঃ শেখ মুজিব হত্যাকান্ডের বিচার না হলে রাষ্ট্রে এই ধরণের হত্যাকান্ড ঘটতেই থাকবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করা গেলে রাষ্ট্র তার কায়েমের পেছনে লাখ লাখ মানুষের আত্মাহূতির সাথে বেঈমানী করবে। আমরা সকল হত্যাকান্ডের বিচার চাই। আইনবর্হিভূত হত্যাকান্ডের বিচার চাই। সকল নাগরিকের আইনের অধীকার সুনিশ্চিত চাই।
১৩. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৪৪
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: প্রশ্নোত্তর। সমস্যাটা এই জায়গাতেই। আমরা মিনিমাম প্রশ্নগুলারে বৃহত্তর পরিসরে নিয়া গিয়া আউলাইয়া ফেলি। আমার ক্ষুদ্রতর রাজনৈতিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতায় (আমি ব্যক্তিগত বিবেচনায় যথাসাধ্য নন বায়াসড থাকছি, সব ধরণের পলিটিক্স বোঝার চেষ্টা করছি আলোচনা ও পড়াশোনায়) এই প্রশ্নগুলা ওঠা খুব স্বাভাবিক কিন্তু।

৭০ সালে বরিশালে একসঙ্গে অনেকগুলা এলাকায় (রেকর্ড বলে ১৪) ডাকঘর, ভুমি জরীপ অফিসসহ সরকারী প্রতিষ্ঠান আক্রমন করা হইছিলো। দলিল দস্তাবেজের রেকর্ড পোড়ানোর জন্য। কিন্তু জমির মালিকের কাছে যেই দলিল থাকে সেটাও কিন্ত অথেনটিক। রেকর্ড পুড়াইয়া খুব একটা লাভ হয় না। একজন জোতদাররে মারলে তার উত্তরসূরীরা তার জায়গাটা নেয়। তার গুষ্ঠিশুদ্ধ যেহেতু মারা হয় না। তার জমি ভূমিহারাদের মাঝে বন্টন করলেও ফায়দা নাই। আইন আইসা ঠিকই দখল বুঝায়া দিবে, তাই সেই দখলে অংশ নিয়া জেলখাটার এবং মার্ডার কেসে ফাসা যে ঠিক হবে না- এই বুদ্ধিটুকু কিন্তু ওই প্রান্তিক ভূমিহীনরা রাখে। এইটা একটা উদাহরণ মাত্র। যা দিয়া আসলে বলতে চাইছি তাদের মনস্তত্বটা স্রেফ ক্লাশ স্ট্রাগলের ফরমূলা দিয়া কিংবা এক গুলিতেই সমাধানের না। এইটার জন্য ভিন্ন এবং ব্যাপক পাঠ প্রয়োজন এবং বাস্তবায়নে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। এইটার অভাববোধটা কি একটা কারণ মনে হয় আপনার?
১৪. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৪
নাজিম উদদীন বলেছেন: ক্রসফায়ারের মত ঘৃণ্য জিনিস অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত।
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২৪

লেখক বলেছেন:
নির্বাচনী ইশতেহারে আওয়ামী লীগ এটা বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এখন নানা কলা কৌশলে সেখান থেকে সরে আসতে চাইছে। এটাই আমাদের গণতন্ত্রের ট্রাজিডি!

১৫. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৯
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: এক কথায় এর উত্তর দেয়া সম্ভব না। তবে সংক্ষেপে বলতে গেলে রবিনহূড হওয়া আর সাম্যের রাষ্ট্র ব্যবস্থা আনয়ণ করা - দুটো মোটেই এক নয়। আঞ্চলিক পরিমন্ডলে অফিস পুড়িয়ে ভূমির মালিকানা ভূমিহীনদের মাঝে বিলি করা আসলে প্রায়োগিক বিচারে সাম্যবাদে উত্তরণ নয়। কিন্তু আপনার এ কথাটির সাথে একমত নই -

...তাদের মনস্তত্বটা স্রেফ ক্লাশ স্ট্রাগলের ফরমূলা দিয়া কিংবা এক গুলিতেই সমাধানের না।

এই মনস্তত্ব অবশ্যই ক্লাস স্ট্রাগল দিয়ে ব্যাখ্যা ও সমাধান সম্ভব। যে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার কথা বললেন সেটার জন্য মার্ক্সসবাদের চেয়ে উন্নততর ও মঙ্গলজনক কোন দর্শণ মানুষের কাছে এখনো নেই। আসবে এমন আশা করা যায় মাত্র।
১৬. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২৬
আরিফুর রহমান বলেছেন: দুর!

আপনেরাও যে কি!

ব্লগে আইসা এইসব কথা বলেন... ভালো কথা, কিন্ত ব্লগেও বাস করে পোষা সাপ...

সেই সাপ হিলহিল করে বেয়ে বেয়ে চলে যায় ডিজিএফআই/রেব/ইত্যকার দফতরে...

নব্য রাজাকার, মীরজাফর এরা, জনগনের শত্রু, সরকারের পোষা সাপ।

সুতরাং পিষে ফেলুন, এইসব সাপখোপ... নাইলে আস্তিনে উঠে দংশন করবে... আজ, কাল অথবা তরশু...

বোকা বোকা বুদ্ধিমান কথার মুড়কি অনেক আগেই বাসি হয়েছে..

সবাই জানে, বোঝে, শুধু করতে চায় না..

কারন রাষ্ট্র এখন পুঁজির পোষা তস্য দালাল... দালালের ঝুড়িতে অনেক সাপ...

বুঝে শুনে... তাই, কুড়ালের কোপ... দিখন্ডিত সাপের মাথাও নাকি তেড়ে আসতে পারে.... কামড় দিয়ে ঢেলে দিতে পারে শেষ বিষটুকুও...
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৫

লেখক বলেছেন: আমাদের বিলম্বিত বোধদ্বয়।

১৭. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪৯
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: বস আমি স্রেফ রিপিট স্রেফ ক্লাস স্ট্রাগল ইউজ করছি। তাদের ক্লাসটা বোঝার জন্য নতুনথিওরি লাগবো, নট দ্যট অব দ্য চায়নিজ কাইন্ড। জিও পলিটিকস আর এনথ্রোও লাগবো
৩১ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: বুঝলাম।

১৮. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:১৮
মিলটনরহমান বলেছেন: আমি ও আমরা আজো বেঁচে আছি
শ্মশান পাহারায় আগুণবুকে জাগ্রত আছি
লোমকূপে আর শিরায় শিরায় প্রতিশোধের
হোমাগ্নি জ্বালিয়ে বসে আছি কালান্তরের যাত্রী।

২৮ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:৩৫

লেখক বলেছেন:
আর একটি মানুষও যেন বিচারবর্হিভূত হত্যাকান্ডের শিকার না হয়....

১৯. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:৪৩
নুশেরা বলেছেন: অসামান্য।


অ.ট. @ পিয়ালভাই-- মনজুভাইয়ের সঙ্গে আপনার ইন্টারভিউ বা আড্ডা যাই হোক না কেন এখানেও শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৫৫

লেখক বলেছেন:
এমনিতেই আমার যা জানা আছে তা শেয়ার করব। ইন্টারভিউয়ের আনুষ্ঠানিকতার কি দরকার!

ধন্যবাদ নুশেরা।

২০. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:৫৫
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: মনজু ভাই, প্রতিটা মুক্তিযোদ্ধাই আমার কাছে সেলিব্রিটি। বহুত আগে লেখছিলাম আমার রূপকথার রাজপুত্ররা ঘোড়ায় চড়তো না, তাগো ঢাল তলোয়ারও নাই। তাগো হাতে রাইফেল, খালি পায়ে তারা পথ চলে। সো পিছলাইয়েন না। ফ্রি হইলে আওয়াজ দিয়েন, উইড়া আসুম।

নুশেরা@বসরে কন না রাজী হইতে
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন:
ভাল থাকা সম্ভব নয়। জোর করে ভাল থাকাও একধরণের হিপো...

২২. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:০৫
নুশেরা বলেছেন: মনজুভাই, পিয়ালভাইর প্রস্তাবে সত্বর সাড়া দেয়ার অনুরোধ করছি। আমার মতো কমজান্তার সংখ্যা ব্লগে নেহাত কম না; তাদের কথা একটু বিবেচনা করেন প্লিজ।
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০০

লেখক বলেছেন:
অনেক দিন পরে নুশেরা! ভাল আছ তো ? তোমার জান্টুশটার খবর কি?

আচ্ছা।

২৩. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:১৪
শয়তান বলেছেন: একটা কমেন্ট লিখে অর্ধেকে নিয়ে আসলাম আর তার মাঝে চলে গেল বিদ্যুত :(। ঐ সময় যা লিখতে চেয়েছিলাম সংক্ষেপে তা আবারও বলি । প্লিজ গত বছরের এ সময়কার ব্লগপোস্ট গুলিতে একবার নজর বুলান। তার সাথে দৈনিক পত্রিকাগুলোও ।

৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০২

লেখক বলেছেন: মেমোরিস্পেসবেশিঅনেককিছুস্টোরকরাআছে।

২৪. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:১৫
বৃত্তবন্দী বলেছেন: মনজু ভাই অসাধারন একটা কবিতা দিয়েছেন...

আর একবছর পুর্তিতে অভিনন্দন...
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৩

লেখক বলেছেন:
তোমার মত করে কেউ বলেনা। বৃত্তের ভেতরেই বিন্দু আছে এবং শূণ্যতাও আছে। ভাল থেকো।

২৫. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: কমরেড টুটুলের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৪

লেখক বলেছেন: মানিককে অভিনন্দন।

২৬. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১২
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
গোড়ালিতে ভর দিয়ে তবু কলোসাসের নখ চেপে ধরি
________________________________________



টুটুল, টুটুল, টুটুল
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৫

লেখক বলেছেন:
এক একটা দিন মসৃণ। ঘর থেকে বের হয়ে কালের দরজায়.............................

২৭. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৬
মাঠশালা বলেছেন: ভালো লাগার কথা বলতে নাই এখানে, টুটুলের মায়ের একটা সাক্ষাৎকার এই ব্লগেই পড়েছিলাম।
৩১ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৫৮

লেখক বলেছেন:
তার মায়ের আকুতি এখনো গেঁথে আছে মনে.....মা'র কাছে তার শেষ চিঠি-

"মা যে দেড় বিঘে জমি অবশিষ্ট আছে সেটা বিক্রি করে টাকা পাঠাও, এক জন মৃত্যুপথযাত্রীকে চিকিৎসা করাতে হবে!"

৩১ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:০৩

লেখক বলেছেন: বেশ...............

২৯. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৯
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: দারুণ লিখেছেন মনজুর ভাই।
ক্রসফায়ারের কারণে আইন কিন্তু দুর্বল হয়ে যায়। এটা কোন ধরণের বিচার হইতে পারে না। যদি তাই হয় তাহলে সব আদালত বন্ধ করে দেয়া উচিত।
কেমন আছেন?
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪৪

লেখক বলেছেন:
এই আছি একরকম ইমন। আপনি ভাল আছেন তো ?

এটা কি আদালতের বিচারকদের সাথে পরামর্শ না করেই হয়েছে মনে করেন? মোটেই না। তাদেরও মৌন সমর্থন আছে। তারা (বিচারপতিরা) আদালতের বিষয়ে চূন থেকে পান খসলেই আদালত অবমাননার অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীকে পর্যন্ত ক্ষমা চাইতে বাধ্য করে! সেখানে দিনের পর দিন "ক্রসফায়ার" চলছে! অথচ আদালত(যারা সংবিধানের রক্ষাকারীও বটেন) কিছুই বলছে না! এটা উচ্চমার্গীয় হিপো....

৩০. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:১২
ফেরারী পাখি বলেছেন: কবিতাটা অসামান্য।

আমার যশোর এবং নড়াইলে থাকার সুযোগ হয়েছে, দেখেছি সেখানকার বাম রাজনৈতিক পরিমন্ডল, তেমনি নাটোরের গুরুদাসপুরে আজ থেকে ২০ বছর আগে যখন অস্ত্র লুট হয়, তখন আমি সেখানে ছিলাম।

অনেক বলা না বলা অনুভূতিই কাজ করছে।
৩১ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪৮

লেখক বলেছেন:
ক্ষমতা, শক্তি, স্টাবলিশমেন্ট, সকল প্রকার মিডিয়া, মিডিয়ার চালিকা, অর্থ, নৈতিকতার সোল এজেন্সী, হিউম্যান রাইটস এর সোল এজেন্সী....সবই তাদের হাতে! সুতরাং ন্যায়-অন্যায় নিরুপণের মাপকাঠিও তারা হাতে নিয়ে বসে আছে! সেখানে আমরা যা-ই বলিনা কেন, যা-ই ভাবিনা কেন সবই অর্থহীন !!!

৩১. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:১৯
বজ্রকণ্ঠ বলেছেন: আন্নে মনে অয় কোবেত কম লেকেন। কোবেত বালআ অঈচে।
৩২. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫৫
অপ্‌সরা বলেছেন: ভাইয়া, কোথায় হারিয়েছো?
০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন:
এখনো হারাইনি ভাইয়া! তবে কেন যেন মনে হচ্ছে এবার বুঝি প্রস্থানের সময় সমাগত! এভাবে সাত দিন, পনের দিন...তার পর এক মাস...এবং একসময় টোটালি "নেই" হয়ে যাব.........

৩৩. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২৬
রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র বলেছেন: তোমার মুখের নালা বেয়ে রক্ত দেখেছিলাম
সেই ছবিটা লটকে দিয়েছি পূবাকাশে।
যতবার সূর্য ওঠে আর ডোবে
ততবার এক একটা তুমি সমবেত হও।
দেখে নিও কমরেড, বিচার হবে........
অনেকগুলো কর্কষ শব্দ, তারপর আঁতুড়ঘরের উচ্ছ্বলতা।

মৃত্যু এবং জন্মের আবহমান যোগসূত্র খুঁজে পেলাম স্তবকটিতে। ক্রসফায়ারের অর্থই হলো সাজানো নাটক। রঙ্গমঞ্চে চিত্রনাট্য আগে থেকেই ঠিক করা থাকে। আসল অপরাধীকে বাঁচাতেই সৃষ্টি হয়েছে এর। শুটআউট অ্যাট লোখাণ্ডওয়ালা ছবি দেখে এরকমই মনে হয়েছে!
কেমন আছেন? আমি পরবর্তীতে পোস্ট করেছি বেশ কয়েকটা। আশানুরূপ সাড়া পাচ্ছি না!
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন:
রুদ্র ভাল আছ? হতাশ হওয়ার কিছু নাই মামা। দেখো এক সময় ঠিকই সাড়া পাবে। তবে শর্ত হচ্ছে থেমে থাকা চলবে না।

সময় করে দেখে আসব।

৩৪. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০৩
দীপান্বিতা বলেছেন: আমি বিশেষ কিছুই জানি না......আপনার লেখা ও মন্তব্যগুলো থেকে কমরেড ডা: মিজানুর রহমান টুটুল সম্পর্কে আবছা ধারনা মাত্র হল......ওঁনার আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৩

লেখক বলেছেন:
মনে আছে আপনার পোস্টে "তিনসুখিয়া"র কথা বলেছিলাম! তিনসুখিয়ায় বাঁধ ভেঙ্গেছিল। তরাইয়ের জল দুকুল উপচে সমতটে ঢুকে পড়েছিল। তরাই কেঁদেছিল, কারণ তরাইয়ের পাড়ের মানুষেরা তাদের প্রাণ প্রিয় মানুষটিকে খুইয়েছিল। তরাই আজো কাঁদে। আর সেই কান্না দেখতে আমি বারে বারে ছুটে গেছি জলপাইগুড়ি, ফাঁসীদেওয়া, তিনসুখিয়া,খড়িবাড়ি...........

আমার সিলগাড়ি(শিলিগুড়ি) আর খর্সেং(কার্সিয়াং) এর বন্ধুদের সাথে গ্রাম থেকে গ্রামে চষে বেড়িয়েছি..... আমাকে তিনসুখিয়া আজো টানে...

৩৫. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪০
নিরুপমা বলেছেন: তোমার মুখের নালা বেয়ে রক্ত দেখেছিলাম
সেই ছবিটা লটকে দিয়েছি পূবাকাশে।
যতবার সূর্য ওঠে আর ডোবে
ততবার এক একটা তুমি সমবেত হও।


সকল শহীদের রক্তেই তো রাঙানো ঐ সূর্য্য।
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩৩

লেখক বলেছেন:
শহীদের রক্ত ধুলোময় রাজপথে একাকী ধাবমান সমুদ্রপানে....তার নাম মোটেও নদী নয়! কিছুতেই সরোবর নয়! শুধুই রক্তের স্রোতধারা..............

৩৬. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৯
পল্লী বাউল বলেছেন: সকল বিচার বর্হিভুত হত্যাকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ।

কেমন আছেন মঞ্জু ভাই?
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:২৭

লেখক বলেছেন:
প্রবল ভাবে ভাল থাকার অভিনয় করে যাচ্ছি....

৩৭. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:২৬
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
ওরা মৃত্যুকে ভয় পায় না, মৃত্যুকেই ভয় দেখায়, ওরা মরে না।

Click This Link
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৪২

লেখক বলেছেন:
কিছু কিছু মৃত্যু যা পাহাড়ের চেয়েও ভারী-- মাও সে তুং।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১০১৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমাদের মাতৃগর্ভগুলি এই নষ্ট দেশে
চারিদিকের নিষেধ আর কাঁটাতারের ভিতর
তবু প্রতিদিন রক্তের সমুদ্রে সাঁতার জানা
হাজার শিশুর জন্ম দেয়,যারা মানুষ ।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ