আমার প্রিয় পোস্ট
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- আসুন আরব বর্বরদের ঘৃণ্য থাবা হতে বাকীদের মাথা বাঁচাতে তিনটি দাবীতে সোচ্চার হই - ও.জামান
- বিডিং রাউন্ড ২০১১: গ্যাস লুটের নতুন ধান্দা - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে পিএসসি চুক্তি: প্রথম আলোয় ম.তামিমের সহজ পাঠের প্রতিক্রিয়া - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে চুক্তি নিয়ে ডেইলিস্টারের মিথ্যাচারের জবাবে - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর কাছ থেকে কত টাকা খেয়ে প্রথম আলো এইরকম মিথ্যা রিপোর্ট করেছে? - দিনমজুর
- দুর্ঘটনার রাজা কনোকোফিলিপস ও বঙ্গোপসাগরের আসন্ন বিপদ: যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিপি-ব্লোআউটের আলোকে - দিনমজুর
- কনোকো-ফিলিপস এর হাতে তুলে দেয়া হলো সাগরের গ্যাস ব্লক ১০ ও ১১ - দিনমজুর
- টেলিকম বহুজাতিকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রথম আলোর অস্থিরতা - দিনমজুর
- নাস্তিক নির্ধর্মী কাফেরগন - হুশিয়ার সাবধান! - দাঁড়িপাল্লা
- অবিশ্বাসী কেউ ইসলামের সমালোচনা করলে মুসলমান ভাই-ব্রেদেরণদের উত্তেজিত হওয়ার কোন যৌক্তিক কারণ নাই। - হোরাস্
- বিমান বন্দরের নামে আড়িয়াল বিলে রাষ্ট্রীয় ভূমি আগ্রাসন! - দিনমজুর
- ১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবি হত্যার ইতিবৃত্ত - পিডিএফ সংস্করণ - নাঈম
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- হামীম গার্মেন্টস এ আগুন: গার্মেন্টস না লাশের কারখানা? - দিনমজুর
- হে রক্তমাংসহীন মেহনত! আল্লার দোহাই, পুড়ে পুড়ে কয়লা হও!! আমাদের অনেক উন্নয়ন দরকার - একজন নাগরিক
- দোহারের গান এবং আমাদের ধনী পিতার ফকির সন্তানদের গল্প - অনার্য তাপস
- কোরান কি অলৌকিক গ্রন্থ? - ১ - সজীব আকিব
- সংশোধিত ড্যাপ আবশ্যক - সচল জাহিদ
- কর্ণেল তাহের আজো প্রাসঙ্গিক ১: কর্ণেল তাহেরের পিপলস আর্মি - দিনমজুর
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- মানালি থেকে লাদাখের পথে: (তৃতীয় পর্ব- দ্বিতীয় ভাগ) - আহাদিল
- নূন্যতম মজুরী নিয়ে সমঝোতার সাজানো নাটক - দিনমজুর
- জিয়া কর্তৃক তাহের হত্যাকান্ড নিয়া পি মুন্সী’র ‘অবজেবক্টিভ’ ত্যানা প্যাচাপ্যাচি প্রসঙ্গে একখান রি-অ্যাকশান পোষ্ট! - মাদারি
- পার্বত্য চট্টগ্রাম: কান্না যেমন করে রক্তের রূপ পরিগ্রহ করে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ভাষার জন্য একটি প্রান্তিক জাতিসত্তার সুদীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস: বাংলাদেশে কি সকল জাতির সকল ভাষা সমান স্বীকৃতি ও মর্যাদা পাবে ? - কুঙ্গ থাঙ
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব - পি মুন্সী
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- বাঘাইছড়ি হত্যাযজ্ঞ: পাহাড়ি-বাঙালি দ্বন্দ্ব নাকি শাসক শ্রেণীর ঔপনিবেশিক আধিপত্য? - দিনমজুর
- কয়েকটি মজার ছবি ও একটি কৌতুক (১৮+) - কুঙ্গ থাঙ
- একটু আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে আমার ধারনাটুকু বদলে দিলেন আমার বাবা - শ।মসীর
- ৩০ মিনিটের ভাষা আন্দোলন এবং গ্রামীণ ফোনের ”কাছে থাকা”! - দিনমজুর
- একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হলোঃ “আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস্”... - মুনশিয়ানা
- দেশে 'সন্ত্রাস' বিরোধী অভিযান ও চলমান 'ক্রসফায়ার' প্রসঙ্গ- (চতুর্থ অংশ) - মাহাদি হাসান
- থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ফ্যান্টাসি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস: দ্রুত সকল বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড বন্ধ করুন। - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- বাংলা ব্লগ দিবস নিয়ে ২ পয়সার ভাবনা - বিডি আইডল
- বাংলা ব্লগ দিবসের গরম গরম ছবি... (লাইভ স্ট্রীম থেকে নেওয়া) !!! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- পার্বত্য জনগনঃ উদ্বাস্তু হতে হতে ক্রমশঃ আলাদা হয়ে যাওয়া... জেগে ওঠা বিচ্ছিন্নতার বোধ... - মুনশিয়ানা
- বিশ্বব্যাঙ্ক ও আইএমএফ - গ্লোবাল অর্থনীতি (৮) - পি মুন্সী
- পাশ্চাত্য সংগীত যারা ভালবাসেন তাদের জন্য অসাধারণ কিছু গানের লিস্ট (না শুনলে মিস করবেন) - নগর সংগীত
- আইন ভেংঙ্গে শৃঙ্খলা রক্ষার বিপজ্জনক রাজনীতি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- নির্যাতন-৬ বেআইনী টিএফআই সেল, জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন - সায়েমুজজ্জামান
- এক্সপি জেনুইন করার একটি সহজ উপায়। - অমিত০৯৭
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- বেড়িবাঁধ দখল করে তৈরী হচ্ছে ৯টি শিপইয়ার্ড - আিক
- আগুনের রেস (উৎসর্গ: মনজুরুল হক) - প্রশ্নোত্তর
- রাষ্ট্রের হাতে যদি নাগরিক নিরাপত্তা না পায় তবে সেই রাষ্ট্র ব্যর্থ - প্রশ্নোত্তর
- সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি? - ভিন্ন চিন্তা
- কমপিউটারের কিছু শর্টকাট/ কীবোর্ড কমান্ড টিপস - জোবাইর
- বাংলাদেশে তেল/গ্যাস অনুসন্দ্ধানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং গ্যাস সংকটের প্রেক্ষিত। - মনোয়ার আহমদ
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- যানজটে জীবনজট-২: সম্ভাব্য সমাধান - ফারহান দাউদ
- পূনশ্চঃ ইসলামী ব্যাংক : তত্ত্ব ও প্রয়োগের অসঙ্গতি ও কিছু কথা - (শেষ পর্ব) - পড়ুয়া_পড়ুয়া
- ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট - পান্থ বিহোস
- সিরাজ শিকদার : ভুল বিপ্লবের বাঁশীওয়ালা! ১ - অমি রহমান পিয়াল
- টিপাইমূখ বাধ সংকলিত লিংক সমূহ - কিরিটি রায়
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই (দ্বিতীয় ও শেষ অংশ) - পি মুন্সী
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই - পি মুন্সী
- সর্বগ্রাসী অপ-‘বাদ’ বনাম একজন আরজ আলী মাতুব্বর এবং... [যুক্তিবোধ ও চিন্তা-চেতনায় সহনশীল পাঠকদের জন্য এই পোস্ট সংরক্ষিত] - রণদীপম বসু
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ২ - লাশ
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ১ - লাশ
- সামহোয়ারইনের মডারেশন নীতিমালা: একটি ভিন্ন পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- মধ্যযুগীয় মোল্লাবাদ বনাম সুফীবাদ - লাশ
- তিয়ান'আনমেন রক্তক্ষয়ের ২০ বছর : কি ঘটেছিল তখন ? - মেহরাব শাহরিয়ার
- আমার প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ আ ক খ - অপ্সরা
- প্রভাকরণের মৃত্যু ও তামিল ইলম - ফিরে দেখা ইতিহাস - দিগন্ত
- আসবেন আরজ আলী? - তনুজা
- আইনস্তাইন বললেই হল! সমাজতন্ত্রের মরা ভূত আর জাগবে না (উৎসর্গ ব্লগার ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান) - ভালো-মানুষ
- ডিম্বের সন্ধানে - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কল্পনা চাকমা এখন কোথায়? - বিপ্লব রহমান
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- পিলখানা গণহত্যা: গুজবের ময়না তদন্ত - ঘনাদা
- প্রধানমন্ত্রী যেসব কথার জবাব দিতে পারেন নি..... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- একটি বিদ্রোহ পরবর্তী বিশ্লেষন শ্রেণী সংঘাতই কি বিডিআর বিদ্রোহের মূল কারন? - জামাল ভাস্কর
- বিডিআর নৈরাজ্য: লাশের মাপকাঠিতে বিদ্রোহের পরিসীমা - দিনমজুর
- লাশ উৎসব - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- একটা পুরানো দালান : ইষ্ট পাকিস্তান : আমাদের আর্মির জবাবদিহিতা - শূন্য আরণ্যক
- বিডিআরের জওয়ানদের যৌক্তিক দাবী: ঘটনা,শংকা এবং ভবিষ্যৎ - ফারহান দাউদ
- আর্মির সত্যভাষণে বিডিআর ভিলেন??!! - নিকো৮১২৩
- সবুজ সততা দেখানো শুরু হয়ে গেছে , আসল সত্য কি ? - রাগ ইমন
- মুক্ত/ নাস্তিক/ সংশয়ী/ ধর্মদ্রোহী'দের যুদ্ধটা ... আসলে কাদের বিরুদ্ধে, কিসের বিরুদ্ধে ? - মনির হাসান
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- ইজরায়েল কিভাবে গাজায় মহাবিপর্যয় তৈরি করেছে(শেষ পর্ব) - আহসান হাবিব শিমুল
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- নারীর বিরুদ্ধে পারিবারিক নির্যাতন: বাংলাদেশের পুরুষতান্ত্রিক সমাজের পুনপৌনিক ঘটনার নিষিদ্ধ আলোচনা- দ্বিতীয় কিস্তি - মুনীর উদ্দীন শামীম
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি (শেষাংশ) - দিনমজুর
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি - দিনমজুর
- নবীনদের জন্য - নাদান
- যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং বর্তমান ব্লগ-বিতর্কঃ পুনর্মূল্যায়ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী এবং একজন স্বঘোষিত পর্নোষ্টার - জাতেমাতাল
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- একজন ব্লগারের নিষ্ঠা ও আমাদের নির্লিপ্ততার আক্কেল সেলামি - রাগ ইমন
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- আরব-ভূমিতে গ্রীক দর্শনের পঠন-পাঠন, আরবের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, ইসলামের উদ্ভব ও কোরআনঃ ইতিহাসের পাঠ থেকে একটি বিশ্লেষণ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ঈশ্বর ও বিজ্ঞান- "আছে" ও "নাই" প্রমাণের কথিত দ্বন্দ্ব (শেষ পর্ব) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আস্তিক-নাস্তিক সমাচার - চার্বাক দর্শন। (শেষ কিস্তি) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- নেপালে মাওবাদীদের নির্বাচনী বিজয়, বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের মিথ এবং কিছু জরুরী ভাবনা - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ -২ - দিনমজুর
- হায়রে কৃষি!!!!!!!!!! সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও একটি বিশ্লেষণ - দিনমজুর
- প্রাইভেটাইজেশন - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -১ - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -২ - দিনমজুর
- সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও আমাদের কৃষি - দিনমজুর
- মুক্তমনার অভিজিৎ ও বিপ্লব পাল- বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ, ল্যামার্ক, লাইসেঙ্কো, নভেম্বর বিপ্লব, সমাজতন্ত্র, কেরোনস্কি, প্রতি বিপ্লব, পুঁজিতন্ত্র, ঠিকাদারতন্ত্র.... ইত্যাদি - দিনমজুর
- জিএম শস্যের ভালো মন্দ - দিনমজুর
- কিভাবে অভ্র ব্যবহার করে বাংলা লিখতে হয় (বিস্তারিত) - মৃত হাসানের প্রেতাত্মা
- পলিটিক্যাল ইসলাম কয় কারে? - সাধক শঙ্কু
- "হযরত মোহাম্মদ (সঃ) কি মৃগীরোগী ছিলেন" এর মূল লেখার জবাব - জামালiiuc
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- "নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন" শীর্ষক পোস্টের তথ্যসূত্র ও টীকাঃ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কোরআনের চ্যালেঞ্জঃ যেখানে সব্বাই ফেল মারছে!!!- ১ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আজ সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিন.....আজ আমার কষ্টের দিন..... - মনজুরুল হক
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস - একরামুল হক শামীম
- অভিজিৎ এর "মার্ক্সবাদ কি বিজ্ঞান" শীর্ষক প্রবন্ধের প্রতিক্রিয়ায়- ২ - দিনমজুর
- কার্ল মার্কস ও তথাকথিত প্রকৃতি বিজ্ঞান (Natural Science) - পি মুন্সী
- ইহুদি ও খ্রিস্টান ধর্মের একমেবাদ্্বিতীয়ম ঈশ্বর চেতনা - শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- টেকি পোস্ট ঃ কমেন্টে ফটো দিবেন কিভাবে ?? - শয়তান
- এন্টি গল্প > শেষরাতের একফালি চাঁদ > - মনজুরুল হক
সভ্য বিশ্বের নতুন ডাম্পিং গ্রেভইয়ার্ড-চট্টগ্রামের ভাটিয়ারি > জাহাজভাঙ্গার ভাগাড়ে মানুষ আর প্রকৃতির নিদারুন বিপর্যয় > দ্বিতীয় পর্ব।
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০২
![]()
জাহাজভাঙ্গা শিল্প আদৌ কোন শিল্প কি-না, তা থেকে আমরা সঠিক অর্থে কিসে কিসে লাভবান হচ্ছি, আমাদের উপকূলীয় বনাঞ্চল ধ্বংস হচ্ছে কিনা, তাতে কতটুকু পরিবেশ বিপর্যয় হচ্ছে, সেই বিপর্যয়ে নাগরিকদের কি কি অসুবিধা হতে পারে, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ধাক্কা সামলানোর জন্য আমাদের কোন প্রস্তুতি আছে কিনা সেসব বিচার না করেই আমাদের রাষ্ট্রের কর্ণধাররা পরিসংখ্যান তৈরি করে তা আবার ফলাও করে প্রচারও করে থাকেন। এটা যুগ যুগ ধরে চলে আসা ট্রাডিশন। আমাদের দেশে একটি ঐতিহাসিক প্রবনতা আছে, ঘোড়ার আগে গাড়ি জুড়ে দেওয়া, কাঁঠাল গাছে রেখেই গোঁপে তা দেওয়া এবং গাছে চারা রুয়েই ফলের জন্য গাছে ঝাঁকি দেওয়া! এর মধ্যে ঘুণাক্ষরেও আম- নাগরিকদের সাস্থ্যসেবা, জীবন-জীবীকা এমনকি তাদের বাঁচা-মরার বিষয়েও ভাবা হবে না। সেরকম কোন নিয়ম নেই।
জাহাজভাঙ্গা থেকে জাহাজ গড়ায় যেতে গেলে প্রয়োজনীয় মাইল্ড স্টিলের, ইস্পাতের রড, চাদর আমরা সরবরাহে সক্ষম হলেও যেখানে বিভিন্ন কোয়ালিটির ইস্পাত বা সুক্ষ-গুণের ইস্পাতের প্রয়োজন দেখা দিবে তা মিটাতে অক্ষম, আমদানি ভরসা। যেসব যন্ত্রাংশ বা জাহাজের অংশ ঘাত সহ্য করার ক্ষমতা, সহজে ক্ষয় রোধক বা ছিড়ে যাওয়া ঠেকানো সম্পন্ন গুণের দরকার তা মিটাতে সুক্ষ-গুণের ইস্পাতের প্রয়োজন হবেই। নতুন হাকডাকের জাহাজ শিল্প নিয়ে যা যা বলা হচ্ছে তা কি? এগুলো কি করে মোকাবিলা করছে জাহাজভাঙ্গা ভাগাড় থেকে যা যা মেলে তা দিয়ে আর যা-ই হোক ওসান গোয়িং ভেসেল হয় না। এরা যারা নিজেদের শিপ মেকার্স বা শিপ এক্সপোর্টার বলছে এরা আসলে বানাচ্ছে ফিডার ভেসেল হিসেবে চলাচল করার কার্গো ভেসেল। যাতে এএস দিয়েও কাজ চালানো যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এরা প্রাপ্ত লোহা তরল না করে প্রাপ্ত শিটগুলোই পেস্ট করে দিচ্ছে। তার পরও সেই জাহাজের জন্য প্রায় ৯০% ইস্পাত আমদানী করতে হচ্ছে বিদেশ থেকে।"জাহাজভাঙ্গা থেকেই জাহাজ তৈরি" আসলে এমন কোন প্রজেক্টই এখানে চলছে না। এরা মূল লাভ করতে চাইছে ভাঙ্গার পারিশ্রমিক থেকে। তারপর বাড়তি আসছে কাঠ, প্লাইউড, ফ্রেম, ফার্নিচার, টুলস, লাইটিংস, ফোম, সিলিন্ডার,ওয়্যার,বাল্ব আর এই ধরণের তাল তাল খুঁচরো জিনিসপত্র।
ইস্পাত বা টেম্পার্ড আয়রণ করার মত কারখানা আমাদের নেই। ষ্টিল রিরোলিং মিলে গ্রাফাইড ইলেক্ট্রড দিয়ে ইনগট গলিয়ে, তাল তাল আকর গলিয়ে বিভিন্ন আকারের এমএসই করা যায় কেবল। এসএস শিট বিলেট সবই আমদানিনির্ভর। গ্রাফাইড ইলেক্ট্রডও আমদানিনির্ভর। তার পরও জাহাজভাঙ্গার ভাগাড়ের পাশে ছোট ছোট ডকইয়ার্ড গড়ে উঠেছে, উঠছে। সে সব গড়ে তোলার জন্য বেশুমার বনায়নের বারটা বাজানো হচ্ছে। মোটাদাগে বলা হচ্ছে ‘আমাদের দেশে ভ্যাকেন্সি আছে’
এই যে প্রতিটি ভ্যাকেন্সি সাথে সাথে পুরণ হয়ে যাচ্ছে, কেন? কারণ কি শ্রমের সহজলভ্যতা নয়? শ্রমিকের অফুরন্ত যোগান নয়? তা কেন? কারণ সাড়ে চার কোটি শিক্ষিত-আধা শিক্ষিত বেকারের দেশে কাজ পাওয়াই যেখানে সোনার হরিণ সেখানে কাজের ক্ষেত্র নিয়ে ভাববার সময় আছে? নাই। পুঁজি আর সাম্রাজ্যবাদ জানে আমাদের মানুষদের খাদ্য নেই, মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই, মানুষ হিসেবে পরিচয়েরও উপায় নেই। তাই আমাদের ভাবনায় টক্সিন, কার্বাইড, লিড, নাইট্রিক এসিড কোনই ভাবান্তর ঘটায় না। দুবেলা ভাতের জন্য আমাদের মানুষ চেরনোবিলের পোঁড়া মাটিতেও ইঁটভাটায় শ্রম দিতে পারে। আরিজোয়ানার পারমানবিক বর্জ্য ঘেটে সাফ সুতোর করতে পারে। তাই সারা বিশ্বের অচ্ছুৎ জঞ্জাল নিরাপদে এখানে ভিড়তে পারে। আরো নিরাপদে কেটেকুটে "খালাস" হতে পারে।
তার পর যখন তারা দেখে এই দেশের সরকার এবং রুলিং ক্লাস সেই "খালাস" নিয়ে গর্বিত হয়ে বলে- বছরে ৭০ হাজার কোটি ডলারের বাজার ধরতে পারলে আমাদের জিডিপি ২ থেকে ৩ সংখ্যা পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। আমাদের এই আধা পুঁজিবাদী, আধা সামন্তবাদী সমাজ-রাষ্ট্রে শ্রমিককে সহজলভ্যতার শর্তে দাস হিসেবে গণ্য করা হয়। যতটুকু সম্ভব তার থেকেও বেশি করে শুষে নেওয়ার কসরৎ চলে। একদল শ্রমিক পঙ্গু অথর্ব হলে আরেক দলকে নিয়োজিত করার বিলাসীতা আছে এদের। এই সব মালিকেরা নিজেরাই মানুষ হিসেবে পিছিয়ে পড়া প্রাগৈতিহাসিক স্তরের, তাই তাদের কাছে শ্রমের মূল্য টাকায় কিনে নেওয়া ছাগলের মত; শুইয়ে কাটবে না দাঁড় করিয়ে কাটবে তা নির্ধারণের ক্ষমতা শুধুই তারই ধরে নেয় এরা। এদের কাছে শ্রম শক্তি বা শ্রমিক কেবলই এক প্রকারের টুলস। যেহেতু টাকায় কিনে নেওয়া হয়েছে, সেহেতু তার সবটুকুর মালিকই সে ধরে নেয়। সে কারণে চোরের মত আধাঁরে এদের শ্রম শোষণ করে। দিনের আলোয় যে কাজ করা যায়, তা রাতের আঁধারে করা মানেই ওখানে খারাপ কিছু হচ্ছে, যা ঠিক রাষ্ট্র সমর্থিত নয়। যদিও এই জগাখিঁচুড়ি রাষ্ট্র এসবের কোন দায় স্বীকারই করেনা। কিন্তু যেহেতু এই রাষ্ট্র ওই সকল পুঁজির ধারকদের রক্ষাকর্তা, সেহেতু চূড়ান্ত বিচারে এই রাষ্ট্রই মানবিকতার বিপর্যয়ের জন্য দায়ী।
আমাদের এই জাহাজভাঙ্গা নিয়ে সারা বিশ্বে প্রিন্ট এবং ভিজ্যুয়াল মিডিয়ায় গুরুত্ব দিয়েই খবর প্রকাশ হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন “গ্রীণপিস” লাগাতার রিপোর্ট করে যাচ্ছে। এখানেও আমাদের নব্য জাহাজভাঙ্গা কাজের ‘সম্রাটগণ’ বিদেশী ‘ষড়যন্ত্র’ খুঁজে পেলেন বলে! যেমনটি গার্মেন্ট মালিকরা হরহামেশা বলে থাকেন। ইতিমধ্যেই শোনা যাচ্ছে ‘একটি পার্শ্ববর্তী দেশ আমাদে উন্নতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার’ চালাচ্ছে। হয়ত অচিরেই আমরা আরো স্পেনিফিক্যালিই অভিযোগ শুনতে পারব। কিন্তু এই কোটি কোটি টাকার মালিকেরা একবারও ভাববেন না যে শ্রমিকটি তার প্রজেক্টে কাজ করছে তাকে আগামীকালও কাজে লাগানোর চেষ্টা করার মানেই তাকে সুস্থ্য থাকতে দেওয়া, তাকে মনূষ্য পর্যায়ে জীবীত রাখা! এরা যে এসব বিষয়ে বিন্দু পরিমানে ভাবিত নয় তার প্রমান মেলে বিদেশী ওয়েব সাইট গুলোতে
এশিয়া মনিটর রিসোর্স সেন্টার এর রিপোর্ট বলছেঃ এই কাজে নিয়োজিত অধিকাংশ শ্রমিকই কণ্ট্রাক্ট ভিত্তিতে, এদের কোন ইনসেন্টিভ নেই, ঝুঁকিভাতা নেই, এমনকি আহত হলে তৎক্ষনাৎ চিকিৎসারও ব্যবস্থা নেই। নেই কোন শ্রমিক ম্যানেজমেন্ট অথোরিটি বা কর্তৃপক্ষ। সামাজিক নিরাপত্তা বা কাজের নিরাপত্তা তো প্রশ্নাতিত! আরো বিপজ্জক হচ্ছে এই শ্রমিকদের কোন ফরমাল ট্রেনিংয়েরও ব্যবস্থা নেই। শ্রমিকদের প্রায় ৯৮ ভাগই অশিক্ষিত, তাই তাদের এই সব বুলিবাগিশ শব্দের সাথে পরিচয়ও নেই। আর তাই কুকুর-বেড়ালের মত এখানে শ্রমিকের মারাত্মক আহত বা নিহত হওয়া গা-সওয়া ব্যাপার। যারা এই ‘শিল্প’ চালাচ্ছেন তাদের কাছে কোন ডাটাও নেই। এমনকি কার্যকর কোন মনিটরিংয়েরও ব্যবস্থা নেই। যার ফলে দিনের পর দিন এই কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা নিজেদের ক্ষয় করে চলেছে, জীবনের সংগ্রামে প্রতিনিয়তই জীবনক্ষয় করে চলছে। তাও যদি পূর্ণ বয়ষ্ক শ্রমিক হতো! এখানে এগার-বার বছরের ছেলেরাও কাজ করে। যাদের সংখ্যা প্রায় অর্ধেক! এতে মালিকের দু’ধরণের লাভ। এক. এদের কম টাকায় পাওয়া যায়, দুই. এরা বিপজ্জনক কাজে বার্গেনিং করেনা।এরা যে সব বিপজ্জক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করছে তার খতিয়ান চমকে ওঠার মত। সব নয়, কিছু তথ্য এরকমঃ
Workers receive potential negative health impacts from traditional working procedures adopted in the scrapping yards such as:
• torch cutting without protection (eye and skin injuries)
• heavy lifting (wear and tear, back injuries)
• noise (hearing defects)
and from the exposure to hazardous substances such as:
• asbestos
• chemicals (PCS, PCV, PAH, Tin-organic compounds oils)
• heavy metals
• fumes (dust, fume/gas components; dioxines, isocyanates, sulphur, etc.)
দেশে আগে এই রি-রোলিং (আবার আকার দেয়া) শিল্পের কাঁচামাল ইনগট (মাইল্ড ষ্টিলের বা লোহার লম্বা তাল) আসত একমাত্র সরকারী ষ্টিল ইনজিনিয়ারিং করপোরেশন থেকে। সরাসরি লোহার খনি আকরিক ছিল এর কাঁচামাল। জাহাজভাঙ্গার ভাগাড় চালু হওয়াতে সেঈ এখন কাঁচামাল। অনুমান করা যায় জাহাজভাঙ্গা থেকে এমএস ইনগট তৈরি ও রিরোলিং করে বাড়ি তৈরির ইস্পাত রড, এঙ্গেল বার বা বিভিন্ন পুরুত্ত্বের শিট বানানো এখন একসাথে হচ্ছে।
এখানে "ভারত কার্ড" খেলার কোন সুযোগ নেই, তার পরও কোন কোন মহল থেকে বলা হচ্ছে, “ভারতের আলং এ যে জাহাজভাঙ্গার বিশাল ক্ষেত্র ছিল তা চলে এসেছে বাংলাদেশে, তাই ভারত প্রতিহিংসাপরায়ন হয়ে আমাদের এই শিল্প ধ্বংস করার জন্য পরিবেশবাদীদের দিয়ে এর বিরোধীতা করাচ্ছে”! সব কিছুতে ভারত কে জড়িয়ে যা করতে চাওয়া হয় তা শেষ পর্যন্ত গিয়ে দাঁড়ায় একধরণের ধর্মাশ্রয়ী ফ্যালাসিতে। টাটা-মিত্তালরা আলাং থেকে লোহা না পেলেও তাদের লোহার কারবার চলবে। বেশি দূরে যাবার দরকার নেই, শুধু এক রানীগঞ্জের খনিতে যে পরিমান লোহা পাওয়া যায় তা দিয়েও ওরা চলতে পারে। এই একই ব্যাপার দেখা যায় গার্মেন্ট শিল্পে। সেখানে বিক্ষোভ-টিক্ষোভ হলেই ভাসুরের নামের মত ফিসফিস করে বলা হয়"একটি প্রতিবেশী দেশ চায় না আমাদের শিল্প বিকাশ, তাই তারা নাশকতা করছে"!!
ঠিক এই কথাটিই বলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে উন্নত ট্রেনিং পাওয়া দেশের গোয়েন্দারাও। কেন এই সামান্য অভিযোগ করার জন্য ওদের এত টাকা দিয়ে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হয় সে এক কোটি টাকার প্রশ্ন বটে! ব্যাপারটা কেমন? অনেক উঁচুতে চিকন দড়ির ওপর হাঁতে গিয়ে পড়ে গেলে কাউকে না কাউকে দোষারোপ করতেই হয়, তা না হলে যে দড়াবাজের ডিসক্রেডিট!
একটা জনসংখ্যার ভারে জর্জরিত লম্পট দুশ্চরিত্র রাজনীতিবিদদের, অসৎ আমলাদের এবং সামন্তবাদী চরিত্রের তথাকথিত শিল্পমালিকদের নাপ্তামি, বজ্জাতি, লুটপাট, জোঁকের মত রক্ত চোষা, বেশুমার কর ফাঁকি দেওয়া, সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি আর চুরি-চামারির ব্যাক ফায়ার আর একটি দেশের ওপর চাপানোয় আপাত সুখ মেলে বটে, তবে তা কোন সমাধান নয়।
ইউরোপের পাঠানো জাহাজ, তাদের পাঠানো রিক্যয়ারমেন্ট, তাদের কাছে টাকা ফেরৎ পাঠাবার সিস্টেম, তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের রেমোনারেশন সব তো চলছেই, এমনকি এই জাহাজভাঙ্গায় এখানকার উপকুলীয় জনপদে কি কি ডিজাষ্টার হচ্ছে বা হয়েছে সেই সব ভাবনা নিয়ে "সুররিয়ালিজম" নামে একাধিক ওয়েব সাইটে বিভিন্ন পেইন্টিংসও বাজারে চলে এসেছে!! অর্থাৎ আমাদের কাছে যা রক্তমাংসের থ্যাতলানো কদাকার দৃশ্য, আমাদের কাছে যা জীবনের নিদারুন বিপর্যয়, তা-ই ওদের কাছে "সুররিয়ালিজম"!! এখানেও একপ্রস্থ ব্যবসা! হয়ত আগামীতে এই জাহাজভাঙ্গার ডেঞ্জারপার্ট নিয়ে চিত্র প্রতিযোগীতাও আয়োজিত হতে পারে!! হাহ্! মানুষ মরে.......মানুষ ছবি তোলে........মানুষ বিখ্যাত হয়...মহান শিল্প গড়ে ওঠে......সেই শিল্প দেখে বোদ্ধারা নেক্রপলিস ঢঙের সুররিয়ালিজমের শিল্প বিশ্লেষণ করে আরো বিখ্যাত হয়!!!!!এখানে তাদের ‘শিল্পকর্মের নমূনা পাওয়া যাবে.....
ইসমাইল বাবু নামের এক শিশু শ্রমিককে নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওয়েব সাইটে আলোড়ন সৃষ্টিকারী খবর বেরিয়েছে। ওখানে দেশি কোন সাংবাদিকের সাথে কথা বলতে দেওয়া হয়না, অবশ্যি ‘সাদা চামড়া’ হলে কিছুটা খাতির মেলে। সেভাবেই বিদেশী সংবাদ মাধ্যম বাবুর রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। রিপোর্টটি দেখুনঃ
এত কিছুর পরও আমাদের শিল্পপতিদের কষ্টের শেষ নেই! তাদের অভিযোগেরও অন্ত নেই। তারা এসব নিয়ে সরকারের কাছে ধর্নার পর ধর্না দিয়েই যাচ্ছেন। তারা বলছেনঃ Bangladesh ship breaking under fire – Industrialists !! দেখা যাচ্ছে এই একটি মাত্র লাইন দিয়েই তারা শিল্পমন্ত্রী মহোদয়কে পর্যন্ত তাদের পক্ষে নিতে পেরেছেন।
Industrialists said that the breaking yards supplied over 1.5 million tonnes of scrap metal last year to steel re rolling mills and export oriented light engineering industries mainly producing spare parts and bicycles, saving the country from expensive imports. যদিও তারা যা করছেন তাতো এইঃ It is reported that Bangladesh's ship breaking industry, operating along the Chittagong coastline and under fire for environmentally unsound practices including destruction of forests and coastal pollution, remains the only local source of raw materials for the country's iron and metal industry.
এসব শুনেটুনে দীলিপ বাবুর প্রেসক্রিপশনটা দেখুনঃ তিনি বলছেনঃ Mr Dilip Barua industries minister while addressing the inaugural ceremony said that the present government is eager to take necessary steps to ensure an investment friendly environment. He said that "We want a vibrant private sector for rapid industrial growth focusing on Public Private Partnership in the country.”
এই সাইটটির তথ্য এবং এরকম আরো সাইটের তথ্যগুলো চমকে ওঠার মত!
এখন আমরা দেশে বসে যা দেখতে পারছি না, যা শুনতে পারছিনা তা-ই ওয়েবে প্রকাশ হয়ে আছে।
মালিকরা বলছেন-আগের বছরের তুলনায় এবছর সরকার ট্যাক্স বাড়িয়ে ১৫% করেছে, যার ফলে এই খাতে আমাদের লাভের পরিমান কমে গেছে। তাদের এই কথার সূত্র ধরে দেখা যাচ্ছে, তারা যে পরিমান জাহাজভাঙ্গার কাজ করছেন তার অর্ধেকও ট্যাক্সের আওতায় আসছে না। ২০০৩ সালের মার্চে ”দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট” এর একটি রিপোর্ট ছিল এই শিরোনামেঃgVAT, import duty cut ship breaking industry's output by 50 per cent, THE INDEPENDENT
Lloyd’s List সাইটটি’র তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশ হাই কোর্ট এবছর মার্চ মাসে “বেলা” এবং অন্যান্য পরিবেশবাদী সংস্থার আবেদনক্রমে একটি আদেশ জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে এনভায়োরনমেন্টাল ক্লিয়ারেন্স ছাড়া জাহাজ ভাঙ্গা যাবে না। কোর্ট বলেছেঃ The court was ruling on a petition filed by the Bangladesh Environmental Lawyers Association. Judges ordered that no ship on the Greenpeace “dangerous ships list” be allowed into the country, according to reports by the platform and local media.
They also banned end-of-life vessels from being imported without having been pre-cleaned of hazardous materials such as asbestos, PCBs, heavy metals and oily sludges. Other government departments were chided for letting the trade take place unhindered despite the absence of permits.
After more than five years of dogged litigation by BELA, the Bangladesh Supreme Court ordered:
• Uncertified ship-breaking operations must close within two weeks;
• Ship-breaking operations must obtain environmental certification before operating in Bangladesh;
• Ships must be cleaned of all hazardous materials before entering the country; and
• Ship-breaking operations must guarantee safe working conditions for workers and environmentally sound disposal plans for wastes.
This is a tremendous victory for environmental justice and the people and beaches of Bangladesh. This courtroom victory will echo around the world and help end the unjust practice of sending toxic ships to distant beaches where people without adequate protection break them down.
কোর্টের এমন নিষেধাজ্ঞার পর জাহাজভাঙ্গার মালিকরা সম্মিলিত ভাবে প্রায় দুই সপ্তাহ জাহাজভাঙ্গার কাজ বন্ধ রেখেছিলেন। তারা ধর্মঘটের হুমকিও দিয়েছিলেন। তারপর কি আসলেই জাহাজভাঙ্গার কাজ থেমে গেছে? না। বরং ২৭ মাইল লম্বা প্রাকৃতিক বেলাভূমির উপকূলজুড়ে নতুন নতুন শিপইয়ার্ড গড়ে উঠছে। মাইলের পর মাইল জুড়ে অনেক কষ্টে গড়ে তোলা বনায়ন ধ্বংস করেই শিপইয়ার্ডগুলো গড়ে উঠছে। ক্রমেই সীতাকুন্ডু, ভাটিয়ারির আকাশ কালো হয়ে আসছে, বাতাস সীসায় আর টক্সিকের ঝাঁঝে ভারি হয়ে আসছে। শোনা যায় এই শিল্পের পেছনের মানুষরা নাকি এতই শক্তিমান যে সরকারের কোন ভ্রুকুটিও তাদের কিছু করতে পারবে না! যদিও সরকার তেমন কিছু করছে বা করতে যাচ্ছে বরেল শোনা যায়নি। বরং ‘ডলার’ আসছে শুনে সরকারের একাধিক দপ্তর এদের পেছনে শক্তির যোগান দিয়ে চলেছে, তাতে দেশের লাভ আসুক না আসুক ব্যক্তি লাভ ঠেকায় কে?
পুঁজি আর সাম্রাজ্যবাদ জানে আমাদের মানুষদের খাদ্য নেই, মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই, মানুষ হিসেবে পরিচয়েরও উপায় নেই। তাই আমাদের ভাবনায় টক্সিন, কার্বাইড, লিড, নাইট্রিক এসিড কোনই ভাবান্তর ঘটায় না। দুবেলা ভাতের জন্য আমাদের মানুষ চেরনোবিলের পোঁড়া মাটিতেও ইঁটভাটায় শ্রম দিতে পারে। আরিজোয়ানার পারমানবিক বর্জ্য ঘেটে সাফ সুতোর করতে পারে। তাই সারা বিশ্বের অচ্ছুৎ জঞ্জাল নিরাপদে এখানে ভিড়তে পারে। আরো নিরাপদে কেটেকুটে "খালাস" হতে পারে। তখন এটিকে পার্মানেন্ট হিউম্যান গ্রেভইয়ার্ড ছাড়া আর কি ভাববে তারা? কেননা আমরাই যেখানে আমাদের বেলেভূমিকে ‘মনুষ ভাগাড়’ বা গ্রভইয়ার্ড বানিয়ে রেখেছি । সেখানে মৃত এবং জীবত লাশেরা সমস্বরে চিৎকার করছে, কিন্তু শব্দতরঙ্গে কোন ভাবেই তা আমাদের কানে এসে পৌঁছুচ্ছে না! আমরা এবং আমাদের শাসকশ্রেণী আপাতত ‘উন্নয়নের’ সিঁড়িতে হাঁচড়ে-পাচড়ে ওঠার জন্য মৃত বা অর্ধমৃতের চিৎকার শুনতে রাজি নই।
১। "বেলা"র আইনি লড়াই
২। বাংলাদেশ। ভাসমান ডাস্টবিন।
৩।Hell on Earth – The Ship Breaking Yards of Alang and Chittagong
৪।Making A Difference: Lawyer Fights Ship Breaking in Bangladesh
৫। হাই কোর্টের আদেশ
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সস্তা শ্রমের পেল্লাই কারবার ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রবন্ধ বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন:
এবং এরাই এই হতচ্ছাড়া সমাজের কর্ণধার!
মনজুরুল হক বলেছেন:
লেখাটি প্রকাশের পর আরো কিছু কিছু বিষয় অনুল্লেখ থেকে যাওয়ায় তা নিয়ে এবারের
লেখাটি লিখতে হলো। এই দ্বিতীয় পর্বের পরে হয়ত আরো একটি পর্ব লিখতে হতে
পারে।
এখানে একটি বিষয় উল্লেখ করা আবশ্যক যে, ব্লগে এই ভিষয়ের লেখাটির পরে এখন
প্রায় নিয়মিত বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে জাহাজভাঙ্গা নিয়ে ফিচার প্রকাশ হচ্ছে। এটা
একটা পজেটিভ দিক। প্রায় প্রতিদিনই ওখানকার শ্রমিকদের আহত/নিহত হওয়ার খবর প্রকাশ হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, এর ফলে সরকার আর বেশি দিন নির্লিপ্ত থাকতে পারবে না। জানি না তারা কি করবেন, তবে কিছু একটা যে করা দরকার সেই
বোধটুকু এলেই আমার এ লেখার স্বার্থকতা।
লেখক বলেছেন:
আরো কিছু বিষয় আছে হিডেন, যা এর পরের পর্বে আনার চেষ্টা থাকবে।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
ভাল্লাগছে...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দুরন্ত স্বপ্নচারী।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
ভাসমান ডাষ্টবিনের 'বায়োলজিকাল মেশিন' শ্রমিকেরা, ক্লীব নাগরিকেরা >>> পরিনতি আস্তাকুঁড়।
এতো খাটুনি দিয়ে লেখা এই পোষ্টটা যদি আমাদের হর্তা-কর্তা-বিধাতারা একবার পড়ে বুঝার চেষ্টা করতেন ! হায়।
লেখক বলেছেন:
তাদের নজরে যে আসে না তা নয়, সবই তারা ভাসা ভাসা দেখেন। তবে কোনটি তারা "গুরুত্ব" দেবেন আর কোনটি দেবেন না সেটা হলো কথা!
দক্ষিণাঞ্চলের চিংড়ে ঘেরে বিষাক্ত অনুজীব পাওয়ায় ইউরোপীয় দেশগুলো চিংড়ি নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল! তার পর সরকার এবং সেই মালিকরা দেন দরবার করে ৭ মাস পর আবার রপ্তানি চালু করেছে, মুচলেকা দিয়েছে, নাকে খত দিয়েছে! ব্যাপারটা হচ্ছে এরা কোথায় বশ্যতা স্বীকার করবে সেটা আমরা জানি। তাই শ্রমিকের জন্য কোন প্রকার দরদ বা অনুকম্পা এদের কাছে আমি অন্তত আশা করি না।
কিছু বলার ভাষা নাই।
"এখানকার উপকুলীয় জনপদে কি কি ডিজাষ্টার হচ্ছে বা হয়েছে সেই সব ভাবনা নিয়ে "সুররিয়ালিজম" নামে একাধিক ওয়েব সাইটে বিভিন্ন পেইন্টিংসও বাজারে চলে এসেছে!! "
বুদ্ধিজীবীরা নিজের স্বার্থের জন্য কি পরিমাণ নৃশংস হতে পারে এটা তার একটা নমুনা হতে পারে।
লেখক বলেছেন:
নাজিম, খুব বেশি দেরি নাই, যখন দেখব আমাদের দেশের গরিব মানুষের বিভিন্ন কদাকার বিভৎস মৃত্যুদৃশ্য নিয়ে এক্জিবিশনও হবে। সেখানে তাবড় তাবড় বোদ্ধারা আসবেন, সমালোচনা করবেন...শেষে বলবেন--- আহা কী শৈল্পিক মৃত্যু!!
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
একটাই বোধহয় বিকল্প আছে এখন। জাহাজভাঙ্গা মতো ভারী ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজের প্রতি শ্রমিকদের মধ্যে অনাগ্রহ জাগিয়ে তোলা। তাদের জন্য বিকল্প কাজের ক্ষেত্র তৈরি করা। কিন্তু বাংলাদেশের মতো অভাবী গরিব দেশে যেখানে মানুষ কাজের জন্য হন্যে হয়ে ঘোরে, সেখানে বোধহয় এটাও সুফল বয়ে আনবে না।
লেখক বলেছেন:
না। কোন বিকল্প নাই। কোন ফাঁক ফোঁকোড়ও নাই। যা আছে তা নিরেট নিষ্ঠুর
বাস্তবতা, এবং নিঃসন্দেহে খেটে খাওয়া মানুষদের বিপক্ষে।
মনির হাসান বলেছেন:
অতি লোভি এবং অতি চালাক এক সাপ একবার নিজেরই লেজ খাওয়া শুরু করে ... অনেক খানি খাওয়ার পর হায় হায় করে ওঠে একি করছে ... ! !অবশ্য ততক্ষনে উগরানোর পথ নেই ... গিলে ফেলারও সামর্থ্য নেই ... শেষে একটা আবাল রিং হয়ে মরে পড়ে থাকলো ।
অবস্থা সেদিকেই যাবে ...
লেখক বলেছেন:
দারুন একটা উপমা বের করেছ মনির! অবস্থা সে দিকেই যাচ্ছে। দেশের তাবৎ শিক্ষিত মানুষগুলো বুঝে না বুঝে খেটে খাওয়া গরিব মানুষগুলোর বিপক্ষে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে! এই আলামতটা খুব ভাল ঠেকছে না।
লেখক বলেছেন:
খালি ফাঁকিবাজী!
শয়তান বলেছেন:
রিলেটেড পোষ্টঃ এইবার ডেনমার্কের সাথে বিপা চুক্তি স্বাক্ষরিত! - দিনমজুর পোষ্ট নিয়া নো কমেন্টস ।
লেখক বলেছেন:
ওটা নতুন কিছু না। ডেনমার্কের সাথের এই চুক্তির গোঁড়াপত্তন হয় ১৯৯৫ সালে। বিএনপি তাদের শেষ সময়ে চুক্তিটা করেনি। পরের টার্মে আ.লীগও করেনি। বিএনপি তাদের দ্বিতীয় টার্মে করার আগেই কর্নেল আকবরের সেই ফেরী বোট ক্রয়
সংক্রান্ত দুর্নীতির কথা চাউর। এর পর কাজটা থমকে যায়, যা এখন সম্পন্ন।
এই সব চুক্তি( যা একপ্রকার দাসখত) করতে, পালন করতে, রক্ষা করতে বাংলাদেশ বাধ্য। মজা হলো এই বাধ্যবাধকতা এসেঠে টিফা আর হানা য় স্বাক্ষর করার পর পরই।
সবাক বলেছেন:
ওই মিয়া, ফাঁকিবাজ কৈলেন মনৈ
পয়লা পড়তে লইয়া কারেন্ট গেলো... ২য় বার রিস্টার্ট নিলো আমনাম্নি... ৩য়বারের প্রচেষ্টায় পড়লাম।
যে মাল দিছেন, এইটা পড়ার পর আর কিছু কওনের থাকে? আমার কাকা এক সময় এখানের শ্রমিক ছিলো।
আমি বারআওলিয়ায় ৮/৯ দিন কাম করছিলাম। হাজিরা ছিলো ১৩০ টাকা। তয় অত ভেতরে কাম করি নাই। আমি খালি গ্যাসের পাইপ টাইনা দেয়ার কামে ছিলাম। পাইপ স্টোররুমের দূয়ারের সামনে। ম্যালা কিছু জাননের আগেই ভাগছি।
লেখক বলেছেন:
ওইটুকু কওনে তোমার হাত দিয়া এতগুলা কথা বাইর হইল, বুঝছ এবার? আমি
চাইতেছিলাম তুমি আরো কিছু কও।
জীবনের অনেকটা পথ পেরুলেই
এক একটা সবাক হওয়া যায়
(লাইনটা কেমন হইল?)
সবাক বলেছেন:
যদি জানতাম কখনো ব্লগের মতো কোন কিছু বা সাংবাদিকতার সাথে জড়িত হবো- তবে অনেক কিছুর সংরক্ষণ করতাম। এখন ইচ্ছে করে- হাত কামড়াই। বিশেষ করে বিদেশ ভ্রমন আর কিছু কর্মকষ্ট অবশ্যই তুলে রাখতাম। এখন কেবল অনুভূতি বলতে পারবো- বিশ্লেষন বা সঠিক তথ্য তুলে দিতে পারবো না, তাই লিখি না। অনুভূতিগুলো গল্পের চরিত্র আর কবিতার দৃশ্যে উঠিয়ে দিয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচি।
লেখক বলেছেন:
যেটুকু আছে তাই তো অনেক। জাস্ট কেবল স্মৃতিগুলো ঝালাই করে নাও, দেখবে আপনা আপনি সব কিছু মনে পড়ে যাচ্ছে।
তোমার যোগ্যতা প্রশ্নে আমি ভীষণ আশাবাদী। তোমার ভেতরে কি পরিমানে
এলিমেন্টস আছে তা তুমি নিজেই জান না। দরকার শুধু নির্মোহ ভাবে কাজে
লাগানো।
সবাক বলেছেন:
Click This Link
সময় পাইলে এইটা দেইখেন। সাদামাটা একটা গল্প। কাহিনী পরিচিত। তবুও লিখলাম। নিজ চোখে দেখাতো তাই। আবেগে পড়ে।
লেখক বলেছেন:
একঝলক দেখলাম কেবল। আজ আর পড়ার এনার্জি নেই। এখনই পিসি অফ করে দেব। কাল ভাল ভাবে পড়ে তার পর জানাব।
অক্টোপাস বলেছেন:
চমৎকার লিখেছেন! ধন্যবাদ।আমাদের দেশের মতো স্বার্থলোভী মানুষ কমই আছে যারা নিজেরে দেশকে অবিরাম বাঁশ দিতেও দ্বিধা করে না!!
লেখক বলেছেন:
পৃথিবীর সব জাতির মানুষই কম বেশি স্বার্থলোভী, কিন্তু তারা এক একটি খাত থেকে স্বার্থ উর্দ্ধার করে। আর আমাদের স্বার্থান্বেষীরা সমগ্র দেশটিকেই নিজেদের বাপের সম্পত্তি মনে করে। সব চেয়ে দুঃখ জনক হচ্ছে এখানে একটা বিশেষ শ্রেণী নয়, খেটে খাওয়া মানুষকে শোষণ করার ক্ষেত্রে বাকি সবাই একজোট হয়ে শোষণ চালায়।
আউটসাইডার_আউটসাইডার বলেছেন:
প্রিয়তে।বাসায় গিয়ে পড়ব।
লেখক বলেছেন:
আপনার লেখাগুলো অনুসরণ করছি আমি। হয়ত মন্তব্য করা হয়না। বিশেষ বিশেষ বিষয়ে আপনি চমৎকার বিশ্লেষণ করছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম। এখন অফিসে ঝামেলায় আছি। বাসায় যেয়ে পড়বো।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ। এটা যে মনযোগ দিয়ে পড়বেন সেটিই একটি বিপ্লব! সাধারণত মেয়েরা এসব জটিলতায় যেতে চান না।
কিছু বলার ভাষা নাই।
লেখক বলেছেন:
আমরা কি চাই? আমরা চাই যারা আমাদের জীবন-যাপন নিশ্চিত, নিঃষ্কণ্টক করবার জন্য দিন রাত পরিশ্রম করছে তারা যেন মানুষের মত বাঁচতে পারে। তারা যে মানুষের অবস্থায় নেই সেটা আমাদের শাসকশ্রেণী কিছুতেই বুঝতে চাইছে না। এই লেখাটা যদি একজন শাসককেও বোঝাতে পারে সেটুকুই
স্বার্থকতা।
কালপুরুষ বলেছেন:
তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ দাদা। কবিতা লেখা আর কবিতা পড়ার ফাকেও যে আপনি এমন রসকসহীন লেখা পড়েন সেটাই তো অনেক!
লেখক বলেছেন:
গুল্লি ডট কম এর আগুন তো ভালই জ্বলছে!
থ্যাঙ্কস।
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
পোস্টটির জন্য অনেক ধন্যবাদ..
লেখক বলেছেন:
আপনাকেও পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
অরণ্যানন্দ বলেছেন:
সাংঘাতিক ব্যাপার!
লেখক বলেছেন:
বাস্তব চিত্র আরো ভয়াবহ। লেখায় সব চিত্র ফুটে ওঠে না।
তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন:
মানুষ আর পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক সকল কর্মকান্ডই বন্ধ হওয়া উচিৎ।
লেখক বলেছেন:
কেউ করবে না ভাই। তারা যেন করেন সে জন্যই এধরণের
লেখালেখি। হয়ত এতেও কোন কাজ হবে না। তার পরও কোন কোন ভাবে প্রতিবাদটা জারি রাখতে হবে! এটা যে অমানবিক কাজ সেটি
অব্যহত ভাবে বলে যেতে হবে।
নাযীর আহমদ বলেছেন:
মানুষ আর পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক সকল কর্মকান্ডই বন্ধ হওয়া উচিৎ।
লেখক বলেছেন:
আগে মানুষের কথা ভাবতে হবে, তার পর পরিবেশ। মানুষই যদি না বাঁচে পরিবেশ
দিয়ে আর কি করব।
পড়া জন্য ধন্যবাদ।
ত্রিশোনকু বলেছেন:
সীমাহীন লোভের বলি মানুয ও পরিবেশ।
লেখক বলেছেন:
ঠিক বলেছেন। তার সাথে আরো আছে নিচু তলাকার মানুষদের সম্পর্কে উঁচু তলার মানুষের শ্রেণীগত ঘৃণা এবং তুচ্ছতাচ্ছিল্য। এই দুই ধরণের বোধ এক হয়ে তৈরি হয়েছে ডেলি লেবার কে মেশিন ভাবার হার্মাদীয় চিন্তা।
এস বাসার বলেছেন:
আপনার আগের লেখাটি ও পড়েছিলাম, তথ্যবহুল নিঃসন্দেহে। এ সপ্তাহে আর ও নতুন দুটি শিপইয়ার্ড উদ্বোধন হচ্ছে।
বন বিভাগে , ইউ.এণ.ও অফিসে, এস.পি সাহেব কে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে, প্রতি প্যাকেটে কত টাকা জানিনা, তবে লাখ ছাড়িয়ে অবশ্যই।
এম.পি সাহেব ও থাকবেন অনুষ্ঠানে।
View this link
লেখক বলেছেন:
হ্যাঁ, মনে পড়েছে। আপনি এ নিয়ে একটি পোস্টও দিতে চেয়েছিলেন। পরে কোন কারণে দেন নি।আমরা এমন বিপরীতমুখি চিত্র বরাবরই দেখি। একদিকে এই জাহাজভাঙ্গার ভাগাড়ে দরিদ্র মানুষের আহাজারি অন্যদিকে এই ব্যবসা থেকে পাওয়া
অফুরন্ত লাভের জেল্লা আর জৌলুশ। যদিও সমাজের সব খানেই এই দৃশ্য চোখে পড়ে, তবে সব চেয়ে নগ্নভাবে দেখা যায় গার্মেন্ট আর এই জাহাজভাঙ্গার ভাগাড়ে।
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
আপনাকে সেলুট জানাই লেখাটার জন্য।
লেখক বলেছেন:
আমি সেলুটের যোগ্য নই মুক্তি দা। বরং সেলুট জানাই ওই হতভাগাদের, যাদের
অক্লান্ত রক্ত-ঘামে সিক্ত হচ্ছে শুষ্ক চরাচর।
রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন যায়গায় সরকারী বে সরকারী যত আপামর জনগন আছেন তাদের কারও মধ্যেই দেশ প্রেম নেই থাকলেও তা জীবনের প্রথমেই কর্মক্ষেত্রে পদার্পন করেই বিভিন্ন ধরনের চাপের মুখে তা জলাঞ্জলী দেয়।
আমি বুঝি না আমাদে শুদ্ধতার অভিযান কোথা থেকে শুরু করতে হবে। মাথা থেকে নাকি লেজ থেকে। আমাদের আত্মধ্বংসী কার্যকলাপ আমাদের একেবারে রক্তের মধ্যে । আমরা কেউ যেনে বুঝে করছি কেউ না যেনে না বুঝে।
ধন্যবাদ গুড পোস্ট। কিন্তু এর সমাধানে কে এগিয়ে আসবে?
লেখক বলেছেন:
"আমাদের আত্মধ্বংসী কার্যকলাপ আমাদের একেবারে রক্তের মধ্যে ।"
এর পরে আর কথা থাকে না। অর্থাৎ এখন শুদ্ধিকরণটা শুরু করতে হবে রক্তের
উৎস থেকে।
বাই ডিফলট রাষ্ট্রকেই এগিয়ে আসতে হবে। রাষ্ট্র তা করতে ব্যর্থ হলে এই শোষণ আরো তীব্র হবে। মানুষ আরো বেশি করে পণ্যে রূপান্তিরিত হবে।
আমি হনুমান বলেছেন:
লিখতে থাকেন..যে দেশে কুততা বিলাইর মত মানুষ জনমে সেখানে এর সমাধান অনে....ক দেরি..
লেখক বলেছেন:
নারে ভাই। আমি সমাধান চাচ্ছি না। চাচ্ছি সেই "কুত্তা-বিলাই"গুলোরে যেন একটু খাওয়াইয়া-পরাইয়া বাঁচাইয়া রাখা যায় সেই কাজটাই তেনারা করুন।
লেখক বলেছেন:
না না, তা করবেন কেন? আত্মহত্যার চেয়ে প্রতিবাদ করা অনেক সহজ। প্রতিবাদী হোন। তাতে করে অন্তত আত্মহত্যার গ্লানী ভর করবে না। এক একটি প্রতিবাদ আপাতদৃষ্টে নিষ্ফল মনে হলেও আসলে তা নয়। নিশ্চই
প্রত্যেকটি প্রতিবাদ অর্থবহ। নিশ্চই তা শোষকের বুকে কাঁপন ধরায়।
লেখক বলেছেন:
আপনার কাছ থেকে কিছু আলোচনা আশা করেছিলাম। শুধুই প্লাস দিয়ে সরে গেলে তো হবে না। আছেন কেমন? আপনার মেইলের বিষয়ে ভাবতেছি...........
লেখক বলেছেন:
সেই নিজের অভিজ্ঞতা নিয়েই লিখুন না। এ নিয়ে যত বেশি লেখালিখি হবে তত ব্যাপারটা মানুষের গোচরে আসবে এবং জনমত গড়ে উঠবে।
ধন্যবাদ গোঁপা।
লেখক বলেছেন:
পড়িনা।
কামাল হাওলাদার বলেছেন:
ভাই বাংলার সমাধান কবে হইব এরকম লেখা লিখলে তো বা পোষ্ট দিলে বর ভাই গুলাইন জলে পুরে যাবে
লেখক বলেছেন:
পরিষ্কার হলো না ভাই। ঠিক কি বলতে চাইলেন বোঝা গেল না। দুঃখিত।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ওসমানজি২ বলেছেন:
ভাই এদেশে শিল্প (?) বলতে তো আমরা গার্মেন্টস আর জাহাজ ভাংগাই বুঝি। লাভ প্রচুর, জনসংখ্যার আধিক্যের দেশে প্রায় বিনাপয়সায় শ্রম পাওয়া যায়। যে শ্রমের পয়সা মাঝে-মধ্যে আবার মেরেও দেওয়া যায়। সুতরাং এই শিকল থেকে বের হওয়া আসলেই খুব কঠিন তবে অসম্ভব নয়। নীল কুঠির সাহেবদের অত্যাচারও একদিন বন্ধ হয়েছে, এসব নব্য শিল্পপতিদের অত্যাচারও একদিন বন্ধ হবে ইনশাআল্লাহ।
লেখক বলেছেন:
বন্ধ একদিন হবে এতে কোন সন্দেহ নাই, কিন্তু তার আগে এরা যেভাবে মানুষের শ্রম নিংড়ে নিচ্ছে তাতে তো সেই রসহীন মানুষরা পশুর কাতারে নেমে যাচ্ছে! আশরাফুল মখলুকাত কথাটাতো বেশ গর্ব করেই আমরা বলি, তার সাথে কি কোন মিল আছে এই নিমর্ম শোষণের? না নেই।
ধন্যবাদ।
মুকুট বলেছেন:
আমরা সবসময় উপড়ের লাভ দেখে লোভে পড়ি, কিন্তু সেই সাথে যে নিজেদেরই সর্বনাশ করছি, কেউ ভাবি না। লেখক বলেছেন:
সে কারণেই এধরণের পোস্ট লেখার চেষ্টা করে যাচ্ছি। দেখি কিছু হয় কি না।
পল্লী বাউল বলেছেন:
+++++++
লেখক বলেছেন:
এই আর এক আলসে! লেখার কথা ভেবেই সহজ উপায়ে কাজ সেরে গেলেন!
বাউল ঈদের সময় কিন্তু সদলবলে হামলা করতে পারি......
অন্যরকম বলেছেন:
মনজুরুল ভাই, খুবই গুরুতর একটি বিষয় তুলে ধরেছেন আপই। আমিও ৩/৪ মাস আগে ভেবেছিলাম আরও তথ্র জোগাড় করে একটা পোস্ট দিবো। কিন্তু সময় পাচ্ছিলাম না। খুবই ভালো হয়েছে আপনি অনেক তথ্যমূলক আর বিশ্লেষণ করে একটি পোস্ট দিলেন। আমি প্রথমেই এ ব্যাপারে জানতে পারি দৃকের শহীদুল আলমের একটি ছবি ব্লগ দেখে। সবার পড়ার জন্য লিংকটা এখানে দেওয়া হল। আপনিও সময় করে মূল পোস্টে যোগ করে দিয়েন।
২ দিনের ভিসা - শহীদুল আলম/দৃক
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ অন্যরকম। লিংকটা আমার কাছে ছিল, কিন্তু পোস্ট এমনিতেই অনেক বড় হয়ে যাওয়ায় আর ছবি দেইনি। আরো অনেক বিভৎস ছবি আছে যা প্রকাশ্যে প্রিন্ট করা যায় না।
দুঃখিত অন্যরকম, উত্তর দিতে দেরি হয়ে গেল।
এহসানুল হক জসীম (১) বলেছেন:
Thanks
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
অদ্ভুতুড়ে বলেছেন:
এসব জানোয়ারদের হাত থেকে আমাদের মুক্তি মিলবে কবে?
লেখক বলেছেন:
মুক্তি তো অনেক পরের ব্যাপার। আপাতত ওখানে যারা কাজ করছে তাদের সাথে একটু মানেষের মত আচরণ করলে কি মালিকদের খুব ক্ষতি হয়ে যেত?
অদ্ভুতুড়ে বলেছেন:
ভাই আপনার পোস্ট টা শেয়ার করলাম ফেসবুক- এ
লেখক বলেছেন:
খুব ভাল করেছেন। এটা যত বেশি প্রচারে আসে ততই কাজে দেবে।
মোক্তার আইমান বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম।বাসায় গিয়ে পড়ব।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ মোক্তার আইমান।
অপ্সরা বলেছেন:
একটা প্লাস দিয়ে গেলাম ভাইয়া। এই লেখার কারনেও যদি এই বিচ্ছিরি শিল্প নামে কুশিল্পটা বন্ধ হয়।
লেখক বলেছেন:
নাহ্ এটা বন্ধ হবে না। দেশে সস্তা শ্রম যতদিন আছে ততদিন এই সব শ্রম নিংড়ানো ব্যবসা থাকবে, শ্রম শোষণ থাকবে। আমরা তো বন্ধ করতে বলছি না, বলছি শ্রমিকদের কাজের সুস্থ্য পরিবেশ আর ন্যায্য মজুরী।
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
স্যালুট মনজুর ভাই...
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ রিপন। আমি স্যালুট পাওয়ার মত কিছু করিনি ভাই, বরং স্যালুট তাদের যারা পশুর মত এই ভাগাড়ে রক্ত ঘাম অকাতরে বিসর্জন করে চলেছে....
মাছুমুল বলেছেন:
এই শিল্প যে কতটা অমানবিক তা আমার দেখার দূর্ভাগ্য হয়েছে ।এই শিল্প দ্রুত বন্ধ করা হোক । পোষ্টে প্লাস +++++++
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ মাছুমুল। এই কথাটিই এখন জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া দরকার। আমরা বাঁচার জন্য কাজ চাই, টাকা চাই, কিন্তু তা জীবন ধ্বংস করে নয়, প্রকৃতি ধ্বংস করে নয়, জীবনকে রক্ষা করে জীবনকে বাঁচিয়ে রেখে।
হোরাস্ বলেছেন:
++++++
লেখক বলেছেন:
থ্যাংকস হোরাস্ ।
মনির হাসান বলেছেন:
মনজু ভাই ... অজুহাত শোনাতে ইচ্ছে করছে না । আপনার সাথে কথা হওয়ার পর এই এতক্ষনে নেট পেলাম ।উপমার খবর কি ?
লেখক বলেছেন:
নেট ভয়ংকর রকম ডিসটার্ব করছে। এতক্ষণ পরে সম্পূর্ণ পেজ ওপেন হলো। খুবই বাজে অবস্থা। সামহয়ার ওপেন হতেই টাইম লাগছে প্রায় ২০ মিনিট!
যা হোক উপমার খবর খুব খারাপ। মেইলে ডিটেইল বলছি। রাত ৯ টায় হাসপাতাল থেকে ফিরেছি।
বাকি কথা পরে বলছি মনির।
বাঙ্গাল বলেছেন:
স্টকে রাখলাম। পড়ে পড়ব। আগাম প্লাস ও ধন্যবাদ। বুড়িগঙ্গা ও মেঘনায় ক্রমেই রমরমে হয়ে ওঠা জাহাজ নির্মান শিল্প দিয়েও এরকম কিছু আশা করছি। নদীগুলানতো শেষ।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ বাঙ্গাল। আমার খুব হাসি পায় যখন শুনি সরকারের মন্ত্রী-আমলারা দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা করছেন---"নদী দখল করতে দেওয়া হবে না, যে কোন মূল্যে বুড়িগঙ্গা উর্দ্ধার করতে হবে---"
এই আপ্তবাক্যগুলো যেদিন বন্ধ করে দেওয়া যাবে সেদিন বোধ হয় কিছু হলেও হতে পারে।
কুমিল্লার পোলা বলেছেন:
তথ্যসমৃদ্ধ লেখা।তবে যেখানে মানুষের নুন আনতে পানতা ফুরায় সেখানে পরিবেশ নিয়ে সেই মানুষগুলো পরিবেশ নিয়ে চিন্তা করার সময় আছে কি? The Huffington Post এর একটি প্যারাতে লেখা আছেঃWhen decommissioned ships plow into Chittagong's beaches, armies of poor Bangladeshis walk along the tidal flats and begin the work of dismantling. More than 20,000 laborers work in the city's 36 shipyards.
এই বিশ হাজার শ্রমিকের রুটিরুজির একদিনের জন্য বন্ধ হলে কি হবে তা চিন্তা করা মনে হয় আমাদের মত শহুরে মানুষের পক্ষে অনেকটা অসম্ভব!বাংলাদেশের জ়াহাজ নির্মান শিল্প এ দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী রপ্তানী শিল্প(Click This Link)।তাই হঠাৎ করে কিছু করাও অসম্ভব।ব্যবসায়ীরা কিভাবে লাভের পাল্লা ভারী করবে তা নিয়েই ভাববে এটাই স্বাভাবিক।সরকারকে এ ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখতে হবে।শিল্পমালিকরা যদি সচেতন না হন তাহলে তা তাদের জন্য কাল হইয়ে দাঁড়াবে এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।উদাস্বরূপ গার্মেন্টস শিল্পের বর্তমান অবস্থার কথা বলা যায়।তাদেরকে বুঝাতে হবে ক্ষনিকের ব্যবসার জন্য দীর্ঘস্থায়ী ব্যবসা হারালে কারোরই লাভ হবে না।
জাহাজ নির্মান শিল্প দ্রুত উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।বাংলাদেশের জন্য আশার কথা যে PHP, S Alam, KDS and Namrin International সমন্বিতভাবে ‘hot rolled steel plant’ স্থাপন করতে যাচ্ছে(লিংকঃhttp://www.thefinancialexpress-bd.com/search_index.php?page=detail_news&news_id=30681)।এতে জাহাজ নির্মান শিল্পের দূর্বলতাগুলো কেটে যাবে আশা করা যায়।চীন,ভারত এ সেক্টর সিংহ ভাগ ধরার চেষ্টা করছে(ভারতঃhttp://www.bharatbook.com/Market-Research-Reports/Report-on-Shipbuilding-Industry-For-Indian-Customers-.html চীনঃhttp://www.bharatbook.com/Market-Research-Reports/China-Shipbuilding-Industry-Forecast.html)।এখনই সময়।বাংলাদেশকেও অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে।এসব দেশও যে পরিবেশ দূষণে পিছিয়ে আছে তা নয়()।তবে এই দেশটা যে আমাদেরই দেশ।বাস্তবতাকে সামনে রেখে খেটে খাওয়া মানুষগুলোর জন্য একটু শান্তিতে থাকার ব্যবস্থা করার দায়িত্ব আমাদের।
লেখক বলেছেন:
With Childbreaking Yards, FIDH and YPSA draw for the first time a comprehensive description of child labour in Chittagong’s shipbreaking yards. It is estimated that about 25% of the workers on the yards are children. Through testimonies and pictures, the purpose of Childbreaking Yards is not only to denounce child labour but also to shed light on the socio-economic context that pushes children into such a hazardous activity.
Shipbreaking is a key industry in Bangladesh and a highly hazardous activity. It attracts extremely poor farmers and migrant workers, as working in the yards provides them with higher income than agricultural work. Accidents occur on a daily basis on the yards, leaving many workers severely injured and some dead. The health of the workers is also affected as a result of exposure to toxic substances contained in the ships and of the unsafe conditions in the yards.
এস বাসার বলেছেন:
মন্জু ভাই, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ , অন্তত কিছু হবেনা জেনে ও লিখে যাচ্ছেন। কিছু মানুষ দেশটাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে নিজেদের ভোগ বিলাস আর পয়সার লোভে।আমার একটা লেখা ব্লগে দিয়েছিলাম এ বিষয় নিয়ে, যদি কেউ পড়তে চান নিচের লিংকে যেতে পারেন।
জাহাজ ভাংগা শিল্প........... সবুজের বুক ছিড়ে লোহালক্কড় আর ইটপাথরের জন্জাল!!!
লেখক বলেছেন:
আগেও সম্ভবত আপনাকে বলেছিলাম; আপনার নিজের এই বিষয়ে বেশ ভাল অভিজ্ঞতা আছে, সেটা কাজে লাগাতে পারেন। লিখুন। লিখতে থাকুন।ধরে নিন কিছু হবে না। তার পরও লিখতে হবে। তা না হলে তো লাখ লাখ মানুষ জানতেই পারবে না যে কি ভয়াবহ পরিস্থিতিতে দিন কাটাচ্ছে শত সহস্র মানুষ!
পারভেজ বলেছেন:
পরিবেশের সুরক্ষা, কর্মক্ষেত্রের সকল নিরাপত্তা ও শ্রমিক অধিকার রক্ষা করে কি এই শিল্পকে এগিয়ে নেয়া যায় না? অবশ্যই যায়। কিন্তু তা হলে তো ডলার রাজনীতিবিদদের পকেট ভারী করবে না!ভাগাড়ের উচ্ছিষ্টেরও উপযুক্ত ব্যবহার হয়; দুঃখনজনক হলো এদেশে কখনো হয়নি, হবেওনা।
লেখক বলেছেন: "দুঃখনজনক হলো এদেশে কখনো হয়নি, "
এই হতাশা আর কতকাল বয়ে বেড়াব বলতে পারেন পারভেজ? মাঝে মাঝে ভীষণ হতাশ লাগে।
মেটালিফেরাস বলেছেন:
নির্বাক হয়ে যাই! কি নির্মম মানুষের বেঁচে থাকার চেষ্টা। তবুও এরা বাঁচতে চায়। তবুওএদেরকে পুঁজি করে আর একটি শ্রেণী তাজা মোটা হয়।
আপনার আগের লেখাটাও পড়েছিলাম। এটা পড়ার পর মনে হল কিছু একটা করা দরকার। একটা দায় নিয়ে গেলাম কমরেড।
লেখক বলেছেন:
যে দায় এর কথা বলেছেন সেটি যদি সত্যি সত্যিই নিয়ে যেয়ে থাকেন তাহলে সেটুকুই আমার সার্থকতা ধরে নেব।
মেটালিফেরাস বলেছেন:
আরও একটি কথা। আমাদের কোন রাজনৈতিক দলকেই তো এই ব্যাপারে কোন কথা বলতে শুনি না। এরা জানেন না তা হতে পারে না। তাহলে কেন তারা নিশ্চুপ?নাকি ভাগের ভাগ সময় মত বাড়ি পৌঁছে যায়?
লেখক বলেছেন:
হয়ত আপনার শেষের লাইনটিই ঠিক।
ভাবসাধক বলেছেন:
ধন্যবাদ ভাই ! তথ্য বহুল , জরুরী একটি লেখা দেয়ার জন্য ।
প্রিয়তে রাখলাম ।
আমাদের দেশের মানুষের জীবন মূল্য খুবই সামান্য ,,,,,,,,,,,,,,,,, এ সুযোগেই ধান্ধাবাজরা টাকা বানাচ্ছে ।
লেখক বলেছেন:
আমাদের দেশের খেটে খাওয়া মানুষের জীবনের মূল্য কোন কালেও ছিল না, এখনো নেই। এখানে যেটা হচ্ছে তা এতটা চামারী -জোচ্চরি না করেও কিছুটা সুস্থ্য পরিবেশে আর মানবিক পরিবেশে করা সম্ভব। সেটি করতে খুব বেশি টাকা খরচ হয় তাও না। তাহলে কেন করে না? কারণ লাভের গুড়ের এক চিমটিও ওরা খরচ করতে রাজি নয়। আর সরকারে যারা আছেন তাদের কি এত দিকে দেখার সময় আছে? তারা তো এখন বেহেস্তি নহরে তরী ভাসিয়ে মধুচন্দ্রীমায় ব্যস্ত।
সানি জামান বলেছেন:
হুম্ম্ জ্ঞান গর্ভ লেখা..
ইব্রাহীমলিজা বলেছেন:
+++ প্রতিকার চাই....
লেখক বলেছেন:
অবশ্যই প্রতিকার চাই। এক'শ টাকায় শ্রম বেচা মানুষগুলোর জীবনও যেন ওরা কিনে নিয়েছে!
জুলিয়ান সিদ্দিকী বলেছেন:
দুদিন ধরে আড়াল থেকে পড়লাম। অনেক কিছুই জানা গেল। আরো কিছু জানতে পাবো সে আভাসও দিয়েছেন। প্রতীক্ষায়। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
বহুদিন বাদে দাদা! ভাল ছিলেন তো? আমি তো প্রায় বিস্মৃতই হয়ে গেছিলাম! এখনো কি ধারাবাহিক উপন্যাস লিখছেন?
আউটসাইডার_আউটসাইডার বলেছেন:
মনজুরুল ভাই ফেসবুকে আপনার পোস্ট টা শেয়ার করলাম
লেখক বলেছেন:
ভাল করেছেন। যদিও আমি ফেস বুক সম্পর্কে তেমন কিছুই জানি না। যাওয়াও হয়না। যদি সম্ভব হয় তাহলে আরো অন্য জায়গায়ও শেয়ার করতে পারেন।
খোন্দকার সিদ্দিক-ই-রব্বানী বলেছেন:
ভাল তথ্য দিয়েছেন। আমার কিছু চিন্তা ও ধারণার সাথে আপনার তথ্য মিলে যাচ্ছে। দেশে নিজস্ব প্রযুক্তিবিত্তিক, নিজস্ব মেধাসৃষ্ট ক্ষুদ্র শিল্পের জন্য আমি অনেকদিন একথাই বলে যাচ্ছি যে আমাদের ১৫ কোটি মানুষের শুধু দুটো করে হাত নয়, একটি করে মাথাও আছে। তাকে নিজস্ব উদ্ভাবনের স্বাধীনতা দিতে হবে যার মাধ্যমে সে নিজের অবস্থার উন্নতি ঘটাতে পারে। আমাদের রাষ্ট্রীয় নীতিমালা তা হতে দিচ্ছে না।ধনী আমদানীকারকেরা সব রাষ্ট্রীয় নীতিমালাকে প্রভাবান্বিত করেন। আউটসোর্সিং কিন্তু দারিদ্র লালন করে, কারণ দরিদ্রের সস্তা শ্রমই তার হাতিয়ার। আজ বিশ্বায়ণের দোহাই দিয়ে আমরা এসব প্রোমোট করে যাচ্ছি। আমার চেষ্টায় একদুবার রাষ্ট্রীয় নীতিমালায় যদিও কিছু পরিবর্তন এসেছিল, কিন্তু তা অল্পকিছুদিনের মধ্যেই পাল্টিয়ে ফেলা হয়েছে, বা তাকে কার্যকরই হতে দেয়া হয় নি।
প্রচলিত গণতন্ত্র হয় রাজতন্ত্রকে রক্ষা করে অথবা ধনী ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করে- আমার এ ধারণার সাথেও আপনার তথ্য মিলে যায়। তৃণমূলে কাজ করা শিল্পমন্ত্রী আজ দরিদ্রদের বিপক্ষে ধনী ব্যবসায়ীদের স্বার্থরক্ষা করার কথা কেন বলছেন?
আমার একটি ব্লগ সাইটে আরও কিছু লিখা পাবেন। ডব্লিউ-ডব্লিউ-ডব্লিউ.বৃত্তেরবাইরে.কম (ইংরেজীতে লিখতে হবে) - এই ঠিকানায়।
লেখক বলেছেন:
"প্রচলিত গণতন্ত্র হয় রাজতন্ত্রকে রক্ষা করে অথবা ধনী ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করে- আমার এ ধারণার সাথেও আপনার তথ্য মিলে যায়। তৃণমূলে কাজ করা শিল্পমন্ত্রী আজ দরিদ্রদের বিপক্ষে ধনী ব্যবসায়ীদের স্বার্থরক্ষা করার কথা কেন বলছেন?"
কারণ এখন আর তিনি তৃণমূলে কাজ করা মানুষ নন, একজন পূর্ণ মন্ত্রী। মন্ত্রীরা দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলে বিরাগভাজন হয়ে চাকরি খোয়ানোর হিম্মত দেখিয়েছেন এমন নজির এদেশে নেই।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
এমন জারে এদেশের ব্যবস্থা জড়ানো .মুক্তি নেই///////////গরীবের অনেক সমস্যা...........গরীব হলে মুক্তি নেই
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















এই দেশটা তলা-বিহীন ঝুড়ি না, আসলে কিছু রাক্ষসের খিদে সীমাহীন।