আমার প্রিয় পোস্ট
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- আসুন আরব বর্বরদের ঘৃণ্য থাবা হতে বাকীদের মাথা বাঁচাতে তিনটি দাবীতে সোচ্চার হই - ও.জামান
- বিডিং রাউন্ড ২০১১: গ্যাস লুটের নতুন ধান্দা - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে পিএসসি চুক্তি: প্রথম আলোয় ম.তামিমের সহজ পাঠের প্রতিক্রিয়া - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে চুক্তি নিয়ে ডেইলিস্টারের মিথ্যাচারের জবাবে - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর কাছ থেকে কত টাকা খেয়ে প্রথম আলো এইরকম মিথ্যা রিপোর্ট করেছে? - দিনমজুর
- দুর্ঘটনার রাজা কনোকোফিলিপস ও বঙ্গোপসাগরের আসন্ন বিপদ: যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিপি-ব্লোআউটের আলোকে - দিনমজুর
- কনোকো-ফিলিপস এর হাতে তুলে দেয়া হলো সাগরের গ্যাস ব্লক ১০ ও ১১ - দিনমজুর
- টেলিকম বহুজাতিকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রথম আলোর অস্থিরতা - দিনমজুর
- নাস্তিক নির্ধর্মী কাফেরগন - হুশিয়ার সাবধান! - দাঁড়িপাল্লা
- অবিশ্বাসী কেউ ইসলামের সমালোচনা করলে মুসলমান ভাই-ব্রেদেরণদের উত্তেজিত হওয়ার কোন যৌক্তিক কারণ নাই। - হোরাস্
- বিমান বন্দরের নামে আড়িয়াল বিলে রাষ্ট্রীয় ভূমি আগ্রাসন! - দিনমজুর
- ১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবি হত্যার ইতিবৃত্ত - পিডিএফ সংস্করণ - নাঈম
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- হামীম গার্মেন্টস এ আগুন: গার্মেন্টস না লাশের কারখানা? - দিনমজুর
- হে রক্তমাংসহীন মেহনত! আল্লার দোহাই, পুড়ে পুড়ে কয়লা হও!! আমাদের অনেক উন্নয়ন দরকার - একজন নাগরিক
- দোহারের গান এবং আমাদের ধনী পিতার ফকির সন্তানদের গল্প - অনার্য তাপস
- কোরান কি অলৌকিক গ্রন্থ? - ১ - সজীব আকিব
- সংশোধিত ড্যাপ আবশ্যক - সচল জাহিদ
- কর্ণেল তাহের আজো প্রাসঙ্গিক ১: কর্ণেল তাহেরের পিপলস আর্মি - দিনমজুর
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- মানালি থেকে লাদাখের পথে: (তৃতীয় পর্ব- দ্বিতীয় ভাগ) - আহাদিল
- নূন্যতম মজুরী নিয়ে সমঝোতার সাজানো নাটক - দিনমজুর
- জিয়া কর্তৃক তাহের হত্যাকান্ড নিয়া পি মুন্সী’র ‘অবজেবক্টিভ’ ত্যানা প্যাচাপ্যাচি প্রসঙ্গে একখান রি-অ্যাকশান পোষ্ট! - মাদারি
- পার্বত্য চট্টগ্রাম: কান্না যেমন করে রক্তের রূপ পরিগ্রহ করে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ভাষার জন্য একটি প্রান্তিক জাতিসত্তার সুদীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস: বাংলাদেশে কি সকল জাতির সকল ভাষা সমান স্বীকৃতি ও মর্যাদা পাবে ? - কুঙ্গ থাঙ
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব - পি মুন্সী
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- বাঘাইছড়ি হত্যাযজ্ঞ: পাহাড়ি-বাঙালি দ্বন্দ্ব নাকি শাসক শ্রেণীর ঔপনিবেশিক আধিপত্য? - দিনমজুর
- কয়েকটি মজার ছবি ও একটি কৌতুক (১৮+) - কুঙ্গ থাঙ
- একটু আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে আমার ধারনাটুকু বদলে দিলেন আমার বাবা - শ।মসীর
- ৩০ মিনিটের ভাষা আন্দোলন এবং গ্রামীণ ফোনের ”কাছে থাকা”! - দিনমজুর
- একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হলোঃ “আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস্”... - মুনশিয়ানা
- দেশে 'সন্ত্রাস' বিরোধী অভিযান ও চলমান 'ক্রসফায়ার' প্রসঙ্গ- (চতুর্থ অংশ) - মাহাদি হাসান
- থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ফ্যান্টাসি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস: দ্রুত সকল বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড বন্ধ করুন। - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- বাংলা ব্লগ দিবস নিয়ে ২ পয়সার ভাবনা - বিডি আইডল
- বাংলা ব্লগ দিবসের গরম গরম ছবি... (লাইভ স্ট্রীম থেকে নেওয়া) !!! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- পার্বত্য জনগনঃ উদ্বাস্তু হতে হতে ক্রমশঃ আলাদা হয়ে যাওয়া... জেগে ওঠা বিচ্ছিন্নতার বোধ... - মুনশিয়ানা
- বিশ্বব্যাঙ্ক ও আইএমএফ - গ্লোবাল অর্থনীতি (৮) - পি মুন্সী
- পাশ্চাত্য সংগীত যারা ভালবাসেন তাদের জন্য অসাধারণ কিছু গানের লিস্ট (না শুনলে মিস করবেন) - নগর সংগীত
- আইন ভেংঙ্গে শৃঙ্খলা রক্ষার বিপজ্জনক রাজনীতি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- নির্যাতন-৬ বেআইনী টিএফআই সেল, জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন - সায়েমুজজ্জামান
- এক্সপি জেনুইন করার একটি সহজ উপায়। - অমিত০৯৭
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- বেড়িবাঁধ দখল করে তৈরী হচ্ছে ৯টি শিপইয়ার্ড - আিক
- আগুনের রেস (উৎসর্গ: মনজুরুল হক) - প্রশ্নোত্তর
- রাষ্ট্রের হাতে যদি নাগরিক নিরাপত্তা না পায় তবে সেই রাষ্ট্র ব্যর্থ - প্রশ্নোত্তর
- সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি? - ভিন্ন চিন্তা
- কমপিউটারের কিছু শর্টকাট/ কীবোর্ড কমান্ড টিপস - জোবাইর
- বাংলাদেশে তেল/গ্যাস অনুসন্দ্ধানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং গ্যাস সংকটের প্রেক্ষিত। - মনোয়ার আহমদ
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- যানজটে জীবনজট-২: সম্ভাব্য সমাধান - ফারহান দাউদ
- পূনশ্চঃ ইসলামী ব্যাংক : তত্ত্ব ও প্রয়োগের অসঙ্গতি ও কিছু কথা - (শেষ পর্ব) - পড়ুয়া_পড়ুয়া
- ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট - পান্থ বিহোস
- সিরাজ শিকদার : ভুল বিপ্লবের বাঁশীওয়ালা! ১ - অমি রহমান পিয়াল
- টিপাইমূখ বাধ সংকলিত লিংক সমূহ - কিরিটি রায়
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই (দ্বিতীয় ও শেষ অংশ) - পি মুন্সী
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই - পি মুন্সী
- সর্বগ্রাসী অপ-‘বাদ’ বনাম একজন আরজ আলী মাতুব্বর এবং... [যুক্তিবোধ ও চিন্তা-চেতনায় সহনশীল পাঠকদের জন্য এই পোস্ট সংরক্ষিত] - রণদীপম বসু
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ২ - লাশ
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ১ - লাশ
- সামহোয়ারইনের মডারেশন নীতিমালা: একটি ভিন্ন পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- মধ্যযুগীয় মোল্লাবাদ বনাম সুফীবাদ - লাশ
- তিয়ান'আনমেন রক্তক্ষয়ের ২০ বছর : কি ঘটেছিল তখন ? - মেহরাব শাহরিয়ার
- আমার প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ আ ক খ - অপ্সরা
- প্রভাকরণের মৃত্যু ও তামিল ইলম - ফিরে দেখা ইতিহাস - দিগন্ত
- আসবেন আরজ আলী? - তনুজা
- আইনস্তাইন বললেই হল! সমাজতন্ত্রের মরা ভূত আর জাগবে না (উৎসর্গ ব্লগার ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান) - ভালো-মানুষ
- ডিম্বের সন্ধানে - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কল্পনা চাকমা এখন কোথায়? - বিপ্লব রহমান
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- পিলখানা গণহত্যা: গুজবের ময়না তদন্ত - ঘনাদা
- প্রধানমন্ত্রী যেসব কথার জবাব দিতে পারেন নি..... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- একটি বিদ্রোহ পরবর্তী বিশ্লেষন শ্রেণী সংঘাতই কি বিডিআর বিদ্রোহের মূল কারন? - জামাল ভাস্কর
- বিডিআর নৈরাজ্য: লাশের মাপকাঠিতে বিদ্রোহের পরিসীমা - দিনমজুর
- লাশ উৎসব - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- একটা পুরানো দালান : ইষ্ট পাকিস্তান : আমাদের আর্মির জবাবদিহিতা - শূন্য আরণ্যক
- বিডিআরের জওয়ানদের যৌক্তিক দাবী: ঘটনা,শংকা এবং ভবিষ্যৎ - ফারহান দাউদ
- আর্মির সত্যভাষণে বিডিআর ভিলেন??!! - নিকো৮১২৩
- সবুজ সততা দেখানো শুরু হয়ে গেছে , আসল সত্য কি ? - রাগ ইমন
- মুক্ত/ নাস্তিক/ সংশয়ী/ ধর্মদ্রোহী'দের যুদ্ধটা ... আসলে কাদের বিরুদ্ধে, কিসের বিরুদ্ধে ? - মনির হাসান
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- ইজরায়েল কিভাবে গাজায় মহাবিপর্যয় তৈরি করেছে(শেষ পর্ব) - আহসান হাবিব শিমুল
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- নারীর বিরুদ্ধে পারিবারিক নির্যাতন: বাংলাদেশের পুরুষতান্ত্রিক সমাজের পুনপৌনিক ঘটনার নিষিদ্ধ আলোচনা- দ্বিতীয় কিস্তি - মুনীর উদ্দীন শামীম
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি (শেষাংশ) - দিনমজুর
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি - দিনমজুর
- নবীনদের জন্য - নাদান
- যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং বর্তমান ব্লগ-বিতর্কঃ পুনর্মূল্যায়ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী এবং একজন স্বঘোষিত পর্নোষ্টার - জাতেমাতাল
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- একজন ব্লগারের নিষ্ঠা ও আমাদের নির্লিপ্ততার আক্কেল সেলামি - রাগ ইমন
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- আরব-ভূমিতে গ্রীক দর্শনের পঠন-পাঠন, আরবের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, ইসলামের উদ্ভব ও কোরআনঃ ইতিহাসের পাঠ থেকে একটি বিশ্লেষণ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ঈশ্বর ও বিজ্ঞান- "আছে" ও "নাই" প্রমাণের কথিত দ্বন্দ্ব (শেষ পর্ব) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আস্তিক-নাস্তিক সমাচার - চার্বাক দর্শন। (শেষ কিস্তি) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- নেপালে মাওবাদীদের নির্বাচনী বিজয়, বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের মিথ এবং কিছু জরুরী ভাবনা - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ -২ - দিনমজুর
- হায়রে কৃষি!!!!!!!!!! সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও একটি বিশ্লেষণ - দিনমজুর
- প্রাইভেটাইজেশন - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -১ - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -২ - দিনমজুর
- সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও আমাদের কৃষি - দিনমজুর
- মুক্তমনার অভিজিৎ ও বিপ্লব পাল- বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ, ল্যামার্ক, লাইসেঙ্কো, নভেম্বর বিপ্লব, সমাজতন্ত্র, কেরোনস্কি, প্রতি বিপ্লব, পুঁজিতন্ত্র, ঠিকাদারতন্ত্র.... ইত্যাদি - দিনমজুর
- জিএম শস্যের ভালো মন্দ - দিনমজুর
- কিভাবে অভ্র ব্যবহার করে বাংলা লিখতে হয় (বিস্তারিত) - মৃত হাসানের প্রেতাত্মা
- পলিটিক্যাল ইসলাম কয় কারে? - সাধক শঙ্কু
- "হযরত মোহাম্মদ (সঃ) কি মৃগীরোগী ছিলেন" এর মূল লেখার জবাব - জামালiiuc
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- "নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন" শীর্ষক পোস্টের তথ্যসূত্র ও টীকাঃ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কোরআনের চ্যালেঞ্জঃ যেখানে সব্বাই ফেল মারছে!!!- ১ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আজ সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিন.....আজ আমার কষ্টের দিন..... - মনজুরুল হক
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস - একরামুল হক শামীম
- অভিজিৎ এর "মার্ক্সবাদ কি বিজ্ঞান" শীর্ষক প্রবন্ধের প্রতিক্রিয়ায়- ২ - দিনমজুর
- কার্ল মার্কস ও তথাকথিত প্রকৃতি বিজ্ঞান (Natural Science) - পি মুন্সী
- ইহুদি ও খ্রিস্টান ধর্মের একমেবাদ্্বিতীয়ম ঈশ্বর চেতনা - শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- টেকি পোস্ট ঃ কমেন্টে ফটো দিবেন কিভাবে ?? - শয়তান
- এন্টি গল্প > শেষরাতের একফালি চাঁদ > - মনজুরুল হক
এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ৬ > বাস্তবের শক্ত জমিনে প্রথম পদক্ষেপ
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৭
বাবার ঘাড়ে মাথা রেখে সত্যি সত্যিই আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, অথবা ঘুমের ঘোরে ছিলাম। বাবা আমাকে ঘরে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দেওয়ার সময় ঘোর কাটলে আমি উঠে বসে এত দিনকার সব কথা একসাথে বলার চেষ্টা করলাম, বাবা আমাকে থামিয়ে দিলেন, বললেন-পরে শুনব, তুমি ঘুমাও। কত উদ্বিগ্ন রাতের ঘুম যেন একসাথে ভর করে এলো, আমি পরম নিঃশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়লাম। অনেক বেলায় আমাকে বাবা ডেকে তুললেন। কলের পানিতে গোসল করলাম। মনে পড়ল প্রায় সাত-আট দিন গোসল করা হয়নি! তার কয়েক ঘন্টা পর বাবাকে নিয়ে সেই বুড়ো দাদুর দোকানে গেলাম। দাদুকে কিছুই বলতে হলো না, তিনি আমার সাথে বাবাকে দেখেই বুঝতে পারলেন। আমাদের বসতে দিয়ে যে কথাটি বললেন সে সময় আমি তার কোনও মানে বুঝতে পারিনি। মনে আছে তিনি বলেছিলেন-‘আপনার ছুয়ালের মায়ের দুধি জোর আছে, আমাগের ধর্মের হলি বলতাম অর্জুণ হও রে বাছা’! পরে দাদুর সাথে মোটামুটি এমন কথা হলো, আমরা মুর্শীদাবাদ থেকে এখানে চলে আসব। দাদুর দোকানের পেছনে একটা গোডাউন মত আছে আপাতত সেখানেই উঠব। তারপর দেখা যাবে। সেখান থেকে বিদায় নিয়ে ওই দিনই সন্ধ্যে নাগাদ আমি আর বাবা ফিরে চললাম মুর্শীদাবাদ। এবার পথ আমার চেনা। আমি এখন বাবার গাইড! এক একটা অন্যরকম জায়গা আসে আর আমি বাবাকে তার বর্ণনা দেই। লাইন নদীর(অথবা খাড়ি) পারে এসে আমি বাবাকে বললাম-‘এই নদী দিয়েই নবাব সিরাজউদ্দৌলা পালাতে গিয়ে ধরা পড়েছিল, এই সেই আম বাগান, এই সেই পলাশী.... বাবা যেন চেনেই না এমন করে শুনছিলেন।
পর দিন দুপুরের আগেই বাবাকে নিয়ে যখন আমি সুন্দরপুরের বাড়িতে পৌঁছুলাম তখন আমার একধরণের গর্ব হচ্ছিল যা আমি প্রকাশ করতে পারছিলাম না, পরে মায়ের কাছে শুনেছি, আমি নাকি বলেছিলাম-‘এই যে বাবা, আমি বাবাকে খুঁজে নিয়ে আসলাম’! সেই দিনটা আমাদের অসম্ভব আনন্দে কাটল, কিন্তু রাতে যখন শুনলাম আমাকে অচেনা জায়গায় পাঠিয়ে সেই যে মা খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করেছে তাকে নাকি কেউই খাওয়াতে পারছিলনা! শেষে বড় দুই বোন কান্নাকাটি করে মা’কে খাইয়েছিল। বাবাও একবার মা’কে এ নিয়ে বললেন-‘তুমি পারলে কি ভাবে, ও যদি হারিয়ে যেত তাহলে কি হতো? আমিও নেই আর ছেলেও নেই, তখন কি হতো’? মা খুব শক্ত মানুষ জানতাম। মার নাকি বিশ্বাস ছিল আমি বাবাকে খুঁজে না পেলে ঠিকই বাড়ি ফিরে আসতে পারব। সেই রাতেই আমাদের সামান্য কিছু মালপত্র গোছানো হয়ে গেল। পরদিন সকালেই আমরা আবার ফিরে চললাম বেতাই। খুব অদ্ভুত একটা ব্যাপার দেখলাম! ওই বাড়ি থেকে বিদায় নেবার সময়ও মা কাঁদছেন, কিন্তু আমার মোটেই কান্না আসেনি। আমি আসার সময় কেবল ওই বাড়ির আমার বয়সী ছেলেটাকে ( আমিনুল) বুলবুল ভাই আর খোকনকে বলে বিদায় নিলাম। এবার দিন পার হয়ে একটু রাত হতেই আমরা বেতাই এসে নামলাম। কথামত দাদুর দোকানের পেছনের সেই গুদাম ঘরে আমাদের থাকার ব্যবস্থা হলো। বাবা আমাদের ঘরে তুলে দিয়েই ক্যাম্পে চলে গেলেন। রাতে আর আসলেন না। সেই রাতের খাবারটা দাদুর বাড়ি থেকেই আসল। দাদু বলে গেলেন-‘তুমাগে এই খাবার খাতি অসুবিদে হলি কাইল থে নিজিরা রান্না করি নিবা’। আসলে আমাদের কোন অসুবিধাই হয়নি। এই সময় আরও একটা অদ্ভুত ব্যাপার ঘটল! আমি বাবাকে সাথে নিয়ে সুন্দরপুরে ফেরার পর মা আমাকে ধরে কাঁদেননি, সারাটা পথে কোথাও কাঁদেন নি, কিন্তু এখানে এসে তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরে অনেকক্ষণ কাঁদলেন আর বিড় বিড় করে বললেন-আর কখনো আমাকে একা ছেড়ে দেবেন না!
পর দিন কি কারণে যেন আমাদের কোন রান্নাবান্নার আয়োজন হলো না। বাবা সকালেই আমাদের বলে বর্ডারে চলে গেলেন টিম নিয়ে, বলে গেলেন ফিরতে দেরি হতে পারে। দুপুর গড়িয়ে গেলেও খাবারের ব্যবস্থা হলোনা। দাদুকেও বলা হয়নি খাবার দিতে। শেষে মা আমাকে লঙ্গরখানায় পাঠালেন। আমি একটা বড় সসপ্যান নিয়ে লঙ্গরখানায় লাইনে দাঁড়ালাম। লম্বা লাইন। একসময় আমার পালা এলো। বড় হাতা ভরে নরম খিঁচুড়ি দেওয়া হলো। একদিকে রান্না হচ্ছে আর একদিকে বিলি করা হচ্ছে। গরম খিঁচুড়ি ভরা সসপ্যান মাথায় নিতেই মাথা যেন পুড়ে গেল! তাড়াতাড়ি গায়ের গেঞ্জি খুলে সেটা মাথায় দিয়ে তারপর সাসপ্যান মাথায় করে ঘরে ফিরলাম। তখন প্রায় বিকেল। সকাল থেকে বোনরা কিছুই না খেতে পেয়ে আকুল হয়ে ছিল। সেই প্রথম আমরা শরণার্থীদের মত লঙ্গরখানার খাবার খেলাম। মা মনে করেছিলেন বাবা কিছু ব্যবস্থা করে যাবেন, কিন্তু বাবা হঠাৎ করেই বর্ডারে চলে গেলেন। আমাদের ওই ঘরের পাশে একটা বেডফোর্ড ট্রাক পড়ে ছিল। চুয়াডাঙ্গা লেখা। কার তা জানিনা। সেটাই আমার বোনদের খেলার জায়গা হয়ে উঠল। পাশেই ছিল বড় একটা পুকুর। মোটকথা কোন কিছুতেই আমাদের সমস্যা হচ্ছিলনা।
তিন-চার দিন পরে বাবা ফিরে বললেন আমরা লালবাজার চলে যাব। সেখানে একটা জায়গা দেখা হয়েছে যেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প হবে। ক্যাম্পের পাশেই যে গ্রাম সেখানে এক বাড়িতে আমাদের থাকার ব্যবস্থা হবে। এই গ্রামের পাশ দিয়েই আমরা রিকসা করে প্রথম বার বেতাই বাজারে গিয়েছিলাম। দুই তিনদিন পর আমরা মালপত্র গুছিয়ে চলে গেলাম সেই গ্রামে। যে ঘরটায় থাকার ব্যবস্থা হয়েছে সেটা আগে ছিল গোয়াল ঘর। তার উপর নতুন মাটি ফেলে ঘরটাকে মোটামুটি থাকার মত করা হলো। এই বাড়ির মালিকও গোপালগঞ্জ থেকে আসা। তার বড় ছেলের নাম জগা। জগার বাবার নাম পুরোটা জানতাম না, আমরা জানতাম রায় বুড়ো। এই গ্রামের অধিকাংশ মানুষই পূর্ববাংলা থেকে আসা রিফিউজি। বিশেষ করে গোপালগঞ্জ বা ফরিদপুর থেকে আসা। সে কারণে তাদের সাথে মিশতে আমাদের কোন অসুবিধা হয়নি। সমস্যায় পড়লাম প্রথম দিনেই মা’র জন্য গোসলের পানি আনতে গিয়ে। সেই একই ব্যাপার! আমি পানি নিয়ে আসার পর যে কলের পাড়ে আসে সে-ই কলটা ধুয়ে নেয়(যদিও এই ব্যবস্থা কিছুদিন পরেই উঠে গেছিল, একসময় আর তারা একাজ করছিল না) রায় বুড়োর দেওয়া দুটো বালতি ভরে পানি আনতে গিয়ে আমি যখন পারছিলাম না তখন বাধ্য হয়েই একটা বাঁশ দিয়ে বাঁক( গ্রামে যেভাবে বাঁশের বাঁকে দুপাশে ঝুলিয়ে ফেরি করে সেভাবে) দুপাশে বালতি ঝুলিয়ে পানি আনতাম। এই সমস্ত কাজগুলো করার সময় আমি মাঝে মাঝে বিদ্রোহী হয়ে উঠতাম! আর কত করব? কাজ করতে করতে আমার দম ফেলার সময় হতো না! কি করব? উপায়ও নেই। বোনরা সবাই ছোট, মা তো কলের পাড়ে গিয়ে গোসল করতে পারেনা!
দিন দুই পরে কি মনে করে বাবা আমাকে বেতাই সেই লঙ্গরখনার কাছের স্কুলে নিয়ে দিয়ে আসল। আমি নাকি লেখা পড়া সব ভুলে যাচ্ছি! আমি মুখ বুজে মাত্র দুই দিন স্কুলে থাকলাম। তিন দিনের দিন আর গেলাম না। পর দিন কাউকে কিছু না বলে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে গিয়ে হাজির হলাম। বাবার নাম বলায় প্রায় সকলেই আমাকে চিনতে পারল। সেকেন্দার নামে একজন ইপিআর এর হাবিলদার ছিল, তিনি কোয়ার্টার মাস্টারের কাজ করতেন। তাকে এবং ক্যাম্পের ডাক্তার ইয়াসিন কাকাকে বলে আমি সারাদিন ক্যাম্পে থাকার ব্যবস্থা করে ফেললাম। ওরা দুজন বাবার সাথে কথাবার্তা বলে আমার নাম লিখে নিল। এপ্রিলের শেষ দিক হবে হয়ত। কত তারিখ জানিনা। আমি মুক্তিযোদ্ধা টিমের সদস্য হলাম। বাবা সন্ধ্যার দিকে আমাকে নিয়ে কমান্ডিং অফিসার (এই লোকটির নাম কিছুতেই মনে করতে পারিনা। তিনি ছিলেন ক্যাপ্টেন। একটু তোতলাতেন। অনেক লম্বা মত, মুখটাও লম্বা, ফর্সা। অন্য তাবু থেকে একটু দূরে একটা আলাদা তাবু ছিল তার যতদূর মনে করতে পারি মাজহার হতে পারে তার নাম) এর কাছে নিয়ে গেলেন। তিনি তেমন কোন কিছু বললেন না আমাকে। শুধু বাবাকে বললেন-‘ক্যাম্পেই থাকুক, তাতে অন্তত আপনাদের নজরে থাকতে পারবে’।
প্রথম সপ্তাহেই আমার দায়িত্ব হলো একটা স্লিপ নিয়ে তেহট্ট থানা শহর থেকে রেশন আনা। যথা সময়ে আমি ট্রাক্টরে চেপে চলে গেলাম তেহট্ট। সেখানে একটা অফিসে যারা মুক্তিযোদ্ধাদের রেশন বরাদ্দ করে সেখানে স্লিপ দেখিয়ে ট্রলি ভরে চাল, ডাল, আটা, দুধ,বরফের মাছ, আরও কি কি যেন নিয়ে এলাম। সেকেন্দার কাকা কাজটা ভাল ভাবে করতে পারায় আমাকে তিন কৌটো কনডেন্সড মিল্ক দিলেন। এভাবে প্রতি সাত দিন পর পর আমাকে রেশন আনতে হতো। একবার রেশন আনার সময় আমার পিঠেপিঠি বয়সের বোনটিকে সাথে নিলাম। ফেরার সময় একটা কার্লভার্টের কাছে যেখানে ট্রাক্টরকে একটু থামতে হয় সেখানে হাত ধরে বোনকে নামিয়ে দিয়ে একটা ব্যাগ নামিয়ে দিলাম। সেই ব্যাগে আলাদা করে চাল,ডাল,আটা,দুধ এইসব ছিল। এই কাজটা একারনে করলাম, কারণ বাড়িতে চাল,ডাল ছিলনা। বাবা টিম নিয়ে গেছেন মোনাখালি। মা’র কাছেও টাকা নেই। গহনা বেঁচতে হবে তারপর টাকা আসবে। এই কথা ক্যাম্পে বলার পরও তারা কোন ব্যস্থা করেনি। তাই আমি একটা ব্যাগ নামিয়ে দিয়েছিলাম। যদিও পরে একথা সেকেন্দার কাকাকে বলার পর তিনি বলে দিলেন-‘আর কখনো এটা করবেনা। চাল,ডাল শেষ হয়ে গেলে আমাকে বলবে আমি ব্যবস্থা করব’। আমি মাথা নেড়ে মেনে নিলাম।
পরের সপ্তাহ থেকে আমি ইচ্ছা করেই মেডিকেল টেন্টে কাজ নিলাম। সারা দিন কোন কাজ নেই। চুপচাপ বসে থাকা, হঠাৎ কয়েক মাইল দূরে গোলাগুলির আওয়াজ পেলেই ইয়াসিন কাকা বলে উঠতেন- ‘কমান্ডো রেডি ফর এ্যাকশন’। আমি সাথে সাথে দাঁড়িয়ে যেতাম। কোন কোন দিন এমন হতো যে কেউ আহত হয়ে আসত না। আবার কোন কোন দিন চার-পাঁচ জন আহত হয়ে আসত! ইয়াসিন কাকা চরকির মত দৌড়াদৌড়ি করতেন। আমি গজ, ব্যান্ডেজ, কাঁচি, ডেটল এইসব নিয়ে তার পাশে পাশে থাকতাম। ভয়ে আমার দম বন্ধ হয়ে আসত! কোন কোন দিন খুব বেশি আহত কেউ এলে আমাকে কাকা সরিয়ে দিতেন। প্রথম যেদিন একটা লাশ এলো আমি সেদিন সরিয়ে দিলেও সরে গেলাম না। দড়িয়াপুর এ্যাকশনে গিয়ে মাইনে পা দিয়ে মারা গেছিল সেই মুক্তিযোদ্ধা। একটা পা সম্পূর্ণ ছিলনা! আর একটা পায়ের অর্ধেক নেই! ছিবড়ে হয়ে যাওয়া মাংশ দেখে সেদিন ভাত খেতে পারলাম না! এর পর কাকা আমাকে আর ডাকতেন না। এরও কয়েক দিন পরে একটা ছোট্ট ছেলে দেখলাম ইয়াসিন কাকার তাবুতে বসে আছে। আট-নয় বছর বয়স হবে। একটা হাতের কব্জি উড়ে গেছে! এটাও মাইন বার্স্ট হয়ে! ছেলেটার বাবা-মা মারা গেছে। সে একা একা ক্ষেতের পাশে হাঁটতে গিয়ে গোল কৌটার মুখের মত দেখতে জিনিসটা ধরতে গিয়ে হাত উড়ে গেছে! ওর সেই হাতটা ব্যান্ডেজ বাঁধা। অন্য হাতে বসে বসে জিলাপী খাচ্ছে! অনেক দিন ছেলেটা আমাদের সাথে ছিল। তারপর তার চাচা খুঁজে খুঁজে এসে তাকে নিয়ে যায়। ওই সময় বাগওয়ান, মোনাখালি,বুড়িপোতা জুড়ে সীমান্ত দিয়ে লাইন করে মাইন পুতে রেখেছিল পাক সেনারা।
আমার দিনগুলি এভাবেই কেটে যাচ্ছিল। কোথা থেকে একটা সাদা বেড়াল পেয়েছিলাম আমি। সেটা সব সময় আমার সঙ্গে থাকত। খালি হওয়া দুধের কৌটা কেটে তাকে দুধ খেতে দিতাম। প্রায় সময়ই কোলে করে বেড়াতাম। সকাল সাত-আটটা থেকে আমার ডিউটি শুরু হতো। দুপুরে একবার বাড়ি ফিরে গোসল করে মায়ের পানি তুলে দিয়ে আবার ক্যাম্পে চলে আসতাম। একদিন সকালে ক্যাম্পে যেয়ে দেখি লাইন দেওয়া তাবুর সামনে যে ফাঁকামত যায়গা ছিল সেখানে গ্রাউন্ডসিট বিছিয়ে ফায়ারিং ট্রেনিং হচ্ছে। প্রত্যেকটা গ্রাউন্ডসিটে একজন করে উপুড় হয়ে শুয়ে আছে। তাদের সামনে এসএলআর শোয়ানো। কারো বা সামনে রাইফেল। আর একটু দূরে ফাঁকা একটা সিটে একটা এলএমজি দুই ঠ্যাংয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমি তাড়াতাড়ি সেকেন্দার কাকা আর ইয়াসিন কাকাকে বললাম-‘আমি গুলি করব’। দুজনেই চোখ বড় বড় করে আমাকে দেখল। কিছু না বলায় আবারও বললাম-‘কাকা আমি গুলি করব’। সেকেন্দার কাকার বাড়ি ছিল চিটাগাং তার ভাষা তেমন বুঝতাম না, তিনি রেগে গিয়ে আমাকে তার ভায়ায় কি যেন একটা গালি দিলে আমার জিদ চেপে গেল। আমি সোজা একটা ফাঁকা গ্রাউন্ডসিটে শুয়ে পড়লাম। কাকা বোধহয় আমাকে শাস্তি দেওয়ার জন্যই এসএলআর সরিয়ে গজ গজ করতে করতে একটা রাইফেল এনে দিলেন। শুধু ‘ফুয়া’ ‘ফুয়া’ শব্দটাই বুঝতে পারলাম। একজন এসে আমার পাশে বসে আমাকে ম্যাগজিন লোড করা, কাক করা, মাছিতে (মাজল) চোখ রাখা দেখিয়ে দিল। আমি আর দেরি না করে ম্যাগজিন লোড করে মাছিতে চোখ রেখে সামনের ঢিবিতে দাঁড় করানো চাটাইয়ের মানুষের গায়ে গুলি করে বসলাম! মাথাটা বন করে ঘুরে উঠল! আমি ছিটকে কয়েক হাত পেছনে চলে গেলাম! কোনও মতে উঠে দাঁড়ালাম, কিন্তু ডান হাতটা আর তুলতে পারলাম না! ইয়াসিন কাকা দৌড়ে এসে সবাইকে গালাগালি করতে লাগলেন। আমাকে ধরে তার তাবুতে নিয়ে বসিয়ে কালোমত কি যেন তুলোয় মাখিয়ে গলার কাছে হাড়ের উপর চেপে ধরে রাখলেন। ছয়-সাত দিন আমি ডান হাতে আর কোন কিছুই করতে পারলাম না। মায়ের পানি আনাও বন্ধ ।
আরও দিন দশেক পরে আবার ট্রেনিংয়ের মাঠে গিয়ে ইয়াসিন কাকাকে বলে এলএমজি তে অনুমতি নিলাম। এবার সেই সেকেন্দার কাকা এসে খুব ভাল ভাবে আমাকে পাশে বসে সেখালেন। ডান ঘাড়ে ব্যাথা ছিল বলে বাম ঘাড়ে বাঁট ঠেকিয়ে যথন ট্রিগারে আঙ্গুল চাপলাম মুহূর্তে একগাদা গুলি বেরিয়ে গেল! আবার, আবার, কয়েকবার গুলি করতে পারার পর আমার মনে হলো সেকেন্দার কাকা আমাকে ইচ্ছে করেই ওই খারাপ রাইফেলটা দিয়েছিল। এদিনই প্রথম আমার মনে হলো আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। বাড়ি ফিরে সারাটা সন্ধ্যা মা বোন আর পাড়া-পড়শিদের কাছে আমার গুলি করতে পারার কৃতিত্ব বর্ণনা চলল। সবকিছু জেনে বাবা সেকেন্দার আর ইয়াসিন দুজনকেই কি কি যেন বললেন। তারাও বাবার সাথে এই নিয়ে তর্ক করলেন। তারপর বাবা নাকি বলেছিলেন-‘তোমরা যা ভাল মনে কর, আমার একটাই তো ছেলে, মরে গেলে যাবে’!
এরও কয়েক দিন পরে এক সন্ধায় ফ্রন্টে যাওয়া টিমের সাথে আমাকে যাবার অনুমতি দেওয়া হলো। নয় জনের এক টিমের সাথে আমার প্রথম ফ্রন্টে যাত্রা। মা বোনরা কেউ জানল না, জানলেন শুধু বাবা। ভর সন্ধ্যায় এসএলআর ঝুলিয়ে বেরিয়ে গেলাম ! সেই অনুভূতির সাথে কোন কিছুর তুলনা হয়না। কেমন যেন শিহরণ আর ভয়, আবার শিহরণ................
চলবে.................
প্রথম পর্ব
দ্বিতীয় পর্ব
তৃতীয় পর্ব
চতুর্থ পর্ব
পঞ্চম পর্ব
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি, কিশোর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধ, বাঙ্গালী, বাংলাদেশী, বাংলাদেশ, ১৯৭১, ৭১, '৭১, মনজুরুল হক, স্মৃতিকথা, গেরিলা, পাকিস্তান, পূর্ব বাংলা, বিহারী, 1971, 71, '71, bangladesh, freedom fighter, liberation war, bangladeshi, bangla, east pakistan, west pakistan, .... ; ;
প্রকাশ করা হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ, স্মৃতিকথা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:০২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন:
সঠিক কোন ইমো খুজে পেলাম না ......তাই অনুভূতিটা প্রকাশ করতে পারলাম না..লেখক বলেছেন:
ইমোর দরকার নেই। শুধুই পড়ে গেছেন জেনেই আমার সার্থকতা।
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
অসাধারণ।
লেখক বলেছেন:
আপনি প্রথম থেকেই আছেন। এ এক বড় পাওয়া।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ চতুষ্কোণ। । ভাল থাকুন। সাথে থাকুন।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ তায়েফ আহমাদ।
সপ্ন পুরন বলেছেন:
মনে হলো আমি নিজেই ঐ যায়গাতে ছিলাম।
লেখক বলেছেন:
ছিলেনই তো! আপনার পূর্বসূরীর কেউ না কেউ তো ছিলই। এখনো আছে...............
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
তিন পর্ব একসঙ্গে পড়লাম। এতোদিন এই পর্বগুলো ইচ্ছে করেই পড়িনি একসঙ্গে পড়বো বলে। খুব, খুবই ভালো হচ্ছে লেখা। " আমি দেওয়ালের দিকে মুখ করে শুয়ে ছিলাম। কে যেন আমাকে টান দিয়ে ঘুরিয়ে দিল! আমার পাশে দাঁড়ানো লোকটি একটু ঝুঁকে আছেন। আমার মুখটা দেখেই তিনি চিৎকার করে উঠলেন! আমি ধড়ফড় করে উঠে বসলাম! বাবা! আমার বাবা! আমার বাবা!
আপ্লুত হলাম!
লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ ফিউশন ফাইভ।
"স্লিপিং উইথ আর্মস" আসবে সম্ভবত ৭ ম পর্বে।
হোরাস্ বলেছেন:
মুগ্ধতা নিয়ে সবগুলো পর্ব পড়ে যাচ্ছি।
লেখক বলেছেন:
আবারো কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
চমৎকার লেখনীর তলে হারিয়ে গেলাম+
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ। আপনার জন্য শুভ কামনা।
একজন সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধার সাথে পরিচিত হতে পেরে গর্ববোধ করছি।
লেখক বলেছেন:
আমার জীবনের সব'চে বড় গর্বের জায়গাটি ওই বাবা! যার কথা মনে এলে আমার চারপাশের সবকিছু অর্থহীন হয়ে ওঠে।
লেখক বলেছেন:
গত ডিসেম্বরে শামীমের উদ্যোগে ওদের রেডিওতে একটা স্বাক্ষাৎকার দিয়েছিলাম।
এবার লিখে শেষ করি আগে, তার পর বই ভাবনা, সেটা আরও পরের ভাবনা।
ধন্যবাদ ফারহান।
কায়েস_ বলেছেন:
ফারহান দাউদ বলেছেন: বই হবার দাবী রাখে, অন্তত মাস মিডিয়াতে আসার দাবী রাখে অবশ্যই।
লেখক বলেছেন:
সেটা আরও একটু পরে ভাবব বলে স্থির করেছি।
ধন্যবাদ কায়েস_ ।
লেখক বলেছেন:
মাঝে মাঝে সবকিছু ছেড়েছুড়ে অন্য কোথাও চলে যেতে ইচ্ছে করে! আবার মাটির টানে গেঁথে যাই এই মাটিতেই। পেতেই হবে এমন তো কিছু নয়! নাহয় সেই অকুতভয় সূর্য সেনারা শুধু দিয়েই পরিতৃপ্ত হলো..............
লেখক বলেছেন:
ভয়কে জয় করতে পেরেছিল বলেই না ওরা মরতে পেরেছিল!
"আমি পারব" মানে কি জানো তো? "আমি মরতেও পারব"!!
গ্রেট! কমরেড!!
জাতেমাতাল বলেছেন:
অদ্ভুত ডিটেল আপনার বর্ণনায়... চোখের সামনে ফটোগ্রাফের মতো ফুটে উঠছে একেকটা দৃশ্যকল্প। খুব কাছ থেকে আমরাও দেখছি-- ১১ বছরের দুঃসাহসিক এক কিশোরকে।শ্রদ্ধায় মাথা নুইয়ে আসছে...
লেখক বলেছেন:
গত ২০০৫ এ একবার উদ্যোগ নিয়েছিলাম, কিন্তু খবরের কাগজে সপ্তাহে একটি করে দিতে হবে ভেবে লিখিনি ধারাবাহিকতা থাকবে না বলে। এবার ব্লগে সেই কাজটা করতে পারছি। আর আপনাদের সহচর্য পেয়ে রোজই নতুন করে প্রেরণা পাচ্ছি।
আমার অভিবাদন নিন।
মুনশিয়ানা বলেছেন:
‘এই যে বাবা, আমি বাবাকে খুঁজে নিয়ে আসলাম’! ‘এই যে বাবা, আমি বাবাকে খুঁজে নিয়ে আসলাম’! ‘এই যে বাবা, আমি বাবাকে খুঁজে নিয়ে আসলাম’! কানের মধ্যে যেন শুনতে পাচ্ছি আপনার কথার প্রতিধ্বনি... বুঝতে পারছি অনেক অনেক দিন বাজবে এই আওয়াজ-- এই গর্বিত উচ্চারণ।
লেখক বলেছেন:
আজ রাতে মা'কে ব্লগটা পড়াচ্ছিলাম। এই পর্বে এসে মা'র চোখ দিয়ে টপ টপ করে জল গড়িয়ে পড়ল। ডাইনিংয়ে বড় করে বাবার বাঁধানো ছবিটা নামিয়ে মা অনেকক্ষণ ধরে মুছলেন........
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
"সম্মুখ যুদ্ধের রক্তাত জমিনে প্রথম শিহরীত পদক্ষেপ"--এইটুকুই শুধু বলতে ইচ্ছে করছে ।
লেখক বলেছেন:
সে এক চরম শিহরিত অজানায় পা বাড়ানো! বুকের ভেতর দুম দুম করে যেন ড্রামের বাড়ি পড়ছে...আবার পরক্ষণেই মনে হচ্ছে কিছুই না, যেন গ্রামের নদীতে সাঁতরে নাইতে যাচ্ছি!
"সম্মুখ যুদ্ধের রক্তাত জমিনে প্রথম শিহরীত পদক্ষেপ"
আপনার এই লাইনটি অসাধারণ!
দেশী পোলা বলেছেন:
এক নিঃশ্বাসে সবগুলো পর্ব পড়ে যাচ্ছি!
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ দেশী।
শয়তান বলেছেন:
স্বার্থক কিশোর জীবন আপনার
লেখক বলেছেন:
নিশ্চই। আমি গর্বিত।
লুৎফুল কাদের বলেছেন:
Salam to all freedom fighters.
লেখক বলেছেন:
সকল মুক্তিযোদ্ধাদের সালাম।
ম্যাকানিক বলেছেন:
-‘তোমরা যা ভাল মনে কর, আমার একটাই তো ছেলে, মরে গেলে যাবে’!
দেশের প্রতি কতটুকু ভালোবাসা থাকলে এমন কথা বলা যায় শ্রদ্ধা রইলো আপনার পুরো পরিবারের প্রতি।
মাঝে মাঝে সবকিছু ছেড়েছুড়ে অন্য কোথাও চলে যেতে ইচ্ছে করে! আবার মাটির টানে গেঁথে যাই এই মাটিতেই। পেতেই হবে এমন তো কিছু নয়! নাহয় সেই অকুতভয় সূর্য সেনারা শুধু দিয়েই পরিতৃপ্ত হলো..............
লেখক বলেছেন:
আপনি একমত তো?
আসলে মানুষ স্বভাবতই দিয়ে সুখ পায়।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
খুব সম্ভবত সেই ক্যাপ্টেনের নাম এর.আর. আজম চৌধুরি। উনি অনেক বছর প্রমোশন না পেয়ে শেষ মেশ কর্নেল হিসেবে বিডিআর থেকে অবসর নেন।
লেখক বলেছেন:
হতে পারে। আমি শুধু না, বাবাও মনে করতে পারেননি। অবশ্য আমি যখন লিখব লিখব ভেবে বাবাকে জিজ্ঞেস করেছি বাবা তখন মারাত্মক ডায়বেটিস আর হৃদরোগে প্রায় মৃত!
ওই সময়ের আর একটা ছেলে রফিক যাকে আমি অষ্টাশিতে মাগুরায় পেয়েছিলাম, সেও সবার নাম ধাম মনে করতে পারেনি।
তবে "মন্মোথ" নামের একজকে আমি শিলিগুড়িতে পেয়েছিলাম ২০০৬ এ, সে ওই গ্রামে থাকত। এর প্রসঙ্গ আরও পরে আসবে।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
কেমন করে এতদিন এত কথা না লিখে চুপ বসেছিলেন?
আমাদের ভাগ্য খুব ভালো এত সুন্দর এক ইতিহাস লেখার সাথে সাথে পড়তে পারছি।
একদিন এই ইতিহাস সবাই জানবে এমন প্রত্যাশা।
লেখার বর্ণনা পড়ে সব দেখতে পাচ্ছি...........
আপনি ১১ বছরের সেই বয়সটাতে আপনি বাস করছেন এখন ।অদ্ভুত এই ব্যাপারটা।
ভালো থাকবেন।
এই ডিসেম্বরেরই মুক্তিপাক ৩৮ বছর বুকে জমে থাকা সব কথাগুলো।
স্যালুট আপনাকে।
এবং শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন:
আমি নিজেও গর্বিত যে আপনাদের মত পাঠকের সামনে আমার জমে থাকা কষ্ট-সুখ-আনন্দ প্রকাশ করতে পারছি। কত বার ভেবেছি লিখতে থাকি, তার পর বই বের করি, কিন্তু ওই পর্যন্তই। আর হয়ে ওঠেনি। যেমন গত বছরের আগে কম করে হলেও কুড়িটা বই করা যায় এমন লেখা প্রবন্ধ আকারে জমে ছিল, কিন্তু বই করার আগ্রহ থাকলেও উদ্যোগ ছিলনা। কি ভাবে যেন গত বার এক ব্লগ বন্ধুর পীড়াপীড়িতে বইটা বের হলো!
আর এবারও ব্লগের কয়েক জনের কারণে এই লেখা অবমুক্ত হতে চলেছে।
নিয়মিত সহচর্য দেওয়ার জন্য সাজিকে আন্তরিক অভিবাদন।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ পরশমনি।
রোহান বলেছেন:
পরের পর্বের কথা ভাবতেই শিহরিত হচ্ছি... অসাধারণ....
লেখক বলেছেন:
প্রতিদিনই একটি করে দিতে চাইছি, কষ্ট হচ্ছে, তবুও ১৬ ডিসেম্বরের ভেতরেই দেখি শেষ করা যায় কি-না।
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:
শ্রদ্ধায় মাথা নুইয়ে আসছে কমরেড....
লেখক বলেছেন:
আর মাথা নুয়ে থাকে আত্মত্যাগী সেই অগনিত যোদ্ধাদের স্মৃতিতে....
কৌশিক বলেছেন:
এ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যত রচনাবলী আমি পড়েছি তারমধ্যে এই ব্লগটি নিঃসন্দেহে সর্বশ্রেষ্ঠ। পেছনের পাঁচটি পর্ব পড়ার জন্য মুখিয়ে আছি।
লেখক বলেছেন:
আমি তো অবাকই হচ্ছিলাম! কৌশিক গেল কোথায়!!
খুশি হলাম বস।
দীপঙ্কর বলেছেন:
মন্তব্য করা বাহুল্য মাত্র। _______________________________________
গুগুলটকের চ্যাট উইন্ডোতে আমার ম্যাসেজটা দেইখেন।
লেখক বলেছেন:
ম্যাসেজ দেখলাম, কিন্তু তুমি তো লগঅফ করে চলে গেলে!!
আমি মুগ্ধের মত একের পর এক পর্ব পরে গেলাম। একটানে। সেই একটায় বসেছি আর এখন প্রায় চারটা। কত বাস্তব এই লেখা। না লেখার আলোচনা বা সমালোচণা করার ধৃষ্টতা আমি দেখাব না। আমি শুধু আমার অনুভবের কথাই বলছি। আরও কিছু বলতে চাই কিন্তু ভাষা পাচ্ছি না।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
আপনি এখন পর্যন্ত যতটুকু বলেছেন সেটাই এই লেখকের অনুপ্রেরণার জায়গাটা প্রসস্থ করে চলেছে.......
এ আমার সৌভাগ্য যে একজন পাঠককে কয়েক ঘন্টা নিবিষ্ট করতে পেরেছি!
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
রূপকথার মতো শোনায়... সত্যিকারের রূপকথা।
লেখক বলেছেন:
উজান বেয়ে চলা এক ঝন্ঞাবিক্ষুব্ধ সময়ের যাত্রীর কথা.......
মনজুরুল হক বলেছেন:
উপরের ১৩ জনের মন্তব্যের উত্তর না দিয়েই যেতে হচ্ছে.......পর্ব-৭ লেখা চলছে...........মার্জনা।
রাজর্ষী বলেছেন:
খুবই ভালো লাগলো। আপনার প্রতি শ্রদ্ধা।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ রাজর্ষী। কৃতজ্ঞ হলাম।
রাজর্ষী বলেছেন:
স্লিপিং উইথ আর্মসের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।
লেখক বলেছেন:
আজই পারব হয়ত।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ফর্সা করে লম্বাটে মুখের ক্যাপ্টেন আজম চৌধুরি। উনার তোতলামীর সমস্যা আছে।
লেখক বলেছেন:
আপনার আর্কাইভ থেকে তথ্যটা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ মাহবুব সুমন।
যীশূ বলেছেন:
আপনি আপনার জীবন নিয়ে গর্ব করতে পারেন!!!!!!! হিংসে হয়!!!!!!!
লেখক বলেছেন:
ওইটুকুই তো আমার সম্বল।
সারা জীবনের চাওয়া-পাওয়ার অংক ওখানেই মিলে গেছে।
ত্রিশোনকু বলেছেন:
অসাধারন ঘটনা আর ব্ণনা।
লেখক বলেছেন:
গত বছর বোধহয় আপনাকে একদিন বলতে চেয়েছিলাম।
যা বলতে চেয়েছিলাম তা-ই আজ লিখে জানাচ্ছি।
শুভকামনা।
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
প্রতিটি পর্বই অফলাইনের পড়ছি। লিখতে থাকুন, এগুলো সব অমূল্য দলিল
লেখক বলেছেন:
নিয়মিত পড়ার জন্য ধন্যবাদ সৌরভ।
অপ্সরা বলেছেন:
তুমি এত ছোটবেলাতেই দেশকে ভালো বেসে রাইফেলের ট্রিগার টেপা শিখে ফেললে!!!!
লেখক বলেছেন:
আরো যে কত কি করতে হয়েছিল তার ঠিক ঠিকানা ছিল না।
ত্রেয়া বলেছেন:
সত্যিই অসাধারণ!!!
লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ ত্রেয়া।
মেহবুবা বলেছেন:
এসব পড়ে মনে হয়-----------
স্বাধীনতা আমাদের অর্জন ।
মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অহংকার ।
আপনার জন্য সে যুদ্ধ ছিল জীবনে বেঁচে থাকবার , হেরে যাওয়াকে পৃষ্ঠপ্রদশনের প্রচেষ্টা ।
-‘এই যে বাবা, আমি বাবাকে খুঁজে নিয়ে আসলাম’! এই জায়গাটায় কেন জানি খুশীতে হেসে দিলাম , এক কিশোরের সাফল্যে ।
লেখক বলেছেন:
জীবন বাজি রাখা চির ভাস্বর সাফল্য।
আসলেই, বেঁচে থাকা এক অসাধারণ সাফল্যমন্ডিত কাজ।
এমনি এমনি কখনো বাঁচা যায় না।
লড়াই করেই আমাদের মত মানুষদের বাঁচতে হয়।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















