আমার প্রিয় পোস্ট
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- আসুন আরব বর্বরদের ঘৃণ্য থাবা হতে বাকীদের মাথা বাঁচাতে তিনটি দাবীতে সোচ্চার হই - ও.জামান
- বিডিং রাউন্ড ২০১১: গ্যাস লুটের নতুন ধান্দা - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে পিএসসি চুক্তি: প্রথম আলোয় ম.তামিমের সহজ পাঠের প্রতিক্রিয়া - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে চুক্তি নিয়ে ডেইলিস্টারের মিথ্যাচারের জবাবে - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর কাছ থেকে কত টাকা খেয়ে প্রথম আলো এইরকম মিথ্যা রিপোর্ট করেছে? - দিনমজুর
- দুর্ঘটনার রাজা কনোকোফিলিপস ও বঙ্গোপসাগরের আসন্ন বিপদ: যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিপি-ব্লোআউটের আলোকে - দিনমজুর
- কনোকো-ফিলিপস এর হাতে তুলে দেয়া হলো সাগরের গ্যাস ব্লক ১০ ও ১১ - দিনমজুর
- টেলিকম বহুজাতিকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রথম আলোর অস্থিরতা - দিনমজুর
- নাস্তিক নির্ধর্মী কাফেরগন - হুশিয়ার সাবধান! - দাঁড়িপাল্লা
- অবিশ্বাসী কেউ ইসলামের সমালোচনা করলে মুসলমান ভাই-ব্রেদেরণদের উত্তেজিত হওয়ার কোন যৌক্তিক কারণ নাই। - হোরাস্
- বিমান বন্দরের নামে আড়িয়াল বিলে রাষ্ট্রীয় ভূমি আগ্রাসন! - দিনমজুর
- ১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবি হত্যার ইতিবৃত্ত - পিডিএফ সংস্করণ - নাঈম
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- হামীম গার্মেন্টস এ আগুন: গার্মেন্টস না লাশের কারখানা? - দিনমজুর
- হে রক্তমাংসহীন মেহনত! আল্লার দোহাই, পুড়ে পুড়ে কয়লা হও!! আমাদের অনেক উন্নয়ন দরকার - একজন নাগরিক
- দোহারের গান এবং আমাদের ধনী পিতার ফকির সন্তানদের গল্প - অনার্য তাপস
- কোরান কি অলৌকিক গ্রন্থ? - ১ - সজীব আকিব
- সংশোধিত ড্যাপ আবশ্যক - সচল জাহিদ
- কর্ণেল তাহের আজো প্রাসঙ্গিক ১: কর্ণেল তাহেরের পিপলস আর্মি - দিনমজুর
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- মানালি থেকে লাদাখের পথে: (তৃতীয় পর্ব- দ্বিতীয় ভাগ) - আহাদিল
- নূন্যতম মজুরী নিয়ে সমঝোতার সাজানো নাটক - দিনমজুর
- জিয়া কর্তৃক তাহের হত্যাকান্ড নিয়া পি মুন্সী’র ‘অবজেবক্টিভ’ ত্যানা প্যাচাপ্যাচি প্রসঙ্গে একখান রি-অ্যাকশান পোষ্ট! - মাদারি
- পার্বত্য চট্টগ্রাম: কান্না যেমন করে রক্তের রূপ পরিগ্রহ করে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ভাষার জন্য একটি প্রান্তিক জাতিসত্তার সুদীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস: বাংলাদেশে কি সকল জাতির সকল ভাষা সমান স্বীকৃতি ও মর্যাদা পাবে ? - কুঙ্গ থাঙ
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব - পি মুন্সী
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- বাঘাইছড়ি হত্যাযজ্ঞ: পাহাড়ি-বাঙালি দ্বন্দ্ব নাকি শাসক শ্রেণীর ঔপনিবেশিক আধিপত্য? - দিনমজুর
- কয়েকটি মজার ছবি ও একটি কৌতুক (১৮+) - কুঙ্গ থাঙ
- একটু আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে আমার ধারনাটুকু বদলে দিলেন আমার বাবা - শ।মসীর
- ৩০ মিনিটের ভাষা আন্দোলন এবং গ্রামীণ ফোনের ”কাছে থাকা”! - দিনমজুর
- একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হলোঃ “আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস্”... - মুনশিয়ানা
- দেশে 'সন্ত্রাস' বিরোধী অভিযান ও চলমান 'ক্রসফায়ার' প্রসঙ্গ- (চতুর্থ অংশ) - মাহাদি হাসান
- থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ফ্যান্টাসি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস: দ্রুত সকল বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড বন্ধ করুন। - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- বাংলা ব্লগ দিবস নিয়ে ২ পয়সার ভাবনা - বিডি আইডল
- বাংলা ব্লগ দিবসের গরম গরম ছবি... (লাইভ স্ট্রীম থেকে নেওয়া) !!! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- পার্বত্য জনগনঃ উদ্বাস্তু হতে হতে ক্রমশঃ আলাদা হয়ে যাওয়া... জেগে ওঠা বিচ্ছিন্নতার বোধ... - মুনশিয়ানা
- বিশ্বব্যাঙ্ক ও আইএমএফ - গ্লোবাল অর্থনীতি (৮) - পি মুন্সী
- পাশ্চাত্য সংগীত যারা ভালবাসেন তাদের জন্য অসাধারণ কিছু গানের লিস্ট (না শুনলে মিস করবেন) - নগর সংগীত
- আইন ভেংঙ্গে শৃঙ্খলা রক্ষার বিপজ্জনক রাজনীতি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- নির্যাতন-৬ বেআইনী টিএফআই সেল, জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন - সায়েমুজজ্জামান
- এক্সপি জেনুইন করার একটি সহজ উপায়। - অমিত০৯৭
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- বেড়িবাঁধ দখল করে তৈরী হচ্ছে ৯টি শিপইয়ার্ড - আিক
- আগুনের রেস (উৎসর্গ: মনজুরুল হক) - প্রশ্নোত্তর
- রাষ্ট্রের হাতে যদি নাগরিক নিরাপত্তা না পায় তবে সেই রাষ্ট্র ব্যর্থ - প্রশ্নোত্তর
- সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি? - ভিন্ন চিন্তা
- কমপিউটারের কিছু শর্টকাট/ কীবোর্ড কমান্ড টিপস - জোবাইর
- বাংলাদেশে তেল/গ্যাস অনুসন্দ্ধানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং গ্যাস সংকটের প্রেক্ষিত। - মনোয়ার আহমদ
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- যানজটে জীবনজট-২: সম্ভাব্য সমাধান - ফারহান দাউদ
- পূনশ্চঃ ইসলামী ব্যাংক : তত্ত্ব ও প্রয়োগের অসঙ্গতি ও কিছু কথা - (শেষ পর্ব) - পড়ুয়া_পড়ুয়া
- ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট - পান্থ বিহোস
- সিরাজ শিকদার : ভুল বিপ্লবের বাঁশীওয়ালা! ১ - অমি রহমান পিয়াল
- টিপাইমূখ বাধ সংকলিত লিংক সমূহ - কিরিটি রায়
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই (দ্বিতীয় ও শেষ অংশ) - পি মুন্সী
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই - পি মুন্সী
- সর্বগ্রাসী অপ-‘বাদ’ বনাম একজন আরজ আলী মাতুব্বর এবং... [যুক্তিবোধ ও চিন্তা-চেতনায় সহনশীল পাঠকদের জন্য এই পোস্ট সংরক্ষিত] - রণদীপম বসু
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ২ - লাশ
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ১ - লাশ
- সামহোয়ারইনের মডারেশন নীতিমালা: একটি ভিন্ন পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- মধ্যযুগীয় মোল্লাবাদ বনাম সুফীবাদ - লাশ
- তিয়ান'আনমেন রক্তক্ষয়ের ২০ বছর : কি ঘটেছিল তখন ? - মেহরাব শাহরিয়ার
- আমার প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ আ ক খ - অপ্সরা
- প্রভাকরণের মৃত্যু ও তামিল ইলম - ফিরে দেখা ইতিহাস - দিগন্ত
- আসবেন আরজ আলী? - তনুজা
- আইনস্তাইন বললেই হল! সমাজতন্ত্রের মরা ভূত আর জাগবে না (উৎসর্গ ব্লগার ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান) - ভালো-মানুষ
- ডিম্বের সন্ধানে - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কল্পনা চাকমা এখন কোথায়? - বিপ্লব রহমান
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- পিলখানা গণহত্যা: গুজবের ময়না তদন্ত - ঘনাদা
- প্রধানমন্ত্রী যেসব কথার জবাব দিতে পারেন নি..... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- একটি বিদ্রোহ পরবর্তী বিশ্লেষন শ্রেণী সংঘাতই কি বিডিআর বিদ্রোহের মূল কারন? - জামাল ভাস্কর
- বিডিআর নৈরাজ্য: লাশের মাপকাঠিতে বিদ্রোহের পরিসীমা - দিনমজুর
- লাশ উৎসব - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- একটা পুরানো দালান : ইষ্ট পাকিস্তান : আমাদের আর্মির জবাবদিহিতা - শূন্য আরণ্যক
- বিডিআরের জওয়ানদের যৌক্তিক দাবী: ঘটনা,শংকা এবং ভবিষ্যৎ - ফারহান দাউদ
- আর্মির সত্যভাষণে বিডিআর ভিলেন??!! - নিকো৮১২৩
- সবুজ সততা দেখানো শুরু হয়ে গেছে , আসল সত্য কি ? - রাগ ইমন
- মুক্ত/ নাস্তিক/ সংশয়ী/ ধর্মদ্রোহী'দের যুদ্ধটা ... আসলে কাদের বিরুদ্ধে, কিসের বিরুদ্ধে ? - মনির হাসান
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- ইজরায়েল কিভাবে গাজায় মহাবিপর্যয় তৈরি করেছে(শেষ পর্ব) - আহসান হাবিব শিমুল
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- নারীর বিরুদ্ধে পারিবারিক নির্যাতন: বাংলাদেশের পুরুষতান্ত্রিক সমাজের পুনপৌনিক ঘটনার নিষিদ্ধ আলোচনা- দ্বিতীয় কিস্তি - মুনীর উদ্দীন শামীম
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি (শেষাংশ) - দিনমজুর
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি - দিনমজুর
- নবীনদের জন্য - নাদান
- যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং বর্তমান ব্লগ-বিতর্কঃ পুনর্মূল্যায়ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী এবং একজন স্বঘোষিত পর্নোষ্টার - জাতেমাতাল
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- একজন ব্লগারের নিষ্ঠা ও আমাদের নির্লিপ্ততার আক্কেল সেলামি - রাগ ইমন
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- আরব-ভূমিতে গ্রীক দর্শনের পঠন-পাঠন, আরবের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, ইসলামের উদ্ভব ও কোরআনঃ ইতিহাসের পাঠ থেকে একটি বিশ্লেষণ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ঈশ্বর ও বিজ্ঞান- "আছে" ও "নাই" প্রমাণের কথিত দ্বন্দ্ব (শেষ পর্ব) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আস্তিক-নাস্তিক সমাচার - চার্বাক দর্শন। (শেষ কিস্তি) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- নেপালে মাওবাদীদের নির্বাচনী বিজয়, বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের মিথ এবং কিছু জরুরী ভাবনা - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ -২ - দিনমজুর
- হায়রে কৃষি!!!!!!!!!! সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও একটি বিশ্লেষণ - দিনমজুর
- প্রাইভেটাইজেশন - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -১ - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -২ - দিনমজুর
- সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও আমাদের কৃষি - দিনমজুর
- মুক্তমনার অভিজিৎ ও বিপ্লব পাল- বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ, ল্যামার্ক, লাইসেঙ্কো, নভেম্বর বিপ্লব, সমাজতন্ত্র, কেরোনস্কি, প্রতি বিপ্লব, পুঁজিতন্ত্র, ঠিকাদারতন্ত্র.... ইত্যাদি - দিনমজুর
- জিএম শস্যের ভালো মন্দ - দিনমজুর
- কিভাবে অভ্র ব্যবহার করে বাংলা লিখতে হয় (বিস্তারিত) - মৃত হাসানের প্রেতাত্মা
- পলিটিক্যাল ইসলাম কয় কারে? - সাধক শঙ্কু
- "হযরত মোহাম্মদ (সঃ) কি মৃগীরোগী ছিলেন" এর মূল লেখার জবাব - জামালiiuc
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- "নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন" শীর্ষক পোস্টের তথ্যসূত্র ও টীকাঃ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কোরআনের চ্যালেঞ্জঃ যেখানে সব্বাই ফেল মারছে!!!- ১ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আজ সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিন.....আজ আমার কষ্টের দিন..... - মনজুরুল হক
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস - একরামুল হক শামীম
- অভিজিৎ এর "মার্ক্সবাদ কি বিজ্ঞান" শীর্ষক প্রবন্ধের প্রতিক্রিয়ায়- ২ - দিনমজুর
- কার্ল মার্কস ও তথাকথিত প্রকৃতি বিজ্ঞান (Natural Science) - পি মুন্সী
- ইহুদি ও খ্রিস্টান ধর্মের একমেবাদ্্বিতীয়ম ঈশ্বর চেতনা - শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- টেকি পোস্ট ঃ কমেন্টে ফটো দিবেন কিভাবে ?? - শয়তান
- এন্টি গল্প > শেষরাতের একফালি চাঁদ > - মনজুরুল হক
এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ৭ > সম্মূখ যুদ্ধের প্রথম অভিজ্ঞতা
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৭
সেই যে ভর সন্ধ্যায় এসএলআর ঝুলিয়ে বেরিয়ে গেলাম সেদিনকার সন্ধ্যের সাথে অন্য সন্ধ্যাগুলোর কোন মিল নেই। আমাদের টিম লিডার সারাটা পথ অনর্গল কথা বলে চলেছেন......আমাদের মূল টার্গেট বুড়িপোতা আউটপোস্ট পার হয়ে ভৈরব নদীর পাড়ে পজিশন নেওয়া। তার পর মাঝ রাতে নদী পার হয়ে ওপারে পাক সেনাদের ছাউনিতে অতর্কীতে আঘাত করা। কেউ ভুলেও হাতিয়ার ফেলে যাবে না, কেউ ভুলেও একা হয়ে যাবেনা, কেউ কারো নাম ধরে ডাকেবে না, আমরা যদি এ্যাকশনে ব্যর্থ হই তাহলেও যেন নিজ নিজ হাতিয়ার রক্ষা করি। মনে রাখবে এক একজন যোদ্ধার সমান মূল্য এক একটা হাতিয়ার..... আমরা যারা পেছনে হাঁটছি তারা কেউ কোন মন্তব্য না করে সব শুনে যাচ্ছি। প্রায় বুড়িপোতা আউট পোস্টের কাছাকাছি যেয়ে হঠাৎ তিনি আমাকে কাছে ডেকে বললেন-‘ভয় পাচ্ছিস’? আমি ফিস ফিস করে বললাম-‘নাহ্ মোটেই না’। সাব্বাস বলে আমার পিঠ চাপড়ে দিলেন, তার পর কি মনে করে আরও কাছে ডেকে বললেন- ‘সব সময় আমার কাছাকাছি থাকবি’। আমি মাথা ঝাঁকিয়ে সায় দিলাম। একেবারে যখন বুড়িপোতা পোস্টের কাছে চলে গেছি সেই সময় মাটির ঢিবির পাশ থেকে একজন বেরিয়ে চাপা গলায় কমান্ড করল-‘হুকুমদার’? টিম লিডার সাথে সাথে বললেন-‘ফ্রেন্ডস’। আর কোন কথা নেই। আমরা সেই লোকটির কাছে যেয়ে সবাই বসে পড়লাম। ওরা ওখানে চার জন ছিল আউট পোস্ট ডিউটিতে। সেই প্রথম জানলাম, ওরা রেগুলার ফাইটার, আর আমরা যারা গেলাম তারা গেরিলা ইউনিট। ওখানে চুপচাপ আমাদের সময় কেটে যাচ্ছে.....।
অলস সময় কাটছে, কেউ কিছুই করছে না! আমি যুদ্ধ কখন হবে সেই অপেক্ষায়! এতক্ষণ তো কেবল আসলামই, কিন্তু যুদ্ধ কই? ঝাঁ ঝাঁ রাতে কোথাও কোন শব্দ নেই, তার পরও কেমন যেন এক ধরণের শব্দ আছে যেটা আমি প্রকাশ করতে পারছিলাম না কিন্তু মনে হচ্ছিল একসাথে যেন অনেক মানুষ কথা বলছে....কেমন যেন ঝাঁ ঝাঁ ঝিম ঝিম শব্দ। আর মাঝে মাঝেই অচেনা কোন পাখি হঠাৎ হঠাৎই ডেকে উঠছে! আরও কিছুক্ষণ পরে চিনতে পারলাম একসাথে শত শত ঝিঁঝিঁপোকা ডাকছে। কোন ঘটনা ছাড়া চুপ করে থেকে আমার ভাল লাগছিল না। আমি লিডারের কাছে বসে ফিস ফিস করে জিজ্ঞেস করলাম-‘চাচু হুকুমদার মানে কি’? তিনি আমার হাতটা চেপে ধরে বললেন- ‘ওটা আসলে হবে ‘হু কাম দেয়ার’? এর মানে ওখানে কে? এর উত্তরে আমরা বললাম-‘ফ্রেন্ডস’। মানে আমরা বন্ধু বা নিজের লোক। আমি সাথে সাথে ফ্রেন্ডস না বললে ও কিন্তু গুলি করে দিত! আমি আতংকে একবার সেই হুকুমদার বলা লোকটিকে আবার লিডারকে দেখছিলাম..... কানের মধ্যে বেজে চলেছে..... আমি ফ্রেন্ডস না বললে ও কিন্তু গুলি করে দিত......
এই ফাঁকে আমাদের মধ্যে একজন ওয়াটার বটল বের করে সবাইকে পানি খেতে দিল। আমি ঢক ঢক করে পানি গিললাম। অনেকক্ষণ ধরে গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছিল, কিন্তু কে কি মনে করবে ভেবে পানি চাইনি। তারপর আবার সেই অপেক্ষা! আমি এসএলআর টা ঘাড়ের সাথে খাড়া করে দুই হাঁটুর উপর হাত রেখে বসে আছি। দেখলাম বাকি সাবাইও সেই ভাবে বসে আছে। আরও অনেকক্ষণ পর সেই মুহুর্ত আসল! লিডার উঠে দাঁড়ালেন। আমরাও বিনা বাক্য ব্যয়ে উঠে দাঁড়ালাম। লিডার সেই পোস্টের লোকটির সাথে শেষ বার কথা বলছেন, আমরা একটু দূরে গিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। কিছুক্ষণ পর শুনলাম- "গেলাম, খোদা হাফেজ"। আমরা হাঁটা শুরু করলাম। সবার আগে টিম লিডার, পেছনে এক লাইনে আমরা বাকি আট জন। লিডারের হাতে একটা চিকন লাঠি, সেটা দিয়ে তিনি অন্ধরা যে ভাবে হাঁটে সেভাবে হাঁটছেন। আমি আটজনের মাঝ খানে। সামনের কাকাকে জিজ্ঞেস করলাম চাচু কি করছেন? তিনি জানালেন-একটা মাইনের সাথে আর একটা মাইন চিকন তার দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। লাঠি দিয়ে সেই তার আছে কি না তাই দেখা হচ্ছে। লিডার স্টপ বললে সাথে সাথে কিন্তু দাঁড়িয়ে যাবে। আমি মাথা নাড়লাম। না, কোন মাইন পড়ল না পথে। আমরা নিরাপদেই নদীর ধারে চলে গেলাম। নদীর এপারে কিছু নেই, ফাঁকা মত মাঠ আর ক্ষেত। ওপারে উঁচু পাড়ের উপর টিম টিম করে দু’একটা বাতি জ্বলছে। কিছুক্ষণ বসে থেকে একসময় লিডার বললেন-‘হিরো চাচ্চু সাঁতার জানো তো’? আমি জানি বলার সাথে সাথেই একে একে সবাই নদীতে নেমে গেলাম। সাঁতরাতে হলোনা, সবারই বুক পর্যন্ত পানি। আর আমি প্রায় তলিয়ে গেলাম! আমার একেবারে নাক পর্যন্ত পানি উঠে এলো। এই সময় পেছনের একজন আমার কোমরের কাছে হাত দিয়ে টেনে একটু উঁচু করে পার করলেন। কিছুক্ষণ চুপচাপ দাঁড়িয়ে থেকে গায়ের পানি ঝেড়ে উঁচু পাড় বেয়ে আস্তে আস্তে আমরা এগুতে থাকলাম। আমার এসএলআরটা ছিল যে আমাকে পার করল তার কাছে, তিনি সেটা আবার ফেরত দিলেন। তার ঘাড়ে একটা ব্যাগভর্তি গ্রেনেড। লিডারের হাতে স্টেনগান। বাকি সবার হাতে এসএলআর।
আমি অজানা আতংকে প্রায় সিঁটকে আছি। যত হাঁটছি ততই ভয়ে কুঁকড়ে যাচ্ছি, এক লহমায় বাবা.,মা আর বোনদের মুখগুলো ভেসে উঠছে.....তার পরও মনে মনে মুখস্থ করে চলেছি.....ডান ঘাড়ে বাঁট, বাম হাত ট্রিগার হ্যামারের সামনে কাঠের নিচে, চোখ মাছিতে, আঙ্গুল ট্রিগারে, গুলি, এগেইন কাক.....বিপদ এলে ‘মাথা বাঁচিয়ে’, শুধু কনুই আর পায়ের বুড়ো আঙ্গুলে ভর.......বার বার আউড়ে চলেছি। বুকটা এত জোরে ঢিপ ঢিপ করছে যে মনে হলো একটু পানি খেতে পারতাম যদি.....ততক্ষণে আমরা ঢাল বেয়ে উপরে উঠে গেছি। কি একটা গাছের আড়ালে সবাই পজিশন নিয়ে বসে আছি.....নদীর ওপারে থাকতে যে টিমটিমে আলো দেখেছিলাম সেটা এই পোস্টের। মাটি উঁচু করে পাহাড়ের মত বানানো, তার মধ্যে দুই জায়গায় বড় করে ফুটো করা , সেখান দিয়ে মোটা কিসের যেন নল আবছা দেখা যাচ্ছে। শোনা যায়না এমন ফিস ফিস করে লিডার বললেন – আগে কেউ গুলি ছুড়বে না, আমি স্টার্ট বলার সাথে সাথে গুলি ছুঁড়বে, তার পর আমার সাথে চারজন পুব দিকে, আর বাকি পাঁজন পশ্চিমে ক্রল করে যাবে, ঠিক আছে? সাবাই মাথা ঝাঁকাল। আরও বেশ কিছুক্ষণপর হঠাৎ চার-পাঁচ জন পাক সেনা সেই পোস্ট থেকে বেরিয়ে এলো, কথা বলতে বলতে একটা টিন শেডের দিকে হেঁটে যাচ্ছে! আমি চোখের সামনে পাক সেনা দেখে আর চোখের পলক ফেলতে পারছিনা, সারা শরীর থর থর করে কাঁপছে.... যে পাঁচ জনকে লিডার পশ্চিমে যেতে বলেছিল তাদের একজন হঠাৎ গুলি করে বসল! সাথে সাথে লিডার চাপা চিৎকার করে উঠলেন-হোয়াট ননসেন্স, এটা কি করলে? সাথে সাথে আমরা সবাই গুলি করতে থাকলাম, কিন্তু সামনে কিচ্ছু নেই, পাক সেনারা নিরাপদেই টিনশেডে ঢুকে গেছে, লিডার আবার বলে উঠলেন –"আর ভাগ হওয়ার দরকার নেই , ব্যাক, কুইক..... " লিডারের কথা শেষ হওয়ার সাথে সাথে ঠা ঠা করে গুলি ছুটে এলো..... আমরা ক্রলিং করে পেছনে যাচ্ছি... আমি যে তাড়াহুড়ায় গুলি করতে পারিনি এটা ভেবে নিজের উপরই রাগ হলো। অনবরত ওদের দিক থেকে গুলি আসছে.....এতক্ষণ আমরা ওদের দিকে মুখ করেই পিছিয়ে যাচ্ছিলাম, এবার লিডার উঠে দাঁড়িয়ে ধমক লাগালেন-"বি কুইক ভাগো সবাই, কুত্তার বাচ্চারা মেশিনগান চালাচ্ছে, হিরো ভাগো......" আর কিছু মাথায় ঢুকলনা, শুধু মনে হলো যে কোন সময় গায়ে গুলি লাগবে, আর আমি মরে যাব!
ঢাল বেয়ে দৌড়ে নামতে গিয়ে পড়ে গেলাম! তারপর গড়িয়ে গড়িয়েই পড়লাম নদীতে! মনে হচ্ছে আমি একা বাকি সবাই কই! হঠাৎ দেখি আর সবাই ডুব দিয়ে পার হচ্ছে, আমিও ডুব দিলাম! একবার মনে হলো ডুব দিয়েই বসে থাকি, উঠলে যদি গায়ে গুলি লাগে! এপারে এসে সবাই খিঁচে দৌড়। তখন আর মাইনের ভয় করছে না! হাঁপাতে হাঁপাতে থামলাম সেই আমাদের আউট পোস্টে। যে লোকটি লিডারের হুকুমের আগেই গুলি করেছিল তাকে সামনে এনে বসানো হলো। সে মাথা নিচু করে বসে আছে। আমি বাদে সবাই তাকে বকাবকি করতে লাগল। কিন্তু লিডার বকলেন না, তার কাছে এসে প্রচন্ড জোরে একটা চড় মারলেন। এবার আমি ভয় পেয়ে গেলাম, ভাবলাম আমাকেও মারবে, কারণ আমি এসএলআর টা নদীতে ফেলে এসেছি! আমার পালা তখনো আসেনি। যাকে মারা হয়েছে সে কাঁদতে কাঁদতে যা বলল, তা শুনে লিডার তাকে জড়িয়ে ধরে থাকল অনেকক্ষণ। পঁচিশ-ত্রিশ বছর বয়স হবে লোকাটার। মেহেরপুরের আমঝুঁপির পাশেই ওদের বাড়ি। ওদের বাড়িতে মাঝে মাঝে মুক্তিযোদ্ধারা এসে থাকত বলে এক রাতে স্থানীয় রাজাকাররা মিলিটারী ডেকে আনে। তারা ওর বাবা-মা দুজনকেই সাথে সাথে মেরে ফেলেছিল। ও ছিল অন্য ঘরে, সেই ঘরের বেড়া ভেঙ্গে পালাতে পেরেছিল! আজ চোখের সামনে খান সেনা দেখে সে ঠিক থাকতে পারেনি! আবার অনেকক্ষণ কেউ কোন কথা বলল না। তখন প্রায় ভোর হয়ে এসেছে। একটু পরেই পোস্টে আর একটা টিম আসবে, আর এই পোস্টের চার জন ক্যাম্পে ফিরে যাবে। এই সময় লিডার আমার দিকে চেয়েই হুংকার দিলেন- হিরো, বন্দুক কই? আমি মাথা নিচু করে আছি, উত্তর দিচ্ছিনা। তিনি আবার ধমকে উঠলেন-কি বলছি, শোননি? বন্দুক কই? পানিতে ডুবে গেছে......"শালার এই জন্য আনাড়ি লোক জন নিয়ে নামতে নেই’ ফোঁস করে উঠলেন লিডার। আমি অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে নিরবে কাঁদছিলাম, একবার কান্নাটা জোরে হতেই তিনি দেখে ফেললেন। তার পর কাছে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন –‘কিছু মনে করিস না বাপ, ব্যর্থ অপারেশনে মেজাজা এমনিতেই খারাপ, তার উপর একটা হাতিয়ারও হারালাম, যাহোক তোকে যে হারাইনি সেটাই ভাগ্য, ইয়াসিন ভাই না বললে আমি তো তোকে টিমেই নিতাম না"! তিনি আমার চোখের পানি মুছে দিলেন। সেই ফাঁকে আমি আস্তে আস্তে তাকে জিজ্ঞেস করলাম-‘চাচ্চু আমাকে কি আর আনবেন না’? তিনি কোন উত্তর দিলেন না, শুধু বললেন চল আগে ক্যাম্পে ফিরি, পরে দেখা যাবে।
বন্দুক হারানোর ‘অপরাধে’ আমাকে আর অপারেশন টিমে দেওয়া হলো না। তিন-চার দিন পরে আবার আমার দায়িত্ব পড়ল মেডিকেল টেন্টে। এই কাজটা আমার কাছে খুই বিরক্তিকর মনে হতো। তারপরও করতে থাকলাম। এই সময়ে একটা মজার ঘটনা ঘটল। একটা অপারেশন টিম এক রাতে একজন রাজাকার ধরে আনল। বিশাল লম্বা! সব কয়জন মুক্তিযোদ্ধার চেয়েও লম্বা, তেমনি মোটা। দেখলে মনে হয় পাঞ্জাবী। পর দিন সকালে তাকে সবাই মিলে এমন মার মারা হলো যে তার পরনে লুঙ্গিও ফালি ফালি হয়ে ছিঁড়ে গেল। বেহুশ হয়ে পড়ে থাকল সারা দিন। দুপরের দিকে ইয়াসিন কাকার কাছে দেওয়া হলো। জানা গেল সে নাকি মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়ি চিনিয়ে দিত। ইয়াসিন কাকা তাকে ব্যান্ডেজ বেঁধে দিচ্ছেন আর অনর্গল গালাগালি করছেন.... একসময় কাকা বললেন-ভাতিজা লাত্থি লাগাও কুত্তার বাচ্চারে। আমি পারলাম না। কাকা আবার ধমকে উঠলেন-কই লাগাও? তুবুও পারলাম না। শেষে তিনি আমাকেই গালি দিলেন। আমি একবার ঠিক করলাম লাথি দেব, কিন্তু লোকটা এমন ভাবে আমার দিকে তাকাল যে আমায় মায়া লাগল। আমি পারলাম না। এই লোকটি পরে আমাদের ক্যাম্পেই কাজকর্ম করে থেকে গেলো। কাঠ চেরাই থেকে শুরু করে সব ভারি ভারি কাজ করত সে। আরও পরে এই লোকটি আমাদের ঘরের চাল, বেড়া ঠিক করে দিয়েছিল।
দিন কয়েক পরে আমার পীড়াপীড়িতে আবার আমাকে ফ্রন্টে পাঠানো হলো। তবে এবার আর গেরিলা টিমে নয়, আউট পোস্টের যোদ্ধাদের জন্য খাবার আর গোলাবারুদ পৌঁছানোর কাজ। আমাদের রাতের খাবারের টাইম ছিল ঠিক সন্ধ্যে লাগার সাথে সাথে। আমি খেয়েই মাথায় দুইটা ডেকচি নিয়ে রওনা হতাম। একটায় থাকত খাবার আর অন্যটায় গুলি এবং গ্রেনেড। প্রথম কয়েকদিন নিয়ম করে গেলাম, আবার বেশি রাত হবার আগেই ফিরে আসলাম। একদিন যথারিতি খাবার পৌঁছে দিয়ে ফিরছি। বড় মাটির রাস্তার পাশে একটা ঝোঁপে কি যেন নড়ে উঠল! আমি ভয় পেলেও দাঁড়িয়ে থাকলাম কি তা দেখার জন্য। একটু পরে দেখি একটা বালি হাঁস! আমি কোন কিছু না ভেবেই হাঁসটা ধরার জন্য এগিয়ে গেলাম। হাঁসটাও একটু উড়ে আবার একটা ঝোঁপে বসে পড়ে, আমিও তাকে ধরার জন্য এগুতে থাকি..... একসময় মনে হলো ধরা যাবেনা। তাই ফিরে যাব। কত দূরে চলে এসেছিলাম মনে নেই, কিন্তু যখন বড় রাস্তায় উঠব বলে এগুচ্ছি, তখন বড় রাস্তা আর পাইনা! অনেকক্ষণ পর পেলাম সেই মাটির বড় রাস্তা। নিঃশ্চিন্তে হাঁটা শুরু করলাম। কিন্তু আমি টেরই পেলাম না যে আমি অন্য রাস্তা ধরে এগুচ্ছি! অনেকক্ষণ পরেও যখন ক্যাম্প পেলাম না তখন বুঝলাম আমি হারিয়ে গেছি! বুক ফেটে কান্না এলো। নিজেকে নিজেই সাহস দিচ্ছি.....আমি না বাবাকে খোঁজার জন্য কত শত মাইল একা একা ঘুরেছি? আমি না একাই বাবাকে খুঁজে বের করেছি? কিন্তু কোন কিছুতেই ভয় কমছে না, কান্নাও থামছে না। মনে পড়ল খুব ছোট বেলায় গ্রামের বাড়িতে গিয়ে শুনেছিলাম রাতে বিলের মধ্যে একা একা গেলে কানাভুলোয় ধরে, মনে হয় যেন বাড়ি যাচ্ছি, আসলে বাড়ি না, অন্য জায়গায় নিয়ে মাটিতে মাথা পুতে মেরে ফেলে! সেই কথা মনে পড়ায় আরো ভয় পেলাম। কিছু মনে নেই কোনদিকে হাঁটছি জানিনা, কিন্তু হেঁটেই চলেছি......কতক্ষণ পর একটা লোক পেলাম। লুঙ্গি পরা খালি গা! মনে হলো এটাই মনে হয় কানাভুলো! লোকটা আমাকে ডাকছে আর আমি দৌড়াচ্ছি...... এক সময় লোকটা আমাকে ধরে ফেলল। আমি থর থর করে কাঁপছি। সব শুনে তিনি আরও প্রায় দুই ঘন্টা পরে আমাকে ক্যাম্পে পৌঁছে দিলেন।
এর দিন সাতেক পরে আমার নতুন দায়িত্ব হলো আর্মার টেন্ট পাহারা দেওয়া। একটা বড় তাবুর ভেতর থরে থরে সাজানো গোলাবারুদ, বন্দুক, গ্রেনেড, এসএলআর, এলএমজি, রকেট লান্সার আর টু-ইঞ্চ মর্টার। এই তাবুতে রাতে থাকেন সেকেন্দার কাকা। আমার দায়িত্ব হলো সারা দিন সেই তাবুর সামনে সেন্ট্রি দেওয়া। একদিন এখান থেকেই আমি উঠে গেলাম খবরের কাগজের পাতায়............
চলবে..........
প্রথম পর্ব । দ্বিতীয় পর্ব । তৃতীয় পর্ব । চুতুর্থ পর্ব । পঞ্চম পর্ব । ষষ্ঠ পর্ব ।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি, কিশোর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধ, বাঙ্গালী, বাংলাদেশী, বাংলাদেশ, ১৯৭১, ৭১, '৭১, মনজুরুল হক, স্মৃতিকথা, গেরিলা, পাকিস্তান, পূর্ব বাংলা, বিহারী, 1971, 71, '71, bangladesh, freedom fighter, liberation war, bangladeshi, bangla, east pakistan, west pakistan, .... ; ; ;
প্রকাশ করা হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ, স্মৃতিকথা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:০৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ। মনসুর।
হোরাস্ বলেছেন:
১১ বছর বয়সে যু্দ্ধের অভিজ্ঞতা, ভাবতেই গা শিহরণ দিয়ে উঠতেছে। কানাভুলোর ঘটনাটা পড়ে অবশ্য বেশ মজা পাইলাম। যদিও আপনার জন্যে সেটা কোনভাবেই মজার ছিলো না।
লেখক বলেছেন:
ছোটবেলাকার গেঁড়ে বসা কুসংস্কারের ক্ষমতা দেখুন! গোলাগুলির মধ্য ভয় পেলেও আতংক হচ্ছেনা, অথচ কানাভুলোয় ধরবে সেই ভয়ে কেঁদে আকুল, আতংকে মরার দশা!
এন্তার এত্তেলা বলেছেন:
ভাল লাগলো... মুক্তিযুদ্ধের কথা শুনতে বরাবরই ভাল লাগে।আমার বাবাও ভৈরবের কোন একটা ফ্রন্টে ছিলেন। রেডিও অপারেটর হিসেবে। তাঁরও তখন এরকমই বয়স ছিল।
লেখক বলেছেন:
ভাল লাগার কিছু নেই ভাই।
আপনি বরং আপনার বাবার কাছ থেকে শুনে লিখুন। আমাদের এই প্রজন্ম আর পরের প্রজন্ম জানুক তারা যে সৌধের উপর দাঁড়িয়ে আছে তার প্রতিটি ইঁটের খাঁজে খাঁজে কত মানুষের রক্ত-ঘাম আর প্রাণ সমাধিত হয়েছিল...............
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
দারুন লাগলো।
লেখক বলেছেন:
নিয়মিত এই সিরিজটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন:
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ শামসীর। প্রথম পর্ব থেকেই আপনি নিবিঢ় ভাবে উপলব্ধির জায়গা থেকে এই পোস্টের সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছেন। উৎসাহ দিয়ে চলেছেন....
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন:
পরের পর্বের অধীর অপেক্ষায়
লেখক বলেছেন:
কোনও রকম অনিচ্ছাকৃত ব্রেক না হলে ডিসেম্বরেই সিরিজটা পূর্ণতা পাবে। ততদিন সাথে থাকবেন আশা করি।
সানুনয় বলেছেন:
এক নিশ্বাসে সবটুকু পড়লাম। বাকিগুলো তারাতারি চাই।
লেখক বলেছেন:
নিশ্চই পাবেন।
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
রুদ্ধশ্বাস বিবরণ। এটা বই হিসেবে বের হলে সবচেয়ে ভালো হয়। যদি সেটা না হয়, তাহলে এটা আমি ই-বুক হিসেবে বের করবো। আগাম বলে রাখলাম।
লেখক বলেছেন:
বই আকারে বের করার আশা আছে। হয়ত কেউ উপযাচক হয়ে এগিয়েও আসতে পারেন। সেক্ষেত্রে বই হলেও হতে পারে। আর তা না হলে অবশ্যই ই-বুক করতে পারেন। তবে আপনার এক গুণমুগ্ধ ব্লগারও বলে রেখেছে। আরও পরে এ নিয়ে মেইলে কথা বলব।
শুভেচ্ছা রইল।
লুৎফুল কাদের বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ লুৎফুল কাদের।
মোঃমোজাম হক বলেছেন:
তখনতো শীতকাল ছিল ,ঠান্ডা লাগেনি? আপনার ও আপনার বাবার ছবি দিলে ভাল হতো।
লেখক বলেছেন:
শেষ দিকের কোন একটি পর্বে ছবি দিতে চেষ্টা করব।
লেখক বলেছেন:
এটা আপনি ঠিকই বলেছেন। আমরা এমন এক সময়ে জন্মেছিলাম যেটাকে বলা যেতে পারে যুগসন্ধীক্ষণ। সে সময়ে পরাধীন দেশের কিশোর-তরুনরা স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখত, যে স্বপ্নগুলো এখন টার্মিনেট হয়ে প্রভাব-প্রতিপত্তিতে পরিগনিত। ব্যক্তি ঊন্মেষে রূপান্তরিত!
ম্যাকানিক বলেছেন:
ধন্যবাদ মঞ্জু ভাই
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ ম্যাকানিক।
রাজর্ষী বলেছেন:
আপনার এই আত্নকাহিনী নিয়ে খুবই ভালো একটা মুভি বানানো যেতে পারে।
লেখক বলেছেন:
অত দূর ভাবি না। যদি প্রিন্ট আকারে প্রকাশ করতে পারি সেটাই অনেক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। শুনে ভাল লাগল।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
আপনার বর্ণনা পড়ে .........আমার ছোটমামার মুখে শোনা মুক্তিযুদ্ধের একটা গল্প মনে পড়লো।মামার বয়স তখন ১৬ ছিলো।একটা মিশনে গিয়ে মামা দুইদিন দুইরাত পানিতে ডুবে ছিলেন।গলাটা শ্যাওলায় ভাসিয়ে।
কি অবাক যে হয়েছিলাম.........
আপনার গল্প শুনতে শুনতে কেমন ঘোর লেগে যাচ্ছে।
আপনার বোন গুলো কি আপনার লেখা পড়ছে ?
অনেক শুভকামনা।
আপনার মংগল হোক।
লেখক বলেছেন:
আমার এক মামাও দুই রাত কচুরিপানার উপরে নাক ভাসিয়ে পানিতে ডুবে ছিলেন, তবে তিনি সেটা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধাদের তাড়া খেয়ে, কারণ তিনি ছিলেন পিস কমিটির চেয়ারম্যান! রাজাকারের লিডার! আবার তারই ছোট ভাই ছিল মুক্তিযোদ্ধা।
সব বোন না কেবল বড় বোনটি পড়ছে। আর মা নিয়মিতই পড়ছেন। সব চেয়ে ভাল ব্যাপার আমার ছোট মেয়ে (শ্রুতি) নিজেই পেজ ওপেন করে পড়ছে।
এন্তার এত্তেলা বলেছেন:
লেখক বলেছেন:ভাল লাগার কিছু নেই ভাই।
কি যে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ঘটনা গুলো শুনলে নিজের মাঝে অন্যরকম এক রোমাঞ্চকর অনুভুতি লাগে। অনেক গর্ববোধ হয়। দুঃখ হয় নিজে যেতে পারিনি বলে।
লেখক বলেছেন:
"মুক্তিযুদ্ধের ঘটনা গুলো শুনলে নিজের মাঝে অন্যরকম এক রোমাঞ্চকর অনুভুতি লাগে। অনেক গর্ববোধ হয়। দুঃখ হয় নিজে যেতে পারিনি বলে।"
সহমর্মী হলাম ভাই।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
হাতিয়ার হাড়ানোর অপরাধেতো আপনার কোর্ট মার্শলা হওয়া উচিৎ ছিলো !
লেখক বলেছেন:
মনে হয় ছোট বলেই মাফ পেয়েছিলাম !
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:
স্বার্থক জন্ম আপনার.....
লেখক বলেছেন:
আমি এভাবে ভাবিনা। ভাবি দেশের বাইরে গেছিলাম বলেই এত রাজ্যের অভিজ্ঞতা। দেশে বসে থাকলে কি-ই বা জানা হতো? হয়ত গ্রামের বাড়িতে বসে গোল্লাছুট খেলে বেড়াতাম!
নীল আকাশে মিশে গেছে হাসিটাকে পিছন ফেলে
সেই হাসিটা, ছড়িয়ে আছে আমার সারা বাংলাদেশে-----
লেখক বলেছেন:
আমি কবিতা পারিনা।
আপনার এই লাইনটি যদি কবিতা হয় তাহলে অসামান্য। আর সেটা যদি আপনার হয় তাহলে আপনি স্বভাব কবি........
লেখক বলেছেন:
অবনত মস্তকে কৃতজ্ঞতা স্বীকার হে বন্ধু!
লেখক বলেছেন:
একটাই জীবন, হেঁটেছি একাকী
অচেনা পথ চিনে সে পথে হেঁটে
পৌঁছেছি আর এক অচেনা বন্দরে।
এখন নোঙ্গর ফেলে বসে আছি
মাস্তুল খাড়া নেই, হাল বৈঠা ভঙ্গুর।
লেখক বলেছেন:
বয়সই মাইর থেকে বাঁচিয়েছিল!
লেখক বলেছেন:
হাতে মোবাইল, কানে এয়ার ফোন, তাতে হিন্দি মিউজিক, পেন ড্রাইভে বায়ো ডাটা!
এর সাথে আমাদের প্রজন্মের তুলনা করে গর্ব বোধ করি। আমরা বদলে দেওয়ার ব্রত নিয়ে বিশ্বকে জানতে চাইতাম। "বদলে দাও" শ্লোগান মুখস্ত করতাম না।
অভিনন্দন।
অনেক কথা বললাম। ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন:
আপনার স্বামীকে অভিবাদন। তার হাত থেকে এমন শত শত গান বেরিয়ে আসুক। সেই দিনগুলিতে রেডিওতে আমরা এই সব গান শুনেই উদ্বুদ্ধ হতাম। গায়ে কাটা দিয়ে উঠত!
যীশূ বলেছেন:
দারুন, পড়ছি।
লেখক বলেছেন:
সাথে সাথে থাকবার জন্য অভিবাদন যীশু।
ত্রিশোনকু বলেছেন:
অপূর্ব। কালাভুলো পড়তে মজা লাগছিল।
লেখক বলেছেন:
দেখুন তো কারবার! শেষে কিনা কানাভুলোয় ধরে নিয়ে যাবে!!
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
মানুষের বিপরীতধর্মী চরিত্রের সন্ধান পেলাম- যে বাচ্চাটি দেশের জন্য ১১ বছর বয়সে এসএলআর নিয়ে যুদ্ধ করতে পারে, মাইলের পর মাইল বাবাকে খোঁজার জন্য হাঁটতে পারে, সেই একই বাচ্চা "কানাভুলো"'র ভয়ও পেতে পারে।
++
লেখক বলেছেন:
কিশোর মনের সহজাত প্রবৃত্তি আর হঠাৎ পরিনত হয়ে ওঠা একসাথে চলতে চলতে মাঝে মাঝেই সাংঘর্ষিক হয়ে উঠত।
লেখক বলেছেন:
বাংলায় কমান্ড চালু হওয়ার আগ পর্যন্ত আর্মি-বিডিআরদের মধ্যে "হুকুমদার" চালু ছিল!
আর ওটা ভূতের ভয় নয়। পিশাচ যারা কাঁচা মাছ নিয়ে কেউ রাতে হাঁটলে তার পিছু নেয়! তার পর সুযোগ পেলেই কদার মধ্যে পুতে ফেলে! তার আগে ভুল পথে হাঁটতে বাধ্য করে। আক্রান্ত মনে করে ঠিক পথেই বাড়ি ফিরছি!!!
শয়তান বলেছেন:
খিকজ ।আপনার বর্নিত পিশাচ এর মতই দুটো রিয়েল কেস ডিটেইল স্টাডি করে সল্ভ করেছিলাম একসময় । অন্য কোথাও এনিয়ে পরে আলাপ করবো
লেখক বলেছেন:
হুম। অপেক্ষায় থাকলাম।
অন্য বিষয়ের পোস্টে এ নিয়ে আলাপ হবে....
আমি রোদের ছেলে বলেছেন:
ফ্রেন্ডস না বললে ওরা গুলি করতো...... কানে বাজছে... এখনও বাজছে... বাজবে...
*** ফিফা কি বলতে চায়!!! হেরে মাইনাস।
লেখক বলেছেন:
হ্যাঁ, এখনই পড়লাম পোস্টটা।
লেখক বলেছেন:
উত্তর দেখ নাই? তোমার কথা তো বলে দিয়েছি!
অপ্সরা বলেছেন:
মেহেরপুরের আমঝুঁপির পাশেই ওদের বাড়ি। ওদের বাড়িতে মাঝে মাঝে মুক্তিযোদ্ধারা এসে থাকত বলে এক রাতে স্থানীয় রাজাকাররা মিলিটারী ডেকে আনে। তারা ওর বাবা-মা দুজনকেই সাথে সাথে মেরে ফেলেছিল। ও ছিল অন্য ঘরে, সেই ঘরের বেড়া ভেঙ্গে পালাতে পেরেছিল! আজ চোখের সামনে খান সেনা দেখে সে ঠিক থাকতে পারেনি! কত কষ্ট পেয়েছে সবাই। কত কষ্ট চোখের সামনে দেখেছো।
লেখক বলেছেন:
লাখ কোটি মানুষের কোটি কোটি কষ্ট! একসাথে করলে মনে হয় সারা পৃথিবীর সব কষ্টেরা এখানেই ভীড় করেছিল।
শিপন আবদুর রাজ্জাক বলেছেন:
মনজু ভাই, শুধুমাত্র আপনার এই ধারাবাহিক এ ধারাবাহিক মন্তব্য দিয়ে যাবার জন্য আরাশির ব্লগ জন্মের আজন্ম নিকটাকে কবর খুড়ে তুলতে হলো ! আপনি বিশ্বাস না করলেও এটা সত্য । ওই নিকটি ব্যান আছে ।
যাই হোক, এই দামী লেখার ই-বুকের বিষয়টি আপনি আপাতত মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিলে ভালো হবে । এটা বুক হবে, ই-বুক না ! বাংলাদেশের ব্যবসাবুদ্ধিসম্পন্ন প্রকাশরা এই বই-এর গুরুত্ব ধরতে পারবে না, তা আমার বিশ্বাস হয়না ।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ শিপন। ই-বুক না, বই করার জন্য এক বন্ধু এগয়ি এসেছেন। তার কাছে আমার অসীম কৃতজ্ঞতা। আশা করছি এই ফেব্রুয়ারী বই মেলাতেই বইটা আলোর মুখ দেখবে।
আপনার নিক সংক্রান্ত খবরটায় কষ্ট পেলাম! অনেক কিছুতে অনেকের গর্ব হতে পারে, হয়ও, কিন্তু শুধুমাত্র এই ধারাবাহিকের জন্য একটি অনেক পুরোনো নিক পুনরুজ্জীবীত হলো! এই কৃতজ্ঞতা মনে হয় কোন প্রকাশেই প্রকাশ্য হবেনা!
ভাল থাকুন শিপন।
শিপন আবদুর রাজ্জাক বলেছেন:
শুনে খুব ভালো লাগছে, মনজু ভাই । এই ভালো লাগার দৈর্ঘ -প্রস্থ ঠিক সেই অর্থে আপনাকে বুঝানো যাবেনা । নিজের একটা অসাধারণ বই বের হলে কেমন লাগে ? ঠিক সেইভাবে অনুভব করতে না পারলেও হৃদয়পূর্ণ হলো ভালো লাগায় ।
আ লিটল ফাইটার মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে, বইটা তুঙ্গস্পর্শী পাঠকপ্রিয়তা পাবে, এই ভবিষ্যত বাণীটা আমি সাহস করে করেই ফেলতে চাই ।
অল দ্য বেস্ট ।
লেখক বলেছেন:
আর কিছু না, শুধু বইটা বের হোক......
ভাল থাকুন শিপন।
মেহবুবা বলেছেন:
পরেরটাতে আছে নিশ্চয় খবরের কাগজের পাতায় কি দেখলেন ?আপনার তখন বয়স ১১+ , যুদ্ধ করেছেন ?
লেখক বলেছেন:
যুদ্ধের সাহায্যকারী মাত্র।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















