আমার প্রিয় পোস্ট
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- আসুন আরব বর্বরদের ঘৃণ্য থাবা হতে বাকীদের মাথা বাঁচাতে তিনটি দাবীতে সোচ্চার হই - ও.জামান
- বিডিং রাউন্ড ২০১১: গ্যাস লুটের নতুন ধান্দা - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে পিএসসি চুক্তি: প্রথম আলোয় ম.তামিমের সহজ পাঠের প্রতিক্রিয়া - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে চুক্তি নিয়ে ডেইলিস্টারের মিথ্যাচারের জবাবে - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর কাছ থেকে কত টাকা খেয়ে প্রথম আলো এইরকম মিথ্যা রিপোর্ট করেছে? - দিনমজুর
- দুর্ঘটনার রাজা কনোকোফিলিপস ও বঙ্গোপসাগরের আসন্ন বিপদ: যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিপি-ব্লোআউটের আলোকে - দিনমজুর
- কনোকো-ফিলিপস এর হাতে তুলে দেয়া হলো সাগরের গ্যাস ব্লক ১০ ও ১১ - দিনমজুর
- টেলিকম বহুজাতিকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রথম আলোর অস্থিরতা - দিনমজুর
- নাস্তিক নির্ধর্মী কাফেরগন - হুশিয়ার সাবধান! - দাঁড়িপাল্লা
- অবিশ্বাসী কেউ ইসলামের সমালোচনা করলে মুসলমান ভাই-ব্রেদেরণদের উত্তেজিত হওয়ার কোন যৌক্তিক কারণ নাই। - হোরাস্
- বিমান বন্দরের নামে আড়িয়াল বিলে রাষ্ট্রীয় ভূমি আগ্রাসন! - দিনমজুর
- ১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবি হত্যার ইতিবৃত্ত - পিডিএফ সংস্করণ - নাঈম
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- হামীম গার্মেন্টস এ আগুন: গার্মেন্টস না লাশের কারখানা? - দিনমজুর
- হে রক্তমাংসহীন মেহনত! আল্লার দোহাই, পুড়ে পুড়ে কয়লা হও!! আমাদের অনেক উন্নয়ন দরকার - একজন নাগরিক
- দোহারের গান এবং আমাদের ধনী পিতার ফকির সন্তানদের গল্প - অনার্য তাপস
- কোরান কি অলৌকিক গ্রন্থ? - ১ - সজীব আকিব
- সংশোধিত ড্যাপ আবশ্যক - সচল জাহিদ
- কর্ণেল তাহের আজো প্রাসঙ্গিক ১: কর্ণেল তাহেরের পিপলস আর্মি - দিনমজুর
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- মানালি থেকে লাদাখের পথে: (তৃতীয় পর্ব- দ্বিতীয় ভাগ) - আহাদিল
- নূন্যতম মজুরী নিয়ে সমঝোতার সাজানো নাটক - দিনমজুর
- জিয়া কর্তৃক তাহের হত্যাকান্ড নিয়া পি মুন্সী’র ‘অবজেবক্টিভ’ ত্যানা প্যাচাপ্যাচি প্রসঙ্গে একখান রি-অ্যাকশান পোষ্ট! - মাদারি
- পার্বত্য চট্টগ্রাম: কান্না যেমন করে রক্তের রূপ পরিগ্রহ করে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ভাষার জন্য একটি প্রান্তিক জাতিসত্তার সুদীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস: বাংলাদেশে কি সকল জাতির সকল ভাষা সমান স্বীকৃতি ও মর্যাদা পাবে ? - কুঙ্গ থাঙ
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব - পি মুন্সী
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- বাঘাইছড়ি হত্যাযজ্ঞ: পাহাড়ি-বাঙালি দ্বন্দ্ব নাকি শাসক শ্রেণীর ঔপনিবেশিক আধিপত্য? - দিনমজুর
- কয়েকটি মজার ছবি ও একটি কৌতুক (১৮+) - কুঙ্গ থাঙ
- একটু আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে আমার ধারনাটুকু বদলে দিলেন আমার বাবা - শ।মসীর
- ৩০ মিনিটের ভাষা আন্দোলন এবং গ্রামীণ ফোনের ”কাছে থাকা”! - দিনমজুর
- একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হলোঃ “আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস্”... - মুনশিয়ানা
- দেশে 'সন্ত্রাস' বিরোধী অভিযান ও চলমান 'ক্রসফায়ার' প্রসঙ্গ- (চতুর্থ অংশ) - মাহাদি হাসান
- থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ফ্যান্টাসি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস: দ্রুত সকল বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড বন্ধ করুন। - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- বাংলা ব্লগ দিবস নিয়ে ২ পয়সার ভাবনা - বিডি আইডল
- বাংলা ব্লগ দিবসের গরম গরম ছবি... (লাইভ স্ট্রীম থেকে নেওয়া) !!! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- পার্বত্য জনগনঃ উদ্বাস্তু হতে হতে ক্রমশঃ আলাদা হয়ে যাওয়া... জেগে ওঠা বিচ্ছিন্নতার বোধ... - মুনশিয়ানা
- বিশ্বব্যাঙ্ক ও আইএমএফ - গ্লোবাল অর্থনীতি (৮) - পি মুন্সী
- পাশ্চাত্য সংগীত যারা ভালবাসেন তাদের জন্য অসাধারণ কিছু গানের লিস্ট (না শুনলে মিস করবেন) - নগর সংগীত
- আইন ভেংঙ্গে শৃঙ্খলা রক্ষার বিপজ্জনক রাজনীতি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- নির্যাতন-৬ বেআইনী টিএফআই সেল, জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন - সায়েমুজজ্জামান
- এক্সপি জেনুইন করার একটি সহজ উপায়। - অমিত০৯৭
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- বেড়িবাঁধ দখল করে তৈরী হচ্ছে ৯টি শিপইয়ার্ড - আিক
- আগুনের রেস (উৎসর্গ: মনজুরুল হক) - প্রশ্নোত্তর
- রাষ্ট্রের হাতে যদি নাগরিক নিরাপত্তা না পায় তবে সেই রাষ্ট্র ব্যর্থ - প্রশ্নোত্তর
- সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি? - ভিন্ন চিন্তা
- কমপিউটারের কিছু শর্টকাট/ কীবোর্ড কমান্ড টিপস - জোবাইর
- বাংলাদেশে তেল/গ্যাস অনুসন্দ্ধানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং গ্যাস সংকটের প্রেক্ষিত। - মনোয়ার আহমদ
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- যানজটে জীবনজট-২: সম্ভাব্য সমাধান - ফারহান দাউদ
- পূনশ্চঃ ইসলামী ব্যাংক : তত্ত্ব ও প্রয়োগের অসঙ্গতি ও কিছু কথা - (শেষ পর্ব) - পড়ুয়া_পড়ুয়া
- ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট - পান্থ বিহোস
- সিরাজ শিকদার : ভুল বিপ্লবের বাঁশীওয়ালা! ১ - অমি রহমান পিয়াল
- টিপাইমূখ বাধ সংকলিত লিংক সমূহ - কিরিটি রায়
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই (দ্বিতীয় ও শেষ অংশ) - পি মুন্সী
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই - পি মুন্সী
- সর্বগ্রাসী অপ-‘বাদ’ বনাম একজন আরজ আলী মাতুব্বর এবং... [যুক্তিবোধ ও চিন্তা-চেতনায় সহনশীল পাঠকদের জন্য এই পোস্ট সংরক্ষিত] - রণদীপম বসু
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ২ - লাশ
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ১ - লাশ
- সামহোয়ারইনের মডারেশন নীতিমালা: একটি ভিন্ন পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- মধ্যযুগীয় মোল্লাবাদ বনাম সুফীবাদ - লাশ
- তিয়ান'আনমেন রক্তক্ষয়ের ২০ বছর : কি ঘটেছিল তখন ? - মেহরাব শাহরিয়ার
- আমার প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ আ ক খ - অপ্সরা
- প্রভাকরণের মৃত্যু ও তামিল ইলম - ফিরে দেখা ইতিহাস - দিগন্ত
- আসবেন আরজ আলী? - তনুজা
- আইনস্তাইন বললেই হল! সমাজতন্ত্রের মরা ভূত আর জাগবে না (উৎসর্গ ব্লগার ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান) - ভালো-মানুষ
- ডিম্বের সন্ধানে - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কল্পনা চাকমা এখন কোথায়? - বিপ্লব রহমান
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- পিলখানা গণহত্যা: গুজবের ময়না তদন্ত - ঘনাদা
- প্রধানমন্ত্রী যেসব কথার জবাব দিতে পারেন নি..... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- একটি বিদ্রোহ পরবর্তী বিশ্লেষন শ্রেণী সংঘাতই কি বিডিআর বিদ্রোহের মূল কারন? - জামাল ভাস্কর
- বিডিআর নৈরাজ্য: লাশের মাপকাঠিতে বিদ্রোহের পরিসীমা - দিনমজুর
- লাশ উৎসব - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- একটা পুরানো দালান : ইষ্ট পাকিস্তান : আমাদের আর্মির জবাবদিহিতা - শূন্য আরণ্যক
- বিডিআরের জওয়ানদের যৌক্তিক দাবী: ঘটনা,শংকা এবং ভবিষ্যৎ - ফারহান দাউদ
- আর্মির সত্যভাষণে বিডিআর ভিলেন??!! - নিকো৮১২৩
- সবুজ সততা দেখানো শুরু হয়ে গেছে , আসল সত্য কি ? - রাগ ইমন
- মুক্ত/ নাস্তিক/ সংশয়ী/ ধর্মদ্রোহী'দের যুদ্ধটা ... আসলে কাদের বিরুদ্ধে, কিসের বিরুদ্ধে ? - মনির হাসান
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- ইজরায়েল কিভাবে গাজায় মহাবিপর্যয় তৈরি করেছে(শেষ পর্ব) - আহসান হাবিব শিমুল
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- নারীর বিরুদ্ধে পারিবারিক নির্যাতন: বাংলাদেশের পুরুষতান্ত্রিক সমাজের পুনপৌনিক ঘটনার নিষিদ্ধ আলোচনা- দ্বিতীয় কিস্তি - মুনীর উদ্দীন শামীম
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি (শেষাংশ) - দিনমজুর
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি - দিনমজুর
- নবীনদের জন্য - নাদান
- যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং বর্তমান ব্লগ-বিতর্কঃ পুনর্মূল্যায়ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী এবং একজন স্বঘোষিত পর্নোষ্টার - জাতেমাতাল
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- একজন ব্লগারের নিষ্ঠা ও আমাদের নির্লিপ্ততার আক্কেল সেলামি - রাগ ইমন
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- আরব-ভূমিতে গ্রীক দর্শনের পঠন-পাঠন, আরবের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, ইসলামের উদ্ভব ও কোরআনঃ ইতিহাসের পাঠ থেকে একটি বিশ্লেষণ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ঈশ্বর ও বিজ্ঞান- "আছে" ও "নাই" প্রমাণের কথিত দ্বন্দ্ব (শেষ পর্ব) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আস্তিক-নাস্তিক সমাচার - চার্বাক দর্শন। (শেষ কিস্তি) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- নেপালে মাওবাদীদের নির্বাচনী বিজয়, বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের মিথ এবং কিছু জরুরী ভাবনা - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ -২ - দিনমজুর
- হায়রে কৃষি!!!!!!!!!! সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও একটি বিশ্লেষণ - দিনমজুর
- প্রাইভেটাইজেশন - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -১ - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -২ - দিনমজুর
- সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও আমাদের কৃষি - দিনমজুর
- মুক্তমনার অভিজিৎ ও বিপ্লব পাল- বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ, ল্যামার্ক, লাইসেঙ্কো, নভেম্বর বিপ্লব, সমাজতন্ত্র, কেরোনস্কি, প্রতি বিপ্লব, পুঁজিতন্ত্র, ঠিকাদারতন্ত্র.... ইত্যাদি - দিনমজুর
- জিএম শস্যের ভালো মন্দ - দিনমজুর
- কিভাবে অভ্র ব্যবহার করে বাংলা লিখতে হয় (বিস্তারিত) - মৃত হাসানের প্রেতাত্মা
- পলিটিক্যাল ইসলাম কয় কারে? - সাধক শঙ্কু
- "হযরত মোহাম্মদ (সঃ) কি মৃগীরোগী ছিলেন" এর মূল লেখার জবাব - জামালiiuc
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- "নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন" শীর্ষক পোস্টের তথ্যসূত্র ও টীকাঃ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কোরআনের চ্যালেঞ্জঃ যেখানে সব্বাই ফেল মারছে!!!- ১ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আজ সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিন.....আজ আমার কষ্টের দিন..... - মনজুরুল হক
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস - একরামুল হক শামীম
- অভিজিৎ এর "মার্ক্সবাদ কি বিজ্ঞান" শীর্ষক প্রবন্ধের প্রতিক্রিয়ায়- ২ - দিনমজুর
- কার্ল মার্কস ও তথাকথিত প্রকৃতি বিজ্ঞান (Natural Science) - পি মুন্সী
- ইহুদি ও খ্রিস্টান ধর্মের একমেবাদ্্বিতীয়ম ঈশ্বর চেতনা - শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- টেকি পোস্ট ঃ কমেন্টে ফটো দিবেন কিভাবে ?? - শয়তান
- এন্টি গল্প > শেষরাতের একফালি চাঁদ > - মনজুরুল হক
এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ১০ > একটু একটু করে মানুষ চিনতে শিখছি.....
১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১২
গোলাবারুদের তাবুতে একটা কার্টনে তাবিজের মত দেখতে কিন্তু তাবিজের চেয়ে একটু লম্বামত জিনিস ছিল। তার একপাশ থেকে নিল রঙের দুটি চিকন তার বেরিয়ে গেছে প্রায় এক গজ মত। তার যেখানে তাবিজের ভেতর ঢুকেছে সেখানে সীল করা। টানলেও তার বেরিয়ে আসেনা। আমার রেডিওর এ্যান্টেনায় বাঁধার জন্য কিছু তার দরকার হওয়ায় আমি সেই তাবিজ (যা আসলে ডিটেনেটর। সিরিজ বোমা ফাটানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। মেইন তারের লাইনের সাথে এই দুটি তার সংযোগ দেওয়া হয়, আর ছোট্ট তাবিজের মত এ্যালুমিনিয়ামের জিনিসটা মূল বোমায় আটকে দেওয়া হয়। যদিও এর আরও ব্যবহার আছে। সেটা পরে জেনেছিলাম) একমুঠো পকেটে করে নিয়ে এসেছিলাম। এক রাতে ক্যাপ্টেন সাহেবের কাছে পাওয়া ব্যাটারি ভাল আছে কিনা টেস্ট করার জন্য সেই ডিটেনেটরের তারের একমাথা ব্যাটারির নিচে আর একমাথায় টর্চের বাল্ব পেচিয়ে যেই ব্যাটারির উপর ধরেছি অমনি ফট্টাস! এত জোরে শব্দ হলো যে আমি বেহুশের মত কয়েক হাত দূরে ছিটকে পড়লাম! এই অপকর্মটি করছিলাম বারান্দায় বসে, মা-বোনরা ছিল ঘরের ভেতর তাই বড় বাঁচা বেঁচে গেল তারা! বোমা ফাটর মত ফটাস করে শব্দ হওয়ার সাথে সাথে আমি দুহাতে মুখ ঢেকে পিছনে ছিটকে পড়ি। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাড়ি ভর্তি আশপাশের মানুষ! লোকে লোকারণ্য। মা আর আর কেউ কেউ আমাকে টেনে তোলার পর দেখা গেল আমার পা,হাঁটু আর দুই হাত আর বুকে রক্ত ঝরছে। ছোট ছোট এ্যালুমিনিয়ামের টুকরো লেগে কেটে গেছে। যেখানে বসে ছিলাম সেখান থেকে গর্ত হয়ে মাটিও উঠে গেছে! সমবেত দর্শকরা যে যেমন পারেন ধমকটমক দিতে লাগল। যারা একটু আপন হয়ে গেছিল তারা অদ্ভুত ভাবে শাসন করতে লাগল-‘দিদি তোমার ছেলে খুব সেয়ানা হইয়ে উঠছে, এইরম এট্টা ঘটনা ওর দরকার ছিল’! আবার কেউ কেউ মায়া দেখিয়ে বলছিল-‘আহারে ছাওয়ালডা অল্পের জন্যি মরতি মরতি বাইচে গেল, তা যা কও দিদি ভগবানের আর্শীবাদ ছেলো বইলে এ যাত্রা রইক্ষে পেইলে’। কিন্তু আমাকে যে কিছু একটা করা দরকার সেটা কেউ ভাবছিল বলে মনে হলো না। আমি তখনো থর থর করে কাঁপছি! আমাদের বাড়ি থেকে এবকটু দূরে জগন্নাথ নামে একটি ছেলে ছিল। ওদের বাড়িটা এই পাড়ার সবচেয়ে সুন্দর করে সাজানো-গোছানো। সে সবার সাথে মিশত না। সেই ছেলেটি তাদের বাড়ি থেকে তুলো ডেটল এইসব এনে আমার প্রাথমিক চিকিৎসা করল। সবচেয়ে অবাক ব্যাপার, প্রায় সবাই কিছু না কিছু বলে সাবধান, শাসন করলেও ওই ছেলেটি কিছুই বলেনি, বরং যাবার সময় বলে গেলো-‘আমার বাড়ি চেনো’? আমি মাথা ঝাঁকাতেই বলল-‘কাল এসো একবার’। এই খবর ক্যাম্পের কেউ জানলে কপালে বকুনি আছে ভেবে একেবারেই চেপে গেলাম। মা খুঁজে সেই সব ডিটেনেটর ফেলে দিতে গেলে আমি মিনতি করে ফেরৎ নিয়ে গোপনে লুকিয়ে রাখলাম।
বাবা সাতক্ষীরা বর্ডারে যাওয়ার প্রায় পনের-কুড়ি দিন হয়ে গেছে। কবে আসবে, কি ভাবে আছে কোনও খবর পাইনা। রোজই তেহট্ট থেকে বা অন্য কোন ক্যাম্প থেকে লোকজন আসলে খবর নেওয়ার চেষ্টা করি, কিন্তু কেউ কোন খবর দিতে পারে না। এরও দুই তিনদিন পর এক বিকেলে শুনলাম কে একজন আমাকে খুঁজছেন। আমি সব তাবুতে তাবুতে ঘুরে ঘুরে তাকে পেলাম। তিনি আমার নাম শুনেই বললেন-‘তোমার বাবা তো হাসপাতালে......’ কথাটা শুনেই বুকের ভেতর ছ্যাৎ করে উঠল! বাবা হাসপাতালে? কি হয়েছে বাবার? আমি কাঁদো কাঁদো গলায় তাকে কেবলই প্রশ্ন করে চলেছি.....তিনি আমার মাথায় হাত রেখে বললেন-‘ভয়ের কিছু নেই, চিন্তা করো না, ইনশাআল্লা তোমার বাবা ভাল হয়ে যাবেন’। কিন্তু বাবা কেন হাসপাতালে সেটা তিনিও বিস্তারিত জানেন না, শুধু বললেন-কৃষ্ণনগর সদর হাসপাতালে। সেই রাতে মা আর আমি প্রায় নির্ঘুম কাটালাম। সকালে ক্যাম্পে যেয়ে বলেই আমি রওনা হয়ে গেলাম কৃষ্ণনগর। এই শহরে আগেও এসেছি বলে হাসপাতাল চিনতে তেমন সমস্যা হলো না। বাবা একটু অবাকই হলেন আমাকে দেখে, তার পরও আমাকে অনেকক্ষণ বুকে জড়িয়ে রাখলেন। বাবার টিমটা এখানে ট্রেনিংয়ের কাজ করাচ্ছিলেন। এর মধ্যে একদিন অপারেশনে যেয়ে সেখান থেকে ফেরার সময় বিলের মধ্যে দিয়ে হেঁটে আসার সময় পায়ে কিসের যেন কাঁটা ফোটে। ক্যাম্পে এসে একটু তুলো-ডেটল দিয়েই ভেবেছিলেন মাছের কাঁটা হবে হয়ত, কিন্তু ছয়-সাতদিন পর যায়গাটা পেঁকে ওঠে। সেপ্টিক হয়ে গেছিল। তারপর হাসপাতাল। ডাক্তাররা বলেছিল কাঁটা নয়, পায়ে ফুটেছিল সম্ভবত কোন চিকন লোহা। বাবা আমাকে সেই দিনই দুপুরের পর বেতাই ফিরে যেতে বললেন, কিন্তু আমি ফিরলাম না। বললাম-কাল যাব। হাসপাতালেও থাকলাম না। সোজা চলে গেলাম দবদবি ক্যাম্পে।
বাবার টিমের আর যারা ছিলেন তাদের খুঁজে পেতে একটু সমস্যা হলেও একসময় পেলাম। সারা সন্ধ্যা ক্যাম্পের ভেতর ঘুরে বেড়ালাম। এই ক্যাম্পটা আমাদের ক্যাম্পের চেয়েও বড়। তবে এখানে ইপিআর বা আর্মির লোকদের চেয়ে বেশি ছিল পাবলিক। চেহারা দেখেই চেনা যায়, প্রায় সকলেই কলেজের ছাত্র বা এমনি সাধারণ মানুষ। চুলও বাটি ছাঁট দেওয়া নয়। এই চুলের ছাঁট দেখেই আমি ফোর্স আর সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের আলাদা করতে পারতাম। আমাদের ক্যাম্পে ব্যাপারটা দেখে ভাবতাম অন্য ক্যাম্পে মনে হয় এমন না। কিন্তু এখানেও সেটা দেখলাম। পর দিন সকালেই আমি বেতাই ফিরে এলাম। নিশ্চিন্ত হলেন মা।
ওখান থেকে ফিরে এসে এই কে সাধারণ মানুষ আর কে ফোর্সের লোক সেই ভাবনাটা মাঝে মাঝেই আসত। আমাদের ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধা ছিল আনুমানিক সোয়াশ’ থেকে দেড়শ মত। এদের প্রায় অর্ধেকই ছিল সাধারণ মানুষ। এরা কোন ভাতা পেত না। যাদের পরিবার আছে তারাই কেবল ভাতা পেত। খাওয়ার সময় দেখতাম তারা এক জায়গায় বসে আর ইপিআর-আর্মির লোকরা আর এক জায়গায় বসে। তাবুও ভাগ করা ছিল। ইপিআর-আর্মির লোকরা মুক্তিযোদ্ধা বলত না, বলত "সিভিলিয়ান ফোর্স"। অপারেশনে যাওয়া, যুদ্ধ করা, এক ক্যাম্পে থাকা সবই ঠিক ছিল, কিন্তু তার পরও কেমন যেন একটা ভাগও ছিল। কোথাও গোলাগুলি হলে সবার আগে যে টিমটা রওনা হতো সেটা ওই সিভিলিয়ানদের। তার পরের দলে যেত ইইপআররা, আর সবার শেষে যেত আর্মিরা যে কয়জন ছিল তারা। ইপিআররা আর্মিদের বলত-‘আর্মিওয়ালা’। আর আর্মিরা বলত ‘সবুজ টুপি’ বা ‘কালো বেল্ট’। বেতাই বাজারের একটু বাইরে একটা মাঠে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটা ছোট ক্যাম্প ছিল, কিন্তু তারা কখনো গোলাগুলি ছুঁড়ত না। আর একটা ক্যাম্প ছিল আর্মিদের পাশেই, ওদের বলা হতো ‘সিআরপি’। ওরা নাকি নকশাল ধরার জন্য ক্যাম্প করেছে। মাঝে মাঝে ওরা প্রত্যেকটা গাড়িতে উঠে গাড়ি চেক করত। বাজারের যাকে পেত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করত। ওখানকার মানুষ আর্মির চেয়েও এই সিআরপি কে বেশি ভয় পেত।
একদিন সকালের দিকে বলা নেই কওয়া নেই পাক সেনাদের ছোঁড়া মর্টার শেল এসে পড়তে লাগল ভারতীয় সীমানার এপারে। সবই পড়েছিল ফাঁকা জায়গায়, তাতে কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি, কিন্তু সারা গ্রাম আর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্প সহ লালবাজার বিএসএফ ক্যাম্পে তোলপাড় শুরু হলো। সন্ধ্যের দিকে ক্যাম্প খালি করে সবাই ফ্রন্টে চলে গেল। আমাকে বলা হলো সেন্ট্রি দিতে। ফাঁকা ক্যাম্পে মাত্র তিন-চার জন মানুষ বসে আছি। একফাঁকে বাড়ি গিয়ে মা’কে বলে আসলাম। আমরা যারা ছিলাম তারা সবাই একজায়গায় বসে থাকলাম। কেমন যেন মনে হচ্ছিল আজ কিছু একটা ঘটবে! এদিনও দেখলাম, সবার আগে বেরিয়ে গেল সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের টিম। আর সবার শেষে ক্যাপ্টেনের সাথে আর্মি আর ইপিআর। এই ক্যাম্পে মাত্র জনা দশেক আর্মি ছিল। একটু একটু করে সময় পার হয়ে যাচ্ছে, কিছুই ঘটছে না। রাত দশ-এগারটার দিকে হঠাৎ কামানের গোলা উড়ে গেল পাক বাহিনী লক্ষ্য করে। বেতাই যে আর্মি ক্যাম্প আছে সেখান থেকেই কামান দাগা হচ্ছে! সে এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা! আর্মি ক্যাম্প আমাদের পেছনে প্রায় এক বা সোয়া মাইল দূরে। সেখান থেকে কামানের গোলা উড়ে যাচ্ছে ঠিক আমাদের মাথার উপর দিয়ে! আমরা প্রতিটা শব্দ আলাদা আলাদা শুনতে পাচ্ছি! যখন গোলা ছোঁড়া হচ্ছে তখন ঘটাং করে একটা শব্দ হচ্ছে আর সাথে সাথে বিঙ বিঙ সাঁই সাঁই করে আমাদের ক্যাম্পের আর গ্রামের উপর দিয়ে সেই গোলা উড়ে যাচ্ছে! একটু পরেই পাক সীমানায় গিয়ে যখন ফাটছে তখনকার শব্দটা হচ্ছে গম্ভির আর ভারী- দুমমমমম করে। আমরা মাঝখানে দাঁড়িয়ে কামানের কাছের আগুন আর পড়ে ফাটার শব্দ শুনছি। প্রায় ঘন্টাখানেক ধরে লাগাতার গোলা বর্ষনের পর এক সময় সব কিছু খুব নিরব মনে হলো। পর দিন দোকানগুলোর সামনে সব জটলাতেই এই একই আলোচনা-কুকুরদের মুগুর দেওয়া হইছে! এটা ছিল কাউন্টার এ্যাটাক। আমাদের যেসব টিম ফ্রন্টে গেছিল তারা সকালে নিরাপদেই ফিরে আসে। কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
সেই যে জগন্নাথ আমাকে ডেটল দিয়ে চিকিৎসা করেছিল, একদিন দুপুরের পর তাদের বাড়িতে গিয়ে হাজির হলাম। জগন্নাথ বাড়িতে ছিলনা। ওর মা আমাকে বসার জন্য একটা ছোট্ট জলচৌকি এনে দিল। আমি বসেই আছি। বিকেলের দিকে ফিরল জগন্নাথ। ওর উপরের পাটির একটা দাঁত একটু উঁচু ছিল, হাসলেই সেটা বেরিয়ে পড়ত, তাতে কিংবা অন্য কোন কারণে তাকে ভীষণ ভাল লাগত। আস্তে আস্তে খুব সুন্দর করে কথা বলত। বাড়ি এসেই আমাকে দেখে তার ঘরে নিয়ে বসাল। ঘর ঠিক না, বারান্দার একপাশ বেড়া দিয়ে আলাদা একটা কামরা করা। ঘরে ঢুকে তো আমি অবাক! সারা ঘর ভর্তি বই! বইয়ের দোকান ছাড়া এত বই আমি কখনো একসাথে দেখিনি। আমি হা করে ঘুরে ঘুরে বই দেখছি, একপাশের কাঠের বেড়ায় একটা ছবি আঠা দিয়ে লাগানো। লোকটার অনেক বড় কপাল, চোখ দেখা যায়না, একটু ফোলা ফোলা। আমি এই কয় মাসে অনেক ছবি দেখেছি, প্রায় বাড়িতেই কৃষ্ণ, শিব, দূর্গা, কালী, রাম-লক্ষণের ছবি দেখে প্রায় মুখস্ত হয়ে গেছে, কিন্তু এই বাড়িতে তাদের ছবি নেই। আমাকে ছবির দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে জগন্নাথ জিজ্ঞেস করল-‘ছবিটা কার চেনো’? ‘না চিনি না’ বলার পর সে বলল- ‘এটা চেয়ারম্যান মাও সে তুং, আগে কখনো নাম শুনেছ’? আমি আবারও বললাম-না। আমি বাঁশের বুকশেল্ফ থেকে এক একটা বই নিয়ে নেড়েচেড়ে দেখছি, ও বলল- তুমি চা খাও তো? আমি খাই বলার পর ঘর থেকেই মা’কে চায়ের কথা বলল। কতক্ষণ ছিলাম খেয়াল নেই, এক সময় সে বলল-আমি তোমার অনেক কথাই শুনেছি মায়ের কাছে, তুমি তো খুব সাহসী ছেলে! একথা শুনে আমি কি বলব ভেবে পেলাম না। আসার সময় আমাকে একটা বই ধরিয়ে দিয়ে বলল- সময় পেলে প'ড়ো, অনেক কিছু জানতে পারবে। আমি ক্লাসের বই ছাড়া রূপকথার ব্যাঙ্গোমা-ব্যাঙ্গোমির বই পড়েছি আগে। বাবা একটা বিদেশী বই এনে দিয়েছিলেন- এন্ডারসনের রূপকথা না কি যেন নাম। এ ছাড়া আর কোন বই আমার পড়া হয়নি। কিন্তু আমি দেশে থাকতে বছর খানেক আগে স্কুল ম্যাগাজিনে ছড়া লিখেছিলাম, সেটা ওকে বলার পর ও বলল-গুড। আমি বইটা নিয়ে বাড়ি ফিরে এলাম। বইটার নাম- ‘যে গল্পের শেষ নেই’। এর পর মাত্র তিন-চার দিন পরই আমার সামনে খুলে গেল আর এক নতুন দরোজা...................
চলবে.........
প্রথম পর্ব। দ্বিতীয় পর্ব। তৃতীয় পর্ব। চতুর্থ পর্ব। পঞ্চম পর্ব। ষষ্ঠ পর্ব। সপ্তম পর্ব। অষ্টম পর্ব। নবম পর্ব।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি, কিশোর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধ, বাঙ্গালী, বাংলাদেশী, বাংলাদেশ, ১৯৭১, ৭১, '৭১, মনজুরুল হক, স্মৃতিকথা, গেরিলা, পাকিস্তান, পূর্ব বাংলা, বিহারী, 1971, 71, '71, bangladesh, freedom fighter, liberation war, bangladeshi, bangla, east pakistan, west pakistan, .... ; ; ; ; ; ;
প্রকাশ করা হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ, স্মৃতিকথা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:০৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আকাশ অম্বর বলেছেন:
মনজুরুল ভাই কেমন আছেন? অসাধারণ সিরিজটি ধীরে ধীরে পড়ছি। অনেক শুভেচ্ছা। ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন:
বেশ ভাল আছি আকাশ।
সবটা পড়ার ধর্য্য হবে তো? যদি হয় তাহলে শেষ পর্যন্তু থাকুন।
শুভেচ্ছা আকাশ অম্বর।
মোঃমোজাম হক বলেছেন:
আপনাদের ছবি দেখার প্রত্যশায় আছি।আপনার সেই ছোটকালের অভিজ্ঞতা আর আমার দেখা অভিজ্ঞতার মধ্যে পার্থক্য আছে।আমি ছিলাম টাংগাইল তবে আপনার মতো বীর ছিলামনা Click This Link
লেখক বলেছেন:
একেবারে সেই সময়কার ছবি নাই।
একটু আগে পরের ছবি দেওয়া যাবে। কাল-পরশু দিয়ে দেব।
একটু পরেই আপনার পোস্ট পড়তে যাব।
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন:
ভাল লাগল.......সীমান্তের ওপার থেকেও যে কখোনো এপারে পাক বাহিনীর উপর হামলা হয়েছে তা জানতামনা....
লেখক বলেছেন:
নভেম্বরের পর তো প্রায়ই হতো। নভেম্বরের দিকে আমাদের ক্যাম্পের পাশে ভারতীয় আর্মিদেরও ক্যাম্প হয়েছিল।
ধন্যবাদ সারওয়ার ইবনে কায়সার।
লেখক বলেছেন:
পথ দেখানো লাল ছেলেবেলা নতুন পথের সালুক দেয়....
ভাল আছি রিপন।
আপনিও আশা করি ভাল আছেন। ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন:
এখন তো পড়ে মজাই লাগবে,
কিন্তু সে সময় মনে হয়েছিল এক তো মরতে মরতে বাঁচলাম,
দ্বিতীয়ত এই ঘটনা জানতে পারলে আমাকে ক্যাম্প থেকে বের করে দেবে!
যাক দূর্ঘটনাটা জটিল ছিলনা....
লেখক বলেছেন:
সুক্ষ্ণ বিষয়গুলো সে সময় ভাগ করতে পারতাম না, খুব ভাল করে বুঝতামও না। পরে সেই সব স্মৃতি মন্থন করে একটু একটু করে মেলানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি...
ধন্যবাদ শামশীর।
নাজমুস বলেছেন:
পিডিএফ করে রেখে দিয়েছি। আস্তে আস্তে পড়ি।
লেখক বলেছেন:
ভাল করেছেন। আমি তো কোথাও সেভ করছি না! ভাবছি আমারও করা দরকার।
আরেকবার শুভেচ্ছা নিন নাজমুস।
লেখক বলেছেন:
আপনারও কি মজা লেগেছে?
এখন আমার হাসি পায়, কিন্তু সেই সময়ে???
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
আপনার সামনে খুলে যাওয়া দরজা..........আমরা অপেক্ষায়.....
স্মৃতির ঝুড়ি থেকে বের হোক অজস্র তারাবাতি ........
শুভকামনা
লেখক বলেছেন:
এক একটা সময়কাল পেরোয়, আর আমরা বড় হয়ে উঠি
এক একটা ক্রান্তিকাল আসে, আর আমরা বিমর্ষ হয়ে পড়ি
কামনাঃ একটা এমনই কাল আসুক, আমরা সবকিছুর প্রতি দায়বদ্ধ হয়ে উঠি..........
হোরাস্ বলেছেন:
ইপিআর-আর্মির লোকরা মুক্তিযোদ্ধা বলত না, বলত "সিভিলিয়ান ফোর্স"। --- একটাও সিভিলিয়ান বীরশ্রেষ্ঠ নাই। কারণটা জানতে ইচ্ছা করে খুব।
লেখক বলেছেন:
আমার অপরিনত মস্তিষ্কের ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতা বলে- দু'একজন কাদের সিদ্দিকী বা তার মত আরও কেউ কেউ নিজ প্রভাব বলে নেতা হয়েছিল, পরে কিছু খেতাবটেতাবও জুটেছিল, কিন্তু যারা নিতান্ত সাধারণ ছিল তারা বরাবরের মতই হুকুমের দাস ছাড়া আর কিছু ছিলনা।
অর্ডার ফলোজ টু ফাইট
অর্ডার ফলোজ টু ডাই!!!!
নাথিং এলস।
ম্যাকানিক বলেছেন:
একটাও সিভিলিয়ান বীরশ্রেষ্ঠ নাই। কারণটা জানতে ইচ্ছা করে খুব।৭৫ এর পালা বদলের পর অনেক মুক্তিযোদ্ধার নাম সরকারি লিস্ট থেকে মুছে দেয়া হয়েছিলো।
অনেক মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ,পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা সেই সময় ন্যায্যমূল্যের রেশন পেতেন সরকারী বাড়ীতে থাকতেন সেখান থেকে তাদের রিতিমত লাথি দিয়ে বের করে দেয়া হয়েছে আবার অনেক রাজাকার সেই সময় মুক্তিযোদ্ধা লিস্টে নিজের নাম ঢুকিয়ে দিয়েছে এমনকি মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট পর্যন্ত নিয়ে রেখেছে ।
আর কত জনকে যে গায়েব করা হয়েছে তার ত কোনো হিসাবই নাই।
আর এত বছর পর আপনি জানতে চান তারা কেনো বীরশ্রেস্ঠ খেতাব পায় নাই !!!!!!!!
লেখক বলেছেন:
লগঅফ করার ঠিক আগের মুহূর্তে আপনার গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যটা দেখলাম। এই ইতিহাস আমি এখন আর লিখতে চাই না। সে ইতিহাস এত ব্যাপক আর বেদনাবিধুর যে আমাদের মনে হতেই পারে সে সব রূপকথা, সত্য নয়। অথচ নির্মম সত্য হচ্ছে পৃথিবীতে এটাই একমাত্র দেশ যেখানে দেশের জন্য প্রাণ দেওয়ার পরও সেই প্রাণ দেওয়া নিয়ে কুৎসা রটানো হয়, সন্দেহের চোখে দেখা হয়।
আর ঠিক এই কারণেই আমার বাবা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত গর্বের বদলে আফসোসই বেশি করে গেছেন।
মুক্তিযুদ্ধ ব্যাপারটাই বর্তমানে লাগসই ফ্যাশন হয়ে যাওয়া দেখে আর কোন ভাবাবেগে ভুগি না।
অনেক ধন্যবাদ ম্যাকানিক।
রাজর্ষী বলেছেন:
মুক্তিযুদ্ধ ছিলো জাতীয়তাবাদি যুদ্ধ। এটা কোন শ্রেনী সংগ্রাম ছিলো না।
লেখক বলেছেন:
ঠিক। আর সে কারণেই কোন বিশেষ বাহিনীর বা বিশেষ দলের কৃতিত্ব নেওয়ার সুযোগ নেই। যুদ্ধটা ছিল সমগ্র জাতির।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
পুরা সিরিজটাই অসাধারন হচ্ছে!
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ শান্ত। শুভেচ্ছা।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ক্যাম্পে ফোর্স আর এফএফ দের মাঝে দূরত্বটা জানা ছিলো কিন্তু কতটুকু সেটা জানা যায় না।
লেখক বলেছেন:
এটা সব যুদ্ধেই থাকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেও ছিল, কিন্তু যুদ্ধ পরবর্তি সময়ে এই বিভাজটা মোটা দাগে হয়ে যাওয়ায় আমাদের সিভিলিয়ানরা চরম ভাবে বঞ্চিত হয়েছে, তাদের আশাভঙ্গ হয়েছে।
রোহান বলেছেন:
মন্জুভাই খুলনা গেছিলাম তাই মাঝের পর্বগুলো সময়মতো পড়া হয় নাই.. এখন একসাথে সাত থেকে দশ পড়ে গেলাম... ১১ নাম্বারে ম্যাকানিক এর কমেন্ট আর রিপ্লাইয়ে একমত... আমার পরিবারেরও যারা যারা সিভিলিয়ান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন কিংবা আছেন তাদের প্রায় সবাইকে শেষ বয়সে এসে গর্বের থেকে আফসোসটাই বেশী করতে দেখেছি... অনেক কষ্ট লাগে এইসব দেখলে... পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম...
লেখক বলেছেন:
রোহানের বাড়ি কি খুলনা?!
আমার বাবা নয় শুধু, এই যুদ্ধ নিয়ে যারা একটু গভীরে ভাবেন তাদের আশাভঙ্গের ব্যাথ্যাটাও বেশি।
আজ সম্ভবত পরের পর্বটা দিতে পারব না। বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড নিয়ে কাগজের লেখা রেডি করতে হবে।
আতিকুল হক বলেছেন:
আগ্রহ নিয়ে পড়ছি। মর্মস্পর্শী সিরিজটার জন্য ধন্যবাদ। বই আকারে আসুক এই কামনা করছি।@হোরাস-
আর্মি-ইপিআররা সিভিলিয়ান ফোর্স বলতো এইটাতে কিন্তু অবজ্ঞার কিছু নাই। মুক্তিবাহিনী হচ্ছে সাধারন মানুষ, ইপিআর, আর্মি আর যা আছে সবাইকে নিয়ে। আর্মির কাছে সিভিলিয়ান ফোর্স একটা টার্ম ছাড়া ভিন্ন কিছু না।
আর একটা কথা, জানি অনেকেই একমত হবেন না। কিন্তু বীরশ্রেষ্ঠ, বীরপ্রতীক বা এইসব পদক কিন্তু বাংলাদেশের সামরিক পদক। এটা কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সামরিক বাহিনীর সদস্যদেরই পাওয়ার কথা। সব দেশেরই এমন পদক আছে যা সামরিক বাহিনীর জন্য সংরক্ষিত।
তবে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা নিয়ে যেটা হয়েছে এটা অবশ্যই আমাদের জন্য লজ্জাজনক। আমি মনে করি রাজাকারের তালিকা হওয়াটা আরো বেশি জরুরী ছিল।
লেখক বলেছেন:
একমত হব না কেন? কিন্তু বীরশ্রেষ্ঠ, বীরপ্রতীক বা এইসব পদক বাংলাদেশের সামরিক পদক। এটা সামরিক বাহিনীর সদস্যদেরই পাওয়ার কথা। সব দেশেরই এমন পদক আছে যা সামরিক বাহিনীর জন্য সংরক্ষিত। আবার সেই সব দেশে সাধারণ মানুষদের যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয় (সাধারণের অংশগ্রহন ছাড়া যুদ্ধ তো মুক্তিযুদ্ধই নয়, সেটা কনভেনশনাল ওয়্যার) তাদের জন্যও খেতাব আর সন্মানের ব্যবস্থা থাকে, যেমন ভারতের পদ্মভূষণ, পদ্মমিভূষন, পদ্মচক্র যে কেউ পেতে পারে, পেয়েছেনও।
আমাদের দেশে সামরিক বাহিনীকে সংরক্ষিত পদক দিয়ে বরং সাধারণের সাথে সামরিক বাহিনীকে পৃথক করে দেওয়া হয়েছে। বীরত্বসূচক খেতাবগুলোর প্রায় সবই তারা পাওয়ায় এই প্রজন্মের কাছে মোটাদাগে মনে হতেই পারে যে একাত্তরে বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধ কেবল সামরিক বাহিনীই করেছে!
এই ডিভাইডেশন অব অনার আমাদের সামনে অনেক বড় পার্থক্যরেখা টেনে মোটাদাগে মুক্তিযুদ্ধের বেনিফিশিয়ারীদের দুইটি ভাগে বিভক্ত করেছে।
ধন্যবাদ।http://www.somewhereinblog.net/blog/akidaruna/28945578
Click This Link
লেখক বলেছেন:
নিশ্চই। লিখুন। আজকের নতুন প্রজন্মের যারা সে সব ইতিহাস ভাসা ভাসা শুনে পুরোটা হৃদয়াঙ্গম করতে পারেনা তাদের জন্যও তো লেখা দরকার।
আপনার একটি লিঙ্ক আসেনি। আর একটিতে মন্তব্য দিয়ে এসেছি। চমৎকার বিবরণ।
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:
পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম......
লেখক বলেছেন:
শুভকামনা নাজমুল।
ত্রিশোনকু বলেছেন:
ডেটোনেটরের পর্ব পড়ে হাসি চাপতে পারলামনা। খুব ভাল লাগছে।
লেখক বলেছেন:
এখনকার প্রেক্ষাপটে হাসি আসারই কথা, কিন্তু তখন হাসি দূরের কথা ভয়ে আমার ঠোঁটের আগায় জান চলে এসেছিল!
আবার আমি কি বীর পুঙ্গব দেখলেন না! এলএমজি ফায়ার করে বীরত্ব দেখালাম, কিন্তু বাস্তবে যেয়ে এসএলআর এর গুলিই বেরুল না! আবার সেটা হারিয়েও ফেললাম।
নাজমুস বলেছেন:
কিংবদন্তির মত লাগে। আপনাকে একবার দেখতে ইচ্ছে করে।
লেখক বলেছেন:
দেখা হতেই পারে। তুমি কি ঢাকায় থাকো?
তাহলে যে কোন দিনই দেখা হতে পারে।
পল্লী বাউল বলেছেন:
অসাধারন।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ দাদা।
শয়তান বলেছেন:
আতিকুল হক @ 15 December,1973 এর তৈরি হওয়া গেজেটে এই পুরষ্কার ফাইনাল করা হৈসিল । যুদ্ধ হৈসে 1971 এ । অতএব ধৈরাই নেওয়া যায় যা করা হৈছিল তা ইচ্ছা করেই করছে তৎকালিন সরকার এবং সামরিক বাহীনি ।
আমার চোখে যা কেবলই ক্ষুদ্রতার পরিচয় লাগছে ।
লেখক বলেছেন:
নিঃসন্দেহে ক্ষুদ্রতা। এই রাষ্ট্র এই দায় এড়াতে পারে না।
নির্ঝরিনী বলেছেন:
ডেটোনেটরের ব্যাপারটায় বেশ ভয় পেয়েছিলেন মনে হয়....যাক!! তবুও অল্পের উপর দিয়ে বেঁচে গিয়েছিলেন...সেই ছোট্টবেলাতেই আপনার জীবনে কত শত ঘটনা...সিনেমা, নাটককেও হার মানিয়ে দেয়া...
লেখক বলেছেন:
শুধু ভয়! আমি একেবারে হতভম্ব হয়ে গেছিলাম! মুখ দিয়ে কথা সরছিল না! কেবল মনে হচ্ছিল- একি করলাম! যদি বোনরা পাশে থাকত তাহলে কি হতো?
জীবনটাই মনে হয় এমন! কণ্টকাকীর্ণ। কোনদিনও তো কসুমের দেখা পেলাম না।
মনজুরুল হক বলেছেন:
অপারগতাঃ
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস নিয়ে কাগজের দু'টো লেখা লিখতে হলো। এই এখন রাত তিনটায় লেখা শেষ করলাম। আজ আর এই সিরিজের ১১ তম পর্ব লিখতে পারলাম না। যারা নিয়মিত সিরিজটি পড়তে আসছেন তাদের সবার কাছে মার্জনা চাইছি।
আগামীকাল ১১ তম পর্ব নিয়েই হাজির হব।
লেখক বলেছেন:
ফাঁকি না রে ভাই ! ভেবেছিলাম বিকাল থেকেই কাগজের লেখা শেষ করেই রাত দশটায় যথাসময়ে সিরিজে হাত দেব, কিন্তু সন্ধ্যায়ই ফোন আসল আর এক জায়গা থেকে, সেটাও আজ রাতের মধ্যে দিতে হবে!
তারপর টানা পাঁচ ঘন্টা! রাত তিনটায় দুইটা লেখা শেষ করার পর মনে হলো আঙ্গুল আর চলে না!
আতিকুল হক বলেছেন:
আপনার সাথে একমত। এমন পুরষ্কার থাকা এবং দেয়া উচিত ছিল। আমাদের একুশে পদক, স্বাধীনতা পদক আছে। স্বাধীনতা দিবস পদকের অধিকার একজন মুক্তিযোদ্ধার চেয়ে বেশি কার আছে। এই পদক সবাইকে দেয়া যেত না এমন তো না। সাধারন মানুষ যারা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল তাদের সম্মানিত করার একটা উপায় এটা হতে পারত। এইটা ক্ষুদ্রতা মানি।৭৩-৭৪ এ সেনাবাহিনী কারা চালাতো এই নিয়ে আমার বেশ কৌতুহল আছে। আত্মসমর্পণ বা যুদ্ধবন্দি থাকা সৈনিকের চাকরি থাকে না - এটা বহু পুরাতন নিয়ম। আমি যতদূর জানি, সামরিক বাহিনীতে যারা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন তারা ফেরত আসাদের পূনর্বহালে আগ্রহী ছিলেন না। কিন্তু বঙ্গবন্ধু সরকার এই ডিসিশনটা কেন নিল এইটা জানার ইচ্ছে আছে। কেউ জানলে যদি বলেন খুব ভালো হয়।
লেখক বলেছেন:
নিচে ম্যাকানিক এই পশ্নের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আপনি আপনার মত করে বলেছেন। আসলে এই বিষয়টা আমরা একটু বাইরে থেকে দেখছি। ভেতরে ঠিক কি কি ঘটেছিল সেটা আমরা কেউ জানিনা। কিন্তু হাজার বছরের যে নিয়ম-রি-প্যাট্রিওটিক গ্রুপ নিয়ে সেটা কেন ভাঙ্গা হল তারও কিছু সুনিদৃষ্ট কারণ আছে। আমি শুধু এখানে একটি উপমা টানবঃ
৭২ বা ৭৩ সালে আমার ঠিক মনে নেই ফিদেল ক্যাস্ট্রো বাংলাদেশে এসে বঙ্গবন্ধুকে একটি বিষয়েই পরামর্শ দিয়েছিলেন- "আপনি কাদের নিয়ে সিভিল সার্ভিস সাজাচ্ছেন"? সিভিল সাভিসের ক্ষেত্রে তিনি যে ভুল করেছিলেন, সেই একই ভুল হয়ত হয়েছিল সামরিক বাহিনীর ক্ষেত্রেও। তবে এটা মানতেই হবে একজন বেসামরিক নেতা বিশাল জনসমর্থনের ভারে স্বভাবতই আবেগাক্রান্ত ভুল করতেই পারেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কে বা কারা সেই "ভুলের" বেনিফিশিয়ারী হচ্ছে..........
ত্রিশোনকু বলেছেন:
এসে ঘুরে গেলাম, ১১তম পর্বের আশায়।
লেখক বলেছেন:
অপরগতা স্বীকার করেছি ভাই।
ম্যাকানিক বলেছেন:
@আতিকুল হক একদল বেসামরিক লোককে পুরা সামরিক প্রশিক্ষন দিয়ে যুদ্ধের ময়দানে পাঠাবেন সবার আগে অথচ পদক দেবার সময় আসলে বলবেন জনমানুষের/সিভিলিয়ান ফোর্স এটা কি একটু অন্যরকম মনে হচ্ছে না আপনার কাছে?
আর পাকিস্তানে আটকে পড়া বাংলাদেশি সৈনিকদের আই এস আই শুরু থেকেই নজরদারীর মধ্যে রেখেছিল তারা কেউ ই সেচ্ছায় আত্মসমর্পন করে নি অথবা যুদ্ধ করা অবস্থায়ও কাউকে বন্দি করা হয় নি যে তাদের যুদ্ধবন্দি বলবেন।
তাদেরকে একটা কনফিউশনের মধ্যে রেখে বন্দি করে সোজা লায়লপুর জেলে পাঠানো হয়েছিলো।
আর এতগুলো সামরিক প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত লোক সেই সময়ের বাংলাদেশে এসে কোনো কাজ না পেয়ে হয় মেজর জলিলের সাথে যোগ দিতো নয়তো নিজেরাই ডাকাতি বা অন্যধরনের অপরাধে লিপ্ত হতো।
আবার সদ্য স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনির ও দেশের অখন্ডতা রক্ষার জন্য প্রশিক্ষিত লোকবল এর দরকার ছিলো।
সব দিক বিবেচনা করে মানবিক কারনে তাদেরকে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দেয়া হয়েছিলো।
এতে মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক বা অফিসারদের মধ্যে কোনো ২য়মত ছিলো না থাকলে সেই সময়ের সরকার অন্যভাবে চিন্তা করতেন।
এই পর্যন্ত কাহিনি ঠিকই ছিলো কিন্তু প্যাচ লাগছে পাকিস্তান প্রত্যাগতদের দুই বছরের সিনিয়রিটি প্রদান নিয়ে।
কারন যুদ্ধের নয় মাস পাকিস্তানে বসে অনেকেই বাংলাদেশের বিপক্ষে কথা বলছেন কারা কারা পালিয়ে যাবার পরিকল্পনা করছেন তাদের নাম যায়গামত বলে দিয়েছেন পাকিদের কাছ থেকে নানারকম সুবিধা নিয়েছেন কিন্তু যেহেতু পাকিরা বাংলাদেশীদের গাদ্দার এর রক্ত বলে মনে করত আর তার উপরে নগদের উপরে পরাজিত সেই কারনে সেইসকল খাস চামচা দেরও ধরে ধরে পাঠিয়ে দিয়েছিলো আর বাংলাদেশে এসে সেই বাংলাদেশ বিরোধি বক্তব্য দেয়া অফিসার রা যখন দুই বছরের সিনিয়রিটি নিয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহন করা বা বাংলাদেশ এর পক্ষে কথা বলার জন্য অমানুষিক নির্যাতনের সম্মুখিন হওয়া জেসিও বা সৈনিকদের উপর ছড়ি ঘোড়াতে আসে তখনই বাধে সংঘর্ষ।
লেখক বলেছেন:
"যুদ্ধের নয় মাস পাকিস্তানে বসে অনেকেই বাংলাদেশের বিপক্ষে কথা বলছেন কারা কারা পালিয়ে যাবার পরিকল্পনা করছেন তাদের নাম যায়গামত বলে দিয়েছেন পাকিদের কাছ থেকে নানারকম সুবিধা নিয়েছেন কিন্তু যেহেতু পাকিরা বাংলাদেশীদের গাদ্দার এর রক্ত বলে মনে করত আর তার উপরে নগদের উপরে পরাজিত সেই কারনে সেইসকল খাস চামচা দেরও ধরে ধরে পাঠিয়ে দিয়েছিলো আর বাংলাদেশে এসে সেই বাংলাদেশ বিরোধি বক্তব্য দেয়া অফিসার রা যখন দুই বছরের সিনিয়রিটি নিয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহন করা বা বাংলাদেশ এর পক্ষে কথা বলার জন্য অমানুষিক নির্যাতনের সম্মুখিন হওয়া জেসিও বা সৈনিকদের উপর ছড়ি ঘোড়াতে আসে তখনই বাধে সংঘর্ষ।"
এদেরকে আলাদা ভাবে চিহ্নিত করা গেলে অনেক বিপদ এড়ানো যেত। এটা যে পরের কোন সরকার পারতেন না তেমন নয়, কিন্তু তারাতো সেটা চাইতেনই না!
গুছিয়ে অনেক ভাল বলেছেন ম্যাকানিক।
Click This Link
Click This Link -- ভাইয়া এই পোস্ট দুটি পড়ুন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
নিশ্চই। একটু পরই গিয়ে আপনার পোস্ট পড়ে আসব।
ভাল থাকুন।
আতিকুল হক বলেছেন:
@ম্যাকানিক-পদক দেয়াতে সমস্যা নাই - বরং দেওয়াই উচিত। কিন্তু সামরিক বাহিনীর জন্য আলাদা পদক থাকাটাই স্বাভাবিক। আগে পাঠানো বা পরে পাঠানো রণকৌশলগত ব্যপার হতে পারে। এইটা আপনি আমি এখানে বসে বিচার করতে যাওয়াটা ভুল হবার সম্ভাবনাই বেশি। একটা ব্যক্ষা হতে পারে - মনজুর ভাইয়ের লেখাতেই দেখুন বলা হয়েছিল একটা অস্ত্র একজন যোদ্ধার সমান। কিন্তু মানুষের সেফটি সবসময়ই সবার আগে। তখন অস্ত্রের অপ্রতুলতা ছিল বলেই এই কথা। বাংলাদেশের তখন ট্রেইনড আর্মি অফিসার বা জওয়ান খুব বেশি ছিল না। তাদের জন্য যুদ্ধ পরিচালনাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সঠিক কারন কি ছিল আমি জানিনা, কিন্তু এটা একটা ব্যক্ষা হতে পারে।
সামরিক বাহিনী মানবতা দেখানোর বা পূনর্বাসনের জায়গা না। তাদের পূনর্বাসিত করতে হলে সরকার অন্য জায়গায় করতে পারত - সামরিক বাহিনীতে করা ছিল হাজার বছরের শিক্ষার পরিপন্হী এবং বড় ভুল। ৭৪ পরবর্তী ইতিহাস প্রমান করে এইটা কত বড় ভুল ছিল। এরশাদ এই গ্রুপেরই প্রোডাক্ট।
শয়তান বলেছেন:
৭৪ পরবর্তী ইতিহাস প্রমান করে এইটা কত বড় ভুল ছিল। এরশাদ এই গ্রুপেরই প্রোডাক্ট। --
একমত ।মুজিব সরকারের ভুলের বেশ কড়া মাশুল গুনতে হয়েছে দেশবাসিকে এই স্বৈরাচারী বিশ্ববেহায়াটাকে নয় বছর সিন্দাবাদের দৈত্যের মত মাথায় রাখতে রাখতে ।
লেখক বলেছেন:
ভিয়েতনামে এই সমস্যার সময় তারা কি করেছিল সেটা ত্রিশোনকুর জানা আছে খুব ভাল করে। তার কাছে এই সংক্রান্ত অনেক লিঙ্কও আছে। তাকে অনুরোধ করব সে সব একটু শেয়ার করেন যেন।
লেখক বলেছেন:
সেটা আপনার উপস্থিতিই বলে দিচ্ছে। ভাল থাকুন যীশু।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
ব্লগে আসি না অনেকদিন, তাই মিস করে গেছি সিরিজটা, একদম শুরু থেকে ধরলাম
লেখক বলেছেন:
এত দিন পরে আপনি আসলেন!? যাক এসেছেন তবুও।
কোন পারিবারিক সমস্যা ছিল?( কিছুটা ব্যক্তিগত হয়ে গেল)।
শয়তান বলেছেন:
কয়েকদিন আগে পেপারে একটা আর্টিকেল পড়েছিলাম । বাংলাপিডিয়ায় রেফারেন্স টেবিল ছিল ওটায়া । রেগুলার ফোর্স কত ছিল আর সিভিল ফোর্স কত ছিল যুদ্ধে। আমাদেরটা মিত্রপক্ষ সহ। ক্ষয়ক্ষতিরও ডাটা ছিল দেয়া । অবাক হয়ছিলাম রেগুলার বনাম সিভিল মৃতের পরিমানের সাথে পদক প্রাপ্যতার অনুপাত দেখে । শ্রেফ জোচ্চুরী লেগেছে আমার কাছে ।
লেখক বলেছেন:
প্রাপ্যতা, সংখ্যা, ফিগারগুলো যদি একটু জানাতেন....
এই নির্মম সত্য প্রকাশ্যে আসা দরকার। দয়া করে শেয়ার করুন @ শয়তান।
শয়তান বলেছেন:
৩০ নং কমেন্টটা পড়ার পর থেকে আমিও অনুভব করেছি ঐ পরিসংখ্যানটা ব্লগে প্রকাশ করা উচিৎ । পরে ভাবলাম এই সিরিজের সাথে ঐ আলোচনা কি মানাবে? মুলত ঐ কুন্ঠাবোধ থেকে আর অগ্রসর হৈনি বাংলাপিডিয়ায় খোঁজার । এখন আপনি যখন আগ্রহবোধ করছেন অবশ্যই দিয়ে যাব । বাংলাপিডিয়ায় খুঁজে না পাই পেপার স্ক্যান করে দিয়ে যাব ।
লেখক বলেছেন:
যদি মনে করেন এখানে দিলে এই সিরিজের প্রবাহ বিঘ্নিত হতে পারে তাহলে না হয় দু'দিন দেরি করে দিন, অথবা মেইল করুন।
মুনশিয়ানা বলেছেন:
লড়াকু কিশোর যোদ্ধা তার বিপ্লবী হয়ে ওঠার হাতে খড়ি পেয়ে গেল...অকস্মাৎ তার সামনে খুলে যায় আর এক নতুন দরোজা....
লেখক বলেছেন:
ঠিক তাই। আমার আলাভোলা ন্যাকা ন্যাকা শৈশব হারিয়েছি ঠিকই, জীবনের কঠোর বাস্তবতা আমাকে ব্যথায় নীল করেছে ঠিকই, কিন্তু তার বদলে যা পেয়েছি তা নিঃসন্দেহে অমূল্য। জীবনের সাথে সমতালে ঘাত-প্রতিঘাতে জীবনকে চিনতে শেখা।
অনেক ধন্যবাদ মুনশিয়ানা।
ম্যাকানিক বলেছেন:
সামরিক বাহিনী মানবতা দেখানোর বা পূনর্বাসনের জায়গা না। তাদের পূনর্বাসিত করতে হলে সরকার অন্য জায়গায় করতে পারত - সামরিক বাহিনীতে করা ছিল হাজার বছরের শিক্ষার পরিপন্হী এবং বড় ভুল। ৭৪ পরবর্তী ইতিহাস প্রমান করে এইটা কত বড় ভুল ছিল। এরশাদ এই গ্রুপেরই প্রোডাক্ট। ৭২ এ যখন পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশী জওয়ান ও অফিসাররা ফিরে আসেন তাদের সবাইকেই বাড়ীতে পাঠিয়ে দিয়েছিলো।
কিন্তু সেই সময়ের পাকিস্তানিদের ফিরে আসার হুমকি আর ভারতীয় সেনাবাহিনীর বাংলাদেশ না ছাড়ার টাল বাহানা এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ফ্রম দ্যা স্ক্রাচ বানানোর লোকবলের অভাব সব মিলিয়ে সেই সময়ের সরকার বাধ্য হয়েছিলেন পাকিস্তান প্রত্যাগতদের ডাকতে আর এই নিয়ে কারোর কোনো মতাভেদ ছিলো না।
মতভেদ হয়েছে এরশাদ এর মত লোকদের সিনিয়রিটি দেয়া নিয়ে একজন এরশাদ রাস্ট্রপ্রধান হয়েছে বলে তাকে সবাই চেনেন কিন্তু সেই সময় পাকিস্তান প্রত্যাগতদের মাঝে বাংলাদেশের পক্ষে লড়াই করার মানসিকতাসম্পন্ন লোক যেমন ছিলো তেমনই অনেক এরশাদ ছিলো যারা বাংলাদেশে এসেও পাকিস্তান কেনো ভাংলো সেই দুক্ষ ভুলতে পারেন নি আর তাদেরকে ব্যাবহার করেই একজন এরশাদ ক্ষমতায় উঠতে পেরেছেন।
মঞ্জু ভাই যেমনটা বলেছেন
এদেরকে আলাদা ভাবে চিহ্নিত করা গেলে অনেক বিপদ এড়ানো যেত। এটা যে পরের কোন সরকার পারতেন না তেমন নয়, কিন্তু তারাতো সেটা চাইতেনই না!
সেটাই
কিন্তু চিহ্নিত করবে কে সবাই তখন আরেকটা প্রমোশন , এই দিকে একটু সুবিধা , ওইদিকে আরেকটু এই কাজে ব্যাস্ত।
আর মুক্তিযোদ্ধা জওয়ান অফিসাররা সেই সময় এক ছিলেন না তারা নিজেরা ও নানা গ্রুপে বিভক্ত ছিলেন।
লেখক বলেছেন:
এই ব্যাপারটা আসলে অনেক বড় পরিসরে আলোচনার দাবি রাখে।
আমাদের সমস্যা হলো আমরা কোন কিছু আরোপ করে দিতে পারাকেই গুরুত্বপূর্ণ মনে করি, কিন্তু কোন পরিপ্রেক্ষিতে কাজটা হলো সেটা খুঁজতে চাই না, বা সেই সময়কার বিষয় চিন্তায় নিয়ে সিদ্ধান্ত টানি না। এ কারণে ৭২ এ বা ৭৪ এ যে ঘটনাবলি সেই সময়কার প্রেক্ষাপটে "ন্যায়" মনে হয়েছে, আজ এতটা বছর পরে তা-ই "অন্যায়" মনে হচ্ছে।
ইতিহাসের নিয়ম হলো সে নির্মাণের সময় পক্ষ-বিপক্ষ, ন্যায়-অন্যায় বিবেচনায় আনে না। অথচ আলোচিত হওয়ার সময় এই সকল অনুঘটক বা উপাদান স্টেপ বাই স্টেপ চলে আসে।
আমার কাছে যুদ্ধপরবর্তী ঘটনাবলিকে এভাবেই প্রতিভাত হয়েছে।
এ নিয়ে পরে কোন একটি পোস্টে আলোচনা তোলার কথা মাথায় রইল।
শয়তান বলেছেন:
কথামতন পেপারে পড়া যুদ্ধকালীন সময়ে সামরিকপক্ষগুলির শ ক্তি ম ত্তা এবং ক্ষয়ক্ষতির তুলনামুলক চিত্রটি দিয়ে গেলাম
টেক্সট আকারে দেখতেঃ ক্লিক করুন
পাঠকদের কাছে একটা অনুরোধঃ লিংকে গেলে Mozammal Haq নামে একটা নব্য ড়াজাকারকে ম্যাৎকার করতে দেখবেন । তাকে তার প্রাপ্য বুঝিয়ে দিয়ে আসতে ভুল করবেন্না যেন
মনজুভাই যুদ্ধকালীন আরো কিছু ছবি মেইল এ পাঠালাম । আপনি যুদ্ধকালীন সময়ের আরো কিছু পরিসংখ্যান পেতে পারেন মিরাজ ব্লগ থেকে
লেখক বলেছেন:
মেইল পেয়েছি।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। খুবই দরকারী কিছু তথ্য আর ছবি দিলেন। কৃতজ্ঞতা রইল।
ত্রিশোনকু বলেছেন:
মন্জুর,আপনাকে ধন্যবাদ ভিয়েতনাম সম্পর্কে লেখার জন্য আমাকে অনুরোধ করায়। আসলে ভিয়েতনামের '৭৫এর পর যুদ্ধ পরবর্তী অবস্থা সম্পর্কে আমার তেমন কোন ধারনা নেই।
লেখক বলেছেন:
আচ্ছা বুঝলাম। তবে যে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে তাতে আপনার বিশাল জানাশোনা আছে। চুপ করে না থেকে কিছু বলুন, এই প্রজন্ম অনেক হিডেন ট্রুথ জানুক।
ধন্যবাদ বন্ধু। ভাল থাকুন।
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
ম্যাকানিক বলেছেন: সামরিক বাহিনী মানবতা দেখানোর বা পূনর্বাসনের জায়গা না। তাদের পূনর্বাসিত করতে হলে সরকার অন্য জায়গায় করতে পারত - সামরিক বাহিনীতে করা ছিল হাজার বছরের শিক্ষার পরিপন্হী এবং বড় ভুল। ৭৪ পরবর্তী ইতিহাস প্রমান করে এইটা কত বড় ভুল ছিল। এরশাদ এই গ্রুপেরই প্রোডাক্ট।সম্ভবত বাংলাদেশই একমাত্র দেশ যারা যুদ্ধ ফেরত সামরিক কর্মকর্তাদের আবার চাকরীতে নিয়েছে।
আর তার খেসারত আমার সারাজীবন ধরে দিয়ে এসেছি।
এরশাদ শুধু ঐ গ্রুপের প্রোডাক্টই ছিল না - পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্মরত যেসব বাংগালী মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের বিচারের জন্য গঠিত কমিটি'র প্রধান।
এই ডিভাইডেশন অব অনার আমাদের সামনে অনেক বড় পার্থক্যরেখা টেনে মোটাদাগে মুক্তিযুদ্ধের বেনিফিশিয়ারীদের দুইটি ভাগে বিভক্ত করেছে।
- একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন। অথচ আমাদের মুক্তিযুদ্ধটা করেছেন কিন্তু সাধারন মানুষই।
লেখক বলেছেন:
এইক্ষেত্রে সেই সাধারণ মানুষের সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। সে সিপাহী যুদ্ধ পরবর্তীকালে অবসর নিয়েছেন, তিনিও ভাতা, রেশন, পেনসন পেয়েছেন। কই, তাকে তো শত শত সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের মত ভিক্ষে করতে হয়নি!
অথচ পত্র পত্রিকা খুললেই চোখে পড়ে অমুক মুক্তিযোদ্ধা পেটের দায়ে ভিক্ষে করছেন! আমরা এ ধরণের খবর পড়তে পড়তে অভ্যস্থ হয়ে গেছি।
এই কষ্ট কিছুতেই ভোলা যাবে না। কোন দিনও না। একটা ছাপানো কাগজ, মাস গেলে ৫০০ টাকা আর বছরান্তে কিছু করুণা? এই হলো সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাপ্তি!
মনটা বিষিয়ে ওঠে। ঘেন্না হয়।
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
কি করবেন বলুন ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হয়ে এল পাকি সেনা,
আর ওদের থেকে মুক্ত হয়ে এল - ব্রিটিশ আর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আদলে গড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নাম ছাড়া আগেরগুলোর চেয়ে যাদের গুণগত কোন পার্থক্য দেখছি না।
স্বাধীন বাংলাদেশ হয়েছিল যে মূল ভিত্তি'র উপর, তার কোনটিই সেনাবাহিনী বা সরকারের মাঝে পরিলক্ষিত হয়নি।
দুঃখ টা এখানেই।
লেখক বলেছেন:
আর সে কারণেই স্বাধীনতার ৩৮ বছর পরেও মানুষ অনুভব করে সে আজো পরাধীন।
স্টাবলিশমেন্টের প্রধান তিন স্তম্ভ- নেতা-নেত্রী-মন্ত্রী, আমলা, সামরিক ব্যুরোক্র্যাসী, এদের আদলে এখনো পাকিস্তানী আবহ। এদের আচরণে আজো ব্রিটিশ গন্ধ! তাহলে মুক্ত কি করে ভাবি?
এখন আমাদের আত্মপরিচয় অনেকটা এমনঃ স্বাধীন দেশের পরাধীন নাগরিক!
রাগ ইমন বলেছেন:
কোথাও লিখেছিলাম মনে হয়, মুক্তিযুদ্ধের আগে ও পরে ব্লাডি সিভিলিয়ান , ব্লাডী সিভিলিয়ানই রয়ে গেছে । এইটা সত্যি যে যাদের মানুষ মারার ট্রেনিং দেওয়া হয় তাদের সাধারন মানুষ থেকে আলাদা রাখাই উচিত । কিন্তু তাই বলে সবচেয়ে বেশি সুবিধা দিয়ে নয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা এনেছে সাধারন মানুষ , ক্ষমতা নিয়েছে রাজনীতিক দল , আর ভোগ করেছে ( এখনো করে চলেছে) এন্টি পিপল প্রভু আর রাজাকার ।
লেখক বলেছেন:
একটা বিজ্ঞাপনের কথা মনে পড়ে.....
"আমি বৌমা আর টুনিটেক, আর কি চাই"!!
"রাজনৈতিক দল, উত্তরপাড়া, এলিট পিপল(মননে-শরীরে রাজাকার), আর কি চাই"
অপ্সরা বলেছেন:
ভাইয়া কেন জানিনা, খুব দেখতে ইচ্ছে করছে সেই ছোট্ট বেলায় তুমি কেমন ছিলে দেখতে।
লেখক বলেছেন:
১৯৬৪,৬৫ আর ৭৪ সালের ছবি আছে। আগামী কালই দিতে পারব। স্ক্যান করতে হবে।
সেই আমলের সাদাকালো ছবি। সবই ঝাপসা হয়ে গেছে।
লেখক বলেছেন:
অজানা ইতিহাস জানার গন্ডিতে মিলেছে...
লেখক বলেছেন:
এখনকার প্রেক্ষাপটে হাসি আসারই কথা, কিন্তু তখন হাসি দূরের কথা ভয়ে আমার ঠোঁটের আগায় জান চলে এসেছিল!
মেহবুবা বলেছেন:
পড়লাম ।
লেখক বলেছেন:
ভাল করেছেন, পুরোটা পড়ছেন.....
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















