চলন্ত বাসের জানালা দিয়ে এক পলক,
বহু....বহুদিন পর তোমায় দেখলাম।
ছুটন্ত মনটা থমকে দাড়াল খানিকখন,
তারপর হুস্ করে চলে গ্যাছো
আবার কোন আজানায়....
আমাকে রেখে গেলে রৌদ্রজ্জল এক বিকেলের তীরে।
সেই হাসি মুখ,
পিস্ রাস্তায় চিরচেনা গাছেদের মানচিত্রের
পাশে পাশে তোমার ছায়া।
দিনের পর দিনের কথারা
কলকাকলি হয়ে ফেরে যেখানে,
তোমার আমার পায়ের ছন্দে
হাতের গন্ধে
বাতাসের সাথে বৃক্ষপত্রের সম্পর্ক রচিত হয় যেখানে
সেখানে তুমি,
সেই তুমি
আজো হাস্যোজ্জল তোমাতে ঘনায়মান।
ফুটপাথ দিয়ে হাটছো,
কাধ থেকে নেমে গ্যাছে বুকের উপর
ব্যাগের বেল্ট ক্রস হয়ে
কানে মুঠোফোন।
কোকড়া ঘনকৃষ্ন চুল
বাতাসের সাথে কী এক খেলায় মেতেছে!
আর সান গ্লাসটা
বিকেলের শেষ আলোয়
একবার যখন ঝলকালো,
ছুটন্ত হৃদয়টা
আবার কেন দূরন্ত হল!
ভালোইতো ছিলাম ভুলে
শুধু বাইরে বেরোলে ভাললাগায় বুক কাপতো
কী বলবো দেখা হলে ভেবে ।
কে জানতো তোমার চলে যাওয়া
আমার চোখে শহরটাকে রংহীন করে দেবে!
কে জানতো তোমাকে নিয়ে ধাবমান বিমানটি
নিলাকাশটাকে ভরে দেবে নিমেষ কালো মেঘে!
কে জানতো তোমাকে আজ আকবো এভাবে কলমের তুলিতে।
ছুটন্ত মনটা আমার বহু....
বহু দিন বাদে থমকে দাড়াল
এক পলকে নিথর হল।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



