হাঁটি হাঁটি পা পা যা যা খা খা করতে করতে অজস্র চড়াই উতরাই পাহাড় পর্বত বাধা বিপত্তি পেরিয়ে বেড়িয়ে চতুর্থ বর্ষে পদার্পন করেই ফেললাম।
- (বিরাট কাম করছস, ফাজীল
ব্যাচেলর অব ব্লগিং (সম্মান) - এর শেষ বর্ষে পৌছে এক ধরণের অদ্ভুত আরাম বোধ করছি।
- (করতে থাক
সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন।
- (দোয়ায় কাম হইতো না, আগে তর নিয়ত ঠিক কর
আমিও দোয়া করি, সকলে ভালো থাকবেন, সুন্দর থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। সকলের জীবন সুখ-শান্তিতে ভরে উঠুক। দুঃখ আর কষ্টগুলো আনন্দ হয়ে উঠুক।
- (মন থেইকা কইছসতো? তরে বিশ্বাস নাই
আসেন এইবার হাসিমুখে একটা পিউর ছ্যাঁকা খাওয়া কবিতা পড়ি
হয়তো তুমি সুখে আছো
সুখী আলোর নিচে,
সুখের আকাশ পাইনি আজও
সে আশাও মিছে।
নতুন ভ্রমর হয়তো তোমায়
গান শুনিয়ে যায়,
ইচ্ছে আমার দূর নীলিমায়
পালাতে আজ চায়।
প্রেমের ফাগুন হয়তো তোমায়
তেমনি করে হাসায়,
নানা বর্ণের কান্নারও ঝড়
আমায় শুধু ভাসায়।
হয়তো তোমার বাগানে সেই
হাসনাহেনা ফোঁটে ?
এখনতো সেই ফুলের তোড়া
অন্য কারও জোটে।
তোমার মুখের হাসি হয়তো
এখনও তেমনি ঝরে,
হাসতে আমি ভুলে গেছি
নিজের ভেতরে মরে।
বুকটা আমার শুধু কাঁদে
কষ্ট ভেজা জলে,
দুঃখের সব সুখেরা এখন
কান্নায় টলমলে।
রাতের নিয়ন বাতিগুলো
তেমনি করে জ্বলে,
আঁধার শুধু আমায় খোঁজে
স্মৃতি ছায়ার তলে....
মুঠো মুঠো যন্ত্রণার আগুনে পোড়া ভালোবাসার কয়লাগুলোকে বুকের সুগভীর তলায় নীরবে লালন করে চলেছে একাকী হৃদয়। জীবন নামের রেলগাড়ির সমস্ত চাকা জুড়ে রাক্ষসী বিচরণে চরম ব্যস্ত বিষাক্ত উই পোকার দল। টলটলে পূর্ণিমাকে আস্ত গিলে নিরিবিলি ঘুমিয়ে পড়ছে ভয়ংকর শকুন।
প্রৌঢ়ত্বের পিছু পিছু দূর হতে ভেসে আসছে একঝাঁক সুসজ্জিত অশ্রুর দল।
মেঘলা দুপুরে আবছা আলোর ফুলকি নিভু নিভু হয়ে ঝুঁকে পড়ছে শীতলক্ষ্যার জলে। হিংসুটে কালো মেঘেদের লোভে লক্ লক্ করা জিহ্বায় অনিশ্চিত প্রশ্নের উত্থান আর পতনে রোদেলা দুপুরের হঠাৎ মৃত্যু.........
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



