রাজনীতি বলতে আমি যা বুঝি তা হল রাজকীয় নীতি বা রাজার নীতি। রাজ্য বা ক্ষমতাকে লালন, ব্যবহার ও যথাযথ প্রয়োগ কারার পদ্ধতি।
মানুষের জীবন অনেকগুলো উপাদানের সাথে যুক্ত তাই তার জীবনে কিছু নীতি, উপাদান অতি প্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়ায়। যেমন অর্থনীতি, রাজনীতি, সমাজনীতি, সংস্কৃতি ইত্যাদি। সব কিছু মিলিয়েই জীবন। ধর্ম যেহেতু মানুষের জীবনকে পরিপূর্নরুপে ও সফলভাবে চালাতে দিকনির্দেশনা দেয় তাই সব ক্ষেত্রেই ধর্মের কিছু অবদান বা সংশ্লিষ্টতা থাকাটাই যুক্তিসংগত ।
কিছু মানুষ বুঝে বা না বুঝে এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। তারা বলেন, ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নাকি কাম্য নয়। ধর্ম অতি পবিত্র একটি জিনিস এর মধ্যে রাজনীতিকে জড়ানো ঠিক নয় বা রাজনীতিতে ধর্ম এর সংশ্লিষ্টতার কোন মানে হয় না । কিন্তু তারা কি ভেবে দেখেন এটি আসলে তাদের নিজেদের কথাকেই দূর্বল করে দেয় আর তাদের চিন্তা বুদ্ধির স্বল্পতা অথবা তাদের মনের ভিতর লুকায়িত কুবুদ্ধিকে ফাস করে দেয়? ধর্ম অতি পবিত্র একটি জিনিস আর যেহেতু তারা এই পবিত্র জিনিসকে রাজনীতির সাথে মিশতে দিতে চাচ্ছেন না তাই তারা কি তাহলে অপবিত্রতার মধ্যে আছেন? পবিত্র হতে চান না ?
আগেই বলেছি ধর্ম মানুষকে নীতি নৈতিকতা শিক্ষা দেয়। ধার্মীক মানুষ সাধারনত সৎ বিবেকবান হয়। ধর্মকে রাজনীতি হতে পৃথক করা হলে তা নীতি নৈতিকতার লালনকে বাধাগ্রস্ত করে। যারা নীতি নৈতিকতার ধার ধারে না তারা চায় ঐসব ভালো মানুষদেরকে এই স্থান হতে কৌশলে বিদায় করে দিয়ে ফাকা মাঠে গোল দিতে!!! কি অসাধারন তাদের চিন্তা ভাবনা!!!
তাই শেষ কথা বলতে চাই ধর্ম সব বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট। তাকে আলাদা করার কোন উপায় নেই আর আলাদা করা কাম্যও নয়। যারা বুঝে বা না বুঝে একে আলাদা করার চিন্তা, চেষ্টা ও সমর্থন করছেন তাদের আর একটু ভাবতে বলব এবং যদি তারা নিজেদের কু উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য এটা করে থাকেন তাহলে তাদের ঐ কাজ করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিব
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১১:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




