উপোরোক্ত উক্তিটি করেছেন জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান।তিনি বলেন ; অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত এর ভাষায় আমাদের মত "বোকা" দের জিজ্ঞাসা তিনি কোন দেশের মাল ? বাংলাদেশের না হিন্দুস্থানের?।
ভারতকে ট্রানজিট দিয়ে বাংলাদেশের কী পরিমাণ আয় হবে, সে সম্পর্কে সরকারের কোনো জরিপ বা সরকারের কাছে কোনো তথ্য নেই। বেসরকারি কিছু প্রতিষ্ঠান কিছু জরিপ করেছে। দেশের বর্তমান কাস্টমস আইনের ১২৫ ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে পণ্য পরিবহনে টনপ্রতি এক হাজার টাকা আদায় ও প্রতি ২০ ফুট কনটেইনারের জন্য ১০ হাজার টাকা আদায়ের কথা। সেই আইনের ধারা ট্রানজিটসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক নজির আমলে নিয়ে পরিবর্তন করা হবে।
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) সম্প্রতি সমীক্ষা করে বলেছে, ট্রানজিট থেকে লাভবান হতে হলে বাংলাদেশকে ১১৭ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে হবে। বাংলাদেশকে এই অর্থ বিনিয়োগ করতে হলে তা তুলেও আনতে হবে। আর এ বিনিয়োগের সাথে সমন্বয় করে মাশুলের হার নির্ধারণ না করলে বাংলাদেশ লাভবান হতে পারবে না। এডিবি’র সমীক্ষা অনুযায়ী, ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্ট চালুর প্রথম বছরেই আয় হবে না। শুরুতে প্রতি বছর ফি থেকে আয় হতে পারে পাঁচ কোটি ডলার বা ৩৫০ কোটি টাকা। পাঁচ বছরের মধ্যে যদি পণ্য পরিবহনের উপযুক্ত অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়, তাহলে পরবর্তী বছরগুলোতে আয় হবে ৫০ কোটি ডলার বা তিন হাজার ৫০০ কোটি টাকা। আর দীর্ঘমেয়াদে এই আয় বেড়ে দাঁড়াবে ১০০ কোটি ডলার বা প্রায় সাত হাজার কোটি টাকায়। সেটাও এক ধরনের টোপ কি না কিংবা উন্নয়ন কর্মসূচির অন্যান্য অগ্রাধিকার উপেক্ষা করে এমন ব্যয়সাধ্য দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ পুঁজিবুভুক্ষু বাংলাদেশের জন্য সঙ্গত হবে কি না, সে কথা গভীরভাবে ভেবে দেখা প্রয়োজন।
অর্থমন্ত্রী আমাদের বোকা বোঝাচ্ছেন, যারা ট্রানজিটের বিরোধিতা করে তারাই বোকা; আইন-কানুন নীতিমালা ঠিকঠাক করার পর ট্রানজিটের জন্য ‘ফি বলেন আর যাই বলেন, কিছু একটা’ আদায় হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


