কৃষি খাতে সরকারের সাফল্য?
কৃষিনীতির হালনাগাদ খসড়া এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এদিকে কৃষি মন্ত্রণালয়কে আরো মনোযোগী হওয়া বাঞ্ছনীয়। কৃষি প্রযুক্তির সংখ্যা অনেক। এর বেশির ভাগ উচ্চ ফলনশীল (উফশী) বীজ। অথচ সমীক্ষায় দেখা গেছে, অতি অল্পসংখ্যক বীজই কৃষকের কাছে গ্রহণযোগ্য। কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ নিঃসন্দেহে সময়সাপেক্ষ। তবে সম্প্রসারণ কার্যক্রম দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করলে গতি বৃদ্ধি সম্ভব। প্রায় দেড় কোটি কৃষকের কাছে পৌঁছা সম্ভব নয়। এ জন্য ইতিমধ্যে গঠিত কৃষক সংগঠন, যেমন: আইপিএস/আইসিএম ক্লাবগুলোর দিকে অধিকতর দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। তাঁদের সদস্যরা সবাই কৃষক। তাঁদেরই সম্প্রসারণ কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব দিতে হবে। এ-সংক্রান্ত কিছু উদ্যোগ ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে। তবে তা যথেষ্ট নয়। যে বেসরকারি খাতকে উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে দাতা সংস্থাগুলো পরামর্শ দেয়, তারা ভুলে যায়, বেসরকারি খাতের বৃহত্তর অংশ কৃষক। কৃষি উপকরণ বিতরণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বেসরকারি খাতকেও কৃষি উন্নয়নে যথাযোগ্য ভূমিকা পালন করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন সরকারের সাহায্য-সহযোগিতা। সামাজিক দায়িত্ব পালনে কৃষি উপকরণসংক্রান্ত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অধিকতর দায়িত্বশীল হতে হবে। সরকারের দায়িত্ব হবে সহায়ক ভূমিকাসহ মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা। তবে এসব বেসরকারি খাত দায়িত্বশীল না হলে তারা সরকার ও কৃষকদের আস্থা অর্জনে সক্ষম হবে না।
কৃষি খাতের ভবিষ্যৎ সাফল্যের চিহ্নিত হুমকিগুলো যথাসম্ভব দূর করার উদ্যোগ নিতে হবে। এ-সংক্রান্ত কিছু কাজ সরকার ইতিমধ্যেই হাতে নিয়েছে। যেমন উপকূলীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন। অন্যদিকে কৃষিজমির পরিমাণ ক্রমাগত হ্রাস পাওয়ার ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ। এ ব্যাপারে ভূমি মন্ত্রণালয়ের কৃষিজমি সুরক্ষার জন্য একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগ শেষ পর্যায়ে। বর্তমান সরকারই ২০০১ সালে ভূমি ব্যবহার নীতি প্রণয়ন করে। এরপর ২০০৯ সাল পর্যন্ত এটা ফাইলবন্দি ছিল। তবে আইন করেই সমস্যার আশু সমাধান হবে না। মেগা প্রকল্পের ধারণা থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে। কারণ এসব প্রকল্পের ফলে বহু পরিমাণ কৃষিজমি ধ্বংস হয়ে যায়। অন্যদিকে রয়েছে অপরিকল্পিত নগরায়ণের হুমকি। এ কারণেও কৃষিজমি হ্রাস পায়। সুষ্ঠু ও পরিকল্পিত নগরায়ণে সচেষ্ট হলে কৃষিজমির হ্রাস অনেকাংশে রোধ করা যাবে। এ-সংক্রান্ত অন্য একটি হুমকি হলো, কৃষিজমির উর্বরতার সুরক্ষা এবং এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি নিরূপণের জন্য সরকারের ভূমিসম্পদ উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এই সংখ্যা দুর্বল। এর প্রতি সরকারের অবহেলাও এ সমস্যাকে ঘনীভূত করেছে। এই প্রতিষ্ঠানটিকে প্রয়োজনীয় জনবলসহ সম্পদের জোগান দিলে ভবিষ্যতের জন্য এরা এ ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালনে সক্ষম হবে। এ বিষয়টি মাত্রাতিরিক্ত সার প্রয়োগ রোধের জন্যও অত্যন্ত জরুরি। মাত্রাতিরিক্ত সার প্রয়োগ রোধ করা গেলে সরকারেরও এ-সংক্রান্ত ব্যয় হ্রাস পাবে।
তবে এক নজরে...
১. কৃষিখাতে ব্যাপক উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রায় ২০১১-১২ অর্থ বছরে কৃষি খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬ হাজার ৭৪২ কোটি টাকা আর ভর্তুকির হার ৪ হাজার ৫শ' কোটি টাকা।
২. দ্রব্যমূল্য অব্যাহত রাখতে ভিজিএফ, ভিজিডি ও টেস্ট রিলিফ ছাড়াও নানা গোষ্ঠীর জন্য রেশনিং এবং ও.এম.এস-এ বিক্রয়ও চালু করা হয়েছে।
৩. বিদ্যুৎ, কীটনাশক ও সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ যথাসময়ে করায় এবারে আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে।
৪. খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত কল্পে বর্তমানে দেশে প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য দ্রব্য মজুদ রয়েছে।
৫. দেশের উত্তরাঞ্চলের মঙ্গা দূরীকরণে সাফল্য শতভাগ অর্জনের পথে।
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন
শৃঙ্খল মুক্তি আমার
শৃঙ্খল মুক্তি আমার

ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।