somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভ্রমন - ১, ভুটান ভ্রমন - ১

২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

চাকরীতে ঢোকার পর ঘুরবো ঘুরবো করেই যাচ্ছি, কোন ঘোরা হচ্ছে না। খালি প্ল্যান করি যে প্ল্যান করে ঘুরবো, কিন্তু প্ল্যানের ডিটেইল বানাতে বানাতে আর একজিকিউট করা হয় না। ঈদের পর নিজের উপর মহা বিরক্ত হয়ে অফিসে ফেরত আসলাম। ঈদের ছুটিও বাসায় বসে বসে কাটিয়েছি, বুঝতেই পারছেন। এসে দেখি আরেক কলিগও এরকম ফ্রাস্ট্রেটেড ভাব নিয়ে বসে আছে। নিজেদের দোষকীর্তন করছিলাম, বলছিলাম আমাদের দিয়ে কিছুই হবে না ইত্যাদি; এসময় সাজেদ ভাইয়ের (পূ্র্বোক্ত কলিগ) মাথায় হঠাৎ বজ্রপাতের মত আইডিয়া স্ট্রাইক করলো, "ভুটান যাবা? কয়েক দিন আগে ড্রুকএয়ারের থেকে একটা বেশ ভাল অফার আসছিলো!"

ফাস্ট ফরওয়ার্ড ড্রুকএয়ারের প্লেনে। জীবনের প্রথম প্লেন জার্নি, বেশ উত্তেজিত। উঠেই ড্রুকএয়ারের ভুটান নিয়ে ম্যাগাজিন পড়ে শেষ। এরপর প্লেন উড়বে, গন্তব্য পারো, ভুটানের একমাত্র এয়ারপোর্ট, রাজধানী থিম্ফুর ৮০ কি.মি. এর মত দক্ষিনে। একটা রোলারকোস্টার অনুভূতি নাকি হওয়ার কথা, কিন্তু টের পেলাম না (আশার পথে ছোট রানওয়ের টেক অফে বেশ ভাল করে টের পেয়েছি)। প্রথম দিকে সেই উচুঁতে মিনিস্কেল ঢাকাকে দেখে বেশ ভাল লাগলো। একটু পরেই যদিও এত উঁচুতে উঠে গেলাম যে খালি মেঘ আর মেঘ! প্রথমে মেঘ নিয়ে বেশ এ্যানালাইসিস করলেও একটু পরে বিরক্ত হয়ে খেতে বসে গেলাম। কিছুক্ষন পর হঠাৎ তাকিয়ে দেখি মেঘ থেকে উঁকি দিচ্ছে কালচে-সবুজ কিছু পাহাড়ের চূড়া। তারপর আরো দেখতে থাকলাম বহু দূরে। পাইলট কনফার্ম করলেন যে ওগুলো কাঞ্চনজন্ঘা আর হিমালয়ান রেন্জ।

একটু পরে ঢুকে পড়লাম ভুটানে। পারোর ধারে কাছে এসে পাহাড় আর মেঘ আলাদা হয়ে গেল। প্লেন যেতে শুরু করলো উপত্যকার মাঝখান দিয়ে। পাখা যেন বিশাল উঁচু পাহাড়গুলো ছুঁয়ে গেল বলে! উত্তেজনা, টেনশন আর 'ভয়ংকর সুন্দর' প্রকৃতির এক অসাধারন মিক্স। কি অ্যাডভেঞ্চারই না হবে! সাজেদ ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে দেখি তারও চোখ স্পার্কল করছে।



এই পাহাড়গুলির ফাঁকে ফাঁকেই মানববসতি চোখে পড়ছে, আর বিখ্যাত পাহাড়ের কোলের মোনাস্টেরীগুলো। সবচেয়ে উঁচু যেটা, 'টাইগার'স প' মোনাস্টেরী, সেটা চোখে পড়লো মনে হয়, অনেক অনেক উঁচুতে, একদম শার্প একটা প্রিসিপাইস ধরে।



(অনেকদূর লেখার পর ছবি দিতে গিয়ে গেল লেখা হারিয়ে। এই পার্টটা গায়ের জোরে লিখেছি, পরে আরো ডিটেইল এ্যাড করার ইচ্ছা রইল।)
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৪
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×