somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মুম রহমান
শেষ পর্যন্ত লেখাটাই থাকে। টিভি, রেডিও, ওয়েবসাইট, চলচ্চিত্র, মঞ্চ, বিজ্ঞাপণ, ব্লগ - লেখার যতো মাধ্যম সবখানেই লিখতে হবে। পৃথিবী পাল্টে গেছে - এখন আমরা দুহাতের দশ আঙুলেই লিখি।

সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার : এশিয়া, রাশিয়া, লাতিন আমেরিকা বনাম ইউরোপের লেখক

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পাঠক, আপনার জ্ঞানের উপর পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই শুরুতে ছোট্ট একটা কুইজ দিচ্ছি; দেখুন তো এই নামগুলো পরিচিত লাগে কি-না - সেলমা লাগেরল্যাফ, কার্ল গুস-াভ ভেরনের ফন হাইডেনস্টাম, কার্ল ফ্রিদরিখ গেওর্গ স্পিত্তেলের, এরিক আক্সল কার্লফেলৎদ, পের ফাবিয়ান লাগেরকিস-, আইভিণ্ড জনসন, হ্যারি এডমুণ্ড মার্টিনসন। চিনতে পারছেন না?


যদি না-পারেন তাতে অবশ্য ক্ষতি নেই। আপনার ব্যক্তিগত জ্ঞানের সীমা পরিমাপের জন্য নয়, ইতিহাস ক’জনকে মনে রাখে তা আরেকটু ঝালাই করার আশাতেই এই নাম ক’টি উল্লেখ করা। এরা সবাই সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী সুইডিশ লেখক। এ কথা তো জানাই, সুইডিশ নাগরিক আলফ্রেড নোবেল তার ডিনামাইট ফাটানো টাকার বৃহদংশ দিয়ে তার নামে নোবেল পুরস্কারের উইল করে গিয়েছিলেন। সেই উইল অনুযায়ীই তার মৃত্যুর পাঁচ বছর পর ১৯০১ সালে নোবেল পুরস্কারের প্রণয়ন করা হয় হয়। নোবেল পুরস্কারের শতবর্ষের সীমানায় এসে এ পুরস্কারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন জাগে। কেননা, এই ১০০ বছরে তার স্বদেশে ৭টি পুরস্কার গেলেও সমগ্র এশিয়াতে ৭টি পুরস্কার আসেনি এবং তার চেয়েও বড় কথা তার দেশের যে সব লেখক পুরস্কার পেয়েছেন তার চেয়ে বহুমাত্রায় নামী-দামী [সর্বঅর্থেই] লেখকরা এ পুরস্কার থেকে বঞ্চিতই হয়েছেন।

টলস্টয়, দস-য়ভস্কি, মার্ক টোয়েন, লু স্যুন, ইবসেন, স্ট্রিণ্ডবার্গের মতো লেখকরা নোবেল পুরস্কার না-পেলে তাদের গৌরব কমে না, বরং নোবেল পুরস্কারেরই মানহানী হয়। শুরু থেকেই নিরপেক্ষতার প্রশ্নে স্বচ্ছতা দেখাতে পারেনি নোবেল কমিটি। নোবেল পুরস্কারের শুরু থেকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় প্রথম ৬০ বছরের পুরস্কারের মধ্যে ৩১টি পুরস্কার পেয়েছে স্ক্যাণ্ডিনেভীয় অর্থাৎ নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্কের লেখকরা, বাকী ২৮টি পুরস্কার গেছে ইউরোপ ও আমেরিকার লেখকদের কাছে। এরমধ্যে ব্যতিক্রম ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তি। এশিয়ার কোন লেখকের পক্ষে এই প্রথম নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তি। এরও ২০ বছর পরে [১৯৩৩ সালে] রাশিয়ার লেখক ইভান বুনিন নোবেল পুরস্কার পান। ১৯৪৫ সালে লাতিন আমেরিকায় প্রথম নোবেল পুরস্কার পান গ্যাব্রিয়েল মিস্ত্রাল। পরবর্তীতেও সাহিত্যে এশিয়া, রাশিয়া, ও লাতিন আমেরিকায় নোবেল পুরস্কারের হার অত্যন- কম। শুধু ইউরোপ একাই সাহিত্যক্ষেত্রে যতগুলো নোবেল পুরস্কার পেয়েছে সারা বিশ্বের লেখককুল সমবেতভাবেও তার অর্ধেক পুরস্কারও পায়নি। স্বদেশে এবং ইউরোপে এই পুরস্কার সীমাবদ্ধ রাখার আগ্রহ কখনো অতিমাত্রাতেই ছিলো। সুইডিশ লেখক এরিক আক্সল কার্লফেলৎদকে ১৯১৮ সালে নোবেল পুরস্কার দেয়ার কথা ঘোষণা করা হলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন, অথচ তার মৃত্যুর পর ১৯৩১ সালে তাকে এই পুরস্কারটি আবার কেন দেয়া হয়েছিলো তার উত্তর আজও কেউ জানে না।
বিস-ৃত আলোচনায় যাবার আগেই এ কথা বলে নেয়া ভালো, পৃথিবীর আর সব পুরস্কারের মতো নোবেল পুরস্কারও একটি পুরস্কারই, তার মূল্যমান যতো বেশিই হোক না-কেন সাহিত্যে বিচারে এ পুরস্কার একমাত্র নির্ভরযোগ্য মানদণ্ড নয়। নোবেল পুরস্কারের শতবর্ষের হুজুগে উল্লাসে তাবত বিশ্বের লেখকেদের সচেতনভাবেই মনে রাখা উচিত নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তি বিশ্বরাজনীতির বাইরের কোন ঘটনা নয়। এর সর্বোৎকৃষ্ট প্রমাণ রাশিয়ার সাহিত্য এবং নোবেল পুরস্কারের সঙ্গে তার সম্পর্ক। একদার অখন্ড রাশিয়া ইউরোপ-এশিয়া দুই মহাদেশেই সীমানা গেড়েছিলো। সমাজতান্ত্রিক এই বৃহৎশক্তি তার ক্রোড়ে বহু বিখ্যাত লেখকের জন্ম দিয়েছে। এক নিঃশ্বাসে আলেকজাণ্ডার পুশকিন থেকে শুরু করে শেখভ, তুর্গিনেভ, ম্যাক্মিম গোর্কি, টলস্টয়, দস-য়ভস্কি প্রমুখের নাম উচ্চারণ করা যায়। নিঃসন্দেহে কালের কষ্টিপাথরে এরা কালজয়ী লেখক হিসেবে টিকে আছেন, থাকবেনও ভাবা যায়। অথচ নোবেল পুরস্কার এদের কাউকে সম্মানিত করেনি। রাশিয়ার যে সব লেখক এ পুরস্কার পেয়েছেন কম বেশি তাদের সবাই রাজনৈতিক কারণেই এ পুরস্কার পেয়েছেন বলে ধারণা করা যায়। ইভান বুনিন, বোরিস পাস-ারনক, মিখাইল শলোকভ, আলেক্সজান্দার শোলানিৎসি, যোশেফ ব্রডস্কি - নোবেল বিজয়ী এই ক’জন রুশ লেখক কমবেশি বিতর্কিত। এবং সেইসঙ্গে উল্লেখ করা দরকার, এরা সবাই হয় রাশিয়া থেকে নির্বাসিত কিংবা কমিউনিজমের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন। ধারণা করা যায়, নোবেল পুরস্কার রাশিয়ার বিরুদ্ধেই রাশিয়ার লেখকদের দাঁড় করিয়ে ছিলো। রবীন্দ্রনাথের মতোই জমিদার পরিবারে জন্ম এবং গৃহশিক্ষকের কাছে পড়ালেখা শুরু করলেও ইভান বুনীনের পরিণতকাল বিশ্বের নানা দেশ ঘুড়ে এবং শেষে ফ্রান্সে স'ায়ী বসবাস করে কেটেছে। রুশ প্রবাসী এই লেখক তার মেমোরিস অ্যাণ্ড পোট্রেট গ্রনে' অত্যন- সুস্পষ্টভাষাতেই রুশ বিপ্লবের বিরুদ্ধে লিখেছেন। তিনি বলেছেন, রুশ বিপ্লবের ভয়াবহতা দেখেই তিনি স্বদেশ ত্যাগ করেন। হয়তো রুশ বিপ্লবের বিরুদ্ধাচার তাকে পশ্চিমা পূঁজীবাদীদের কাছে বরণীয় করে তুলেছিলো। পাস-ারনেকের ডাক্টার জিভাগো রাশিয়াতে প্রকাশিত হতে পারেনি, সে লেখা চোরাই পথে ইতালীতে চলে আসে, সেখান থেকেই ইংরেজী ও অন্যান্য ইউরোপীয় ভাষায় ছাপা হতে থাকে। এই জিভাগোই তাকে নোবেল পুরস্কার এনে দেয়। কিন' সোভিয়েত লেখক গোষ্ঠী এবং সরকারের আদেশে ১৯৫৮ সালে নোবেল পুরস্কার পেলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি। আলেক্সজান্দার সোলানেৎসি ও তার উপন্যাস রাশিয়ার বাইরে পাচার করে দিয়েছিলেন এবং প্যারিসে তা প্রকাশিত হয়। ‘গুলাগ আর্চিপেলেগো’ নামের এই উপন্যাসে দরিদ্রগনগণের উপর রুশ সরকার বাহিনীর অত্যাচারের কথা তুলে ধরা হয়। এই উপন্যাস প্রকাশের কারণে তাকে দেশত্যাগ করতে হয়। ১৯৭০ সালে তাকে নোবেল পুরস্কার দেয়া হলেও রুশ সরকার তাকে এ পুরস্কার গ্রহণের অনুমতি দেয়নি। তিনি অবশ্য এর চারবছর পর পুরস্কারটি গ্রহণ করেন। যোশেফ ব্রডস্কিও একাধিকবার গ্রেফতার হওয়ার পর রাশিয়া থেকে বিতারিত হন। নোবেল পুরস্কারের ইতিহাসে বয়ঃকনিষ্ট পুরস্কারপ্রাপ্তদের অন্যতম ব্রডস্কি মার্কিন ছত্রছায়ায় নামী লেখক হয়ে উঠেন! রুশ লেখকদের মধ্যে তুলনায় মিখাইল শলোকভের রুশ-বিরুদ্ধে মানসিকতা ততো প্রকট ছিলো না। রুশ লেখকরা হয়তো স্বদেশে যথার্থই নিযার্তিত ছিলেন, কিন' সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার দেয়ার জন্য কেবল কি ‘নিযার্তিত’-এর কোটা-প্রাপ্তিই যথেষ্ট ছিলো! নির্বাসিত লেখকদের প্রতি এই সহানুভূতি মানবতা প্রশ্নে কতোটা দৃঢ় আর তৎতকালীন বিশ্ব রাজনীতির প্রশ্নে কতোটা - সে প্রশ্ন রয়েই যায়।
নতুন সহস্রাব্দের সূচনাতে চীনা লেখক জাও জিয়াংয়ের নোবেল পুরস্কারও প্রাপ্তিও রাজনৈতিক প্রশ্নের জন্ম দেয়। উল্লেখিত রুশ লেখকদের মতো তিনিও স্বদেশ বিতাড়িত। কমিউনিস্ট চীনের বিরোধিতা তার লেখারও বৃহৎতর অংশ জুড়ে আছে। বৃহতম রাশিয়া খন্ড খন্ড হয়ে যাওয়ার পর বৃহৎতর কমিউনিস্ট দেশ চীনের এই লেখককে পুরস্কার দেয়া রাশিয়ার এককালীন প্রেক্ষাপটকেই মনে করিয়ে দেয়। বিশেষতঃ জাও জিয়াং-এর পরিচিতি এবং লেখনী মান নিয়ে সন্দেহ রয়েই যায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল বিজয়ী প্রথম এশিয়ান লেখক। ইণ্ডিয়া সোসাইটি থেকে ১৯১২ সালে প্রকাশিত তার ইংরাজী গীতাঞ্জলি প্রতীচ্যকে মুগ্ধ করে। আইরিশ কবি ইয়েটশ গ্রন'টির প্রথম সংস্করণের ভূমিকা লেখে দেন এবং রবীন্দ্রনাথের ভূয়ষী প্রশংসা করেন। অথচ পরের বছরই রবীন্দ্রনাথের নোবেল প্রাপ্তির পর তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ইংরেজি জানেন না এবং কোন ভারতীয় ইংরেজী জানেন না বলে ধিক্কার দিয়েছিলেন। ইয়েটস নিজে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন এরও দশ বছর পর - তার আগে এশিয়ার কোন লেখকের পুরস্কার পেয়ে যাওয়া হয়তো তার ভালো লাগেনি! এ বছর ভারতীয় বংশোদ্ভূত লেখক ভি এস নাইপালের নোবেল প্রাপ্তি ভারতবাসীদের তো বটেই পুরো এশিয়াবাসীদের আনন্দিত করেছিলো। নাইপাল ভারতীয় হলেও, ভারত থেকে দূরেই আছেন, এমনকি ভারতীয়রা যখন তার নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির খুশিতে মিষ্টি বিতরণ করছেন তখন তিনি বলেছিলেন - ভারতীয়রা সাহিত্যের কিছু জানি না, তারা মূর্খ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পর দ্বিতীয় এশীয় লেখক হিসেবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা। ১৯৬৮ সালে নোবেল বিজয়ী এই জাপানী লেখক ১৯৭২ সালে আত্মহত্যা করেন।


লাতিন আমেরিকায় প্রথম নোবেল পুরস্কার জয়ী লেখিকা গ্যাব্রিয়েল মিস্ত্রাল লেখক হিসেবে তেমন পরিচিত ছিলেন না। তার পুরস্কার প্রাপ্তির প্রায় ৩০ বছর পর ১৯৭১ সালে চিলিরই কবি পাবলো নেরুদা নোবেল পুরস্কার পান। রাজনৈতিক মতানৈক্যের কারণে তাকেও জীবনের একটা দীর্ঘ সময় নির্বাসিত জীবন যাপন করতে হয়। তবে মিস্ত্রালের মতো তার নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তি নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। নেরুদার কাব্য প্রতিভা সারা বিশ্বেই সমর্থিত। নোবেল বিজয়ী অপর ল্যাটিন লেখক গ্যাব্রিয়েল মার্কেজ তার জীবিতকালেই কিংবদন-ী হয়ে গেছেন। আধুনিক সাহিত্যে তার প্রভাব অনস্বীকার্য। মিস্ত্রাল ছাড়া ল্যাটিন সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার যোগ্যজনের হাতেই গেছে বলা যায়। কিন' বোর্হেস থেকে শুরু করে নিকোরো পারাবার মতো কবি-লেখকরা বঞ্চিতের তালিকাতেই রয়ে গেছেন।
নাইজেরিয়ার ওল সোয়েঙ্কা [১৯৮৬], মিশরের নাগিজ মাহফুজ [১৯৮৮] এবং দক্ষিণ আফ্রিকার নাদিন গর্ডিমার [১৯৯১] - এই তিন আফ্রিকান লেখকের কপালে নোবেল পুরস্কার জুটেছে অনেক পরে। এই যোগ্য প্রার্থীরা নোবেল পুরস্কার পেলেও বিশাল আফ্রিকা মহাদেশের তুলনায় অপ্রতুলই বটে। সুইডেনের প্রায় অপরিচিত লেখকদের ঝুঁড়িতে নোবেল পুরস্কার ভরে উঠলেও এই মহাদেশের দিকে নজর পড়েছে খুব কমই। আমোস টুটুলা কিংবা চিনুয়া আচেবের মতো মহান লেখকরা এখনও নোবেল পুরস্কারের সীমানা থেকে দূরেই রয়ে গেছেন। পাশ্চাত্তের কাছে বরাবরই আফ্রিকা ‘অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশ’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। আফ্রিকায় হীরার খনি আছে, সাহারা মরুভূমি আছে, গহন অরণ্য আছে- আফ্রিকা সম্পর্কে এর বেশি জ্ঞান এখনও পাশ্চাত্তের গুটিকয়েক লোকেরই আছে। আফ্রিকার বহুবিচিত্র জাতি এবং ভাষার প্রতি নোবেল কমিটি নজর দেয়নি কখনোই। নোবেল কমিটি একটি নিজস্ব অনুবাদ সেল আছে, তারা নির্দিষ্ট লেখকের লেখা প্রয়োজনে অনুবাদ করে কমিটিতে পেশ করে। প্রশ্ন জাগে, এই কমিটি আফ্রিকান ভাষার ক’জন লেখকের লেখাকে অনুবাদের যোগ্য বিবেচনা করেছে! ওল সোয়েঙ্কা, নাদিন গার্ডিমার ইংরেজি ভাষার মাধ্যমেই কমিটির কাছে পৌঁছতে পেরেছিলো। এ প্রসঙ্গে লেখা দরকার, শুধু জাতিভেদই নয়, ভাষার ক্ষেত্রে নোবেল কমিটি পক্ষপাত দেখিয়েছে ইংরেজি, স্পেনীয়, ফরাসী ও জার্মান ভাষায়ই অধিকাংশ নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলাভাষী হলেও গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদের মাধ্যমেই কমিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করে ছিলেন। কোন রকম সন্দেহ প্রকাশ না-করেই বলা যায় জীবনানন্দ দাস, তারাশঙ্কর, বিভূতিভুষণ, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ বাংলাভাষী লেখকের নামও নোবেল কমিটি শোনেনি।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×