আমার প্রিয় পোস্ট

mostafizripon@gmail.com

কল্প-গল্পঃ বিকল্প প্রোটিন

১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:৪৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমাকে দেখেই ভদ্রমহিলা উঠে দাঁড়ালেন। তারপর হ্যাণ্ডশেক করে খুব কায়দা করে টেনে টেনে বলতে লাগলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানের কাছে আপনার মতো নবীন উদ্যোগতারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ; আপনাদের যেকোন প্রশ্ন বা পরামর্শকে আমরা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করি। আমাদের শ্লোগানই হচ্ছে-। আমি মহিলাটিকে বেরসিকের মতো থামিয়ে দিয়ে জিজ্ঞাসা করি, আমার প্রপোজালটা পেয়েছেন?
- পেয়েছি। চমৎকার প্রস্তাব। আমাদের দিক থেকে কোন সমস্যা নেই। আপনি কাজ শুরু করেদিন। আমরা যেকোন ধরনের সাহায্য করতে রাজি আছি আপনাকে।
- আমি এরমধ্যে একটি এলাকায় আপনাদের পণ্যের মার্কেট যাচাইয়ের চেষ্টা করেছি। ফলাফল খুব একটা মন্দ না। তবে, কয়েকটি জায়গায় দুই ব্যাচের পণ্যের স্বাদ কিছুটা আলাদা বলে জানিয়েছে ক্রেতারা। যাহোক, আমি আপনাদের ব্যাচ রিপোর্টগুলো দেখতে চাই।

ভদ্রমহিলা তার কম্পিউটার মনিটরটি আমার দিকে ঘুরিয়ে দেন। তারপর বলতে থাকেন, 'ডান দিকের টেবিলটি হচ্ছে আমাদের স্ট্যাণ্ডার্ড; আর বা দিকে আছে ব্যাচ রেকর্ড। আপনার সুবিধা মতো ব্যাচ রেকর্ড দেখে নিন, গত তিন বছরের সব তথ্য পাবেন এখানে।'

আমি মনিটরে চোখ রাখি। না, তেমন কোন পার্থক্য নেই তথ্যগুলোতে। লবনসহ অন্যান্য মিনারেল-এর পরিমান প্রায় অভিন্ন। আমিষ আর চর্বির পরিমানেও গরমিল নেই। ভদ্রমহিলা আমাকে বলেন, 'দেখুন, এগুলো ক্রেতাদের মানসিক সমস্যা। এই কিছুদিন আগপর্যন্ত কিছু মানুষ জিনেটিক্যালি মডিফাইড খাবারের স্বাদ পেতনা; এই শাক-সব্জীর কথাই ধরুন, বাজারে এখন যা দেখছেন তার প্রায় সবই জিনেটিক্যালি মডিফাইড। এক সময় মানুষ এগুলোকে সহজে কিনতে চাইত না, স্বাদ নেই বলে। আর এখন দেখুন- এখন সবাই কেমন দিব্যি স্বাদ-গন্ধ পাচ্ছে, কোন সমস্যা হচ্ছে না।'

আমি চুপ করে থাকি। আমার মাথায় একটাই চিন্তা, নির্ভুলভাবে ব্যবসা শুরু করতে হবে। কোনভাবে আমি টাকা নষ্ট করতে চাইনা। ব্যাংক থেকে আমার ঋণ নিতে হবে, ব্যবসায় কয়েকজন কর্মচারী লাগবে- তাদের প্রতিমাসে বেতন দিতে হবে- আমি শুরুতেই নিশ্চিত হতে চাই সব কিছু ঠিকঠাক মতো চলবে। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করি, আপনাদের থার্ড পার্টির কোয়ালেটি রিপোর্টগুলো দেখতে পারি? তিনি মৃদু হেসে বলেন, 'অবশ্যই।' তারপর ড্রয়ার খুলে একটা ফাইল আমার দিকে বাড়িয়ে দেন। আমি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে রিপোর্টটি দেখি। কোন গরমিল চোখে পড়ে না। ভদ্রমহিলা হাসি হাসি মুখে বলতে থাকেন, 'কাস্টমার সাইকোলোজি অত্যন্ত জটিল। একই পণ্যকে দু'জন কাস্টমার দুইভাবে ভাবে বিচার করতে পারে। একজন ভাল বলবে, আরেকজনের পছন্দ হবেনা- এটাতো হরহামেশা ঘটছে। এক কাজ করুন, হাতে সময় থাকলে আপনি আমাদের ফ্যাক্টরিটা একবার ঘুরে দেখুন।' আমি এই অফিসে আরো একবার এসেছি, সেবারও ওরা আমাকে ফ্যাক্টরিটা দেখাতে চেয়েছিল। কিন্তু আমার ইচ্ছে হয়নি। বিষয়টি খুব সাধারন- মোটাতাজা, জবাই করার উপযুক্ত কিছু প্রাণী আমার দেখতে ইচ্ছা হয়নি। কিন্তু আমি এবার রাজি হয়ে গেলাম।

- আমিই আপনার গাইড হিসেবে থাকব। এই প্রথমবার আপনি আমাদের ফ্যাক্টরি দেখতে যাচ্ছেন, তাইনা? আপনার কি কোন ধারনা আছে আমরা কিভাবে কাজটা করি?
- না, তবে অনেক ধরনের গল্প শুনেছি।
- কি কি গল্প শুনেছেন?
- এই আপনারা মুরগীর মতো প্রাণীগুলোকে খাঁচায় ভরে রাখেন; একটা একটা করে জবাই মেরে ফেলেন- এইসব আরকি!
- এটা কিন্তু একেবারেই ঠিক না।
- আবার কেউ কেউ বলেছেন প্রাণীগুলো কেঁচোর মতো।
- আপনার দোষ দেব না, অধিকাংশ মানুষেরই অস্পষ্ট ধারনা আমাদের সম্পর্কে। আশাকরি, এবার আপনার ভুল ভাঙবে। যাহোক, আমাদের ফ্যাক্টরিটা মোট তিনটি অংশে ভাগ করা। প্রথম অংশটাকে আমরা বলি ফার্টিলাইজেশন, দ্বিতীয়টাকে ইনকুবেশন, আর শেষটাকে বলি প্রশেসিং ইউনিট। আশাকরি আমাদের ফ্যাক্টরিটি পছন্দ হবে আপনার।

কথা শেষ করে ভদ্রমহিলা আমার হাতে একটি ফোল্ডার দিয়ে জানালেন এখানে খুব সাধারন ভাষায় বিকল্প প্রোটিনের উৎপাদন প্রক্রিয়া বর্ণনা করা আছে, আমি চাইলে একবার চোখ বুলিয়ে নিতে পারি। কাগজের প্রথম পৃষ্ঠার ছবিটায় আমার চোখ আটকে যায়। একটি শিশু খাবার খাচ্ছে, তার সামনে রাখা একটি বড় প্লেটের মাঝখানে একটুকরো মাংশের ছবি, নীচে লেখা- আগামী দিনের প্রোটিন, আগামী দিনের মানুষ। ফোল্ডারটি উল্টে-পাল্টে ছবিগুলো দেখি, পড়ার ইচ্ছে হয়না। ভদ্রমহিলা আবার শুরু করেন, 'আমাদের প্রতিটি ইউনিটই বাইরের পরিবেশ থেকে একেবারে পৃথক। আর গুণগত মানে যাতে কোন হেরফের না হয় সেজন্য পুরো প্রক্রিয়াটি চলে মানুষের হাতের সংস্পর্শ ছাড়া। আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে ইউনিট অফিসারের কাছে থেকে জেনে নেবেন। আমরা চাই বিকল্প প্রোটিন সম্পর্কে ক্রেতাদের যেকোন প্রশ্নের উত্তর আপনারা নির্ভুল জানাবেন। আপনাদের ব্যবসার সাফল্য নির্ভর করছে নতুন নতুন ক্রেতা তৈরী করার ওপর; যদিও বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ এখন বিকল্প প্রোটিন সম্পর্কে জানে।' ভদ্রমহিলা আমার দিকে তাকিয়ে একটু হাসেন, তারপর জিজ্ঞাসা করেন, 'আমার কথাগুলো স্কুল টিচারদের মতো শোনাচ্ছে নাতো?' আমি হেসে উঠি।
- বিষয়টিই একটু জটিল, আপনার দোষ দেব না।
- না না, মোটেই জটিল না; খুব সহজভাবে চিন্তা করুন। মায়ের পেটে শিশু কি করে জন্ম নেয় নিশ্চয় জানেন! বাবার শরীরের একটি কোষ আর মায়ের শরীরের একটি কোষ মিলে একটি ভ্রুণ তৈরী হয়- যা নয় মাস পরে একটি মানব শিশুতে পরিণত হয়, তাইনা?
- এটি জানি। কিন্তু মায়ের পেটে বাচ্চার বেড়ে ওঠা অত্যন্ত জটিল একটি প্রক্রিয়া।
- এই জটিল কাজটিই আমরা আমাদের ফার্টিলাইজেশন ইউনিটে করছি।
- তারমানে আপনারা ল্যাবরেটরিতে মানুষ তৈরী করছেন?
- মোটেই না, মানুষের ক্লোন করা নিষিদ্ধ।
- তাহলে, অন্য কোন প্রাণীর ক্লোন?

ভদ্রমহিলা কিছুটা সময় নেন। খুব সম্ভবত নতুন ব্যাবসায়ীদের প্রশিক্ষন দেয়ার এটিই সবচেয়ে কঠিন স্তর। বিকল্প প্রোটিন সম্পর্কে কাউকে মানসিকভাবে তৈরী করা সময় সাপেক্ষ। অনেকগুলো নীতিগত প্রশ্ন, রুচি সংক্রান্ত বিষয় এর সাথে জড়িত। ভদ্রমহিলা বুঝে গেছেন আমি বিষয়টাকে খুব সহজে গ্রহন করিনি। তিনি আবার শুরু করেন, এটি ঠিক কোন প্রাণীরই ক্লোন নয়। ধরুন, একটি প্রাণীকে ল্যাব্রেটরিতে আপনি এতটাই বদলে ফেলেছেন যে- এর আগের কোন বৈশিষ্ট্যই আর নেই, একে আপনি কি প্রাণী বলবেন?
- তারপরেও সেটি প্রাণীই।
- আপনি কি কোন মাংশকে প্রাণী বলবেন? ধরুন, গরুর মাংশকে কি কোন প্রাণী বলা যায়? কিংবা প্রাণী হিসেবে যার জন্মই হয়নি, কিন্তু মাংশপিণ্ড হিসেবে বেড়ে উঠেছে, যার সাথে মূল প্রাণীর কোন বৈশিষ্ট্যই আর নেই- সেটিকে কি বলবেন?

আমি ভাবনায় পড়ে যাই। ভদ্রমহিলা বলেন, 'নিজের পণ্য সম্পর্কে নিজেকে সন্তুষ্ট করতে না পারলে আপনি ক্রেতাদেরও সন্তুষ্ট করতে পারবেন না। আপনার সব সংশয় দূর হওয়াটা জরুরী। তারচেয়ে চলুন, কথা বলতে বলতে আমাদের ফ্যাক্টরিটা ঘুরে দেখি।' আমরা ফার্টিলাইজেশন ইউনিটের দিকে এগিয়ে যাই। বিশাল কাঁচ ঘেরা একটি রুমে ছোট ছোট চৌবাচ্চা রাখা, যেগুলো পানির মতো কোন তরলে পূর্ণ। ভদ্রমহিলা ফার্টিলাইজেশন ইউনিটের এক কর্মকর্তার সাথে আমার পরিচয় করিয়ে দেন।

- এখানে বিকল্প প্রোটিনের ভ্রুণগুলো তৈরী হয়। ঐ চৌবাচ্চাগুলো দেখতে পাচ্ছেন, ওগুলোতে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ মেশানো আছে। মায়ের শরীরে ভ্রুন জন্ম নেয়ার জন্য যে ধরনের পরিবেশ লাগে এখানে সেটিই আমরা তৈরী করেছি। বাবা আর মায়ের শরীরের কোষদুটোকে এখানেই নিষিক্ত করা হয়।
- এগুলো কি মানুষের শুক্রানু-ডিম্বানু?
- হ্যাঁ, এগুলো মানুষের কাছ থেকেই আমরা সংগ্রহ করি। তবে প্রতিটি কোষই এমনভাবে বদলে ফেলা হয়েছে যে, এগুলোকে আর মানুষের মৌলিক কোষ বলা যাবে না। বিষয়টি এমন যে- পাথর বিচূর্ণ হয়ে মাটি তৈরী হয়, কিন্তু মাটি আর পাথর কিন্তু এক বস্তু নয়। এই ভ্রুণগুলোর ক্ষেত্রেও একই কথা বলা যায়। একটি মানুষ আর মুরগীর সাথে যতটুকু মিল, এই প্রোটিন-ভ্রুণের সাথে মানব-ভ্রুণের তারচেয়েও অনেক কম মিল।
- এত প্রাণী থাকতে মানুষের ভ্রুণকে কেন বেছে নেয়া হলো?
- কারনটি খুব সোজা, আমাদের জরিপে আমরা দেখেছি- ক্রেতারা এই মাংশটিই বেশী পছন্দ করেছে। অনেক প্রাণীর মাংশে মিনারেল, প্রোটিনসহ অন্যান্য উপাদান প্রায় অভিন্ন হলেও ক্রেতারা মানুষেরটিকেই বেছে নিয়েছে। কেন, আপনি আমাদের এই বিকল্প প্রোটিন পছন্দ করেন না? আমারতো খুব ভালো লাগে। আর মানুষের মাংশ সম্পর্কে পুরনো মিথগুলো তো জানেনই- যৌবন ধরে রাখতে এর নাকি কোন বিকল্প নেই। এসব গল্প সেই আদিকাল থেকে চলে আসছে। আর তাছাড়া এ প্রক্রিয়াতে খরচও অনেক কম পড়ে।

কথা বলতে বলতে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাই। আমরা ইনকুবেশন ইউনিটের সামনে এসে দাঁড়াই। এখানেও একই ধরনের চৌবাচ্চা সমস্ত ঘর জুড়ে। ততে সেগুলোতে ডুবানো আছে বিভিন্ন ধরনের প্যাকেট। ইউনিট অফিসার বলতে শুরু করেন, ক্যান্সার সম্পর্কে কোন ধারনা আছে আপনার?
- না, কেন বলুনতো?
- ইনকুবেশন প্রক্রিয়ায় আমরা ক্যান্সার-কোষ বৃদ্ধির নিয়মটি অনুসরন করি। কিন্তু এখানে কাজটি করা হয় খুব নিয়ন্ত্রিতভাবে। আমরা ফার্টিলাইজেশন ইউনিট থেকে যে ভ্রুণগুলো পাই সেগুলোকে এখানে বড় হতে দেয়া হয়। ভ্রুণের বেড়ে ওঠার কাজটি খুব দ্রুত ঘটে এখানে। মায়ের শরীরে শিশুর বেড়ে উঠতে নয় মাস সময় লাগে। কিন্তু এখানে পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হয় মাত্র পাঁচ দিনে। শরীরে ক্যান্সার হলে আক্রান্ত কোষগুলো খুব দ্রুত বাড়তে থাকে, এখানেও ভ্রণের কোষগুলোকে দ্রুত বাড়তে দেয়া হয়।
- তারমানে আপনারা মাত্র পাঁচ দিনে একটি শিশুর জন্ম দিতে পারেন?

আমার কথা শুনে লোকটি হেসে ওঠেন। বলেন, 'যদি কোন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গহীন, মানুষের বৈশিষ্ট্যহীন একটি মাংশপিণ্ডকে আপনি মানব শিশু বলতে চান- তাহলে তাই। চলুন, আমাদের একটি পণ্য হাতে নেড়েচেড়ে দেখুন।' তিনি আমাকে প্রসেশিং ইউনিটে নিয়ে আসেন। হাজার হাজার মাংশপিণ্ড বাজারে পাঠানোর জন্য তৈরী হয়ে আছে এখানে। লোকজন ব্যস্ত হয়ে কাজ করছে চারদিকে। 'একদিন আপনার জন্যও এখান থেকে আমাদের পণ্য যাবে আশাকরি'- লোকটি বলতে থাকেন, 'এখান থেকে আপনার পছন্দ মতো একটা প্যাকেট তুলে নিন।' আমি বেশ বড় একটি প্যাকেট হাতে নেই, উল্টে-পাল্টে দেখি। নিরিহ লালচে রঙের এক তাল মাংশ, গরু কিংবা ছাগলের মাংশের সাথে যার কোন পার্থক্য নেই। লোকটি আমাকে নিয়ে তার ল্যাব্রেটরিতে আসেন। তারপর প্যাকেট থেকে মাংশটি বের করে ছুড়ি দিয়ে ছোট একটি টুকরো কেটে আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলেন, 'খেয়ে দেখুন।' 'কাঁচা! কী বলছেন!'- আমি আঁৎকে উঠি। লোকটি মাংশের টুকরোটিকে মুখে পুরে দেন। তারপর আয়েশ করে চিবাতে থাকেন। 'আপনি আপেলও রান্না করে খান নাকি! এ জিনিস আপেলের চেয়েও মজার।' দৃশ্যটি দেখে আমার গা গুলিয়ে ওঠে। গোল্লায় যাক আমার বিকল্প প্রোটিনের ব্যবসা, আমি তাড়াতাড়ি বাইরে বেড়িয়ে আসি।


পরিশিষ্ট

একটি ব্যবসা শুরু করেছি আমি। সফল তরুণ ব্যবসায়ী হিসেবে পত্রিকায় ছবিও ছাপা হয়েছে আমার। বন্ধুরা অনেকেই ঈর্ষা করে আমার সাফল্যে। আবার অনেকে আমাকে নিয়ে তামাশাও করে- আমি নাকি মানুষের মাংশ বিক্রি করি! আমি এসব গায়ে মাখিনা। বিকল্প প্রোটিনের সাথে ব্যবসায়িক পার্টনারশীপ গড়ে উঠেছে আমার। ভালোই চলছে। দিন-রাত ব্যস্ত থাকতে হয়। তারপরও সময় করে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে রাতে একসাথে খাবার খাই। আমার স্ত্রী ছেলে-মেয়েদের পাতে মাংশ তুলে দেয়। ওরা পছন্দ করেনা; কিন্তু আমি রাগ করতে পারি ভেবে খেয়ে নেয়। ইদানিং আমার স্ত্রী ওদের কাঁচা মাংশ খাওয়ানোর চেষ্টা করছে; কিছু কিছু প্রোটিনের গুণগতমান নাকি রান্না করলেই নষ্ট হয়ে যায়।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্পমোস্তাফিজ রিপন ;
প্রকাশ করা হয়েছে: গল্প  বিভাগে ।

 

  • ৬৮ টি মন্তব্য
  • ৫১৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৩ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:৫৩
comment by: রেটিং বলেছেন: বাহ বেশত। চলুক
১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:৫৫

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।

২. ১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:০১
comment by: রেটিং বলেছেন: কাচা মাচ খাইচি অনেক(শুশি কয়) , জাপানীজ স্টাইল, কাচা মাংস খাই নাই।
১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:০৩

লেখক বলেছেন:
পেয়ে যাবেন আশাকরি।

৩. ১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:১৬
comment by: প্রণব আচার্য বলেছেন: ভালো লাগলো

কেমন আছেন?
১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৪৭

লেখক বলেছেন:
ভালো আছি প্রণব। লেখাটি পড়বার জন্য ধন্যবাদ।

৪. ১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:২১
comment by: সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: ভালো লাগ্ ল...নতুন কিছু পড়তে পেরে...
+
১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৪৭

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।

৫. ১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩৭
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: গা গুলিয়ে আসলো , স্বার্থকতা এখানেই ।

+++++
১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৪৯

লেখক বলেছেন:
মেহেরাব, এরপর ভাত খাওয়ার সময় অবশ্যই গল্পটার কথা মাথায় আনবেন না।

৬. ১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৫১
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আপনার গল্প দেখে ভাল লাগল। ঘুমিয়ে যাচ্ছি। পড়ে পড়ে নিব।
তবে প্রশ্ন হচ্ছে এর নাম গল্প না হয়ে কল্পগল্প কেন?
১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৬

লেখক বলেছেন:
একটা গল্পে ঠিক কতখানি ফ্যান্টাসি যোগ হলে একে কল্পগল্প যায় তা স্পষ্ট নয় আমার কাছে। গল্প শব্দটা ব্যাপক। এটি যুক্তি কিংবা যুক্তিহীনতা দু'টি নিয়েই তৈরী হতে পারে। আমি কল্পগল্প শব্দটি ব্যবহার করেছি যাতে নামটি দেখেই পাঠক ধারনা পায় লেখাটি কোন ঘরানার।

৭. ১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:১৯
comment by: চন্দন বলেছেন: প্রথম দিকের বাহুল্যটা বাদ দিলে এক কথায় চমৎকার গল্প +
১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৬

লেখক বলেছেন:
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ চন্দন।

৮. ১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪০
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: ভয়ানক গল্প।
১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন:
ভালো লেগেছে?

৯. ১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪৮
comment by: মদন বলেছেন: দারুন হয়েছে...
১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।

১০. ১৫ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৮
comment by: রাশেদ বলেছেন: ভয়াভয় গল্প! এইরকম একটা জাফর ইকবালের ছোটগল্প পড়ছিলাম মানুষের মাংস খাওয়া নিয়ে মনে হয়।
১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন:
জাফর ইকবালের গল্পটি আরও সুন্দর।

কেমন আছেন রাশেদ?

১১. ১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৫৮
comment by: রাশেদ বলেছেন: আছি ভালো। আপ্নের খবর কি? আরো কি গল্প দেন। পড়ি।
১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন:

আছি ভালো। খাই-দাই-ঘুমাই।

'আয়েশ করে আলসেমিতে দিনটা করি পার
ভাল্লাগে না আর।'

তারপরেও আলসেমি লাগে। :)

১২. ১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৫৮
comment by: রাশেদ বলেছেন: কিছু*
১৩. ১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:০১
comment by: নেমেসিস বলেছেন: মাফ চাই :(

ভয়াবহ লাগছে আমার । আজ রাতের খাওয়া মাথায় তুল্লেন আমার কেননা বাসায় আজকের মেনু অনেকদিন পরে গরুর মাংশ । :( :( :(
১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন:
কত কিছু খায় ওরা আহারে,
আহা রে!

১৪. ১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:০৩
comment by: নেমেসিস বলেছেন: নীতিগতভাবে আমি মানবভ্রুন হত্যার বিরোধিতা করে আসছি বহুদিন যাবৎ আর আজকে আমাকেই কিনা এই গল্প পড়তে হল:(
১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:৩২

লেখক বলেছেন:
বেচারা। :(

(কানে কানে জিজ্ঞাসা করি, গল্পটি ভালো হয়েছে?)

১৫. ১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:১৮
comment by: নেমেসিস বলেছেন:
রেটিং কাউন্টে ধরা খাইলাম মনে হয় ? ঠিকাসে এইবার হিসাব মিলান ।


[ মিঞা আইজকা ডিমভাজা দিয়া ভাত খাইতে হৈল আপনার জন্য :( ]
১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:২৭

লেখক বলেছেন:
ফার্মের মুরগীর ডিম! খাইছে, ওইটাতো জিনেটিক্যালি মডিফাইড! ডাইনোসরের ডিমের সাথে কুমিরের ডিমের ক্রসে মুরগীর ডিম তৈরী হয় ইদানিং।

১৬. ১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:২০
comment by: নেমেসিস বলেছেন:
রেটিং বলেছেন: কাচা মাচ খাইচি অনেক(শুশি কয়) , জাপানীজ স্টাইল, কাচা মাংস খাই নাই।

>>> আবার কট। :)
১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন:
:)

১৭. ১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:৩৪
comment by: নেমেসিস বলেছেন:
লেখক বলেছেন:
ফার্মের মুরগীর ডিম! খাইছে, ওইটাতো জিনেটিক্যালি মডিফাইড! ডাইনোসরের ডিমের সাথে কুমিরের ডিমের ক্রসে মুরগীর ডিম তৈরী হয় ইদানিং।

>> হাহাহা । আপনি দেখি আমারে অনাহারে মারার প্ল্যান করতেছেন :)
১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১:৪৩

লেখক বলেছেন:
ঘাবড়ানোর কিছু নাই, আলু আছে না!

১৮. ১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৭:৫৪
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: এই রকম মানুষের মাংস খাওয়া নিয়ে আরেকটি গল্প ছিল মুহাম্মদ জাফর ইকবাল এর। কিন্তু সেটার প‌্যাটার্ন অন্যরকম ছিল। আপনার এই গল্পটা রীতিমত ভাবিয়ে তোলে। অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত বর্ননা।
আমরা যে ফার্মের মুরগি খাই বা গরু সবই তো আসলে মাংস তৈরির কারখানাই। এরা একতাল মাংস পিন্ড ছাড়া তো আর কিছু না। শুধু প্রাকৃতিক ভাবে বেড়ে ওঠে এই যা। হয়ত দুরভবিষ্যতে এমন দ্রুততার সাথে মাংস উৎপাদনের চেষ্টা করা হবে, সেটা মানুষের মাংস নাই হোক।

গল্পকারের সার্থকতা বোধহয় এখানেই যে, গল্পকে বাস্তবের মত মনে হয়। তাও আবার ফ্যান্টাসী গল্প।

গল্পটার নামের ক্ষেত্রে প্রোটিন শব্দটার পরিবর্তে অন্যকিছু ব্যবহার করা যায় কি?
১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৫৭

লেখক বলেছেন:
ডায়াবেটিক রোগীরা যে ইনসুলিন ব্যবহার করে ওটা কিন্তু লাব্রেটরিতেই ব্যকটেরিয়া থেকে তৈরী হয়। লাব্রেটরিতে বিকল্প ভাবে প্রোটিন তৈরী খুব সহজেই সম্ভব। তবে তা এখনো ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া।

জাফর ইকবালের গল্পটা আমার খুব ভালো লেগেছিলো। আপনি কি জাফর ইকবালের কপোট্রনিক সুখ-দুঃখ বইটা পড়েছেন? খুব সম্ভবত এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই।

বিকল্প প্রোটিন নামটা আমারও খুব একটা পছন্দ হয়নি। আবার অন্য কোন নামও মাথায় আসছিল না। নামকরনের ব্যাপারে আমার অবস্থা ভালো না।

ও, গতকাল আপনার নতুন গল্পটি পড়লাম। মন্তব্য করা হয়নি। 'কিকরি'কে আমার পছন্দ হয়েছে।

১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:০০

লেখক বলেছেন:
ভূতের নামের বানান ভুল করেছি। 'কিকির'।

১৯. ১৭ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২৩
comment by: হাবীব ইমন বলেছেন: লেখাটি দীর্ঘ। পড়ছি আর পড়ছি অ্যাতোটুকু ক্লান্তি লাগে নি।
ভালো লেগেছে। শ্যাষ পর্যন্ত টেনে নিয়া যাওয়ার ক্ষমতা আপনার অসাধারণ।
ধন্যবাদ।
১৭ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:০০

লেখক বলেছেন:
খবরটা জেনে আনন্দিত হলাম। ধন্যবাদ ইমন।

২০. ১৭ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:২১
comment by: নেমেসিস বলেছেন:
নতুন কিছু কবে পাবো ?

ছোট প্রবচনগুলি মিস করছি অনেকদিন হলো ।
১৭ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন:
ইদানিং অনেককেই দেখলাম ব্লগে ছোট ছোট বচন লিখছেন, তাই আগ্রহ কমে গেছে। আবার লিখব হয়তো!

২১. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ১২:০৭
comment by: মাজহারুলইসলাম বলেছেন: কেমন আছেন
২২ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:০৪

লেখক বলেছেন:
মিন্টু?

২২. ২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৪
comment by: মাজহারুলইসলাম বলেছেন:
২২ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:০৫

লেখক বলেছেন:
ব্লগে স্বাগতম।

২৩. ০৪ ঠা জুন, ২০০৮ সকাল ১১:২৭
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: কিরে ভাই এই অসাধারণ পোস্ট আমি মিস কইরা গেলাম কেমনে? রিপন ভাইয়ের জয় হোক।
০৬ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:০২

লেখক বলেছেন: রিয়াজেরও জয় হোক।

২৪. ০৪ ঠা জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৩০
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: এইটা আমার প্রিয় পোষ্টের তালিকায় আছে।
০৬ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:০৪

লেখক বলেছেন: রন্টি, আপনার সোনার কলম-দোয়াত হোক। আমার নতুন পিগমির লিংক-
Click This Link

২৫. ০৪ ঠা জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:১৬
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: রিপন ভাই আমার এই দুটি পোস্ট আপনার মন্তব্য পেলে ধন্য হবে- Click This Link আর Click This Link
০৬ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:০৬

লেখক বলেছেন: ভালো পোষ্ট। রন্টির মন্তব্য পাঠ করে আমি বিমুগ্ধ।

২৬. ০৪ ঠা জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৩
comment by: মাজহারুলইসলাম বলেছেন: রিপন ভাই পূর্বে ছবিটাই ভালো ছিলো

মাজহারুল ইসলাম মিণ্টু
০৬ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:০৭

লেখক বলেছেন: Click This Link

স্বরকল্পন কেমন আছে?

২৭. ০৪ ঠা জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: ইন্টারেস্টিং....লেখার গাঁথুনীতে রাজনৈতিক অর্থনীতির পর্ব আরো জোরালো হতে পারত। কেননা লেখার শিরোনামেই স্পষ্ট আপনার কল্পগল্পের থিম কি নিয়ে। তবে এখানেও মনে রাখা দরকার যে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী যত আউটরেজিয়াস মনে হোক না কেন তা লিখিত হয় লেখকের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে।
ভালো থাকবেন।
০৬ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:১৫

লেখক বলেছেন: অন্যমনস্ক শরৎ, আপনার পর্যবেক্ষনটি ভালো লেগেছে। চিন্তার খোরাক তৈরী হলো।

আপনিও ভালো থাকবেন।

২৮. ০৯ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:২৩
comment by: দ্বিধা বলেছেন: হ্যানিবাল দা ক্যানিবাল মুভিটার কথা মনে পড়ল...
লেখা দুর্দান্ত হইসে...
০৯ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৯. ০৯ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৮
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: কুল্ম্যান
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:০৭

লেখক বলেছেন: থা ব্রো।

৩০. ০৯ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৫৩
comment by: চুপকথা ... বলেছেন: জটিল
১১ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:২১

লেখক বলেছেন: জটিলেরে ভালোবাসিলাম।

৩১. ০৯ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৭
comment by: যীশূ বলেছেন: শুরুতে যা সন্দেহ করেছিলাম গল্পটা তাই। দম আটকে পুরাটা পরলাম।
১১ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:২৩

লেখক বলেছেন: বেশীক্ষণ দম আটকে রাখবেন না- হাইপোক্সিয়া হতে পারে। :)

যীশু, ভাল থাকুন।

৩২. ২৪ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৫৬
comment by: আকাশচুরি বলেছেন: এত দেরিতে পড়ার জন্য আফসোস হচ্ছে!
একটা বিষয়, আপনার প্রতিটি গল্পের ভাষার বিন্যাস আলাদা!!
প্রতিটি লেখায় এই বিবর্তন কিভাবে সম্ভব? অসাধারন!!

ভালো থাকবেন।
২৪ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: লেখালিখিতে আপনিতো 'ভ্রুন'; আর আমি 'নিষিক্ত' হতে পারিনি এখনো। এক্সপেরিমেন্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। ব্যক্তিগতভাবে আমি কাহিনীর চেয়ে কথা আর শব্দের প্রতি বেশী আগ্রহী। গল্পে কবিতার প্রভাব আমার ভাল লাগে, যেটা আপনার লেখায়, ফারহানের লেখায় আমি পাই। দয়া করে, যে অবস্থাতেই থাকুন না কেন, লেখালিখি ছেড়ে দেবেন না। আমি নিশ্চিত বাংলা সাহিত্যকে অনেক কিছু দেবার ক্ষমতা ঈশ্বর আপনাকে দিয়েছে।

৩৩. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:৩৪
comment by: শফিউল আলম ইমন বলেছেন: এই লেখাটা কিভাবে যেন মিস হয়ে গেলো।:(
যাইহোক, রিপন ভাই অসাধারন লিখেছেন। কল্পগল্পকে বাস্তবতায় রুপ দিয়েছেন। অনেক অনেক ভালো লাগল। আপনার সব লেখাগুলো সময় করে পড়বো কোন সন্দেহ নেই।

অফটপিক: বাংলা সাহিত্যকে অনেক কিছু দেবার ক্ষমতা ঈশ্বর আপনাকে ও দিয়েছেন।
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:০৪

লেখক বলেছেন: ইমন ভাই, আমি চুনোপুটি। জানিনা, কতদিন লেখালিখির আগ্রহ থাকবে। আপনার মন্তব্যে প্রানিত হয়েছি।

ভাল থাকবেন। অনেক ভাল।

৩৪. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৩৫
comment by: রবিন৭৫৭ বলেছেন: কঠিন হইছে।
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৫৩

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা জানবেন রবিন।

 



 


অর্থহীন কমলালেবুর পিঠে ঘরকুনো গাছ
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ২৯০০২