আমার প্রিয় পোস্ট

mostafizripon@gmail.com

গল্পঃ বাথরুমে গণতন্ত্রের পতনে শ্যাওড়াপাড়ার মানুষেরা যা করে

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৩

শেয়ারঃ
0 5 0



আপনার নীল শার্টের বগলে ঘাম শুকিয়ে বাংলাদেশের মানচিত্র উৎপন্ন হয় বলেই ভাববেন না- খুব দেশপ্রেমিক হয়ে গেছেন।

আয়নার নিজেকে দেখেছেন, কিন্তু আয়নার সামনের মানুষটিকে লক্ষ্য করেছেন কোনদিন? শ্যাওড়াপাড়া ওভার-ব্রিজের নীচে বাসের হাতলের জন্য খামচা-খামচি করে- যে আপনি আঙ্গুল ক্ষয় করে ফেলেছেন, তাকে চিনতে আপনার কষ্ট হবারই কথা। যখন বা-কান, আর ডান-হাটুর যন্ত্রণায় জাতি কোমর সোজা করতে পারছে না, তখন মেরুদণ্ডের ষোল না-কি ছাব্বিশ নম্বর হাড়ের স্থানচ্যূতির সংবাদে জাতীয়তাবাদী চেতনা খাড়া হয়ে উঠলে- আপনি নিজের মাজা-ব্যথার কথা ভুলে গেছেন; তারপরেও আপনি বাস ধরতে পারেননি।

আপনি যখন প্যাণ্টের পকেটে হাত দিয়ে বে-সাইজ জাঙ্গীয়ার নীচে কুচকি চুলকাচ্ছেন, আর নিজেকে জুয়েল আইচ ভাবছেন, তখনো খেয়াল করেননি- জুলফি বেয়ে চিড়বিড় করে যে ঘাম নামছে, তা আপনার গ্রামের কুমার নদের মতোই দেখতে; যার একপাশে চকবাজারের মুসুল্লিরা ওজু করে, অন্যপাশে হাজি শরিয়তুল্লাহ বাজারের বেশ্যারা গতর ডলে। লাইফ বয় সাবানে মুসুল্লি আর বেশ্যাদের গন্ধ দূর করলেও- সকাল আটটায় শ্যাওড়াপাড়া বাসস্ট্যাণ্ডে আসলেই আপনার পিঠে ঘামের গন্ধে আগরবাতি-টুপি-দাড়ি জন্ম নিবে। আমি নিশ্চিত না- পিঠে টুপি-দাড়ি জন্মে কি-না! তবে আপনার ঘামের ধারায়- ঢাকা ওয়াসা শংকিত হয়ে বহুবার মিরপুর ত্যাগ করেছে, এমন প্রমান আছে। আপনার স্ত্রী শ্যাওলা-জমা ড্রামে ক্ষণিকের জলস্রাব ধরে রাখেন, তাই আপনি হরতালের দিনে দিগম্বর আলমের হাতে ঠিকসময়ে পৌঁছাতে পারেন। আর বিবস্ত্র আপনি, ক্যামেরাবন্দি হন বলেই, বাংলাদেশে গণতন্ত্র বেঁচে যায়।

বাসযাত্রীদের বাড়ন্ত লেজে দাঁড়িয়ে, আপনি স্ফিত মূত্রথলিকে ভুলে থাকার কৌশল রপ্ত করেছেন বলেই জানেন না, ন্যাম-ফ্লাটের বহুমূত্র-রোগীদের কত শর্করা জমেছে শ্যাওড়া পাড়ার ড্রেনে। ম্যানহোলের হা-করা মুখে ভাসমান কনডোমের মিছিল দেখে প্রীত হয়েছেন জেনেই- বিশ্বব্যাংক আপনার পিঠ চাপড়ে দিয়েছে। রাতে ঘুমানোর আগে, বাসের দুর্লভ পাদানির কথা ভুলে গেলে- আপনার স্ত্রী গর্ভবতী হয়ে ওঠেন; এবং ফি-বছর নৌকা আর ধানেরশীষের ভোটার উৎপাদন নিশ্চিত করেন। এতকিছুর পরেও আপনি নিশ্চিত হতে পারেন না, আজ বাথরুমে কেউ আছাড় খাবে কি-না! নৌকা-লাঙ্গল-দাড়িপাল্লা-ধানেরশীষ টাট্টিখানায় পিছলে পড়লে, স্ত্রীর কপাল পুড়বে জেনেও আপনি শ্যাওড়াপাড়া বাসস্ট্যাণ্ডে দাঁড়িয়ে আছেন!

আপনি ইষ্ট-ইণ্ডিয়া কোম্পানির গল্প শুনে ভেবেছেন- রাজনীতির ডিসকোর্স বুঝে গেছেন! আপনি বৈশ্বিক-রাজনীতি বুঝলেও- শ্যাওড়াপাড়া থেকে মতিঝিলে যাওয়ার উপায় জানেন না। কোলগেট টুথপেষ্টে যতো ফেনা তৈরী হয়, আপনার কর্পোরেট, কর্পোরেট জিকিরে তারও বেশী ফেনা উঠেছে। জেনে রাখুন, রাজনীতির নর্দমায়- কর্পোরেট-ভূত আপনার দাম্পত্যক্রিয়ার সময়টাকে সংক্ষিপ্ত করেছে মাত্র।

আপনি কর্পোরেট আতংকে ভুগছেন, কারণ, রাষ্ট্রকে মালিকানাহীন মুদি দোকানের চেয়ে বেশী কিছু ভাবতে পারেননি আজ অব্দি। সত্যি কথা বলতে কি, রাষ্ট্রকে আপনি মুদিদোকানও ভাবেন নি; গনিমতের মাল ভেবেছেন। গনিমতের রাষ্ট্রে চৌর্যবৃত্তিকে ন্যায্য রাজনৈতিক দাবী জেনেছেন বলেই, নিজের আমবাতের কথা ভুলে দেশপ্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন; আর আশা করেছেন, সকাল নয়টার আগেই অফিসে পৌঁছাতে পারবেন।

পাইকপাড়ার রিক্সাওয়ালাকে ধমক দিয়ে শ্যাওড়াপাড়ায় আনা যায়, কিন্তু পায়ে ধরেও শ্যাওড়াপাড়ার স্কুটারকে মতিঝিলে নেয়া যায়না, আপনি ভালোই জানেন। আপনি আরো জানেন, পরিবহন মালিক সমিতি আপনার সরকারের চেয়ে শক্তিশালী। আপনি নিজেকে যেমন প্রতারিত ভাবেন, আপনার রাষ্ট্র তেমনি নিজেকে আন্তর্জাতিক চক্রান্তের শিকার মনে করে এবং আপনি তা বিশ্বাস করতে পছন্দ করেন। বাংলাদেশ সরকারকে মাফিয়ার সহযোগী প্রতিষ্ঠান জেনেও আপনি ঘণ্টাখানেক ধরে বাসস্ট্যাণ্ডে দাঁড়িয়ে আছেন এবং গণতন্ত্র ছিঁড়ে আঁটি বাঁধছেন।

আপনার সামনে যে দাঁড়িয়ে আছে, মাঝে মাঝে ঘাড় ঘুরিয়ে ইতিউতি করছে, জানেন কি- মতিঝিল যাওয়ার তার কোন ঠেকা পড়েছে আজ? অন্ততঃ আজকে- টয়লেটে গণতন্ত্রের মাথাঘুরে পড়ে যাওয়ার এই দিনে! লুঙ্গিপরে কারা মতিঝিলের ভীড় বাড়ায়, তা জানেন?

রাস্তার পাশে ঝপ করে বসেই- মূত্রত্যাগে লুঙ্গির কোন বিকল্প পোষাক তৈরী হয়নি দেশে; কার্যকর ব্যবস্থাও নয়। বাংলাদেশে কয়টা পাকা-পায়খানা দরকার, সে হিসাব এডিবি জানলেও- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল ব্যুরো জানে না। শ্যাওড়াপাড়া বাসস্ট্যাণ্ডে পেটফাটা প্রশ্রাব নিয়ে মানুষ কি করে? ওই লুঙ্গিপরা লোকটা মুখে বিড়ি ঝুলিয়ে ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না- বিড়ি ধরাবে কি ধরাবে না, আর তাতেই আপনার উসখুস দ্বিগুন হয়েছে। না-কি একই রকম মধ্যচাপে আপনিও আক্রান্ত?

'ভাই আমার জায়গাটা দেইখেন', বলে লোকটা হাতখানেক দূরে, ড্রেনের পাশে বসে পড়ে। আপনি কিছু শোনেননি ভাব নিয়ে শ্যাওড়াপাড়া মসজিদের দিকে তাকিয়ে থাকলেও, লুঙ্গিপরা লোকটা ঘাড় ঘুরিয়ে নিশ্চিত হতে চায়- তার জায়গাটা বেদখল হয়নি। প্রশ্রাব শেষ করে লোকটা বিড়ি ধরায়, আপনার দিকে তাকিয়ে হাসে। যান না, আপনিও বসে পড়ুন! পৃথিবীর তিনভাগ জলে ক' ফোটা মূত্র যোগ করে, গোল্ডলিফে টান দিন- ভাল লাগবে।

আপনি জানেন, ঢিলা-কুলুপ না করেই লোকটা লাইনে ফিরে আসবে, খাজুরে গল্প শুরু করবে। আরো একটা বিআরটিসি ফোঁস করে বেড়িয়ে গেলে, আপনাকে অব্যর্থ প্রমান করে সে বলে ওঠে, 'যা দিনকাল পরছে!' এইসব লুঙ্গিপরা লোকজন ব্যারেল প্রতি ডিজেলের দাম জানেনা, রাজনীতির জ্যামিতিতে বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্থান চেনেনা, মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি বোঝেনা, বোঝে খালি নাজিরশাইল চালের দাম। এদের সাথে কথা বলা বৃথা জেনেও, আপনি নাক দিয়ে ভোঁশ করেন; আর তাতেই লোকটা আস্কারা পেয়ে যায় এবং বলে, 'কাঁচামরিচেরও দাম ডাবল হয়ে গেছে!' কী মুশকিল! কাঁচামরিচ কী অন্যায় করেছে যে, এর দাম বাড়তে পারবেনা! সকাল পৌনে নয়টায় এসব খুচরা পিরিতের আলাপ আর যার সাথেই হোক, শ্যাওড়াপাড়া বাসস্ট্যাণ্ডে হাটুঅব্দি লুঙ্গি টেনে রাখা লোকের সাথে হয়না। 'আরে মিয়া, সারা দুনিয়াতেই জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে', লাইনের আগা-না-মাথা থেকে কে একজন উত্তর দিলে, আপনি ভাবেন- লুঙ্গিপরার হাত থেকে বেশ মুক্তি পেয়ে গেলেন!

এই শ্যাওড়াপাড়ায় পৌঁছেই আপনি ভুলে যান- যুদ্ধাপরাধীনামক চর্মরোগের কথা। শীতকালে, আর নির্বাচনের আগে এই রোগের প্রকোপ এতোই প্রবল হয় যে, আপনি নিজের পিঠ বাঁচানোর ভুলে- খ্যাস খ্যাস করে দেশের চামড়া তুলে ফেলেন; নিজেকে দেশপ্রেমিক ভাবেন। নৌকা-দাড়িপাল্লার কোলাকুলিকে লুঙ্গিপরা লোকজনের কাছে রাজনৈতিক কৌশল বলে প্রচার করেন বলেই, আপনার পিঠে স্বাধীনতাবিরোধীরা লাথি মেরে মজা পায়।

আপনি জানেন না, ইসলামী-জোশ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে আপনার ঘরে ঢুকেছে বলেই, জানালা দিয়ে ধর্ম পালিয়ে গেছে। আপনি এখনো বিশ্বাস করেন না, বায়তুল মোকাররম মূলতঃ নিমের মেছওয়াক, আর আতর বেপারীদের জন্য তৈরী করা হয়েছিল, ইদানিং যারা কিস্তিটুপিও বিক্রি করে। আবার আপনার রাজনীতির ডিসকোর্সে টান পরলো, তাইনা? আপনার ধর্ম বিশ্বাস আর রাজনীতি এতো সহজে টান খায় বলেই, শরম ভুলে আপনি ড্রেনের পাশে শিশ্ন ঝুলিয়ে দেন; আর প্রকৃতির ডাক আধা-আধিতে পৌছালে বুঝতে পারেন- এত নির্ভার শান্তি পরস্ত্রীতেও লাভ করেননি। আপনি সিগারেটে টান দিতেই লুঙ্গিওয়ালা ময়লা দাঁতে হাসে এবং আর্কিমিডিসের মতো উল্লম্ফ আনন্দবার্তা ঘোষনা করে, 'ভাইজান, বাস আইছে।' আপনি ক্ষয়ে যাওয়া খাটো আঙ্গুলে বাসের হাতল ধরার আগেই আরো সুসংবাদ শুনতে পান, 'পিছে বাড়েন, সিট খালি।' বাসযুদ্ধে রাজ্য আর রাজকণ্যা লাভের আনন্দ নিয়ে আপনি আর লুঙ্গিপরা পাশাপাশি বসে থাকেন।

'ভাইজানের কোন অফিস?' লুঙ্গিওয়ালার পিতলা খাতির জমানোর চেষ্টায় আপনি বিরক্ত হলেও উত্তর দেন। কেন দেন উত্তর? আপনারা দু'জন একসাথে শ্যাওড়াপাড়া থেকে মতিঝিলে যাচ্ছেন বলে? না-কি কলেজে উঠে কার্ল মার্কস অধ্যয়ন করেছেন, সেজন্যে? মনে রাখবেন, মার্কস-এঙ্গেলস আপনার ফার্মগেটের ট্রাফিক পুলিশ না যে, আপনি না-ফস্কানো ট্রাফিক-জ্যামের আটকা গেঁড়োতে পড়বেন না। অবস্থাটা এমনই যে, কমরেড মণি সিংহ আর ভ্লাদিমির লেনিন বেতিয়েও ঢাকার সড়ক ব্যবস্থাকে মানুষ বানাতে পারবেন না। কোথায় লুকাবে দেঢ় কোটি পাকস্থলিওয়ালা এই শহর? এতকিছু ভাববেন না। শুধু মনে রাখুন, এই যান-সমাবেশ আগারগাঁও থেকে কান্দুপট্টিতে বিস্তৃত। সুতরাং লুঙ্গিপরার সাথে কথা বলুন, সময় কেটে যাবে।

'সিএনজি'র একটা লাইসেন্স বাইর করছি। নগদ ক্যাশ-টাকা দিলে আইজ-ই হাতে পামু।' লুঙ্গিওয়ালার গল্পের দানা পরতে শুরু করেছে মাত্র। আপনিও চালিয়ে যান; জীবনের কোনো অভিজ্ঞতা ফেলনা নয়। এই যে লোকটা কথা বলতে বলতে কোমরে হাত দিল, কি যেন খোঁজার চেষ্টা করল; আর কিছু একটাতে নিশ্চিত হয়ে আইডিবি ভবনের দিকে তাকিয়ে রইল- কি বুঝলেন এই ঘটনায়? যে লোক নগদ টাকা দিয়ে স্কুটার চালানোর লাইসেন্স আনতে যাচ্ছে, তার কোমরে টাকা থাকতেই পারে। লুঙ্গিপরা লোকজন ডঃ ইউনুসের নোবেল প্রাপ্তির খবর না শুনতে পারে, সৌদি যুবরাজ রূপালি ব্যাংক কিনলো কি কিনলো না- তাও না জানতে পারে; কিন্তু ঘুষের টাকা কোমরে বেঁধে মতিঝিলে যেতে পারবেনা, তাতো নয়!

আপনি বুঝে গেছেন, ডারউইনের লেজ-খসা বানরেরা- জনগণের মাথায় বসে কলা ছিলছে। কিন্তু এই লুঙ্গিপরাদের মতোই আপনিও বুঝেননি, রাজনীতিতে কে কার চামড়া ছিলে কতটুকু লবন ঘষছে; আর সে লবন আয়োডিনযুক্ত কি-না! আপনিতো রাজনীতির বাতচিতে হেরে গেলে ঘোষনা করেন, 'আমি কোন দল করি না।' তাহলে কি করেন আপনি? আপনি কি আব্দুল গাফফার চৌধুরী; রাজনীতির বিবেক? জানবেন যে, রাজনীতির বিবেকেরা টাইফয়েড আক্রান্ত, ডায়রিয়াগ্রস্ত এবং বাথরুমে পতনশীল। আপনার সাথে তাদের পার্থক্য এই, আপনার দারা-পুত্র-পরিবার এইসব রোগে ভুগলে দেশের গণতন্ত্রে বিদেশী সাহায্য জোটে এবং ওরা ক্বচিৎ আক্রান্ত হলে- মানুষ খুন হয়, দেশের সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট হয়। সেহেতু, সমাধান একটাই বিদেশী সাহায্য নিশ্চিত করুন এবং রাজনীতির বাথরুম অপিচ্ছিল রাখুন।

'ভাইজান কি টিফিন নিয়া অফিসে যান?' রাস্তার পাশে বস্ত্রবালিকাদের স্রোত এবং সাতদিনে মালয়েশিয়ার ভাষা শেখার বিজ্ঞাপন পাঠের চাইতে- লুঙ্গিপরা লোকটির আগ্রহ আপনার টিফিন-বক্সে গেল বলে অবাক হবেন না। দুনিয়ার অনেক মানুষই সকাল সোয়া-নয়টায় ভাত খায়, আর তাদের আগ্রহ ভাতকেন্দ্রিক জীবনযাপনে। আপনি এই কথার উত্তর না-দিন, অন্ততঃ টিফিন-বক্সটিকে লোকটির চোখের আড়াল করুন। খাবারে অন্যের চোখ গেলে পেট-খারাপ হয়, ভুলে যাবেন না। তার ওপর আপনি আমাশয়ের রোগী। শ্যাওড়াপাড়ার কোন মানুষটি আমহীন-প্রাতঃকৃত্য সারে, বলতে পারেন? জেনে আনন্দিত হবেন, দেশের মেজর জেনারেলরাও আপনার মতোই ফ্লাজিল ভক্ত।

বিজয় স্মরণীর মোড়ে মিছিল না-কি! না-কি পশ্চিম নাখালপাড়ার গার্মেণ্টস কর্মীরা দেলোয়ার হোসেন ঝণ্টুর ছবি দেখতে যাচ্ছে? এ শহরে যা-ই হোক, মিছিল জন্ম নেয়। এইসব মিছিল দেখে দেখে অভ্যস্ত বলেই- ধানমণ্ডির বত্রিশ নম্বর বাড়ীতে শেখ মুজিবের লাশ পরে থাকে; চট্টগ্রামের কোন এক টিলায় মেজর জিয়াকে পুতে রাখা হয়। আপনি জানেন, কিন্তু মানতে চান না, নিজের বউয়ের জন্য যে কারণে কেউ জামাই খোঁজেনা, সে কারণেই এদেশে কোন খুনের বিচার হয়না। আবার এটাও ভালোই বোঝেন, এসবের বিচার হলে রাজনীতি করবেন কি নিয়ে? তারচেয়ে বরং বঙ্গবন্ধুর লাশের ওজন জাতির জন্য বহনযোগ্য কি-না, আর শহীদ জিয়ার মাজারে কার কংকাল আছে- তা নিয়ে গবেষণা করুন, বিনোদন পাবেন। কার উঠানে কতো টিন লুকানো, কার ঘোড়া রিলিফের বিস্কুট খেয়ে মানুষ হয়েছে- এসব গল্প আপনি একদিন ভুলে যাবেন; কিন্তু জেলের ভেতরে খুন হওয়া চার নেতা- রম্বস হয়ে ঠিকই ঝুলে থাকবেন হাইকোর্টের দাড়িপাল্লায়।

'ভাইজান মিছিল আসে', লুঙ্গিওয়ালা আপনার চোখকে মিছিলে টেনে আনে বলেই- আপনি শংকিত হন। ইত্তেফাকের আট-কলামের হেডিংয়ে- মিছিলের মুখ ভালোই লাগে আপনার। কিন্তু সংবাদ শিরোনাম হওয়ার আতংক বড় করুণ, বড় দুঃসাহসের। সে সাহস নেই বলেই, আপনিও লুঙ্গিওয়ালার মতো পালাবার পথ হাতড়ান। পালাবেন কোথায় আপনি? সংসদ ভবনতো আপনার জন্য সংরক্ষিত নয়, চন্দ্রিমা উদ্যানো না। বরিশালের মাহবুবের মতো- প্লেনের চাকার খোলে লুকাবেন? সে পথও বন্ধ; ঢাকার উড়োজাহাজ কুর্মিটোলা পরিত্যাগ করেছে। সেহেতু, আজকের দিনের তাজা-খবর হয়ে ওঠার প্রস্তুতি নিন।

দেশের গণতন্ত্র আজো বুঝি বাথরুমে আছাড় খেয়েছে! লুঙ্গিপরা লোকটি আপনার আগেই এ দুঃসংবাদ আন্দাজ করে- জানালা দিয়ে লাফিয়ে নেমেছে রাস্তায়। কারা লুঙ্গিপরে মতিঝিলে যায়, জানেন না-কি? এসব লোকেরা জান হাতে নিয়ে পালিয়ে বাঁচে বলেই, বাসের সিটে হাজার তিনেক টাকা পড়ে থাকে। তুলে নিন না টাকাটা! ধরা পরে গেলে ট্রুথ-কমিশনে ফেরত দিয়ে দেবেন।

শুনুন, সময়মতো সীদ্ধান্ত না নিলে- আধলা ইট আপনার কপালে সুড়কি হবে। পালান। টাকাটা নিয়েছেন তো? আবার কি হলো? টিফিন বক্সটা খুঁজে পাচ্ছেন না! ওটা লুঙ্গির সাথে জানালা গলে পালিয়েছে। অবাক হবেন না, শ্যাওড়াপাড়ার লুঙ্গিওয়ালারা ভাতই চিনেছে শুধু।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ছোটগল্পবাথরুমে গণতন্ত্রের পতনে শ্যাওড়াপাড়ার মানুষেরা যা করেমোস্তাফিজ রিপন ;
প্রকাশ করা হয়েছে: গল্প  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৯
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: অসাধারন লেখছেন বস
মুগ্ধতা নিয়েএক শ্বাসে পড়ে ফেললাম
প্রিয়তে রাখলাম
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শান্ত।

৩. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১০
একরামুল হক শামীম বলেছেন: আপনার গল্প বরাবরই ভালো লাগে মোস্তাফিজ ভাই।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২২

লেখক বলেছেন: শামীম ভাই, প্রাণিত হই আপনার কমেণ্ট পেলে।

৪. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৫
শয়তান বলেছেন: অসাধারন সময়ের প্রতিবিম্ব ।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৮
ফারহান দাউদ বলেছেন: এই লেখাটা পড়ে মনে পড়লো,ব্লগে আপনার আগমন 'ছোট বচন' নিয়ে,এক বন্ধুকে বলছিলাম যে অনেক গল্পের মাঝে ছোট বচন হারিয়ে গেছে,এখানে মনে হলো সেটাই আবার সমষ্টি ধরে উদয় হলো।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২৫

লেখক বলেছেন: মাঝে মাঝে ছোট বচন লিখি। জমা হোক কিছু, এক সাথে পোষ্ট করবো। গল্পটা কেমন লাগলো ফারহান ভাই?

৬. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৭
ফারহান দাউদ বলেছেন: ঢাকাবাসীর প্রতিদিনের গল্প বললেন,কাজেই নিজের জীবনের সাথে মিলিয়ে নিতে অসুবিধা হয়নি।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফারহান।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪২

লেখক বলেছেন: প্রীত হলাম জেনে।

৮. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৮
এরশাদ বাদশা বলেছেন: ওরেব্বাপস্!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!:P

বস, আমি তো হাবুডুবু খেতে খেতেই লেখাটা পড়লাম!!!!!:D

সিম্পলি মাইন্ড ব্লোয়িং!!!!!!!!!!!!
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:০৭

লেখক বলেছেন: খুশি হলাম আপনার মন্তব্যে। অনেক খুশি।

৯. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৯
ডগরোজ বলেছেন: আপনার লেখাটা চমৎকার। বিশ্লেষণ অভাবনীয়। সেলাম।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:০৮

লেখক বলেছেন: আপনার জন্য শুভেচ্ছা রইলো।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৩৩
নাজিম উদদীন বলেছেন: আপনার লেখা বর্তমান সময়ের দর্পণ।

টিকিট সিস্টেম থাকার পরেও কি বাসে হাতলে ঝুলতে হয়?
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:২০

লেখক বলেছেন: টিকেট সিস্টেম বলেইতো, 'পিছে বাড়েন, সীট খালি।' আর এর আগেই বাসের হাতলের জন্য খামচা-খামচি করে আঙ্গুল ক্ষয়ে গেছে যে!

১২. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৪২
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: রাতে একটা স্বল্পঘুম দিয়ে উঠেই আপনার গল্প পেলাম। অপেক্ষায় ছিলাম অনেকদিন। অপেক্ষাশেষে প্রাপ্তিটাও অনেক। এটার কথন-স্টাইল দারুন লেগেছে। সাথে ঐ ছোট বচনের মতই টুকরা টুকরা কতগুলো উপমা-রূপক একেবারে পেরেকের মতো গেঁথে যাচ্ছে। আমি উৎসাহিত হই এমন লেখা পড়লে, অনেক আঁধারের মধ্যেও আশান্বিত হই যে আমি একদিন হয়তো এত উৎকর্ষভরা একটা লেখার মতো কিছু করতে পারবো।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:২৯

লেখক বলেছেন: আন্দালিব, আমরা রাজনীতির অর্থহীন অপচয়ের মধ্যদিয়ে জীবনপাত করি। একটা ঝাঁকুনি দরকার আমাদের। খুব বড় ঝাঁকুনি। কয়েকদিন আগে Blood Diamond- ছবিটা দেখলাম। আমাদের জীবনও সে ছবি থেকে আলাদা কিছু না। তারপরও আলো খুঁজি আমরা। নিয়ম করেই আলো খুঁজি।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, কাঁকন।

১৪. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৪৪
এস্কিমো বলেছেন: অনেক দিন পর একটা সুস্বাদু লেখা পড়লাম। প্রতিটি লাইনই উপভোগ্য। আপনার লেখনীর সাফল্য কামনা করছি।

ধন্যবাদ।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার শুভকামনায় অনুপ্রাণিত হয়েছি। ভাল থাকবেন।

১৫. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩০
না বলা কথা বলেছেন: বেশী প্যাচানো হইছে, অথবা আমার মাথা কাজ করে নাই, ২য় টা হইবার সম্ভাবানই বেশি।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৫১

লেখক বলেছেন: আপনার মাথার দোষ নেই; লেখাটাই প্যাচানো। আর বুঝতেই হবে এমন কোন কথাও নেই কিন্তু! (উত্তরেও প্যাচ দিলাম ;))

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: ওহে কবি, ম্যালা ধন্যবাদ।

১৭. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৬
নুশেরা বলেছেন: কী অসাধারণ একটা লেখা!
কেমন আছেন, রিপন ভাই?
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০০

লেখক বলেছেন: ভাল আছি নুশেরা। এই বেশ ভাল আছি!

১৮. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪১
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: কঠিন(জটিল) + কঠিন(একটু অমনযোগী হলেই ফস্কে যাবে) ।

এককথায় মর্টারশেল
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: খাইছেরে...

১৯. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৯
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: লেখাটা অন্যরকম। ভালো লাগলো হাসি পেল না কষ্ট লাগলো নাকি সবগুলোই বুঝতেসি না। অসম্ভব সুন্দর প্রকাশ।
অনেক ভালো লাগলো।
ভালো থাকবেন ধন্যবাদ।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন: আপনিও ভালো থাকবেন।

২০. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৫
অনিশ্চিত বলেছেন: বাথরুমে গণতন্ত্রের পতনে শ্যাওড়াপাড়ার মানুষেরা যা করে.. কী আর করবে! শেওড়া গাছের নিচে যায়, ভূত খোঁজে... ওদের মধ্যেও যা হোক একটা গণতন্ত্র আছে... সেটা দেখে আর আফসোস করে...
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৩

লেখক বলেছেন: আমরা কি সত্যিই কোন কিছু নিয়ে আফসোস করি?

২১. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২০
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: কয়েক লাইন পড়লাম...পড়ার আগ্রহটা বেড়ে গেছে কিন্তু সময়ের অভাব বলে সোজা সোকেসে তুলে রাখলাম এবং প্লাস
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম। সবটুকু পড়ে কেমন লাগলো জানালে খুশি হব।

২২. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬
পারভেজ বলেছেন: অনেকগুলি প্রসঙ্গ চলে এসেছে, কিছুটা সময় নিয়ে আবার পড়তে চাই। আপনার লেখার ধরণটা আলাদা করেই ধরা পরে।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: আসলে প্রসঙ্গ কিন্তু একটাই- এসব আমরা কী করছি! কোথায় দাঁড়িয়ে আছি আমরা?

সব কিছুর পরেও ভাল থাকুন; যতখানি ভাল থাকা যায়।

২৩. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৪
বিগব্যাং বলেছেন: আপনার ব্লগ আমি শুরু থেকেই নিয়মিত পড়ি...একটা বিশেষ ভয়ে কখনো কমেন্ট করার সাহস পাইনি (কিছুদিন যাবত কেবল চুপেচাপে প্লাস দ্যায়া শুরু করেছি)...কিন্তু এবার যেভাবে ফাটায়া ফালাইছেন, তাতে আর...আপনার সব লেখাই ভালো...আপনার সব লেখাতে (এইটাতে না) যে শিথিলায়ন / আচ্ছন্নতা সক্রিয় থাকে, তা তৈরি করা ও পাব্লিককে সেই গর্তে ফালায়া দেয়া; দুইটাই কঠিন কাজ (কারণ এই কাজ অতীতে অনেকে সাফল্যের সাথে করে ধরাধাম ছেড়েছেন, ফলে রিপিটেশনের ঝুকি থেকে যায়)...আপনি পুরা দশে দশ...আপনার স্টাইলটা হুবহু মুস্তাফিজ রিপনের স্টাইলের সাথে মিলে যায়...আপনার আগাগোড়া সাফল্য কাম্য...
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৮

লেখক বলেছেন:
কমেণ্ট করবার সাহস পাননি কেন? ভয় পেয়ো না, ভয় পেয়োনা তোমায় আমি মারবো না... :)

বরাবরই আপনার মন্তব্য আমি উপভোগ করি। আপনারও সফলতা আসুক।

২৪. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৭
বিগব্যাং বলেছেন: মুস্তাফিজ=মোস্তাফিজ (বানান ভুলের জন্য দুখিত)
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: এহেরে! আমায় এত 'দুঃখ' দিলি বন্ধুরে...

২৫. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৩
আরিফ জেবতিক বলেছেন: আরে দারুণ ! ডাইরেক্ট প্রিয় পোস্ট ।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: আরিফ ভাই, খুব সম্ভবতঃ আমার ব্লগে এটাই আপনার প্রথম মন্তব্য। খুব খুশি হয়েছি আপনাকে দেখে।

২৬. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৬
ফাহমিদুল হক বলেছেন: মোস্তাফিজ রিপন বাংলা কথাসাহিত্যের উদীয়মান কথক।

শিরোনামটায় শহিদুল জহিরের প্রভাব আছে কি? ভাষাভঙ্গীতেও? 'আগারগাঁও কলোনীতে নয়নতারা ফুল' বা এরকম একটা গল্প আছে তার।
একেকটি বাক্য খুব কমপ্যাক্ট, এবং এক প্রসঙ্গে স্থির থাকেনা। ফলে মূল 'গল্প'পাঠে ব্যাঘাত ঘটে। তবে মূল গল্প যদি কেবলই ‌'বাসে একজন লুঙওয়ালার সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং অগোচরে পারস্পরিক সম্পদ বিনিময়'মাত্র হয়, তবে বহুপ্রসঙ্গের অবতারণা হতেই পারে।

প্রসঙ্গের বিক্ষিপ্ততা কম থাকলে আরও ভালো হতো কিনা তাই ভাবছি।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৩

লেখক বলেছেন: ফাহমিদ ভাই, আপনার প্রথম মন্তব্যে কী বলবো! খুশি হয়েছি, আবার নিজেকে ধৃষ্টও মনে হচ্ছে।

'আগারগাঁও কলোনীতে নয়নতারা ফুল' আমার পড়া হয়নি। আসলে আমি এতই কম পড়েছি জীবনে, মাঝে মাঝে লজ্জাও লাগে।

গল্পটিতে অনেক প্রসঙ্গ এসেছে; আর প্রসঙ্গান্তরো ঘটেছে দ্রুত। এতে পাঠকের মনযোগ নষ্ট হতে পারে- আমি লিখতে লিখতে ভাবছিলাম কথাগুলো। কিন্তু এভাবে লিখে মজা পাচ্ছিলাম যে! মজা পাওয়ার লোভ সামলাতে পারিনি। আবার, আমার বাক্যগুলোও কেমন যেন দীর্ঘ হয়ে যায়! তবে, মনোযোগী পাঠকের প্রতি আমার আস্থাও কম নয়।

আপনার আরো কিছু নতুন গল্প পোষ্ট করুন না, প্লিজ।

২৭. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৬
বিগব্যাং বলেছেন: মজা হলো; শুধু শহীদুল জহির না...মনে করেন, মামুন হুসাইন বা পারভেজ হোসেন বা আরো কারো কারো কথা মনে আসতে পারে...ব্যাপার না...

"বিক্ষিপ্ততা কম থাকলে আরও ভালো হতো কিনা তাই ভাবছি। "

সেক্ষেত্রে বরং আমরা প্রভাব বিষয়ক অভিযোগ জোরেশরে করতে পারতাম...আমি বলতে চাচ্ছি, এর ফলেই এই লেখক শহীদুল জহির থেকে সামান্য ফারাকে...
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: এতই কম পড়েছি জীবনে! থাকিও পাণ্ডব-বর্জিত জঙ্গলে। আপনার কমেণ্ট পড়ে বুঝতে পারছি- গ্রেট মেন থিংক এলাইক :P

আসলেই অনেক পড়াশুনা করে হবে।

২৮. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৮
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: ব্লাড ডায়মন্ড দেখি মাঝে মাঝে, মুগ্ধ হয়ে। যে বিষে মানুষের হৃদয় কতটা ক্ষয়ে যেতে পারে, তারপরেও মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়েও মানুষ ভাঙে না! এটা আমাকে চমৎকৃত করে। আপনার লেখার "সারকাজম"-টোনটা অনেক তীব্র লাগলো। আবার পড়ছি, পড়ছি আর মুগ্ধ হচ্ছি।
লেখাটি কীভাবে রচিত হলো জানতে খুবই ইচ্ছা হচ্ছে!!:)
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন: 'আয়রনি'!

কিভাবে রচিত হলো? আমি জানিনা। হয়তো, রোজার দিনে সমবয়সী রিক্সাওয়ালার কালো চামড়া দেখে যে যুবক এইসব দিনরাত্রীর অর্থ খোঁজে; যে তরুণের কর্নেলকে কেউ চিঠি লিখেনা, যার কাঁধে বঙ্গবন্ধু ভারী লাশ হয়ে চেপে আছে, তারাই ঢুকিয়ে দিয়েছে বীজটি। কিংবা...; আমি জানিনা; সত্যিই জানিনা।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১২

লেখক বলেছেন: :)

৩০. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৭
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: রিপন সত্যি অসাধারণ.............
ব্লাড ডায়মন্ড ছবিটা খুবই ভাবিয়েছিলো.........
সবাই তো রিপন না যে তাদের লেখায় বেরিয়ে আসবে লাভার মত শব্দাবলী।
শুভকামনা.........সবসময়।
শুভেচ্ছা/
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাজি আপা। 'ব্লাড ডায়মণ্ড' যদি ভালো লেগে থাকে, 'হোটেল রুয়াণ্ডা', 'ডেথ ফিল্ড'ও ভালো লাগবে আপনার। দেখেছেন ছবিগুলো?

আপনার শুভকামনা অনুপ্রেরণা হয়ে রইলো।

শুভাশিষ জানবেন।

৩১. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২০
আরিফ জেবতিক বলেছেন: ভুল কিংবা অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য মনে হলে অগ্রিম ক্ষমাপ্রার্থী ।

.

গল্পভাষার বিষয়ে ফাহমিদুল হক এর সাথে একমত নই । দ্রুত প্রসঙ্গান্তর বরং এই গল্পে আমার কাছে বেশ স্বাভাবিকই মনে হয়েছে ।
হু , গল্পের ভাষা অনেকভাবেই পরিবর্তন করা যেতে পারে ।
খুব ধীরলয়ে শুরু করা যায় , " রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠেই যখন সোলেমান দেখে বাথরুমে পানি নেই , তখন তার মেজাজ খারাপ হয় না । দীর্ঘদিনের অভ্যাস তাকে এমনই করে রেখেছে , হঠাৎ যদি বাথরুমের কলে পানির শব্দ শোনা যায় , তাতেই বরং বুকের মাঝে এক ধরনের ভয় কাজ করে । মনে হয় , কী যেন ঠিক হচ্ছে না , কোথায় কী যেন আজকে সর্বনাশ হয়ে যাবে ।''

তারপর সেই সোলেমানকে ধীরে সুস্থে বাসে বসিয়ে পাশে একটা অটোরিক্সা চালককে বসিয়ে দিয়ে আমরা গল্পকে টেনে নিয়ে যেতে পারি ।
সেটাও স্বার্থক গল্প হবে ।

কিন্তু এই গল্পের টুইস্টটা এসেছে এক লাইনে , সেটা শেষ লাইন ।
আর এখানেই গল্পটি শহীদুল জহিরের প্রভাবমুক্ত হয়েছে পরিষ্কারভাবে । এই লাইনটির জন্যই আগে বেশ একটা অগোছালো ভাবে আগানোটাকে আমার কাছে সুন্দরই মনে হচ্ছে ।

আর নামকরনের বিষয়টি ? সেটা শহীদুল জহিরের সাথে মিলে যায় বটে , তবে এরকমতো অনেকেই লিখছেন আজকাল ।
এমন কি শাহনাজ মুন্নীর গল্প পড়েছি - আমি আর আজিম যখন আজিমপুর থাকতাম...এই নামে ।

আমার একটি গল্প একসময় আলোচিত হয়েছিল খানিকটা , তার নাম ছিল - মোহাম্মদ আলী একটু আগুন চেয়েছিল ।
তখন শহীদুল জহিরের গল্পভাষার সাথে আমি পরিচিত ছিলাম না ।

শহীদুল হয়তো এই ধারাটি শুরু করেছেন । তবে অনেকেই অজান্তেও আজকাল গল্প বা বইয়ের নামকরনে এ ধরনের নাম ব্যবহার করছেন । অন্যরা হয়তো সেই দূরবর্তী প্রভাবেরই ছাপ ।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৬

লেখক বলেছেন: আরিফ ভাই, প্রতিটা জীবন আমাকে টানে, প্রত্যেকটা দৃশ্য আমার নিখুঁত মনে হয়। ফাহমিদ ভাই এবং আপনার পর্যবেক্ষণগুলো আলাদা, কিন্তু আকৃষ্ট করবার মতো। গল্পের শরীরে কতটুকে কথার মেদ, কতখানি শব্দের পেশী যোগ হলে সুবিধে হয়- আমি বুঝতে পারিনা। সেবা প্রকাশনী আর বাংলা একাডেমীর 'টমস্যয়ারের দুঃসাহসী অভিযান' একেবারেই আলাদা ফর্মেটে লিখিত হলেও, আমি নিশ্চিত- যে কেউ পাঠ করে দু'টোতেই মজা পাবেন। দু'রকম মজা।

শুরুতে ছোট একটি গল্পের টুকরো; কার লেখা? খুব ভাল লাগলো।

বাংলা গল্পের নামকরনে একটা বদল এসেছে। এক শব্দের ডাকনাম উঠে অনেকের গল্পের নামে পুরো বাক্য ঢুকে গেছে। কবিতায়ও হয়েছে। খুব সম্ভবতঃ কবিতায় বড় নামকরনের প্রবণতা গল্পের আগে ঘটেছে। হুমায়ূন আজাদের অনেক কবিতায় এটি লক্ষ্য করা যায়। সে প্রায় দশক দুই-তিন আগের ঘটনা। গল্পের নামকরনের ক্ষেত্রে লিটল ম্যাগাজিনগুলোতে এটির প্রচলন, প্রবনতা উল্লেখ করার মতো।

৩২. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৩৬
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: একজন সম্ভাবনাময় গল্পকারের ১০০% উপস্থিতি টের পেলাম। অসাধারণ!!!!
গল্পের ভাষা হিসেবে আমি ব্যক্তিগতভাবে রবীন্দ্রনাথের 'লিপিকা' র স্টাইল পছন্দ করি। ফিচারেও তাই। কিন্তু আপনার গল্পের যে বিষয় তাতে মনে হয়েছে আপনি যে ভাষা রীতি ব্যবহার করেছেন তা অনেক বেশি উপযোগী, পাঠযোগ্য এবং মনোযোগ আকর্ষন করতে সক্ষম। আমি তো এক নাগাড়ে পড়লাম আজ এবং যতই পড়েছি ততই আগ্রহটা বেড়েছে।.........আগামীতে আরও আরও চাই...
......................................................................................
ভাল থাকবেন...।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম ভাই। নিজের ভাষা রীতি নিয়ে আমার বলার কিছু নেই। সবারই নিজস্ব ঘরানা থাকে। সব স্টাইলই অনুপম। মাঝে মাঝে হুমায়ূন আহমেদের ভাষা রীতির কথা ভাবি। বাংলা সাহিত্যে এত জনপ্রিয় রীতির খুব বেশী উদাহরণ নেই। তারপরও কেন যেন মনে হয়, বাংলা সাহিত্যে, অন্ততঃ বাংলাদেশের কথা সাহিত্যে- এর ব্যাপক কোনো প্রভাব পরবে, বা পরতে পারে।

রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পের ভাষা রীতি সব সময়ই ঈর্ষনীয়। তাঁর কথনের সরল, সরস এবং সফল ঢং-কে অতিক্রম করা অসম্ভব।

ভাল থাকুন। শুভ কামনা রইল।

৩৩. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:০৯
যীশূ বলেছেন: অসাধারণ শক্তিশালী লেখা!
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ যীশূ।

৩৪. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৬
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: লেখক বলেছেন: ...হয়তো, রোজার দিনে সমবয়সী রিক্সাওয়ালার কালো চামড়া দেখে যে যুবক এইসব দিনরাত্রীর অর্থ খোঁজে; ...

তব্ধা খেয়ে গেলাম!!:|:|
আলগোছে একটা লেখা লিখলাম আপনি সেটা এখানে জুড়ে দিয়ে আমাকে কৃতজ্ঞ করে রাখলেন!! :)
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৩

লেখক বলেছেন: আন্দালিব, একটা লিখেই এই অবস্থা আপনার; দশটা লিখুন, দেখুন কী হয়! ;)
(নতুন গল্পে হাত দিয়েছেন?)

৩৫. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৯
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: আপনি পারেনও!! গল্প লেখার চেষ্টায় আপাতত কবিতায় ক্ষণিক বিরতি দিয়েছি। ভাবলাম যেহেতু মনোযোগ দিতে হবে, পুরোটাই দেই। এখনও খুচখাচ চলছে। ঠিকমতো চেহারা দাঁড়ায়নি। :)

দশটা!! :-*
"সামবডি কিল মি প্লিজ!";)
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮

লেখক বলেছেন: লিখুন। আমি জানি, কবিরাই সবচে ভালো গদ্য লিখেন।

৩৬. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫
মাছরাঙ্গা বলেছেন: আমাদের মনের কথা খুব ভালভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫০

লেখক বলেছেন: গল্পটি পাঠের জন্য ধন্যবাদ।

৩৭. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৩
ফাহমিম বলেছেন: উইড়া গ্যালাম ভাইরে!
উড়াইয়া নিয়া গ্যালো!

আপনার খোঁজ আরো আগেই পাই নাই দেইখ্যা দুষ্ক লাগতাচে!
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: শুভাশিষ রইল।

৩৮. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৫
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: মোটা দাগে এই গল্পটিকে আপনার ছোটো বচনগুলোর একটি সংকলিত প্রকাশ হিসেবে আখ্যা দেয়া যেতে পারে; উপমা প্রয়োগের দক্ষতার চূড়ায় উঠে গেছেন আপনি রিপন ভাই, এ গল্পটি লিখে; দেখার বিষয় হচ্ছে চূড়ারও ওপরে আপনি কিভাবে ওঠেন।
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৮

লেখক বলেছেন:
মামাত, খালাত, চাচাত ভাই
অনেক ওপরে উঠে গেছি
আমায় একটু নামাত ভাই... ;)

৩৯. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৬
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: "বেলতলার ভূপেন"! হা হা হা...
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২১

লেখক বলেছেন: আমাগো একটা 'বেলতলা' আছে :) groups.msn.com/beltola

৪০. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১৬
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: চমৎকার.....অতীব চমৎকার..সাবজেক্টিভ টিউনটা ভালো লাগলো...
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৩

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য পেয়ে খুব খুশি হলাম। কেমন আছেন ভাই?

৪১. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:২১
আমি ও আমরা বলেছেন: অসাধারন, প্রীয় পোষ্টে টেনে নিলাম।
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। (আপনি এত ভাল লিখেন, অথচ নিজের নামে লিখেন না!)

৪২. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:২৯
মদন বলেছেন: অসাধারন, অসাধারন, অসাধারন...
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৮

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। অনেকদিন পরে আপনার দেখা পেলাম।

৪৩. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪০
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
অসাধারন । প্রিয় পোষ্টে গেল ।
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সিহাব।

৪৪. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪০
আমি ও আমরা বলেছেন: @@ছন্নছাড়া আর আপনার কথার মাঝে এটা বলে রাখি--- কবিরা ভালো গদ্য লিখতে জানে ঠিকিই কিন্তু সাহস করেনা। গদ্য লিখাটা অনেক অনেক কঠিন একটা কাজ। কবিতায় কিন্তু একটা উপমা দিয়ে আপনি পাঠক কে বলে দিতে পারেন-" নে বাবা এবার ভাবের সাগরে ডুব দে, তোর মত করে ভাব" । কিন্তু গদ্যে লাগে অনেক গবেষনা, ওখানে পাঠক কোন অন্ধ ভাবে বেড়াতে যাবেনা, তারা চাইবেন একটা একোষ্টিক চিন্তা।

ধরুন একটা উদাহরনঃ

আমি যদি কবিতায় বলি----

"আলতো ছোঁয়ায় লজ্জাবতী লাজুক ঘোমটা টানে
পা বাড়ী মুখী------------
ক্ষনিক দাম্পত্য ডুঁকড়ে কাঁদে"

এখানে পাঠক অনেক ভাবনার পাখি পেয়ে যাবে।

কিন্তু গদ্য তে লিখতে যান ---
ওখানে অনেক প্রশ্ন এসে দাঁড়ায় কিন্তু।

তাই গদ্য অনেক কঠিন লাগে আমার কাছে।

যেই কঠিন কাজ আপনি করে দেখালেন।


*** নিজের নামে লিখিনা কেন? আমি ও আমাদের জন্যই ত সব তাইনা। কোন একদিন এই ওপেন স্পেস থেকে বেড়িয়ে লিখতে গেলে তখন নিজের নাম দেব। আপাতত আপনাকে আমার নাম জানাই। আমি বাপ্পী।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০৩

লেখক বলেছেন: বাপ্পী শব্দের একটা মানে- 'দীঘি'। নামটা বেশ।

কবি অল্প কিছু শব্দে, কথায় 'রস' টেনে আনেন, আর পাঠককে তাতে আপ্লুত করেন। বিষয়টি দারুন কৌশলময়। এই রস কবির গদ্যেও থাকে।

আপনি কবিতার যে তিনটে লাইন তুলে দিয়েছেন, ভেবে দেখুন- তাতে কতগুলো দৃশ্য আছে। গদ্যে এই দৃশ্যকল্পের বিস্তার আলাদা হবে বৈকি! কিন্তু, গদ্যের দৃশ্যকল্পে এই উপামাগুলো একজন কবিই সবচে' ভালো ব্যবহার করতে পারবেন। মানে আমি বোঝাতে চাইছি, লাগসই উপমা ব্যবহার, আর সরস গদ্য রচনায় কবিরা এগিয়ে থাকেন।

৪৫. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০৭
আমি ও আমরা বলেছেন: তা মানছি। আমি তো বলিনি কবিরা গদ্য লিখবেনা-- কিন্তু ভাবুন তো কাজ টা কত কঠিন। কত গুলো চিত্র তুলে আনতে হবে তাহলে।
এবং অবশ্যই তা আবার পাঠকের বোধগম্য হতে হবে।
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১১

লেখক বলেছেন: কাজটি কঠিন। কিন্তু কবিদের হাতে উপমার মশলাপাতি ঠিক জায়গাতে পড়বে, বিচিত্র কী!

৪৬. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৭
আকাশচুরি বলেছেন: প্রিয় রিপন ভাই
অনেকদিন পরে ব্লগে এসে নিজেকে খুব ঠকে যাওয়া মনে হচ্ছে! :)
এ্যাতো অসাধারন সব লেখা গুলো মিস করেছি!!

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২০

লেখক বলেছেন: তারেক ভাই, এভাবে ডুব দেয় মানুষ! আমি যে কতবার আপনার ব্লগে ঢু দিলাম, ইয়ত্তা নাই। :(

৪৭. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২০
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: অসাধারণ!

আগে শুধু আপনাকে চিনতাম উপমা প্রয়োগের মুন্সীয়ানায়।এবার পেলাম পুরো চারপাশ
-টাকে আটোসাটো করে এক ব্যাক্তির অফিসযাত্রায় বেধে ফেলতে।

অপূর্ব কম্বিনেশন।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শিমুল। আপনার মন্তবে অনুপ্রাণিত হলাম দারুন ভাবে।

৪৮. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:৫৬
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
ব্লগে কম আসা হয় বলে সপ্তাহখানেক পরে পোষ্টটি পড়লাম।:(

রিপন ভাই আপনি তো আমাকে স্তব্দ করে দিলেন।
এতো সুন্দর করে কিভাবে লিখতে পারেন সেটা ভেবে ঈর্ষা করতে ইচ্ছে করছে।:(

সোজা প্রিয় পোষ্টে।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:৫৮

লেখক বলেছেন: ইমন ভাই, আপনাকে মিস করছিলাম। খুশি হয়েছি আপনার মন্তব্য পেয়ে।

৪৯. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:২২
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
মাঝে মাঝে এরকম অনন্য সাধারণ কিছু গল্প যখন ব্লগে পড়ি,
মনে হয়, ব্লগের এই ভার্চুয়াল কাদাছোঁড়াছুঁড়িতে যে কখনও নিজের
গায়েও কাদা লেপটে নেই, কাদা ছুঁড়ি অন্যের গায়ে, সেটা আসলে একদম
বৃথা না । সার্থক ।

এরকম গল্পগুলো পড়তে পারাই তার সার্থকতা ।

স্যালুট রিপনদা ।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৯

লেখক বলেছেন: শিপন ভাই, আপনার মন্তব্য পেয়ে খুশি হয়েছি।
ভালো থাকুন।

৫০. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৭
একরামুল হক শামীম বলেছেন: নতুন লেখা পড়তে আসছিলাম। কিন্তু :(
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:৩৭

লেখক বলেছেন: লিখতেছি। শম্বুক গতিতে। :)

৫১. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:৫৬
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: অফটপিক ১: ওরেরেরে... ডঙ্কা বাজাই তাইলে! লেখা আসতেছে! :)


অফটপিক ২: তড়িৎডাক পাঠিয়েছিলাম, পাননি?
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: উত্তর আসি-তে-ছে! শম্বুক গতিতে। :P এত আইলস্যা আমি!

৫২. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৪৮
আবুল বাহার বলেছেন: এক কথায় চমৎকার , প্রিয়তে রাখলাম ।

ভালো তাহকবেন শুভ কামনা রইলো ।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আবুল বাহার।

৫৩. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৮
সাইফ মিরাজ বলেছেন: ভাই অসাধারন লেখা।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মিরাজ।

৫৪. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৩১
আদৃতা আবৃত্তি বলেছেন: এতো ভাল গল্প পড়ে পটে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকে না...হা হা
...................................................................................
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১৮

লেখক বলেছেন: :)

৫৫. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৩৩
দৌবারিক বলেছেন: একটা ঝড়। গল্প শেষে ঝড়টা থামল। কিন্তু মাথার ভিতর এখনো চলছে।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১৯

লেখক বলেছেন: দারুন করে বললেন কথাগুলো। সুন্দর।

৫৬. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৪৫
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: পাঁচদিনেও পৌঁছুলো না? এ কী শামুক রে বাবা!

আসছিলাম, লেখা নাই দেখে গুতো দিলাম। কথাবাজের কথা শুনতে চাই।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১৯

লেখক বলেছেন: মুখোমুখি, বেড়ালের পাশে বসে

৫৭. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১০
শান্তির দেবদূত বলেছেন: ও মাই গড !!!!! অসাধারন !!!! অপূর্ব !!!! এ মাস্টার পিস্ !!!!!

প্রতিটা বাক্য অন্তরের অন্তঃস্হল থেকে উপভোগ করেছি !!!!!!!
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দেবদূত। আপনার মন্তব্যে খুশি হয়েছি।

৫৮. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৭
সবুজপাতা বলেছেন: খুবই ভাল হয়েছে ।প্রতিটা বাক্য অন্তরের অন্তঃস্হল থেকে উপভোগ করেছি
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সবুজ পাতা।

৫৯. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৪
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: দূর্দান্ত লেখা । এটা এতদিন পরে পড়লাম !!!!! +++++
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:২১

লেখক বলেছেন: বিমা, দেরী করে মন্তব্যের জবাব দিচ্ছি বলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। কেমন আছেন আপনি?

৬০. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪১
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: এতদিন পর পড়লাম এইটা?? মুগ্ধ হইছি।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাসুম ভাই।

৬১. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৯
মাহিরাহি বলেছেন: এক কথায় অসাধারন
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১২

লেখক বলেছেন: মাহিরাহি, খুশি হয়েছি আপনার মন্তব্য পেয়ে।

৬২. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৮
ফাহমিম বলেছেন: আবার পড়লাম।আবার মুগ্ধ হলাম।

আমাদের একটা ছোটখাটো ফোরাম আছে।টিউন্সবিডি নামে।আপনার অনুমতি থাকলে ওখানে লেখাটা শেয়ার করতাম।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৬

লেখক বলেছেন: ফাহমিম, টিউন্সবিডিতে লেখাটা প্রকাশিত হলে খুশি হব।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ওমর।

৬৪. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২৬
সুবিদ্ বলেছেন: অদ্ভুত সুন্দর হয়েছে.....
৬৫. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১০
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: সুবিদ, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
৬৬. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:১৫
হাসান মাহবুব বলেছেন: এই গল্প আমি আগে পড়িনাই!+++++
আমিও টুকটাক গল্প লিখি,আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকলাম।
Click This Link
Click This Link
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:১৯

লেখক বলেছেন: হাসান মাহবুব, শুভেচ্ছা জানুন।

৬৭. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩
ছু-মন্তর বলেছেন: অদ্ভুত!! ++++++++++++++++++++++
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬৮. ০৫ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:২০
আহমেদ রাকিব বলেছেন: নতুন ব্লগার হওয়ায় পুরাতন লেখা খুঁজে খুঁজে বের করতে হয়। এই অসাধারন লেখাটা না পড়লে একটা কিছু বাকী থেকে যেত। এখন পর্যন্ত খুব খুব বেশি লেখা পড়িনি। তবে যা পড়েছি তার মধ্যে এটাই সেরা। ধন্যবাদ লেখককে। ভাল থাকুন আরো ভাল ভাল লেখা লিখুন।
০৪ ঠা জুন, ২০০৯ ভোর ৬:০৩

লেখক বলেছেন: রাকিব, আপনার জন্য শুভেচ্ছা।

৬৯. ০৫ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৩০
বাঙ্গাল বলেছেন: ব্যাপক। পুরাডা পরে পড়ুম। প্রিয়তে স্টোর করলাম।
০৪ ঠা জুন, ২০০৯ ভোর ৬:০৪

লেখক বলেছেন: :)

০৪ ঠা জুন, ২০০৯ ভোর ৬:০৬

লেখক বলেছেন: গল্পটি ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম।

৭০. ০৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:৫০
বাঙ্গাল বলেছেন: অসাধারন...অসাধারন...অসাধারন...
০৪ ঠা জুন, ২০০৯ ভোর ৬:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রোহান।

৭২. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:০২
শাদা-অন্ধকার বলেছেন: আপনার লেখার একজন ভক্ত আমি।সহসা কমেন্ট করার আস্পর্ধা দেখাইনা-- কোনো লেখাতেই; কারো লেখাতেই। তবে এটি বেশি ভালো লেগেছে বলে নিজেকে সংযুক্ত করার লোভ সামলাতে পারলাম না।

পড়তে অনেক দেরী করে ফেলেছি।

"অসাধারণ"।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩২

লেখক বলেছেন: আপনার নামটি বেশ! শাদা-অন্ধকার!

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: :)

৭৪. ১৪ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৫৩
মনির হাসান বলেছেন: দিলাম একটা ঠেলা ... ব্লগ জীবনের প্রথম সপ্তাহেই ওয়াচ অবস্থায় এটাকে শোকেসে নিয়াছিলাম ।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মনির ভাই।

৭৫. ১৪ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২০
অন্যরকম বলেছেন: গল্পটা আগেই পড়ছিলাম! + ও দিয়েছিলাম.... শুধু কমেন্ট করা হয়নি। আজকে সেটাও করলাম! অসাধারণ!
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: খুব খুশি হয়েছি আপনার মন্তব্য পেয়ে।

৭৬. ১৪ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯
আকাশ অম্বর বলেছেন: ইহা কি উপায়ে রচনা করা সম্ভব !!




ধন্যবাদ।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা রইল।

৭৭. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০৬
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: এই গল্পটা পড়ার প্ল্যান করছিলাম সাতমাস ধরে, কিন্তু কেন যেন পড়াই হচ্ছিলনা। যাইহোক, ৭মাস দেরিতে পড়ায় আকর্ষণটা ৭মাস ধরেই সজীব ছিলঅ, এটাও কিন্তু একটা পজিটিভ দিক!!
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: ওহে পাই-যুবক, শ্যাওড়াপাড়ায় যে! :)

৭৮. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩
ভুল জন্ম বলেছেন: আপনার লেখার মধ্যে জর্জ অরওয়েল-এর গন্ধ আছে ব্যপক আকারে . . . শুরুতেই মনে হয়েছিল . . . মার্ক্স-এঙ্গেলস জুটির অবতারনায় সেই ধারণা বদ্ধমূল হল . . .

সত্যজিত রায়ের মত আমারও বলতে হচ্ছে . . . আনপুটডাউনেবল . . .
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: এককালে 'এনিম্যাল ফার্ম' পড়ে খুব উত্তেজিত ছিলাম। কে না জানে, রাষ্ট্রযন্ত্র আর রাজনীতির মধুর খোঁয়াড়ের গল্প! আমাদের খোঁয়াড়খানা একটু বেশী দুষিত!

অরওয়েল কিন্তু সমাজতন্ত্রকে ব্যাঙ্গ করে এটি লিখেছিলেন।

৭৯. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৯
কার্ল মার্কস বলেছেন: সামুতে এই প্রথম কোন লেখা এবং মন্তব্য আমার মনকে প্রফুল্ল করে তুল্ল। আপনার এই লেখা "ঝাকুনি"র জন্য কোন লিটল ম্যাগ বা এজাতিয় মাধ্যমে প্রকাশ হওয়া জরূরী।

চালিয়ে যান, শুভ কামনা রইলো।
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: আপনার জন্যও শুভ কামনা রইলো...

৮০. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৫
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: কি বলবো????



দায়সারা কমেন্ট করি....চমৎকার গতি।
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: অরূপ তোমার বাণী...

৮১. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৩
চতুষ্কোণ বলেছেন: সম্ভবত এই প্রথম আপনার কোন লেখা পড়লাম। এক কথায় অসাধারণ। আমি নুশেরা আপুর লেখার অন্ধভক্ত। মনে হচ্ছে ব্লগে আরেকজনকে পেলাম যার লেখা মুগ্ধতা নিয়ে পড়ব। বাকি লেখা গুলোও পড়বার ইচ্ছে রইল। ভালো থাকুন।


অট। রাকিবকে ধন্যবাদ অসাধারণ একটি গল্পের সন্ধান দেয়ার জন্য।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: লিখব লিখব করেও আপনার মন্তব্যের উত্তর দেয়া হয়নি এদ্দিন।

কী বলব... খুশি হয়েছি আপনার কথায়...

:)

৮২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৩
হাসান মাহবুব বলেছেন: ব্লগে যখন প্রথম আসি তখন এই লেখাটা নিয়ে খুব আলোচনা, মাতামাতি ছিলো। অনেকের প্রিয় পোস্টের প্রথমদিকে দেখতাম গল্পটা। তখনই ঠিক কর্সিলাম গল্পটা পড়ব সময় নিয়ে। অবশেষে আজকে পড়লাম।

হলুদ তারকা দাগাইলাম।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: গল্পটা যখন লিখছিলাম, তখন ফখরুদ্দিনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার খুব তেজের সাথে এরে-তারে জেলে ঢুকাইতেছিল। আর আমরাও যথারীতি টাস্কির ওপর টাস্কি খাইতেছিলাম। চেনা রাজনীতিবিদের চৌর্যবৃত্তির কাহিনী শুনতে শুনতে মনে হইছিল, 'চোরের দশদিন আর গৃহস্তের ...।'
তো, সেই সময়ে অনেকেই একটা বিশেষ ভাবে ছিল বইলা আমার এই আবজাব লেখাটারে শো-কেসে তুলছিল। শো-কেস খালি করার কালে এই গল্প প্রথম ডিলিট খাবে, আমি শিওর। আহারে সেই ভাবও নাই, সেই মারদাঙ্গা গল্প লেখার জোশও নাই। সাকাচৌ মইনুদ্দিনরে জেলের ভাত খাওয়াতে নাকি মামলা করব, আজকের পেপারে দেখলাম। আমি মনে মনে ভাবি, এই জীবনে কতকিছুই না হেরিনু!!

৮৩. ০৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:০০
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন: গল্পটা আজ আমি প্রথম পড়লাম এজন্য এক ছোট ভাইয়ের কাছে কৃতজ্ঞ।সে বলেছে তার এই গল্প অসংখ্য বার পড়েও মন্তব্য করার সাহস হয় নি।সত্যি কথা বলতে আমারও হচ্ছে না।

কিছু লেখা স্তব্ধ করে দেয়,নির্বাক করে দেয়,আমার মনে আছে যখন জীবনের প্রথম আমি রুদ্রকবির বাতাসে লাশের গন্ধ এবং মলয় রায় চৌধুরীর প্রচন্ড বৈদ্যুতিক ছুতার পড়েছিলাম।আমি স্তব্ধ ও নির্বাক ছিলাম অনেকক্ষন।আজ আবার এই রকম বোধ হল।আপনাকে স্যালুট রিপন ভাই।

কোন পেলব প্রশংসাবাক্য এই লেখাকে জাস্টিফাই করতে পারে না।আমি এই স্পর্ধাও দেখাব না।

শুধু এটুকু বলি দেশ যখন কোষ্টকাঠিন্য আক্রান্ত সত্তর বয়সীর পায়ুপথে আটকে থাকা পেট্মমোটা পুরীষের মত ঝুলে আছে তখন আমরা প্রথমে চরম উৎকট গন্ধ এড়াতে নাঁক আটকাই এবং অতঃপর বৃদ্ধকে গালিগালাজ করে প্রস্থান করি।বৃদ্ধের সামান্য ঔষুধ সরবরাহ করার চেয়ে তাকে দুর্গন্ধময় জীবনের পাট চুকানোর অভিশাপ প্রদানই আমাদের মূল লক্ষ্য।

এগুলো পড়লে নিজেকে থুতু দেওয়ার ইচ্ছা জাগে এবং থুতু দিয়েই খানিক সান্তনা দেই।

ধন্যবাদ রিপন ভাই।
১৬ ই মে, ২০১০ সকাল ৯:২৩

লেখক বলেছেন: অমিত, রাষ্ট্রের প্রচলিত ধারনাটি বাংলাদেশ প্রসঙ্গে প্রায় অচল। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বাসিন্দারাও নাগরিক সংজ্ঞায় আরেক কাঠি জটিল। ধর্ম, রাষ্ট্র আর রাজনীতিকে আমরা এমনভাবে গ্রহন করেছি যে, এই তিনের আলাদা কোনো অস্তিত্ব নেই এখন আমাদের কাছে।

৮৪. ১০ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:০১
তানিয়া মুন বলেছেন: এই শ্যাওড়াপাড়ায় পৌঁছেই আপনি ভুলে যান- যুদ্ধাপরাধীনামক চর্মরোগের কথা। শীতকালে, আর নির্বাচনের আগে এই রোগের প্রকোপ এতোই প্রবল হয় যে, আপনি নিজের পিঠ বাঁচানোর ভুলে- খ্যাস খ্যাস করে দেশের চামড়া তুলে ফেলেন; নিজেকে দেশপ্রেমিক ভাবেন। নৌকা-দাড়িপাল্লার কোলাকুলিকে লুঙ্গিপরা লোকজনের কাছে রাজনৈতিক কৌশল বলে প্রচার করেন বলেই, আপনার পিঠে স্বাধীনতাবিরোধীরা লাথি মেরে মজা পায়।

+++
১৬ ই মে, ২০১০ সকাল ৯:২৪

লেখক বলেছেন: প্লাস গৃহীত হলো।

১৬ ই মে, ২০১০ সকাল ৯:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮৬. ১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:৩১
হাম্বা বলেছেন: অনেক অনেক ভাল লাগল,

অর্থহীন কমলালেবুর পিঠে ঘরকুনো গাছ


১৬ ই মে, ২০১০ সকাল ৯:২৬

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৮৭. ১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:৫৩
প্লাস_মাইনাস বলেছেন: ওওওওওওরে বস আগুন আগুন +++++ :D
১৬ ই মে, ২০১০ সকাল ৯:২৬

লেখক বলেছেন: :)

৮৮. ১৫ ই মে, ২০১০ রাত ১১:০৬
ভাঙ্গন বলেছেন: গল্পটা পড়বো বলে অনেকবার প্রচেষ্টা নিয়েও সময়ের কারণে পড়তে পারিনি। আজকে পূর্ণ মনোযোগে পড়লাম।
অসাধারণ বনর্নাভঙ্গি আর উপমায় মিশেল অনবদ্য গল্প।
দারুন।
১৬ ই মে, ২০১০ সকাল ৯:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাঙন। আপনার মন্তব্য পেয়ে খুশি হলাম।

৮৯. ১৬ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৬
শামীম শরীফ সুষম বলেছেন: অসাধারণ লিখেছেন ....খুব ভালো লাগলো , খুব
২৮ শে মে, ২০১০ রাত ৩:০০

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা শামীম শরীফ সুষম।
(আপনার নামে এত্তোগুলি 'শ'!)

৯০. ২৬ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:০৫
নেক্সাস বলেছেন: সামু তে এ যাবতকালে পড়া এটাই আমার চোখে শ্রেষ্ঠ লিখা।
সামু যদি পুরোটাই এইরকম সৃজনশীল লিখার প্লটফরম হত তাহলে খুব ভাল লাগত।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৪৬২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অর্থহীন কমলালেবুর পিঠে ঘরকুনো গাছ
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ