আমার প্রিয় পোস্ট

mostafizripon@gmail.com

ছোটগল্পঃ কাঠকয়লায় আঁকা

১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২১

শেয়ারঃ
0 9 0



একবার একটা লোক খুব ঝাঁপসা হয়ে গেল। আমরা ইরেজার দিয়ে ঘষে ঘষে মানুষটিকে ঝাঁপসানো থেকে বাঁচালাম। লোকটির মুখ ছিলনা। আমরা সেটি মুছে দিয়েছিলাম। ইচ্ছে করে নয়, মুছে ফেলার ঝোঁক চেপে বসলে কে-ই বা মানুষের মুখ মনে রাখে? তবু কে যেন কাঠকয়লা দিয়ে লোকটির চোখ এঁকেছিল। গোল গোল চোখ; একটা ছোট, একটা বড়। চোখ দুটো একটু বিচ্ছিরি হলেও ভ্রু আঁকার কাজটি ছিল বেশ নিখুঁত। বিউটি পার্লারের মেয়েরা ভ্রু প্লাক করে তাতে আবার যেমন করে ভ্রু এঁকে দেয়, ঠিক তেমন। বেশ সুন্দর; অনেকটা রুনা লায়লার মতো! অতএব কপালগামী টানা টানা ভ্রুর নীচে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকা ছাড়া লোকটির আর কোনো কাজ ছিলনা। উপায়ও ছিলনা। গোল গোল চোখ, আর টানা টানা ভ্রু নিয়ে লোকটি পাড়ার বউ-ঝিদের দেখত, ছেলেপুলেদের দেখত, সামাদ মিয়ার মাদি কুকুরটাকে দেখত, মেঘ মেঘ আকাশ দেখত, এক ঝাঁক জালালি-কবুতর দেখত, আর দেখত করমচা ঝোঁপের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ছিপছিপে একটা সুপুরিগাছ।

ভ্রুর কারসাজিতে লোকটি সবকিছু দেখত বিস্ময় নিয়ে। সে মানুষের ডান হাতের পাঁচ আঙ্গুল দেখে অবাক হতো, বা হাতের পাঁচ আঙ্গুল দেখেও অবাক হতো। আবার নিজের দুই হাতের দশ আঙ্গুল দেখত চরম বিস্ময় নিয়ে, যেন মানুষের আঙ্গুলের মতো অদ্ভূত বস্তু জীবনেও সে দেখেনি।

লোকটির অবাক হওয়া দেখে দেখে একসময় আমরা বিরক্ত হয়ে পড়লাম।

কপালগামী ভ্রুর হাত থেকে বাঁচতেই কে যেন তার চোখে একটা সানগ্লাস এঁকে দিল। কালো । সানগ্লাসের আড়ালে লোকটির বিস্ময় ঢেকে- আমরা রোদ খুঁজলাম। মিকাইলের কালো ভেড়ার পাল তখন পশ্চিমের খোঁয়াড়ে ছুটছিল। মেঘ মেঘ আকাশ। এমন বৃষ্টির দিনে সানগ্লাস বোধহয় বেমানান। আমরা তাড়াতাড়ি ইরেজার দিয়ে আকাশের কালো মেঘ মুছে দিলাম। সানগ্লাসের সাথে মানানসই ঝক ঝকে রোদ চাই।

মেঘ মুছে ফেলতে ফেলতে নীল আকাশও মুছে গেল খানিকটা। ইচ্ছে করে নয়, মুছে ফেলার ঝোঁক চেপে বসলে কে-ই বা আকাশের কথা মনে রাখে? কেউ কেউ বলল, ওগুলো ওজন স্তরের ফুটো, আছে থাকুক। তবু কার যেন নিখুঁত একটা আকাশের জন্য মন কেমন করে উঠল। সে বেশ যত্ন করে কাঠকয়লা দিয়ে আকাশ আঁকল, একটা সূর্যও আঁকল দিগন্তের কাছাকাছি, যেখানে একঝাঁক পাখি উড়ছে।

সানগ্লাসের উপযুক্ত রোদ হলেই চলত আমাদের; ফুল-পাখি-লতা-পাতার কোনো দরকার ছিলনা। কে যেন ‘'মরা রোদ'’ বলে মাঝ আকাশে আরেকটা সূর্য এঁকে- দিগন্তের সূর্যটাকে আঙ্গুল দিয়ে ঘষে ঘষে মুছে দিল। ছোটবেলায় অংক-খাতার পৃষ্ঠা কাটাকুটি আর মোছামুছিতে যেমন ফেঁসে যেত, আকাশটার দশাও তেমন হলো একসময়। দিগন্তের ফুল-পাখি আর মাঝ আকাশের সূর্যের নীচে লোকটি সানগ্লাস চোখে বসে রইল প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মতো। এই বেশ ভালো; কেউ সারাক্ষণ কপালে ভ্রু তুলে বসে আছে- দেখতে হচ্ছেনা!

তাতানো রোদে ভ্রুর বিস্ময় কালো কাঁচে ঢেকে দিয়ে আমরা আকাশের দিকে চেয়ে রইলাম।

আরেকটু ঘষা-মাজা হলেই সাত আসমানের আরশ জয়তুন বানুর গোয়াল ঘরে আছাড় খাবে। আরশ বাঁচানোর জন্যই হোক আর জয়তুন বানুর গোয়াল ঘরের শোকেই হোক- আমরা আকাশের ফুটো মেরামতে মন দিলাম। কাজটি সকলে পারেনা; শুধু সুফিয়া কামালের মতো খালাম্মারাই নিখুঁত আকাশ সেলাই করেন।

সানগ্লাস চোখের মানুষটিকে খুব ভাল লাগল আমাদের। ঝামেলা কম।

দেখতে দেখতে কালো চশমার মানুষটি খুব রহস্যময় হয় উঠল আমাদের কাছে। কোন অভিব্যক্তি নেই, আনন্দ-শোক কিংবা বিস্ময় নেই; যেন কিছুতেই কিছু এসে যায়না তার; নির্ভেজাল নিঃস্পৃহ মানুষ। এইতো চাই! কালো চশমার আড়ালে লোকটি হয়তো সামাদ মিয়ার বউকে, অথবা তার মাদি কুকুরটাকে দেখল। আমরা সামাদ মিয়াকে আড় চোখে দেখলাম এবং সামাদ মিয়া কড়া চোখে সানগ্লাসওয়ালাকে দেখল। বিসম্বাদ ওটুকুতেই আটকে রইল দেখে- আমরা মনে মনে হাততালি দিলাম। সেদিনই সামাদ মিয়ার বউটি প্রথমবারের মতো চেলাকাঠের পিটুনি এড়িয়ে পুকুরে নাইতে গেল।

সামাদ মিয়া নিজের বউকে বিশ্বাস করত না, কিন্তু কুকুরটাকে বিশ্বস্ত ভাবত খুব।

একদিন লোকটির চোখের সামনে দিয়ে হরিনাথ ঘোষের বউ বাপের বাড়ী চলে গেল, জয়তুন বানুর লায়েক ষাঁড় রাতেও গোয়ালে ফিরল না এবং পরেরদিন ছাল-ওঠা এক সারমেয় সামাদ মিয়ার মাদি কুকুরে উপগত হলেও- সে চশমার আড়ালে চুপচাপ বসে রইল; যেন সে তিন তাসের জুয়ারী, চোখের পাতা এদিক-সেদিক হলেই তার টেক্কা মার খাবে রুহিতনের পাঞ্জার কাছে।

মানুষটির নির্বিকার সানগ্লাস আমাদের অসহ্য ঠেকল একদিন।

যার ভাল-মন্দে কিছুই এসে যায়না, তাকে কতক্ষণ সহ্য হয়? আমরাও বিরক্ত হয়ে উঠলাম একসময়। দরকার নেই বাবা তোমার নিঃস্পৃহতায়! অনেক হয়েছে! প্রতিক্রিয়াহীনতা একঘেয়ে হয়ে উঠলে প্রতিক্রিয়াশীলদের কাঁধে তুলে নেই আমরা। বিনোদন চাই, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার তীব্র-তীক্ষ্ণ বিনোদন।

একদিন ভরদুপুরে কে যেন লোকটার সানগ্লাস মুছে দিল। সানগ্লাসের সাথে সাথে লোকটির চোখও মুছে গেল আরেকবার। দরকার নেই ঝামেলার। চোখ মুছলেও লোকটির ডান চোখের ভ্রু খানিকটা রয়ে গেল কপালের কাছে। থাকুক। চক্ষুহীনরা ভ্রুহীন হবে- এমন কোনো কথা নেই। সব অন্ধদেরই ভ্রু থাকে।

এখন লোকটি যেন পরিত্যক্ত ক্যানভাসে আঁকা একটা মুখোশের লে-আউট; যেন কোনো এক দুষ্ট বালক সেখানে আধখানা ভ্রু এঁকে পালিয়েছে। তাকে আমাদের একটুও ভাল লাগল না। ঘষা-মাজাতে তার চেহারাটি উত্তরোত্তর বাজে হয়ে উঠছিল- ভাল না লাগার ব্যাপারটি সেজন্য ঘটতে পারে। কিংবা আমাদের একজনের দেখাদেখি আরেকজনের মধ্যে অপছন্দের জ্যামিতি ঢুকে পড়েছিল হয়তো! তবে, একদিন লক্ষ্য করলাম, লোকটিকে ভাল লাগেনা, এই বিষয়টিই ভাল লাগে আমাদের। লোকটির মুখোশ, অথবা অর্ধেক ভ্রু আঁকা মুখের লে-আউট মনে নিয়ে আমরা সারাদিন ঘুরে বেড়াই, হরিনাথ ঘোষের ঘর পালানো বউ, জয়তুন বানুর গোয়ালে না ফেরা ষাঁড়, আর সামাদ মিয়ার বিশ্বস্ত মাদি কুকুরের গল্প করি।

তবু লোকটি বিরক্তিকর হয়ে উঠল ক'’দিন না যেতেই। রোজ রোজ একই মুখোশমুখো চেহারা দেখে আমরা ক্লান্ত হয়ে উঠেছিলাম।

একদিন সবার ভাল লাগায় বৈচিত্র আনতেই বুঝি আমরা আবার লোকটির মুখ এঁকে দিলাম। ওষ্ঠ, অধর, চিবুক, মিটিমিটি হাসি, নাকের ফুটো, নাকের ফুটো দিয়ে বেরিয়ে থাকা দু’টো লোম- মানে, চোখ ছাড়া কিছুই বাদ গেলনা। আমি চোখ আঁকার জন্য কাঠকয়লা তুলতেই অন্যরা রে রে করে উঠেছিল, বলেছিল, ‘ঝামেলার দরকার কী!’ তাইতো, চোখ নির্বিকার হলেও মুশকিল, বিস্মিত হলেও মুশকিল। আবার সেই চশমা আঁকো, সামাদ মিয়ার বউ পাহারা দাও, ভ্রু মোছ- নানান বাহানা। এরচেয়ে ডান কপালে অর্ধেক ভ্রু বরাদ্দ করে কাউকে চক্ষুহীন রাখা সোজা কাজ।

একজন লোকটির নাক আর ঠোঁটের মাঝখানে মোটা করে গোঁফ এঁকে দিল। চওড়া গোঁফ নিয়ে লোকটি শেখ মুজিবের মতো সুপুরুষ হয়ে উঠতেই কে যেন সেটি দু’পাশ থেকে ছেঁটে ছোট করে দিল এবং এই প্রথম টের পেলাম, ছোট গোঁফ আসলে একটা দারুণ ম্যাজিক। হিটলার, আর হাতে গোণা কয়েকজন বাদে আধা-গোঁফওয়ালারা নিতান্তই ভাল মানুষ, বাজি ধরে বলা যায়।

লোকটিকেও আমাদের ভাল মানুষ বলে মনে হল এইবার। এমন মানুষই খুঁজছিলাম।

অবশ্য লোকটিকে ভাল মানুষ বানানোর জন্য এত কিছু আঁকাআঁকির দরকার ছিলনা, হা-করার মতো একটা গাল বানালেই চলত তার।

একটু দূরে দাঁড়িয়ে আমি যখন- গোঁফের আমি গোঁফের তুমি ভাবছিলাম, তখন লোকটির হা নড়ে উঠল, শব্দও বেরুল; প্রথমে খ্যাশখ্যাশে, তারপর স্পষ্ট। সে বলল, ‘'পানি খামু।'’ আখিরাতে বিবি ফাতিমা নেকদারদের পানি খাওয়াবে। সবাই ছুটল পানি খোঁজে। জলের দরে পূণ্যের আশা কে না করে? আমরা বেবাক মানুষ মিলে লোকটির পানি খাওয়া দেখলাম। ব্যাপারটা ঠিক জমল না। চক্ষুহীনের পানি পানে আলাদা কোনো বিশেষত্ব নেই।

লোকটা বলল, ‘'ভাত খামু, মাগুর মাছের মাখামাখা ঝোল দিয়া ভাত খামু।'’ লোকটির কথায় এ-ওর গায়ে ঢলে পড়ে সবাই হাসল, বলল, ‘'মাগুরের ঝোল দিয়া কী খাইবা?’'

লোকটি ভাতের জন্য ঘ্যান ঘ্যান করল, মাগুরমাছের কষানো ঝোলের জন্য ঘ্যান করল, শরীর দুর্বল লাগে- বলে ঘ্যান ঘ্যান করল।

- ‘বইতে দিছি, শুইতে চাও?’
- ‘ভাত খাইতে মন চায়।’
- ‘আর কী খাইতে মন চায়? পুলাও খাইবা?’
- ‘শরীল কাহিল লাগে, মাগুরের ঝোল ভাত খাইতে মন চায়।’
- ‘ওরে আমার হাবাজাবা, অই মুখে আর কত খাইবা?’
- ‘ভাত খাইতে মন চায়।’

হা-ওয়ালা প্রাণীদের খাদ্যপ্রীতি আছে জানা কথা, তবে কারো খাই খাই-ই দেখতে ভাল লাগে না। উঠোনে পা মেলে বসে থাকা মানুষের শক্তির দরকারটা কী- আমরা ভেবে পাইনা।

যাহোক, অনেক কথা চালাচালি পরে ভাত আসে। এক থালা ভাত, তার কোণায় চিমটিখানেক নুন, দু'’টো কাঁচামরিচ, আর বেগুন-সীমের চচ্চড়ি আসে কারো বাড়ী থেকে। লোকটি যত্ন করে ভাত মাখে, লবনে ডলে ডলে মরিচ মাখে, আর একটানা কথা বলে যায়। কাঠকয়লায় হা-আঁকা লোকটির- মাগুর মাছের ঝোল দিয়ে মাখানো ভাতের কথা, অনেক খিদে লাগার কথা, দুর্বল শরীরের কথা শুনে আমাদের হাসি পায়। আমরা শব্দ করে হাসি এবং আরো মজা দেখার আশায় তার দিকে তাকিয়ে থাকি।

একসময় আউশের লাল-মোটা-ভাতে বেগুন-সীমের চচ্চড়ি মাখা দেখতে দেখতে আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়ি এবং আমাদের খুব খিদে পায়। মনে পড়ে অনেকদিন এত আয়েশ করে ভাত মেখে খাওয়া হয়নি আমাদের। আর যেহেতু ভীষণ ক্ষুধার্ত হয়ে উঠি আমরা, সেহেতু আমাদের হাতে গোপনে উঠে আসে ইরেজার এবং গুটি গুটি পায়ে অর্ধেক ভ্রুওয়ালা চোখহীন মানুষটির দিকে এগিয়ে যাই। কে যেন ত্বড়িৎ হাত চালায় লোকটির মুখ বরাবর; তারপর ডানে-বায়ে, উপর আর নীচ থেকে অসংখ্য হাত নেমে আসে সেখানে।

ভাতের কিংবা মাগুরের ঝোলের কথা পুরোপুরি বন্ধ করে আমরা ইরেজারগুলো পকেটে তুলে রাখি।

সেদিন বাড়ী ফেরার পথে আমরা কেউ হরিনাথ ঘোষের ধ্বজভঙ্গ রোগ নিয়ে তামাশা করলাম না। সামাদ মিয়ার বউ কিংবা তার বিশ্বস্ত মাদি কুকুরটিকে নিয়ে টিটকিরি করার কথাও কেমন করে যেন ভুলে রইলাম সবাই। আমরা মনে মনে সেদিন ঢেঁকিছাঁটা লাল-মোটা-আউশ-চালের ভাত সীম-বেগুনের অলৌকিক চচ্চড়ি দিয়ে মাখতে মাখতে ঘরে ফিরলাম।

অনেকদিন পরে জেনেছিলাম- লোকটি পাড়ার বউ-ঝি, ছেলেপুলে, সামাদ মিয়ার মাদি কুকুর, মেঘ মেঘ আকাশ, এক ঝাঁক জালালি-কবুতর, আর করমচা ঝোঁপের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ছিপছিপে সুপুরিগাছটিকে দেখতে দেখতে ঝাঁপসা হয়ে উঠেছিল।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ছোটগল্পকাঠকয়লায় আঁকামোস্তাফিজ রিপনগল্প ;
প্রকাশ করা হয়েছে: গল্প  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৩
হাসান মাহবুব বলেছেন: গল্পটা পড়ে ভালো লাগলো বলবনা.... তৃপ্তি পেলাম। ম্যাজিক রিয়্যালিজম সম্পর্কিত সাম্প্রতিক আলোচনা কি গল্পটা লিখতে উদ্বুদ্ধ করেছে? ঐ জিনিসটা কি আমি ঠিক জানিনা.. তবে মনে হল জাদু বাস্তবতার মধ্যে হারিয়ে গেলাম কিছুক্ষণের জন্যে।

+++++
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৫

লেখক বলেছেন: এইটা হইল স্যুরিয়ালিজম... :P হু...হু...হু...

লিখতে 'মঞ্ছাইল'... কী হইছে জানিনা...

গল্পটা লেখা শুরু করেছি ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে। (ব্লগের ম্যাজিক রিয়ালিজম যুগের আগে)। আর শেষ করেছি আজ, জানুয়ারীর এগারতে। (ব্লগের ম্যাজিক রিয়ালিজম যুগের মধ্যভাগে)। লিখতে লিখতে ওইসব আলোচনার কথা মনে পড়েছে বার বার।

:)

১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাজর্ষী।
(ইশসিরে ভালোর পরে একটা হ্রস্ব-ই বসে গেছে... নিশ্চয়ই ভুলে? :))

৩. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৩
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: আপনি গল্পের মাঝে 'কবিতার মতো' রূপক নিয়ে আসেন। আমার পাঠক হিসেবে পড়তে দূর্দান্ত লাগে সেটা। পুরোপুরি কাঠামো না বানিয়ে গল্পের লোকটির মতোই আংশিক ছবি আঁকেন। সেই ছবির ফাঁকা অংশগুলো বাস্তবটাকেই অবাস্তব হিসেবে ভ্রান্তি তৈরি করে।

কিঞ্চিৎ অফটপিকঃ বেশ আগে একবার আপনার লেখা কবিতা পড়তে চেয়েছিলাম। আপনার কবিতাপাঠের সমৃদ্ধি আর গল্পে কাব্যময় লাইনগুলো আজকে আবার সেই ইচ্ছাটা জাগিয়ে তুললো। বাস্তব অবাস্তবের কথাগুলোও বললাম কারণ কবিতায় সেটা সবচেয়ে বেশি উপস্থিত!
ইচ্ছা তো দিন দিন দাবি হয়ে উঠছে রিপন ভাই!
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৮

লেখক বলেছেন: ছন্ন, গল্পে কবিতার উঁকি-ঝুঁকি-মারাটা দোষের না গুণের, কে জানে? আমার লেখায় এই প্রবণতাটি আছে। কবিতা আমাকে প্রভাবিত করে দারুণ ভাবে। কিন্তু আমি কবিতা লিখতে পারিনা।

(এককালে কবিতা লিখতাম, অল্প বয়সে না বুঝে যেমন সবাই লিখে আরকি! পরে কী মনে করে বাংলা কবিতার ছন্দের ওপর পড়তে শুরু করেছিলাম। ওটিই সমস্যা বাঁধিয়েছে। ছন্দ জানার পর থেকে কবিতা আমাকে ছেড়ে গেছে।)

একটু পরে আবার লিখতেছি... বউ গ্যাঞ্জাম করে...

১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪০

লেখক বলেছেন:
অতঃপর...

আমার কী মনে হয় জানেন, আসছে দুই-তিন দশকের মধ্যেই বাংলা কবিতা ব্যাপকভাবে গঠনে এবং চেহারায় গল্পের মতো হয়ে উঠবে। তখন এই দু'য়ের মাঝে পার্থক্য থাকবে শুধুমাত্র বিস্তারে।

তো, গল্পে 'কবিতার রূপকওয়ালারা' সেইদিন বগল বাজাবে। :P

১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...

১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: বস, আপনারে দেখলেই মনটা ভাল হয়ে যায়, মনে জোর পাই। যদি হাতে সময় থাকে- আরেকটু বিস্তারিত জানায়েন প্লিজ।

৬. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২২
সাপিয়েন্স বলেছেন: জাদু-বাস্তব সাধারণত এড়িয়ে চলি, যদিও স্যাটানিক ভার্সেস আগাগোড়া পড়েছিলাম। সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলামেরও এক গল্প পড়লাম কালি ও কলমে।

সত্যি বলছি, আপনার এই লেখাটাই আমার কাছে সব চেয়ে ভালো লাগল, কারণ এটা গল্প নয়, আসলেই কবিতা।

বেশ কয়েকটা বানানের ব্যাপারে আমি একটু অবাক হয়েছি। টাইপো নয়।
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০০

লেখক বলেছেন: আমি পাঠক হিসেবে জাদু-বাস্তবতার ভক্ত। তবে, বাংলাদেশের সাহিত্যে জাদু-বাস্তবতার বিষয়টি আমার আরোপিত মনে হয়। হতে পারে, এটি ধার করা বলে; কিংবা আরো কিছু সময়ের প্রয়োজন আইডিয়াটিকে এস্টাব্লিশ করতে; অথবা আমাদের প্রচলিত ঘরানাটি অনেক শক্তিশালী- একারনে।

আমি বানানের ব্যাপারে এক্কেবারেই গো-মাংশ। চোখের আন্দাজে বানান ঠিক করি। খুব ভুল হয় আমার।

আপনার মন্তব্যে খুশি হয়েছি।

১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৩

লেখক বলেছেন: অমিত রায় দশজনের মধ্যে ছিলেন না, তিনি ছিলেন একেবারে দশম...

:)

৮. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪২
জাতেমাতাল বলেছেন: চমৎকার গল্প... খুব ভালো লাগলো।
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...

৯. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৮
আকাশচুরি বলেছেন: যথারীতি ভালো লাগলো রিপন ভাই। আপনার লেখনীই এমন ভালো না লেগে উপায় নাই:)


কাঠকয়লায় আঁকা মানুষ, তার আঁকিয়ে, সামাদের বউ ও বিশ্বাসি মাদি কুকুর, হরিনাথ ঘোষের ধ্বজভঙগ, এক ঝাঁক জালালি-কবুতর, আর করমচা ঝোঁপের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ছিপছিপে সুপুরিগাছটি- সবকিছুর সমস্টি আমাকে মাঝে মাঝেই অংকিত মানুষটির ঝাপসা অবয়বের সমান্তরালে দাঁড় করিয়েছে আবার আমিই ইরেজার দিয়ে মুছে দিয়েছি আঁকিয়েদের! এটাকে জাদু-বাস্তবতার জালের বাইরে দেখতেই ভালো লাগছে আমার, এই ধোঁয়াশা, আবছায়া, কবিতার মতো রহস্যময় বিষয়াদি রিপন ভাইয়ের নিজস্বতা হয়ে উঠেছে.....
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১২

লেখক বলেছেন: আরেব্বাস, আপনি এক সাথে এত্তো কথা বললেন!

আমি একদিন বললাম, আকাশচুরিকে আমি হাড়ে হাড়ে চিনি। তারপরই আকাশচুরি বদলে গেল। ভেবেছিলাম, আপনি যেহেতু ফাঁকিবাজ এবং কম কথার মানুষ, সেহেতু আপনাকে কিছু জিজ্ঞেস করে লাভ নাই। আজ, এইখানে, মেঘ না চাইতেই ব্জ্রপাত হল। (এবং রবীন্দ্রনাথ গাহিয়া উঠিলেন, একি হেরিনু!!!)

শুভাশিষ আপনার জন্য।

১০. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৯
হাম্বা বলেছেন: এমন মহৎ গল্প কবে বুঝব কইতে পারেন
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৫

লেখক বলেছেন: কঠিন প্রশ্ন...
এককালে বিটিভিতে 'ধীমান' নামে একটা সাধারণ জ্ঞানের অনুষ্ঠান হতো। ওই অনুষ্ঠানে একটা কম্পিউটার ছিল। সেটিকে ডাকা হতো 'দম-পিউটার' নামে। তো, সেই দম-পিউটার কোনো কিছুর উত্তর না জানলে বলত, 'আআ-মা-র মে-মো-রি-তে না-ই।'

আপনার প্রশ্ন শুনে দম-পিউটারটার কথা মনে হল।

বুঝতেই হবে এমন কোনো কথা নেই।

(অ.টঃ যে ভদ্রলোক জয়তুন বানুর গোয়াল ছেড়েছেন, তার সাক্ষাৎ পেলে জানাবেন যে, বুড়ী অভিমানে শয্যা নিয়েছেন।) :P

১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কাঁকন।

১২. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৯
অপরিচিত_আবির বলেছেন: জাদু বাস্তবতা নাকি জানি না তবে আপনার লেখার স্টাইলই সবসময়কারমতো জাদু করে ফেলল। হাজার সালাম।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আবির। প্রাণিত হলাম আপনার কথায়।

১৩. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৭
ত্রেয়া বলেছেন: অসাধারণ লাগলো।প্রথম পড়ছি বোধহয় আপনার লেখা আর পড়ে অবাক হচ্ছি এতদিন কই পড়লাম!
সত্যিই অবাক লাগলো জাদু বাস্তব বা যাই হোক এমন গল্প পড়ে....
রহস্যময়তা আমার সাধারণত ভালো লাগে না কিন্তু এখানে রহস্যময়তার যে খেলা খেলেছেন আপনি কথার জাদু দিয়ে সেটা সত্যিই ভালো লাগার মত।

ভালো থাকবেন।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৪

লেখক বলেছেন: কথার জাদু... ! হায় হায়! (আর আমি কিনা চেষ্টা করছি কথাবাজির!)

:)

ভাল থাকুন।

১৪. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৩
যীশূ বলেছেন: এতদেরি করলেন। আপনারে তো ভাই এখন অনুরোধ করাইয়া লেখাইতে হয়। শুনেছি, বড় বড় শিল্পীদের গান গাইতে অনুরোধ করলে সাধারনত বলে "আজ আমার গলাটা ভালো নেই, ঠান্ডা লেগেছে, বসে গেছে," ইত্যাদি ইত্যাদি। আপনারও দেখি সেই অবস্থা। :)

যাইহোক, গল্প বরাবরের মতই দারুন লেগেছে। একঘেয়েমি আর নতুনের প্রত্যাশা আর তার মধ্যে থেকে নিজেকে খুঁজে পাওয়ার গল্প মনেহলো আমার কাছে, জানিনা লেখক কি বুঝাতে চেয়েছেন। :)

তবে বলে রাখি এর পরের গল্প কিন্তু আরও তাড়াতাড়ি চাই। ভালো থাকবেন। :)
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩২

লেখক বলেছেন: যীশূ... হাসবেন জানি, তারপরও আপনার কথাটি কিন্তু সত্য। আমার কী-বোর্ডের গলাটা... আর মাউসের টন্সিলাইটিস-এর যন্ত্রণায় লেখালেখির এই দশা। বিশ্বাস করেননি কথাটা, তাইনা? কেউ করেনা। কী যাতনা বিষে, বুঝিবে সে কিসে...

:P

(একবার ছোটবেলায়, দুই সহস্র তিন খ্রীষ্টাব্দে, হুমায়ূন আজাদের কবিতা পাঠ করেছিলাম। অনুষ্ঠানে কবি সপরিবারে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষ হলে, তিনি মঞ্চে উঠে টেনে টেনে বললেন, 'ছে-লে-রা, তোমরা আমার কবিতাগুলো যেভাবে পাঠ করলে- সেটি শুনে আমি খু-শি হয়েছি। আবার হ-তা-শ-ও যে হয়নি তাও নয়।') :)

১৫. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: হুমম। আকাশচুরির কমেন্ত দেখে মনে হইলো এই ব্লগটাই প্যারালাল কোনো সুররিয়্যেল জগতের ব্লগ! =p~
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: :-B

আচ্ছা ছন্ন, আপনার অ্যাভাটারে ওটা কী মহাজাগতিক আন্ডারয়্যার, না আপেল শুটকি?

দ্য বিগব্যং থিয়োরি ' দেখেন? দারুণ!!

১৬. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: পড়লাম একটানে..............মন্তব্যের ভাষা নেই...
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তায়েফ...

১৭. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১০
চতুষ্কোণ বলেছেন: নিজের একটা ঘটনার কথা মনে পড়ে গেল। সেই সময় বাড়ীর ছাদের দেয়ালে একটা মানুষের মুখ একেঁছিলাম। বড় ভাইয়ের বন্ধুরা বেশ প্রশংসা করেছিল ছবিটির। আমি প্রায় সময় ভাবতাম কী দেখে লোকটি অমন গম্ভীর হয়ে। উপরের আকাশ দেখে নাকি দক্ষিনের সমুদ্র। হয়তো ছাদের উপর আমাদের ক্রিকেট (শর্ট পিচ) দেখে। কিছুদিন পরেই খেয়াল করলাম রোদে পুঁড়ে বৃষ্টিতে ভিজে মুখটি ধীরে ধীরে ঝাপসা হয়ে গেছে।

গল্পটা পড়ে সেই স্মৃতিটাই মনে পড়ে গেল। লেখাটা ভালো লাগলো। একেবারেই অন্যরকম।:)
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: চতুষ্কোণ, যে স্মৃতির কথা বললেন- সেটি কিন্তু দারুণ! আর কথাগুলো যেভাবে বললেন, সেটি পড়ে মনে হল- লেখালিখি নিয়ে আপনার সিরিয়াসলি ভাবা উচিত।

চারপাশের ছোট ছোট উপকরণই কিন্তু লেখালিখির জ্বালানী। লিখুন।

১৮. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২২
হেমায়েতপুরী বলেছেন: সবাই লিখতে পারেনা আবার কেউ কেউ ভালো লেখে... কিছুটা স্যুরিয়েলিজমের আবছা গন্ধ নাকে লাগে... কেমন একটা বোধ।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৯

লেখক বলেছেন:
'স্যুরিয়ালিজমের আবছা গন্ধ' ... বেশতো আপনার কথাগুলো... দারুণ!!!

১৯. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৬
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: গল্প আর কবিতার পার্থক্য ঘুচবে একদিন।

+++++




(গল্পটাকে পুরোপুরি স্যুরিয়ালেস্টিক মনে হয়নাতো) ... এটাকি আমার অক্ষমতা?
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩২

লেখক বলেছেন: দাদা, অরূপ তোমার বাণী।

ওহে সক্ষম পুরুষ-কবি, সে এক ইতিহাস... যার সূত্রপতন ঘটেছে আকাশচুরির ব্লগে। :)

আমি নিজে এটিকে কোনো প্রকার রিয়েলিটিতে নিচ্ছিনা। সে এখতিয়ার এবং সাধ্য আমার নেই। হাসান মাহবুবকে যা বলেছি, সেটি ঠাট্টা করে, সিরিয়াস কিছু নয়।

এই যে আপনি গল্পটিকে 'কিছুটা' (আপনার কথায় 'পুরোপুরি' নয়, তাই আমি 'কিছু' শব্দটি আনুমানে যোগ করছি) স্যুরিয়ালিস্টিক বলছেন, কেন?

ঝামেলায় ফেলে দিলাম কিন্তু! :P

১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৯

লেখক বলেছেন: আরে বিগব্যাং যে!! অনেকদিন পরে!!!

পাশ মার্ক ৩৩?

১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩০

লেখক বলেছেন: ছন্নকে বিগব্যাং-এর একটা লিংক দিয়েছি। আপনার ভাল্লাগবে।

২১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০২
বৃত্তবন্দী বলেছেন: কালকে থেকে ঘোর বন্দী হয়ে আছি...
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: ঘোর কাটল?

২২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৭
সবাক বলেছেন:
আলমারিতে উঠাইলাম।

আয়েশ করে আরো কয়েকবার পড়ি। তারপর লম্বা এক মন্তব্য।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৭

লেখক বলেছেন:
আরে, সবাক, আপনি দেখি এক পিচ্চি। আমি ভাবলাম... ওরে বাপরে... এ নিশ্চয় কড়া কড়া কেউ হবে...

২৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩১
মাহবুব সুমন বলেছেন: এতো যতন করে কেউ লেখে !!!

আপনার কোনো বই বের হয়েছে বা হবে ?
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪০

লেখক বলেছেন: সুমন ভাই, বই প্রকাশের সাহস এখনো হয়নি। আরো দিন যাক... আরেকটু বুড়ো হই... সাহস করে তখন না হয়...

২৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০০
আহমেদ রাকিব বলেছেন: অদ্ভুত। কিন্তু খুবই দারুন গাথুনী গল্পের। টান টান ভাব। এক্টুও আলগা হতে দেয় না মনোযোগ। যা বলার সব বলে গেলেন অবলীলায়। কোনো কাহিনী লাগলো না। কোনো চরিত্রের ধারও ধারলেন না। অসাধারন। অনেকদিন পর আরাম পেলাম একটা গল্প পরে।

চতুষ্কোনের স্মৃতিটাও মনে পড়ল। সেই কত আগের কথা। :)

(কিছু মনে না করলে এই ধরনের লেখার উৎসাহের উৎসটা কি জানতে পারি?)
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২০

লেখক বলেছেন: একদিন ব্লগার রাতমজুর 'ভোদকা' বিষয়ক (সেই পোষ্টের ভাষায় 'ভদক্রাম' :)) একটা পোষ্ট দিয়েছিলেন। তো সেখানে মন্তব্য প্রসঙ্গে যে কথাগুলো লিখেছিলাম- সেটিই একটু বদলে এই গল্পের প্রথম প্যারা হয়েছে। আসলে মন্তব্য লেখার পর কথাগুলো অনেকদিন মাথায় ঘুরছিল...। ওরই ডাল-পালা জন্ম নিয়ে...

২৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৮
আহমেদ রাকিব বলেছেন: ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪০

লেখক বলেছেন: সুমন ভাই, বই প্রকাশের সাহস এখনো হয়নি। আরো দিন যাক... আরেকটু বুড়ো হই... সাহস করে তখন না হয়...
--------------------------------------------------------------------
অতি অবশ্যই আপনার একটা বই বের হওয়া উচিত। কত আজে বাজে বই বাজারে আসে। আর এত ভালো ভালো লেখাগুলো বই আকারে আসবে না এটা হওয়া ঠিক না।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: সাহস পাচ্ছি...
'দুঃসাহসে কিনে ফেলব একদিন'...

:)

২৬. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৩
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনার অ্যাভাটারে ওটা কী মহাজাগতিক আন্ডারয়্যার, না আপেল শুটকি?

হা হা হা হা!

না রিপন ভাই, এটা একটা ম্যুভির পোস্টার থেকে বানানো। বীটল্‌সের "স্ট্রবেরি ফিল্ডস ফরেভার" গানটার সাথে মিল আছে এটার। ছবিটা মিউজিক্যাল, বীটল্‌সের সব গান নিয়ে। দেখতে পারেন। নাম অ্যাক্রস দ্য ইউনিভার্স

বিগব্যাং থিওরি সিরিজটা নিয়ে আমার একটা পোস্ট ই আছে। দেখি না মানে!!! :)
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: আপনার পোস্ট পড়লাম। ভাল লাগল! বেশ ভাল। বিগব্যাং থিওরীর মজাটা অন্যগুলোর চেয়ে আলাদা...। ফ্রেন্ডস তো অসাধারণ... সবসময় ভাল লাগে... এমন ভাল বিমলানন্দ আর কিসে মিলবে?

থ্যাঙ্কু ছন্ন, আপনার কল্যাণে অনেকদিন পরে স্ট্রবেরী ফিল্ডস ফরেভার গানটা শুনলাম।

অ্যাক্রস দ্য ইউনিভার্স দেখি নাই। দেখব। দেখার ইচ্ছা হইতেছে।

২৭. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৪
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
এই যে আপনি গল্পটিকে 'কিছুটা' (আপনার কথায় 'পুরোপুরি' নয়, তাই আমি 'কিছু' শব্দটি আনুমানে যোগ করছি) স্যুরিয়ালিস্টিক বলছেন, কেন?

আসলেই ঝামেলায় ফেলে দিলেনB:-/ B:-/



আকাশচুরির ব্লগ এবঙ তার গল্পের পাঠপ্রতিক্রিয়ায় যাদুবাস্তব ব্যপারটা নিয়ে আলোচনা বেশ উপভোগ করছি...


'কিছুটা' পুরোপুরি




(তখন লোকটির হা নড়ে উঠল)




১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: তারপর?...

:-B

(কি-বোর্ডের হা নড়ল নাতো!)

২৮. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫৪
শান্তির দেবদূত বলেছেন: দূর্দান্ত ! আপনার নিজস্ব একটা স্টাইলের গল্প, পুরাপুরি আপনার ......গ্রেট
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫২

লেখক বলেছেন: দেবদূত, আমার আবার স্টাইল...

(সংসার সমরাঙ্গণের হানিমুন পিরিয়ড কেটেছে?)

২৯. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৮
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
তোমার লেখা পড়লে তোমাকে বলতে ইচ্ছা করে কথা সাহিত্যিক রিপন।
এত সুন্দর করে, গভীর করে লিখতে পারো...........

কবি ঠাকুরের মত বলতে ই্চ্ছা করে.........."আমি অবাক হয়ে শুনি।"
রিপন লেখা চলুক.......যেমন চলছে.......তার চেয়েও অবিরত।
একদিন আমরা খুব গর্ব করে বলবো ,"এ আমাদেরই রিপন।"

লেখাটা প্রধান হোক.......
(একটা হিন্দী ছবি দেখলাম.........3 Idiots...।ওখানে বারবার নায়ক আমীর খান বলছিলো ,"মানুষ আমরা যা করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি তাই তো করা উচিত।"
আমিও তাই মনে করি............
ভালো থেকো।
শুভকামনা চিরদিনের।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫০

লেখক বলেছেন: সাজি আপা, দারুণ কমেন্ট আপনার। পড়লেই মন ভাল হয়ে যায়।

৩০. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৯
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: কবিতা সংকলনের জন্য কবিতা পাওয়া যাবে? বিস্তারিত Click This Link
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: ফারিহান, আমি অকবি।

শুভ কামনা থাকল।

৩১. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৮
মিতুলদত্ত বলেছেন: কবিয়াল বেরোনোর খবর দিতে এসে গল্পটা পড়ে ফেললাম...আর যথারীতি...ছোঁ মেরে নিয়ে নিতে ইচ্ছে হল...পরের সংখ্যার জন্য...পাবো কি?

ভালো থাকুন...নতুন বছর এভাবেই কাটুক...লেখায়...
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: কবিয়ালে গল্পটি প্রকাশিত হলে কৃতার্থ হব।

মঙ্গল কামনা করছি।

৩২. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪১
ফারহান দাউদ বলেছেন: এই গল্পটা আপনার মতই হয়েছে।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১৫

লেখক বলেছেন: মাথা পেতে নিলাম...

:)

৩৩. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩১
এরশাদ বাদশা বলেছেন: এই গল্পটা আপনার মতোই হয়েছে.....

ব্লগে এখন গল্প লিখিয়েদের মধ্যে আপনিই আছেন, যার লেখা মোহাবিষ্টের মতো পড়ে যেতে হয়। ভালো থাকবেন রিপন ভাই।

অ.ট- ইদানিং ফারহান ভাই আর আমার টাইমিংটা কিরকম যুগপৎ হয়ে যাচ্ছে। কোনো পোস্টে প্রায় একই সাথে ধর্না দিচ্ছি আমরা। কাকতাল??
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৭

লেখক বলেছেন: উহু, বিদিশা, ওভাবে ভাবতে নেই। আমরা, যারা চিন্তাশীল মানুষ, মানে যারা উচ্চমার্গীয় ভাবনায় ভাবিত, তাদের টাইমিং যুগপৎ হলে বুঝতে হবে- সংশ্লিষ্টদের চিন্তার তরঙ্গ একই রেখায় এবং অভিন্ন কম্পনমাত্রায় প্রবাহিত হচ্ছে এবং অধিকতর জ্ঞান আহরোনের নেশায় আমরা, এইসব তরঙ্গওয়ালারা- ততোধিক সুউচ্চমার্গীয় পোস্টে বিচরণ করে বেড়াচ্ছি।

কাকতাল শব্দটি, বুঝলেন- বড় বেশী অবিজ্ঞানোচিত, একটু কেমন যেন। মানে, বুঝাতে চাইছি...

:P

৩৪. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৪
বাপ্পাদিত্য বলেছেন: সৌন্দর্য যেভাবে তাকায়... সেভাবেই সুন্দর...

আপনার সব গল্প - সব ভাবেই সুন্দর...

অনেক দিন পর ব্লগে ঢুকলাম রিপন ভাই... গল্প টা পড়তে গিয়ে অনেকক্ষণ থেকেও গেলাম... আপনার গল্প পড়া শুরু করলে শেষ না করে ওঠা যায় না, এ এক মহাবিপদ...


২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: আরে বাপ্পা যে!!

সংসার সমরাঙ্গণে যুদ্ধ কর দৃঢ় মনে
ভয়ে ভীত হইও না মানব...

সংসার কেমন চলতেছে? হাড়ি-পাতিল সব কিনছ?

৩৫. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১০
এরশাদ বাদশা বলেছেন: বুঝিতে পারিয়াছি। বিদিশা কি টাইপো মিসটেক?? :-P
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫১

লেখক বলেছেন:
(এইটা থাকুক গোপন)
;)

৩৬. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১২
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: ভালো লাগল। বরাবরই।

===============================
প্রায় দেখি গল্পের সাথে মিলিয়ে ছবি! কিংবা ছবিগুলোর সাথে মিলিয়ে গল্প! পান কই? নিজে আঁকেন? না ছবি দেখে দেখে গল্প বানান? প্রচণ্ড বিস্ময়।

===============================
লোকটাকে কেন যেন আমাদের সমাজের প্রতিচ্ছবি মনে হচ্ছে। এই আঁকছি, গঠন করছি; পরক্ষণে মুছে ফেলছি (মানে নষ্ট করছি)। তবে আমরা ঝাপসা না হই।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: ছবিগুলো চুরি করা। তবে চোর ব্যাটা একটু বুদ্ধিমান। :P

গল্পের সারমর্ম দুর্দান্ত।

ঝাঁপসা হয়ে ওঠাই নিয়তি যে! তাই- মুছি, আঁকি, আবার মুছি, আবার অবয়ব দাঁড় করাই।

৩৭. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৭
হাসান মাহবুব বলেছেন: বারবার মিসকল দেই কিন্তু আপ্নি কলব্যাক করেন্না আপ্সুস :(
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: ক্রেডিট নাই যে! দাঁড়ান, ফ্লেক্সি করতেছি। ;)

৩৮. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৪
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন: "ম্যাজিক রিয়্যালিজম" ফরম্যাট এর গল্প। নাম করন, গল্প আর জেপিইজি এর চরম মিল?কিভাবে মিলান ভাই এতসব । রহস্যময় ঝাপসা আধারে অনেক গভির আপনা লেখা ।

প্রথম পড়লাম আপনার লেখা । চরম হইছে।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফাহাদ। আপনার মন্তব্যে খুশি হয়েছি।

শুভাশিষ রইল।

৩৯. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৫
সিনসিয়ার বলেছেন: কথাশিল্প একটা আলাদা বিষয়... গল্পের মধ্যে গল্প বলাটা সনাতন পদ্ধতি... গল্পের জোরে গল্প টিকে যায়... গল্প ছাড়া কি গল্প লেখা সম্ভব? অবশ্যই সম্ভব ( আমি নিশ্চিত আপনি পারবেন)...
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: সিনসিয়ার, আপনার মন্তব্যটি অল্প কথার, কিন্তু বেশ কাজের। খুশিও হয়েছে হ্যাংলার মতোন।

শুভেচ্ছা রইল।

৪০. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৪
নীল ভোমরা বলেছেন: কি লিখেছেন এসব?! কিভাবে লেখেন এসব?! অসাধারণ! মারাত্মক! খু-উ-ব ভাল লেখা!

আপনার মত গুণী লেখিয়ে আমার চৌকাঠে (এই পোস্টে) পা রাখলে ধন্য হবো! আমার আঙিনায় পদধূলি দেবার অমন্ত্রণ রইল।!
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নীল ভোমরা। আপনার বাড়ীতে কি-বোর্ডধূলি দিতে যাচ্ছি। :)

৪১. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৯
নীল ভোমরা বলেছেন: আমার পোস্টে আপনার কমেন্ট...''এখন দরকার কোনো ঘরানা থেকে বেরিয়ে আসার। এই সময়ের গল্প লেখার।''

আপনার কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ। এই সময়ের গল্প লিখতে লিখতেই হঠাৎ ইচ্ছে হলো সেই সময়ের ধাঁচে 'সেই সময়' লেখার। এই সময়ের বেশ কিছু লেখাও আছে আমার। আবারও একপাক ঘুরে আসুননা আমার আঙিনায়। মন্দ লাগবেনা আশা করি। শুভ কামনা।

সোনা রোদ্দুর
রুমকীর হারিয়ে যাওয়ার গল্প
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩০

লেখক বলেছেন: আপনাকে দিয়ে হবে।

৪২. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৫
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: শুভ জন্মদিন! ব্লগ লিখেছেন ২ বছর ৩ দিন!
আপনি আর আমি একই দিনে ব্লগে জন্মেছি দেখা যায়! :)
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৩

লেখক বলেছেন: যমজ...
:)

৪৩. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:১৪
নুশেরা বলেছেন: এদিকে আসা হয় খুব কম, আপনাকে একটা কথা জানাতে এসে অসামান্য এক গল্পের অভিজ্ঞতা পেয়ে গেলাম। সেইসঙ্গে একটা দুর্বিষহ সময়ের স্মৃতিতে প্রচণ্ড ঝাঁকি পড়লো। অনেক অনেকদিন আগে একটা সময়ে প্রতিদিনের আসাযাওয়ার একটা পথকে, একটা পিচঢালা রাস্তাকে, বিশাল বড় একটা ইরেজার দিয়ে মুছে ফেলার অদ্ভুত একটা ইচ্ছে হতো... যেন রাস্তাটা বিশাল গুণিতকের কোন "বি" পেন্সিলে আঁকা...

রিপনভাই, সেই "পায়ে পাড়া দিয়ে" দেওয়া উপদেশের কথা মনে আছে আপনার? কাজটা হয়ে গেছে, আপনার উপদেশমতোই। উপদেশ, শুভেচ্ছা আর উৎসাহের জন্য কৃতজ্ঞতা।

খুব আশা করছি আপনার ভক্তপাঠকদের আর বেশীদিন বঞ্চিত করবেন না প্রথম গল্পগ্রন্থ থেকে।
[ তখন প্রুফরিডিংয়ের আগে আপাতত এখানে ঝাঁপসা->ঝাপসা, ঝোঁপ->ঝোপ, ত্বড়িৎ->ত্বরিৎ :P ]
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: নুশেরা, দারুণ!!!!



ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা, অভিনন্দন...


(আহারে বানান, তুই কবে যে মানুষ হবি?)

৪৪. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৬
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

এই গল্পটা এখনও পড়া হয়ে ওঠেনি । সময় করে পড়বো ।

রিপনদা আমার পোস্টে ই-মেইল ঠিকানা দেয়া আছে, একটা মেইল দিয়ে আপনার সেল নাম্বার দিয়েন, সমস্যা না থাকলে । আপনার সহযোগীতা দরকার, জরুরি ।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৮

লেখক বলেছেন: শিপন ভাই, মেইল করেছি।

সাফল্য কামনা করছি আপনাদের।

৪৫. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪৭
বাপ্পাদিত্য বলেছেন: অফ-টপিকঃ হাড়ি-পাতিল রেডি কইরা দ্যান বিয়া করতে গেসি রিপন ভাই... রেডি-মেড সংসার দেইখা বউ খুশ, হাম ভি খুশ... হা হা হা
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩২

লেখক বলেছেন:
বেশ... বেশ...

রেডি মেড সংসারটা কি বাপের হোটেল?

:)

৪৬. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৭
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
বস, শামীমের সঙ্গে আপনার যোগাযোগ হয়েছে জানতে পেরেছি ।

আমার কাছে আপনার মেইল আসেনি ।

ধন্যবাদ ।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৮

লেখক বলেছেন: হায় হায়... আমি ভাবছিলাম ঐটা আপনার ই-মেইল।

৪৭. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫৯
চতুষ্কোণ বলেছেন: চতুষ্কোণ, যে স্মৃতির কথা বললেন- সেটি কিন্তু দারুণ! আর কথাগুলো যেভাবে বললেন, সেটি পড়ে মনে হল- লেখালিখি নিয়ে আপনার সিরিয়াসলি ভাবা উচিত।

রিপন ভাই সিরিয়াসলি নয় আপনার কথা শুনে কিছু একটা লেখার চেষ্টা করলাম। আপনাকে পেলে ভালো লাগত।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩১

লেখক বলেছেন: গল্পটি পড়লাম। আরো একবার পড়ি!

৪৮. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫২
আন্দালীব বলেছেন: রিপন ভাই, আপনার স্টোরিটেলিং এক আজগুবি জিনিস (সদর্থক অর্থে)...

টেরিফিক।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৬

লেখক বলেছেন: আরে আন্দালীব ভাই যে! দারুণ ভাল লাগছে আপনাকে দেখে।

জলরংয়ে আঁকা ছবিতে রংয়ের ওভারল্যাপ ঘটে, কিন্তু কাঠকয়লায় আঁকা ছবিতে এটি ঘটেনা। গল্পটি লেখার সময় এসব কথা ভাবছিলাম। তো, শেষ-মেষ লক্ষ্য করলাম, শৈশবে আঁকা ছবিগুলোতে যেমন কাট কাট একটা ব্যাপার থাকে, এই গল্পের বয়ানে তেমন একটা ছাড়া ছাড়া বিষয় তৈরী হয়েছে। দু'টো কথার মাঝে কবিরা যেমন একটি ছোট শব্দ দিয়ে ফিউশন ঘটান, একটা স্পনটেনিয়াস ব্যাপার নির্মিত হয় স্তবকগুলোর মাঝে, এখানে সেটি একেবারে নেই। এসব ভেবে একটু খুঁত খুঁত লাগছিল। মনে হচ্ছিল, মাদুরে আয়েশ করে বসে গল্প বলা নয় এটি; এটি ভীড় বাসে দাঁড়িয়ে গল্প করা।

বইমেলায় এবার নতুন বই আসল?

৪৯. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৮
মিতুলদত্ত বলেছেন: অরণ্যের হাতে কবিয়াল পাঠিয়েছি...ও এখন ঢাকায়...আরো দু-একদিন থাকবে...ওর নাম্বার ০১৬৭৪৯৫৬৯৪৩...আপনার কপি ওর কাছে আছে...নিয়ে নেবেন প্লিজ...ভালো থাকবেন...
২৬ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মিতুল। 'কবিয়াল' বেঁচে থাকুক।

৫০. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৭
বাপ্পাদিত্য বলেছেন: না রিপন ভাই... সেই ১৯৯৯ থেকেই ঢাকা তে আমার হোটেল খোলা... হা হা হা
২৬ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:১৫

লেখক বলেছেন:
চাপ্পাদিত্য...
:)

৫১. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৫
পারভেজ বলেছেন: এই গল্প কথনে একক চরিত্রের তেমন কোন ভূমিকা নেই, একটা গোষ্ঠী কিংবা একটা সমাজকে উপস্থাপনা করা হয়েছে যেন কিছু তারুণ্য কিংবা দৃশ্যত তারুণ্যকে দিয়ে। বদলে দেয়া, বদলে যাওয়া আর বদলে দেবার ইচ্ছেগুলি ঘুরপাক খায় পাঠকের মনেও।
২৬ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:১৮

লেখক বলেছেন: পারভেজ ভাই, অনেকদিন পরে নীলরঙা এই বাক্সে জানাচ্ছি- থ্যাঙ্ক ইউ। ভাল আছেন আপনি?

২৬ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫৩. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১৩
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
আরো অনেক আগে , গল্পের জন্মলগ্নেই পড়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করা উচিত ছিল ।
শেষ পর্যন্ত যে পড়েছি, পাঠের আনন্দেই অভিভূত ।

লোকটি খিদে জানান দিয়ে ক্ষেতে চাওয়ার আগ পর্যন্ত গল্পটা একরকম, ক্ষেতে চায়বার পর থেকেই দৃশ্যপট বদলে গেল । আগের অংশটা আমি বেশী ধরতে পেরেছি ।
২৬ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:২২

লেখক বলেছেন: শিপন ভাই, কৃতজ্ঞতা জানুন।
কাঠকয়লার মানুষটি অন্যদের খিদের কথা মনে করিয়ে দিল যে!

২৬ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:২৩

লেখক বলেছেন: কোলাহল, চুপিচুপি বলি, খুশি হইছি। :)

৫৫. ২৬ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:২৭
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: পড়ে কি বলবো আসলেই ভুলে গেছি ।
একদমই অন্যরকম ।

সেই পাহাড়চুরি গল্প থেকে যে মুগ্ধতা সেটা এখনো কাটলো না
---

আপনার গল্পগুলোর "আমরা"দের কতো গুলো ইয়ার দোস্ত মনে হয় আমার।
এই আমরা আসলে কারা ?
২৬ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: আমি কয়েকটি গল্পে কথককে বহুবচনে উপস্থাপন করেছি। ভাল লাগছে- আপনি বিষয়টি লক্ষ্য করেছেন। চুনোপুটি (কাচকিও বলা যেতে পারে) আমার জন্য দারুণ ঘটনা এটি।

এই 'আমরা' আসলে 'আমি' থেকে আলাদা কিছু নয়। 'আমরা'দের মাঝে বিরাট কোনো বিরোধ নেই; এরা কেউ কেউ আমাদের মনের দো'টানার একটানা। :) আপনার কথাই ঠিক- অনেকটা ইয়ার-দোস্ত টাইপ সম্পর্ক এদের।

'আমি'র চেয়ে এই 'আমরা' চরিত্রটি একটা বড় স্টেকহোল্ডার, এটি আমার মনে হয়।

৫৬. ১৩ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:০৭
অ রণ্য বলেছেন: কয়েকদিন আগের কথা, কেউ একজন আমার একটা গদ্য পড়ে বেশ আপ্লুত হয়ে লিখেছিলেন এমন গদ্য নাকি উনি অনেকদিন পর পড়লেন। আমার মনে হয়েছিল বাড়াবাড়ি। কিন্তু আপনার এই গদ্যটা পড়ে এতটাই আলাদা ও চমৎকার লাগল যে, বলতে বাধ্য হচ্ছি, এমন ধাছের গদ্য আমি পড়েছি বলে মনে করতে পারছি না।

দারুণ একটা গদ্যভাষার সাথে পরিচয় ঘটল। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৫

লেখক বলেছেন: অরণ্য, আপনার লেখা আমি পড়েছি, দারুণ লিখেন আপনি। সোনার দোয়াত-কলম হোক আপনার।

২৮ শে মে, ২০১০ রাত ২:৫৭

লেখক বলেছেন: :)

৫৮. ০৫ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ৭:০৮
হাসান মাহবুব বলেছেন: ম্যালাদিন পরে আপনারে পাইছি। কমপক্ষে ১৫টা কমেন্ট পেন্ডিং। কোনো ছাড়াছাড়ি নাই! অন্তত াজকের গল্পটায় কমেন্ট করবে। ভালো মন্দ যাহোক করবেন।
আর, নয়া লেখা কই? X(
৫৯. ১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:৫৪
আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন বলেছেন:
অসাধারণ! একেবারে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আটকে রেখেছিল গল্পটা। যদিও হাসান ভাইয়ের লেখা দিয়েই মূলত ম্যাজিক রিয়েলিজম কিংবা সুররিয়ালিজম জাতীয় জিনিশের পরিচয় পাইছি। কিন্তু ব্লগিং এর শুরুর দিকেই আপনার "গণতন্ত্রের পতনে শ্যাওড়াপাড়ার মানুষেরা যা করে"-দিয়ে পড়ার পর থেকে এই মুগ্ধতার শুরু। সামুর পছন্দের বহু লেখকের পোষ্টে কখনও কমেন্ট করি নাই, অফলাইনে পড়ে গেছি। সাহস করে জানায়ে গেলাম এইবার...
৬০. ২৯ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ২:০৪
সায়েম মুন বলেছেন: এরকম গল্পতো চোখে পড়েনা। কেমন জানি জাদু জাদু ভাব। গল্পের শেষ পর্যন্ত টেনে রাখলেন এক কাঠ কয়লা আর ক্যানভাসে আঁকা মানুষটিকে দিয়ে।
৬২. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৪১
আগলিআগলি বলেছেন: আমি বরং জাদুবাস্তবতার দিকে না গিয়ে গল্পটাকে সাধারণ দৃষ্টিভংগিতেই দেখতে চাইবো - কাঠকয়লা দিয়ে আকা একটা মানুষের মুখ এবং প্রতিনিয়ত সেই মুখ পরিবর্তিত হয় চারপাশের মানুষদের খেয়ালি ছোয়ায় সেই বর্ণনাটুকু আমার খুব ভালো লেগেছে আর শেষটায় এসে কাঠকয়লায় আকা মুখের মালিক যে খিদের আর্তি জানায় - শেষ ছোয়া হিসেবে সেটাও প্রায় নিখুত ।

আপনার গল্পের বরাবরের মুগ্ধ পাঠক হিসেবে ভালো লাগল - নতুনত্বের দাবি ,ফরমেটের বাইরের লেখার দাবি পূরণ হচ্ছে দেখে ।
৬৩. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:৪০
ফয়সাল রকি বলেছেন: অদ্ভুত রকমের ভাল লাগল লেখাটা পড়ে... শুভ কামনা রইল।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১০৬০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অর্থহীন কমলালেবুর পিঠে ঘরকুনো গাছ
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ