
সকিনেহ্ মোহাম্মদী আশতিয়ানি
ইরানের প্রচলিত শরিয়া আইনের বিধান মোতাবেক বিবাহ-বহির্ভুত যৌনসম্পর্ক বা ব্যভিচারের শাস্তি হিসেবে অপরাধীকে পাথর ছুড়ে হত্যা করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি ইরান কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করছে যে, ব্যভিচারের কারণে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী জনৈকা ‘সকিনেহ্ মোহাম্মদী আশতিয়ানি’কে পাথর ছুঁড়ে হত্যা করা হবে না । তবে এটা পরিষ্কার নয় যে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হবে নাকি ফাঁসিতে ঝোলানো হবে ।
এই মৃত্যুদণ্ড ঠেকাতে ইরানের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে । এরআগে বিশ্বের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও শিল্পীদের স্বাক্ষর করা একটি খোলা চিঠি টাইমস পত্রিকায় প্রকাশের পর এটি বন্ধে প্রচারণা শুরু হয় । খবর বিবিসি নিউজ অনলাইনের ।
ইরানের এ পরিকল্পনার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন আন্তর্জাতিক সমালোচনার নেতৃত্ব দিয়েছে । এ ধরণের শাস্তিকে “মধ্যযুগীয়” বলে আখ্যা দিয়েছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউলিয়াম হগ । এই সাজা কার্যকর হলে তা সমগ্র বিশ্বে আতঙ্ক সৃষ্টি করবে বলে তিনি বৃহস্পতিবার মন্তব্য করেন । এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন পাথর মেরে মৃত্যুদন্ড কার্যকর অত্যন্ত বর্বর ও ঘৃণ্য কাজ ।

সকিনেহ্ মোহাম্মদী আশতিয়ানিকে পাথর মেরে হত্যার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ
৪৩ বছর বয়সী অভিযুক্ত সকিনেহ্ মোহাম্মদী আশতিয়ানি ২০০৬ সাল থেকে কারাগারে রযেছেন সেসময় দুই জন পুরুষের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগে আদালত তাঁকে শাস্তি দেয়। ২০০৬ বা ২০০৭ সালে তাঁকে ৯৯ টি দোররা মারা হয়েছিল বলে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল দাবি করেছে।
অবশ্য এর আগেই ইরান সরকার সে দেশে ক্ষণস্থায়ী বিয়ের আড়ালে "বৈধ-পতিতালয়" স্থাপনের অনুমতি দিয়েছে। Al-Osboa নামক একটি এ্যারাবিয়ান সংবাদ সংস্থা এই খবর দিয়েছে। খবরে বলা হয়, "Iranian authorities have allocated funds for prostitution houses under the guise of temporary marriage, Al-Osboa has reported. According to the report, the government of Iran has granted one-day, temporary marriages in certain neighborhoods to “eliminate the problem of rape and sexual repression suffered by the Iranian youth.”...বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লক করুন
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




