বিএনপি দলটি ভারত প্রেমে উতলা ও দেওয়ানা। কিন্তু অভিমানী হওয়া ছাড়া কোন গত্যন্তর নেই। ভারত যে পুরো অাওয়ামী প্রেমে হাবুডুবু। নরম গরম কোন ভাবেই বিএনপি ভারত প্রেমিককে বশ করতে পারছে না। তাই বলে কি প্রেম দেয়া থেমে থাকবে! ত্যাগী প্রেমে অভিমান থাকতে পারে, ছলনা থাকে না। দাও যদি অপবাদ নিরবে সইব, তবুও তোমায় ভালবাসব।
জিয়া ক্ষমতায় এসে সার্কের নামে ভারতকে অাঞ্চলিক মাতবরী করার সুযোগ তুলে দেয়। বিনিময়ে তবু যদি হৃদয়ে এতটুকু স্থান পাওয়া যায়। খালেদা প্রথম মেয়াদে ক্ষমতায় এসে সীমান্ত উন্মুক্ত করে দেন। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা পোক্ত করার জন্য তারেক জিয়া ছুটে যান দিল্লী, করে অাসেন গ্যাস দেয়ার ওয়াদা। ক্ষমতায় গিয়ে দেশে গ্যাস বিদ্যুৎ সংকট উপেক্ষা করে ভারত থেকে ধরে অানেন টাটাকে। দেশীয় শিল্পকে বঞ্চিত করে প্রায় বিনামুল্যে গ্যাস ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত সরবরাহের নিশ্চয়তা দিয়ে টাটার সাথে কথাবার্তা চালিয়ে যান। ভারতীয় শিল্পের বিকাশে সহযোগীতার সে কি তোড়জোড়। পাটকল বন্ধ করে দেন যাতে পাটের অাধিপত্য পুরো ভারতের হাতে চলে যায়।
এখন অামেরিকা ভারতের সাথে। যে করেই হোক ভারতের মন পেতেই হবে বিএনপিকে। ড. খন্দকার মোশাররফ তাই অাহবান জানাচ্ছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে ভারত যেভাবে আন্তরিকতা নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছিল, একইভাবে বাংলাদেশের সমস্যাগুলো সমাধানে আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসার জন্য ভারতীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানাই।’ অারও বলছেন ভারতের সাথে ভুলবোঝাবুঝির জন্য চতুর্থ শক্তি দায়ী! তালুকদার মনিরুজ্জামান তাই বলছেন "হাসিনাকে তিনি ভারতের দালাল মনে করেন না।" অার কে যেন বলেছেন ভারতের উচিৎ বাংলাদেশের অন্যান্য দলের সাথে সদ্ভাব গড়ে তোলা!
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


