somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আওয়ামী লীগ সরকারের নয় মাস ও জাফর ইকবাল স্যার.......(আঁতশীকাচের নীচে)

০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শেষ
কবে জাফর ইকবাল স্যারের কলাম পড়েছি মনে নেই।আমার মত অবস্থা বোধকরি এ
দেশের অগনিত পাঠক ও মানুষের।আওয়ামী লীগ নেত্বৃত্বাধীন মহাজোট সরকার
ক্ষমতায় আসার পর নয় মাস অতিক্রান্ত হয়েছে।দশ মাসে পা রাখল এই সরকার।অথচ
জাফর স্যারের কলাম সংখ্যা এই ন্য় মাসে সম্ভবত ১টি।যতদুর মনে পড়ে সেই
কলামটি নতুন সরকারের প্রতি তার কিছু প্রত্যাশা,অনেক অনেক শুভকামনা এবং তার
চেয়েও বেশী ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো এবং ঐতিহাসিক বিভিন্ন ঘটনার মধ্য
দিয়ে পরিনত হওয়া প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতি তার অকুন্ঠ
সমর্থন।নতুন পটভূমিতে আওয়ামী লীগের হাত দিয়ে ফিরে পাওয়া গনতন্র ও সিংহভাগ
ভোট পেয়ে দিন বদলের স্লোগান নিয়ে একঝাক নতুন ও তরুনদেরকে দিয়ে যখন সরকার
গঠিত হলো তখন বাংলাদেশের অনেক মানুষও আপনার মত আশাবাদী হতে শুরু
করেছিল।কিন্তু আশাভঙ্গ হতে আমাদের খুব বেশী দিন অপেক্ষা করতে হয় নি।
বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগের পেশীশক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে যার
শুরু ।
তারপর একের পর এক নদী দখল, টেন্ডারবাজী,কিছু মানুষের আঙ্গুল যথারীতি আগের ঐতিহ্য মেনে কলাগাছের মতন ফুলছে।এর সাথে যুক্ত হয়েছে অভিনব বৃক্ষনিধন কর্মসূচী,টি.ভি চালূ করলেই কোথাও না কোথাও লীগের দু গ্রুপের সংঘর্ষের খবর।এ রকম আরো অসংখ্য খবর আমরা প্রতিদিনই পত্র-পত্রিকায় পাচ্ছি।যার বিবরন উল্লেখ করলেই লেখাটি আয়তনে বেশ হ্রষ্টপুস্ট হবে কিন্তু সেটি আমার মূল উদ্দেশ্য নয়।
বি.এন.পির ৫ বছর যার কলাম আমাদের সাহস জুগিয়েছে,১/১১ পরবর্তী ছদ্ম সামরিক সরকারের সময়ও যার লেখুনি আগের মতই ক্ষুরধার ছিল,আমাদের মতন আমজনতার প্রেরনার উৎস ছিল।
হঠাৎ কি কারনে জাফর স্যারের কলম মুখ থুবরে পড়ল তা সত্যিই দুর্বোধ্য।
একসময় ভেবেছিলাম প্রথম আলোর সাথে কোন নীতিগত দ্বন্দ্ব শুরু হলো কিনা।এরকম হয় শুনেছি।যে কারনে আবদুল গাফফার চৌধুরী আর প্রথম আলোতে লিখছেন না।তাই সমকাল, যুগান্তরসহ বেশকিছু পত্রিকায়(নয়াদিগন্ত,সংগ্রাম বাদে)নিয়মিত চোখ রাখতাম যে দেশের এই পরিস্থিতিতে জাফর স্যার কি ভাবছেন তা জানার জন্য।কিন্তু বিধি বাম।না নেই, কোথাও স্যারের কোন কলাম নেই।
আশ্চর্য ব্যাপার।তারপর একসময় ভাবলাম এসব সমস্যা বোধহয় স্যারের কাছে তুচ্ছ এবং তাড়াতাড়ি সংশধণযোগ্য বলে মনে হয়েছে তাই তিনি লেখছেন না।
কিন্তু তেল, গ্যাস, নিয়ে যখন চারদিকে তুলকালামকান্ড ঘটে যাচ্ছে।চারদিকে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
একদল বলছে দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি মানি না ,অন্যদিকে সরকারের সাথে শুর মিলিয়ে আরেকদল বুদ্ধিজীবি বলছে তেল ,গ্যাস সারাজীবন মাটির নীচে রেখে লাভ কি,"দেশের সার্থবিরোধী কিছু সরকার করবে না"।
তখন আপনার কি কিছুই বলবার নেই?
আপনি কি মনে করছেন তা জানতে খুব ইচ্ছে হয়।
মনে পড়ে,কানসাট আন্দোলন চলাকালীন আপনি অত্যন্ত চমৎকার লেখা লিখেছিলেন।আপনার কাছে তৎকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত দেশের স্বার্থবিরোধী মনে হয়েছিল।এখন কি আপনার এরকম কিছু মনে হচ্ছে না?নাকি আপনি্ও বিশ্বাষ করেন যে তেল গ্যাস উত্তোলনের পর বিদেশী প্রভূরা তা আমাদের ব্যবহারের জন্য রেখে যাবে?নিঃস্বার্থে তারা আমাদেরকে প্রযুক্তিগত সুবিধা দিবে বিনিময়ে নামমাত্র পরিমান সম্পদ তারা হয়ত নিবে।আপনি্ও কি তাই বিশ্বাষ করেন?

আপনার এই হঠাৎ নীরবতা অনেক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে,দিবে।যা আপনার জন্য ভালো হবে না, এই দেশের জন্যও ভালো হবে না।
আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশগুলোর বুদ্ধিজীবিদের অনেকের মাথা বিক্রী হয় বলে শুনেছি,(আমার কাছে কোন প্রমান নেই,শুধুই শোনা কথা....!!!!!)।আমরা চাই আপনার মাথাটি অন্তত ঐ বাজারে না উঠুক।



১৭টি মন্তব্য ১৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×