সৌদি-বাহরাইন কজওয়ে সেন্টারে
সৌদি-বাহরাইন কজওয়ে
(ইরাক যুদ্ধ)
ইরাকী স্কাড মিশাইলের আক্রমন এবং আকাশ পথেই তা পেট্রিয়ট ব্যটারি দিয়ে নিষক্রিয় করে দেয়ার পালা বেশ কিছু দিন ধরে প্রতি রাতেই ঘটলো।অবশ্য দু একটা স্কাড মাটিতেও এসে পড়লো কিন্তু লক্ষ্যচুত্য ছিল।মরা গিয়ে তা দেখেও আসলাম,মরুতে পড়ে একদম পুকুরের মতো গর্ত হয়ে গিয়েছিল!এদিকে দিনের বেলা কোন আক্রমন হয়না বলে কোম্পানী আমাদেরকে কাজ করার পরামর্শ দিলেন।ইন্ডিয়ান শ্রমিকরা সংখায় ছিল বেশি কিন্তু এই আদেশ বা পরামর্শ মানতে তারা রাজি হলনা। আমাদের এখানে বাংলাদেশী শ্রমিক তখন খুবই কম ছিল,কিন্তু তারা রাজি হয়ে গেল।সেই দেখে কিছু সংক্ষ্যক ইন্ডিয়ান শ্রমিকও কাজে যেতে রাজি হলো।আমরা সবাই সংগে গ্যাস মাস্ক নিয়ে সাইটে গেলাম। সেখানে আশপাশে দু-একটা বিল্ডিংয়ের শ্রমিকরা কাজে এসেছে, আর বেশিরভাগই ছিল ফাকা!আমি আমার লোকজনকে অভয় দিয়ে কাজে মন দেয়ার কথা বললাম।ঠিক সেদিনই প্রথমবারের মতো সকাল দশটার দিকে সাইরেন বেজে উঠলো।আমরা সবাই মাস্ক পড়ে লুকিয়ে থাকলাম।বিপদমুক্তের আওয়াজ শুনে আবারো আমরা বেড়িয়ে এসে যার যার গাড়ীতে উঠে দ্রুত বাসায় চলে এলাম।এর পর রাত দিন স্কাড আক্রমন চললো থেমে থেমে, কিন্তু সবই ছিল ব্যর্থ।কিন্তু সৌদি আরবের অফিস আদালত বন্ধ হয়ে সব স্থবির হয়ে গেল।তখন সরকারী আদেশ জারি হলো সবাইকে যারযার কাজে যোগ দিতে হবে,না হলে নিয়মানুযায়ী শাস্তি পেতে হবে।সেই সরকারী আদেশের পর কাজ কাম অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে এলো।যে সকল কোম্পানীর লোক জেদ্দা ভেগেছিল তারাও একে একে কাজে ফিরতে শুরু করলো। অন্যদিকে দাহরান এয়ারবেজ এবং দাহরান এয়ারপোর্ট একই সংগে ছিল বলে বেসামরিক বিমানের জন্য এয়ারপোর্ট বন্ধ করে শুধুমাত্র যুদ্ধ বিমানের জন্য তা ব্যবহ্নত হচ্ছিল।তাই আমাদের এই দেশ ত্যাগের পথও বলতে গেলে বন্ধ হয়ে যায়।তবুও আব্বা-আম্মার কান্নাকাটির কারনে আমি চলে যাব বলে উঠেপড়ে লাগলাম।সুযোগ পেয়ে মালিক বললেন প্লেন চালু হলেই আমাকে ছুটিতে পাঠাবে এবং যদি আমি রিয়াজকে(আমার ক্লাশমেট এবং তখন রুমমেটও বটে)কাজে রেখে যাই!আমি রিয়াজকে সেকথা বলতেই সে রাজি হয়ে গেল।কারন হয়তোবা তার আগের কোম্পানী তাকে ভাল সুযোগ সুবিদা দিতনা। এখানে আমার সঙ্গে কিছুদিন একত্রে থেকে, আমাদের কোম্পানীর সব সুবিদা দেখে তার মনেহয় ভাল লেগেছিল। এছারা তাকে ফেলে রেখে তারা(কোম্পানী)জেদ্দা চলে যাওয়ার কারনে তার ক্ষোভও কাজ করেছিল।
যাইহোক ইতিমধ্যে আমরা একটা নুতন কাজও পেয়ে গেলাম বেশ ভালো রেটে।কাজটা খুব ছোট কিন্তু ইমার্জেন্সি কাজ বলে রেট হাই।একটি আমারিকান অস্থায়ী সেনা ছাউনিতে কমন টয়লেট ও গোসলখানা নির্মান। আমি আমার আইডিকার্ড বানিয়ে ওদের ছাউনীতে পৌছে গেলাম।আমার উৎসাহ ছিল আসলে আমেরিকান আর্মীকে স্বচক্ষে দেখা!কারন তখন পর্য্যন্ত আমেরিকান সৈন্যরা শহরে বের হতে পারতোনা। তাই তারা বাস্তবে দেখতে কেমন তা দেখার প্রচন্ড আগ্রহ আমার ছিল।ছাউনীতে গিয়ে দেখলাম ওরা কংক্রিটের বানানো ডিভাইডার দিয়ে জিগজাগ সরু প্রবেশপথ(একটা গাড়ী ঢুকার)তৈরী করেছে।অর্থাৎ শত্রুপক্ষ সরাসরি ওদের ছাউনীতে ঢূকে পড়তে পারবেনা।আমাকে তারা দুজায়গায় চেক করলো।আমি আবাক হয়ে ওদের অমায়িক আচরন লক্ষ্য করলাম।ওরা আমার সঙ্গে একদম বন্ধুর মতো করে কথা বলল।অথচ তাদের হাতে ধরা পিলে চমকানো সর্বাধুনিক অস্র যা সিনেমার পর্দায় ছারা বাস্তবে দেখিনি। যাইহোক আমাকে একজন আমেরিকান অফিসার কাজ বুজিয়ে দিলেন। এক সারিতে বিশটা টয়লেট ও তার উল্টো সারিতে বিশটা বাথরুম এবং ওয়াশিং এরিয়া। টয়লেটের দরজা ফ্লোর থেকে প্রায় ৩০সেঃমিঃ ফাকা থাকবে আর বাথরুমের দরজা উড বা মেটাল নয় প্লাস্টিক পেপারের(পর্দার) হবে! আর এগুলো নারী ও পুরুষ সৈন্যদের জন্য!!ওখানে দাড়িয়ে দাড়িয়েই স্কেচ করে অনুমোদন করিয়ে নিলাম।সেখানে বাইরে ইতস্থত প্রচুর আমেরিকান পুরুষ ও মহিলা সোলজারদের দেখলাম।তারা নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা ও হাসাহাসি করছিল কেউ কেউ রগ রগে ম্যাগাজিন হাতে বসে ছিল যা এদেশে মামনু(নিষিদ্ধ)।তারা যখন নিজেরা কথাবার্তা বলছিলেন তাদের ভাষা আমার নিকট ইংরেজী মনে হলোনা,হয়তোবা নোয়াখালী মার্কা(সরি মাইন্ড করবেননা)ইংরেজী হবে!তাদের চেহারাও ছিল মিশ্র,বিশেষ করে মহিলা সৈন্যদের কাউকে ফিলিপিনো,কাউকে মনে হচ্ছিল ইন্ডিয়ান আর প্রচুর কালো জ়াতি।আমি আরো লক্ষ্য করেছিলাম তাদের থাকার রুমও ছিল মিশ্র মানে মহিলা ও পুরুষরা একই রুমে রাত যাপন করে!যাগগে আমি মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে পুরো কাজ শেষ করে হাজারো অভিজ্ঞতা নিয়ে গোল্ডেন বেল্ট নামক সেনা ছাউনি থেকে বের হয়ে এলাম।
কাজের ফাকে ফাকে আমি খোজ রাখছিলাম প্লেন চালু হয় কিনা।শুনলাম জেদ্দা থেকে যাওয়া যাবে,কিন্তু আমি এতো মালামান নিয়ে ওদিক দিয়ে যাওয়া ভাল মনে করলামনা।একদিন এক ইন্ডিয়ানের নিকট শুনলাম এয়ার ইন্ডিয়া স্পেশাল প্লেন চালু করেছে।আমি খুজতে খুজতে কানু ট্রাভেলসে গিয়ে দেখি এলাহী কান্ড।হাজার হাজার লোকের লাইন।ছোট বেলায় নুতন সিনেমা এলে আমি লাইন ভেংগে টিকিট কাটার উস্তাদ ছিলাম।ভাবলাম এবার জান বাচানোর জন্য না হয় কাজটা করা যাক। আধা ঘন্টার চেষ্টায় কাউন্টারে পৌছে গেলাম।আমাকে একটা স্লিপে টিকিট বুকিং ডেট দিয়ে দিল।আমি তা হাতে পেয়ে যেন আকাসের চাদ পেলাম।কিন্তু বাইরে এসে দেখি ওটা বোম্বে পর্যন্ত!আমি আবারো ফিরে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম,আমার কানেক্টিং ফ্লাইট ঢাকার নাম নেই কেন? ওরাতো আশ্চর্য্য,তুমি বাংলাদেশী হয়ে এখানে লাইন দিয়েছো কেন?অনেক কথার শেষ কথা হলো এই সুযোগ শুধুই ভারতীয়দের জন্য।
আমি অপেক্ষা করছি আর প্রায় প্রতিদিনই দেশের সবাইকে শান্তনা দিই, এই আসছি বলে।একদিকে অফিসে আমার কাজ চলছে অন্যদিকে চলছে যুদ্ধ।আমি দিন দিন ভীত হয়ে পড়ছিলাম।মনে হচ্ছিল এই বুজি গ্যাস বোমা মেরে সাদ্দাম হোসেন আমাদের সবাইকে শেষ করে দিল। এবং টিভি টক শো গূলোতেও সেরকম ধারনাই দেয়া হচ্ছিল।দেশ থেকেও ফোনে আব্বা আম্মা এমনভাবে কাধছিল জেন আমি মৃত্যু পুড়িতে বসে আছি।ঠিক এই সময় আরো একটা খবর পেলাম,গালফ এয়ার ঢাকা রুটে প্লেন দেবে। তারাতারি আবারো বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সীতে দৌড় ঝাপ এবং এবার কাজ হয়েই গেল।২০ফেব্রুয়ারী সকাল দশটায় বাসযোগে আলখুবার থেকে বাহরাইন এবং সেখান থেকে প্লেনে মাস্কাট হয়ে আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো ২১ ফেব্রয়ারী সকালে ঢাকা।খুশির খবর চিৎকার করে সবাইকে জানাতে শুরু করলাম।
বিশ তারিখ প্রায় সারারাত ধরে আমার লাগেজগুলো দড়ি এনে বাধলাম এবং দাহরান টু ঢাকা লিখে লাইন দিয়ে সাজালাম আর মিঃবিনের মতো ঘাড় কাত করে বার বার সেগুলি দেখছিলাম, প্রথম ভেকেশনতো তাই!আমার দেশে যাওয়া উপলক্ষে বিদায় জানাতে আমার রুম ভর্তি বন্ধু-বান্ধবে ভরে গেল।সে জন্য স্পেশাল রান্নাও হলো।পরদিন সকালে বাহরাইনের উদ্যেশে প্লেন ধরার জন্য আমি বাসে উঠার আগেও একটা স্কাড এসে পড়লো,তাই গ্যাস মাস্কটা কাধেই ঝুলিয়ে নিলাম।রিয়াজ আমাকে কাধো কাধো চোখে রুম থেকেই বিদায় জানালো।
বাহরাইন একটি ছোট্ট দ্বীপ,আমাদের আল-খূবার থেকে দূরত্ব মাত্র ২৮ কিলোমিটারের কজওয়ে অথবা ব্রীজ যাই বলুননা কেন তা পার হলেই মানামা শহর। সাগরের মধ্য দিয়ে বিশ কিঃমিঃ দীর্ঘ এই ব্রীজ বা কজওয়ে সৌদি ও বাহরাইনের বন্ধুত্বের প্রতীক।ব্রীজের মাঝখানে বা অর্ধেক রাস্তায় সৌদি-বাহরাইনের ইমিগ্রেশন সেন্টার (ছবি দেখুন)। সেখানে আমাকে না্মে মাত্র চেক করা হলো,পাসপোর্ট নিয়ে এক্সিট সিল মেরে অফিসারটি হেসে দিয়ে বললেন জীবন নিয়ে পালাচ্ছ?ব্রীজ পার হয়েই বাহরাইনে প্রবেশ করলাম। দেখতে সৌদির শহরগুলির মতোই তবে মহিলাদের ড্রাইব করতে এদেশে মানা নেই।তাই অল্প রাস্তা পেরুতেই বেশ কয়েকজন মহিলাকে ড্রাইব করতে দেখে পুলকিত হলাম।সকাল ১১টায় এয়ারপোর্টে পৌছে শুনলাম আমাদের ফ্লাইট ডিলে হয়ে রাত আটটায় ছাড়বে!এই বাহরাইনও ইরাকের স্কাডের রেঞ্জের মধ্যেছিল,তাই ভয় ছিল এখানেও।এদিকে এয়ারপোর্টের মধ্যে আমাকে মাস্ক নিয়ে ঘুড়তে দেখে অনেক উৎসাহিত চোখ আমাকে দেখছিল।কারন এখানকার রাজা সৌদির মতো ফ্রিতে মাস্ক বিলি করেননি,তাই প্রায় দু’শ রিয়াল মূল্যের এই গ্যাস মাস্ক আমাদের মতো বিদেশীরা ঘাটের পয়সা খরচ করে কেনেননি। এক পাকিস্তানীতো ওটা আমার নিকট চেয়েই বসলেন।সে পঞ্চাশ রিয়াল পর্যন্ত আমাকে দিতে চাইল তবে আমি বিনীতভাবে তাকে মানা করলাম।আমার ই্চ্ছে ছিল এটা নিয়ে গিয়ে দেশের সবাইকে দেখাবো।
গ্যাস মাস্ক পরিহিত আমি
যাক সন্ধ্যা সাতটার দিকে আমাদের প্লেনে উঠার ডাক পড়লো।আমি প্লেনে উঠে যেন জান নিয়ে বাচলাম।আমার কেবলই মনের পর্দায় ভেসে বেড়াচ্ছিল গত পাচ সপ্তাহের ভয়াবহ যুদ্ধের স্মৃতি।কিন্তু অল্প কিছুক্ষনের মধ্যেই আমাদেরকে ওমানের রাজধানী মাস্কাটে নামিয়ে দিয়ে ঢাকার প্লেনে উঠার জন্য পাইলট ঘোষনা দিলেন।আমরা ঢাকার পেসেঞ্জার যারা ছিলাম সবাই নেমে গিয়ে এক রাস্তা দিয়ে এয়ারপোর্টে ঢুকে অন্য রাস্তায় প্লেনে উঠার জন্য যাচ্ছিলাম।তবে পাসপোর্ট এন্ট্রি-রিয়েন্ট্রির জন্য দাড়াতে হচ্ছিল। এখানে এক ইন্ডিয়ান অফিসার আমাকে ধড়ে ফেলল।আমার লেদার জ্যাকেটের পকেটে ছিল প্রায় ত্রিশটা সোনার চেইন আর আর কিছু সোনার অলঙ্কার। আমি বললাম সৌদি বা বাহরাইনের কাস্টমস এগুলো ছেরে দিয়েছে আর ওমানে আমিতো শুধুমাত্র ট্রানজিটে যাচ্ছি এয়ারপোর্টের বাইরে যাচ্ছিনা, আমাকে তোমরা অহেতুক হেনস্তা করছো কেন?কিন্তু সে কোন কথা না শুনে আমাকে একপাশে দাড় করিয়ে রাখলেন।আমি দাড়িয়ে দাড়িয়ে দেখলাম কিছুক্ষন তার পর সোজ়া চলে গেলাম অন্য এক আরবীয়(ওমানী হবে) অফিসারের নিকট।তাকে খুলে বললাম আমি যুদ্ধফেরত যাত্রী।আমার নিকট যা ছিল সব দিয়ে সোনা কিনে রেখেছিলাম।এখন আমি দেশে যাচ্ছি ওমানে আমি ঢুকছিনা তবে কেন আমাকে তোমরা আটকাচ্ছ!তিনি অবাক হলেন আমার কথায়,আমাকে সেই রাত তিনটায় তার রুমে বসিয়ে কফি খাওয়ালেন।আমি ভয়ে আছি প্লেন ছেরে দেয় কিনা।তিনি বুজতে পেরে অভয় দিয়ে জানতে চাইলো কি কি হচ্ছে সৌদিতে,আমেরিকানরা শহরে ঢূকে পড়েছে কিনা ইত্যাদি। একটা কথা বলে রাখা ভাল যুদ্ধের সময় আমেরিকান সৈন্য কিন্তু শহরে ঢুকেনি।তারা ব্যরাকে থেকেই ইরাকের সংগে যুদ্ধ করেছিল।যাইহোক পরে সেই ব্লাডি ইন্ডিয়ানকে বৃদ্ধাংগুলি দেখিয়ে প্লেনে উঠে পড়লাম।
ঢাকা জিয়া বিমানবন্দরে পৌছলাম সকাল দশটার দিকে।প্লেন থেকে নামার পর লক্ষ্য করলাম বিমান বন্দরের প্রায় সবাই আমাদেরকে উৎসুক দৃস্টিতে দেখছে,কেউ কেউ কাছে এছে জিজ্ঞেস করছে কি অবস্থা,কেমন ছিলাম ইত্যাদি।আমি তখন উদগ্রীব আমার আত্বীয়-স্বজনের কাছে যেতে।সেদিন কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সও কোন ঝামেলা ছারাই খুব তারাতারি হয়ে গেল।বাইরে এসে আব্বা,ভাই-বোনদের সবাইকে দেখলাম।ওদের সবাইকেই আমার নিকট খুব কালো মনে হচ্ছিল কিন্তু সেকথায় না গিয়ে তারা আমাকে কাছে পেয়েই জরিয়ে ধড়ে সেকি কান্না,আমিও স্থান কাল ভুলে খুব কাধলাম।আশপাশের লোকও সেদিন আমাদের এ দৃশ্য দেখে চোখে পানি ধরে রাখতে পারেনি।(চলবে)
পাদটিকাঃবাংলাদেশে আসার সাতদিনের মাথায় অর্থাৎ ২৮শে ফেব্রয়ারী যুদ্ধ শেষ হয়ে যায়।তার আগে আমার দেখা সেনা ছাউনী গোল্ডেন বেল্টে একটি স্কাড মিশাইল সফলভাবে আঘাত হানে।তাতে বেশ ক’জন আমেরিকান সৈন্যের মৃত্যু হয় বলে আমাদের দেশের পত্রিকায় খবর ছেপেছিল।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



